//ডুমুরিয়া সংবাদদাতা , খুলনা//
খুলনার ডুমুরিয়া সদরের খান আছাবুর রহমান নামের এক ব্যক্তির কবলাকৃত জমি দু’ সরকারী চাকুরী জীবি জমি জবরদখলের চেষ্টা। প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাছে লিখিত অভিযোগ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগে জানা যায়, ডুমুরিয়া উপজেলার গোলনা গ্রামের আ: কাফি খানের পুত্র খান আছাবুর রহমান আরাজি ডুমুরিয়ার মৃত সুরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর পুত্র মধুসুধন চক্রবর্তী ও ভগীরথ চক্রবর্তীর কাছ থেকে আরাজি ডুমুরিয়া মৌজায় যার জেএল নং-৩৯,এসএ খতিয়ান নং-২২১,পৃথক খতিয়ানে ২২১/১, এসএ দাগ নং-২৩৬ এর বিলান জমি ০.০৩একর জমির মধ্যে ০.০১৫০একর জমি কবলা দলিল মুলে খরিদ করে যার দলিল নং ১৭৪৭ /২২ তারিখ ২৩-২-২২। এবং একই দাগ খতিয়ানে খুলনার রুপসা থানার মৃত অলক চক্রবর্তীর পুত্র উদ্দাভ চক্রবর্তীর নিকট হতে কবলা মুলে ০.০০৩০একর জমি ক্রয় করে যার দলিল নং ১৩৬৭/২২, ১৪-০২-২২ দুটি দলিলের মোট জমির পরিমান ০.০১৮০একর ভোগদখল করে আসছে। কিন্ত ঔই জমির উত্তর অংশে রাহা সম্প্রদারের কাছ খরিদ কৃত মালিক আরাজি ডুমুরিয়া গ্রামের মৃত মতলেব শেখের পুত্র মোঃ জাহিদুল ইসলাম শেখ ও মৃত আব্দুল হামিদ খানের মেয়ে শাহানা আলিমা মুক্তা। যার এস এ দাগ নং ২৪০। বাদী খান আছাবুর রহমান এর জমির দাগ নং ও বিবাদী গনের দাগ নং পৃথক পৃথক হওয়ায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিষযটি অমলে নিয়ে উভয পক্ষকে সার্ভেয়ার দারা জমি পরিমাফকরে এসকেজ ম্যাফ জমা দিতে বলেন ।
আছাবুর ইউএনও এর নির্দেশ মোতাবেক গত ৬এপ্রিল স্থানীয় সার্ভেয়ার দ্বারা ট্রেজ ম্যাপ করে জমা দেয়। অভিযোগের বিষয়টি তোযাক্কা না করে বিবাদী জনৈক শিক্ষিকা শাহানা আলিমা মুক্তা নালিশী জমিতে গত ৯এপ্রিল জোরপূর্বক গাছ লাগিয়ে জবর দখলের চেষ্টা করছে।
এ ব্যাপারে আছাবুর রহমান বলেন, কোন কারণ ছাড়াই স্কুল শিক্ষকা ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে অন্যায়ভাবে আমার ক্রয়কৃত সম্পত্তি জবর দখলের চেষ্টা সহ একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকে হয়রানি করে আসছে।
বিবাদী জাহিদুল ইসলাম শেখ বলেন, আমরা আছাবুরের কোন জমি দখল করিনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, অভিযোগ হয়েছে। উভয় পক্ষকে ডেকে একটি সুষ্টু সমাধান করে দেয়া হবে।
কথা বলতে বলতেই সোহেলকে স্ত্রীর সামনে কুপিয়ে মারলো

