সংক্রমনের ঝুকিতে এলাকাবাসী! কঠোর লকডাউনে ও চলছে গ্রামীন ব্যাংকের কিস্তি আদায়

সংক্রমনের ঝুকিতে এলাকাবাসী! কঠোর লকডাউনে ও চলছে গ্রামীন ব্যাংকের কিস্তি আদায়

 

সংক্রমনের ঝুকিতে এলাকাবাসী তবুও নড়াইলের কালিয়া উপজেলার বড়দিয়া বাজারে অবস্থিত গ্রামীন ব্যাংক, খাশিয়াল, কালিয়া শাখার বিরুদ্ধে কঠোর লকডাউনে ও কিস্তি আদায়সহ সামাজিক দুরত্ব না মানার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ২৪জুন (বৃহস্পতিবার) বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, কিস্তি জমা ও স্কীম করে লোন নেওয়ার জন্য গ্রাহকেরা একত্র হয়েছে। নেই কোন সামাজিক দুরত্বের বালাই, অনেকেই এসেছে মাস্ক ছাড়া।

এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, গ্রামীন ব্যাংকের ফিল্ড অফিসারেরা এলাকার বিভিন্ন স্পটে তাদের কিস্তি আদায় ও লোনের স্কীম করার জন্য নির্দিষ্ট দিনে ও নির্দিষ্ট সময়ে জড়ো হয়। প্রত্যেকটি কেন্দ্রে ৮০ থেকে ৯০ জন সদস্য আছে। স্থাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দুরত্ব না মেনেই চলে কিস্তি আদায়। এতে মহামারীর সংক্রমণ আরো বেড়ে যাবে বলে তাদের ধারনা।

বৈশ্বিক করোনার সংক্রামন রোধে কেন্দ্রে লোক জড়ো করে কিস্তি আদায় বন্ধের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষসহ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন তারা। লকডাউনে সরকার সবাইকে ঘরে অবস্থান করার পরামর্শ দিয়েছেন। অথচ গ্রামীন ব্যাংকের লোন নেওয়ার জন্য স্কীম করার পর ব্যাংকে গিয়ে গ্রাহকদের লোন আনতে হয়। সেখানেও সামাজিক দুরত্ব মানা সম্ভব হয়না বলে গ্রাহকরা জানান।

চোরখালী-৫৪ম, শুড়িগাতী-১৪ম ও শুড়িগাতী-২০ম কেন্দ্রের একাধিক সদস্যরা জানান, লকডাউনে ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ এবং কোন কাজ না থাকায়, না খেয়েই মরার দশা। কিভাবে কিস্তি দিব ভেবে পাইনা। লকডাউনে কিস্তি আদায় বন্ধ থাকলে ভাল হয়। এ বিষয়ে ফিল্ড অফিসার হাবিবুর রহমান, সেকেন্দার আলী, ওমর ফারুক ও মোঃ ইসমাইল সাংবাদিকদের বলেন, ভাই আমরা চাকুরী করি, ওপরের বশদের নির্দেশনায় আমাদের চলতে হয়।

তবে খুলনা এরিয়ায় লকডাউনের আওতাভুক্ত সকল ব্রান্স বন্ধ আছে। আমরাও চাই করোনাকালে এই লকডাউনে আমরা নিরাপদে থাকি। এ বিষয়ে গ্রামীন ব্যাংক, বড়দিয়া শাখার ব্যবস্থাপক মোঃ মফিজুর রহমান বলেন, আমাদের শাখা কালিয়া এরিয়ার আওতাভুক্ত। মোট ৮ টি শাখা নিয়ে এরিয়া অফিস।

প্রত্যেকটি অফিসেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে অফিস পরিচালনার নির্দেশনা আছে। আমাদের খুলনা এরিয়ায় লকডাউন মুক্ত এলাকায় একটি শাখা খোলা আছে, বাকি সবই বন্ধ। নড়াইলেও কঠোর লকডাউন চলছে, মহামারী করোনার সংক্রমন রোধে এবং অফিসার ও গ্রাহকদের নিরাপত্তার স্বার্থে লকডাউনে ব্যাংক বন্ধ রাখলে ভাল হয়।

এ বিষয়ে আমি এরিয়া ম্যানেজারকে অবহিত করেছি। এরিয়া ম্যানেজার জয়নুল আবেদীন বলেন, জেলা প্রশাসকের দেওয়া প্রজ্ঞাপনে ব্যাংক খুলে রাখার নির্দেশনা আছে। আমাদের ব্যাংকও একটি নিবন্ধিত ব্যাংক, তাই আমাদের কার্যক্রম চলবে।

বিভিন্ন কেন্দ্রে কিস্তি আদায়ে স্বাস্থ্যবিধি না মানার বিষয়ে তিনি বলেন, প্রত্যেক কর্মীকে স্বাস্থ্যবিধি এবং সামাজিক দুরত্ব মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া আছে।

//মোঃ খাইরুল ইসলাম চৌধুরী, নড়াইল//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

অসহায় মানুষের পাশে থাকাটাই দুর্যোগকালে আমাদের বড় কর্তব্য: সালাম মূশের্দী

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *