চট্টগ্রামের পটিয়া সেন্ট্রাল হসপিটাল এন্ড ডায়গনস্টিক সেন্টারে ডাক্তারের ভুল চিকিৎসার কারণে হৃদয় নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পটিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে দায়ের করা অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার খাইদগাঁও ইউনিয়নের প্রবাসী মোঃ রফিকের পুত্র হৃদয় (২৫) মে দুপুর ১২ টায় লেচু গাছ থেকে পড়ে তার ডান হাত ভেঙ্গে যায়।
মা হাসিনা বেগম পটিয়া সেন্ট্রাল হাসপাতালে জরুরী বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আবু সালেক হৃদয়কে দেখে হাতে এক্সরে করার পরামর্শ দেন। উক্ত এক্সরের রিপোর্ট সেন্ট্রাল হসপিতাল অর্থপেটিক্স ডাঃ সাইফুল ইসলামকে দেখালে তিনি হৃদয়ের ডান হাত অপারেশন করার পরামর্শ দেন। অপারেশনের জন্য ডাক্তার সাইফুল ইসলাম দাবি করলে তা প্রদান করা হয়। গত ২৮ মে বিকাল ৪ টায় হৃদয়কে অপারেশন রুমে নিয়ে যায়।
ডাঃ সাইফুল ইসলামের নির্দেশে সহকারী ডাক্তার আবু সালেক হৃদয়কে অজ্ঞান করার জন্য ইনজেকসন পুশ করার সাথে সাথে অজ্ঞান হয়ে যায়। প্রায় ১ ঘন্টা ২০ মিনিট পর অপারেশন রুম থেকে বের হয়ে ডাক্তার সাইফুল ইসলাম রুগীর অবস্থা গুরুতর বলে তাকে চট্টগ্রাম শহরের আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে বলে জানান, পরে সে এম্ভুল্যান্স ডেকে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এর পর সেদিন ডাঃ সাইফুল ইসলাম ও তার সহকারী ডাঃ আবু সালেক মোবাইল বন্ধ করে দেন। সেন্ট্রাল হসপিটালের ডাঃ সাইফুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি যানান, শিশু হৃদয়ের বয়স ও ওজন মেপে অপারেশনের জন্য অজ্ঞান করতে ইনজেকশন দেয়া হলে তার হাত বøক হয়ে যায়। পরে তাকে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এখানে তাদের চিকিৎসার কোন ভুল হয়নি । এদিকে শিশু হৃদয়ের মামা খোরশেদ আলম দাবি করেন যে, ৬ বছরের শিশুকে ১৬ বছর বয়সী মানুষের ইনজেকশন পুশ করা হয়। ভুল চিকিৎসার কারণে আমার ভাগিনা হৃদয় চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে ৬ দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত রোববার রাতে মারা যায়। আমার ভাগীনাকে যারা ভুল চিকিৎসা করেছে তাদেরকে আইনের আওতায় আনার জন্য উপজেলা প্রশাসনের প্রতি সু-দৃষ্টি কামনা করছি।
এ বিষয়ে পটিয়া থানার ওসি রেজাউল করিম মজুমদার জানান, আমরা এ বিষয়ে একটা অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
//হামিদুর রহমান সাকিল, চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি//
খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় ফকিরহাটের মেধাবী ছাত্রী মেহেরুন্নেছা শার্লীর মৃত্যু

