এনবিআর: অনলাইন রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়াল 

//দৈনি বিশ্ব ডেস্ক//

ই-ভ্যাট সিস্টেমে অনলাইন রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা আগামী ২৯ মার্চ পর্যন্ত বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

রোববার (১৫ মার্চ) এনবিআরের প্রথম সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) নাহিদ নওশাদ মুকুল স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, পবিত্র ঈদুল ফিতর ও মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দীর্ঘ সময় সরকারি ছুটি থাকায় এবং ই-ভ্যাট সিস্টেমের সেবা কিছুটা ধীরগতির হওয়ায় জনস্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ধারা ৬৪-এর উপধারা (১ক)-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ই-ভ্যাট সিস্টেমে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ কর মেয়াদের অনলাইন রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা আগামী ২৯ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে।

বাংলাদেশ পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান

//দৈনি বিশ্ব ডেস্ক//

বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী খাকি পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ও কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই দাবি জানানো হয়।

মো. আনিসুজ্জামান বলেন, ২০০৩ ও ২০০৪ সালে তৎকালীন সরকার পুলিশের যে খাকি পোশাকটা ছিল, তা ২০০৪ সালে পরিবর্তন করে বর্তমানে যে ব্লু পোশাকটা আমরা পরেছি, পরতেছি এই পোশাকটা নির্ধারণ করেছিলেন। এই পোশাকটাতেই আমরা ফিরতে চাই। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যে পোশাক পরিবর্তন করেছে ওইটা আমরা নিতে চাই না। আমরা পূর্ববর্তী পোশাক তথা ২০০৪ সালে তৎকালীন সরকার খাকি পোশাকটা পরিবর্তন করে ব্লু যে পোশাকটা বাংলাদেশ পুলিশকে দিয়েছিল, এই পোশাকটাতেই আমরা ফিরতে চাই।

সংগঠনটি বলেছে, দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী খাকি পোশাক পরিবর্তনের আগে আরও গবেষণা ও জনমত যাচাই প্রয়োজন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ২০০৩-২০০৪ সালে তৎকালীন সরকার গঠিত একটি কমিটির মাধ্যমে দীর্ঘ যাচাই-বাছাই শেষে পুলিশের ইউনিফর্ম নির্ধারণ করেছিল। সে সময় পুলিশ সদস্যদের গায়ের রং, দেশের আবহাওয়া, দিন ও রাতের ডিউটিতে সহজে চিহ্নিত হওয়ার বিষয় এবং অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে সাদৃশ্য এড়ানোর দিকগুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল।

বিবৃতিতে দাবি করা হয়, অন্তর্বর্তী সরকার সম্প্রতি যে নতুন পোশাক নির্বাচন করেছে, সেখানে মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের মতামত, গায়ের রং ও আবহাওয়াগত বিষয় যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি। পাশাপাশি অন্যান্য ইউনিফর্মধারী সংস্থার সঙ্গে সাদৃশ্য থাকায় পুলিশ সদস্যদের আলাদাভাবে চিহ্নিত করা কঠিন হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক আরও দাবি করেন, বাহিনীর অধিকাংশ সদস্য তড়িঘড়ি করে নেওয়া এ সিদ্ধান্তের পক্ষে নন। তাদের মতে, বর্তমান পোশাক বাংলাদেশ পুলিশের ঐতিহ্য, শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের প্রতীক।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রায় সব পুলিশ সদস্য বর্তমান ইউনিফর্ম পরেই দায়িত্ব পালন করেন। তাদের পেশাদারিত্ব দেশ-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।

এছাড়া ইউনিফর্ম পরিবর্তনকে ব্যয়বহুল প্রক্রিয়া উল্লেখ করে সংগঠনটি বলেছে, বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে এ খাতে বিপুল অর্থ ব্যয় না করে বাহিনীর আধুনিকায়ন, থানা পর্যায়ে যানবাহন সরবরাহ এবং লজিস্টিক সহায়তা বাড়ানো বেশি যৌক্তিক হবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, পোশাকের রং বা নকশা নয় বরং পুলিশ সদস্যদের মনোবল, মানসিকতা ও পেশাদারিত্বের উন্নয়নই এখন বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিষয়টি নিয়ে আরও গবেষণা ও জনমত যাচাই করে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত এবং পুলিশ সদস্যদের আবেগ ও বাস্তবতাকে গুরুত্ব দিতে হবে।

 

নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত ধরে বাংলাদেশের নতুন পথচলা শুরু

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায় শুরু হলো। দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে যাত্রা শুরু করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এর মাধ্যমে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পরিবারের তৃতীয় প্রজন্মের হাতে রাষ্ট্রক্ষমতা ন্যস্ত করল জাতি, যা বাংলাদেশে আগে ঘটেনি। তারেক রহমানের নেতৃত্বে নবগঠিত ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভার হাত ধরে আগামীর বাংলাদেশের নতুন পথচলা শুরু হলো।

গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তারেক রহমান। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শপথের মাধ্যমে নতুন সরকারের যাত্রা শুরু হয়। তারেক রহমান দীর্ঘদিন রাজনীতিতে যুক্ত থাকলেও অতীতে সংসদ নির্বাচনে অংশ নেননি। এবার ঢাকায় ও পিতৃভূমি বগুড়ায় দুটি আসনে নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন।

১৯৯১ সালের পর প্রথম কোনো পুরুষ প্রধানমন্ত্রী পেয়েছে দেশ। এর আগে বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা প্রায় তিন যুগ দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। শেখ হাসিনা পালিয়ে যান ভারতে। দেড় বছরের অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনের পর তারেক রহমানের হাত ধরে শুরু হলো নির্বাচিত সরকারের পথচলা।

গত ৩০ ডিসেম্বর বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মারা যান। মায়ের মৃত্যুর পর গত ৯ জানুয়ারি তারেক রহমান বিএনপির চেয়ারম্যান হন। অভিষিক্ত হয়ে তাঁর নেতৃত্বেই দলের নির্বাচনী প্রচার ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বিএনপিও তাঁকে একক নেতা হিসেবে উপস্থাপন করেছে। নির্বাচনী প্রচারের সময়ই তাঁকে বাংলাদেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উপস্থাপন করে দেশ-বিদেশের গণমাধ্যম ও বিএনপির নেতা-কর্মীরা। ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে তাঁর নেতৃত্বে দলটি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। দীর্ঘ দুই দশক পর সরকারে ফেরে বিএনপি।

এর আগে গত ২৫ ডিসেম্বর দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের ইতি টেনে যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে দেশের মাটিতে ফেরেন তারেক রহমান। বিপুল মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হন তিনি।

১৯৬৫ সালের ২০ নভেম্বর জন্ম নেন তারেক রহমান। বিএনপির দলীয় ওয়েবসাইটে দেওয়া তারেক রহমানের জীবনীতে বলা হয়, স্বৈরশাসক এইচ এম এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় তারেক রহমান তাঁর মা খালেদা জিয়ার সঙ্গে রাজপথে আন্দোলনে যোগ দেন। তিনি ১৯৮৮ সালে বগুড়ার গাবতলী উপজেলা ইউনিটে সাধারণ সদস্য হিসেবে বিএনপিতে যোগদান করেন। তৃণমূল থেকে জনগণকে সংগঠিত করেছিলেন এবং এইচ এম এরশাদের সরকারের পতনে অবদান রেখেছিলেন তারেক রহমান। ১৯৯১ সালের নির্বাচনের আগে তিনি তাঁর মা খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেশের প্রায় প্রতিটি জেলায় প্রচারণা চালিয়ে নির্বাচনে বিজয় অর্জন করেন। খালেদা জিয়া হন দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী।

২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের সময় তিনি দলকে সংগঠিত করতে ইউনিয়ন পর্যায়ে দলের সম্মেলন করে আলোচনায় আসেন তারেক রহমান। সাংগঠনিক প্রচেষ্টার স্বীকৃতি হিসেবে ২০০২ সালে স্থায়ী কমিটি তাঁকে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক পদে মনোনীত করে।

বাংলাদেশে ২০০৭ সালে সেনা–সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে দুর্নীতির অভিযোগে আটক হয়েছিলেন তারেক রহমান। সরকারটি এক–এগারোর সরকার নামে পরিচিত। এরপর ১৮ মাস কারাগারে থাকার পর ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে মুক্তি পেয়ে সপরিবার লন্ডনে চলে যান তিনি।

লন্ডনে থাকা অবস্থায় ২০০৯ সালে দলের কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তারেক রহমান। এরপর ধীরে ধীরে বিএনপির পুনর্গঠনে যুক্ত হন। ২০১৮ সালে খালেদা জিয়া কারাগারে বন্দী হন। তখন তারেক রহমান দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন মনোনীত হন। খালেদা জিয়ার অবর্তমানে তিনিই দলকে শেখ হাসিনার নিপীড়নমূলক শাসনের বিরুদ্ধে এবং ভোটাধিকার অর্জনের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন।

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে অধিষ্ঠিত হন বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত জিয়াউর রহমান। সেনাপ্রধান হন তিনি। এরপর প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক করা হয় তাঁকে। বিএনপির ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল তৎকালীন রাষ্ট্রপতি এ এস এম সায়েম পদত্যাগ করলে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হন।

১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর জিয়াউর রহমান নিজে চেয়ারম্যান হিসেবে থেকে নতুন রাজনৈতিক দল বিএনপি গঠন করেন। ১৯৯১ সালের পর থেকে জিয়ার প্রতিষ্ঠিত এই দলটি চারবার রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন হলো।

১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্যের হাতে জিয়াউর রহমান নিহত হন। তখন খালেদা জিয়া ছিলেন পুরোদস্তুর গৃহিণী। স্বামীহারা খালেদা দলের হাল ধরেন। যুক্ত হন স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনে।

বিশ্বে অল্প কয়েকটি রাজনৈতিক পরিবার আছে, যাদের তিন সদস্য কোনো দেশের রাষ্ট্র কিংবা সরকারপ্রধানের গুরুদায়িত্ব সামলেছেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে তারেক রহমানের শপথের মধ্য দিয়ে এই পরিবারগুলোর তালিকায় নাম লেখাল জিয়া পরিবারও। বাবা জিয়াউর রহমান ও মা খালেদা জিয়ার পর এবার বাংলাদেশ পরিচালনার ভার নিলেন ছেলে তারেক রহমান।

প্রয়াত জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার আরেক ছেলে ছিলেন আরাফাত রহমান কোকো। তারেক রহমানের এই ছোট ভাই ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মাত্র ৪৪ বছর বয়সে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান। তিনি পেশায় চিকিৎসক। এই দম্পতির একমাত্র সন্তান ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

খুলনার রূপসায় একাধিক অবৈধ কয়লার চুল্লি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

English DainikBiswa

বাগেরহাটের কচুয়ায় সাবেক ইউপি সদস্য মো. আলম হোসেনকে কুপিয়ে জখম

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

বাগেরহাটের কচুয়ায় চাঁদা না দেওয়ায় মো. আলম হোসেন (৬২) নামের এক সাবেক ইউপি সদস্যকে মারধর ও কুপিয়ে জখমের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার সকালে কচুয়া উপজেলার ফুলতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে আহত আলমকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করে স্বজনরা। আহত আলম কচুয়া উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৭নং ওয়ার্ডের সদস্য ছিলেন।

আহত জানান, শ্রমিকদল নেতা জামাল শেখ দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে এক লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে বিভিন্ন সময় হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হয়। এদিন সকালে তিনি বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় হঠাৎ করে জামাল শেখ লোকজন নিয়ে এসে তার ওপর হামলা করে। এতে আলমের হাত ও পায়ে গুরুতর জখম হয়। এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চায় আলম।

আলম হোসেন আরও বলেন, জামাল শেখ শুধু আমার কাছেই নয়, আমার মতো আরও অনেকের কাছেই চাঁদা দাবি করছে। টাকা না দেওয়ায় আমার ওপর হামলা করেছে।

মারধরের বিষয়ে গোপালপুর ইউনিয়ন শ্রমিকদল নেতা জামাল শেখ বলেন, আলম আওয়ামী লীগের লোক ছিল। সকালে ধানের শীষের মিছিল নিয়ে আসছিলাম, অনেক লোক দেখে ভয়ে দৌড়ে পালাতে গিয়ে আহত হয় আলম। আমি তার কাছে কোন চাঁদা চাইনি।

 

বেগম  খালেদা জিয়া আর নেই

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

তিনি আজ ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫, মঙ্গলবার ভোর ৬ টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বেগম খালেদা জিয়া’র মৃত‍্যুর সংবাদটি নিশ্চিত করেন বেগম খালেদা জিয়া’র ব‍্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

এসময় হাসপাতালে বেগম খালেদা জিয়া’র জ‍্যেষ্ঠ ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান, ছেলের বউ ডা. জোবায়দা রহমান, নাতনী জাইমা রহমান, ছোট ছেলের বউ শার্মিলী রহমান সিঁথি, ছোট ভাই শামীম এসকান্দার, ছোট ভাইয়ের স্ত্রী, বড় বোন সেলিনা ইসলাম সহ সকল আত্মীয় স্বজন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের সকল চিকিৎসকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া’র নামাজে জানাজার সময়সূচী পরবর্তীতে জানানো হবে বলে জানিয়েছে বিএনপি।

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ সালের ১২ ই ফেব্রুয়ারী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ সালের ১২ ই ফেব্রুয়ারী  ব্রহস্পতিবার…..

এইমাত্র তফশির ঘোষণা করলেন মাননীয় প্রধান নির্বাচন কমিশনার…….

আমিই রোকেয়া- বর্তমান বিশ্বে নারীরা কোন কাজে পিছিয়ে নেই রূপসায় নির্বাহী সানজিদা রিকতা

//এম মুরশীদ আলী//

আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস উদযাপন উপলক্ষে রূপসা উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় আয়োজিত শ্রেষ্ঠ অদম্য নারীদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান গত ৮ ডিসেম্বর সকাল ১১ টায় অফিসার্স ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনায় বেগম রোকেয়ার জীবনাদর্শ, নারী শিক্ষার গুরুত্ব এবং নারী নির্যাতন প্রতিরোধের বার্তা গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরে এই অদম্য নারীদের অবদান ও সাহসিকতাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে সম্মান জানান উপস্থিত সবাই। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন- উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিকতা। তিনি বলেন- বেগম রোকেয়া আমাদের সমাজে নারীর শিক্ষা ও স্বাধীনতার প্রতীক। নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ও নারী ক্ষমতায়ন আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।

আমিই রোকেয়া- বর্তমান বিশ্বে নারীরা কোন কাজে পিছিয়ে নেই রূপসায় নির্বাহী সানজিদা রিকতা

বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন রূপসা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইফতেখারুল ইসলাম শামীম।

রূপসা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জ্যোতি কনা দাস, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আলী আকবর, রূপসা থানার আব্দুস সাত্তার, বাংলাদেশ ইসলামী রিলিফ উপজেলা প্রতিনিধি শেখ শাহাজাহান সিরাজ, ব্র্যাক জাবুসা ব্রাঞ্চ আইডিসি অরগানাইজার শ্রাবণী ব্যানার্জি, অদম্য নারীর মধ্যে বক্তব্য রাখেন- রাশিদা আক্তার, বিউটি বেগম, নাসরিন সুলতানা লিপি, মোমেনা বেগম, রাশিদা আক্তার, রেশমা রেজা।

রূপসায় নারী বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান ও সাফল্যের অদম্য নারী সম্মাননা লাভ করেছেন ৫ জন এবং পাঁচটি পৃথক ক্যাটাগরিতে সম্মাননা প্রাপ্ত নারীরা হলেন- অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী নৈহাটি ইউনিয়নের জাবুসা গ্রামের সিরাজ মোল্যার সহধর্মিণী বিউটি বেগম, শিক্ষা ও চাকরিক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী নৈহাটি ইউনিয়নের বাগমারা গ্রামের এমদাদুল হকের স্ত্রী নাসরিন সুলতানা লিপি, সফল জননী টিএসবি ইউনিয়নের দক্ষিণ খাজাডাঙ্গা গ্রামের খলিলুর রহমান শেখের স্ত্রী মোমেনা বেগম, নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে জয়ী নারী আইচগাতী ইউনিয়নের যুগীহাটি গ্রামের বনি আমিন বিশ্বাসের স্ত্রী রাশিদা আক্তার, সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখা নারী নৈহাটি ইউনিয়নের রহিমনগর গ্রামের মো. আজিজুর রহমানের স্ত্রী রেশমা রেজা। অনুষ্ঠান শেষে সম্মাননা প্রাপ্তদের মাঝে সনদ ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

জেলা প্রশাসক রূপসায় সরকারি কর্মকর্তা ও সুধীজনদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

রূপসা উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত খুলনা জেলা প্রশাসক, বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার। তিনি রূপসা উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধানগণ এবং স্থানীয় সুধীজনদের সাথে এক মতবিনিময় সভা গত ২ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জেলা প্রশাসক রূপসার সার্বিক উন্নয়ন, সরকারি সেবার মান বৃদ্ধি, নাগরিক সুবিধা সহজীকরণ এবং জনদুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহকে আরও সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেন। এ সময় বিভিন্ন সুধীজন রূপসার বিভিন্ন সমস্যা এবং দপ্তরের কর্মকর্তারা তাঁদের দপ্তরের সমস্যা, সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছেন।

জেলা প্রশাসক রূপসায় সরকারি কর্মকর্তা ও সুধীজনদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিকতার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন- উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুজ্জামান আরিফ, রূপসা থানার ওসি তদন্ত আঃ সবুর খান।

সঞ্চালনা করেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন, বক্তব্য রাখেন- উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তরুন কুমার বালা, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. আহসান হাবীব প্রামাণিক, মৎস্য কর্মকর্তা জ্যোতি কনা দাস, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাইদুর রহমান, উপজেলা প্রকৌশলী শোভন সরকার, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এস. এ. আনোয়ার উল কুদ্দুস, সমাজসেবা কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম তরফদার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শেখ মো. বোরহান উদ্দিন, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তারেক ইকবাল আজিজ, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুহা: আবুল কাশেম, নির্বাচন অফিসার আঃ সাত্তার, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ বজলুর রহমান, সমবায় কর্মকর্তা ফরিদ আহম্মেদ, সহকারী প্রোগ্রামার ইমরান হোসেন।

সুধীজনদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোল্যা সাইফুর রহমান, সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক, উপজেলা জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি হাবিবুল্লাহ ইমন, উপস্থিত ছিলেন টিএসবি ইউনিয়ন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আছাফুর রহমান, আইচগাতী ইউনিয়ন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাসুম বিল্লাহ, নৈহাটি ইউনিয়ন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ইলিয়াজ হোসেন, শ্রীফলতলা ইউনিয়ন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিয়াউল ইসলাম বিশ্বাস, ঘাটভোগ ইউনিয়ন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলাম নন্দু, বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ তৈয়েবুর রহমান, আঃ মালেক, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. নাজিমুদ্দিন, মাওলানা হেকমত আলী, প্রধান শিক্ষক  হায়দার আলী, বিউটি পারভিন, আঃ সালাম, তামিম হাসান লিয়ন, ফাহাদ গাজী, শামীম হাওলাদার প্রমুখ।

এবি ব্যাংক এজেন্ট শাখা ও আল-ফালাহ সমিতির স্বত্ত্বাধিকারি প্রতারকের বিরুদ্ধে ২৯ লাখ টাকা আত্মসাতে চেক-জালিয়াতি মামলা

//নিজস্ব প্রতিবেদক //

রূপসায় ২৯ লাখ টাকা আত্মসাত ! এবি ব্যাংক শাখার এজেন্ট ব্যবসায়ী ও আল-ফালাহ সমবায় সমিতির স্বত্ত্বাধিকারি রবিউল ইসলাম বিরুদ্ধে। সে রূপসার নৈহাটী ইউনিয়নের নিকলাপুর খোড়ার বটতলা এলাকায় দীর্ঘকাল সমিতির ব্যবসা পরিচালনা করার মাধ্যমে বিভিন্ন লোককে প্রলোভন দেখিয়ে সুকৌশলে অর্থ টেনে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগীরা তার বিরুদ্ধে আদালতে চেক জালিয়াতি মামলা দেওয়ার পাশাপাশি গত ২৫ নভেম্বর দুপুরে প্রতারক রবিউলের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের কাছে নানান কাহিনীর অভিযোগ সহ ২৯ লাখ টাকা আত্মসাতের ঘটনা জানান। তারা আরো জানান- রবিউলের বিরুদ্ধে উকিল নোটিশ ও স্থানীয় শালিসী-বৈঠকহলেও বিষয়টি আমলে না নিয়ে ক্ষমতার দাপটে বহাল তবিয়তে ব্যাংকিং কার্যক্রম ও সমিতি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। আমরা পাওনা টাকা চাইলে কোন কর্ণপাত করে না বরং তার নানান অযুহাত খাড়া করে বছরের পর বছর ঘুরাচ্ছে আমাদের।

ওই প্রতারণার খপ্পরে সর্বোচ্চ হারানো ব্যক্তিরা হলেন-  ১। খাদিজা খাতুন বলেন, জমি কেনার শর্তে চেকের মাধ্যমে ৯ লাখ টাকা দিয়েছি রবিউলকে। জমি ক্রয় না করায় ঐ পাওনা টাকা থেকে মাত্র ২ লাখ টাকা দিয়েছে। বাকি ৭ লাখ টাকা এপর্যন্ত পরিশোধ করেনি।

২। শেখ ইমদাদুল ইসলাম বলেন- ১ লাখ ১০ হাজার ইট দিবে এমন শর্তে প্যাড ও ব্যাংকের চেকের মাধ্যমে ২০২১ সালের আগস্ট মাসে ৭ লাখ টাকা গ্রহণ করেন রবিউল। এ পর্যন্ত কোনো ইট দেয়নি এমনকি টাকাও পরিশোধ করেনি।

৩। ইমরান শরিফ বলেন- ইট দেওয়ার শর্তে ২০২০ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে মোট ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিয়েছি এবি ব্যাংকের এজেন্ট ব্যবসায়ি রবিউল ইসলামকে। তারপর থেকে সে এ পর্যন্ত ইট দেওয়া তো দূরের কথা, কোনো টাকাও দেয়নি। ঘুরতে ঘুরতে কোন উপায়ন্ত না পেয়ে তার বিরুদ্ধে আদালতে একটি চেক জালিয়াতি ও ৩ টি চেক ডিজঅনার মামলা দায়ের করেছি।

৪। শিরিনা বেগম বলেন, রবিউল আমাকে ৯৩ হাজার ইট দেওয়ার শর্তে ২০২১ সালে ইসলামী ব্যাংকের, ৬ লাখ টাকার চেক প্রদান করি। এখনো পর্যন্ত কোনো ইট দেয়নি, টাকাও পরিশোধ করেনি। টাকা চাইতে গেলে নানা অযুহাত খাড়া করেন।

এব্যাপারে অভিযুক্ত মো. রবিউল ইসলামের সাথে কথা বলার চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি।

গাড়ির নাম্বার প্লেট দেখে গাড়ির বিস্তারিত তথ্য জেনে নিন…..

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

গাড়ির নাম্বার প্লেট শুধু একটি সনাক্তকরণ নম্বর নয়, এটি গাড়ির ধরন ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে অনেক কিছুই বলে দেয়।

বাংলাদেশে গাড়ির নাম্বার প্লেটে শহরের নাম, সংখ্যা এবং একটি বাংলা বর্ণ থাকে, যা গাড়ির ক্যাটাগরি বা শ্রেণি নির্দেশ করে।

যেমন- ‘ঢাকা মেট্রো গ ১৫-৪৩২১’ দেখে আপনি বুঝতে পারবেন এটি ঢাকা মহানগরীর একটি গাড়ি, আর ‘গ’ বর্ণটি গাড়ির ধরন সম্পর্কে জানায়।

চলুন, জেনে নিই এই বাংলা বর্ণগুলো কী বোঝায় এবং কীভাবে এগুলো গাড়ির শ্রেণি নির্ধারণ করে।

নাম্বার প্লেটের ফরম্যাট

বাংলাদেশে গাড়ির নাম্বার প্লেট একটি নির্দিষ্ট ফরম্যাট অনুসরণ করে: শহরের নাম – গাড়ির ক্যাটাগরি (বাংলা বর্ণ) – গাড়ির নম্বর। যেমন- ‘ঢাকা মেট্রো ক ১১-১৬৯৭৮’-এ:

ঢাকা মেট্রো: গাড়িটি ঢাকা মহানগরীর আওতায় রেজিস্টার্ড।

ক: গাড়ির ক্যাটাগরি, যা এখানে প্রাইভেটকার নির্দেশ করে।

১১: রেজিস্ট্রেশন নম্বর।

১৬৯৭৮: গাড়ির সিরিয়াল নম্বর।

বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথোরিটি (বিআরটিএ) গাড়ির ধরন, ইঞ্জিন ক্ষমতা এবং ব্যবহারের উদ্দেশ্য অনুযায়ী এই বর্ণ নির্ধারণ করে।

মোট ১৯টি ক্যাটাগরি রয়েছে, যার মধ্যে একটি (‘য’) প্রধানমন্ত্রীর/ প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের গাড়ির জন্য সংরক্ষিত। বাকি ১৮টি জনসাধারণের গাড়ির জন্য।

বাংলা বর্ণ ও গাড়ির ক্যাটাগরি

নিচে বিআরটিএ নির্ধারিত বাংলা বর্ণ এবং তাদের দ্বারা নির্দেশিত গাড়ির ধরন দেওয়া হলো:

ক: প্রাইভেটকার (৮০০ সিসি)

খ: প্রাইভেটকার (১০০০-১৩০০ সিসি)

গ: প্রাইভেটকার (১৫০০-১৮০০ সিসি)

ঘ: জিপগাড়ি

চ: মাইক্রোবাস

ছ: ভাড়ায় চালিত মাইক্রোবাস ও লেগুনা

জ: মিনিবাস

ঝ: বড় বাস বা কোস্টার বাস

ট: বড় ট্রাক

ঠ: ডাবল কেবিন পিক-আপ

ড: মাঝারি ট্রাক

ন: ছোট পিক-আপ

প: ট্যাক্সি ক্যাব

ভ: প্রাইভেটকার (২০০০+ সিসি)

ম: পণ্য পরিবহন ও ডেলিভারির জন্য পিক-আপ

দ: প্রাইভেট/নিজস্ব সিএনজি চালিত অটোরিকশা

থ: ভাড়ায় চালিত সিএনজি চালিত অটোরিকশা

হ: মোটরবাইক (৮০-১২৫ সিসি)

ল: মোটরবাইক (১৩৫-২০০ সিসি)

ই: ভটভটি টাইপের(ছোট ও হালকা) ট্রাক

য: প্রধানমন্ত্রী/ প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের গাড়ি

এই বর্ণগুলো দেখে সহজেই বোঝা যায় গাড়িটি কোন ধরনের— ব্যক্তিগত পরিবহন, বাস, ট্রাক নাকি মোটরসাইকেল।

এছাড়া ইঞ্জিন ক্ষমতা এবং ব্যবহারের ধরন (ব্যক্তিগত বা বাণিজ্যিক) সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া যায়।

যে কারণে এই বর্ণগুলো জানা জরুরি

নাম্বার প্লেটের বাংলা বর্ণ জানা থাকলে গাড়ির শ্রেণি, ইঞ্জিন ক্ষমতা এবং রেজিস্ট্রেইশন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়।

এটি গাড়ি সনাক্তকরণ, নিরাপত্তা এবং আইনি প্রক্রিয়ায় সহায়ক।

যেমন- একটি ট্যাক্সি ক্যাব (‘প’) আর প্রাইভেটকার (‘ক’, ‘খ’, ‘গ’, ‘ভ’) আলাদা করা যায়, যা যাত্রী বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

এছাড়া ব্যবহৃত গাড়ি কেনার সময়ও গাড়ি সম্পর্কে ধারণা পেতে উপকার হয়।

আধুনিক প্রযুক্তি ও গাড়ির নিরাপত্তা

নাম্বার প্লেটের পাশাপাশি গাড়ির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখন ‘ভেহিকল ট্র্যাকিং সিস্টেম’ ব্যবহার হচ্ছে।

গাড়ির নাম্বার প্লেটে থাকা বাংলা বর্ণ শুধু একটি অক্ষর নয়, এটি গাড়ির পরিচয় ও বৈশিষ্ট্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক।

বিআরটিএ’র নির্ধারিত এই বর্ণগুলো জানা থাকলে রাস্তায় গাড়ি দেখেই বুঝতে পারবেন এটি কোন ধরনের যানবাহন।

তাই গাড়ি কিনতে বা রাস্তায় কোনো গাড়ি দেখলে নাম্বার প্লেটের বাংলা বর্ণের দিকে একটু নজর দিন, গাড়ির ধরন সম্পর্কে জানতে পারবেন সহজেই!

তথ্যসূত্র: ১৯৬৫০ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত (সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়), ডিসেম্বর ২৭ , ২০২২ পৃষ্ঠা ১২৬।

রূপসায় ক্লাস্টার পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

রূপসায় টাইফয়েড টিকা প্রথমদিন পেল ১৯৯৫ জন শিক্ষার্থী