ধর্মপ্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান এমপি বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যরা দেশের মানুষের মুক্তির জন্য রক্ত দিয়ে গেছেন। জাতির পিতা স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে রেখে গিয়েছিলেন, আজ তা উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে ‘মর্যাদা’ পেয়েছে, দারিদ্র্যের হার কমে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আজকে লক্ষ্য হচ্ছে, এ দেশে একটি মানুষও দারিদ্র্যের কষাঘাতে জর্জরিত থাকবে না। একটি মানুষও ভূমিহীন থাকবে না।
তিনি আরও বলেন, দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ করা ও দেশকে যারা মেনে নিতে পারছে না তারা এই অরাজগতা ঘটনা ঘটিয়ে যাচ্ছে। সবাইকে সজাগ থেকে এদের প্রতিহত করতে হবে। খুলনার রূপসা উপজেলার শিয়ালী গ্রামে ক্ষতিগ্রস্থ হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দির ও বাড়ি ঘর পরিদর্শন এবং ক্ষতিগ্রস্থদের হিন্দু কল্যাণ ট্রাষ্টের পক্ষ থেকে চেক বিতরণ ১৯ আগষ্ট বেলা ১১ টায় শিয়ালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে আলেচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।
খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূশের্দী বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুু শেখ মুজিবুর রহমান এদেশের মানুষের জন্য রক্ত দিয়ে যে ঋণে আবদ্ধ করে গেছেন, সেই ঋণ শোধ করতে ‘সোনার বাংলা’ গড়ার লক্ষ্যেই তার সরকার কাজ করে চলেছেন। জাতির পিতা ভূমিহীন মানুষের জন্য খাসজমি বিতরণের মাধ্যমে ঘর তৈরি করে দেওয়ার কর্মসূচি নিয়েছিলেন। আমরা তার জন্মশতবার্ষিকীতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বাংলাদেশে একটি মানুষও গৃহহারা থাকবে না।
আমরা সেইভাবে গৃহনির্মাণ করে দিচ্ছি ঘরহারা মানুষের। চিকিৎসাসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছি। শিক্ষার আলো আজকে ঘরে ঘরে পৌঁছে গেছে। দেশ নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র করবে তাদেরকে শাস্তি পেতেই হবে। জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন দিনাজপুর -১ আসনের এমপি ও হিন্দু ধর্মীয় কল্যান ট্রাষ্টের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মনোরঞ্জন শীল গোপাল,খুলনা- ৫ আসনের এমপি ও হিন্দু ধর্মীয় কল্যান ট্রাষ্টের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নারায়ন চন্দ চন্দ্র, খুলনা-৬ আসনের এমপি আলহাজ্ব আকতারুজ্জামান বাবু, হিন্দু কল্যান ট্রাষ্টের সচীব ড. দিলীপ কুমার ঘোষ,পুলিশ সুপার মো. মাহাবুব হাসান, হিন্দু ধর্মীয় কল্যান ট্রাষ্টের ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত পাল।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড: সুজিত অধিকারী, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ফ ম আব্দুস সালাম, জাহাঙ্গির হোসেন মুকুল, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন বাদশা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়া তাছনিম, জেলা কৃষকলীগের সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক আশরাফুজ্জামান বাবুল, বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ আজাদ আবুল কালাম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সরদার আবুল কাশেম ভাবলু, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, শারাফাত হোসেন মুক্তি, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আরিফ মোল্লা, মোরশেদুল আলম বাবু, ইমদাদুল ইসলাম, মফিজুল ইসলাম ঠান্ডু, ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইসহাক সরদার,কামাল হোসেন বুলবুল, সাধন অধিকারী, জাহাঙ্গির শেখ, মো. মহাসিন শেখ, এস এম হাবিব, বাছিতুল হাবিব প্রিন্স, স ম জাহাঙ্গির, রবিউল ইসলাম বিশ্বাস, এবিএম কামরুজ্জামান, মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান,আকতার ফারুক, আজমল ফকির,নোমান ওসমানী রিচি, সামসুল আলম বাবু, হাবিবুর রহমান তারেকসহ বিভিন্ন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
এসময় ৪টি মন্দির, বাড়ি ও দোকানসহ মোট ১৩টি ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে ২লাখ ৯০হাজার টাকার চেক বিতরণ করেন।
//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//
জাতীয় শোক দিবসের ব্যানার খোলা নিয়ে বরিশাল সদর ইউএনও অফিস ক্যাম্পাসে সংঘর্ষ: আহত ৩৫

