ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন বরিশালের দর্জি শ্রমিক ও মালিকরা

ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন বরিশালের দর্জি শ্রমিক ও মালিকরা

//পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল//

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন  বরিশাল নগরীর দর্জি শ্রমিক ও মালিকরা।চলছে রমজান ঈদ আর  বৈশাখ কড়া নাড়ছে দরজায়। তাই দর্জিপাড়া আর নতুন কেনা পোশাক ফিটিং এবং তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন  দর্জি ও কারিগররা। এই দুই উৎসবের সাজ ও পোষাকের জন্য এখন দিন-রাতের ব্যস্ততা বরিশালের দর্জি দোকানে।বরিশাল নগরীঘুরে দেখা গেছে, গ্রাহকের রুচি আর পছন্দের সাথে তাল মেলাতে ব্যস্ত পোষাক কারিগররা।

সময় আর আধুনিকতা এসবের সাথে তাল মিলিয়েই নিত্য নতুন পোষাক তৈরিতেই এখন তাদের মনোযোগ। কখনও সালোয়ার কামিজ বা কখনো পাঞ্জাবি তৈরিতে মেশিনে অবিরত চলছে খরখর শব্দ। দর্জিদোকানে কর্মব্যস্ত নারী-পুরুষ কর্মীরা জমছে নতুন নতুন পোশাকের সারি।গ্রাহকের হাতে সময়মত প্রিয় পোশাক তুলে দিতে ব্যস্ত ।

রোজার প্রথমদিকে কাপড় তৈরির অর্ডার নেওয়া শুরু করা হয় এবং ৩০ রমজান পর্যন্ত কাজ করা শেষ হবে বলে জানিয়েছে দর্জি  মালিকরা।  মুক্তার  টেইলার্সের কারিগর  জানান,ঈদকে ঘিরে পোষাক তৈরি  করে আয়ের একটা বড় অংশ পাই কিছুদিন পর ঈদ একবছর পর ঈদে এবার মানুষ অনেক কাপড় তৈরি করতে দিচ্ছে। আশা করছি এবার ঈদ আমাদের ভালোই কাটবে।

বরিশাল নগরীর কাটপট্রি, কাউনিয়া, ভাটিখানা মহসিন মার্কেটসহ বেশকিছু দর্জি দোকানের কারিগর দুলাল, আলতাফ, বিশু, বিরেন মাহবুবসহ অনেকেই  বলেন। হাতে প্রচুর কাজ এখন নিত্য নতুন ডিজাইন এসেছে প্রতিদিন ১০ থেকে ১২টি কাপড় সেলাই করছি। দিনে স্বভাবিক সময়ের তুলনায় বেশি সময় ধরে কাজ করতে হচ্ছে। প্রতিদিন ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকা মজুরি পাচ্ছি।

আশা করছি গত বছরের চেয়ে এবার আমরা পরিবার নিয়ে ঈদ ভালোই কাটাবো। ঈদ উৎসবকে ঘিরে শুধু যে নামি-দামি টেইলার্স গুলোই যে ব্যস্ত সময় পার করছে তা নয়। ঈদকে সামনে রেখে পাড়া মহল্লার ছোট ছোট দর্জি দোকান গুলোতে এখন চলছে রাত দিনের ব্যস্ততা।

গ্রামেও বিভিন্ন দর্জি দোকান ঘুরে দেখা গেছে একই চিত্র। প্রতিটি দোকানে সেলাই কাজে ব্যস্ত সময় পার করছে দর্জিরা। প্রত্যেক দর্জি দিন রাতে সমান তালে কাজ করে যাচ্ছেন তারা প্রতিদিন তৈরি করছেন অর্ডার করা পোশাক। মায়েরদোয়া  টেইলার্স এর মালিক হিরু বলেন,আমি নিজেই অর্ডার নেই এবং নিজেই কাপড় তৈরি করি। এখন প্রত্যেক দিনই অর্ডার পাচ্ছি। বেশি তৈরি করছি মেয়েদের সালোয়ার কুর্তি আর ছেলেদের কাবলি।

ঈদের আগে ভীড় বেশি হয় তাই অতিরিক্ত কারিগর নিয়োগ দেই। তবে এবার অর্ডার এতো বেশি যা ভাবতেও পারিনি। গত বছরের তুলনায় এবারকাজ বেশি থাকায় এবারের ঈদটা আশা করি পরিবার নিয়ে ভালো কাটবে।

Daily World News

আমতলীতে ১৭৭৬৯ জন দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে ভিজিএফ চাল বিতরণ সম্পন্ন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *