ওসি ইব্রাহিম সোহেলের নেতৃত্বে অভিযান// ১০হাজার পিচ ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৬

// আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা//

কক্সবাজার জেলার উ‌খিয়া থানাধীন তাজনিমারখোলা সাকিনের এফডিএমএন ক‌্যাম্প-১৩ এর আওতাধীন ব্লক-এ/২ মোঃ ইউনুস এর দোকানের সামনে পাকা রাস্তার উপর থেকে ৪,০০০ (চার হাজার) পিস এমফিটামিন যুক্ত ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটসহ দুই জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

জানাগেছে, পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) সর্দার ইব্রাহিম হোসেন সোহেল এর নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মোঃ কামরুল আলম সঙ্গীয় মোবাইল-১৩ পার্টি সহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২২অক্টোবর  ১০ঃ০৫ ঘটিকায় অভিযান চালায়।

এসময় এফডিএমএন ক‌্যাম্প-১৩ এর আওতাধীন এ/২ ব্লকে মোঃ ইউনুস এর দোকানের সামনে পাকা রাস্তার উপর হতে  সাবের (৫৫) পিতা-মৃত আমির হোসেন, এফসিএন-২১২৩৫৯, ব্লক-জি/২ ও সমসু (২৮) পিতা-মৃত মুছা আলী, এফসিএন-২১৮৪৪২, ব্লক-জি/৫, উভয়ই ক্যাম্প-১৩ দ্বয়ের নিকট হতে ৪,০০০ (চার হাজার) পিস এমফিটামিন যুক্ত ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেট উদ্বার করা হয়।

 যার আনুমানিক মূল্য ১২,০০,০০০ (বারো লক্ষ) টাকা।

এছাড়া  কক্সবাজার জেলার উ‌খিয়া থানাধীন তাজনিমারখোলা সাকিনের এফডিএমএন ক‌্যাম্প-১৩ এর আওতাধীন জি/২ ব্লকের বসবাসকারী মোঃ হারেছ এর বসতঘর হতে ৬হাজার পিচ ইয়াবাসহ ৪জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

জানাযায়, গত২২ অক্টোবর বিকাল৩ঃ৩০ ঘটিকায় পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) সর্দার ইব্রাহিম হোসেন সোহেল এর নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মোঃ কামরুল আলম, এসআই(নিঃ) সঞ্জয় দত্ত, এএসআই(নিঃ) মোঃ হাসান মোরশেদ সঙ্গীয় মোবাইল-১৩ পার্টি সহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চানানো হয়।

এসময় এফডিএমএন ক‌্যাম্প-১৩ এর আওতাধীন জি/২ ব্লকে বসবাসকারী মোঃ হারেছ এর বসতঘর হতে  দীল মোহাম্মদ (২৩) পিতা-সুলতান আহাম্মদ এফসিএন-১৮৯৭৩২, ব্লক-এ/৭, ক্যাম্প-১৮,  আব্দুল নুর (২৮) পিতা-মৃত মোঃ সিদ্দিক  এফসিএন-২২১৬৮০, ব্লক-ডি/৩, ক্যাম্প-১৫,  সৈয়দুল আমিন (২৮) পিতা-মিয়া হোসেন, এফসিএন-২৭৫৫৪২, ব্লক-এফ/৫, ক্যাম্প-১৩,  মোহাম্মদ হারেছ (১৮) পিতা-সাবের, এফসিএন-২১২৩৫৯, ব্লক-জি/২, ক্যাম্প-১৩ গণের নিকট হতে ৬,০০০ (ছয় হাজার) পিস এমফিটামিন যুক্ত ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেট যার আনুমানিক মূল্য ১৮,০০,০০০ (আঠারো লক্ষ) টাকা এবং মাদক বিক্রির নগদ ৭০,৩৩০/- (সত্তর হাজার তিনশত ত্রিশ) টাকা উদ্ধারকরা হয়।

পরবর্তীতে তাদেরকে আটক করে জব্দকৃত আলামত সহ তাজনিমারখোলা পুলিশ ক্যাম্পে নিয়ে আসা হয়। উখিয়া থানায় নিয়মিত মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

দেশের মানুষের ভাগ্য ও উন্নয়ন নিশ্চিতে আওয়ামী লীগের বিকল্প নেই : শেখ হারুন

// আ: রাজ্জাক শেখ//

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়নের লক্ষ্যে,  রূপসা উপজেলা আওয়ামীলীগ আয়োজিত মতবিনিময় সভায় নেতৃবৃন্দ বলেছেন,আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয়,দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত হয়।তাই দেশের মানুষের ভাগ্য ও উন্নয়ন নিশ্চিতে  আওয়ামী লীগের বিকল্প নেই। বিএনপি-জামাতের ক্ষমতাকালে এদেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করে মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তিকে পুনর্বাসিত করা হয়। তখন জঙ্গিবাদ আর সন্ত্রাসের জনপদে পরিণত হয় এ দেশ।ঐ সময় মানুষের কোনো নিরাপত্তা ছিল না।এখন মানুষ শান্তিতে বসবাস করছে।

এ কারণে পরপর দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে আওয়ামী লীগ।তাই ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত, আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর মেধাভিত্তিক অর্থনীতির সমৃদ্ধ দেশের লক্ষ্য অর্জনের কার্যক্রমে আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতা-কর্মীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের কোনো বিকল্প নেই।গতকাল ১০ অক্টোবর দুপুরে রূপসা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সেের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও আওয়ামী লীগ মনোনীত জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ হারুনুর রশিদ। প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ সুজিত অধিকারী।

সন্মানিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি বাবুল রানা। রূপসা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ কামাল উদ্দীন বাদশার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এ্যাডঃ সোহরাব আলী সানা,এম এম মুজিবুর রহমান, বিএম এ সালাম,অধ্যাপক দেলোয়ারা বেগম,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সরফুদ্দীন বিশ্বাস বাচ্চু, মোঃ কামরুজ্জামান জামাল।

উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সরদার আবুল কাশেম ডাবলুর পরিচালনায় বক্তৃতা করেন জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক এম এ রিয়াজ কচি,শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোজাফফর মোল্যা,জেলা আওয়ামীলীগ সদস্য ফ,ম আঃ সালাম,জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল, শাহিনা আক্তার লিপি, জামিল খান, শিউলী সরোয়ার, জেলা কৃষকলীগ সভাপতি আশরাফুজ্জামান বাবুল, সাধারন সম্পাদক মানিকুজ্জামান অশোক,খুলনা মহানগর যুবলীগের আহবায়ক সফিকুর রহমান পলাশ, খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবলীগ সভাপতি শেখ মোঃ আবু হানিফ, সাধারন সম্পাদক আজিজুর রহমান রাসেল, আওয়ামীলীগ নেতা আঃ মজিদ ফকির,ফ,ম আলাউদ্দিন মাহমুদ,খান শাহজাহান কবীর প্যারিস,সৈয়দ  মোরশেদুল আলম বাবু,ইমদাদুল ইসলাম,অধ্যাপক শ্যামল কুমার দাস,মোতালেব হোসেন, এসএম হাবিব, চঞ্চল মিত্র, এমডি রকিব উদ্দীন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা,আকতার ফারুক, শেখ আবু জাফর, আঃ গফুর খান, সরদার জাকির হোসন,এবিএম কামরুজ্জামান, জলিল তালুকদার, গাজী মোহাম্মদ জিন্নাহ,সোহেল জুনায়েদ,আল মামুন সরকার, মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, মনিরুজ্জামান মনি, রবিউল ইসলাম বিশ্বাস, জাহাঙ্গীর শেখ, কামাল হোসেন বুলবুল, বিনয় কৃষ্ণ হালদার, সরদার মিজানুর রহমান, মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পারভেজ হাওলাদার, সাধারন সম্পাদক ইমরান হোসেন,মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী রিনা পারভিন, আকলিমা খাতুন তুলি সহ আওয়ামীলীগ ও আওয়ামী সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ  প্রমূখ।

এমপি সালাম মূর্শেদীর আয়োজনে শেখ রেহেনার জন্মদিন পালন

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ কন্যা ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট বোন শেখ রেহানার ৬৭ তম জন্মদিন উপলক্ষে এমপি আব্দুস সালাম মূর্শেদীর খুলনাস্থ দলীয় কার্যালয়ে কেক কাটা ও আলোচনা সভা মঙ্গলবার (১৩সেপ্টেম্বর)সন্ধ‍্যায় অনুষ্ঠিত হয়।

এমপি আব্দুস সালাম মুর্শেদী জুম কনফারেন্সের মাধ্যমে সভায় সভাপতিত্ব করেন।

সভাপতির বক্তৃতায় তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ মেয়ে ও প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রেরণাময়ী সহোদরা শেখ রেহানার ৬৭ তম জন্মদিন আজ। ১৯৫৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

বঙ্গবন্ধুর মেয়ে হলেও একজন সাধারণের মতোই জীবনযাপন করেন শেখ রেহানা।

একদম সাদাসিধে একজন নারী। চরিত্রে অহংকার পোষণ করেননি। দেশের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন নীরবে-নিভৃতে তিনি।

সংগ্রাম করে যাচ্ছেন জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে। সুযোগ্য মায়ের যোগ্য উত্তরসূরি তিনি।

মা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব পর্দার অন্তরালে থেকে বঙ্গবন্ধুকে দিয়েছিলেন সাহস ও অনুপ্রেরণা।

তেমনি শেখ রেহানা বড় বোন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পাশে থেকে অনুপ্রেরণা দিয়ে যাচ্ছেন।

যে কারণেই দেশ আজ মধ্যময়ের দেশে পরিণত হয়েছে। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশিদ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বলেন, শেখ রেহানার ইতিবাচক ভূমিকার কারণেই শান্তির আলোকবর্তিকা হাতে বিশ্বময় শেখ হাসিনা। শেখ রেহানা বেগম মুজিবের পরিপূরক হয়ে উঠেছেন তার কর্মে এবং যোগ্যতার মাপকাঠিতে।

আওয়ামী লীগের কোনো নেতা নন তিনি। তবে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন দুঃসময়ে, বিভিন্ন ক্রান্তিকালে তিনি যেন আশা-ভরসার স্থান। বিশেষ করে শেখ রেহানার কথা উচ্চারিত হলে ২০০৭-এর ওয়ান ইলেভেনের কথা দৃশ্যপটে সামনে চলে আসে। সেসময় আওয়ামী লীগকে বিভক্তির হাত থেকে বাঁচাতে, শেখ হাসিনার মুক্তির প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে এবং আন্তর্জাতিক মহলে আওয়ামী লীগ সম্পর্কে সঠিক ধারণা দিতে শেখ রেহানাই মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন।

জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মোঃ মোতালেব হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল ইসলাম ও সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম হাবিবের পরিচালনায়

বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বি এম এ সালাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান জামাল, দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি খান নজরুল ইসলাম,

জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফ ম আব্দুস সালাম, জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল, মোসা:শামসুননাহার,  শিউলি সরোয়ার, ফারজানা নিশা, দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগগের সাধারণ সম্পাদক মোল্লা আকরাম হোসেন।

এ সময় বক্তৃতা করেন তেরখাদা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সারাফাত হোসেন মুক্তি, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক স ম জাহাঙ্গীর, ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন বুলবুল, এমপির প্রধান সমন্বয়কারী যুবলীগ নেতা নোমান ওসমানী রীচি,  সালাম মূর্শেদীর সেবা সংঘের টিম লিডার যুবলীগ নেতা শামসুল আলম বাবু, আব্দুল্লাহ আল মামুন,  মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী রিনা পারভিন, দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক আবুল কালাম আজাদ, আওয়ামী লীগ নেতা শেখ আসাদুজ্জামান শেখ ফরিদ, হারুন মোল্লা, জেলা ছাত্রলীগ নেতা নাজমুল বাসার সম্রাট, তেরখাদা  উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি খান ফরহাদুজামান সুমন, উপজেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক শারমিন সুলতানা রুনা,  দিঘলিয়া উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ আনিসুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আলামিন, তেরখাদা  উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হোসাইন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক সাধারণ আনারুল ইসলাম, রূপসা  উপজেলা যুবলীগ নেতা সরদার জসিম উদ্দিন, সুব্রত বাগচী, শফিকুর রহমান ইমন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তারেক আজিজ, সাধারণ সম্পাদক শাওন,দিঘলিয়া সদর ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি সৈয়দ জামিল মোর্শেদ মাসুম,ইউসুব শেখ, উপজেলা ছাত্রনেতা শাফিউল ইসলাম হিমেল শিবলু সাদিক, বি এম হাবিব প্রমূখ।

সভার শুরুতে প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা, সাবেক মন্ত্রী সাজেদা চৌধুরীর মৃত্যুতে এক মিনিট দাড়িয়ে নিরবতা পালন ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

Daily World News

অভয়নগর থানার ওসি শামীম হাসানের বিভিন্ন পূঁজা মন্দির পরিদর্শন

খুলনা জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা//

খুলনা জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সেপ্টেম্বর মাসের সভা রবিবার সকালে খুলনা জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকাদারের সভাপতিত্বে তাঁর সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়দেব পাল জানান, অবৈধ জাল ব্যবহার করে মাছ শিকারের বিরুদ্ধে গত আগস্ট মাসে জেলায় ১১টি মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করে ২ লাখ ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় ও পাঁচ লাখ মিটার অবৈধ জাল ধ্বংস করা হয়েছে। এছাড়া চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশ রোধে অভিযান পরিচালনা করে ১ লাখ ৮৩ হাজার টাকা জরিমানা, ৩২৭ কেজি পুশকৃত চিংড়ি ধ্বংস ও ১০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড প্রদান করা হয়।

সিভিল সার্জন ডাঃ সুজাত আহমেদ সভায় জানান, গত ২৫ আগস্ট হতে খুলনা মেট্রোপলিটন এলাকায় ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে ৪৬ হাজারের বেশি শিশুকে ভ্যাকসিন প্রদান সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া প্রাপ্ত বয়স্কদের মধ্যে ৯ লাখ ৬৪ হাজার ৪২১ জনকে বুস্টার ডোজ প্রদান সম্পন্ন হয়েছে।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান বলেন, অপরাধ সংঘটনের আগে প্রতিরোধ করা জরুরি। আসন্ন দুর্গাপূজায় পূজামন্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সাথে নিয়ে কাজ করা যেতে পারে। তিনি বলেন, ঘর ভাড়া দেওয়ার আগে ভাড়াটিয়ার সম্পর্কে ছবিসহ বিস্তারিত তথ্যের ফরম সংশ্লিষ্ট এলাকার থানায় জমা দেওয়ার বিষয়ে বাড়ির মালিকদের ভূমিকা পালন করতে হবে। আইনশৃঙ্খলার অবনতি অথবা কোন অপরাধ সংঘটিত হলে অবশ্যই পুলিশকে অবহিত করতে হবে। দুর্গাপূজা একটি ধর্মীয় উৎসব হলেও সকল মানুষের অংশগ্রহণে এটি এখন সার্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে। বিগত বছরগুলোর মতো এবারও আনন্দঘন পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপনের লক্ষ্যে সরকারের সকল সংস্থা সজাগ রয়েছে।

সভাপতির বক্তৃতায় জেলা প্রশাসক বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, জনপ্রতিনিধি ও সবার চেষ্টায় জেলার ৬৮টি ইউনিয়ন পরিষদ এলাকা হতে মাদক প্রতিরোধ করা সম্ভব হলে খুলনা জেলা মাদক মুক্ত হবে। ডিম পাড়ার মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় সরকারের বিশেষ পদক্ষেপের ফলে দেশে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। এসময় সুন্দরবনের নদীতে বিষ দিয়ে মাছ ধরা ও চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশকরার মতো অনৈতিক কর্মকান্ড বন্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য জেলা প্রশাসক সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, খুলনা জেলায় সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের তালিকা তৈরীর কাজ চলমান রয়েছে। তালিকা থেকে যোগ্য কোন ব্যক্তি যেন বাদ না পড়ে ও অযোগ্য কেউ যেন অন্তর্ভুক্ত হতে না পারে সেদিকে নজর রাখতে জনপ্রতিনিধিদের আহ্বান জানান।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পুলক কুমার মন্ডল সভায় বিগত মাসে খুলনা জেলা ও মহানগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলে ধরেন। খুলনা জেলা অধিক্ষেত্রে বিগত আগস্ট মাসে ১৮৫টি মামলা দায়ের হয়েছে যা বিগত জুলাই মাসে দায়ের হওয়া মামলা সংখ্যার সমান। খুলনা মহানগরী অধিক্ষেত্রে আগস্ট মাসে ১৩৪টি মামলা দায়ের হয়েছে যা বিগত জুলাই মাসে দায়ের হওয়া মামলার চেয়ে ১৩টি বেশি। সভায় জেলা পরিষদের প্রশাসক শেখ হারুনুর রশিদ, খুলনা সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো: সাইফুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম নজরুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাসহ কমিটির সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

Daily World News

খুলনা বিআরটিএ র‌্যাবের অভিযান, ২৫ দালালকে জেল জরিমানা

খুলনা বিআরটিএ র‌্যাবের অভিযান, ২৫ দালালকে জেল জরিমানা

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা//

খুলনা বিআরটিএ অফিসে দালালদের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে এমন সংবাদের পেক্ষিতে র‌্যাব-৬ এর একটি আভিযানিক দল  রবিবার সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত  বিআরটিএ অফিস  এ অভিযান পরিচালনা করে মোট ৩০ জনকে আটক করে । খুলনা জেলা প্রশাসকের নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট মোঃ আল আমিন ভ্রাম্যমাণ আদালত এর মাধ্যমে ১৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ৬ জনকে মোট ৫৩ হাজার ২ শ” টাকা অর্থদন্ড ও ৫ জনকে অব্যহতি প্রদান করেন।

অভিযান এর নেতৃত্ব দেন র‌্যাব ৬ এর উপ অধিনায়ক আঃ রাকিব , লেঃ কমান্ডার সরোয়ার হোসেন, সিনিয়র এ এসপি পহন চাকমা। এক মাসের  সাজাপ্রাপ্তরা হলেন  মোঃ  আহাদ আলী, মাসুম হোসেন, মোক্তার হোসেন, রুহল আমিন, রাইজুল ইসলাম, জহিরুল ইসলাম, আব্দুল কাদের, শাকির হোসেন, ১৪ দিনের সাজাপ্রাপ্তরা হলো বেল্লাল হোসেন, মোঃ ইকবাল, আহসান হাবিব, আঃ রাজ্জাক, সুভাষ চন্দ্র সরকার, মনিরুল ইসলাম, রবিউল মোল্লা, মোঃ নাইম ,  দেবাশিষ কে ১০ দিন  এবং  ইকলাছ ,বিশ্বজিৎ দাস, মোঃ রাশেদুল ইসলামকে হোসেনকে ৭ দিনের সাজা প্রদান করেন। এছাড়া অর্থদন্ড প্রাপ্তরা হলো  মোঃ সোহেল রানাকে ২০ হাজার,  মোঃ জাহিদুল ইসলাম , মোঃ আতিয়ার ও মোঃ কামাল হোসেন ১০ হাজার, আরিফুজ্জামান ৩ হাজার ও রাজিব মল্লিক কে ২ শ” টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন ।  বাকি ৫ জনকে মৌখিকভাবে সতর্ক করে অব্যহতি দেয় ।

র‌্যাব ৬ এর কমান্ডেট মোঃ মোস্তাক আহম্মেদ অভিযান শেষে  সাংবাদিকদের প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন খুলনা বিআরটিএতে বেশকিছুদিন ধরেই দালালের তৎপরতা বেড়েছে এমন খবর পেয়ে  গতকয়েকদিন ধরেই আমাদের গোয়েন্দাটিম সেখানে কাজ শুরু করে।

সরকারি সেবা সাধারন মানুষ যেন খুব সহজেই পেতে পারে এজন্য আমাদের এ অভিযান চলমান থাকবে।

রাশিয়া থেকে কার্গো ভর্তি জাহাজ মংলা বন্দরে

//আ:রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য তৃতীয় চালান নিয়ে mv uniwisdom জাহাজটি ১৪০০ মেট্রিক টন কার্গো নিয়ে মংলা বন্দরের ৭ নং জেটিতে এসে নোঙ্গর করেছে। জাহাজটির শিপিং এজেন্ট হিসেবে কাজ করছেন ম‍্যাক শিপিং।

অধিক সাশ্রয়ী ও নিরাপদ বন্দর হওয়ায় দেশের বৃহৎ সর্ব মেগা প্রকল্পের মালামাল এখন মংলা বন্দরের মাধ্যমে আমদানি করা হচ্ছে। পদ্মা সেতুর কারণে ঢাকার সাথে দূরত্ব কমে যাওয়ার ফলে সকল ব্যবসায়ীদের মংলা বন্দরের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

খুলনায় পিতা পুত্র হত্যা মামলায় ইউপি চেয়ারম‍্যানসহ ১৭ জনের যাবজ্জীবন

//আ: রাজ্জাক শেখ//
খুলনার তেরখাদা উপজেলার আ‌লো‌চিত ডাবল মার্ডা‌রে ইউপি চেয়ারম্যান এসএম দ্বীন ইসলামসহ ১৭ আসা‌মি‌কে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দি‌য়ে‌ছেন আদালত । একই সাথে ত‌াদের প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা জ‌রিমানা, অনাদা‌য়ে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসা‌মিরা আদাল‌তে উপ‌স্থিত ছিল।

এ মামলার অপর দুই আসা‌মির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ কোন অ‌ভিযোগ প্রমাণ করতে ব‌্যর্থ হওয়ায় তাদের খালাস দিয়েছেন আদালত।

রোববার (০৪ আগস্ট) খুলনা দ্রুত বিচার ট্রাইব‌্যুনালের বিচারক মোঃ নজরুল ইসলাম হাওলাদার এ রায় ঘোষণা করেন।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- তেরোখাদা ছাগলাদাহ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম দ্বীন ইসলাম(৫৪), মোঃ আব্দুর রহমান(৫৫), জমির শেখ(২৫), শেখ সাইফুল ইসলাম (৩৫), খালিদ শেখ (৩২), এস্কেন্দার শেখ (৪২), জসিম শেখ(৩৫), হোসেন শেখ (৩০), জিয়ারুল শেখ (২৬), বাহারুল শেখ (২৪), আব্বাস শেখ(২৪), অহিদুল গাজী (৩৪), খাইরুল শেখ (৩৫), কেরামত মল্লিক (৩৫), মাহবুর শেখ (৪৯), বাবু শেখ (৩৫) ও নুর ইসলাম শেখ (৩৭)।

এ মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বেকসুর খালাস পেয়েছেন আবু সাঈদ বিশ্বাস (৩৫) ও আয়েব শেখ (৫০)।

রাষ্ট্রপ‌ক্ষের আইনজীবী মোঃ আহাদুুজ্জামান ব‌লেন, এ রা‌য়ে রাষ্ট্রপক্ষ খু‌শি। ত‌বে তি‌নি ম‌নে ক‌রে‌ছিলেন আদালত আসা‌মি‌দের স‌র্বোচ্চ সাজা দি‌বেন। কিন্তু বিচারক যে‌টি ভাল ম‌নে ক‌রে‌ছেন সে‌টি ক‌রে‌ছেন। এ রা‌য়ের বিরু‌ে‌দ্ধে তারা উচ্চ আদাল‌তে যা‌বেন। সেখা‌নে তারা ন‌্যায় বিচার পা‌বেন ব‌লে তি‌নি ম‌নে করেন।

নিহত পিরু শেখের স্ত্রী মাহফুজা বেগম এ রা‌য়ে খু‌শি নন। এ রা‌য়ের বিরু‌দ্ধে উচ্চ আদা‌লতে আ‌পিল করবেন। তি‌নি হত‌্যাকারী‌দের স‌র্বোচ্চ সাজা দা‌বি ক‌রেন। তি‌নি ব‌লেন, ওই‌দিন রা‌তে আমার স্বামী ও সন্তান বাঁচার জন‌্য আসা‌মি‌দের কা‌ছে প্রাণ ভিক্ষা চে‌য়ে আকুতি জা‌নি‌য়ে‌ছিল। কিন্তু ওই সম‌য়ে তা‌দের মন গ‌লে‌নি। তি‌নি হত‌্যাকারী‌দের ফা‌ঁসি চান।

২০১৯ সালের ৭ আগস্ট তেরোখাদা উপজেলার ছাগলাদাহ ইউনিয়নের পহরডাঙ্গা গ্রামে পিতা পিরু শেখ(৫৫) ও পুত্র নাঈম শেখ(২২) কে গভীর রাতে নিজ বাড়িতে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মাহফুজা বেগম বাদী হয়ে থানা মামলা দায়ের করেন।
মামলায় ১৯ জনকে অভিযোগ করে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন আদালতে।
আদালত ৩৪ জন সাক্ষী গ্রহণ শেষে আজ ইউপি চেয়ারম্যান দ্বী ইসলাম সহ ১৭ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করেন।

এর আ‌গে দুপুর সাড়ে ১১ টায় প্রিজন ভ‌্যানে করে কারাগার থে‌কে আদাল‌তে আনা হয় আসামীদের। মামলার রায় শোনার জন‌্য তেরখাদা ছাগলাদাহ ইউ‌নিয়ন থে‌কে ক‌য়েক হাজার মানুষ আদালত চত্ব‌রে ভিড় ক‌রেন।

 

রূপসায় গাঁজা গাছ সহ গ্রেফতার-১

//খুলনা ব্যুরো//
রূপসায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১১ফুট গাঁজা গাছসহ জামাল বিশ্বাস (৪৮) নামে এক ব‍্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। সে শ্রীফলতলা ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের মৃত আবু বকর এর ছেলে।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল (১সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে এস আই বাবলা দাসের নেতৃত্বে জামাল বিশ্বাসের বসত বাড়ির মধ‍্যে থেকে ১১ফুট গাঁজা গাছ উদ্বার করা হয়। গাঁজা গাছ রোপন করার অপরাধে তাকে আটক করা হয়।
অপরদিকে ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী জানায় জামাল কখনো মাদকের সাথে
জড়িত না।
জামাল এর শিশু ছেলে জনৈক এক ব‍্যক্তির ইট ভাটার মধ‍্যে থেকে ছোট একটি চারা এনে ফুলের গাছ হিসেবে বাড়িতে লাগায়। সে আজও জানে না এটা গাঁজা গাছ।

এঘটনায় রূপসা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার নং-০১।

মানুষের সেবার মাধ্যমে আত্মতৃপ্তি পাওয়া যায়- সারমিন সালাম

আ: রাজ্জাক শেখ

জনপ্রতিনিধি না হয়েও সার্বক্ষণিক মানুষের পাশে থেকে যিনি সেবা দিয়ে যাচ্ছেন সেই মানুষটি হলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক এনভয় গ্রুপের  চেয়ারম্যান সারমিন সালাম।

২০১৮সাল থেকে খুলনা-৪ আসন (রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া) উপজেলাসহ বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯২ তম জন্ম বার্ষিকীতে সমাজসেবায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি ট্রাস্ট অনুমোদিত  বঙ্গমাতা পরিষদ প্রদত্ত ‘বঙ্গমাতা পুরস্কার-২০২২’ এ মনোনীত হয়েছেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক।

গত ২০আগস্ট এ সমাজ সেবক সারমিন সালাম খুলনার দিঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে  ভর্তি রোগীদের খোঁজ নিতে স্বাস্থ‍্য কমপ্লেক্সে যান।

এসময় উপজেলার দেয়াড়া গ্রামে খোরশেদ হাওলাদার(৬০) নামে এক ব‍্যক্তি টাকার অভাবে খুলনা মেডিকেলে ভর্তি হওয়ার পরেও (বিভিন্ন পরীক্ষা ও ঔষধ) চিকিৎসা নিতে পারছে না

একথা সারমিন সালামকে অসুস্থ খোরশেদ বলেন।  অসুস্থ খোরশেদের কথা শুনে  তার চিকিৎসার সকল দায়িত্ব গ্রহন করেন খুলনা-৪  আসনের সংসদ সদস‍্য আব্দুস সালাম মুর্শেদী এর সুযোগ্য সহধর্মিনী মিসেস সারমিন সালাম।

পরদিন থেকে তার চিকিৎসা শুরু করে আজ ২৮আগস্ট তিনি চিকিৎসা নিয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ থেকে বাড়িতে যান এবং তার সুস্থতা কামনা করেন সারমিন সালা।

অসুস্থ খোরশেদ বলেন, আমার সকল টেস্ট, সকল ঔষধ এবং  সুন্দর চিকিৎসা করানোর জন্য মিসেস সারমিন সালাম কে আমি  ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানায়।

আমি শুনেছি তারা অসুস্থ  মানুষকে সেবা করেন। তা বাস্তবে নিজেকে দিয়ে বুঝতে পেলাম।

এ ব্যাপারে সারমিন সালম বলেন,  আমি ছোটবেলা থেকেই মানুষের সেবা করে আসছি। আজও করে যাচ্ছি।

সেবা মানুষকে যুগ যুগ ধরে বাঁচিয়ে রাখে। সেবার মাধ্যমেই আত্মতৃপ্তি পাওয়া যায়।

আমি যতদিন বেচে থাকব ততদিন মানুষকে সেবা করে যাব।

সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন বর্তমান কমিশনের প্রধান লক্ষ্য: রাশেদা সুলতানা

//খুলনা ব‍্যুরো//

নির্বাচন কমিশনার বলেন, সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন বর্তমান কমিশনের প্রধান লক্ষ্য। এই কমিশনের অধীনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সকল দল অংশগ্রহণ করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে একটি নির্ভুল ভোটার তালিকার বিকল্প নেই। নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতাও এর ওপর অনেকাংশে নির্ভর করে। তিনি বলেন, ভোটের প্রাণ হলো প্রার্থী ও ভোটার। প্রতি বছর অনেকেই ভোটার হওয়ার উপযুক্ত হয়। প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে তাদেরকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হতে উৎসাহিত করতে হবে। তারা যেন নিজেদের তথ্য নিজেরাই পর্যবেক্ষণ করতে পারে তার জন্য এ কাজে নিয়োজিতদের তিনি নিদের্শনা প্রদান করেন। ইভিএম সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনার বলেন, এই যন্ত্রের ব্যবহার ভোট প্রদানে সময় কমিয়ে দেয়। একই সাথে এটি পরিবেশ বান্ধব, কারণ এতে কাগজের ব্যালট পেপার ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না। ইভিএম’র মাধ্যমে কেউ জাল ভোট দিতে পারবে না, একজন ব্যক্তি শুধু একটি ভোট দিতে পারবেন।

নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা আজ ২৮আগস্ট (রবিবার) সকালে খুলনা জেলার দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়ন পরিষদে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের ব্রিফিংকালে একথা বলেন।

পরিদর্শনকালে আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসার মোঃ হুমায়ুন কবীর, সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার এম. মাজহারুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুল আলম, সেনহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিয়া গাজী, উপজেলা নির্বাচন অফিসার সৌমেন বিশ্বাস ছন্দ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পরে নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা ১০ জন নতুন ভোটারের হাতে জাতীয় পরিচয়পত্র তুলে দেন।