বাগেরহাটের রামপালে আ.লীগ নেতা ফিরোজ হত্যাকান্ডের ঘটনায় ৫ গ্রাম পুরুষশূন্য, উত্তেজনা

বাগেরহাটের রামপালে আ.লীগ নেতা ফিরোজ হত্যার ঘটনায় ৫ গ্রামে পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে। এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। উত্তেজিত জনতা আসামীদের বাড়িতে চড়াও হয়ে বসতঘর ও দোকানঘার ভাংচুর করায় আরও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা রামপাল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। উত্তেজনা প্রশমনের জন্যে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

পুরুষশূন্য গ্রামগুলি হলো ভাগা, কাদিরখোলা, সুলতানিয়া, কাষ্টবাড়িয়া ও চিত্রা। এ সব গ্রামের কতিপয় সন্ত্রাসীরা মূলত সংঘবদ্ধ হয়ে আওয়ামী লীগ নেতা ফিরোজ ঢালীকে হত্যা করে। সূত্র জানায়, একজন প্রভাবশালী রাজনীতিক ও তার অনুসারীরা রামপাল সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জামীল হাসান জামুকে কোনঠাসা করার চেষ্টা করেন।

এরই ধারাবাহিকতায় কাষ্টবাড়িয়ার কথিত আওয়ামী লীগ নেতা সন্ত্রাসী ও রামপাল থানা পুলিশের দালাল বলে খ্যাত বেলাল বেপারীকে সামনে নিয়ে আসেন। তাকে ও তার ভাই বিএনপি নেতা আক্তার চেয়ারম্যানের হত্যাসহ বহু মামলার আসামি বাকি বেপারীগংদের সৃষ্টি করেন। তারা একের পরে এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম শুরু করে। মৎস্যঘের দখল, চাঁদাবাজী, বহু মানুষকে মারপিট করে পঙ্গু করে দেয়াসহ নানান অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে।

এরা উপজেলা পর্যায়ের এক নেতার সেন্টারে আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে। তারা সাবেক চেয়ারম্যান জামুকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিতে হত্যার চক কষতে থাকে। এক পর্যায়ে তারা ব্যার্থ হয়ে জামুর সহকারী ফিরোজ কে হিট করে। এ ঘটনায় রামপাল থানা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এ বিষয়ে উপজেলা মানবাধিকার কমিশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট মহিউদ্দিন শেখ এর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হল তিনি জানান, এটা খুবই দুঃখজনক। প্রকৃত দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে এবং কেউ হয়রানির শিকার না হয় সেটিও লক্ষ রাখার জোর দাবী করেন।

অভিযোগের বিষয়ে রামপাল থানার ওসি মোহাম্মদ সামসুদ্দীন বলেন, বাড়িঘর ভাংচুরের একই লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো। এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

এ ব্যাপারে মোংলা সার্কেলের এএসপি আসিফ ইকবাল এর মোবাইল ফোনে বার বার চেষ্টা করেও যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি||

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতার ছেলে অসুস্থ থাকায় এমপি সালাম মুর্শেদীর খোঁজখবর

জাতীয় জাদুঘরে কবি জমির উদ্দিন মিলন সহ পনেরো লেখককে সংবর্ধনা

বাগেরহাটের রামপালে ফিরোজ হত‍্যা মামলার পলাতক ৫ আসামী গ্রেফতার করেছে র‍্যাব

বাগেরহাটের রামপালে চাঞ্চল্যকর ফিরোজ শেখ হত্যা মামলার ৫ জন এজাহারভুক্ত পলাতক আসামীকে গ্রেপ্তার করছে র‌্যাব-৬। রবিবার (১৯ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ১১টার দিকে রামপালের বিভিন্ন স্থান থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন রামপাল উপজেলার কাষ্টবাড়িয়া গ্রামের মৃত কেরামত আলীর ছেলে মোঃ বজলু শেখ (২৫), ইনছান শেখের ছেলে ইমরান শেখ (২২), মৃত রজ্জব আলী শেখের ছেলে এনাম শেখ (৪২) ও তার ছেলে সুমন শেখ (২১) এবং জিয়া গাজীর ছেলে সাগর গাজী (২২)।

রবিবার (১৯ ডিসেম্বর) ফিরোজের স্ত্রী বাদী হয়ে  রামপাল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-০৮ তারিখ ১৯/১২/২০২১ ধারাঃ ১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩২৫/ ৩২৬/ ৩০৭/ ৩০২/৩৪ পেনাল কোড।

র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার (১৯ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ১১টার দিকে মেজর এম রিফাত-বিন-আসাদ এবং লেঃ কমাঃ এম সারোয়ার হুসাইন এর নেতৃত্বে বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে চাঞ্চল্যকর ফিরোজ শেখের হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামীদের গ্রেপ্তার করা হয়।

বহুল আলোচিত এবং চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলায় জড়িত অন্যান্য আসামীদের’কে গ্রেপ্তারে র‌্যাবের গোয়েন্দা অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানানো হয়।

উল্লেখ্য, গত ১৭ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বাগেরহাট জেলার রামপালের শ্রীকলস গ্রাম এলাকায় ফিরোজ শেখকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। ঘটনার বিস্তারিত অনুসন্ধানে জানা যায় ফিরোজ স্থানীয় একজন সাবেক চেয়ারম্যান এর সমর্থক এবং তার নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত থাকতো বিধায় হত্যাকারীরা সাবেক চেয়ারম্যানের প্রতিপক্ষ হওয়ায় সাবেক চেয়ারম্যান এর ক্ষতি করার জন্য তাকে হত্যা করার নীল নকশা তৈরি করে।

এমতাবস্থায় গত ১৭ ডিসেম্বর আনুমানিক সকাল সাড়ে ১০টার সময় ফিরোজ সাবেক চেয়ারম্যান এর সাথে কথাবার্তা শেষে সঙ্গীয় একই এলাকার হানিফ গাজী এবং আকবর গাজী নামক দুইজন ব্যক্তির সাথে মোটরসাইকেল যোগে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়। হত্যাকারীরা পূর্ব পরিকল্পনা ও হত্যার ষড়যন্ত্র অনুযায়ী বেলা সাড়ে ১১টার সময় ফিরোজ  রামপাল উপজেলার শ্রীকলস গ্রামের জনৈক আবু সাঈদ শেখের বাড়ির সামনে সরকারি পিচ ঢালা পাঁকা রাস্তায় পৌঁছালে হত্যাকারীরা দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র দিয়ে তাকে অতর্কিতভাবে হামলা করে।

পরবর্তীতে ফিরোজ জীবন বাঁচানোর জন্য দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা করলে হত্যাকারীরা পুনরায় তাকে ধরে ধারালো ছুরি, লোহার রড, রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে আঘাত করে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করে। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ফিরোজ এবং তার সঙ্গী হানিফ’কে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে রামপাল স্বাস্থ্য কমপ্লক্সে নেওয়া হলে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর দুপুর আড়াইটার দিকে ফিরোজ মৃত্যুবরণ করে।

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

সমগ্র বাংলাদেশের বন্ধুদের সেতু বন্ধন তৈরি করে একে অপরের পাশে থাকতে হবে — ইলিয়াস মোল্লা এমপি

 

রামপালে নিহত আওয়ামী লীগ নেতা ফিরোজের জানাযা সম্পন্ন

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রথিনিধি ||

রামপালে আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত আওয়ামী লীগ নেতা ফিরোজ ঢালীর জানাযা সম্পন্ন শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। শনিবার আসর বাদ কাদিরখোলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে জনাকীর্ণ মানুষের উপস্থিতিতে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ মো. আবু সাইদ, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. হামীম নুরী, সাবেক চেয়ারম্যান জামিল হাসান জামু, ভোজপাতিয়া ইউপি চেয়ারম্যান তরফদার মাহাফুজুল হক টুকু, সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দীন, সাবেক চেয়ারম্যান সরদার মুজিবুর রহমান, বদরুল হুদা হিরু, সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সরদার বোরহান উদ্দিন, ছাত্রলীগের সভাপতি মো. হাফিজুর রহমান প্রমুখ।

উল্লেখ্য, শুক্রবার বেলা ১১ টায় আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ চিহ্নিত সন্ত্রাসী বিল্লাল বেপারী, মাহজিব, বাকি ব্যাপারীগংদের নির্মম ও নৃশংস হত্যার শিকার হন ফিরোজ ঢালী। তিনি  রামপাল সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ১ নং ওয়ার্ডের সহ সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। নিহতের পরিবারে চলছে শোকের মাতম। দোষীদের দ্রুত আটকের দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছিল।

বাগেরহাটের রামপালে আওয়ামীলীগের প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত ১ আহত ২

আধিপাত্যকে বিস্তার করে আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষের হামলায় ফিরোজ ঢালী (৫০) নামের ১ ব্যক্তি নিহত ও ২ জন আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন, আওরঙ্গ (৪৫) ও হানিফ (৩০)। আহতদের মধ্যে গুরুতর আহত কাষ্টবাড়ীয়ার হানিফকে খুমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে বাগেরহাটের রামপাল থানা পুলিশ ৬ জনকে আটক করেছে। জানা গেছে, উপজেলার কাদিরখোলা গ্রামের ঘের ব্যবসায়ী ফিরোজ ঢালীর সাথে চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও কথিত পুলিশের দালাল বলে খ্যাত বিল্লাল বেপারীর সাথে বিরোধ চলে আসছিলো।

ঘটনার দিন শুক্রবার বেলা ১১টায় ভাগা-কাদিরখোলা রাস্তার আবু সাইদ ও সামছুর বাড়ীর সামনে বিল্লাল বেপারী, মাহাজিব, বাবু, ইনাম, রুবেল, মামুন, আফছার, শাহাজান, রেজা, জনো, আলম, সজিব, সুমনসহ ২৫/৩০ জনের একটি দল চাপাতি, রড, রাম দা, চাইনিজ কুড়াল নিয়ে ওৎ পেতে থাকে বলে প্রত্যক্ষদর্শিরা জানান। ওই সময় ফিরোজ ঢালী, হানিফ ও আওরঙ্গসহ সঙ্গীয় কয়েকজনকে সাথে নিয়ে ভাগা বাজার থেকে কাদিরখোলাস্থ বাড়ীতে ফিরছিলেন।

এসময় তাদের উপর এলোপাতাড়িভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। গুরুতর আহতদের প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হসপিটালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা ফিরোজ ঢালীকে মৃত বলে ঘোষনা করে।

এ বিষয়ে জানার জন্য রামপাল থানার ওসির ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেও তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে তার সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি ওই সময় এসপি মহোদয়ের সাথে কথা বলছিলাম। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজিত জনতা মাহাজিবের দোকানঘর ভাংচুর করে।

এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ॥

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

‘একখান ঘর দেন, মরে গেলে নিয়ে নিয়েন’- রাস্তায় ঘুমানো এক বৃদ্ধা

বাগেরহাটের রামপালে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতার রজতজয়ন্তী পালন

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

যথাযোগ্য মর্যাদায় রামপালে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপিত হয়েছে। এ দিন ভোরে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা করা হয়।

এ উপলক্ষে উপজেলা স্মৃতিসৌধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এ সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, রামপাল থানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার নেতৃবৃন্দ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবীর হোসেন এর সভাপতিত্বে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, উপজেলা পরিষদ চত্বরে কুচকাওয়াজে অংশ নেন, পুলিশ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, আনসার, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী। বেলা ১১ টায় মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা, আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

হাসপাতাল, এতিমখানা ও ভবঘুরে কেন্দ্রে উন্নত মানের খাবার বিতরণ করা হয়। বিকালে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও সন্ধায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা হবে। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান শেখ নূরুল হক লিপন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হোসনেয়ারা মিলি, ওসি মোহাম্মদ সামসুদ্দীন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ আ. জলিল, মোল্লা আ. রউফ, মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর হোসেন, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ সাদী প্রমুখ।

বাগেরহাটের রামপালে সাড়ে ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ফয়লা ব্রীজসহ ৩ টি ব্রীজের ৭৭% সম্পন্ন

করোনা মহামারির প্রকোপ কমে আসার পর রামপালে এলজিইডি’র অর্থায়নে প্রায় সাড়ে ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে তিনটি ব্রীজের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। ইতিমধ্যে ব্রীজ তিনটির ৭৭ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আগামী বছরের জানুয়ারীর মধ্যে মানুষ চলাচলের জন্য উম্মুক্ত করে দেয়া সম্ভব হবে বলে উপজেলা এলজিইডি অফিস সূত্র নিশ্চিত করেছে।

জানাগেছে, উপজেলার ফায়লাহাট-চাকশ্রী সড়কের ফয়লা ব্রীজের নির্মাণ কাজ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আইটি এন্ড জেই। তারা ২০১৮ সালের ১৬ অক্টোবরে ব্রীজের কাজ শুরু করেন। ব্রীজটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ২ কোটি ১০ লক্ষ ৪০ হাজার ১১০ টাকা। এটি ৩০ মিটার দৈর্ঘ্য।

ওই ব্রীজের ডিজাইন সমস্যা, করোনার প্রকোপ ও অর্থ ছাড়ের জটিলতায় যথা সময়ে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়নি। তবে ইতিমধ্যে ওই ব্রীজের ৭০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে বলে রামপাল উপজেলা এলজিইডি অফিস জানায়। এটা আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে জনসাধারণের জন্য উম্মুক্ত করে দেয়া সম্ভব হবে। বগুড়া খেয়াঘাট ব্রীজটির কাজ শুরু করে একই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আইটি এন্ড জেই। ৬০ মিটার দৈর্ঘ্যের ওই ব্রীজ টির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ কোটি ৯২ লক্ষ ৫১ হাজার ১৩৩ টাকা। এটাও করোনা, সীমানা সমস্যা ও অর্থ ছাড়ের জটিলতায় পিছিয়ে পড়ছে। ইতিমধ্যে ব্রীজটির ৯০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে।

এটি ডিসেম্বরের মধ্যে চলাচলের জন্য উম্মুক্ত করে দেয়া সম্ভব হবে বলে জানানো হয়েছে। গৌরম্ভা ইউনিয়নের কন্যাডুবি খেয়াঘাটের ব্রীজটি ৪৮ মিটারের। এটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ কোটি ৪৩ লক্ষ ৯৯ হাজার ৯৯৩ টাকা। ২০১৮ সালের ৯ ডিসেম্বরে এম,এস মহিউদ্দিন আহমেদ নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করে। ব্রীজটির ৭০ ভাগ কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। আশা কারা হচ্ছে ২০২২ সালের জানুয়ারিতেই চলাচলের জন্য উম্মুক্ত করে দেয়া সম্ভব হবে বলে জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মো. গোলজার হোসেন জানান, তিনটি ব্রীজের একটিতে ডিজাইন সমস্যা হয়েছে। করোনার প্রকোপ ও অর্থ ছাড়ের জটিলতায় কিছুটা পিছিয়ে পড়লেও খুব দ্রুততার সাথে কাজ এগিয়ে চলছে। আশা করছি আগামী ২/৩ মাসের মধ্যে সবগুলো জনসাধারণের চলাচলের জন্য উম্মুক্ত করে দেয়া সম্ভব হবে, যা আপনারা সরেজমিনে গিয়ে দেখেছেন।

কথা হয় রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবীর হোসেন এর সাথে। তিনি জানান, বাগেরহাট জেলা প্রশাসক স্যার এর নির্দেশনায় এ উপজেলার ব্রীজগুলো যাতে দ্রুত নির্মাণ সম্পন্ন হয় সে জন্যে নিরলসভাবে কাজ করা হচ্ছে। অতিবৃষ্টি ও মহামারী পরিস্থিতির কারণে ব্রীজগুলো নির্মাণে দেরি হয়েছে। আশা করছি খুব শিগ্র চলাচলের জন্য উম্মুক্ত করে দেয়া সম্ভব হবে।

এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

লন্ডনে লংমার্চের নামে বাংলাদেশ বিরোধী প্রচার

বাগেরহাটের রামপালে জালিয়াতি চক্রের সদস্য জাফর গ্রেফতার

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি//

বাগেরহাটের রামপালে জাল দলিল, ষ্টাম্প, নকল সিলসহ বিভিন্ন সরঞ্জামাদিসহ জালিয়াতি চক্রের এক সদস্য এস এম আবু জাফর (৫৪)কে আটক করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

রবিবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে রামপাল উপজেলার উজুলকুড় ফকিরবাড়ী থেকে তাকে আটক করে র‌্যাব-৬ এর সদস্যরা। এসময়, বিভিন্ন সরকারী অফিসের ২৪টি সীলমোহর, ২টি সীলপ্যাড, ২৩ টি ফাঁকা ষ্ট্যাম্প, ৯০টি কোর্ট ফি ষ্ট্যাম্প, ৮টি এস এ খতিয়ান এর কপি, ৪টি আরএস খতিয়ানের কপি, জমির বিভিন্ন ৫০ পাতা দলিলপত্র, ১টি মেমোরীকার্ড ২টি সীমকার্ড, একটি হাতঘরি ও নগদ ৮২০ টাকা জব্দ করে র‌্যাব সদস্যরা।

বাগেরহাটের রামপালে জালিয়াতি চক্রের সদস্য জাফর গ্রেফতার

আটক এসএম আবু জাফর বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলার উজলকুড় এলাকার মোঃ এবাদ আলী শেখের ছেলে।

র‌্যাব-৬ খুলনার সহকারী পরিচালক মিডিয়া বজলুর রশীদ বলেন, বিভিন্ন সরকারী অফিসের সীলমোহর নকল করে প্রতারণার মাধ্যমে মানুষের নিকট হতে বিপুল পরিমান অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে  এস এম আবু জাফরকে আটক করা হয়েছে। তার কাছ থেকে জালিয়াতি ও প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়েছে। মামলা দায়ের পূর্বক তাকে রামপাল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

বাগেরহাটের মোংলায় কোটি টাকার অবৈধ বিদেশি কাপড় জব্দ করেছে কোষ্টগার্ড

 

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি// বাগেরহাটের মোংলায় শুল্ক কর ফাঁকি দিয়ে আনা ১ কোটি ১৫ হাজার টাকার বিদেশি কাপড় জব্দ করেছে কোস্টগার্ড। ১৬ নভেম্বর থেকে ১৭ নভেম্বর দুপুর পর্যন্ত মোংলার হলদিবুনিয়ায় অভিযান চালিয়ে সমুদ্র পথে আনা ৮৩৩ পিস বিদেশি শাড়ি, ৫৯ পিস লেহেঙ্গা এবং ১০০ পিস চাদর জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ১৫ হাজার টাকা।

বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) বিকেলে কোস্টগার্ড সদর দফতরের মিডিয়া কর্মকর্তা লে. খন্দকার মুনিফ তকি প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

মিডিয়া কর্মকর্তা লে. খন্দকার মুনিফ তকি বলেন, শুল্ক কর ফাঁকি দিয়ে অবৈধ পথে আনা বিপুল পরিমাণ শাড়ি, লেহেঙ্গা ও চাদর জব্দ করা হয়েছে। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ১ কোটি ১৫ হাজার টাকা। তবে কোস্টগার্ডের অভিযান টের পেয়ে চোরাকারবারিরা সুন্দরবনের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়। জব্দ মালামালাল মামলা দায়ের করে মোংলা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

বাগেরহাটের রামপালে আমনে কারেন্ট পোকা দমনে কৃষি বিভাগের নানা উদ্যোগ

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় আমন ধানের কারেন্ট পোকা ( বাদামী গাছ ফড়িং) দমনে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা আগাম প্রস্তুতিসহ নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

এবছর উপজেলার ১০ ইউনিয়নের মধ্যে ৯ টি ইউনিয়নে মোট আবাদের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছিল ৪ হাজার ৫৫ হেক্টর। কিন্তু লক্ষমাত্রার চেয়ে আবাদ বেশি হয়েছে। অগ্রহায়ণ মাসের প্রথম দিকে এ এলাকার প্রায় ৮০ ভাগ ধান পেকে গিয়েছে।

বাকী ২০ ভাগ ধান অর্থাৎ প্রায় ১ হাজার ৬ শত হেক্টর জমির আমন উঠতে আরও দেড় মাস সময় লাগবে বলে কৃষি কর্মকর্তা কৃষ্ণ রানী মন্ডল জানান। তিনি জানান, আমনের কারেন্ট পোকা দমনে আমরা নিরলস ভাবে কাজ করছি। জনবলের সীমাবদ্ধতার পরও সকলকে নিয়ে কৃষকদের সচেতনতা, লিফলেট বিতরণ, ভিডিও চিত্র প্রদর্শন, স্কয়ার্ড গঠন, কৃষক সমাবেশ, কীটনাশকের সহজ প্রাপ্যতাসহ নানান উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কৃষকদের বলা হয়েছে সবাইকে এক যোগে কীটনাশক স্প্রে করতে। যাতে করে পোকামাকড় এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে না পারে।

কৃষি অফিস থেকে বীজ ও কীটনাশক ডিলারদের সতর্ক করে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে যাতে তারা অনুমোদিত ভালোমানের কীটনাশক কৃষকের মাঝে সরবরাহ করেন এ বিষয়ে রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবীর হোসেন এর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি জানান, কৃষকরা যাতে নির্বিঘ্নে আমন ধান ঘরে তুলতে পারেন এ জন্য কৃষি দপ্তরের সাথে সমন্বয় করে উপজেলা প্রশাসন নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

অসহায় কৃষকদের কীটনাশক ও উপকরণ দিয়ে সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আশানুরূপ ফলন পাওয়া যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

পুষ্প সিনেমার এক গানে দুই কোটি নিচ্ছেন সামান্থা !

বাগেরহাটের রামপালে সন্ত্রাসী হামলায় বিএনপি’র ১o নেতাকর্মী আহত অফিস ভাংচুর

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপালে সন্ত্রাসী হামলায় বিএনপি’র ১o জন নেতাকর্মী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

এ সময় প্রতিপক্ষ চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা নেতাকর্মীদের মারপিট করে ও ভাংচুর চালায়। আহতদের মধ্যে গুরুতর দুই জনকে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

আহতরা হলেন, বাঁশতলী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শেখ আব্দুল্লাহ আজমি, মোল্লা কামরুজ্জামান বাবু, সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক কাজী অজিয়ার রহমান, মো. ফিরোজ কবির, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আলমগীর কবির বাচ্চু, ছাত্রনেতা মোফাজ্জল হুসাইন বাদল, রফিকুল ইসলাম, মো. ইয়াছিন আরাফাত শেখ, আসলাম তালুকদার, কবির কাজী।

আহতদের সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাঁশতলী ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গিলাতলা বাজারের বিএনপি কার্যালয়ে এক বর্ধিত সভা চলছিল।

এ সময় ৩৪/৩৫ জন্য চিহ্নিত সন্ত্রাসী লোহার রড ও লাঠি নিয়ে হামলা করে মারপিট শুরু ও ভাংচুর করে। রামপাল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত রামপাল থানায় কোন লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও দায়ীদের শাস্তির দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বাগেরহাট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইন্জিনিয়ারিং আকরাম হোসেন তালিম, যুগ্ম আহবায়ক লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলামসহ নেতৃবৃন্দ।