সরকারি নির্দেশনা না থাকায় লকডাউনেও  এনজিও গুলো যথারীতি কিস্তি আদায় অব্যাহত

সরকারি নির্দেশনা না থাকায় লকডাউনেও এনজিও গুলো যথারীতি কিস্তি আদায় অব্যাহত

 

করোনার দ্বিতীয় সুনামি শুরু হয়েছে বাংলাদেশেও । গতকাল করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা ছিল সবচেয়ে বেশী। করোনার এই ক্রান্তিকালে সরকার ঘোষিত বিভিন্ন নিয়মনীতি  ও লকডাউন পালনের জন্য প্রশাসনের সর্বস্তর থেকে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রয়েছে।

লকডাউন পালন করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দিনমজুর, রিকশা চালক,আটো চালক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীসহ নিম্ন আয়ের লোকজন। তাদের দিনযাপন করতে হয় অতিকায় ক্লেশে। লকডাউন পালন করতে গিয়ে যেখানে প্রতিদিনের খাবার যোগাড় করতে হিমসিম খেতে হচ্ছে সেখান মরার উপর খাড়ার ঘায়ের মতো বাড়িতে এসে উপস্থিত হচ্ছে ঋণ পরিশোধের জন্য তাগিদ দেওয়া বিভিন্ন এনজিও-র কর্মকর্তা- কর্মচারীরা।

এই লকডাউনের মধ্যে নিম্ন আয়ের লোকদের নেওয়া ঋণের কিস্তি পরিশোধ করা সত্যিই দুরূহ কারণ লকডাউনে আয় উপার্জন ও ব্যবসা নাই।

কিন্তু এই লকডাউনের মধ্যে এনজিও-র লোকেরা কিস্তি আদায়ের জন্য গ্রাহকের বাড়িতে গিয়ে বসে থাকছে এমন কি হুমকিও প্রদান করছে। যেখানে নিম্ন আয়ের লোকজন তিন বেলা খাবার যোগাড় করতে পারছে না সেখানে কিস্তির টাকা কিভাবে পরিশোধ করবে?

গতবছর লকডাউন চলাকালে এনজিও গুলোর জন্য কিস্তি আদায়ের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

এবার লকডাউন চলাকালে সরকারী অফিস আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ সর্বত্র সরকারের পক্ষ থেকে দিক নির্দেশনা দেওয়া হলেও এনজিও গুলোর কিস্তি আদায়ের বিষয়ে কোন সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা না থাকায়  নিম্নআয়ের গ্রাহকদের হয়রানি করা হচ্ছে। যা সত্যি অমানবিক।

তাই  এনজিও- দের কিস্তি বন্ধে সরকারের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা ও কৃপাদৃষ্টি প্রার্থনা করছি।

নিজস্ব প্রতিবেদক//স্বীকৃতি বিশ্বাস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *