চলমান করোনা মহামারী মোকাবেলায় স্বাস্থ্যের জন্য ফলদায়ক লেবু। আর পাশাপাশি চলমান রমজানে লেবুর চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় লেবুর কদর অনেকাংশে বেড়েই চলছে। চলতি মৌসুমে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় লেবুর ফলন ভালো না হলেও উৎপাদিত লেবুর চাহিদা বাড়তি হওয়ায় দক্ষিণ চট্টগ্রামে প্রতিটি লেবু ১০-১৫ টাকা ও প্রতি ডজন ১২০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
দক্ষিণ চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার খরনা, শ্রিমাই, লালাখিল, হাইদগাঁও, বোয়ালখালী উপজেলার জৈষ্টপুরা, কানুঙ্গুপাড়া, পাহাড়ীয়া এলাকা চন্দনাইশ উপজেলার লালুটিয়া, লট এলাহাবাদ, কাঞ্চননগর, ধোপাছড়ি পাহড়ীয়া এলাকা, আনোয়ারা উপজেলার মোহসেন আউলিয়া, চাতুরী চৌমুহুনীর পাহাড় ও কাপকোর এলাকাধিন পাহাড়, লোহাগাড়া উপজেলার, পুটুবিলা, চরম্বা, ফাসিয়ালী, চুনুতী, বড় হাতিয়া পাহাড়িয়া এলাকা, সাতকানিয়া উপজেলার বাইতুল ইজ্জত, কেউচিয়া, মাদার্শা, ছদাহা, বাজালিয়া পাহাড়িয়া এলাকা, বাঁশখালি উপজেলার কালিপুর পাহাড়ীয়া এলাকায় ছোট বড় ৪ শাতধিক লেবুর বাগান রয়েছে বলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে জানা যায়।
লেবুর প্রতি ভার ১ হাজার থেকে ১২শ টাকায় বিক্র হচ্ছে। লেবুর বাগানের পাশাপাশি আদা, ও অন্যান্য শাক সবজির চাষ একই সাথে হয়ে থাকে তবে চলতি মৌসুমে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় অন্যান্য চাষাবাদ তেমন একটা না হলে ও লেবুর কদর কোন আংশে কমেনি। করোনা মহামারি থেকে পরিত্রাণের জন্যে মুসলিম সমাজ প্রতিদিন লেবুর শরবত, অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
কৃষকরা এলাকায় হিমাগার নির্মাণের জন্য সরকারের যথাযথ কতর্ৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন। হিমাগার নির্মিত হলে করোনাভাইরাস প্রতিরোধসহ সস্তা দামে লেবুর চাহিদা পূরণ হবে অভিজ্ঞ মহল জানিয়েছেন।
//মোঃ হামিদুর রহমান, চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি //

