৭ দফা দাবী বাস্তবায়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান

৭ দফা দাবী বাস্তবায়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান

//শ্যামল বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধি//

অদ্য ১৮/০৫/২০২৩ তারিখ বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবী বাস্তবায়ন মহাজোট এর উদ্যোগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের আহ্বায়ক জনাব মোঃ মিরাজুল ইসলাম,যুগ্ম আহ্বায়ক জনাব মোঃ মতিউর রহমান,১১-২০ গ্রেড সরকারি চাকরিজীবী জাতীয় ফোরাম এর সাধারণ সম্পাদক জনাব অভিজিৎ রায়,অর্থ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন,ঢাকা মহানগরের সদস্য সচিব এবনে ফারুক,বাংলাদেশ পোস্টম্যান ও ডাক কর্মচারী ইউনিয়নের প্রতিনিধি জনাব আবু তাহের, মৎস অধিদপ্তর গাড়ি চালক সমিতির সভাপতি জিয়াউর রহমান সহ মহাজোটের অন্তর্ভুক্ত কয়েকটি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

স্মারকলিপি প্রদান শেষে মহাজোট এর আহ্বায়ক জনাব মোঃ মিরাজুল ইসলাম বলেন,আমরা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী,বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে লালন করে আমরা একটি সমৃদ্ধ শালী উন্নত দেশে রূপান্তরিত করতে জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছি।কিন্তু অত্যন্ত দুঃখ ও ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আজ বলতে হচ্ছে আমরা চরম বৈষম্যের শিকার,আমাদের দুর্দশার চিত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বার বার পেশ করা সত্বেও আমরা কোন সফল সমাধান পাচ্ছি না।

আর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ত্রিদেশীয় সফর শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছেন প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী গণ কে ২০১৫ সালে পে স্কেল এ বেতন ভাতা দ্বিগুণ করা হয়েছে,তারা গাড়ি,বাড়ি ফ্ল্যাট ক্রয়ের জন্য সহজ শর্তে ঋণ পাচ্ছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হয়ত জানেন না যে এসকল সুবিধা গুলো প্রজাতন্ত্রের কোন স্তরের কর্মচারীরা ভোগ করেন।

আমি স্পষ্ট ভাবে বলতে চাই ,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি মানবতার মা,আপনি খোঁজ নিয়ে দেখুন উল্লেখিত সুবিধা গুলো শুধু ১-১০ গ্রেডের কর্মকর্তা গণ ভোগ করেন।

১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীদেরকে এসব সুযোগ সুবিধা থেকে আজীবন বঞ্চিত করা হয়েছে।২০১৫ সালের পর কয়েক দফায় নিত্য পণ্য সহ সকল ধরনের জিনিসের দাম বেড়েছে।আমরা ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীরা অর্ধাহারে অনাহারে জীবন যাপন করছি।

তাই বর্তমান বাজার মূল্য বিবেচনা করে দ্রুত পে কমিশন গঠনের মাধ্যমে নবম পে স্কেল ঘোষণা ও পে স্কেল প্রদানের পূর্ব পর্যন্ত সর্বনিম্ন ৫০% মহার্ঘ ভাতা প্রদান করার জোর দাবী জানাচ্ছি।

আগামী ৩০ মে ২০২৩ এর মধ্যে যদি দাবী বাস্তবায়নে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হয় তাহলে আগামী ৩রা জুন ২০২৩ জাতীয় প্রেক্লাবের সামনে লক্ষ লক্ষ গণ – কর্মচারীদের উপস্থিতিতে মানববন্ধন কর্মসূচি সহ কঠোর কর্মসূচি পালন করতে বাধ্য হবো।

এসময় তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য সমাপ্তি করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *