দুর্গা  প্রতিমার র্পূণ রুপ দিতে ব্যস্ত সময় পার করছে মৃৎ শিল্পীরা

দুর্গা  প্রতিমার র্পূণ রুপ দিতে ব্যস্ত সময় পার করছে মৃৎ শিল্পীরা

//পলাশ চন্দ্র দাস//

বরিশাল নগরীতে  দুর্গা পূঁজোকে সামনে রেখে নিপূণ হাতে কাঁদামাটি, খড়, বাঁশ, সুতলি ও রং দিয়ে তৈরি হচ্ছে প্রতিমা।প্রতিমা তৈরির কাজে দিনরাত ব্যাস্ত সময় পার করছেন মৎশিল্পীরা। বরিশাল নগরীতে  বিভিন্ন মন্ডপে কারিগররা ফুটিয়ে তুলছেন দুর্গা, লক্ষী,স্বরসতী,গণেশ ও কার্তিকের প্রতিমা।মন্ডপে,মন্ডপে  চলছে অবকাঠামো তৈরির কাজ কোথাও চলছে মাটি দিয়ে প্রতিমা তৈরির কাজ, আবার কোথাও শুরু হয়েছে রংঙের কাজ।

হিন্দু ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গা পূজা ঘনিয়ে আসায় যেনো দম ফেলার ফুসরত নেই বরিশালের  প্রতিমা তৈরির কারিগরদের।শরতের উজ্জ্বল আকাশে সাদা মেঘের  আনাগোনার মধ্যে, কাশফুলের শুভ্র আন্দোলনের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলা পঞ্জিকায় বছর ঘুরে আসে শরৎ ।

প্রকৃতিতে ঋতুর রাণী শরতের আগমনেই সনাতন ধর্মালম্বীদের মনে দোলা দেয় দশভুজা মহামায়া ত্রিনয়নী দেবীর আবাহনী। জানান দেয় শারদীয় উৎসবের দুর্গতিনাশিনী দেবীর আগমনী বার্তায় ভক্তকূলে আনন্দের জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। তাইতো দেবী দুর্গাকে ঢাঁক, ঢোল, শঙ্খ ও উলুর ধ্বনিতে বরণ করতে অধীর আগ্রহে প্রহর গুনছেন ভক্তকুল।

শুক্রবার (১ অক্টোবর ) সরেজমিনে বরিশাল নগরীর বিভিন্ন পূজা মন্ডপে ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন আকার আর নানা সব কারুকাজে দেবী দুর্গার প্রতিমা বানানোর ব্যস্ততা। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত  প্রতিমার র্পূণরুপ দিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন মৃৎ শিল্পীরা। বরিশাল নগরীর বাজার রোড  দুর্গা  মন্দিরের  কারিগর জানান এবার গতবারের থেকে জিনিশপত্রের দাম বেশি, বিশেষ করে রংঙের দাম। তাই কাজ করে তেমন পোষায়না তবুও বাপ দাদার পেশা ধরে রাখতে কাজ করে যাচ্ছি। বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাসংঘ বরিশাল জেলা  কমিটির সভাপতি পলাশ দাস জানান।

মহাপঞ্চমীতে দেবীর বোধনের মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসবের শুরু  ২০ অক্টোবর মহাপঞ্চমী পূজা থেকে মন্ডপে মন্ডপে বেজে উঠবে ঢাকঢোল আর কাঁসার শব্দ। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে সনাতনীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় এই  দুর্গা উৎসব। মহানগর পূজা উদযাপন কমিটির তথ্যমতে এবার নগরীতে মোট ৪৬টি পূজা মন্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। তবে কোনো ঝুঁকিপূর্ণ মন্ডপ নেই। তিনি আরো বলেন উপজেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসন পূজা ভালোভাবে পালনের লক্ষ্যে সব ধরনের সহযোগিতা করে যাচ্ছে।

কোতয়ালী থানা অফিসার ইনচার্জ ( ওসি ) আনোয়ার বলেন সুষ্ঠুভাবে পূজা পালনের জন্য শুরু থেকে প্রতিমা বিসর্জন পর্যন্ত সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নজরদারি ও মনিটরিং অব্যাহত থাকবে। পূজা সুষ্ঠুভাবে উদযাপনের জন্য প্রশাসনিক ভাবে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এবং প্রতিটি মন্ডপে সিসি ক্যামেরা ও অগ্নি নির্বাপক সিলিন্ডার রাখার নির্দশ দেয়া হয়েছে।

Daily World News

জাতীয় কন্যা শিশু দিবসে রূপসায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *