চুল পরা রোধে রসুনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা জানলে আপনি অবাক হয়ে যাবেন…!

 

চুল পরা রোধে রসুনের গুরুত্ব অনেকেই জানেননা কারণ ঘন, লম্বা ও রেশমি চুল কার না পছন্দ। বিশেষ করে চুলের যত্নের পেছনে অনেক সময় ব্যয় করে থাকেন নারীরা। তবে এ বিষয়ে পিছিয়ে নেই পুরুষরাও। চুলের যত্নে কত কিছুই না করে থাকি আমরা। নারিকেলের তেল, আমলকী, লেবু, টকদই, নিমপাতাসহ বিভিন্ন ধরনের উপকরণ ব্যবহার করে থাকি।

রুক্ষ চুলের সমস্যায় ভুগছেন? গোছা গোছা চুল উঠছে? সেই সঙ্গে অকালপক্বতা? এখনকার ব্যস্ত জীবনে চুলের কোনো না কোনো সমস্যা রয়েছে প্রায় প্রত্যেকেরই। একদিকে দূষণের আধিক্য, অন্যদিকে জেল, স্ট্রেটনার ও কেমিক্যালের কারিগরিতে চুলের হাল দফারফা।

তবে কখনও কি শুনেছেন রসুন ব্যবহারে পেতে পারেন নজরকাড়া চুল। শুনে হয়তো বিশ্বাস হচ্ছে না। তবে ঘটনা কিন্তু সত্যি। চুলে রসুন ব্যবহার থেকে আপনাকে কিছু বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। 

জানেন তো, ঘন ও লম্বা চুল করতে রসুনের জুড়ি মেলা ভার। অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল গুণসমৃদ্ধ রসুন চুলের গোড়া মজবুত করে। রসুনের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন ‘সি’, যা চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে, রুক্ষতা দূর করে। খুশকির সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

আসুন ছবিতে দেখে নিই কীভাবে রসুন ব্যবহার করলে পাবেন নজরকাড়া চুল-

প্রথমে রসুনের পেস্ট বানিয়ে নিন। এবার তার সঙ্গে মধু মিশিয়ে চুলের গোড়া থেকে লাগান। ৩০ মিনিট ওই মিশ্রণ লাগিয়ে রেখে ঠাণ্ডা জলে ভালো করে চুল ধুয়ে নিন।

চুল পরা রোধে রসুনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

রসুন ভালো করে বেটে নিয়ে তার সঙ্গে উষ্ণ গরম নারিকেল তেল মিশিয়ে হেয়ারপ্যাক বানিয়ে ফেলুন। ভালো করে চুল ও স্ক্যাল্পে ওই মিশ্রণ লাগিয়ে রাখুন। আধ ঘণ্টা লাগিয়ে রেখে চুল ধুয়ে ফেলুন।

চুল পরা রোধে রসুনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

চুল ভালো রাখতে বাড়িতেই বানিয়ে নিন রসুনের তেল। ওলিভ ও নারিকেলের তেলের সঙ্গে রসুন মিশিয়ে সারা রাত রেখে দিন। পর দিন চুলে ভালো করে ওই মিশ্রণ লাগিয়ে ঘণ্টাখানেক রেখে চুল ধুয়ে নিন।

চুল পরা রোধে রসুনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

রসুন ও আদা একসঙ্গে বেটে নিন। এবার ওই মিশ্রণ যে কোনো ভালো ওলিভ তেলে মিশিয়ে গরম করুন। মিশ্রণ বাদামি হয়ে এলে সেটি চুলে ১৫ মিনিট ধরে ম্যাসাজ করুন। এর পর আধাঘণ্টা রেখে ভালো করে চুল ধুয়ে নিন।

চুল পরা রোধে রসুনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
রসুনের তেল

 

চুল পরা রোধে রসুনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

 

পেঁয়াজের রস চুল পড়া রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং রসুনও যাদুবিদ্যার মতো কাজ করে। এটি কেবল চুল পড়া রোধ করে না, মাথার ত্বকের সংক্রমণ এবং খুশকি দূর করতে সহায়তা করে। শুধু এটিই নয়, রসুনের সাহায্যে নতুন চুল বাড়ানো সম্ভব।

 

 

বিশেষজ্ঞদের মত, তেলের মতো করে চুলে ও মাথার ত্বকে রসুনের রস লাগালে অনেক দ্রুত নতুন চুল গজায়। রসুনের রসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ এলিসিন যা রক্তে হিমোগ্লোবিন সঞ্চালন বাড়িয়ে দিয়ে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। এ ছাড়া রসুনে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে কপার যা চুলকে ঘন ও স্বাস্থ্যজ্জ্বল করে তোলে।

 

রসুনের রস ব্যবহার পদ্ধতি

প্রথম ধাপ: প্রথমে রসুন পেস্ট করে এর রস বের করে নিতে হবে। এরপর একটি এয়ার টাইট বোতলে তা সংরক্ষণ করতে হবে। যাতে যখন প্রয়োজন তখন তেলের মতো করে এই রস চুলে ব্যবহার করা যায়।

 

দ্বিতীয় ধাপ: চুল শুষ্ক হলে গোলাপজলের পানিতে তা আধঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। গোলাপজল চুলের ময়েশ্চারাইজার ধরে রাখে। এই আধঘণ্টা পর ভালো করে চুলে ও মাথার তালুতে রসুনের রস লাগাতে হবে।

 

তৃতীয় ধাপ: চুলে রসুনের রস লাগিয়ে আধঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে। এরপর চিরুনি দিয়ে তা আঁচড়াতে হবে। তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। এবার চুলে ভালো করে মাইল্ড শ্যাম্পু লাগিয়ে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এর ১৫ মিনিট পর কন্ডিশনার লাগিয়ে ঠান্ডা পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে।

কতদিন বা কয় দিন পরপর ব্যবহার করবেন?

১. অতিরিক্ত হারে চুল পড়লে সপ্তাহে অন্তত দু’দিন রসুনের রস ব্যবহার করতে পারেন। এতে এক মাসের মধ্যে মাথায় নতুন চুল গজাতে পারে।

২. মাথার তালুতে ক্ষত থাকলে রসুনের রস ব্যবহার না করাই ভালো। কারণ এটি ব্যবহারে ক্ষত আরও বেড়ে যেতে পারে।

৩. মাথার ত্বক তৈলাক্ত হলে চুলে তেল দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এক্ষেত্রে শুধু রসুনের রস লাগাতে হবে।

।। অনলাইন ডেস্ক ।।

হায়রে আমাদের বেঁচে থাকাটাই যে দেশে আশ্চর্য !!!

হায়রে আমাদের বেঁচে থাকাটাই যে দেশে আশ্চর্য !!!

হায়রে আমাদের বেঁচে থাকাটাই যে দেশে আশ্চর্য !!! একবারো চিন্তা করেছি সকাল থেকে রাত কি খাচ্ছি?

১. সকালে ঘুম থেকে উঠে কোলগেট পেস্ট নিলাম- তার মধ্যে ক্যান্সারের উপাদান!

২. নাস্তায় পরোটা খাইলাম- তার মধ্যে অ্যামোনিয়ার তৈরি সল্টু মিশানো!

৩. কলা খাইলাম- কার্বাইড দিয়ে পাকানো!

৪. কফি নিলাম- এতে তেঁতুলের বিচির গুড়া মিশানো!

৫. বাজারে গেলাম টাটকা শাঁক সবজি কিনলাম-
কপার সালফেট ছিটায়ে সতেজ করা, হাইব্রিড সার দিয়ে ফলানো!

৬. মসলা আর হলুদের গুড়া নিলাম – লেড এবং ক্রোমাইট ক্যামিকেল মিশানো!

৭. গরমের দিন বাসায় এসে তরমুজ খাইলাম – পটাশিয়াম পারম্যাংগানেট দিয়ে লাল করা!

৮. আম এবং লিচু বাচ্চাকে দিলাম খেতে – কার্বাইড দিয়ে পাকানো এবং ফরমালিন দিয়ে সংরক্ষিত!

৯. দুপুরে ভাত খাবো – ইউরিয়া দিয়ে সাদা করা!

১০. মুরগি নিলাম প্লেটে- ক্রমাগত এন্টিবায়োটিক দিয়ে বড় করা!

১১. সয়াবিন তেলে রান্না সব- ভিতরে অর্ধেক পাম অয়েল মেশানো!

১২. খাওয়ার পর মিষ্টি জিলাপি নিলাম- পোড়া মবিল দিয়ে মচমচে করা!

১৩. রোজা থাকলে সন্ধ্যায় রুহ আফযা নিলাম- ক্যামিকেল আর রং ছাড়া কোন পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়নি পরীক্ষায়!

১৪. খেজুর খাইলাম- বছরের পর বছর স্টোরেজে ফরমালিন দিয়ে রেখেছিলো!

১৫. সরিষার তেল দিয়ে মুড়ি মাখানো খাইলাম- মুড়ি ইউরিয়া দিয়ে ফুলানো আর সাদা করা এবং সরিষার তেলে ঝাঁঝালো ক্যামিকাল মিশানো!

রাতে আবার একই বিষ ডবল খাইলাম!
ঘুমানোর আগেও বাদ যাবেনা।

১৬. গরম দুধ আর হরলিক্স খাইলাম- গাভীর পিটুইটারি গ্রন্থিতে ইঞ্জেকশন দেওয়ার পর অতিরিক্ত দুধ দোওয়ানো হয়, এরপর ইউরিয়া মেরে সাদা করা হয়।আর হরলিক্সে পরীক্ষা করে ক্যামিকাল ছাড়া কোন পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়নি!

এত ভেজাল খেয়ে দু একটা ঔষধ না খেলে তো শরীর টিকবেনা। ৭০ ভাগ ঔষধ কোম্পানি দেশে মান সম্মত ঔষধ তৈরি করে না।

এইসব খাওয়ার পর ভাবতেছি, কেমনে বেঁচে আছি!
[একমাত্র আল্লাহ ই কি আমাদেরকে রক্ষা করছেন না? এরপরও কি আমরা আল্লাহর শোকর আদায় করছি?]

মানুষের ঈমান তো না-ই কারণ দুর্নীতির ভিতরেও এরা দুর্নীতি করে। আসলে আমরা কেউই বেঁচে নাই।

Collected From: G.M. Masud Iqbal Rana’s Profile

।। অনলাইন ডেস্ক ।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

প্রাকৃতিক দূর্যোগ ইয়াসের বিশাল থাবাও রুখতে পারেনি ধর্মীয় বিশ্বাসকে

বাঁশখালীতে দরিদ্র পরিবারের ২-৫ বছর বয়সী শিশুদের মাঝে খাদ্য বিতরণ

 

বাঁশখালীতে দরিদ্র পরিবারের  মাঝে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও  ত্রান মন্ত্রনালয়ের উদ্যোগে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় জরুরী মানবিক সহায়তা হিসেবে  অসহায়  দরিদ্র পরিবার ২-৫ বছরের শিশুদের মাঝে  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রদত্ত শিশু খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

 

আজ বৃহস্পতিবার  (২৭ মে)  দুপুর ১২ টায় চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলা পরিষদ কার্যালয় থেকে বাঁশখালীর বিভিন্ন  ইউনিয়ন ও পৌরসভার ১শত ৩০ পরিবারের সাধারণ শিশুদের মাঝে শিশুখাদ্য বিতরণ করা হয়েছে। জনপ্রতি প্রতিটি প্যাকেটে ছিল ১ কেজি চিনি, সুজি ১ কেজি, মাক্স দুধ ৫০০ গ্রাম, সাগু ৫০০ গ্রাম , বাদাম ২৫০  গ্রাম ,মশর ডাল ৫০০ গ্রাম, সয়াবিন তেল ৫০০ গ্রাম, খেজুর, চিনি গুড়া চাল ৫০০ গ্রাম।

 

বাঁশখালী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবুল কালাম মিয়াজীর সভাপতিত্বে এ শিশু খাদ্য বিতরন অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুজ্জামান চৌধুরী, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শাকেরা শরীফ, বাঁশখালী পৌরসভার ৪,৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর রোজিয়া সোলতানা,দৈনিক দেশ রুপান্তর ও আজাদী প্রতিনিধি কল্যান বড়ুয়া মুক্তা,দৈনিক সংগ্রাম ও দিনকাল প্রতিনিধি আব্দুল জাব্বার,দৈনিক মানবকন্ঠ ও দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ প্রতিনিধি মুহা. মিজান বিন তাহের প্রমূখ।

 

এ ব্যাপারে বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইদুজ্জামান চৌধুরী  বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও  ত্রান মন্ত্রনালয়ের অধীনে জেলা প্রসাশন উদ্যোগে করোনা ভাইরাস সংক্রমন পরিস্থিতি মোকাবেলায় জরুরী মানবিক সহায়তা হিসেবে  অসহায়  দরিদ্র পরিবার  ২-৫ বছরের শিশুদের মাঝে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রদত্ত  উপহার সামগ্রী হিসেবে বাঁশখালীর বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভার অসহায় দরিদ্র পরিবারের ১৩০ জন শিশুদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

 

//মোঃ আবদুল জববার, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

একজন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারকে লুঙ্গি খুলে পেটানোর হুমকি দিল কে এই হুইপ

 

হাসপাতালেই ঈদ কাটলো বেগম খালেদা জিয়া ও রওশন এরশাদের

 

হাসপাতালেই ঈদ কাটলো সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদের। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ফলে ঈদের দিনে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাদের সাক্ষাত হচ্ছে না।

গত ২৭ এপ্রিল থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ৩ মে থেকে তিনি হাসপাতালে করোনারি কেয়ার ইউনিটে ভর্তি রয়েছেন। ইতোমধ্যে তিনি কোভিড নেগেটিভ হলেও বেশকিছু জটিলতা রয়েছে। ফলে এবারের ঈদে তিনি হাসপাতালে থাকছেন। অবশ্য খালেদা জিয়ার হাসপাতালে ঈদ এটাই প্রথম নয়। কারাবন্দি থাকাবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার সময়ও একাধিক ঈদ তিনি হাসপাতালে কাটিয়েছেন।

এদিকে ১ মে থেকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ। দলীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছেন। তার শারীরিক অবস্থা ১ মে এর তুলনায় ভালো হলেও ঈদের দিনে তাকে হাসপাতালে কাটাতে হবে।

কোভিড সংক্রমণের কারণে এ বছর কোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি নেই। তার ওপর দল দুটির শীর্ষ দুই নেত্রী হাসপাতালে থাকায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ঈদের বাড়তি উদযাপনের কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি।

ঈদের দিন খালেদা জিয়ার সঙ্গে হাসপাতালে তার ভাই শামীম ইস্কান্দার ও দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের দেখা করবেন। এরপর দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করবেন তিনি।

আর রওশন এরশাদের সঙ্গে তার ছেলে সাদ এরশাদ নিয়মিত যেমন দেখা করতে যান, তেমনই ঈদের দিনও তিনি দেখা করতে যাবেন বলে জানা গেছে।

এই দুই শীর্ষ নেতা ছাড়া দল দুটির বেশিরভাগ নেতার ঈদের দিন কাটবে অনেকটা পারিবারিক আবহে।

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, এবার দলটির অধিকাংশ সিনিয়র নেতা ঢাকায় স্বেচ্ছায় হোম কোয়ারেন্টিনে থেকে নিজ নিজ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করবেন। দলটির স্থায়ী কমিটির বেশিরভাগ নেতা করোনা পরবর্তী বিভিন্ন রোগে এখনও ভুগছেন। ভাইস চেয়ারম্যানদের অনেকের একই অবস্থা। ফলে এবারের ঈদে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নেতাদের বেশিরভাগই নিজ নিজ নির্বাচনীয় এলাকায় ঈদ উদযাপন করতে যাচ্ছেন না।

দলটির নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, ডা. এ জেড এম জাহিদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্সসহ দলের নেতারা ঢাকায় ঈদ করবেন।

বিএনপির নেতারা বলছেন, দেশে বর্তমানে বিধিনিষেধ চলছে। যদিও সরকারের অব্যবস্থাপনার কারণে বিধিনিষেধ সেভাবে কার্যকর হয়নি। অন্যদিকে, দলীয় প্রধান খালেদা জিয়া হাসপাতালে। তার শারীরিক অবস্থা এখন পর্যন্ত সন্তোষজনক নয়। কখন কী ঘটে বলা যায় না। তাকে হাসপাতালে রেখে নেতাদের এলাকায় গিয়ে ঈদ উদযাপন করা দৃষ্টিকটুও দেখায়। ইতোমধ্যে দেশে করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে। ফলে, নেতাদের বয়স ও শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির নেতাদের মধ্যে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ঈদের দিন সকালে নিজ নির্বাচনী এলাকা সিরাজগঞ্জ যাবেন। তবে, তিনি এলাকায় গেলেও ঘর থেকে বের হবেন না।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের, দলের মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহম্মেদ বাবলু, কো-চেয়ারম্যান রুহুল আমিন হাওলাদারসহ অধিকাংশ নেতা এবার ঢাকায় ঈদ করছেন।

জানা গেছে, রাজনীতিবিদের মধ্যে গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন, বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী দীর্ঘদিন স্বেচ্ছায় ঘরবন্দি আছেন। এ দুই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ গত বছরের মার্চ মাসে দেশে করোনার সংক্রমণ দেখা দেওয়ার পর থেকে স্বেচ্ছায় ঘরবন্দি আছেন।

// অনলাইন ডেস্ক //

————————–

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

 

 

 

 

খালেদা জিয়ার কোনো অঘটন ঘটে গেলে তার দায় সরকারের’- আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন

 

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কোনো অঘটন ঘটে গেলে তার দায় সরকারের বলে মন্তব্য করেছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের এ মতামত বেআইনি।

খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে তার ছোট ভাই শামীম এস্কান্দার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন। এ সংক্রান্ত ফাইলে আইন মন্ত্রণালয়ের মতামতে বলা হয়েছে, ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০১ ধারার অধীনে খালেদা জিয়াকে বিদেশে যেতে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। আইন মন্ত্রণালয়ের মতামতটি রোববার সকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

পরে বিকালের দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিকদের বলেন, আইনের বাইরে গিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার কোনো সুযোগ নেই। এজন্য বিএনপি চেয়ারপারসনের আবেদন মঞ্জুর করতে পারছি না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে খালেদা জিয়ার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, এটি সম্পূর্ণ বেআইনি। তিনি বলেন, এ আইনে এমন কোনো বিধান নেই যে কোনো দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বিদেশে যেতে পারবে না। এ আইন করাই হয়েছে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের জন্য।

‘চিকিৎসা শেষে ফিরে আসতে হবে- সরকার এই শর্ত দিতে পারত’- এমন মন্তব্য করে খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, খালেদা জিয়া তিনবারের প্রধানমন্ত্রী। তার অবস্থা অত্যন্ত জটিল। সরকার বিষয়টি মানবিকভাবে দেখতে পারত।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার চিকিৎসার ব্যাপারে সরকারের নিজেরই উদ্যোগ নেওয়া উচিত। অনুমতি না দিয়ে সরকারের এত বড় দায়ভার নেওয়া উচিত হয়নি। যদি কোনো অঘটন ঘটে যায় তখন সম্পূর্ণ দায়ভার সরকারের ঘাড়ে পড়বে। আইনকে তো মানবিকভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে।

অনলাইন ডেস্ক।।

——————————-

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ডা: মনীষা চক্রবর্তীর খাদ্য সাহায্য…

 

 

 

বেগম খালেদা জিয়া লন্ডনে চিকিৎসা নিতে চান: সরকার ইতিবাচক

 

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার তোড়জোড় চলছে। খালেদা জিয়ার পরিবারের আবেদনে সরকার ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে, যদিও এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক অনুমতি দেওয়া হয়নি। আগামী রোববার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

ইতিবাচক মনোভাবের পর খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার জোর প্রস্তুতি শুরু করেছে বিএনপি ও তার পরিবারের সদস্যরা। দলটির চেয়ারপারসনের পাসপোর্ট নবায়ন, ভিসাসহ আনুষঙ্গিক কাজ দ্রুত শেষ করার চেষ্টা চলছে। যাতে অনুমতি পেলে যে কোনো মুহূর্তে তাকে বিদেশ নেওয়া যায়।

পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে যুক্তরাজ্যে নেওয়ার জন্য জোর তৎপরতা চালানো হচ্ছে। সেখানে তার বড় সন্তান ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান রয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বৃহস্পতিবার যুগান্তরকে বলেন, খালেদা জিয়ার মধ্যে কোভিড-১৯ সংক্রমণ-পরবর্তী বিভিন্ন জটিলতা রয়েছে।

সেজন্য ‘মানবিক’ বিবেচনায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নেওয়ার অনুমতি দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

পরিবারের আবেদনের পর বৃহস্পতিবার বিকালে সচিবালয় থেকে এ সংক্রান্ত নথিপত্র আইনমন্ত্রীর বাসায় নিয়ে যান আইন সচিব গোলাম সারওয়ার। খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে আইনের কোনো ব্যত্যয় আছে কিনা জানতে চাইলে সচিব বলেন, ‘এ বিষয়ে মাননীয় মন্ত্রী কথা বলবেন। আমি কিছু বলব না। শামীম ইস্কান্দার সাহেব বিদেশ নেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন, এটা রিপোর্টে আছে। আমি ফাইলগুলো নিয়ে যাচ্ছি মন্ত্রী মহোদয়ের ওখানে।’

আবেদনে কোন দেশের কথা বলা আছে জানতে চাইলে সচিব বলেন, ‘না, ওনারা কোনো কিছু উল্লেখ করেননি। শুধু চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার কথা বলেছেন। আর কিছু বলেননি। পরবর্তী প্রক্রিয়া কী হবে জানতে চাইলে আইন সচিব বলেন, আমরা মতামত দিলে সেটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সামারি (সংক্ষিপ্ত) আকারে প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাবে। তিনি আরও বলেন, আমরা ফাইল নিয়ে যাচ্ছি, তিনি দেখবেন। মন্ত্রী মহোদয় সিদ্ধান্ত দিলে, তখন হবে।’

সরকার ও বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, আইন মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ দ্রুত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যেতে পারে। এরপর তা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে। চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে পারবেন না বলে যে শর্ত দেওয়া হয়েছে তা তুলে নিয়ে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করলে খালেদা জিয়ার বাইরে যেতে আর কোনো বাধা থাকবে না।

উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ নেওয়ার অনুমতি চেয়ে বুধবার রাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেন খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম এস্কান্দার। লিখিত আবেদনটি মতামতের জন্য রাতেই তা আইন সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে।

বিএনপি সূত্র জানায়, খালেদা জিয়ার বিদেশ যাওয়ার ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে ইতিবাচক মনোভাব দেখানো হয়েছে। সরকারের মনোভাব জানার পর বিদেশ নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করে খালেদা জিয়ার পরিবার। বুধবার রাতেই বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনারের সঙ্গে দেখা করেন শামীম এস্কান্দার। খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা জানিয়ে তাকে যুক্তরাজ্যে নেওয়ার সহযোগিতা চান তিনি। হাইকমিশনার যুক্তরাজ্য সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে শামীম এস্কান্দারকে জানান, তার সরকার বিএনপি চেয়ারপারসনের চিকিৎসা করাতে সব ধরনের সহযোগিতা করবে। যুক্তরাজ্যে যেতে তার সরকার ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে বলে হাইকমিশনার তাকে অবহিত করেন। সরকারের সবুজ সংকেত পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার সকালে খালেদা জিয়ার পাসপোর্ট নবায়নের প্রক্রিয়া শুরু করেন শামীম এস্কান্দার। সকালে আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে খালেদা জিয়ার পাসপোর্ট নবায়নের জন্য জমা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে পাসপোর্ট পাওয়ার পর ভিসার জন্য তা যুক্তরাজ্য হাইকমিশনে জমা দেওয়া হবে।

।।অনলাইন ডেস্ক।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

অভয়নগরে খালেদা জিয়ার সুস্থ্যতা কামনা….

‘বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশ পাঠানোর বিষয়ে সরকার ইতিবাচক’

 

বিএনপি চেয়ারপারসন করোনা আক্রান্ত খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ পাঠানোর বিষয়ে সরকার ইতিবাচক বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার প্রয়োজন হলে সরকার ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখবে।

বুধবার রাতে খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশ পাঠানোর আবেদন নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় গিয়েছেন তার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার। এ সময় চিকিৎসার আবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে বলেও আশ্বস্ত করেছেন আসাদুজ্জামান খান কামাল। বিষয়টি দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে।

করোনা আক্রান্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে রাখা হয়েছে। তাকে নিয়মিত অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে।এমতাবস্থায় তাকে বিদেশ নিয়ে চিকিৎসা দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

খালেদা জিয়াকে বিদেশ নেওয়ার অনুমতি চাইতে সোমবার রাতে তার ভাই শামীম ইস্কান্দার ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করেন। তারা খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

খালেদা জিয়া যদি বিদেশ যেতে আবেদন করেন, তাহলে সরকারের পক্ষ থেকে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে- এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার বলেছিলেন, এটি আদালতের বিষয়। প্রধানমন্ত্রী যে ধারায় সাজা স্থগিত রেখে চিকিৎসা নেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন, এর বাইরে অন্য কোনো সুযোগ নিতে চাইলে তাকে আদালতে যেতে হবে। আরও কিছু পেতে হলে কোর্টের মাধ্যমে আসতে হবে।

তবে এ ব্যাপারে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক যুগান্তরকে বলেন, বিদেশে যেতে বা বিদেশি চিকিৎসা নিতে পারবেন না- সরকারের দেওয়া সেই শর্ত শিথিল করলে খালেদা জিয়ার বিদেশে যেতে আইনগত কোনো বাধা থাকে না। এটা নির্ভর করছে একেবারেই সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর। কিন্তু এখনও বিএনপি বা খালেদা জিয়ার পরিবারের তরফ থেকে এরকম কোনো আবেদন পাইনি।

জানতে চাইলে অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর অনুমতির বিষয়ে পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। কারণ সরকার খালেদা জিয়াকে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দিয়েছে। সরকারই এই শর্ত শিথিল করতে পারবেন। পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকারই বলবে তারা আদালতে যাবেন না কী করবেন।

 

অনলাইন ডেস্ক।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে চায় পরিবার

এএমআর হতে পারে  করোনার চেয়েও ধ্বংসাত্মক, জানালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা 

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, করোনাভাইরাস মহামারির চেয়ে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) আরও ধ্বংসাত্মক হবে যা সঠিকভাবে প্রতিরোধ করা সম্ভব না হলে খাদ্য সুরক্ষা এবং উন্নতির পাশাপাশি ভৌগলিক অবস্থানসহ প্রতিটি জীবকে বিপন্ন করতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোভিড-১৯ মহামারিটি আমাদের সময়ের সংজ্ঞায়িত জনস্বাস্থ্য সংকট যা ইতোমধ্যে ৩০ লাখেরও বেশি লোকের জীবন নিয়েছে। তবে অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) আকারে আসন্ন মহামারীটি বিশ্বস্বাস্থ্যের আরও বেশি ক্ষতি সাধন করবে।

মঙ্গলবার ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে ‘অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স অন ওয়ান হেলথ গ্লোবাল লিডার্স গ্রুপ’ এর প্রথম সভার উদ্বোধনী অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে ধারণকৃত ভাষণটি অনুষ্ঠানে সম্প্রচারিত হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব নেতাদের সতর্ক করেন যে, অ্যান্টি ড্রাগ প্রতিরোধ কেবল মানব, প্রাণী এবং উদ্ভিদের স্বাস্থ্যকেই বিপন্ন করবে না, পাশাপাশি তা খাদ্য সুরক্ষা এবং এসডিজি (টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য) অর্জনের অগ্রগতির জন্যও হুমকি স্বরূপ।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, অ্যান্টি ড্রাগ রেজিস্ট্যান্স ভৌগলিক অবস্থান এবং আর্থ-সামাজিক অবস্থা নির্বিশেষে যে কোনো ব্যক্তিকে প্রভাবিত করতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী এএমআর নিয়ন্ত্রণ এবং সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ (আইপিসি) ব্যবস্থা কঠোরভাবে মেনে চলা নিশ্চিত করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, গ্লোবাল অ্যাকশন প্ল্যান-২০১৫ এবং এএমআর-তে জাতিসংঘের রাজনৈতিক ঘোষণা-২০১৬ বাস্তবায়নের মাধ্যমে এটি সম্ভব।

এএমআর-তে গ্লোবাল লিডার্স গ্রুপের সহ-সভাপতি শেখ হাসিনা বার্বাডোসের প্রধানমন্ত্রী মিয়া আমোর মোটোলি এবং অন্যান্য বৈশ্বিক নেতাদের সাথে এএমআর এর হুমকির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একত্রে কাজ করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী এএমআরের আসন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য বিশ্বব্যাপী কৌশলগুলো কার্যকর ও সহযোগিতামূলক পদ্ধতির মাধ্যমে কার্যকর করার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও), এফএও (খাদ্য ও কৃষি সংস্থা) এবং ওআইই (পশুর স্বাস্থ্যের জন্য বিশ্ব সংস্থা) এর চলমান প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন। বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে সম্মিলিত পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

আসন্ন এএমআর মহামারি পটভূমির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী কার্যকরভাবে এএমআর নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে তাদের ধ্বংস কার্যকর করার জন্য বিশ্বের সামনে সাতটি পরামর্শ রেখেছেন।

প্রধানমন্ত্রী তার প্রথম প্রস্তাবে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স কন্টেইনমেন্ট-এআরসির লক্ষ্য অর্জনের জন্য বৈশ্বিক, আঞ্চলিক ও জাতীয় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ এবং সমীক্ষা তদারকির পাশাপাশি প্রতিবেদনের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি তার দ্বিতীয় এবং তৃতীয় প্রস্তাবে কার্যকর এবং অন্তর্ভুক্ত এএমআর নজরদারি এবং ক্ষমতা বৃদ্ধি নিশ্চিত করার জন্য অ্যান্টিমাইক্রোবায়ালগুলোর যথাযথ ব্যবহার এবং বৈজ্ঞানিক জ্ঞান এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা ভাগ করে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন স্তরে নীতি ও নীতি বিকাশের পরামর্শ দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী তার চতুর্থ প্রস্তাবনায় প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং মালিকানা ভাগ করে নেওয়ার মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যের এবং কার্যকর অ্যান্টিবায়োটিক এবং অন্যান্য চিকিৎসা সুবিধাগুলোতে ন্যায়সঙ্গত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন।

তিনি তার পঞ্চম প্রস্তাবনায় স্বল্প ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে বিশেষ মনোযোগ দিয়ে এএমআর-নির্দিষ্ট এবং এএমআর-সংবেদনশীল কর্মের জন্য পর্যাপ্ত এবং টেকসই অর্থায়ন নিশ্চিত করার পক্ষে মতামত দিয়েছেন।

ষষ্ঠ ও সপ্তম প্রস্তাবনায় এএমআর প্রতিরোধে বিনিয়োগের জন্য সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের প্রয়োজনীয়তার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক, সাশ্রয়ী এবং টেকসই সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা কভারেজের ওপর জোর দিয়েছেন বাংলাদেশ সরকারপ্রধান।

বাংলাদেশের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার দেশীয় স্তরে কার্যকর অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল ব্যবহার নিশ্চিত করতে ছয় বছরের জাতীয় কৌশলগত পরিকল্পনা এবং এআরসিতে জাতীয় কর্মপরিকল্পনার আওতায় অসংখ্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানব স্বাস্থ্য, গবাদি পশু, মৎস্য ও কৃষি খাতে অ্যান্টিমাইক্রোবায়ালের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই পরিকল্পনাটি তৈরি করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তার সরকার ২০১৪ সাল থেকে ডাব্লিউএইচও গ্লাস প্ল্যাটফর্মে এএমআর ডেটা সরবরাহ করে আসছে এবং অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল প্রতিরোধের বিষয়ে গণমানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে মিডিয়াকে জড়িত করার জন্য কাজ করছে।

// অনলাইন ডেস্ক //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ক্ষতিগ্রস্থ দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মধ্যে আর্থিক সহায়তা

 

খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে চায় পরিবার, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে মির্জা ফখরুলের ফোন

 

হঠাৎ শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে চায় পরিবার। এ জন্য সোমবার রাতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন।

এর আগে সোমবার ভোরের দিকে শ্বাসকষ্ট শুরু হলে কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর বিকালে তাকে সিসিইউতে নেওয়া হয়। গত ২৭ এপ্রিল হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন কেবিনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। তবে  তিনি স্বাভাবিকভাবেই শ্বাস-প্রশ্বাস নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন মেডিকেল বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক ডা. জাহিদ হোসেন।

এদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিতে চায় পরিবার। তার চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নিতে আগ্রহী বলে জানা গেছে। এজন্য সরকারের উচ্চ পর্যায়ে তার পরিবার ও বিএনপির পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে যোগাযোগ করা হয়েছে। 

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে খালেদা জিয়ার ভাই শামীম ইস্কান্দার ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে টেলিফোনে খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ নেওয়ার বিষয়ে আলাপ করেন। তারা খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

জানা গেছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিষয়টি আদালতের এখতিয়ার বলে বিএনপি মহাসচিবকে জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এ বিষয়ে সরকারের অন্যান্যদের সঙ্গে আলাপ করে পরবর্তীতে জানানো হবে।

এ ব্যাপারে রাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে টেলিফোন করা হলে তিনি তা ধরেননি। তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার শরীফ মাহমুদ যুগান্তরকে বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মাননীয় মন্ত্রীকে ফোন দিয়েছিলেন। তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের স্বাস্থ্যগত বিষয়টি অবহিত করেছেন। তবে এ ব্যাপারে কোনো লিখিত আবেদন দেননি।

জানতে চাইলে খালেদা জিয়ার বোন সেলিমা ইসলাম বলেন, খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেয়ার বিষয়ে লিখিত কোনো আবেদন এখনও করা হয়নি ।

এদিকে রাত ৮টার দিকে এভার কেয়ার হাসপাতালের সামনে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন অধ্যাপক ডা. জাহিদ হোসেন। খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা গুরুতর কিনা, তিনি স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারছেন?- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে  ডা. জাহিদ বলেন, করোনারি কেয়ার ইউনিটে যখন যে রোগী থাকেন তারা স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস নেন।  আমি উনার (খালেদা জিয়া) সঙ্গে কথা বলে এসেছি। ম্যাডাম স্বাভাবিকভাবেই শ্বাস প্রশ্বাস নিচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, সোমবার ভোরে খালেদা জিয়া শ্বাসকষ্ট অনুভব করেন। এর পরপরই বিভিন্ন পরীক্ষা-নীরিক্ষা করানো হয়। পরে মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকদের সংক্ষিপ্ত সিদ্ধান্তে ম্যাডামকে সিসিইউতে নেয়া হয়। তার রোগমুক্তির জন্য খালেদা জিয়া দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন বলেও জানান ডা. জাহিদ।

কি কারণে খালেদা জিয়ার শ্বাসকষ্ট হচ্ছে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মানুষের যে কোনো সময়, যে কোনো পরিস্থিতিতে শ্বাসকষ্ট হতে পারে। ম্যাডামের সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। সংশ্লিষ্ট দেশী-বিদেশী যে চিকিৎসকরা  আছেন তাদের সিদ্ধান্তে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর বিস্তারিত জানাতে পারবো।

তবে খালেদা জিয়ার আবারও করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে কিনা সাংবাদিকদের এ প্রশ্ন এড়িয়ে যান ডা. জাহিদ হোসেন।

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে ভর্তির পর সেখানে এক থেকে দুদিন রাখার কথা বলেছিলেন তার চিকিৎসকেরা। তখন তারা (চিকিৎসক) জানিয়েছিলেন, খালেদা জিয়ার করোনোর কোনো উপসর্গ নেই। তাই তাকে হাসপাতালের নন-কোভিড জোনে রেখেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। একদিন পর চিকিৎসার জন্য অধ্যাপক ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয় । গত রোববার মেডিকেল বোর্ড বৈঠকে বসে সব পরীক্ষার রিপোর্ট পর্যালোচনা করে নতুন করে কিছু শারীরিক পরীক্ষাও দেন।

গত ১১ এপ্রিল খালেদা জিয়ার করোনা শনাক্ত হয়। এরপর থেকে গুলশানের বাসা ‘ফিরোজায়’ তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এফএম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে চিকিৎসা শুরু হয়। করোনা আক্রান্তের ১৪ দিন অতিক্রান্ত হওয়ার পর খালেদা জিয়ার করোনা টেস্ট করা হলে ফলাফল আবারও পজিটিভ আসে। ‘ফিরোজা’র বাসায় বিএনপি চেয়ারপারসন ছাড়াও আরো ৮ জন করোনায় আক্রান্ত হন। তবে গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’র সব স্টাফরা ইতোমধ্যে করোনামুক্ত হয়েছেন।

৭৫ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি তাকে কারাগারে যেতে হয়। দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু পর পরিবারের আবেদনে সরকার গত বছরের ২৫ মার্চ সরকারের নির্বাহী আদেশে শর্তসাপেক্ষে তাকে ছয় মাসের জন্য সাময়িক মুক্তি দেয়। পরে আরও দু’ দফায় মেয়াদ বাড়ানো হয়। মুক্তি পাওয়ার পর খালেদা জিয়া গুলশানে  ভাড়া বাসা ফিরোজায় থেকে ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধায়নে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। তার সঙ্গে বাইরের কারও যোগাযোগ সীমিত। সূত্র: যুগান্তর

// অনলাইন ডেস্ক //

 পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ভবদহের জলাবদ্ধতা

অভয়নগরে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও তরিকুল ইসলামের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত 

যশোরের অভয়নগরে বিএনপি চেয়ার পার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও মরহুম তরিকুল ইসলামের রুহের মাগফেরাত কামনা করে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় ৷
৩রা মে সোমবার শংকরপাশা গ্রামে তারেক জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোঃ জিয়াউর রহমান ওরফে জিয়া মোল্যার সভাপতিত্বে এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে ৷ ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন,  তারেক জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির  যুগ্ন আহবায়ক মোঃ আজিজুর রহমান রিপন ৷
বিশেষ অতিথি অভয়নগর থানা  বিএন পির সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোঃ মতিয়ার রহমান ফারাজী,পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ আবু নঈম মোড়ল, সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক মোঃ হারুনউর রশিদ(যশোর) , যশোর জেলা তারেক জিয়া পরিষদের  আহবায়ক মোঃ মুজা উদ্দীন আহম্মেদ কচি , বিএনপির সাবেক সাধারণ -সম্পাদক মোঃ গোলাম হায়দার ডাবলু কাজী, সদস্য সচিব ইব্রাহিম খলিল টুলুসহ স্থানীয় থানা,পৌর বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠণের নেতৃবৃৃৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ৷
//মোঃ শফিকুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি//