খালেদা জিয়া সিসিইউ তে থাতলেও ভালো আছেন: জানালেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক

 

ঢাকার এভার কেয়ার হাসপাতালের করোনারী কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়া ‘স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস নিচ্ছেন’ বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক দলের সদস্য অধ্যাপক ডা. ৎএজেডএম জাহিদ হোসেন।

সোমবার রাত ৮টায় এভার কেয়ার হাসপাতালের সামনে উপস্থিত সাংবাদিকদের বিএনপি চেয়ারপারসনের সর্বশেষ অবস্থা জানান তিনি।

অধ্যাপক জাহিদ বলেন, করোনারী কেয়ার ইউনিটে উনি আছে। এই ইউনিটে যখন রোগী থাকে তখন তো সেটা স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসই নেয়।

খালেদা জিয়া কেমন আছেন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, দেখুন- আমি এখানে আসার কয়েক মিনিট আগে উনার (খালেদা জিয়া) সঙ্গে দেখা করে আসছি, আমি উনার সঙ্গে কথা বলে এসেছি। উনি কেমন আছেন খোঁজ নিয়েছি।

সকালের দিকে শ্বাসকষ্ট অনুভব করলে চিকিৎসকরা বিকাল ৪টায় খালেদা জিয়াকে সিসিইউতে স্থানান্তর করেন।

অধ্যাপক জাহিদ হোসেন বলেন, আজকে ভোরের দিকে উনি একটু শ্বাসকষ্ট অনুভব করেন। উনি যখন শ্বাসকষ্ট অনুভব করেন চিকিৎসকরা উনাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর উনাদের সম্মিলিত সিদ্ধান্তে ম্যাডামকে সিসিইউতে নেওয়া হয়।

উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনাদের মাধ্যমে আমরা দেশবাসীর কাছে অনুরোধ করব যে, উনার (খালেদা জিয়া) রোগমুক্তির জন্য আপনারা মহান রাব্বুল আ’লামীনের কাছে দোয়া করার জন্য বলবেন।

কী কারণে শ্বাসকষ্টটা হলো প্রশ্ন করা হলে ডা. জাহিদ বলেন, আপনাদের বুঝতে হবে মানুষের যে কোনো সময় যে কোনো পরিস্থিতিতে শ্বাসকষ্ট হতে পারে। উনার পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে এবং সেগুলো এখানকার চিকিৎসকরা কালেকটিভলি করছেন।সেই পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সঙ্গে সঙ্গে দেশে বিদেশে কনসালটেন্টদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করা হচ্ছে।পরবর্তিতে বিস্তারিত জানা যাবে।

এভার কেয়ার হাসপাতালে বিএনপি চেয়ারপারসন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ শাহাবুদ্দিন তালুকদারের তত্ত্বাবধায়নে চিকিৎসাধীন। গত ২৭ এপ্রিল  ওই হাসপাতালে ভর্তির পরদিনই তার জন্য ১০ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ার পর গত ১১ এপ্রিল থেকে গুলশানের ভাড়া বাসা ‘ফিরোজা’য় থেকে ব্যক্তিগত চিকিৎসক টিমের তত্ত্বাবধায়নে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন খালেদা জিয়া। ১৪ দিন পর আবার পরীক্ষা করা হলে তখনও তার করোনাভাইরাস ‘পজিটিভ’ আসে।

এরপর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ২৭ এপ্রিল রাতে তাকে এভার কেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। চেস্টের সিটিস্ক্যান ও কয়েকটি পরীক্ষার পর সেই রাতেই তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে ‘ফিরোজা’র বাসায় বিএনপি চেয়ারপারসন ছাড়াও আরও ৮ জন করোনায় আক্রান্ত হন। তবে ফিরোজার সব স্টাফরা ইতোমধ্যে করোনামুক্ত হয়েছেন।

৭৫ বছ বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি তাকে কারাগারে যেতে হয়। দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু পর পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে গত বছরের ২৫ মার্চ সরকার নির্বাহী আদেশে শর্তসাপেক্ষে তাকে ছয় মাসের জন্য সাময়িক মুক্তি দেয়। পরে আরও দুই দফায় মেয়াদ বাড়ানো হয়। মুক্তি পাওয়ার পর খালেদা জিয়া গুলশানে ভাড়া বাসা ফিরোজায় থেকে ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধায়নে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। তার সঙ্গে বাইরের কারও যোগাযোগ সীমিত। সূত্র: যুগান্তর

//অনলাইন প্রতিবেদন//

আরও পড়ুন…

চট্টগ্রাম করোনা আপডেট…

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে সরকার দেশের অর্থনীতিকে সচল রেখেছে: সালাম মূশের্দী

 

খুলনা-৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূশের্দী বলেছেন, করোনাকালীন সময়ে গোটা বিশ্ব যখন স্থবির হয়ে পড়েছে তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে সরকার দেশের অর্থনীতিকে সচল রেখেছে।

সরকার একদিকে লকডাউনের মাধ্যমে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ করার ব্যবস্থা করছে। অন্যদিকে ভ্যাকসিন প্রদান করার মাধ্যমে দেশের মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করছে। লকডাউনকালীন সময়ে কর্মহীন হয়ে পড়া দুঃস্থ-অসহায় মানুষদের সর্বাত্ত্বক সহযোগিতা করে যাচ্ছেন বর্তমান সরকার। আমি চাই আমার নির্বাচনী এলাকা তেরখাদা, রূপসা, ও দিঘলিয়ার গরীব দুঃখী মানুষ যাতে অভুক্ত না থাকে। তার জন্য আমি আমার ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রাখব।

রূপসা উপজেলার নৈহাটি ইউনিয়নে ২ শতাধিক গরীব, অসহায় ও দু:স্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন। সালাম মূশের্দী সেবা সংঘের আয়োজনে আজ মঙ্গল্বার বিকালে রূপসা উপজেলার নৈহাটি ইউনিয়নের গরিব-অসহায়দের মাঝে নৈহাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় মাঠে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আ’লীগের সদস্য ও অধ্যক্ষ ফ ম আব্দুস সালাম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, নৈহাটি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান,ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন বুলবুল, এমপি সালাম মূর্শেদীর প্রধান সমন্বয়ক নোমান ওসমানী রিচি, সাবেক চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘের টিম লিডার ও যুবলীগ নেতা সামসুল আলম বাবু, আকতার ফারুক,নাজির হোসেন,মামুন শেখ,বাদশা মিয়া, জসিম সরদার,হামিদ খান ভাসানী, তরিকুল ইসলাম, ছাত্রলীগ নেতা রিয়াজ, রাহা,হিমেল,সোহেল, জাহিদ, ইমরান প্রমুখ।

 আ: রাজ্জাক শেখ:

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে উন্নিত হয়েছে: – সালাম মূশের্দী

 

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এখন উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে উন্নিত হয়েছে। সেখানে এই মহামারীতে গরীব মানুষ যাতে না খেয়ে থাকে সেজন্য আমার নির্বাচনী এলাকায় করোনাকালীন সময় এই ত্রান বিতরণ অব্যাহত থাকবে।

সাংসদ ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে রবিবার দিঘলিয়া উপজেলায় খাদ্য সামগ্রী বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন। এমপির নিজস্ব অর্থায়নে ও সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘে’র মাধ্যমে দিঘলিয়া সদর ইউনিয়নের তিন শতাধিক গরীব, অসহায় ও দু:স্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হয়।

দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সভাপতি খান নজরুল ইসলাম এর সভাপতিত্ব, অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন দিঘলিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি ও উপজেলা যুবলীগের সদস্য হাবিবুর রহমান তারেক।

 

এসময় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুল আলম, উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য মোল্যা আকরাম হোসেন, জেলা আওয়ামীলীগ সদস্য ও এমপি প্রতিনিধি অধ্যক্ষ ফ ম আব্দুস সালাম, এমপি মহোদয়ের প্রধান সমন্বয়ক নোমান ওসমানী রিচি, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-প্রচার সম্পাদক মোঃ মকবুল হোসেন, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এর সভাপতি শেখ আনছার আলী, সাধারন সম্পাদক মুঞ্জুর হোসেন, সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘের টিম লিডার সামসুল আলম বাবু, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এর সহ-সভাপতি শেখ আব্দুল হান্নান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য কে এম আসাদুজ্জামান, উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক(ভারপ্রাপ্ত) শেখ আনিসুর রহমান, উপজেলা যুবলীগের সহ-সম্পাদক মোড়ল হাসান মাহমুদ রাকিব, উপজেলা যুবলীগের সহ-সম্পাদক গাজী জিয়াউর রহমান, উপজেলা দিঘলিয়া সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক সৈয়দ জামিল মোর্শেদ মাসুম,যুগ্ম-আহবায়ক শেখ মোঃ আলামীন সহ ইউনিয়নে সকল ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি, সাধারন সম্পাদক বৃন্দ ও ইউনিয়নস্থ সকল সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

করোনাকালীন সময়ে গরীব-অসহায় মানুষ যাতে খাদ্যে কষ্টে না ভোগে, সে জন্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী এমপি তার নির্বাচনী এলাকা রূপসা ও তেরখাদায় ইতিমধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করছেন। তারই ধারাবহিকতায় দিঘলিয়ায় আজ এই আয়োজন করা হয়।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

হেফাজতের কেন্দ্রীয় সহকারি মহাসচিবকে গভীর রাতে গ্রেফতার

 

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সহকারি মহাসচিব ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

মঙ্গলবার রাত ১২টা ৫৫ মিনিটের দিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুর জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখার পরিচালক লে. কর্নেল খায়রুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, বুধবার আতাউল্লাহ আমীনকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

কিন্তু কোন মামলায় হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিবকে গ্রেফতার করা হয়েছে সে বিষয়ে কিছুই জানাননি র‌্যাবের এই কর্মকর্তা।

আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সূত্রে জানা গেছে, হেফাজত নেতা আতাউল্লাহ আমীনের বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের মামলা রয়েছে।

গভীর রাতে ডিবি পরিচয় দিয়ে মাওলানা আতাউল্লাহ আমীনকে নিয়ে যাওয়া হয় বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন হেফাজতের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়জী।

তিনি জানান, গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে রাহমানিয়া মাদ্রাসায় অবস্থান করছিলেন মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন।

এ নিয়ে হেফাজতের অন্তত দশজন কেন্দ্রীয় নেতাকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার দেখিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর আগে মঙ্গলবার হেফাজতের সহ-সভাপতি মাওলানা কোরবান আলী কাসেমীকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

এর আগে মোহাম্মদপুর থানার মামলায় গ্রেফতার হন হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক।

//অনলাইন ডেস্ক//

বরিশালে বিভিন্ন দাবীদাওয়া নিয়ে বাসদের মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

 

মহামারী করোনা সংক্রমনে দেশ তথা সারা বিশ্ব ক্ষতিগ্রস্থ। বরিশাল নগরীতে লকডাউনে শ্রমজীবী মানুষের জন্য অর্থ বরাদ্দ ও রেশনিং ব্যবস্থা চালু এবং নগরীতে একটি আইসোলেশন সেন্টার চালুর দাবীতে বরিশালে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।  বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) বরিশাল জেলা শাখার উদ্যোগে  ১১ এপ্রিল সকাল ১১টায় নগরীর সদর রোডের অশ্বিনী কুমার হলের সামনে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সবাপতিত্ব করেন জেলা বাসদের আহ্বায়ক প্রকৌশলী ইমরান হাবিব রুমন,  অনুষ্ঠিনানে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের জেলা শাখার সদস্য সচিব ডা. মনিষা চক্রবর্তী, মহানগর ছাত্রফ্রন্টের প্রচার সম্পাদক বিজন সিকদার এবং শ্রমিক ফ্রন্টের সাধারন সম্পাদক মনিক হাওলাদার সহ অন্যান্যরা।

সমাবেশে বক্তারা লকডাউনে শ্রমজীবী মানুষের জন্য অর্থ বরাদ্দ ও রেশনিং ব্যবস্থা চালু এবং নগরীতে একটি আইসোলেশন সেন্টার চালুর দাবী জানান।

এর আগে নগরীর ফকির বাড়ি রোডের দলীয় কার্যালয় চত্ত্বর থেকে বাসদের একটি বিক্ষোভ বের হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে অশ্বিনী কুমার হলের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

সমাবেশ শেষে দাবী সংবলিত একটি স্মারকলিপি ই-মেইলে জেলা প্রশাসক বরাবর পাঠানো হয় বলে জানিয়েছেন জেলা বাসদ সদস্য সচিব ডা. মনিষা চক্রবর্তী ।

// পলাশ চন্দ্র দাস: বরিশাল //

 

মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানেপর সহিংসতায় এপর্যন্ত মৃত্যু ৭০০

 

মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে চলমান বিক্ষোভে সামরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর সহিংসতায় অন্তত সাত শ’ একজন নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। মিয়ানমারের অবস্থা পর্যবেক্ষণকারী এক সংস্থার বরাত দিয়ে রোববার এই তথ্য জানায় আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।

থাইল্যান্ডভিত্তিক সংস্থা অ্যাসিসটেন্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনারস (এএপিপি) তাদের শনিবারের প্রতিবেদনে জানায়, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ইং সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকে শনিবার পর্যন্ত দেশটিতে বিক্ষোভে সামরিক জান্তার দমন অভিযানে অন্তত সাত শ’ একজন নিহত হয়েছেন।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, বিক্ষোভ সংশ্লিষ্টতায় সামরিক জান্তার হাতে বন্দী রয়েছে তিন হাজার ১২ জন। এছাড়া গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি রয়েছে আরো ৬৫৬ জনের নামে।

এদিকে ৯ এপ্রিল শুক্রবার রাত থেকে শুরু হওয়া মিয়ানমারের মধ্যাঞ্চলীয় শহর বাগোতে নিরাপত্তা বাহিনীর দমন অভিযানে অন্তত ৮২ জন নিহত হয়েছে।

বাগোর বিভিন্ন সড়কে সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের তৈরি ব্যারিকেড সামরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ভাঙতে এলে সংঘর্ষে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশ ও সৈন্যরা বৃষ্টির মতো বাগোর সড়কে গুলি ও গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। নিহতদের লাশ তারা স্থানীয় প্যাগোডা ও স্কুল মাঠে জড়ো করে রাখে।

১ ফেব্রুয়ারি তাতমাদাও নামে পরিচিত মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী দেশটিতে সেনা অভ্যুত্থান ঘটায় এবং প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট ও স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চিসহ রাজনৈতিক নেতাদের গ্রেফতার করে। সাথে সাথে দেশটিতে এক বছরের জন্য জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। গত বছর ২০২০ সালের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে বিতর্কের জেরে এই অভ্যুত্থান ঘটায় সামরিক বাহিনী।

সেনা অভ্যুত্থানের প্রতিবাদে ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে মিয়ানমারের বিভিন্ন শহরেই বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীরা অং সান সু চিসহ বন্দী রাজনৈতিক নেতাদের মুক্তির পাশাপাশি সামরিক শাসন প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছেন।

সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি

//আন্তর্জাতিক অনলাইন ডেস্ক//

সরকার আরও প্রশ্রয় দিলে এক সময় হেফাজতকে নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে যাবে – মিছবাহুর রহমান চৌধুরী

 

শিশু-কিশোরদের রাজনৈতিক মাঠে নামিয়ে হেফাজত ইসলামবিরোধী কাজ করছে বলে উল্লেখ করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মিছবাহুর রহমান চৌধুরী৷ ডয়চে ভেলেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি একথা বলেন৷

মিছবাহুর রহমান চৌধুরী, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোট

তার মতে, এখনো হেফাজতকে নিয়ন্ত্রণ কঠিন নয়, যদি সরকার ইচ্ছা করে৷ তবে সরকার আরো বিলম্ব করলে বা আরো প্রশ্রয় দিলে এক সময় কঠিন হয়ে যাবে৷

ডয়চে ভেলে : মোদিকে বলা হচ্ছে সাম্প্রদায়িক নেতা, কিন্তু যারা তার সফরের বিরোধিতা করেছেন তারাও কি সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করছেন?

মিছবাহুর রহমান চৌধুরী : যারা মোদির সফরের বিরোধিতা করেছেন, বিশেষ করে আমি কওমি আলেমদের ব্যাপারে বলব, তাদের পূর্বসূরিরা বা তারাও সবাই সাম্প্রদায়িক না৷ যেমন ধরেন তারা দেওবন্দকে অনুসরণ করেন৷ এটা ভারতে৷ দেওবন্দের যখন একশত বার্ষিকী পালন করা হল, তখন ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকে প্রধান অতিথি করা হয়েছিল৷ এটা ১৯৮১-৮২ সালের ঘটনা৷ এছাড়া তাদের যারা মুরুব্বি মাওলানা হোসাইন আহমেদ মাদানী তো বিখ্যাত হাদিস বিশারদ ছিলেন৷

তিনি জহরলাল নেহেরু, সরদার প্যাটেলদের সঙ্গে একই মঞ্চে অনেক বক্তৃতা করেছেন৷ কিন্তু এখন যারা মোদি বিরোধী বলে কাজ করছেন তারা একটা সাম্প্রদায়িক ও ফ্যাসিস্ট দলের খপ্পরে পড়ে গেছেন৷ এই দলটি বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেনি কখনও৷ স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীকে, নিজেদের ছাত্র সংগঠন দিয়ে সশস্ত্র ক্যাডার তৈরি করে তারা সহযোগিতা করেছেন৷ এখন যে ক’জন কওমি আলেম মাঠে বক্তৃতা বিবৃতি দিচ্ছেন এটা অত্যন্ত সুস্পষ্ট যে দলটির খপ্পরে তারা পড়েছেন যে কোন আঁতাতের ভিত্তিতে তারা সাম্প্রদায়িক কর্মকাণ্ড করছেন৷

ভারতেও তো বিপুল সংখ্যক মুসলমান রয়েছে৷ এখানে মোদির সফরের বিরোধিতা করলে কি তাদের  বিপদ হতে পারে?

তাদের উদ্দেশ্য তো মোদি নয়৷ তাদের উদ্দেশ্য হল বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করা৷ তাদের উদ্দেশ্য হল বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমতাচ্যুত করা৷ তাদের উদ্দেশ্য হল দেশে একটা বিশৃঙ্খলা করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করা৷ গত কয়েকদিনে যারা ভাঙচুর, জ্বালাও পোড়াও করলেন তাদের গত ছয় মাসের বক্তৃতা বিবৃতি একত্রিত করেন তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন তাদের লক্ষ্য কী ছিল৷

হেফাজত তো অরাজনৈতিক ধর্মীয় সংগঠন৷ তাদের কি  রাজনৈতিক পক্ষ বা প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখা ঠিক হচ্ছে?

হেফাজতের সবাই তো বিভিন্ন নামে রাজনীতি করেন৷ আহমদ শফির ইন্তেকালের পর যিনি নেতৃত্ব দিচ্ছেন তার ব্যাপারে তো অনলাইন বা বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় আসছে তিনি জামায়াতের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন৷ তাদের পরামর্শেই তিনি বিভিন্ন কর্মসূচি দিচ্ছেন৷ এ কারণে আমি আগেই আপনাকে বলছি, জামায়াতে ইসলামী নামক ফ্যাসিস্ট রাজনৈতিক দলের খপ্পরে তারা পড়েছেন৷

আহমদ শফির মৃত্যুর পর হেফাজত কি আগের আদর্শ থেকে সরে এসেছে?

আহমদ শফি সাহেব যখন হেফাজত প্রতিষ্ঠা করেন তখন আদর্শ ছিল যেসব ব্লগার আল্লাহ ও রাসুলের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করেন এদের বিরুদ্ধে হবে তাদের আন্দোলন৷ ইসলামের মূল নীতির যারা বিরোধিতা করবেন তাদের বিরুদ্ধেই হবে এদের আন্দোলন৷ এটাতে উনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন৷ যখন উনি আন্দোলন করলেন তখন উনি দেখলেন শেখ হাসিনা সরকার আলেমদের ব্যাপারে শ্রদ্ধাশীল৷ আলেমদের জন্য তিনি কল্যাণকর কাজ করেছেন৷ এক শতাব্দীব্যাপী তাদের শিক্ষা সনদের কোন স্বীকৃতি ছিল না৷ প্রধানমন্ত্রী এই শিক্ষা সনদের স্বীকৃতি দিয়েছেন৷ সারা বাংলাদেশের ৮৫ হাজার মসজিদকে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আওতায় এনে সেখানে কোরআন শিক্ষার ব্যাবস্থা করে ইমামদের সম্মানি দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন৷ ৫৬০টি জেলা-উপজেলায় মসজিদ তৈরি করে আলেমদের জন্য চাকরির ব্যবস্থা করেছেন৷ প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, প্রত্যেকটি প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি স্কুলের জন্য ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেবেন৷ এইসব তারা বানচাল করে দিতে চাচ্ছেন৷ এই রহস্যটাই আমি বুঝতে পারি না কেন তারা এই কাজ করতে চাচ্ছেন৷

হেফাজতের দাবির সঙ্গে বাম রাজনৈতিক দলগুলোর দাবি মিলে যাচ্ছে৷ আওয়ামী লীগের বিপক্ষে কি সবাই একতাবদ্ধ হচ্ছেন?

অনেকেই হবেন৷ যারা আওয়ামী লীগকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চান তারা নিজেদের আদর্শ বিসর্জন দিয়ে হলেও মিলে যাওয়ার একটা প্রক্রিয়া নিচ্ছেন এটাই আমরা শুনতে পাচ্ছি৷

কওমি মাদ্রাসাগুলোকে কি রাজনৈতিকরণ করা হচ্ছে? 

এইটা খুবই দুঃখজনক৷ যে কোন আন্দোলনে তারা শিশু-কিশোরদের নিয়ে মিছিল করেন৷ এই সরাইল হাইওয়েতে তারা যে আন্দোলন করেছে, সেখানে এত শিশু ছিল যে পুলিশ গুলি করতে ভয় পেয়েছে৷ এই শিশুদের তারা নিয়ে গেছেন৷ এগুলো ইসলামের পরিপন্থি কাজ৷ অথচ তারা ইসলামের নাম নিয়ে করছেন৷ এটার সুফল তারা পাবেন তো নাই, বরং সমস্ত কওমি অঙ্গনকে তারা কলুষিত করছেন৷

এই শিশুদের মধ্যে উগ্র মনোভাব তৈরি করা হচ্ছে৷ আপনি খেয়াল করবেন নারায়নগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় যে পিকেটিংটা হলো সেখানে বিভিন্ন মসজিদ থেকে নামাজের জন্য এসো না বলে আন্দোলনে যাওয়ার আহবান জানানো হয় মাদ্রাসা ছাত্রদের৷ এই যে, দেশের কোমলমতি শিশুদের তারা যে শিক্ষা দিচ্ছেন দেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে, স্বাধীনতার জনকের বিরুদ্ধে, স্বাধীনতার স্থপতির বিরুদ্ধে এবং এমন বক্তৃতা বিবৃতি দিচ্ছেন যে সরকার ইসলামের ঘোর দুশমন৷ এভাবেই এই বাচ্চাদের মনে তারা ঘৃণা সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছেন৷ এটা তো আত্মঘাতি, নিজেদের জন্যই তারা ক্ষতি করছেন৷ সারা দুনিয়ায় দেশের ইমেজ কমবে, ধর্মের ইমেজ কমবে৷ আফগানিস্তানের মতো তারা দেশটাকে একটা অস্থিতিশীল জায়গায় পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন৷

সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো কী বার্তা দেয়? 

বাংলাদেশ কখনই সাম্প্রদায়িক দেশ হবে না৷ এটার প্রমাণ দেখেন যে, স্বাধীনতার পর যতগুলো নির্বাচন হয়েছে সেখানে যারা ইসলামপন্থি বলে প্রচার করে তাদের মানুষ ভোট দেয়নি৷ কেন দেয়নি, যদি সেই প্রশ্ন করেন তাহলে বুঝবেন তারা ধার্মিক কিন্তু তারা ধর্মান্ধ নয়৷ তারা জানে, গুন্ডামি, গোড়ামি, ভন্ডামি এগুলো ধর্ম না৷ ধর্ম হবে উদার, ধর্ম হবে অসাম্প্রদায়িক, ধর্ম হবে ভালোবাসার৷ আল্লাহ কোরআন শরীফে বারবার বলেছেন, তোমরা সীমা লঙ্ঘন করো না৷ সীমালঙ্ঘনকারীকে আল্লাহ পছন্দ করেন না৷ তারা তো একদিকে সীমা লঙ্ঘন করছেন, মানুষকে ভুল বার্তা দিচ্ছেন৷ মিথ্যাচার করছেন৷ ওয়াজ মাহফিলে গিয়ে তারা কোরআন হাদিসের কথা বাদ দিয়ে নানা ধরনের কিচ্ছা কাহিনী বলে মিথ্যা তথ্য দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করে ব্যবসা করছেন৷

অনেকেই অভিযোগ করেন, সরকারের প্রশ্রয়ে হেফাজত আজকের অবস্থানে এসেছে? এখন তাদের নিয়ন্ত্রণ সরকারের জন্য কঠিন হয়ে যাচ্ছে?

আপনি যেটা বললেন সেটা আংশিক সত্য৷ নিয়ন্ত্রণ কঠিন নয়, যদি সরকার ইচ্ছা করে৷ তবে সরকার আরো বিলম্ব করলে বা আরো প্রশ্রয় দিলে এক সময় কঠিন হয়ে যাবে৷  সূত্র: ডয়েচে ভেলে

// অনলাইন নিউজ //

খাদ্য নিরাপত্তা, আইসিইউ চালু, প্রয়োজনীয় লোকবল নিয়োগসহ বিভিন্ন দাবিতে বিক্ষোভ ও মানব বন্ধন

 

সারা বিশ্বের সাথে পাল্লাদিয়ে বাংলাদেশেও বইছে করোনা মহামারীর সুনামি। এবারের করোনার ধরণ- বরণ গতবারের থেকে ভিন্ন প্রকৃতির। ০২/ ৩ দিনের মধ্যেই ফুসফুসকে আক্রান্ত করার ক্ষমতা রাখে।যার ফলে অক্সিজেন ও আইসিইউ প্রয়োজনীয় দেখা দিয়েছে ব্যাপকহারে।

গত কয়েকদিন যেভাবে গাণিতিক হারে করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বড়ছে তাতে করে জেলা,উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের কমিউনিটি ক্লিনিক ও হাসপাতালগুলোতে যথেষ্ট সংখ্যক ডাক্তার, নার্স ও অক্সিজেনের পর্যাপ্ত মজুদ রাখার প্রয়োজন হবে।

এই সকল দিক বিবেচনা করে -১. যশোর জেনারেল হাসপাতালে আইসিইউ চালু,২.ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অবকাঠামো উন্নয়নসহএমবিবিএস ডাক্তার ও প্রয়োজনীয় লোকবল নিয়োগ ও ০৩. করোনাকালীন সময়ে নিম্ন আয়ের লোকেদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করণের দাবিতে আজ ০৮ এপ্রিল -২০২১ রোজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১ ঘটিকায় যশোর প্রেসক্লাবের সামনে বাম গণতান্ত্রিক জোট যশোর জেলা শাখা বিক্ষোভ ও মানব বন্ধন কর্মসূচি পালন করে।

বাম গণতান্ত্রিক জোটের জেলা সমন্বয়ক কমরেড অ্যাড. আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ ও মানব বন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বক্তরা সরকার ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, করোনার শুরুতে আমরাসহ যশোরবাসী আইসিইউ চালুর দাবি করেছিলাম।আমাদের দাবির মুখে আইসিইউ- এর ঘোষণা দিয়ে মাত্র কয়েকটি বেড দিয়ে যশোরবাসীর সাথে তামাশা করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও প্রশাসন। তাদের দাবি ক্রাশ প্রোগ্রামের মাধ্যমে যশোরে আইসিইউ চালু করতে হবে।

বক্তরা গ্রামীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রেশনিং ব্যবস্থা চালু করার দাবি জানান। এ দাবি আদায়ের জন্য আগামী ১৩ এপ্রিল সকাল ১১ ঘটিকায় ডিসি অফিসের সামনে অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দেন। বিক্ষোভ ও মানব বন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন কমরেড আবুল হোসেন, জিল্লুর রহমান ভিটু।

কমরেড ইকবাল কবির জাহিদ, নাজিমউদ্দীন, আমিনুর রহমান হিরু,কামাল হাসান পলাশ,মিজানুর,পলাশ বিশ্বাস সহ বামগণতান্ত্রিক জোটের নেতাকর্মীসহ সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।

// স্বীকৃতি বিশ্বাস,  নিজস্ব প্রতিনিধি //

মিয়ানমারে সশস্ত্র বাহিনীর গুলিতে ৪৩ শিশু নিহত

 

সেফ দ্য চিলড্রেন জানিয়েছে মিয়ানমারে সশস্ত্র বাহিনীর গুলিতে অন্তত ৪৩ শিশু নিহত হয়েছে  । বৃহস্পতিবার সংস্থাটি জানিয়েছে, মিয়ানমারে দুঃস্বপ্নের পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নিহতদের মধ্যে সাত বছরের শিশুটিই সবচেয়ে কম বয়সী।

০১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী। দেশটিতে অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে এ পর্যন্ত পাঁচ শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সশস্ত্র বাহিনী হরহামেষাই সড়কে গুলি চালিয়ে মানুষদের হত্যা করেছে। এমনকি কিছু কিছু মানুষকে বাড়িতে গিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

নিহত সাত বছরের খিন মায়ো চিতের পরিবার বিবিসিকে জানিয়েছে, বাড়িতে অভিযান চালানোর সময় খিন যখন তার বাবার কোলে ছুটে যাচ্ছিল তখনই নিরাপত্তা বাহিনী গুলি করে। এর কিছুক্ষণ পর মারা যায় শিশুটি। মান্ডালেতে বাড়ির ভেতরে অবস্থানের সময় গুলিতে নিহত হয় ১৪ বছরের আরেক শিশু। এছাড়া ইয়াঙ্গুনে সড়কে খেলার সময় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত হয় ১৩ বছরের আরেক শিশু।

সেভ দ্য চিলড্রেন সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘাত চলাকালে বিপুল সংখ্যক শিশু আহত হয়েছে।

অনলাইন ডেস্ক।।

বিএনপি নেতা ডা. শাহাদাতকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ বিজ্ঞ আদালতের

 

 চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেনকে এক কোটি টাকা চঁাদা দাবী মামলায় জেল গেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত। বুধবার দুপুরে অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মহিউদ্দিন মুরাদের আদালত নির্দেশ প্রদান করেন। গত সোমবার গ্রেফতারের পর মঙ্গলবার বিকালে চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম সরোয়ার জাহানের আদালতে হাজির করা হলে আদালত ডা. শাহাদাত হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন

এর আগে গত সোমবার সন্ধায় নগরীর পাঁচলাইশ এলাকার বেসরকারী ট্রিটমেন্ট হাসপাতালে নিজ চেম্বার থেকে ডা. শাহাদাতকে গ্রেফতার করা হয়। পরে নগর বিএনপির সাবেক সহ দফতর সম্পাদক নারী নেত্রী লুসি খানের দায়ের করা এক কোটি টাকার চাঁদা দাবীর মামলায় আটক দেখানো হয়

ডা. শাহাদাত হোসেনের আইনজীবী চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট এনামুল হক জানান, চকবাজার থানার চঁাদা দাবী অপহরণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ডা. শাহাদাত হোসেনকে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন পুলিশ। আদালত শুনানী শেষে ডা. শাহাদাতকে জেল গেটে জিজ্ঞাসাবাদ করার আদেশ প্রদান করেছেন। অন্য দুই মামলায় রিমান্ডের আবেদন করা হয় নি

উলে­খ্য নগরীর কাজীর দেউরীতে চট্টগ্রাম বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ মিছিলকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে দুইটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলা দুইটিতে বিএনপি চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান শামীম, মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন, নগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাসেম বক্কর, চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলার বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান সহ ৫৭ জনের নাম উলে­ পূর্বক আরো অজ্ঞাত নামা ৫০৬০ জনকে আসামী করে কোতোয়ালী থানায় করা মামলায় ডা. শাহাদাতকে গ্রেফতার দেখানো হয়

 রিপোর্টার: আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ।।