রামপালে ৫ টি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৫৮০ পরিবার ভালো নেই, ইউএনও’র সুখবর

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় নির্মিত ৫ টি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৫৮০ টি পরিবারের সদস্যরা নানা সমস্যায় জর্জরিত। প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিগণ আশ্বাসের পরে আশ্বাস দিলেও গত দেড় যুগেও ভাগ্য ফেরেনি হতদরিদ্র ওইসব বাসিন্দাদের। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরে নতুন করে আশাজাগানিয়া সুখবর দিলেন রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবীর হোসেন।

রামপালে ৫ টি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৫৮০ পরিবার ভালো নেই, ইউএনও'র সুখবর

সরোজমিনে বিভিন্ন আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকায় ঘুরে হতদরিদ্র ওইসব বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সুপেয় পানির সমস্যা, স্যানিটেশনের সমস্যা ও আবাসনের সমস্যাই তাদের বড় সমস্যা। উপজেলার গৌরম্ভা ইউনিয়নের কণ্যাডুবির মরা পশুর নদীর চরে ২০০৯ নির্মিত হয় ২২ টি ব্যারাক নির্মাণ করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। ২২০ টি হতদরিদ্র পরিবারের ঠাঁই মেলে ওইসব ঘরে। ওখানের বাসিন্দা উজির উদ্দিন জানান, অনেক দিন ধরে ঘরগুলো ভেঙ্গে গেছে। বসবাস করা যাচ্ছে না। পায়খানার স্থান পুরোপুরি নষ্ট। খাবার পানি নেই। পুকুরের ঘাট নেই। একই কথা বলেন, আবেদা বেগম, হোসনেয়ারাসহ অনেকে। এলাকার চেয়ারম্যান রাজীব সরদার জানান, আমরা সমস্যার সমাধানে উপজেলা প্রশাসনের স্মরণাপন্ন হয়েছি। তারা আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন।

রামপালে ৫ টি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৫৮০ পরিবার ভালো নেই, ইউএনও'র সুখবর

সরোজমিন গিয়ে পেড়িখালী ইউনিয়নের সিকিরডাঙ্গা-১ ও সিকিরডাঙ্গা-২ আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের সাথে কথা হয়। এখানের বাসিন্দা বাচ্চু গাজী ও জয়নব বেগম জানান, ৬ বছর পূর্বে বৈদ্যুতিক দূর্ঘটনা তাদের ব্যারাকটি ভষ্মিভূত হয়। সরকারিভাবে ৫ হাজার টাকা দেয়া হয়। এরপর আর কোন বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। এখানের বাসিন্দা ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের (১,২ ও ৩) সদস্যা জয়া বেগম, জানান, এখানের ২ টি ফেজে ১২০ টি ও ১৬০ টি পরিবার ঘরে বরাদ্দ পেয়েছেন। ২২ বছর ধরে আমরা এখানে বসবাস করছি। আমাদের থাকার জায়গা থাকলেও বসবাসের অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে। স্যানিটেশন ও পানির সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে। ১৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে বিশুদ্ধ পানির প্লান্ট স্থাপন করা হলেও সেটি টেকসই হয়নি। বৃষ্টির পানি ধরে রাখার জন্য কোন পানির ট্যাংকি ও পাইনি। সবাই খুব মানবেতর জীবনযাপন করছে।

সরজমিন উপজেলার বাঁশতলী। এখানে ৮০ টি পরিবার বাস করেন। তাদের ও একই সমস্যা। বাঁশতলী ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল জানান, আমরা উপজেলা সমন্বয় সভায় এ সমস্যা সমাধানের জন্য কথা বলেছি। সম্মানিত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমাদের আস্বস্ত করেছেন। শীগ্রই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হবে।

এ বিষয়ে রামপাল উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ মো. আবু সাইদ জানান, আমি ইউপি চেয়ারম্যান ও পরে উপজেলা চেয়ারম্যান থাকা কালীন সময়ে হতদরিদ্র ওইসব বাসিন্দাদের সমস্যা সমাধানের জন্য অনেক চেষ্টা করছি। আমাদের দাবী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সদয় দৃষ্টি দিয়ে জরুরীভাবে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের সমস্যার সমাধান করবেন।

এ বিষয়ে পরিবেশ আন্দোলনের নেতা এ্যডভোকেট মহিউদ্দিন শেখ জানান, জলবায়ু পরিবর্তন জনিত কারণে ও তীব্র লবনাক্ত আবহাওয়ার কারণে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরগুলো দ্রুত মরিচা ধরে নষ্ট হয়েছে। আর রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে আরও বেশি সমস্যা হয়েছে। এগুলো এখন থাকার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। নতুন করে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের জন্য ঘর নির্মাণের দাবী জানান এ নেতা।

আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের সমস্যা সমাধানের জন্য কি কি ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে এমন তথ্য জানতে চাওয়া হয় রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবীর হোসেন এর কাছে। তিনি বলেন, আমি এ উপজেলায় দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই উপজেলাবাসীর সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি। সরকারের বরাদ্দ যাতে সঠিকভাবে ব্যয় করা হয় সেদিকে সর্বক্ষণ দৃষ্টি রেখে কাজ করছি। এর ধারাবাহিকতায় বিগত বিভিন্ন সময়ে নির্মিত আশ্রয়ণ প্রকল্প গুলো পরিদর্শন করেছি। ওইসব বাসিন্দাদের সাথে কথা বলেছি। সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেছি। তারা যাতে পূর্বের মতো ভালো থাকতে পারেন সে জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগে পত্র পাঠানো হয়েছে। আশার কথা হলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সকল বাসিন্দাদের জন্য সেমি পাকা ঘর বরাদ্দ দিচ্ছেন। আশা করি খুব শিগ্রই সকল বাসিন্দাদের শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পানি ও স্যানিটেশনের সমাধান হবে। এ জন্য তিনি সকলের সহযোগীতা কামনা করেছেন।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

বরিশাল নগরীতে চলছে দেবী সরস্বতী প্রতিমার নির্মান কাজ

বাগেরহাটের মোংলা পৌরসভা পেল ভারতের উপহারের অ‍্যাম্বুলেন্স

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি//

ভারতের দেওয়া উপহারের অত্যাধুনিক অ্যাম্বুলেন্স পেলো মোংলা পোর্ট পৌরসভা। কয়েকদিনের মধ্যে অ্যাম্বুলেন্সটি উদ্বোধন হবে বলে জানিয়েছেন পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আবদুর রহমান।

মোংলাবাসীর স্বাস্থ্যসেবার কথা চিন্তা করে এ অ্যাম্বুলেন্স পাঠানো হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও এটি বেশিরভাগ সময় নষ্ট হয়ে পড়ে থাকে। ফলে রোগীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। সম্পূর্ণ নতুন ও অত্যাধুনিক জীবন রক্ষাকারী যন্ত্রপাতি দ্বারা সজ্জিত অ্যাম্বুলেন্সটির কারণে দূর দূরান্তের রোগীদের আর ভোগান্তিতে পড়তে হবে না বলেও জানান তিনি।

মোংলা পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আঃ রহমান আরও বলেন, আমি সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে থেকেছি। পৌরবাসীরা যেন ভাল থাকে সেই চেষ্টা করেছি। লাইফ সাপোর্ট সম্বলিত এই অ্যাম্বুলেন্সে জীবন রক্ষাকারী প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের সমন্বয়ে অত্যাধুনিক সুযোগ সুবিধা রয়েছে। ভারত সরকারের দেয়া এই অ্যাম্বুলেন্সটি পৌরবাসীর জন্য সব সময় উন্মুক্ত থাকবে।

বাগেরহাটের মোংলায় র‍্যাবের অভিযানে ৫‌টি হ‌রি‌ণের চামড়াসহ এক পাচারকারী গ্রেফতার

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি//

সুন্দরবন থে‌কে হ‌রিণ শিকার ক‌রে চামড়া পাচা‌রের সা‌থে জ‌ড়িত একজন‌কে মোংলার দিগরাজ থেকে গ্রেফতার ক‌রে‌ছে র‌্যাব ৬। এসময় তার কাছ থে‌কে ৫‌টি হ‌রি‌ণের চামড়া উদ্ধার করা হ‌য়ে‌ছে।

আটক মােঃ আল আমিন শরীফ (২৪) দা‌কোপ উপ‌জেলার উত্তর বানীশান্তা গ্রা‌মের মৃত ফারুক শরী‌ফের ছে‌লে।

মোংলায় র‍্যাবের অভিযানে ৫‌টি হ‌রি‌ণের চামড়াসহ এক পাচারকারী গ্রেফতার

র‌্যা‌বের সদর কোম্পানী কমান্ডার এস‌পি অাল অাসাদ মোঃ মাহফুজুল ইসলাম প্রেস ব্রিফিং‌য়ে জানান, গোপন সংবা‌দের ভি‌ত্তি‌তে মঙ্গলবার (২৫জানুয়া‌রি) দিবাগত রাত সা‌ড়ে ১১টার দি‌কে বাগেরহাটের মােংলার দিগরাজের বিদ্যারবাহন খেয়াঘাট এলাকায় অ‌ভিযান প‌রিচালনা করা হয়। এসময় হ‌রি‌ণের চামড়া ক্রয় বিক্রয়ের চেষ্টাকা‌লে পাচারকারী মােঃ আল আমিন শরীফকে ৫‌টি হ‌রি‌ণের চামড়া সহ হা‌তেনা‌তে গ্রেফতার করা হয়।
সুন্দরব‌নে ফাঁদ পে‌তে হ‌রিণ শিকার ক‌রে তারা মাংস ও চামড়া বি‌ক্রি ক‌রে ব‌লে প্রাথ‌মিক জিজ্ঞাসাবা‌দে স্বীকার ক‌রে‌ছে।
জব্দকৃত আলামত ও গ্রেফতারকৃত আসামীকে বাগেরহাট জেলার মোংলা থানায় হস্তান্তর করে বন্যপ্রানী সংরক্ষন আইন ও বন আইনে মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন।

মোংলায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি//

বাগেরহাটের মোংলায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার কমলেশ মজুমদারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন, মোংলা পোর্ট পৌরসভার মেয়র ও পৌর আ’লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আঃ রহমান, উপজেলা পরিষদ ভাইস-চেয়ারম্যান মোঃ ইকবাল হোসেন, মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান মিসেস কামরুন্নাহার হাই, মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মনিরুল ইসলাম ইসলাম ও উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ জীবিতেশ বিশ্বাস।

সভার শুরুতে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখাসহ গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ, বাল্য বিবাহ, ইভটিজিং, সন্ত্রাস, মাদক, প্রতিরোধসহ বিভিন্ন বিষয়ে দিক নির্দেশনামুলক বক্তব্য দেন ইউএনও কমলেশ মজুমদার।

এসময় আলোচনা সভায় উপজেলার আইন শৃঙ্খলা আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহনের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, সরকারি কর্মকর্তা, ইউপি চেয়ারম্যান, মসজিদের ইমাম, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক প্রতিনিধি, সুশীল সমাজ ও গণমাধ্যম কর্মীবৃন্দ।##

মোংলা বন্দর জেটিতে সংযোজন হচ্ছে রাবার ফেন্ডার

বাগেরহাটের মোংলা বন্দর জেটিতে নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে জাহাজ ভিড়তে নতুন সরঞ্জাম স্থাপন করা হচ্ছে। আমদানি রফতানি বাণিজ্যে গতিশীলতা বাড়াতেই এই উদ্যোগ নেয় বন্দর কর্তৃপক্ষ। এর ফলে বন্দরের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর জেটিতে রাবার ফেন্ডার (শিপ ঢালাই প্লেট সিস্টেম) স্থাপন করা হবে।

রবিবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে এ লক্ষ্যে বন্দর কর্তৃপক্ষের সভাকক্ষে খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেডের সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে বন্দর কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কমডোর মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ তরফদার ও খুলনা শিপইয়ার্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর এম সামছুল আজিজ এই চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা শিপইয়ার্ডের ক্যাপ্টেন এম ফিদা হাসান, বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী (সিভিল ও হাইড্রোলিক্স) মো. শওকত আলী, পরিচালক (ট্রাফিক) মো. মোস্তফা কামাল, প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আবদুল্লা আল মেহেদি, বোর্ড ও জনসংযোগ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মাকরুজ্জামান ও বন্দর ব্যবহারকারী এইচ এম দুলাল।
বন্দরের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর জেটিতে সংযোজন হতে যাওয়া রাবার ফেন্ডারটির ব্যয় ধরা হয়েছে আট কোটি ৫০ লক্ষ ৭১ হাজার টাকা। এটি সংযোজন হলে জেটিতে নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে দেশি বিদেশি ভিড়তে পারবে বলে জানান বন্দর কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কমডোর মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ তরফদার।

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

ডুমুরিয়ায় ডিবি পুলিশের অভিযানে৫০ পিছ ইয়াবা  সহ ১ জন মাদক ব‍্যবসায়ী গ্রেফতার

 

রামপালে অসহায় দুঃস্থদের মাঝে যুবলীগ নেতা প্রিন্সের কম্বল বিতরণ

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি// 

রামপাল উপজেলা যুবলীগের সাধারনসম্পাদক ও সমাজ সেবক শেখ মনির আহম্মেদ প্রিন্স ব‍্যক্তি উদ‍্যোগে বুধবার (১৯ জানুয়ারি) বিকালে উপজেলার ঝনঝনিয়া মাধ‍্যমিক বিদ‍্যালয়ের শহীদ মিনার চত্বরে অসহায় দুস্থদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন।

কম্বল বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক অধ‍্যাপক মোতাহার রহমান।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন নাঈম আহম্মেদ, শরিফুল ইসলাম, সাবেক ইউপি সদস‍্যা সালিমা আক্তার উর্মি, বিল্লাল হাওলাদার, বাকিবিল্লাহ, জাকারিয়া মোল্ল‍্যা, এনামুল মোল্ল‍্যা, বিল্লাল ফকির, লেখন মোড়ল প্রমুখ।

এ সময় ২ শতাধিক দুঃস্থের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়।

বাগেরহাটের রামপালের ডাকরা গণহত্যার ইতিহাস বিকৃত করার প্রতিবাদে মানববন্ধন

বাগেরহাটের রামপালের ডাকরা গনহত্যার ইতিহাস বিকৃত করা ও আওয়ামী লীগ নেতা শেখ আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানবন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। বুধবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে রামপাল উপজেলার ডাকরা বধ্যভূমির সামনে ডাকরা বধ্যভূমি সংরক্ষণ কমিটির উদ্যোগে এই মানববন্ধন হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন,  বাগেরহাট জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অতিন্দ্রনাথ হালদার দুলাল, ডাকরা বধ্যভূমি সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি প্রফুল্ল চন্দ্র রায়, সাধারণ সম্পাদক ও ডাকরা গনহত্যা বইয়ের লেখক বিষ্ণুপদ বাগচি, বীরমুক্তিযোদ্ধা শেখ আলতাফ হোসেন, আব্দুল খালেক হাজী, আব্দুল হামিদ শেখ, শেখ আব্দুল হক, ডাকরা গনহত্যার প্রতক্ষদর্শী শিক্ষক শিশির কুমার বিশ্বাস, পুর্নেন্দু বিশ্বাস, গনহত্যায় স্বজন হারানো মুক্তা বিশ্বাস, স্বপ্না রানী বিশ্বাস, দিপক রায় প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, কেউ কেউ ব্যক্তিগত স্বার্থে ডাকরা গনহত্যার ইতিহাস বিকৃত করছেন। এর অংশ হিসেবে মোংলা পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি শেখ আব্দুস সালামের নামে ডাকরা গনহত্যার ঘটনার সঠিক ইতিহাস তুলে না ধরে মোলার সাবেক জনপ্রিয় মেয়র আ. সালামকে  জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচার ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করছেন একটি স্বার্থন্বেষী মহল। ১৯৭১ সালে ডাকরা গনহত্যার সাথে শেখ আব্দুস সালাম জড়িত ছিলেন না।  বরং শেখ আব্দুস সালামের পরিবার মুক্তিযুদ্ধের সময় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষদের আশ্রয় ও খাবার দিয়ে সহযোগিতা করেছেন। রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য কোন একটি দুষ্টচক্র এই অপপ্রচার চালাচ্ছে । এই ঘৃণ্য অপপ্রচার ও ইতিহাস বিকৃতি রোধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন মানববন্ধনকারীরা। মানববন্ধনে বীরমুক্তিযোদ্ধা, ডাকরা গনহত্যার প্রতক্ষদর্শী ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিরা অংশগ্রহন করেন।

ডাকরা বধ্যভূমি সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি প্রফুল্ল চন্দ্র রায় বলেন, অত্যাচারীত স্বজন হারা মানুষ আমরা। এই গনহত্যাকে কেন্দ্র করে কোন অপপ্রচার ও বিকৃত ইতিহাস রচিত হলে তা আমরা মেনে নেব না। ১৯৭১ সালে ডাকরা গনহত্যার সাথে শেখ আব্দুস সালামের কোন সম্পৃক্ততা ছিল না, বরং শেখ আব্দুস সালামের পরিবার ওই সময় হিন্দুদের আশ্রয় ও খাবার দিয়ে সহযোগিতা করেছেন।

ডাকরা গনহত্যা বইয়ের লেখক সাবেক প্রধান শিক্ষক বিষ্ণুপদ বাগছি বলেন, ডাকরা গনহত্যা বিষয়ক বই লেখার সুবাদে এই এলাকার বীরমুক্তিযোদ্ধা, নিহতদের স্বজন ও প্রতক্ষদর্শীদের সাথে আমি কথা বলেছি। গণহত্যার সাথে শেখ আব্দুস সালাম জড়িত এমন কথা কেউ বলেনি। গনহত্যার সাথে শেখ আব্দুস সালামকে জড়িয়ে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, সেটা ইতিহাস বিকৃতির সমান। আমি এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাই।

বাগেরহাট জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অতিন্দ্রনাথ হালদার দুলাল বলেন, জীবন বাজী রেখে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশকে স্বাধীন করেছি। তার মানে এই নয় যে, নিরাপরাধ মানুষকে অপরাধী বলব। যে বা যারা ডাকরা গনহত্যার ইতিহাস বিকৃতের অপচেষ্টা করছেন আমি তাদেরকে ধীক্কার জানাই। এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানান তিনি।

ডাকরা গনহত্যার প্রতক্ষদর্শী শিক্ষক শিশির কুমার বিশ্বাস বলেন, ১৯৭১ সালে শেখ আব্দুস সালাম ডাকরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৯ম শ্রেণিতে পড়তেন। গনহত্যার সাথে আব্দুস সালাম কোনভাবে জড়িত ছিল না।

১৯৭১ সালের ২১ মে শুক্রবার বাগেরহাটের রজ্জব আলী ফকিরের রাজাকার বাহিনী রামপাল উপজেলার পেড়িখালী ইউনিয়নের ডাকরা গ্রামে ব্যাপক গণহত্যা চালায়। গুলি ও জবাই করে তারা সেদিন প্রায় ছয় শতাধিক সাধারন মানুষকে হত্যা করে। এক সাথে রাজাকার বাহিনীর হাতে জেলার সবচেয়ে বড় হত্যাকান্ডের মধ্যে একটি।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ২১ মে শুক্রবার রামপালের ডাকরা ঠাকুর বাড়িতে রাজাকার কমান্ডার রজ্জব আলী ফকিরসহ ৪০ থেকে ৪৫ জনের একটি বাহিনী ভারতগামী প্রায় ৬ শত মানুষকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। স্বাধীনতার ৫০ বছর পেরুলেও ৬ শত মানুষের নামের তালিকা প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। এ পর্যন্ত ১০৪ জনের নামের তালিকা পাওয়া গেলেও বাকীদের খুঁজে তালিকা না করায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ডাকরা বধ্যভূমি সংরক্ষণ কমিটি।

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

আগামী ১৮’ই জানুয়ারী মোংলা বন্দের ১৩২টি গাড়ি নিলাম হবে

 

বাগেরহাটের রামপালে পিছিয়ে থাকা সন্ন্যাসী বিদ্যালয়ের এগিয়ে আসা

 

বাগেরহাটের রামপালে পরিবর্তনের হাতছানি একটা বিদ্যালয় থেকে। কিছু তরুণের হাতের ছোঁয়ায় বিদ্যালয়টিতে পরিবর্তন শুরু হয়েছে। যারা মল্লিকেরবেড় সন্নাসীর মাধ্যমিক বিদ্যালয়টির মতো ইউনিয়নের সকল বিদ্যালয়গুলোতেও পরিবর্তনের সুবাতাস পৌঁছে দিতে চান অতিদ্রুত। সবাই এগিয়ে আসুন, সবাই মিলে একতাবদ্ধভাবে সম্মিলিতভাবে চেষ্টা করলে অসম্ভাব বলতে কিছুই নাই এই পৃথিবীতে । সন্ন্যাসি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আজকের চিত্র এটি।নতুনদের নবীনবরণ করে নিলো স্কুল কর্তৃপক্ষ। তরুণরা ইতিমধ্যে স্কুলের সকল ছাত্র-ছাত্রীদের বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করে দিয়েছে । ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে এবং ধারাবাহিকভাবে করোনা কালীন সেবা অব্যাহত রাখছেন তারা। প্রতিটি জাতীয় দিবসে স্কুল থেকে বিশাল র‍্যালি করার পরিকল্পনা ইতিমধ্যে নেওয়া হয়েছে এবং গত ১৬ ডিসেম্বর জাঁকজমকপূর্ণ পালন করেছেন। স্কুলের প্রতিটা শ্রেনীতে ২ জন ছেলে ও ২ জন মেয়ে ক্লাস প্রতিনিধি নির্বাচন করে দেওয়ার প্রক্রিয়া চোলছে । বখাটেদের উৎপাত বন্ধ করে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে এবং স্কুলের পরিবেশ ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে একটা টিম প্রতিনিয়ত মনিটরিং করছে । শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন এবং শিক্ষা সফরের উদ্দোগ নেওয়া হয়েছে । আগামী বছর থেকে প্রতি শ্রেনীর মেধা তালিকার প্রথম পাঁচ জনকে পুরুস্কৃত করা হবে যা ইতিমধ্যে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে । নিভৃত সমাজ সেবক আল মামুন হাওলাদার ও প্রাক্তন ছাত্র তালুকদার ইয়াছিন আরাফাত জানান, আমরা সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে বিদ্যালয়টিসহ ইউনিয়নের সকল বিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে চাই। এ জন্য তারা সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক সন্তোষ পাল এর সাথে কথা হলে তিনি জানান, এ বিদ্যালয়ে পাঁচ শতাধিকের উপরে শিক্ষার্থী পড়ালেখা করে। আমাদের আবাসন সমস্যা সমাধানে বিদ্যালয়ের উর্ধমুখি সম্প্রসারণ খুবই জরুরী। স্কুলে চাহিদা মাফিক বেঞ্চ নাই। এ জন্য আমাদের সুহৃদ মোহাম্মদ আল মামুন হাওলাদার এক লক্ষ টাকা স্কুলের জন্য পাঠিয়েছেন। বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়াল নেই। শিক্ষক-শিক্ষিকারা সাফল্য ধরে রাখতে খুবই আন্তরিক প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। বিদ্যালয়কে আদর্শ, যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে চেষ্টা করছি। সব মিলিয়ে শিক্ষার মান ও সম্মানজনক। সকলে মিলে সম্মিলিতভাবে চেষ্টা করলে হবে তাহলেই সব সম্ভাব ।

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

খুলনায় মাহফিল থেকে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় তিন মাদ্রাসা ছাত্র নিহত

 

বাগেরহাটের রামপালে ফিরোজ হত্যা মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে আরও এক হত্যাচেষ্টা মামলা

রামপালে নিহত ফিরোজের সহযোগী মতিয়ার রহমান কে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় রামপাল থানায় আরও একটি মামলা দায়ের হয়েছে। আলোচিত আওয়ামী লীগ নেতা ফিরোজকে প্রকাশ্যে নৃশংসভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলার আসামিদের আবারো আসামি করা হয়েছে বিল্লাল বেপারীগংদের।

শুক্রবার রাতে বাদী হয়ে ৩৬ জনকে আসামী করে মামলাটি করেন তাজুল ইসলাম। মাত্র ২০ দিনের মধ্যে উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিনে এসেই কথিত আওয়ামী লীগ নেতা বিল্লাল বেপারী ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা আবারো হামলা শুরু করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ ডিসেম্বর উপজেলার কাষ্টবাড়িয়া গ্রামের সরকারি রাস্তার উপর ফিরোজ শেখকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় ১৯ ডিসেম্বর নিহতের স্ত্রী নাজমা বেগম বাদী হয়ে রামপাল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

ওই মামলার ৯ আসামি ২০ দিনের মধ্যে উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিনে বেরিয়ে এসেই আবারো আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করে। তারা বৃহস্পতিবার রাতে মাইক্রো যোগে থানায় এসে পুলিশ সাথে নিয়ে তারা বীরদর্পে বাড়িতে যায়। এরপর তারা আধিপত্য  বিস্তারের চেষ্টা চালানোর অংশ হিসেবে শুক্রবার ভাগা বাজারে দেশী তৈরি ধারালো অস্ত্র, লোহার রড ও লাঠিসোটা নিয়ে মহড়া শুরু করে।

তারা ওই দিন বিকাল ৪ টায় কাদিরখোলা গ্রামের মতিয়ার রহমানকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। এ সময় ভাগার আওয়ামী লীগের অফিস থেকে বিল্লাল বেপারী, তার দুই পুত্র শাহাজান ও রুহুল আমীন এবং ফারুক হোসেন, আব্বাস আলী, আ. ওয়াদুদ, হোসেন আলী, বাচ্চু সরদার, হুমায়ুন সরদার, জলিল গাজীসহ ১১ জনকে আটক করে রামপাল থানা পুলিশ। আটককৃতদের শনিবার সকালে বাগেরহাটের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে পুলিশ জানায়।

সুত্র জানায়, উপজেলার ক্ষমতাশীন দলের এক নেতার মদদে সাবেক উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং রামপাল সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মো. জামীল হাসান জামুকে কোনঠাসা করতে ও চিরতরে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিতে মাঠে নামেন। তাদের মদদেই খুন হয় ফিরোজ। ঘটনা এখানেই থেমে থাকেনি। আধিপত্য বিস্তারে মাঠ দখল ও ৫ গ্রামের মানুষকে জিম্মি করে শুরু করে চাঁদাবাজী ও লুটপাট।

উপজেলার আইন শৃঙ্খলা সভায় এ নিয়ে আলোচনা হলেও টনক নাড়েনি কর্তৃপক্ষের। এ নিয়ে রয়েছে বিস্তার অভিযোগ। এলাকার সচেতন মহলের দাবি আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনের বিশেষ নজরদারির বৃদ্ধি করতে হবে। না হলে আরও বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। এ জন্য তারা উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রথিনিধি ||

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

সকল অপশক্তিকে অপসারণ করে উন্নয়ন করে যাচ্ছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী-নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি

 

রামপালে ছাত্রলীগের ৭৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

রামপাল উপজেলা ছাত্রলীগের ৭৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিক পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০ টায় রামপাল উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শেখ সাদীর সঞ্চালনা বক্তব্য রাখেন রামপাল উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মোল্লা আ. রউফ, বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ মো. আবু সাইদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও যুবলীগ সভাপতি শেখ নূরুল হক লিপন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক হোসনেয়ারা মিলি, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. হামিম নুরী, সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সরদার বোরহান উদ্দিন প্রমুখ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পেড়িখালী ইউপি চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম বাবুল, বাশঁতলী ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল, সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দীনসহ সকল ইউপি চেয়ারম্যানগণ। এ ছাড়াও উপজেলার ১০ ইউনিয়নের ছাত্র লীগের সভাপতি/ সম্পাদকসহ বিভিন্ন ইউনিটের বিপুল সংখ্যাক নেতা নেত্রী উপস্থিত ছিলেন।