আমিই রোকেয়া- বর্তমান বিশ্বে নারীরা কোন কাজে পিছিয়ে নেই রূপসায় নির্বাহী সানজিদা রিকতা

//এম মুরশীদ আলী//

আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস উদযাপন উপলক্ষে রূপসা উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় আয়োজিত শ্রেষ্ঠ অদম্য নারীদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান গত ৮ ডিসেম্বর সকাল ১১ টায় অফিসার্স ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনায় বেগম রোকেয়ার জীবনাদর্শ, নারী শিক্ষার গুরুত্ব এবং নারী নির্যাতন প্রতিরোধের বার্তা গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরে এই অদম্য নারীদের অবদান ও সাহসিকতাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে সম্মান জানান উপস্থিত সবাই। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন- উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিকতা। তিনি বলেন- বেগম রোকেয়া আমাদের সমাজে নারীর শিক্ষা ও স্বাধীনতার প্রতীক। নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ও নারী ক্ষমতায়ন আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।

আমিই রোকেয়া- বর্তমান বিশ্বে নারীরা কোন কাজে পিছিয়ে নেই রূপসায় নির্বাহী সানজিদা রিকতা

বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন রূপসা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইফতেখারুল ইসলাম শামীম।

রূপসা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জ্যোতি কনা দাস, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আলী আকবর, রূপসা থানার আব্দুস সাত্তার, বাংলাদেশ ইসলামী রিলিফ উপজেলা প্রতিনিধি শেখ শাহাজাহান সিরাজ, ব্র্যাক জাবুসা ব্রাঞ্চ আইডিসি অরগানাইজার শ্রাবণী ব্যানার্জি, অদম্য নারীর মধ্যে বক্তব্য রাখেন- রাশিদা আক্তার, বিউটি বেগম, নাসরিন সুলতানা লিপি, মোমেনা বেগম, রাশিদা আক্তার, রেশমা রেজা।

রূপসায় নারী বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান ও সাফল্যের অদম্য নারী সম্মাননা লাভ করেছেন ৫ জন এবং পাঁচটি পৃথক ক্যাটাগরিতে সম্মাননা প্রাপ্ত নারীরা হলেন- অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী নৈহাটি ইউনিয়নের জাবুসা গ্রামের সিরাজ মোল্যার সহধর্মিণী বিউটি বেগম, শিক্ষা ও চাকরিক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী নৈহাটি ইউনিয়নের বাগমারা গ্রামের এমদাদুল হকের স্ত্রী নাসরিন সুলতানা লিপি, সফল জননী টিএসবি ইউনিয়নের দক্ষিণ খাজাডাঙ্গা গ্রামের খলিলুর রহমান শেখের স্ত্রী মোমেনা বেগম, নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে জয়ী নারী আইচগাতী ইউনিয়নের যুগীহাটি গ্রামের বনি আমিন বিশ্বাসের স্ত্রী রাশিদা আক্তার, সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখা নারী নৈহাটি ইউনিয়নের রহিমনগর গ্রামের মো. আজিজুর রহমানের স্ত্রী রেশমা রেজা। অনুষ্ঠান শেষে সম্মাননা প্রাপ্তদের মাঝে সনদ ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

জেলা প্রশাসক রূপসায় সরকারি কর্মকর্তা ও সুধীজনদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

রূপসা উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত খুলনা জেলা প্রশাসক, বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার। তিনি রূপসা উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধানগণ এবং স্থানীয় সুধীজনদের সাথে এক মতবিনিময় সভা গত ২ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জেলা প্রশাসক রূপসার সার্বিক উন্নয়ন, সরকারি সেবার মান বৃদ্ধি, নাগরিক সুবিধা সহজীকরণ এবং জনদুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহকে আরও সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেন। এ সময় বিভিন্ন সুধীজন রূপসার বিভিন্ন সমস্যা এবং দপ্তরের কর্মকর্তারা তাঁদের দপ্তরের সমস্যা, সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছেন।

জেলা প্রশাসক রূপসায় সরকারি কর্মকর্তা ও সুধীজনদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিকতার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন- উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুজ্জামান আরিফ, রূপসা থানার ওসি তদন্ত আঃ সবুর খান।

সঞ্চালনা করেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন, বক্তব্য রাখেন- উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তরুন কুমার বালা, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. আহসান হাবীব প্রামাণিক, মৎস্য কর্মকর্তা জ্যোতি কনা দাস, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাইদুর রহমান, উপজেলা প্রকৌশলী শোভন সরকার, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এস. এ. আনোয়ার উল কুদ্দুস, সমাজসেবা কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম তরফদার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শেখ মো. বোরহান উদ্দিন, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তারেক ইকবাল আজিজ, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুহা: আবুল কাশেম, নির্বাচন অফিসার আঃ সাত্তার, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ বজলুর রহমান, সমবায় কর্মকর্তা ফরিদ আহম্মেদ, সহকারী প্রোগ্রামার ইমরান হোসেন।

সুধীজনদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোল্যা সাইফুর রহমান, সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক, উপজেলা জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি হাবিবুল্লাহ ইমন, উপস্থিত ছিলেন টিএসবি ইউনিয়ন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আছাফুর রহমান, আইচগাতী ইউনিয়ন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাসুম বিল্লাহ, নৈহাটি ইউনিয়ন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ইলিয়াজ হোসেন, শ্রীফলতলা ইউনিয়ন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিয়াউল ইসলাম বিশ্বাস, ঘাটভোগ ইউনিয়ন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলাম নন্দু, বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ তৈয়েবুর রহমান, আঃ মালেক, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. নাজিমুদ্দিন, মাওলানা হেকমত আলী, প্রধান শিক্ষক  হায়দার আলী, বিউটি পারভিন, আঃ সালাম, তামিম হাসান লিয়ন, ফাহাদ গাজী, শামীম হাওলাদার প্রমুখ।

এবি ব্যাংক এজেন্ট শাখা ও আল-ফালাহ সমিতির স্বত্ত্বাধিকারি প্রতারকের বিরুদ্ধে ২৯ লাখ টাকা আত্মসাতে চেক-জালিয়াতি মামলা

//নিজস্ব প্রতিবেদক //

রূপসায় ২৯ লাখ টাকা আত্মসাত ! এবি ব্যাংক শাখার এজেন্ট ব্যবসায়ী ও আল-ফালাহ সমবায় সমিতির স্বত্ত্বাধিকারি রবিউল ইসলাম বিরুদ্ধে। সে রূপসার নৈহাটী ইউনিয়নের নিকলাপুর খোড়ার বটতলা এলাকায় দীর্ঘকাল সমিতির ব্যবসা পরিচালনা করার মাধ্যমে বিভিন্ন লোককে প্রলোভন দেখিয়ে সুকৌশলে অর্থ টেনে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগীরা তার বিরুদ্ধে আদালতে চেক জালিয়াতি মামলা দেওয়ার পাশাপাশি গত ২৫ নভেম্বর দুপুরে প্রতারক রবিউলের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের কাছে নানান কাহিনীর অভিযোগ সহ ২৯ লাখ টাকা আত্মসাতের ঘটনা জানান। তারা আরো জানান- রবিউলের বিরুদ্ধে উকিল নোটিশ ও স্থানীয় শালিসী-বৈঠকহলেও বিষয়টি আমলে না নিয়ে ক্ষমতার দাপটে বহাল তবিয়তে ব্যাংকিং কার্যক্রম ও সমিতি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। আমরা পাওনা টাকা চাইলে কোন কর্ণপাত করে না বরং তার নানান অযুহাত খাড়া করে বছরের পর বছর ঘুরাচ্ছে আমাদের।

ওই প্রতারণার খপ্পরে সর্বোচ্চ হারানো ব্যক্তিরা হলেন-  ১। খাদিজা খাতুন বলেন, জমি কেনার শর্তে চেকের মাধ্যমে ৯ লাখ টাকা দিয়েছি রবিউলকে। জমি ক্রয় না করায় ঐ পাওনা টাকা থেকে মাত্র ২ লাখ টাকা দিয়েছে। বাকি ৭ লাখ টাকা এপর্যন্ত পরিশোধ করেনি।

২। শেখ ইমদাদুল ইসলাম বলেন- ১ লাখ ১০ হাজার ইট দিবে এমন শর্তে প্যাড ও ব্যাংকের চেকের মাধ্যমে ২০২১ সালের আগস্ট মাসে ৭ লাখ টাকা গ্রহণ করেন রবিউল। এ পর্যন্ত কোনো ইট দেয়নি এমনকি টাকাও পরিশোধ করেনি।

৩। ইমরান শরিফ বলেন- ইট দেওয়ার শর্তে ২০২০ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে মোট ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিয়েছি এবি ব্যাংকের এজেন্ট ব্যবসায়ি রবিউল ইসলামকে। তারপর থেকে সে এ পর্যন্ত ইট দেওয়া তো দূরের কথা, কোনো টাকাও দেয়নি। ঘুরতে ঘুরতে কোন উপায়ন্ত না পেয়ে তার বিরুদ্ধে আদালতে একটি চেক জালিয়াতি ও ৩ টি চেক ডিজঅনার মামলা দায়ের করেছি।

৪। শিরিনা বেগম বলেন, রবিউল আমাকে ৯৩ হাজার ইট দেওয়ার শর্তে ২০২১ সালে ইসলামী ব্যাংকের, ৬ লাখ টাকার চেক প্রদান করি। এখনো পর্যন্ত কোনো ইট দেয়নি, টাকাও পরিশোধ করেনি। টাকা চাইতে গেলে নানা অযুহাত খাড়া করেন।

এব্যাপারে অভিযুক্ত মো. রবিউল ইসলামের সাথে কথা বলার চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি।

গাড়ির নাম্বার প্লেট দেখে গাড়ির বিস্তারিত তথ্য জেনে নিন…..

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

গাড়ির নাম্বার প্লেট শুধু একটি সনাক্তকরণ নম্বর নয়, এটি গাড়ির ধরন ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে অনেক কিছুই বলে দেয়।

বাংলাদেশে গাড়ির নাম্বার প্লেটে শহরের নাম, সংখ্যা এবং একটি বাংলা বর্ণ থাকে, যা গাড়ির ক্যাটাগরি বা শ্রেণি নির্দেশ করে।

যেমন- ‘ঢাকা মেট্রো গ ১৫-৪৩২১’ দেখে আপনি বুঝতে পারবেন এটি ঢাকা মহানগরীর একটি গাড়ি, আর ‘গ’ বর্ণটি গাড়ির ধরন সম্পর্কে জানায়।

চলুন, জেনে নিই এই বাংলা বর্ণগুলো কী বোঝায় এবং কীভাবে এগুলো গাড়ির শ্রেণি নির্ধারণ করে।

নাম্বার প্লেটের ফরম্যাট

বাংলাদেশে গাড়ির নাম্বার প্লেট একটি নির্দিষ্ট ফরম্যাট অনুসরণ করে: শহরের নাম – গাড়ির ক্যাটাগরি (বাংলা বর্ণ) – গাড়ির নম্বর। যেমন- ‘ঢাকা মেট্রো ক ১১-১৬৯৭৮’-এ:

ঢাকা মেট্রো: গাড়িটি ঢাকা মহানগরীর আওতায় রেজিস্টার্ড।

ক: গাড়ির ক্যাটাগরি, যা এখানে প্রাইভেটকার নির্দেশ করে।

১১: রেজিস্ট্রেশন নম্বর।

১৬৯৭৮: গাড়ির সিরিয়াল নম্বর।

বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথোরিটি (বিআরটিএ) গাড়ির ধরন, ইঞ্জিন ক্ষমতা এবং ব্যবহারের উদ্দেশ্য অনুযায়ী এই বর্ণ নির্ধারণ করে।

মোট ১৯টি ক্যাটাগরি রয়েছে, যার মধ্যে একটি (‘য’) প্রধানমন্ত্রীর/ প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের গাড়ির জন্য সংরক্ষিত। বাকি ১৮টি জনসাধারণের গাড়ির জন্য।

বাংলা বর্ণ ও গাড়ির ক্যাটাগরি

নিচে বিআরটিএ নির্ধারিত বাংলা বর্ণ এবং তাদের দ্বারা নির্দেশিত গাড়ির ধরন দেওয়া হলো:

ক: প্রাইভেটকার (৮০০ সিসি)

খ: প্রাইভেটকার (১০০০-১৩০০ সিসি)

গ: প্রাইভেটকার (১৫০০-১৮০০ সিসি)

ঘ: জিপগাড়ি

চ: মাইক্রোবাস

ছ: ভাড়ায় চালিত মাইক্রোবাস ও লেগুনা

জ: মিনিবাস

ঝ: বড় বাস বা কোস্টার বাস

ট: বড় ট্রাক

ঠ: ডাবল কেবিন পিক-আপ

ড: মাঝারি ট্রাক

ন: ছোট পিক-আপ

প: ট্যাক্সি ক্যাব

ভ: প্রাইভেটকার (২০০০+ সিসি)

ম: পণ্য পরিবহন ও ডেলিভারির জন্য পিক-আপ

দ: প্রাইভেট/নিজস্ব সিএনজি চালিত অটোরিকশা

থ: ভাড়ায় চালিত সিএনজি চালিত অটোরিকশা

হ: মোটরবাইক (৮০-১২৫ সিসি)

ল: মোটরবাইক (১৩৫-২০০ সিসি)

ই: ভটভটি টাইপের(ছোট ও হালকা) ট্রাক

য: প্রধানমন্ত্রী/ প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের গাড়ি

এই বর্ণগুলো দেখে সহজেই বোঝা যায় গাড়িটি কোন ধরনের— ব্যক্তিগত পরিবহন, বাস, ট্রাক নাকি মোটরসাইকেল।

এছাড়া ইঞ্জিন ক্ষমতা এবং ব্যবহারের ধরন (ব্যক্তিগত বা বাণিজ্যিক) সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া যায়।

যে কারণে এই বর্ণগুলো জানা জরুরি

নাম্বার প্লেটের বাংলা বর্ণ জানা থাকলে গাড়ির শ্রেণি, ইঞ্জিন ক্ষমতা এবং রেজিস্ট্রেইশন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়।

এটি গাড়ি সনাক্তকরণ, নিরাপত্তা এবং আইনি প্রক্রিয়ায় সহায়ক।

যেমন- একটি ট্যাক্সি ক্যাব (‘প’) আর প্রাইভেটকার (‘ক’, ‘খ’, ‘গ’, ‘ভ’) আলাদা করা যায়, যা যাত্রী বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

এছাড়া ব্যবহৃত গাড়ি কেনার সময়ও গাড়ি সম্পর্কে ধারণা পেতে উপকার হয়।

আধুনিক প্রযুক্তি ও গাড়ির নিরাপত্তা

নাম্বার প্লেটের পাশাপাশি গাড়ির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখন ‘ভেহিকল ট্র্যাকিং সিস্টেম’ ব্যবহার হচ্ছে।

গাড়ির নাম্বার প্লেটে থাকা বাংলা বর্ণ শুধু একটি অক্ষর নয়, এটি গাড়ির পরিচয় ও বৈশিষ্ট্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক।

বিআরটিএ’র নির্ধারিত এই বর্ণগুলো জানা থাকলে রাস্তায় গাড়ি দেখেই বুঝতে পারবেন এটি কোন ধরনের যানবাহন।

তাই গাড়ি কিনতে বা রাস্তায় কোনো গাড়ি দেখলে নাম্বার প্লেটের বাংলা বর্ণের দিকে একটু নজর দিন, গাড়ির ধরন সম্পর্কে জানতে পারবেন সহজেই!

তথ্যসূত্র: ১৯৬৫০ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত (সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়), ডিসেম্বর ২৭ , ২০২২ পৃষ্ঠা ১২৬।

রূপসায় ক্লাস্টার পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

রূপসায় টাইফয়েড টিকা প্রথমদিন পেল ১৯৯৫ জন শিক্ষার্থী

 

বিনা পাসপোর্টেও ভারতে বৈধভাবে থাকার নতুন নিয়ম

//দৈনি বিশ্ব আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

বাংলাদেশ থেকে ধর্মীয় নিপীড়ন এড়াতে ভারতে যাওয়া সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যরা পাসপোর্ট বা অন্য কোনো ভ্রমণ নথি ছাড়াই সেখানে থাকতে পারবেন। শুধু বাংলাদেশ নয়, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ভারতে প্রবেশ করা ব্যক্তিরাও এই সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আদেশে বলা হয়েছে, ‘আফগানিস্তান, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ভুক্ত কোনো ব্যক্তি—হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টান—যারা ধর্মীয় নিপীড়ন বা নিপীড়নের আশঙ্কায় ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪-এর আগে প্রবেশ করেছেন, তারা বৈধ ভ্রমণ নথি ছাড়াই ভারতে থাকতে পারবেন। বৈধ পাসপোর্ট বা নথি নিয়ে যারা এসেছিলেন কিন্তু যার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, তারাও এ নিয়মের বাইরে থাকবেন।’

 

সি–পুতিন–কিম, অপ্রতিরোধ্য চীনের’ সামরিক কুচকাওয়াজে নতুন অস্ত্র শক্তি দেখছেন

//দৈনি বিশ্ব আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের আনুষ্ঠানিক আত্মসমর্পণের দিনটি সাড়ম্বরে উদ্‌যাপন করছে চীন। দিনটি ঘিরে আজ বুধবার চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে বিশাল সামরিক কুজকাওয়াজ চলছে। এতে যোগ দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং–উন।

এর আগে ২০১৯ সালে সর্বশেষ চীন সফর করেছিলেন কিম জং–উন। আর চীন, রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার এই তিন রাষ্ট্রনেতা এবারই প্রথম একসঙ্গে হয়েছেন। কুচকাওয়াজ চলাকালে পাশাপাশি বসেছিলেন সি ও কিম। এ সময় তাঁদের দুজনকে আলাপ করতেও দেখা গেছে।

কুজকাওয়াজ পরিদর্শনের জন্য বেইজিংয়ে আমন্ত্রিত ২৬ জন রাষ্ট্রনেতার নামের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে চীনের স্টেট কাউন্সিল। তাঁদের মধ্যে আছেন ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট লুয়ং কুয়ং, বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট এমারসন মনানগাগওয়া, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্দার ভুচিচ, কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ ক্যানেল।

তালিকায় আরও আছে মিয়ানমারের ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো প্রমুখ রাষ্ট্রনেতার নাম। তবে আমন্ত্রিত ব্যক্তিদের সবাই বেইজিংয়ে গেছেন কি না, সেটা নিশ্চিত করতে পারেনি বিবিসি।

সামরিক কুজকাওয়াজের শুরুতে দেওয়া ভাষণে সি চিন পিং বলেন, ‘অপ্রতিরোধ্য চীন’কে কোনোভাবেই ভয় দেখানো যাবে না।

চীন সামরিক কুচকাওয়াজে যেসব নতুন অস্ত্র সামনে এনেছে, তার মধ্যে লেজার অস্ত্র, পারমাণবিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও পানির নিচে পরিচালনায় সক্ষম বিশাল ড্রোন রয়েছে।

 

রক্তের কোলেস্টেরল কমান ওষুধ ছাড়াই

//দৈনিক বিশ্ব//

রক্তের উচ্চ কোলেস্টেরলকে বলা হয় গোপন শত্রু। এটি ধীরে ধীরে আপনার শরীরকে হৃদ্‌রোগ ও স্ট্রোকের মতো বিপজ্জনক অবস্থার দিকে নিয়ে যায়, যা অনেক সময় আপনি টেরই পান না। টের যখন পান, তখন আর করণীয় তেমন থাকে না। তাই কোলেস্টেরলের মতো গোপন শত্রুকে আপনার চিনে নিতে হবে প্রথমেই, যখন নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

রক্তে দুই ধরনের কোলেস্টেরল থাকে—খারাপ ও ভালো। খারাপটা হলো লো ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন বা এলডিএল। আর ভালোটাকে বলে হাই ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন, যা এইচডিএল নামে পরিচিত।

কানাডার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ম্যাডিসন ব্রাউন এমন কিছু গবেষণাভিত্তিক পদ্ধতির কথা বলেছেন, যার জন্য আপনার কোনো ওষুধপত্র খেতে হবে না, কিন্তু খারাপ কোলেস্টেরল (এলডিএল) কমবে প্রাকৃতিকভাবেই। এসব এতই সাধারণ ও ছোট যে আপনি জেনে অবাকও হতে পারেন।

১. দ্রবণীয় আঁশযুক্ত খাবার আরও খান

খাবারে আঁশ খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি পেটের ভেতর জেলের মতো একধরনের বস্তু তৈরি করে, যা রক্তে মেশার আগেই কোলেস্টেরলকে এর ফাঁদে আটকে ফেলে।

ওট, ডাল, চিয়া ও তিসি বীজের মতো অনেক খাবারই আঁশযুক্ত ও পানিতে দ্রবণীয়। এসব দ্রবণীয় আঁশ খাবারের অতিরিক্ত কোলেস্টেরলকে হজমপ্রক্রিয়ায় ঢুকতে বাধা দেয় এবং বর্জ্য হিসেবে শরীরের বাইরে বের করে দেয়।

আমেরিকান জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে দেখা যায়, দিনে মাত্র ৫–১০ গ্রাম দ্রবণীয় আঁশ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় প্রায় ৫ শতাংশ।

২. খাবার প্লেটকে ‘প্ল্যান্ট’ দিয়ে পরিপূর্ণ করুন

এখানে ‘প্ল্যান্ট’ হচ্ছে উদ্ভিজ্জ খাবার। বলা হচ্ছে, আপনার খাবারের প্লেটে পুষ্টিপূর্ণ উদ্ভিজ্জ খাদ্য বেশি রাখুন। ফলমূল, শাকসবজি, বাদাম ও বীজজাতীয় খাবার শুধু খাবারের প্লেটকে বৈচিত্র্যপূর্ণই করে না; বরং এসব খাবারে স্টেরল ও স্ট্যানলের মতো উদ্ভিজ্জ চর্বি যোগ করে। এই স্টেরল ও স্ট্যানল রক্তে কোলেস্টেরল শোষণ কমায়।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় কোলেস্টেরল শিক্ষা কর্মসূচি অনুযায়ী, খাবারে দৈনিক ২ গ্রাম উদ্ভিজ্জ স্টেরল থাকলে তা ১০ শতাংশ পর্যন্ত এলডিএল কমায়। উদ্ভিজ্জ খাবারে অ্যান্টি–অক্সিডেন্টও থাকে, যা ধমনি ভালো রাখে। এটি আঁশ তৈরি করে, যা কোলেস্টেরল নিষ্কাশনে সহায়ক।

৩. ক্ষতিকর চর্বি বাদ দিয়ে স্বাস্থ্যকর চর্বি গ্রহণ

সাধারণত প্রক্রিয়াজাত ও ভাজাপোড়া খাবারে ক্ষতিকর চর্বি থাকে। এটি রক্তে ভালো কোলেস্টেরল কমিয়ে এলডিএলের মাত্রা বাড়ায়। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন খাবারে ক্ষতিকর চর্বি গ্রহণ বাদ দিয়ে স্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। তারা জলপাইয়ের তেল, অ্যাভোকাডো, আখরোটসহ চর্বিযুক্ত মাছ খেতে উৎসাহিত করেছে।

৪. সক্রিয় থাকুন প্রতিদিন

কোলেস্টেরলের পরিমাণ ঠিক রাখার জন্য প্রতিদিন ব্যায়ামাগারে যেতে হবে, এমন নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সপ্তাহে ৫ দিন অন্তত ৩০ মিনিট করে হাঁটুন। দ্রুত হাঁটা আপনার শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখবে। একই সঙ্গে এটি শরীরে রক্ত চলাচলও বাড়ায়। শারীরিক পরিশ্রম কোলেস্টেরলকে রক্ত থেকে যকৃতে পাঠায়। সেখানে যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একে দেহ থেকেই বের করে দেওয়া হয়।

৫. পরিশোধিত শর্করা ও চিনি কমান

বেশি পরিশোধিত বা প্রক্রিয়াজাত শর্করা ও চিনি শরীরে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বাড়ায়। ট্রাইগ্লিসারাইড হলো রক্তে জমে থাকা চর্বি। এটি নির্দিষ্ট পরিমাণে দরকারি। কিন্তু এর অতিরিক্ত মাত্রা হৃদ্‌রোগের উচ্চঝুঁকি তৈরি করে।

২০১৪ সালে আমেরিকার ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিনে প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব লোক তাঁদের ক্যালরির ২৫ শতাংশের বেশি চিনি থেকে গ্রহণ করেন, তাঁদের হৃদ্‌রোগজনিত মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি। চিনিযুক্ত পানীয়, ক্যান্ডি, পেস্ট্রি ও পাউরুটি খাওয়া বাদ দিলে শরীরে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমে এবং রক্তচাপ ঠিক থাকে।

শেষকথা

মনে রাখতে হবে, কোলেস্টেরল কমানোর এই প্রক্রিয়ায় কিন্তু রাতারাতি সফলতা অর্জন সম্ভব নয়। এটি দীর্ঘমেয়াদি চর্চার বিষয়। কাজেই এই পদ্ধতি অভ্যাস করুন এবং কোলেস্টেরল প্রাকৃতিকভাবেই কমিয়ে ফেলুন।

সূত্র: মায়ো ক্লিনিক

এনবিআর বিলুপ্ত|| নতুন দুটি বিভাগ তৈরির অধ্যাদেশ পাশ

//দৈনিক বিশ্ব//

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বিলুপ্ত করে দুটি পৃথক বিভাগ ‘রেভিনিউ পলিসি ডিভিশন’ এবং ‘রেভিনিউ ম্যানেজমেন্ট ডিভিশন’ তৈরির অধ্যাদেশ পাশ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা (সংশোধন) ২০২৫ নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

অধ্যাদেশটিতে আনা সংশোধনী অনুযায়ী, নতুন দুটি বিভাগের মধ্যে ‘রেভিনিউ ম্যানেজমেন্ট ডিভিশনের’ প্রধানের পদে এনবিআরের বর্তমান কর্মকর্তাদের মধ্য থেকেই নিয়োগের সুযোগ তৈরি হয়েছে। ‘রেভিনিউ পলিসি ডিভিশনেও’ সরকার চাইলে এনবিআর অথবা যোগ্যতা সম্পন্ন অন্য কোনো বিভাগ থেকে নিয়োগ দিতে পারবে।

আগের অধ্যাদেশে ‘রেভিনিউ ম্যানেজমেন্ট ডিভিশনের’ প্রধান পদে রাজস্ব আহরণ সংক্রান্ত কাজে অভিজ্ঞদের ‘অগ্রাধিকার’ দেওয়ার কথা থাকলেও সংশোধনীতে বলা হয়েছে, ‘রাজস্ব আহরণ সংক্রান্ত কাজে অভিজ্ঞতা রয়েছে, এরকম কোনো যোগ্য সরকারি কর্মকর্তাকে ম্যানেজমেন্ট ডিভিশনে নিয়োগ দেবে।’ এর মাধ্যমে মূলত এনবিআরের কর্মকর্তাদের মধ্য থেকেই এই বিভাগের প্রধান নিয়োগের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

একইভাবে, ‘রেভিনিউ পলিসি ডিভিশনের’ প্রধান হিসেবে আগে ‘উপযুক্ত কোনো কর্মকর্তাকে’ নিয়োগের কথা বলা ছিল। নতুন সংশোধনীতে বলা হয়েছে, ‘সরকার সামষ্টিক অর্থনীতি, বাণিজ্য নীতি, পরিকল্পনা, রাজস্ব নীতি বা ব্যবস্থাপনা কাজে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন কর্মকর্তাকে রেভিনিউ পলিসি ডিভিশনে নিয়োগ দিতে পারবে।’

ফলে এক্ষেত্রে সরকার চাইলে এনবিআর অথবা অন্য কোনো বিভাগের যোগ্য কর্মকর্তাকে এ বিভাগের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবে। এ ছাড়া উভয়-বিভাগে কর্মকর্তা নিয়োগের ক্ষেত্রেও সুনির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে।

গত মে মাসে সরকার এনবিআর বিলুপ্ত করে নতুন অধ্যাদেশ জারির পরে এনবিআরের বর্তমান কর্মকর্তাদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। তাদের আন্দোলনের মুখে পরবর্তীতে অধ্যাদেশটি সংশোধন করা হয়।

কর্মকর্তাদের অভিযোগ ছিল, অধ্যাদেশটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে দুটি বিভাগের প্রধান হিসেবে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হয় এবং রাজস্ব কর্মকর্তাদের শীর্ষ পদে আসার পথ সংকুচিত হয়ে পড়ে।

রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুলের ভবনে বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ১৯

//দৈনিক বিশ্ব//

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ঘটনাস্থালে সাংবাদিকদের বলেন, তাদের কর্মীরা ধ্বংসস্তূপ থেকে ১৯ জনের লাশ উদ্ধার করেছে। অর্ধশতাধিক আহত ও দগ্ধকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, এ পর্যন্ত অর্ধশতাধিক এসেছে। সংখ্যা ক্রমে বাড়ছে। তাদের মধ্যে একজন মৃত। দগ্ধদের বেশিরভাগই শিক্ষার্থী। তাদের সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

নিহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বৈমানিকের বিষয়েও কোনো তথ্য এখনো দেয়নি আইএসপিআর।

আন্তঃবাহিনীর জনসংযোগ পরিদপ্তর-আইএসপিআর জানিয়েছে, বিমান বাহিনীর ‘এফ-৭ বিজেআই’ প্রশিক্ষণ বিমানটি সোমবার দুপুর ১টা ৬ মিনিটে উড্ডয়নের পরপরই বিধ্বস্ত হয়।

স্কুলের একটি অ্যাকাডেমিক ভবনের ওপর বিধ্বস্ত হওয়ার পরপরই উড়োজাহাজটিতে আগুন ধরে যায়। অনেক দূর থেকেও সেখানে ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। জ্বলন্ত উড়োজাহাজটির আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট।

মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের জনসংযোগ কর্মকর্তা শাহ বুলবুল বলেন, বিমানটি একটি ভবনের গেইটে আছড়ে পড়ে। সেটি অ্যাকাডেমিক ভবন। সেখানে স্কুলের বাচ্চাদের ক্লাস চলছিল। আগুনে অনেকেই সেখানে দগ্ধ হয়েছে।

জাতীয় বার্ন ইউনিটে ভর্তি ২৮ জনের নাম পাওয়া গেল

রাজধানীর উত্তরায় বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় বিকাল সাড়ে তিনটা পর্যন্ত ২৮ জন জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি হয়েছেন। তারা হলেন- শামীম ইউসুফ (১৪), মাহিন (১৫), আবিদ (১৭), রফি বড়ুয়া (২১), সায়েম (১২), সায়েম ইউসুফ (১৪), মুনতাহা (১১), নাফি () মেহেরিন(১২), আয়মান (১০), জায়েনা (১৩), ইমন(১৭), রোহান (১৪), আবিদ (৯), আশরাফ (৩৭), ইউশা (১১), পায়েল (১২), আলবেরা (১০), তাসমিয়া (১৫), মাহিয়া (), অয়ন (১৪), ফয়াজ (১৪), মাসুমা (৩৮), মাহাতা (১৪), শামীম, জাকির (৫৫), নিলয় (১৪), সামিয়া।

ফায়ার সার্ভিসের জনসংযোগ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বেলা ১টা ১৮ মিনিটে এ দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়। মাইলস্টোন কলেজে একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে বলে জানা যায়। তাদের ইউনিটগুলো পৌঁছায় দুপুর ১টা ২২ মিনিটে। এখন  উত্তরা, টঙ্গী, পল্লবী, কুর্মিটোলা, মিরপুর, পূর্বাচল ফায়ার স্টেশনের আটটি ইউনিট কাজ করছে।

এদিকে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে হতাহতের ঘটনায় আগামীকাল মঙ্গলবার একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। দেশের সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। পাশাপাশি সব সরকারি, বেসরকারি ভবন ও বিদেশে বাংলাদেশি মিশনেও জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে।

আহত–নিহতদের জন্য দেশের সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।

 

কম্পিউটার জগতে কাট, কপি, পেস্টের নেপথ্য কারিগর কে এই ল্যারি টেসলার?

//দৈনিক বিশ্ব//

কম্পিউটার জগতে ‘কাট, কপি ও পেস্ট’ ছাড়া কাজ কল্পনাই করা যায় না। এ সাধারণ অথচ যুগান্তকারী ফিচারটির পেছনে ছিলেন এক অসাধারণ মানুষ-ল্যারি টেসলার। ১৯৪৫ সালের ২৪ এপ্রিল নিউইয়র্কে জন্ম নেওয়া টেসলার ষাটের দশকে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার বিজ্ঞানে ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৭৩ সালে তিনি যোগ দেন জেরক্সের পালো অল্টো রিসার্চ সেন্টারে (PARC)। এখানেই সহকর্মী টিম মটের সঙ্গে মিলে তৈরি করেন জিপসি (Gypsy) নামের টেক্সট এডিটর, যার মধ্য দিয়েই প্রথমবারের মতো আসে কাট, কপি ও পেস্ট কমান্ড। এ উদ্ভাবনের মধ্য দিয়ে কম্পিউটার ব্যবহারের জটিলতা অনেকটাই কমে যায়। ব্যবহারকারীবান্ধব প্রযুক্তির পথে এটি ছিল এক বিশাল ধাপ।

এরপর অ্যাপলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস তাকে দলে টেনে নেন। অ্যাপলে ১৭ বছরের কর্মজীবনে তিনি লিসা ও প্রথম ম্যাকিন্টোশ কম্পিউটারের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। কারসরের ধারণা, গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেসের প্রসার, সবকিছুর পেছনে ছিল টেসলারের দূরদর্শিতা। ২০২০ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি পৃথিবী ছেড়ে বিদায় নেন এ প্রযুক্তি কিংবদন্তি। তবে তার ছোঁয়া রয়ে গেছে আমাদের প্রতিদিনের প্রতিটি ক্লিকে।