জাতির পিতার স্বপ্ন ছিলো স্বাস্থ্যসেবা গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছে দেয়া — জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

 

জাতির পিতার স্বপ্ন ছিলো সোনার বাংলা গড়ার সাথে সাথে গ্রম গঞ্জে স্বাস্থ সেবা পৌছে যিাবে । খুলনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলার সকল উপজেলায় করোনাকালীন এবং করোনা পরবর্তী সময়ে নিয়মিত অক্সিজেন সরবরাহ চালু রাখতে অক্সিজেন সিলিন্ডার ব্যাংক, হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা ও ২০ শয্যা বিশিষ্ট আইসিইউ সুবিধার ভিত্তিমূল নিশ্চিতকরণ প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন বুধবার দুপুরে খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

 

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপজেলা পর্যায়ে রোগীদের জন্য নিয়মিত অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিতে খুলনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগ এক অনন্য নজির স্থাপন করলো। জাতির পিতার স্বপ্ন ছিলো স্বাস্থ্যসেবাকে গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছে দেয়া। প্রায় সাড়ে ১৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক এ লক্ষ্যে কাজ করছে।

 

স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নের ফলে দেশের মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পেয়েছে। করোনা পরিস্থিতে দেশের সকল জেলা ও উপজেলায় সরকার গৃহীত পদক্ষেপের ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে। তিনি আরও বলেন, দূরবর্তী ও বিছিন্ন উপজেলায় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে উদ্যোগটি একটি মাইল ফলক যা অন্যদের জন্য একটি নজির হয়ে থাকবে। উল্লেখ্য, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে করোনাকালীন আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী খুলনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বাংলাদেশে প্রথমবারের মত অক্সিজেন সিলিন্ডার ব্যাংক, ৪ টি করে হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা সম্বলিত ২০ শয্যাবিশিষ্ট আইসিইউ বেড সুবিধার ভিত্তি স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন করা হয়।

 

উপজেলা প্রশাসন/উপজেলা পরিষদের নিজস্ব অর্থায়নে, জেলার স্থানীয় রিসোর্স ফান্ড এবং জাইকার সমন্বয়ে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে বাস্তবায়িত এই প্রকল্পে সহায়ত প্রদান করেছে খুলনার সিভিল সার্জনে কার্যালয়, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক, শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের পরিচালক, সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রকৌশলী এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসমূহ।

 

এ প্রকল্প সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়িত হলে জেলার উপজেলা পর্যায়ে রোগীদের হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা এবং স্বয়ংক্রিয় অক্সিজেন সিলিন্ডার ব্যাংকের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহ করা যাবে। শিশুদের নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কিওলাইটিস, ন্যাসোফ্যারিঞ্জাইটিস, ফুসফুসের নানাবিধ সংক্রমণ ও বয়স্কদের হৃদরোগসমূহ যেমন হার্ট ফেইলিওর, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, মেটাবলিক এসিডোসিস, সড়ক দুর্ঘটনাজনিত শ্বাসকষ্টসহ অন্যান্য রোগে অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করা যাবে।

 

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অনলাইনে বিশেষ অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সৈয়দ মজিবুল হক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ডাঃ আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ইসমাইল হোসেন এবং খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাঃ রাশেদা সুলতানা।

 

খুলনার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান এবং সিভিল সার্জন ডাঃ নিয়াজ মোহাম্মদ। খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে খুলনা জেলার স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক মো: ইকবাল হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ ইউসুপ আলী, অতিরিক্ত জলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোঃ সাদিকুর রহমান খান, খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম জাহিদ হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে অনলাইনে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা যুক্ত ছিলেন।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

Dainik Biswa

রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়ায় শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম অনুমোদন।। আনন্দ মিছিল

অভয়নগরে গরীবের একমাত্র ভরসা কেন্দ্র আলমদিনা হাসপাতাল

 

অভয়নগরে গরীবের একমাত্র ভরসা যশোরের অভয়নগর উপজেলার শিল্প ও বানিজ্য নগরী নওয়াপাড়ার আলমদিনা (প্রাঃ)হাসপাতাল, এটি এখন গরীবের চিকিৎসা-সেবা কেন্দ্র হিসাবে খ্যাতি অর্জন করেছে ৷  কর্তৃপক্ষ অক্লান্ত পরিশ্রম করে সুনামের সহিত তিলে তিলে গড়ে তুলেছেন এই স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানটি ৷

 

দুরদূরান্তের বিভিন্ন গ্রাম-শহর থেকে স্বাস্থ্যসেবা নিতে আসে এখানে ৷ বিশেষ করে অসহায় হতদরিদ্র খেটে খাওয়া মানুষের একমাত্র সেবাকেন্দ্র হলো আলমদিনা (প্রাঃ) হাসপাতাল ৷ সরেজমিনে দেখা গেছে , অত্যাধুনিক  যন্ত্রপাতির  দ্বারা অল্প খরচে বিভিন্ন প্রকারের পরীক্ষ৷ -নিরীক্ষা করা হয় ৷ করোনাকালিন স্বাস্থ্যবিধি মেনে ২৪ ঘন্টা বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও নার্সদ্বারা পরিচালিত এ প্রতিষ্ঠানটি মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে নামে মাত্র মূল্যে সেবা প্রদান করে যাচ্ছে ৷

 

মনিরামপুর উপজেলার ঢাকুরিয়া ইউনিয়নের প্রসূতি মায়ের অস্ত্রপাচারের  এক গরীব-অসহায় রোগী সুমি বেগম পরিপূর্ণ সুস্থ হওয়ার পর’ দু’চোখে অশ্রু ঝরিয়ে মনের আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, একি মানবতা ?  আমি চিকিৎসা বাবদ কোন খরচ দিতে পারিনি অথচ  এই হাসপাতালের  কর্তৃপক্ষ বিনা খরচে সেবাদান করে আল্লাহর অশেষ রহমতে আমাকে সুস্থ করে তুলেছেন ৷ আমার জীবনে যতদিন বেঁচে থাকবো ততদিন এ সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের জন্য মন খুলে দোয়া করে যাবো ৷

আলমদিনা (প্রাঃ) হাসপাতালের স্বত্তাধিকারী মোঃ নাজমুল হুদা এ প্রতিনিধিকে জানান,  করোনাকালিন সময়ে অসহায় -হতদরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করি ৷ যারা অর্থের অভাবে চিকিৎসা হতে পারছেনা তাদেরকে বিনা খরচে সেবাদান করে থাকি , আমাদের এই হাসপাতালে অপারেশনসহ সব ধরনের পরীক্ষার ব্যবস্থা আছে ৷
অবশেষে আমি একটা কথা  বলতে চাই ,সেবাই আমাদের ধর্ম “ও সেবাই আমাদের কর্ম “এর বিকল্প কিছুই নেই ৷ মানুষের সেবার মাঝেই বেঁচে থাকতে চাই আজীবন ৷
মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল , বিশেষ প্রতিনিধিঃ

সরকারের সাথে ব্যাক্তির সচেতনতা বাড়াতে হবে: সালাম মূর্শেদী

 

সরকারের সাথে ব্যাক্তির সচেতনতা বাড়িয়েই আমাদেরকে করোনা মোকাবেলা বরতে হবে । বাংলাদেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এরপরেও সরকারের পাশাপাশি ব্যাক্তিগত পর্যায়ে আমাদেরকে আরো সচেতন হতে হবে। করোনা মোকাবেলায় সরকারি বিধিনিষেধ মেনে মাক্স পড়ে থাকতে হবে। তানাহলে সংক্রমন রোধ করা সম্ভব হবেনা।

 

সোমবার সকালে দিঘলিয়া উপজেলার দেয়াড়া-দৌলতপুর খেয়াঘাট বাজার এলাকায় ‘সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘে’র আয়োজনে মাক্স বিতরন অনুষ্ঠানে, খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন, দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি খান নজরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রান ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক শেখ রুহুল আমিন, সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ আনসার আলী, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সদরের এমপি প্রতিনিধি মোঃ হাবিবুর রহমান তারেক।

 

আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক শেখ আনিসুর রহমান, সদর ইউনিয়ন মহিলালীগ এর সভাপতি পাখি বেগম,উপজেলা যুবলীগের সহ-সম্পাদক শেখ সাইদুর রহমান, সদর ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক শেখ সাহাবুদ্দিন, উপজেলা যুব-মহিলালীগ এর নেত্রী স্বর্ণালী খাতুন, সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক ও সদরের এমপি প্রতিনিধি সৈয়দ জামিল মোর্শেদ মাসুম, সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘের টিম লিডার সামসুল আলম বাবু, সদস্য শেখ রিয়াজ সহ বিভিন্ন পর্যারের নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিক বৃন্দ।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

Dainik Biswa

“রক্তের প্রয়োজন”- ডাকের অপেক্ষায় সালাম মূশের্দী ব্লাড ব‍্যাংক

 

 

“রক্তের প্রয়োজন”- ডাকের অপেক্ষায় সালাম মূশের্দী ব্লাড ব‍্যাংক

 

“রক্তের প্রয়োজন” , একজন  মুমূর্ষু রোগীকে বাঁচাতে রক্তের প্রয়োজন’- এমন ডাকের অপেক্ষায় থাকেন সালাম মূশের্দী ব্লাড ব্যাংকের সদস্যরা।

খবর পেলেই ছোটেন। রোগীর ঠিকানা নিয়ে পৌঁছে যান হাসপাতালে। রক্ত দিয়ে ফেরেন হাসিমুখে তারা। খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া উপজেলার একদল তরুণ নিয়ে গড়া সংগঠন।

 

যারা ছুটে চলেন মানুষের সাহায্যে, মুমূর্ষু রোগীকে বাঁচাতে। গত ১৩ জুন গোপালগঞ্জ থেকে খুলনায় ফেরার পথে এক সড়ক দুর্ঘটনায় একটি পরিবারের চার সদস্যের সকলেই আহত হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় পরিবারের ছোট মেয়েকে  ময়লাপোতা খুলনা সিটি মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক জানায়, জরুরি ভিত্তিতে মেয়েটির জন্য  ‘ও’ পজিটিভ রক্তের ব্যবস্থা করতে হবে। তাৎক্ষণিক রক্তের ব্যবস্থা না করতে পেরে পরিবারটি দিশেহারা হয়ে পড়ে।

 

এমতাবস্থায়  ‘সালাম মূর্শেদী ব্লাড ব্যাংক’ এর কাছে সংবাদটি পৌছালে।  সংগঠনটির টিম লিডার শামসুল আলম বাবু এবং সেচ্ছাসেবী সদস্য ইমরান জাহান আরফাত হাসপাতালে গিয়ে রক্ত দেন। পরবর্তীতে আরো রক্তের প্রয়োজন হলে ‘সালাম মূর্শেদী ব্লাড ব্যাংক’ তাদের পাশে আছে বলে আশ্বস্ত করেন।

 

উক্ত পরিবারটি খুলনা-৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদীকে মানবতার ফেরিওয়ালা বলে আখ্যা দেন এবং ‘সালাম মূর্শেদী ব্লাড ব্যাংক’ গড়ার জন্য তাকে ধন্যবাদ জানান।

 

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

Dainik Biswa

করোনায় খাদ্য ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকারী কর্মকান্ড অব্যাহত: সালাম মূশের্দী

যুবসমাজের শারীরিক-মানসিক বিকাশে খেলার বিকল্প নাই : সালাম মূর্শেদী

যশোরের ৩ উপজেলায় চলমান “ স্কুল ফিডিং ও মিড ডে মিল” কর্মসূচি বন্ধ

 

যশোরের ৩ উপজেলায় চলমান “ স্কুল ফিডিং ও মিড ডে মিল” প্রকল্পের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন । প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পিছিয়ে পড়া, হতদরিদ্র শিশু শিক্ষার্থীদের শারীরিক পুষ্টি মান বজায় রাখা, সার্বজনীন শিক্ষাকে গতিশীল করার লক্ষ্যে শিশু শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধের লক্ষ্যে যশোর জেলার ৩ টি উপজেলায় “ স্কুল ফিডিং ও মিড ডে মিল” প্রকল্প চালু হয়।

 

যশোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, যশোর জেলার যশোর সদর, ঝিকরগাছা ও চৌগাছা উপজেলায় এ প্রকল্প চালু হয়।তিনটি উপজেলার মধ্যে যশোর সদর উপজেলার ২৫৬ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫৭৫৪৮ জন শিশু শিক্ষার্থী, ঝিকরগাছা উপজেলার ১৩৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৮২৯৩ জন শিশু শিক্ষার্থী ও চৌগাছা উপজেলার ১৩৯ বিদ্যালয়ের ২৮১০০ শিশু শিক্ষার্থী “ মিড ডে মিল” কর্মসূচির আওতায় থেকে উচ্চ পুষ্টি সম্পন্ন বিস্কুট খায়ানো হতো এবং একই সাথে ঝিকরগাছার ২০ বিদ্যালয়ের ৪২৫৪ শিশুকে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় পুষ্টি সম্পন্ন খিচুড়ি খাওয়ানো হতো।

 

সর্বসাকুল্যে ৫২৮ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ লক্ষ ১০ হাজার শিশু শিক্ষার্থী এই “ স্কুল ফিডিং ও মিড ডে মিল” কর্মসূচির সুবিধাভোগী ছিল। কিন্তু বৈশ্বিক মহামারী করোনা শুরু হওয়ায় গত ১৮ মার্চ থেকে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বন্ধ হয়ে যায় চলমান “স্কুল ফিডিং ও মিড ডে মিল” কর্মসূচি। শিশুদের পুষিহীনতার কথা বিবেচনা করে সরকার এই কর্মসূচি চালু করে।

 

কিন্তু প্রকল্পের মেয়াদ অনুযায়ী এ মাসেই “ স্কুল ফিডিং ও মিড ডে মিল ” কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা।আর এ কর্মসূচির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় হতাশা সৃষ্টি হয়েছে অভিভাবক ও শিশু শিক্ষার্থীদের মধ্যে। সুবিধাভোগীরা চলমান কর্মসূচির মেয়াদ বৃদ্ধির দাবি জানান।

 

আর এ “ স্কুল ফিডিং ও মিড ডে মিল ” কর্মসূচির সাথে সংশ্লিষ্টরা এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বলছেন, প্রকল্পের মেয়াদ যদি বৃদ্ধি না করা হয় তাহলে অনেক শিক্ষার্থী ঝরে পড়বে ও বহু শিশু পুষ্টিহীনতার স্বীকার হবে।

 

তাই কর্মসূচিটি চালু রাখার জন্য অভিভাবক ও শিক্ষকগণ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

 

// নিজস্ব প্রতিনিধি //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বাংলাদেশ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এসােসিয়েশন এর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

 

খুলনায় ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে ২ লাখ ৯২ হাজার ২৪১ জন শিশুকে

 

খুলনায় ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো উপলক্ষে আগামী ৫ জুন থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত দেশব্যাপী অনুষ্ঠেয় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে খুলনা মহানগরী ও জেলার নয়টি উপজেলার ছয় থেকে ৫৯ মাস বয়সী দুই লাখ ৯২ হাজার দুইশত ৪১ শিশুকে একটি করে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ক্যাম্পেইন চলাকালে ৬-১১ মাস বয়সী প্রত্যেক শিশুকে একটি নীল রঙের এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী প্রত্যেক শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

 

ক্যাম্পেইনে অভিভাবকদের শিশুর জন্য মায়ের দুধের গুরুত্ব ও শিশুর ছয় মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি শিশুকে পরিমান মতো ঘরে তৈরি সুষম খাবার খাওয়ানোর বিষয়ে সচেতন করা হবে। জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার সকালে খুলনা নগরীর স্কুল হেলথ ক্লিনিক সম্মেলনকক্ষে জেলার সাংবাদিকদের জন্য সিভিল সার্জন দপ্তরের আয়োজনে এক ওরিয়েন্টশন কর্মশালায় এসকল তথ্য জানানো হয়।

 

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন খুলনার সিভিল সার্জন ডাঃ নিয়াজ মোহাম্মদ। সভাপতির বক্তৃতায় সিভিল সার্জন বলেন, ভিটামিন এ ক্যাপসুল রাতকানাসহ শিশুর অনেক রোগ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। এটি শিশুর শরীরে কোন পাশ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে না। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ক্যাম্পেইন চলাকালে জেলার নয়টি উপজেলার এক হাজার ছয়শত ৪১টি টিকাদান কেন্দ্রে ছুটির দিন ব্যতিত প্রতিদিন সকাল আটটা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

 

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব থাকায় এ ক্যাম্পেইনে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি ও সর্তকতা অনুসরণ করা হবে। ভিটামিন ‘এ’ অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব থেকে শিশুকে রক্ষা করে, শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ডায়রিয়ার ব্যাপ্তিকাল ও জটিলতা কমায় এবং শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস করে। ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ভরাপেটে খাওয়ানো ভালো। এই ক্যাপসুল শিশুর জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং এটি খাওয়ালে পাশ্ব-প্রতিক্রিয়া হওয়ার তেমন কোন ঝুঁঁকি নেই। ভ্রমণে থাকাকালীন রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল, ফেরিঘাট ও লঞ্চঘাটে অবস্থিত কেন্দ্র থেকে শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে।

 

তবে ছয় মাসের কম অথবা পাঁচ বছরের বেশি বয়সী শিশু, চার মাসের মধ্যে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছে এমন শিশু এবং মারাত্মক অসুস্থ শিশুকে এই ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না। জেলা স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক জয়ন্ত নাথ চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় কর্মশালায় স্বাগত জানান ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ এসএম কামাল হোসেন। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শিশু বিশেষজ্ঞ ডাঃ শারাফাত হোসাইন।

 

খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম জাহিদ হোসেন, সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুন্সি মোঃ মাহাবুব আলম সোহাগ প্রমুখ বক্তৃতা করেন। কর্মশালায় খুলনায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার ৭০ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন।

//আ: রাজ্জাক শেখ,খুলনা ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

”তোমারো করোনা হোক” বলেই করোনা আক্রান্ত শাশুড়ি জড়িয়ে ধরেন বৌমাকে

 

খুলনায় করোনা রোধে ৭ দিন চার থানায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ: জেলা কমিটি

 

খুলনায় করোনা রোধে সংক্রান্ত জেলা কমিটির মতবিনিময় সভা বুধবার সকালে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে তাঁর সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক এতে প্রধান অতিথি ছিলেন। সভায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মোঃ কামাল হোসেন এবং খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ইসমাইল হোসেন অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।

 

খুলনাতে সার্বিকভাবে করোনা নিয়ন্ত্রণে জনবসতিপূর্ণ এলাকা এবং জনসমাগমের স্থানসমূহ বিবেচনায় নিয়ে মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে করোনা সংক্রমণের আধিক্য বিবেচনায় রূপসা উপজেলা, খুলনা সদর, সোনাডাঙ্গা এবং খালিশপুর থানায় জরুরি সেবা ব্যতিত সকল দোকান, কাঁচাবাজার এবং জনসমাবেশের স্থান ৪ জুন থেকে আগামী এক সপ্তাহ বন্ধ থাকবে।

 

রূপসা উপজেলাসহ খুলনা মহানগরীতে সন্ধ্যার পর দোকানপাট বন্ধ রাখা, হোটেলগুলোতে লোকসমাগম নিয়ন্ত্রণ এবং যত্রতত্র একাধিক লোকের উপস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় ব্যবস্থা নেবে। এসময় মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করতে মোবাইলকোর্টের মাধ্যমে জরিমানা আদায়, স্বাস্থ্যবিধি পালনে মনিটরিং জোরদার করা এবং প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের না হতে প্রচার-প্রচারণা চলমান থাকবে।

 

সভায় সিটি মেয়র বলেন, সার্বিকভাবে করোনা নিয়ন্ত্রণে খুলনার স্বাস্থ্যবিভাগ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। সন্ধ্যার পর একাধিক লোকের জনসমাগম বন্ধ করতে হবে। তিনি সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং সর্বক্ষেত্রে মাস্ক ব্যবহার করার নির্দেশনা দেন। এক্ষেত্রে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে মসজিদের ইমামদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।

 

উল্লেখ্য, রূপসা উপজেলাতে করোনা সংক্রমণের হার শতকরা ৪ দশমিক ১৮। কিন্তু অন্যান্য উপজেলাতে এই হার শতকরা প্রায় এক ভাগ। এছাড়া খুলনা মহানগরীর সদরে সংক্রমণ হার শতকরা ৩৫, খালিশপুরে ২৫ এবং সোনাডাঙ্গাতে এই হার শতকরা ১৭। অন্যান্য স্থানে সংক্রমণের হার নিম্নগামী। সভায় খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সরদার রকিবুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান, সিভিল সার্জন ডাঃ নিয়াজ মোহাম্মদ, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ মোঃ রবিউল হাসান, মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডাঃ মেহেদী নেওয়াজ, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোঃ ইকবাল হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ ইউসুপ আলী, সরকারি কর্মকর্তাসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

// আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনায় ৪ জুন থেকে তিন থানার সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সাত দিন বন্ধ থাকবে

খুলনায় বিশ্ব দুগ্ধ দিবস পালিত সবার জন্য মানসম্মত ও নিরাপদ দুধ নিশ্চিত চাই

 

খুলনায় বিশ্ব দুগ্ধ দিবস- ‘দুধ পানের অভ্যাস গড়ি, পুষ্টির চাহিদা পুরণ করি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারা বিশ্বের ন্যায় খুলনাতে মঙ্গলবার বিশ্ব দুগ্ধ দিবস পালিত হয়। জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে খুলনা বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভার আয়োজন করে।

 

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, মেধাবী প্রজন্ম গড়তে হলে তাদের পুষ্টির চাহিদা নিশ্চিত করতে হবে। আর পুষ্টির চাহিদা নিশ্চিতে দুধপানের কোন বিকল্প নেই। কিন্তু সচেতনতার অভাবে অধিকাংশ মানুষ প্রতিদিন নিয়মিত দুধ পান করে না।

 

মানুষকে দুধের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে আরো সচেতন করতে হবে। ‘গোলাভরা ধান আর গোয়ালভরা গরু’ একসময় বাঙ্গালীর ঐতিহ্য ছিলো উল্লেখ করে প্রধান অতিথি বলেন, এক সময় গ্রামগঞ্জের প্রতিটি পরিবার ছিলো স্বনির্ভর, পুষ্টির চাহিদা মেটাতে তাদের বাজারে যেতে হতো না। কিন্তু সেই ঐতিহ্য নানা কারণে এখন আর নেই। সোনালী সেই দিন ফেরাতে প্রধানমন্ত্রী ‘আমার বাড়ি আমার খামার’ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছেন।

 

এসময় তিনি নায্যমূল্যে নিরাপদ দুধ সকলের নিকট পৌঁছে দিতে খামারীদের প্রতি আহবান জানান। অনুষ্ঠানে খামারীদের পক্ষ থেকে তাদের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে বলা হয় পশুখাদ্যের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে কিন্তু সে অনুযায়ী দুধের মূল্য বৃদ্ধি পায়নি। তাছাড়া তাদের উৎপাদিত দুধ সময়মত বিপনন একটি বড় চ্যালেঞ্জ। খামারীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মিড ডে মিল হিসেবে শিক্ষার্থীদের দুধ সরবরাহের অনুরোধ করেন।

 

এছাড়া খুলনা আঞ্চলে একটি মিল্ক প্রসেসিং ফ্যাক্টরি স্থাপনের জোর দাবী জানান তারা। খুলনা স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোঃ ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক ডাঃ মোঃ আমিনুল ইসলাম মোল্যা। স্বাগত জানান জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) রণজীতা চক্রবর্ত্তী।

 

অনুষ্ঠানে অন্যান্যে মধ্যে বক্তৃতা করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শ্যামল সিংহ রায় এবং খামারীদের পক্ষে মোঃ তোফাজ্জেল হোসেন তুষার। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ফুলতলা উপজেলা প্রণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ অরুন কান্তি মন্ডল। দুধের গুনাগুণ সম্পর্কে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন করেন ফুলতলা ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ তরিকুল ইসলাম।

 

এর আগে দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তর চত্ত্বরে একটি র‌্যালি এবং গাছের চারা রোপন করা হয়।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

চেয়ারম‍্যান বাদশার সুস্থতা কামনায় এমপি সালাম মূশের্দী ও আ:লীগের বিবৃতি

 

চুল পরা রোধে রসুনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা জানলে আপনি অবাক হয়ে যাবেন…!

 

চুল পরা রোধে রসুনের গুরুত্ব অনেকেই জানেননা কারণ ঘন, লম্বা ও রেশমি চুল কার না পছন্দ। বিশেষ করে চুলের যত্নের পেছনে অনেক সময় ব্যয় করে থাকেন নারীরা। তবে এ বিষয়ে পিছিয়ে নেই পুরুষরাও। চুলের যত্নে কত কিছুই না করে থাকি আমরা। নারিকেলের তেল, আমলকী, লেবু, টকদই, নিমপাতাসহ বিভিন্ন ধরনের উপকরণ ব্যবহার করে থাকি।

রুক্ষ চুলের সমস্যায় ভুগছেন? গোছা গোছা চুল উঠছে? সেই সঙ্গে অকালপক্বতা? এখনকার ব্যস্ত জীবনে চুলের কোনো না কোনো সমস্যা রয়েছে প্রায় প্রত্যেকেরই। একদিকে দূষণের আধিক্য, অন্যদিকে জেল, স্ট্রেটনার ও কেমিক্যালের কারিগরিতে চুলের হাল দফারফা।

তবে কখনও কি শুনেছেন রসুন ব্যবহারে পেতে পারেন নজরকাড়া চুল। শুনে হয়তো বিশ্বাস হচ্ছে না। তবে ঘটনা কিন্তু সত্যি। চুলে রসুন ব্যবহার থেকে আপনাকে কিছু বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। 

জানেন তো, ঘন ও লম্বা চুল করতে রসুনের জুড়ি মেলা ভার। অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল গুণসমৃদ্ধ রসুন চুলের গোড়া মজবুত করে। রসুনের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন ‘সি’, যা চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে, রুক্ষতা দূর করে। খুশকির সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

আসুন ছবিতে দেখে নিই কীভাবে রসুন ব্যবহার করলে পাবেন নজরকাড়া চুল-

প্রথমে রসুনের পেস্ট বানিয়ে নিন। এবার তার সঙ্গে মধু মিশিয়ে চুলের গোড়া থেকে লাগান। ৩০ মিনিট ওই মিশ্রণ লাগিয়ে রেখে ঠাণ্ডা জলে ভালো করে চুল ধুয়ে নিন।

চুল পরা রোধে রসুনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

রসুন ভালো করে বেটে নিয়ে তার সঙ্গে উষ্ণ গরম নারিকেল তেল মিশিয়ে হেয়ারপ্যাক বানিয়ে ফেলুন। ভালো করে চুল ও স্ক্যাল্পে ওই মিশ্রণ লাগিয়ে রাখুন। আধ ঘণ্টা লাগিয়ে রেখে চুল ধুয়ে ফেলুন।

চুল পরা রোধে রসুনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

চুল ভালো রাখতে বাড়িতেই বানিয়ে নিন রসুনের তেল। ওলিভ ও নারিকেলের তেলের সঙ্গে রসুন মিশিয়ে সারা রাত রেখে দিন। পর দিন চুলে ভালো করে ওই মিশ্রণ লাগিয়ে ঘণ্টাখানেক রেখে চুল ধুয়ে নিন।

চুল পরা রোধে রসুনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

রসুন ও আদা একসঙ্গে বেটে নিন। এবার ওই মিশ্রণ যে কোনো ভালো ওলিভ তেলে মিশিয়ে গরম করুন। মিশ্রণ বাদামি হয়ে এলে সেটি চুলে ১৫ মিনিট ধরে ম্যাসাজ করুন। এর পর আধাঘণ্টা রেখে ভালো করে চুল ধুয়ে নিন।

চুল পরা রোধে রসুনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
রসুনের তেল

 

চুল পরা রোধে রসুনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

 

পেঁয়াজের রস চুল পড়া রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং রসুনও যাদুবিদ্যার মতো কাজ করে। এটি কেবল চুল পড়া রোধ করে না, মাথার ত্বকের সংক্রমণ এবং খুশকি দূর করতে সহায়তা করে। শুধু এটিই নয়, রসুনের সাহায্যে নতুন চুল বাড়ানো সম্ভব।

 

 

বিশেষজ্ঞদের মত, তেলের মতো করে চুলে ও মাথার ত্বকে রসুনের রস লাগালে অনেক দ্রুত নতুন চুল গজায়। রসুনের রসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ এলিসিন যা রক্তে হিমোগ্লোবিন সঞ্চালন বাড়িয়ে দিয়ে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। এ ছাড়া রসুনে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে কপার যা চুলকে ঘন ও স্বাস্থ্যজ্জ্বল করে তোলে।

 

রসুনের রস ব্যবহার পদ্ধতি

প্রথম ধাপ: প্রথমে রসুন পেস্ট করে এর রস বের করে নিতে হবে। এরপর একটি এয়ার টাইট বোতলে তা সংরক্ষণ করতে হবে। যাতে যখন প্রয়োজন তখন তেলের মতো করে এই রস চুলে ব্যবহার করা যায়।

 

দ্বিতীয় ধাপ: চুল শুষ্ক হলে গোলাপজলের পানিতে তা আধঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। গোলাপজল চুলের ময়েশ্চারাইজার ধরে রাখে। এই আধঘণ্টা পর ভালো করে চুলে ও মাথার তালুতে রসুনের রস লাগাতে হবে।

 

তৃতীয় ধাপ: চুলে রসুনের রস লাগিয়ে আধঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে। এরপর চিরুনি দিয়ে তা আঁচড়াতে হবে। তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। এবার চুলে ভালো করে মাইল্ড শ্যাম্পু লাগিয়ে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এর ১৫ মিনিট পর কন্ডিশনার লাগিয়ে ঠান্ডা পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে।

কতদিন বা কয় দিন পরপর ব্যবহার করবেন?

১. অতিরিক্ত হারে চুল পড়লে সপ্তাহে অন্তত দু’দিন রসুনের রস ব্যবহার করতে পারেন। এতে এক মাসের মধ্যে মাথায় নতুন চুল গজাতে পারে।

২. মাথার তালুতে ক্ষত থাকলে রসুনের রস ব্যবহার না করাই ভালো। কারণ এটি ব্যবহারে ক্ষত আরও বেড়ে যেতে পারে।

৩. মাথার ত্বক তৈলাক্ত হলে চুলে তেল দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এক্ষেত্রে শুধু রসুনের রস লাগাতে হবে।

।। অনলাইন ডেস্ক ।।

হায়রে আমাদের বেঁচে থাকাটাই যে দেশে আশ্চর্য !!!

হায়রে আমাদের বেঁচে থাকাটাই যে দেশে আশ্চর্য !!!

হায়রে আমাদের বেঁচে থাকাটাই যে দেশে আশ্চর্য !!! একবারো চিন্তা করেছি সকাল থেকে রাত কি খাচ্ছি?

১. সকালে ঘুম থেকে উঠে কোলগেট পেস্ট নিলাম- তার মধ্যে ক্যান্সারের উপাদান!

২. নাস্তায় পরোটা খাইলাম- তার মধ্যে অ্যামোনিয়ার তৈরি সল্টু মিশানো!

৩. কলা খাইলাম- কার্বাইড দিয়ে পাকানো!

৪. কফি নিলাম- এতে তেঁতুলের বিচির গুড়া মিশানো!

৫. বাজারে গেলাম টাটকা শাঁক সবজি কিনলাম-
কপার সালফেট ছিটায়ে সতেজ করা, হাইব্রিড সার দিয়ে ফলানো!

৬. মসলা আর হলুদের গুড়া নিলাম – লেড এবং ক্রোমাইট ক্যামিকেল মিশানো!

৭. গরমের দিন বাসায় এসে তরমুজ খাইলাম – পটাশিয়াম পারম্যাংগানেট দিয়ে লাল করা!

৮. আম এবং লিচু বাচ্চাকে দিলাম খেতে – কার্বাইড দিয়ে পাকানো এবং ফরমালিন দিয়ে সংরক্ষিত!

৯. দুপুরে ভাত খাবো – ইউরিয়া দিয়ে সাদা করা!

১০. মুরগি নিলাম প্লেটে- ক্রমাগত এন্টিবায়োটিক দিয়ে বড় করা!

১১. সয়াবিন তেলে রান্না সব- ভিতরে অর্ধেক পাম অয়েল মেশানো!

১২. খাওয়ার পর মিষ্টি জিলাপি নিলাম- পোড়া মবিল দিয়ে মচমচে করা!

১৩. রোজা থাকলে সন্ধ্যায় রুহ আফযা নিলাম- ক্যামিকেল আর রং ছাড়া কোন পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়নি পরীক্ষায়!

১৪. খেজুর খাইলাম- বছরের পর বছর স্টোরেজে ফরমালিন দিয়ে রেখেছিলো!

১৫. সরিষার তেল দিয়ে মুড়ি মাখানো খাইলাম- মুড়ি ইউরিয়া দিয়ে ফুলানো আর সাদা করা এবং সরিষার তেলে ঝাঁঝালো ক্যামিকাল মিশানো!

রাতে আবার একই বিষ ডবল খাইলাম!
ঘুমানোর আগেও বাদ যাবেনা।

১৬. গরম দুধ আর হরলিক্স খাইলাম- গাভীর পিটুইটারি গ্রন্থিতে ইঞ্জেকশন দেওয়ার পর অতিরিক্ত দুধ দোওয়ানো হয়, এরপর ইউরিয়া মেরে সাদা করা হয়।আর হরলিক্সে পরীক্ষা করে ক্যামিকাল ছাড়া কোন পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়নি!

এত ভেজাল খেয়ে দু একটা ঔষধ না খেলে তো শরীর টিকবেনা। ৭০ ভাগ ঔষধ কোম্পানি দেশে মান সম্মত ঔষধ তৈরি করে না।

এইসব খাওয়ার পর ভাবতেছি, কেমনে বেঁচে আছি!
[একমাত্র আল্লাহ ই কি আমাদেরকে রক্ষা করছেন না? এরপরও কি আমরা আল্লাহর শোকর আদায় করছি?]

মানুষের ঈমান তো না-ই কারণ দুর্নীতির ভিতরেও এরা দুর্নীতি করে। আসলে আমরা কেউই বেঁচে নাই।

Collected From: G.M. Masud Iqbal Rana’s Profile

।। অনলাইন ডেস্ক ।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

প্রাকৃতিক দূর্যোগ ইয়াসের বিশাল থাবাও রুখতে পারেনি ধর্মীয় বিশ্বাসকে