এক নারীর সাথে ভাইরাল তালতলীর সেই চার রাজনৈতিক ও জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে গণ ধর্ষণ মামলা

//মাহমুদুল হাসান, আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার তালতলীতে এক নারীর সাথে চার রাজনৈতিক ও জনপ্রতিনিধি’র সাথে আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল হওয়া সেই চারজনের বিরুদ্ধে গণ ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা হয়েছে।

মামলার আসামীরা হলেন,তালতলী উপজলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও উপজলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ রেজবি-উল কবির জোমাদ্দার, নিশানবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ড. কামরুজ্জামান বাচু,পঁচাকোড়ালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদার ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল আবেদীন মিঠু।

বুধবার বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ধর্ষিতার বাবা বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। আদালতের বিচারক মোঃ মশিউর রহমান খাঁন মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী পিবিআইকে তদন্ত পুর্বক সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। তিন চেয়ারম্যানর বিরুদ্ধ মামলা হওয়ায় উপজেলা চাঞ্চল্যের সষ্টি হয়ছ।

মামলার বিবরন সুত্রে জানাগেছে,তালতলী উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ড. কামরুজ্জামান বাচু মিয়ার সঙ্গে মামলার বাদীর কন্যার মোবাইল ফোনে প্রেম হয়। এক পর্যায়ে চেয়ারম্যান বাচ্চু মোল্লা বিয়ের প্রলোভন দেখিয় দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। এখন চেয়ারম্যান তাকে বিয়ে করা নিয়ে টালবাহানা করতে থাকে। ধর্ষিতা বিয়ের জন্য চাপ প্রয়োগ করলে চেয়ারম্যান তাকে বিয়ে করবে বলে স্ট্যাম্পে লিখিত দেয় এবং বিভিন স্হানে নিয়ে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ধর্ষণ করে এবং ধর্ষিতার অজান্তে গোপনে মোবাইলে নগ্ন ছবি ধারণ করে। ওই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে মামলার ২ নং আসামী পঁচাকোড়ালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদারের সঙ্গে দৈহিক সম্পর্ক করতে বাধ্য করেন। চেয়ারম্যান রাজ্জাকও তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন এবং তিনিও মোবাইলে নগ্ন ছবি ধারন করে রাখে। পরে পঁচাকোড়ালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ওই কন্যাকে ব্লাকমেইল করেন এবং তালতলী উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি উপজলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ রেজবি-উল কবির জোমাদ্দারের সঙ্গে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তুলত বাধ্য করে। তার কথা না শুনল তাকে জীবন নাশের হুমকি দেন। নিরুপায় হয়ে ধর্ষিতা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রেজবি-উল কবির জোমাদ্দারের সঙ্গেও দৈহিক সম্পর্কে বাধ্য হয়। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানও ওই কন্যাকে বিভিন্ন হোটেল ও লঞ্চে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করছে বলে দাবী করেন মামলার বাদী। তাদের হাত থেকে রক্ষা পেতে ধর্ষণের শিকার ওই মেয়ে তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করবো বলে হুমকি দেয়। এমন খবর পেয়ে তিন চেয়ারম্যান ও ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক মিলে ওই ধর্ষিতার বিরুদ্ধে উল্টো পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা দেয়। ওই মামলায় ডিবি পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে ওই মামলার ধর্ষিতা জেল হাজতে রয়েছ। এ ঘটনায় ধর্ষিতার বাবা বুধবার বরগুনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে তালতলী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ জবি-উল কবির জোমাদ্দার, নিশানবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ড. কামরুজ্জামান বাচ্চু,পচাঁকোড়ালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদার ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল আবেদীন মিঠুর বিরুদ্ধে গণধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফী আইনে মামলা দায়ের করেন। আদালতের বিচারক মোঃ মশিউর রহমান খাঁন মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী পিবিআইকে তদন্ত করে সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন।

তালতলী উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ রেজবি উল কবির জোমাদ্দার বলেন,নির্বাচনকে সামনে রেখে আমার বিরুদ্ধে আমার প্রতিপক্ষরা ষড়যন্ত্রমুলুক এ মামলা দায়ের করছে।এ ঘটনার সঙ্গে আমি ও অন্য দুই চেয়ারম্যানর কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। আমি আইনগতভাব মোকাবেলা করবো।

মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবি মোঃ আনিচুর রহমান মিলন বলন,আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী পিবিআইকে তদন্ত করে সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছন।

আমতলীতে পুকুরে সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে ইমামের মৃত্যু

//মাহমুদুল হাসান,আমতলী, বরগুনা//

মটর বসিয়ে খাল থেকে পুকুরে পানি উঠাতে গিয়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে মসজিদের ইমামের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে আজ আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের হলদিয়া বাজার এলাকায়।

নিহত ইমামের নাম হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ ইব্রাহিম। তিনি পাশ্ববর্তী চাওড়া ইউনিয়নের খলিফা বাড়ি জামে মসজিদের ইমাম ছিলেন। তার বাবার নাম মাওলানা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে নিহত মাওলানা  ইব্রাহিমের বাড়ির পুকুরে পানি শুকিয়ে যাওয়ায় বাড়ির পাশের খালে মটর বসিয়ে পানি ওঠানোর জন্য বিদ্যুৎয়ের লাইন দিতে গেলে শক খেয়ে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। মাওলানা ইব্রাহিমকে পড়ে থাকতে দেখে তার মায়ের ডাক চিৎকারে স্হানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে আমতলী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তার মৃত্যু অনেক আগেই হয়েছে বলে নিহতদের স্বজনদের নিশ্চিত করেন।

নির্বাচনের প্রার্থীর পক্ষে ট্যাংক ভর্তি ফ্রী শরবত খাওয়ানোর দায়ে ১ জনের কারাদণ্ড

//মাহনুদুল হাসান,আমতলী, বরগুনা//

বরগুনার আমতলী উপজেলার সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীর পক্ষে ভোটারদের ভ্যানে করে ট্যাংক ভর্তি শরবত খাওয়ানোর দায়ে ভ্যান চলককে ১ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন নির্বাহী মেজিস্ট্রেট।

আজ রবিবার সকালে ঐ  ইউনিয়নের উত্তর টিয়াখালী দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটেছে। সাজাকৃত ভ্যান চালকের নাম এনামুল। তার বাড়ি আমতলী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে।

জানাগেছে  বেলা এগারোটার দিকে ভোট চলাকালীন সময়ে কেন্দ্রের পাশে ঠান্ডা শরবতের ঠ্যাংকে  একজন চেয়ারম্যান প্রার্থীর ব্যানার লাগিয়ে ভোটারদের শরবত বিতরণ করতে ছিল। বিষয়টি নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা কর্তব্যরত নির্বাহী মেজিস্ট্রেট তারিক হাসানের দৃষ্টিগোচর হলে তিনি তাৎক্ষণিক ভ্যান চালককে আটকের নির্দেশ প্রদান করেন।পরবর্তীতে নির্বাচন আচরণ বিধি লংঘন করার দায়ে ভ্যান চালক এনামুলকে এক মাসের সাজা প্রদানের নির্দেশ প্রদান করেন।

নষ্ট ফ্যান সারতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পষ্ট হয়ে কৃষকের মৃ’ত্যু

মাহমুদুল হাসান,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ

বরগুনার তালতলীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে  আফজাল মাতুব্বর (৫৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (২৬শে এপ্রিল) দুপুর১২ টার দিকে উপজেলার বড়বগী ইউনিয়নের ছোট ভাইজোড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত আফজাল মাতুব্বর একই এলাকার ফুল মিয়া মাতুব্বরের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায় প্রচন্ড গরম থেকে বাঁচতে নিজ ঘরে পড়ে থাকা নষ্ট ফ্যান সারাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ছিটকে পড়েন আফজাল মাতুব্বর। পড়ে স্বজনরা উদ্ধার করে তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন

নিহতের ছেলে মোঃ মনির হোসেন বলেন,সকালে ধান খেত থেকে এসে দেখেন বৈদ্যুতিক ফ্যান চলেনা সেটা নিজে সারতে গিয়ে কারেন্টে শর্ট খেয়ে ছিটকে পড়েন পরলে আমরা সাথে সাথে হাসপাতালে নিয়ে যাই।

তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের কর্মরত চিকিৎসক ডাক্তার আইরিন রহমান বলেন,হাসপাতালে আনার আগেই মৃত্যু হয়েছে আফজাল মাতুব্বরের। প্রাথমিক ভাবে ধারণা হচ্ছে বিদ্যুৎস্পষ্ট হয়ে মারা গেছেন তিনি।

তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম খান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি,পরে নিহতের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বাবার বাড়ি যাওয়ায় স্ত্রী’র শরীরের ২৮ স্হানে কোপালো স্বামী

মাহমুদুল হাসান, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ

বাবার বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ায় স্বামী মাহাতাব ও তার সহযোগীরা স্ত্রী শাহনাজ বেগমকে (৩৫) হত্যার উদ্দেশ্য শরীরের ২৭ স্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেছে।ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) ভোররাতে বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের ঘোপখালী গ্রামে।

ঘটনাস্থল থেকে আমতলী থানা পুলিশ গৃহবধূকে উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে।গৃহবধুর অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

জানা গেছে, উপজেলার ঘোপখালী গ্রামের মাহতাব হাওলাদারের স্ত্রী তিন সন্তানের জননী শাহনাজ বেগম গত মঙ্গলবার বাবার বাড়ীতে বেড়াতে যায়। এতে ক্ষিপ্ত হয় স্বামী মাহতাব। বুধবার গভীর রাতে ঘুমন্ত স্ত্রীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথা, মুখমন্ডল,হাত,পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ২৭টি কোপ দেয়। পরে মৃত্যু ভেবে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

শাহনাজের ডাক চিৎকারে খবর পেয়ে তার স্বজনরা ছুটে আসে এবং থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে ঘাতক স্বামী মাহতাবকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় এবং গুরুতর আহত স্ত্রী শাহনাজকে উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে।

আহত শাহনাজের মামা নাসির হাওলাদার বলেন,আমার ভাগ্নি তার বাবার বাড়ীতে বেড়াতে যায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে স্বামী মাহতাব ও তার সহযোগীরা ঘুমন্ত অবস্থায়  ভাগ্নি শাহনাজকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথা,মুখমন্ডল, হাত,দা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ২৭ টি কোপ দিয়ে ফেলে রাখে।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ লুনা বিনতে হক বলেন,ওই নারীর মাথা,মুখমন্ডল, হাত,পাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহৃ রয়েছে। তার অবস্থা সংঙ্কটজনক হওয়ায় বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আমতলী থানার ওসি কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে মাহাতাবকে আটক করা হয়েছে।

আমতলীতে যত্রতত্র গড়ে ওঠা ৪৫টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

//মাহমুদুল হাসান, আমতলী, বরগুনা//

আমতলী পৌর শহরের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের আমতলী এ,কে স্কুল চৌরাস্তা এলাকা থেকে ৪৫ টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলম বুধবার বিকেলে এ সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছেন।

জানাগেছে,পৌর শগরের অভ্যন্তরে পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের একে স্কুল চৌরাস্তা এলাকায় প্রভাবশালী ব্যাক্তিরা সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের জায়গা দখল করে ৪৫ টি অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে।এতে মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছিল।আজ বুধবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলম এ সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে দেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন,স্থানীয় প্রভাবশালীরা নিজেদের জোর খাটিয়ে মহাসড়কের পাশে বেশ কিছু জায়গা দখল করে এ সকল  স্থাপনা নির্মাণ করেছিল। ওই স্থাপনাগুলো উপজেলা নির্বাহী অফিসার উচ্ছেদ করে দিয়েছেন। তারা আরো বলেন,সেই সাথে  মহাসড়কের পাশে সাপ্তাহিক হাটও উচ্ছেদ করেছেন।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলম বলেন,মহাসড়কের ১০ মিটারের মধ্যে নির্মাণ করা ৪৫ টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫ টি ঘর ও ৩০ টি আংশিক ঘর ছিল।

আলোচিত ভাইরাল তরুণী আমতলীর কে এই লামিয়া?

//মাহমুদুল হাসান,আমতলী, বরগুনা//

একাধিক জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতার সাথে আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় দেশের বিভিন্ন স্হানে চায়ের টেবিল থেকে শুরু করে বিভিন্ন আড্ডায়  রসাত্মক আলোচনায় চলছে কে এই ভাইরাল তরুণী?

তরুনীর সাথে আপত্তিকর ভিডিও তে যাদেরকে দেখা যাচ্ছে তারা সকলেই বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলার পরিচিত রাজনৈতিক ব্যাক্তি ও জনপ্রতিনিধি। যেই স্মার্ট,সুদর্শন তররুনীকে কেন্দ্র করে

এতলকিছু তার পরিচয় অনেকেই জানেনা।

অভিযোগ এর সুত্র ধরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়,আলোচিত এই তরুণী বরগুনার আমতলী উপজেলার সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ আমতলীর মোঃ বাহাদুরের মেয়ে ইসরাত জাহান লামিয়া (২০)।শিক্ষা জীবনে লামিয়া বাড়ীর পাশের মানিকঝুড়ি দাখিল মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করে।

ঐ এলাকায় আলাপকালে জানা যায়, লামিয়ার ছোটবেলায় বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ হয় এবং মায়ের  অন্যত্র বিয়ে হয় এবং বাবাও দ্বিতীয় বিয়ে করেন।বাবার দ্বিতীয় বিয়ের পর পিত্রালয়ে সৎ মায়ের অবহেলা,অনাদরে শৈশব থেকেই লাগামহীন জীবনযাপনে জড়িয়ে পরে লামিয়া। ফলে মাধ্যমিকের গণ্ডি পার হওয়ার আগেই ১৩ বছর বয়সে একই এলাকার টিয়াখালী গ্রামে লামিয়ার প্রথম বিবাহ হয়।লামিয়ার পাত্র পছন্দ না হওয়ায় স্বামীর সঙ্গে দাম্পত্য জীবনের শুরতে বিভিন্ন ধরনের কলহ লেগে থাকতো।এরপর থেকে লামিয়ার চাল-চলন ছিল পরিবার ও এলাকাবাসীর কাছে আপত্তিকর।

আরও জানা যায়,এর মধ্যে স্থানীয় এক আবাসিক হোটেল থেকে ওই তরুণীকে দুই যুবকের সঙ্গে পাওয়া যায়। এ ঘটনা নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশ হলেও পরবর্তীতে মামলা পর্যন্ত গড়ায়।এ ঘটনায় ওই দুই যুবক জেলও খাটেন,মামলাটি বর্তমানে চলমান। প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর নিজ পছন্দল বরিশালের চাকরিজীবী ছেলেকে দ্বিতীয় বিয়ে করে লামিয়া।

দ্বিতীয় বিয়ের শুরুতে এই স্বামীর সাথেও সম্পর্ক ভালো ছিল না। তবে বর্তমানে তাদের মধ্যে সম্পর্কের কিছুটা উন্নতি হতে থাকে। এমতবস্থায় আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল হয় এই তরুণীর।

আপত্তিকর ভিডিও ভাইরালের বিষয়টি সপ্তাহ জুড়ে বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়া, ইলেকট্রনিক মিডিশা ও গণ মাধ্যমে ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ হওয়ার পর গত সোমবার (২২ এপ্রিল) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মোজাম্মেল হোসেন রেজা স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,গত ১০ এপ্রিল তালতলী উপজেলা চেয়ারম্যান রেজবুল কবির,পচাকোরালিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আঃ রাজ্জাক,নিশান বাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান বাচ্চু ও তালতলী উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মিনাজুল আবেদিন মিঠু বরগুনা পুলিশ সুপার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে লিখিত অভিযোগ করে উপজেলা আ.লীগের জনৈক নেতা কর্তৃক অর্থের বিনিময়ে জনৈক তরুণীকে ব্যবহার করে তাদের অন্তরঙ্গ ভিডিও গোপনে ধারণ করে। তাদের হোয়াটসঅ্যাপে মেসেঞ্জারে ভিডিও পাঠিয়ে ব্ল্যাকমেইল করছে। বিষয়টি অনুসন্ধানের জন্য জেলা গোয়েন্দা শাখার ইনচার্জকে নিয়োজিত করা হয়।

আরও জানা যায়, জেলা গোয়েন্দা শাখার কর্মকর্তারা অনুসন্ধানকালীন প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই তরুণী এবং সহযোগীকে আটক করে। পরে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার বিষয় তারা স্বীকার করেন। তাদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গোপনে ধারণকৃত অশ্লীল ভিডিও সম্বলিত পেনড্রাইভ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী কামরুজ্জামান বাচ্চুর অভিযোগের ভিত্তিতে তালতলী থানায় পর্নোগ্রাফি আইনে ৫টি মামলা হয়।

মামলা হওয়ার পর আসামিরা জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনা স্বীকার করেন ও বিজ্ঞ আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। এক্ষেত্রে অভিযোগকারীর কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া শুরু করে প্রাথমিক অনুসন্ধান, জিজ্ঞাসাবাদ,মামলা রুজু আসামি গ্রেপ্তার,আলামত উদ্ধার,আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে উপস্থাপন করাসহ সব প্রক্রিয়ায় যথাযথ আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

ডায়রিয়ার প্রকোপ হাসপাতালে তীব্র শয্যা সংকট আমতলীতে

//মাহমুদুল হাসান, আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলী উপজেলায় ডায়েরীয়ার প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের রোগীদের সামাল দিতে হিমশীম খেতে হচ্ছে। স্থান সংকুলণ না হওয়ায় রোগীদের বারান্দায় বেড দেয়া হয়েছে। ধারন ক্ষমতার চেয়ে পাঁচগুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছে। ৬ জনের বেডে ৩১ জনের চিকিৎসা চলছে। এতে রোগীদের সমস্যা হচ্ছে।  দ্রুত বেড বৃদ্ধির দাবী জানিয়েছেন রোগী ও তার স্বজনরা। অপর দিকে আইভি স্যালাইন সংঙ্কট দেখা দিয়েছে। রোগীদের ফার্মেসি থেকে আইভি স্যালাইন কিনতে হচ্ছে। এই সুযোগে ঔষুধ ব্যবসায়ীরা বেশী দামে স্যালাইন বিক্রি করছেন।

জানাগেছে, গত এক সপ্তারে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডায়েরিয়া আক্রান্ত হয়ে দুই শতাধির রোগী ভর্তি হয়েছে। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য সেবিকাদের রোগীদের সামাল দিতে হিমশীম খেতে হচ্ছে। ৬ শয্যা ডায়েরীয়া রোগীর বেডের স্থলে ৩১ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। স্বাস্থ্যএ কমপ্লেক্সের বারান্দায় রোগীদের বেড দেয়া হয়েছে। রোগীর স্বজনদের অভিযোগ হাসপাতাল থেকে এন্টিবায়োটিক ও কলেরা স্যালাইন সরবরাহ করা হলেও বাহির থেকে ঔষুধ কিনতে হচ্ছে এবং হাসপাতালের বারান্দায় বেড দেয়া হয়েছে। এতে রোগীদের সমস্যা হচ্ছে বলে জানান তারা। এছাড়াও শত শত রোগী কমিউনিটি ক্লিনিক ও  স্থানীয় চিকিৎসকের কাছ থেকে চিকিৎসা নিচ্ছে বলে নির্ভরযোগ্য সুত্রে জানা গেছে।

সোমবার আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ঘুরে দেখাগেছে, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বারান্দার বেডে রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছে। হাসপাতালে বেডে ৬ জন এবং বারান্দায় ২৫ জন রোগীর চিকিৎসা চলছে।

ডায়েরীয়ায় আক্রান্ত রোগী সামসুল হক কাজী বলেন, হাসপাতাল থেকে স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে তারপরও বাহির থেকে ঔষুধ কিনতে হয়। তিনি আরো বলেন, বেড না থাকায় বারান্দায় বেড পেতে চিকিৎসা নিচ্ছি। দ্রুত হাসপাতালে বেড বাড়ানো প্রয়োজন।

উপজেলার ঘোপখালী গ্রামের বুশরা বলেন বলেন, তিন দিন আগে নাতনিতে হাসপাতালে ভর্তি করেছি। এখন কিছুটা সুস্থ্য। তবে হাসপাতাল থেকে কিছুই দেয়নি। সকল ঔষুধ বাহির থেকে কিনতে হচ্ছে।

এমপিও হাট এলাকার বাসিন্দা নাজমা বলেন, ডায়ারিয়ায় আক্রান্ত ছেলে নাঈমকে হাসপাতালে ভর্তি করেছি। শুধু  আইভি স্যালাইন ছাড়া হাসপাতাল থেকে কিছুই পাচ্ছি না।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ চিন্ময় হাওলাদার বলেন, প্রচন্ড গরমের কারনে ডায়েরীয়ার প্রকোপ দেখা দিয়েছে। হাসপাতালে চাহিদার চেয়ে স্যালাইন কম রয়েছে। দ্রæত স্যালাইন আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। ডায়েরিয়া রোগী সামাল দিতে হাসপাতালের ডাক্তার ও নার্সরা প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

জামিন চেয়ে আবারও আবেদনের প্রস্তুতি মিন্নি’র

//মাহমুদুল হাসান, আমতলী, বরগুনা//

বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি জামিন চেয়ে আবারও হাইকোর্টে আবেদন করার প্রস্তুতি নিয়েছেন।

এ বিষয়ে বুধবার (১৭ এপ্রিল) তার আইনজীবী শাহিনুজ্জামান শাহীন সাংবাদিকদের জানান,আগামী রবিবার (২১ এপ্রিল) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন দাখিল করা হবে।

এর আগে হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের বেঞ্চ গত বছর ১১ জানুয়ারি মিন্নির জামিনের আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দেন। পরে তিনি একই বছরের ৮ মে পুনরায় আবেদন করেন।এ আবেদনটি গত বছর ৯ আগস্ট হাইকোর্টের বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মোঃ আমিনুল ইসলামের বেঞ্চে শুনানির জন্য কার্যতালিকায় ৪৯৭ নম্বরে থাকলেও এ আবেদনেরও শুনানি হয়নি। ফলে আবাও নতুন করে আবেদনের প্রস্তুতি নেওয়া হলো।

আলোচিত এ মামলায় ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোঃ আছাদুজ্জামান রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ১০ আসামির মধ্যে ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করা হয়। এ ছাড়া তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। বাকি চারজনকে খালাস দেওয়া হয়।

পরে নিয়ম অনুসারে একই বছরের ৪ অক্টোবর ছয় আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। পাশাপাশি ৬ অক্টোবর মিন্নিসহ অন্য আসামিরা আপিল করেন।

২০১৯ সালের ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার সময়ে বরগুনা সরকারি কলেজ রোডের ক্যালিক্স একাডেমির সাথে স্ত্রী মিন্নির সামনে রিফাত শরীফকে কুপিয়ে জখম করে নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজীর সহযোগীরা। গুরুতর অবস্থায় রিফাতকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রিফাত মারা যান।

এরপর রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে সাব্বির আহম্মেদ ওরফে নয়ন বন্ডকে প্রধান আসামি করে ১২ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরও পাঁচ-ছয়জনের বিরুদ্ধে বরগুনা থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় প্রথমে মিন্নিকে প্রধান সাক্ষী করেছিলেন নিহত রিফাতের বাবা। পরে ওই বছরের ১৬ জুলাই মিন্নিকে তার বাবার বাসা থেকে বরগুনা পুলিশ লাইনসে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এ হত্যায় তার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে প্রতীয়মান হওয়ায় মিন্নিকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। একই বছর ২৯ আগস্ট মিন্নিকে জামিন দেন হাইকোর্ট। ১ সেপ্টেম্বর ২৪ জনকে অভিযুক্ত করে প্রাপ্ত ও অপ্রাপ্তবয়স্ক দুভাগে বিভক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। এর মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ জন এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ জন। ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়। পরে সাক্ষ্য গ্রহণ,যুক্তিতর্ক শেষে ৩০ সেপ্টেম্বর রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ে মিন্নি ছাড়া অপর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন রাকিবুল হাসান রিফাত ওরফে রিফাত ফরাজী,আল কাইয়ুম ওরফে রাব্বী আকন,মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত,রেজোয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয় ও মোঃ হাসান। খালাস পান মোঃ মুসা (পলাতক), রাফিউল ইসলাম রাব্বি, মো. সাগর এবং কামরুল ইসলাম সাইমুন।

Daily World News

কচুয়ার জীবন সংগ্রামে জয়ী পাঁচ নারীকে শ্রেষ্ঠ জয়িতার সম্মাননা প্রদান

আমতলীতে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত

মাহমুদুল হাসান,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ

বরগুনার আমতলী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত হয়েছে।

দিবসটি পালন উপলক্ষে আজ বুধবার উপজেলা পরিষদ চত্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও আলোচনা সভার মধ্যে দিয়ে আমতলীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট এমএ কাদের মিয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ মজিবুর রহমান,উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ চিন্ময় হাওলাদার।

প্রধান শিক্ষক আনোয়ারুল কবিরের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ নাজমুল হক, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সফিকুল আলম, উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার মোঃ মঞ্জুরুল হক কাওসার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মুহাম্মদ জামাল হুসাইন,উপজেলা পরিষদ সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান, বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট এ,কে,এম সামসুদ্দিন শানু,উপজেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম মৃধা,ইউপি চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান বাদল খান,বোরহান উদ্দিন আহমেদ মাসুম তালুকদার, সোহেলী পারভীন মালা প্রমুখ।