করোনাভাইরাস মহামারির কারণে ক্ষতিগ্রস্থ দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মধ্যে আর্থিক সহায়তা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবার মাধ্যমে ঈদ উপহার হিসেবে সাড়ে ৩৬ লাখ মানুষকে এই সহায়তা দেওয়া হবে।
রোববার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দ্বিতীয় পর্যায়ের আর্থিক সহায়তা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তিনি।
উদ্বোধনের দিনে ২২ হাজার ৮৯৫ জন সুবিধাভোগী মোবাইল পরিষেবার মাধ্যমে সহায়তা পেয়েছেন। তিন দিনে সাড়ে ৩৬ লাখ মানুষ এ সহায়তা পাবেন।
দ্বিতীয়বারের মতো হাতে নেওয়া এই সহায়তা জন্য ৯১২ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
ভোলা, জয়পুরহাট ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রান্ত থেকে স্থানীয় সংসদ সদস্য,জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও উপকারভোগীরা অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত থাকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সবার জন্য করোনার টিকা নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার।
আজ রবিবার করোনাভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠান উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সরকার প্রধান বলেন, ঈদ উৎসব তো আছেই। এটা সবাই উদযাপন করবেন। কিন্তু স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। ঈদের আনন্দ করবেন। কিন্তু যারা মারা গেছে, তাদের কথাও ভাবুন। নিজের জীবন বিপন্ন করে উৎসব নয়। মাস্ক ছাড়া ঘরের বাইরে যাবেন না। গরম পানির ভাপ নেয়া, গরম পানি খাওয়ার মতো বিষয়গুলো যত্ন সহকারে মানার জন্য আমি সবার প্রতি অনুরোধ জানাই।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাইরে থেকে ভাইরাস নিয়ে এসে নিজের পরিবারের ক্ষতি করবেন না। আমরা যে নির্দেশনাগুলো দিচ্ছি, সেগুলো মানতে হবে। কোয়ারেন্টাইনের বিষয়গুলো মানতে হবে। আপনারা সচেতন হোন, স্বাস্থ্যবিধি মানুন।
মহান মে দিবসে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল শ্রমজীবী মানুষকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, মহান মে দিবস বিশ্বব্যাপী শ্রমজীবী মানুষের ঐক্য ও সংহতির প্রতীক।
মহান মে দিবসে (১ মে) দেয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, সরকার দেশের শ্রমজীবী মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও কল্যাণে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। তিনি জানান, ‘বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস সংক্রমণের ভয়াল পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমাদের সরকার শ্রমজীবী মানুষের পাশে থেকে ত্রাণ বিতরণসহ সর্বাত্মক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সরকার সংকট মোকাবিলায় শ্রমিকদের বেতনের জন্য ৮ হাজার ৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘রপ্তনিমুখী তৈরি পোশাক, চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকাশিল্পে কর্মহীন হয়ে পড়া ও দুস্থ শ্রমিকদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়ন নীতিমালা, ২০২০ বাস্তবায়নের জন্য শ্রম অধিদপ্তরের অনুকূলে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করেছে। করোনা পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কলকারখানা চালু রাখার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিশ্চিত করতে হবে।’
// ডেস্ক রিপোর্ট //
সালাম মূশের্দী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন…
