আমতলী পৌর নির্বাচন: আটক ৪০

মাহমুদল হাসান, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ

বরগুনার আমতলী পৌর নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কায় ৪০জন বহিরাগতকে আটক করা হয়েছে।

শনিবার (৯ মার্চ) ভোট চলাকালে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে তাদেরকে আটক করে থানা হেফাজতে দিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

এর মধ্যে ২নং ওয়ার্ডের এ কে স্কুল কেন্দ্র থেকে ১২ জন এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ডসহ বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে মোট ৪০ জনকে আটক করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ আশরাফুল আলম জানান, আমতলী পৌরসভা নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কায় বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ৪০ জন বহিরাগতকে আটক করেছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। দুই প্রার্থীর পক্ষে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছিলেন আটকরা। কিন্তু নির্বাচন সুষ্ঠু করতে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে আছে।

বরগুনা জেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আব্দুল হাই আল হাদী বলেন, দু’একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলেও এখন পর্যন্ত নির্বাচনি পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে ভোটগ্রহণের জন্য প্রতিটি কেন্দ্রে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও একজন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটসহ দুই প্লাটুন বিজিবি, ৯০ জন আনসার ব্যাটালিয়ন, র্যাবের দুটি টিম ও পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।

আমতলী পৌর নির্বাচনে ৯ জন মেয়র, সংরক্ষিত আসনে ৯ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৬ জনসহ মোট ৫৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মোট ভোটার ১৫ হাজার ৮৩৯ জন।

রাত পোহালেই আমতলী পৌর নির্বাচন, ঝুঁকিতে ৪ কেন্দ্র, বহিরাগতদের কৌশল অবলম্বন

মাহমুদুল হাসান, আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধিঃ

রাত পোহালেই বরগুনার আমতলী পৌরসভা নির্বাচন।জেলা ও উপজেলা প্রশাসন  নির্বাচনকে ঘিরে সতর্ক অবস্থানে  থাকলেও ঝুঁকিতে রয়েছে ৪টি কেন্দ্রে।প্রশাসনিক নজরদারিতে কৌশল পাল্টেছে বহিরাগতরাও।

প্রার্থীদের অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ এবং প্রশাসনের কঠোর নজরদারির মধ্যে দিয়ে গতকাল রাত ৮ ঘটিকায় শেষ হয় প্রার্থীদের সকল ধরনের প্রচার প্রচারণা।

ভোটার ও প্রার্থীদের সাথে আলোচনা করে জানা যায়,আমতলী পৌরসভার ৯টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৩,৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের ভোট কেন্দ্র গুলো ঝুকিপূর্ণ। এ কেন্দ্র গুলোতে ভোটার ও প্রার্থীরা কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্হা গ্রহনের দাবী জানান।এ ছাড়াও প্রশাসনিক কঠোর ব্যবস্হা গ্রহনের ফলে বহিরাগতদের আনাগোনা কমলেও একেবারে থেমে যায়নি।বহিরাগতরা কৌশল পাল্টে মুল শহরের চেয়ে নিরিবিলি ওয়ার্ড গুলোতে অবস্থান করছে। এ ছাড়াও বিভিন্ন বাসা বাড়ী ও আবাসিক হোটেলে কৌশলে অবস্থান নিয়েছে।

বর্তমান মেয়র মতিয়ার রহমান (মোবাইল মার্কা প্রার্থী) বলেন, ৩,৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডে বহিরাগতদের আনাগোনা দেখা যাচ্ছে যার কারনে এই ওয়ার্ডগুলো ঝুকিপূর্ণ মনে হচ্ছে। তবে নির্বাচন অফিসার আমাদেরকে আস্বস্ত করেছেন তিনি আমতলী পৌরসভায় একটি সুষ্ঠ নির্বাচন উপহার দিবেন।

তবে নির্বাচন শতভাগ সুষ্ঠ হবে বলে জানিয়েছেন জেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটার্নিং আব্দুল হাই আল হাদি। তিনি জানান নির্বাচনকে ঘিরে সকল ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে দেয়া যাবে না।

আমতলী পৌর নির্বাচনে বহিরাগতদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু

মাহমুদুল হাসান,আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধিঃ

আগামী ৯ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য বরগুনার আমতলী পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে বহিরাগতদের আনাগোনা বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং সুষ্ঠ নির্বাচন নিয়ে জনমনে শংকা দুর করতে পৌর শহরেরর অভ্যতরে বহিরাগত বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হয়েছে।

আজ বিকাল ৫টয় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে এ অভিযান শুরু হয়েছে।সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় বিভিন্ন মোটরসাইকেল থামিয়ে তল্লাশি করা হচ্ছে।

এ সময়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর সাথে আলাপকালে তিনি জানান আগামী ৯মার্চ আমতলী পৌরসভার নির্বাচনে পৌর শহরে একজন বহিরাগতও থাকতে পারবেনা।

আমতলী পৌরসভায় মোট ভোটার ১৫ হাজার ৮ শত ৩৯ জন। নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী পদে ৯ জন, কাউন্সিলর পদে ৩৬ জন ও নারী কাউন্সিলর পদে ০৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

বহিরাগতদের বিরুদ্ধে অভিযান সম্পর্কে বরগুনা জেলা নির্বাচন অফিসার আবদুল হাই আল হাদী জানান,আমতলী পৌরসভা নির্বাচনে একজন বহিরাগতও থাকতে পারবেনা। নির্বাচন সুস্ঠ ও শান্তিপূর্ণ করতে নির্বাচন কমিশনের দেওয়া নির্দেশনা শতভাগ বাস্তবায়ন করা হবে।

আমতলীতে পৌর নির্বাচনে মেয়র প্রার্থীর উপর সশস্ত্র হামলা

//বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলীতে পৌর নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী মতিয়ার রহমান এর উপরে সশস্ত্র হামলা হয়েছে।

আজ রাত সারে এগারোটায় পৌর সভার ৭ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মিজান এর মুমূর্ষু মাকে দেখে ফিরে আসার পথে এ সশস্ত্র হামলা হয়েছে।

এ বিষয়ে মেয়র প্রার্থী মতিয়ার রহমান বলেন,পৌর শহরের ৭নং  ওয়ার্ডের বাসিন্দা আমার এক কর্মীর মুমূর্ষু মাকে দেখে ফিরে আসার সময়ে আমি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নাজমুল আহসান নান্নুর ক্যাডার সোহেল গাজী ও নয়ন মৃধার নেতৃত্বে শতাধিক সশস্ত্র ক্যাডার নিয়ে আমাকে হত্যা করার উদ্দেশ্য এ হামলা চালায়। ঘটনা জানতে পেরে আমতলী থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে। এ সনয় নয়ন মৃধা নামের এক সশস্ত্র ক্যাডারকে গ্রেফতার করে।

এ রিপোর্ট লেখার সময়ে ঘটনা শুনে ৪,৫ নং ওয়ার্ডের নারীরা মেয়রকে দেখার উদ্দেশ্য তার বাসায় আসার পথে নারীদের উপর কামাল আকনের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়।

হামলার স্বীকার ভুক্তভোগী নারীরা বলেন আমরা পৌরসভভায় বসবাস করতে পারবোনা।

আমতলী পৌর নির্বাচনে বহিরাগত নিয়ে জনমনে শংকা, রিটার্নিং কর্মকর্তা জানালেন একজনও থাকবেনা

মাহমুদুল হাসান, আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধিঃ

আগামী ৯ মার্চ বরগুনার আমতলী পৌরসভা নির্বাচন। এ নির্বাচনকে ঘিরে আমতলীতে বহিরাগতদের আনাগোনায় সুষ্ঠ ভোট নিয়ে পৌরবাসী শংকায় থাকলেও রিটার্নিং অফিসার জানালেন পৌরসভার ভিতরে একজন বহিরাগতও থাকতে পারবেনা।

সরেজমিনে ঘুরে ভোটারদের সাথে আলোচনা করলে ভোটাররা বলেন,আমরা পৌরসভায় সুষ্ঠ নির্বাচন চাই,আমরা কোন ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চাই না। মানুষ যেন সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট দিতে পারে আমরা সেটা চাই। কিন্তু আমরা সুষ্ঠ নির্বাচন নিয়ে আতঙ্কে রয়েছি কারন এখানে বহিরাগতদের আনাগোনা আশংকাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

ভোটারদের মাঝে পার্শ্ববর্তী এলাকা বিভিন্ন জনপ্রতিনিধিদের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীদের আনাগোনায় সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিয়ে শংকা রয়েছে।

আমতলী পৌরসভায় মোট ভোটার ১৫ হাজার ৮ শত ৩৯ জন। নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী পদে ৯ জন, কাউন্সিলর পদে ৩৬ জন ও নারী কাউন্সিলর পদে ০৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

মোবাইল ফোন মার্কার মেয়র প্রার্থী মতিয়ার রহমান বলেন, আমতলী পৌর শহরের অলি গলিতে দেখা যাচ্ছে বহিরাগত ও সন্ত্রাসী। এদের আচারণ ও চলাফেরায় সাধারণ জনগণ ভয়ভীতিতে আছে। আমরা প্রশাসনের নজরদারি বৃদ্ধির দাবি জানাচ্ছি।

বরগুনা জেলা নির্বাচন অফিসার আবদুল হাই আল হাদী বলেন,বহিরাগত সন্ত্রাসীদের আনাগোনার বিষয়ে আমরা অবগত,নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্বাচনের ৭২ ঘন্টা পূর্বে আমতলী পৌরসভায় একজনও বহিরাগত থাকতে পারবে না। ৭২ ঘন্টা পূর্বে আমরা মাইকিং করে বহিরাগতদের পৌরসভা ত্যাগ করতে অনুরোধ করবো তারপরও যদি কেউ থাকে তাদেরকে খুঁজে বের করা হবে।

আমতলী পৌর নির্বাচনে গুন্ডা, হুন্ডা,পান্ডা রাস্তায় থাকবেনা – নির্বাচন কমিশনার আহসান হাবিব

মাহমুদুল হাসান, আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধিঃ

বরগুনার আমতলী পৌরসভা নির্বাচনে হুন্ডা পান্ডা ও গুন্ডা রাস্তায় থাকবে না এবং ভোট গ্রহনে অনিয়ম হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের চাকুরী থাকবে না বলে হুশিয়ারী উচ্চারন করেছেন নির্বাচন কমিশনার আহসান হাবিব।

তিনি বলেন,শতভাগ সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এতো সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করলাম কিন্তু একটি পৌরসভার নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না?  সুষ্ঠুভাবে সকল নির্বাচন করতে সক্ষম হয়েছি বলেই নির্বাচন কমিশনের প্রতি মানুষের আস্থা বৃদ্ধি পেয়েছে। কোন ক্রমেই ইভিএম’র এ নির্বাচনী পরিবেশ বিঘ্নিত হবে না।

আজ সোমবার আমতলী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে প্রশাসন,আইনশৃঙ্খলা বাহিনী,প্রিজাইডিং অফিসার,সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রেস ব্রিফিংএ এ কথা বলেছেন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনার ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোঃ আহসান হাবিব খাঁন (অব)।এ সময় তিনি আরো বলেন,সাংবাদিকরা হলো সংবাদ প্রকাশ ও প্রচারের প্লাটফর্ম। এ প্লাটফর্মের মাধ্যমেই দেশ বিদেশ জেলা ও উপজেলায় সর্বত্র এ সংবাদ প্রচারিত হচ্ছে।

আজকের আমতলী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে মতবিনিময় সভায় আমতলী পৌরসভার ৯ মেয়র,৩৬ কাউন্সিলর ও ৯ সংরক্ষিত নারী প্রার্থীরাও উপস্থিত ছিলেন। সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষে তিনি সকলের সার্বিক সহযোগীতা কামনা করেছেন। বরগুনা জেলা প্রশাসক শুভ্রা দাসের (ভারপ্রাপ্ত) সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ আলাউদ্দীন,বরগুনা জেলা পুলিশ সুপার আবদুস ছালাম,জেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ আবদুল হাই আল হাদী ও আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলম। উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হোসেন,সহকারী পুলিশ সুপার রুহুল আমিন ও আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু।

তালতলীতে ভোক্তা অধিকারের অভিযানে তিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

মাহমুদুল হাসান,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ

বরগুনার তালতলীতে বিএসটিআই নিষিদ্ধ পন্য বিক্রি,অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ফ্রিজে খাবার সংরক্ষণ, নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত মূল্য আদায় ও মেয়াদ উত্তীর্ণ পন্য বিক্রি করার দায়ে তিনটি ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

তালতলীতে ভোক্তা অধিকারের অভিযানে তিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

সোমবার (৪ মার্চ ) জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বরগুনার সহকারী পরিচালক বিপুল বিশ্বাস এই অভিযান পরিচালনা করেন।

ভোক্তা অধিকার সূত্রে জানা গেছে,বরগুনার তালতলী বাজার এলাকায় তদারকি অভিযানে মেয়াদ উত্তীর্ণ পন্য বিক্রির অপরাধে উপজেলা উজ্জ্বল চত্বরে অবস্থিত মদিনা ষ্টোর কে ৭ হাজার, উপজেলা প্রধান সড়কের আল্লারদান হোটেলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার সংরক্ষণের জন্য ৫ হাজার ও তালতলী বটতলায় অবস্থিত বিসমিল্লাহ হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্টে ৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে । ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ব্যাত্যয় করায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর বিভিন্ন ধারায় মোট ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

একই সাথে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান মনিটরিং করে সতর্কতা মূলক নির্দেশনা দেওয়া হয়।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বরগুনা জেলা সহকারী পরিচালক বিপুল বিশ্বাস এর নেতৃত্বে তার সাথে ছিলেন,নিরাপদ সেনেটারী ইনস্পেক্টর ও খাদ্য পরিদর্শক মোঃ রফিকুল ইসলাম সহ তালতলী থানা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত ছিল।

সাংবাদিক তালুকদার মাসুদ এর মৃত্যুতে বরগুনা জুড়ে বইছে শোকের মাতন

মাহমুদুল হাসান,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ

দৈনিক ভোরের ডাক পত্রিকার বরগুনা জেলা প্রতিনিধি,বরগুনা সাংবাদিক ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, ইউপি সদস্য তালুকদার মাসুদচিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেছেন। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার পরিবার। সাংবাদিক তালুকদার মো: মাসুদের অকাল মৃত্যুতে বরগুনা জুড়ে শোকের মাতম বইছে।

তিনি গত ১৯ ফেব্রুয়ারী ১১টার দিকে বরগুনা প্রেসক্লাবের অভ্যন্তরে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছিলেন। ঘটনার ১১ দিন পর শনিবার (০২ মার্চ) রাত ১১ টার দিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তালুকদার মাসুদ।আহতাবস্থায় সাংবাদিক তালুকদার মাসুদকে জিম্মি করে বরগুনা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছিলো। পরে প্রশাসনের সহায়তায় সাংবাদিক মাসুদকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে তাকে আরো উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে পাঠানো হয়। কিছুটা সুস্থ্য হয়ে বরগুনা ফিরে আসেন সাংবাদিক তালুকদার মো: মাসউদ। ০২ মার্চ আবার অসুস্থ্যতাবোধ করলে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য তিনি আবার বরিশাল শের – ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

সাংবাদিক তালুকদার মো: মাসুদ সদর উপজেলার ১০নং নলটোনা ইউনিয়নের গোড়াপদ্মা গ্রামে মৃত আবদুল ওয়াহাব মাষ্টারের ছেলে। তিনি ১০নং নলটোনা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের পরপর দুইবার ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

মৃত্যুর আগে সাংবাদিক তালুকদার মো: মাসুদ এক ভিডিও বার্তায় বলে গেছেন, গত ১৯ ফেব্রুয়ারী বরগুনা প্রেসক্লাবের ৩য় তলার অফিস-রুমে বসে এনটিভির জেলা প্রতিনিধি সোহেল হাফিজের নেতৃত্বে দৈনিক ভোরের আকাশের জেলা প্রতিনিধি কাশেম হাওলাদার, এনটিভির ক্যামেরা পার্সন আরিফুল ইসলাম মুরাদসহ বেশ কয়েকজন মিলে হামলা চালিয়ে তালাবদ্ধ করে রাখে তাকে। ভিডিও বার্তায় তার বুকে ঘুষি ও লাথি মারার কথা বলেছিলেন সাংবাদিক তালুকদার মো: মাসুদ।

এদিকে ঘটনার বিষয়ে প্রশাসনের মধ্যস্থতায় ০২ মার্চ বৈঠকের কথা থাকলেও বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারী) অসুস্থ্য সাংবাদিক তালুকদার মো: মাসউদকে ১নং আসামী করে সাংবাদিকসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে বরগুনা দ্রুত বিচার আইনে প্রেসক্লাবের পক্ষে একটি মামলা দায়ের করেন সাধারণ সম্পাদক জাফর হাওলাদার। তবে ০৩ মার্চ অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিট্রেট আদালতে জামিনের আবেদন করলে মামলার সকল আসামীকেই জামিনে মুক্তি দিয়েছে আদালত।

বরগুনা প্রেসক্লাবে হামলার ঘটনায় মামলা, পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ

আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধি:

বরগুনা প্রেসক্লাবে হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রতবিচার আইনে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে বৃহস্পতিবার সকালে দ্রতবিচার আদালতে বরগুনা প্রেসক্লাবের পক্ষে এ অভিযোগ (মামলা নং ১৮/২৪) দায়ের করেন সাধারণ সম্পাদক জাফর হোসেন হাওলাদার। অভিযোগ আমলে নিয়ে বরগুনা সদর থানাকে এজাহার হিসেবে গণ্য করে পিবিআইকে (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) তদন্তের নির্দেশনা দিয়েছে আদালত। বরগুনার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. শরিয়তউল্লাহ বৃহস্পতিবার সকালে এ আদেশ দেন।

মামলার বিবরণীতে সাধারণ সম্পাদক জাফর হোসেন হাওলাদার উল্লেক করেন, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে বরগুনায় অপসাংবাদিকতার মাধ্যমে চাদাবাজিসহ নানা অপকার্যকলাপ চালিয়ে আসছিলো। তাদের এসব অপকর্মকান্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় বরগুনা প্রেসক্লাবের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে তারা বরগুনা প্রেসক্লাবে এ হামলা চালায়।

মামলার বিবরণীতে আরও জানা যায়,গত ১৯ ফেব্রæয়ারি বরগুনা প্রেসক্লাবের অধিকাংশ সদস্য যখন শিক্ষা সফর উপলক্ষে কোলকাতা প্রেসক্লাবের সদস্যদের সাথে মতবিনিময় করছিলেন তখন পূর্বপরিকল্পিতভাবে ৪০ থেকে ৫০ জনের একটি দল বরগুনা প্রেসক্লাবে হামলা চালায়। এসময় তারা প্রেসক্লাব দখলে নেওয়ার অপচেষ্টা চালায়। খবর পেয়ে বরগুনা প্রেসক্লাবে পৌঁছালে প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি লেখক, সাংবাদিক ও আইনজীবী সোহেল হাফিজসহ ঘটনাস্থলে ছুটে আসা একাধিক সদস্য ও সহযোগী সদস্যকে লাঞ্ছিত করে হামলাকারীরা। বরগুনা সদর উপজেলার ১০ নং নলটোনা ইউনিয়ন পরিষদের একজন ইউপি সদস্য ও সাংবাদিক পরিচয়দানকারী মাসুদ তালুকদার, বরগুনা প্রেসক্লাব থেকে বারবার বহিস্কৃত সদস্য মুশফিকুল ইসলাম আরিফ এবং হারুন অর রশীদ রিঙ্কুর নেতৃত্বে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

এ মামলার অন্যান্য আসামীরা হলেন, সগির হোসেন (৪০), শাজনুস শরীফ (২৫), আল আমিন (৩২), জাফরুল হাসান রুহান (৪০), রাকিবুল ইসলাম রাজন (২৮), মো. মিরাজ (৩৪), আনোয়ারুল ইসলাম (৫০), সানাউল্লাহ (৩০), জহিরুল ইসলাম (৩৮), জুয়েল মোল্লা (৩৬), রিমন (৩৮), জুলহাস (৪২), রিমন (৪০) এবং রাশেদ আহমেদ বশির (৪৯)।

এ বিষয়ে বরগুনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এটিএন বাংলা, এটিএন নিউজ ও দৈনিক জনকণ্ঠের বরগুনা প্রতিনিধি অ্যাড. গোলাম মোস্তফা কাদের বলেন, সারাদেশের প্রেক্ষাপটে যেসব প্রেসক্লাবগুলো স্বকীয় গঠনতন্ত্র ও সাংগঠনিক রীতি নীতির চর্চা করে আসছে তাদের মধ্যে বরগুনা প্রেসক্লাব অন্যতম প্রধান। শহরের প্রাণকেন্দ্রে বরগুনা প্রেসক্লাবের তিনতলা নিজস্ব ভবন রয়েছে। ভবনের দ্বিতীয় তলা বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের কাছে ভাড়া দেওয়া হয়েছে। তৃতীয়তলায় বরগুনা প্রেসক্লাবের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। স্থানীয় উন্নয়নে সকল অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে সূচণালগ্ন থেকে গুরুত্বপূর্ন ভ‚মিকা রেখে চলেছে বরগুনা প্রেসক্লাব। তিনি আরও বলেন, বরগুনা প্রেসক্লাবের সদস্যভুক্তির ক্ষেত্রে অন্যতম প্রধান শর্ত আবেদনকারীকে ন্যুনতম স্নাতক বা সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে।

অ্যাড. গোলাম মোস্তফা কাদের আরও বলেন, বরগুনা প্রেসক্লাব থেকে সাংগঠনিক শৃংখলা ভঙ্গের দায়ে বহিস্কৃত দু’জন সদস্যকে সাথে নিয়ে বরখাস্তকৃত একজন সদস্য মুশফিকুল ইসলাম আরিফ এবং মাসুদ তালুকদার নামের একজন বিতর্কিত ইউপি সদস্য বরগুনা প্রেসক্লাবের সুনাম ও মর্যাদা ক্ষুন্ন করার অসৎ উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এ হামলার ঘটনা ঘটায়। ঘটনার পরে পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সরাসরি লাইভ দিয়ে এবং বিচ্ছিন্নভাবে বরগুনা প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে সাধারণ জনগনের মাঝে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে।

বরগুনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণ সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন মনোয়ার বলেন, ‘বরগুনা প্রেসক্লাবের ইতিহাসে এমন ঘটনা আর কখনই ঘটেনি। তিনি বলেন,পেছনের দরজা দিয়ে প্রবেশ করে কোন পেশিশক্তির মাধ্যমে বরগুনা প্রেসক্লাবের সদস্য হওয়া যায় না। যারা এ প্রচেষ্টা চালিয়েছে তারা অন্যায় করেছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই। আনোয়ার হোসেন মনোয়ার আরও বলেন,  বরগুনা প্রেসক্লাবের রয়েছে সুদীর্ঘ বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য। কোন অপশক্তির কাছে বরগুনা প্রেসক্লাব মাথা নোয়াবে না।’

বরগুনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও খেলাঘর কেন্দ্রিয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য বিশিষ্ট লেখক, সাংবাদিক ও গবেষক চিত্ত রঞ্জন শীল বলেন, চর দখলের মত করে প্রেসক্লাব দখলের এ অপচেষ্টায় আমরা আহত, ব্যথিত। শিক্ষা সফর উপলক্ষে প্রেসক্লাবের অধিকাংশ সদস্য যখন ইন্ডিয়ায় অবস্থান করছিলো তখনই এই হামলার ঘটনা ঘটায় হামলাকারীরা। খবর পেয়ে প্রেসক্লাব রক্ষায় ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন বরগুনা প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাড. সোহেল হাফিজ। এসময় তারা সোহেল হাফিজসহ অন্যান্য সদস্যদের উপরে চড়াও হয়। ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে সোহেল হাফিজসহ প্রেসক্লাব সদস্যদের উদ্ধার করে। তিনি আরও বলেন, পরিকল্পিতভাবে তারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। ঘটনার পরে ফেসবুকে বরগুনা প্রেসক্লাব নিয়ে সুকৌশলে নানা আপপ্রচার চালিয়ে স্থানীয় জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে চাক্রান্তকারীরা। খবর

এদিকে বরগুনা প্রেসক্লাবে হামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বরগুনা জেলা আইনজীবী সমি সভাপতি ও সম্পাদকসহ স্থানীয় বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে ঝালকাঠি প্রেসক্লাব, কুয়াকাটা প্রেসক্লাব,পটুয়াখালী প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

আমতলীর মেধাবী মুখ কেয়ামনি’র উচ্চ শিক্ষা নিয়ে সংশয়!

মাহমুদুল হাসান, আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধি:

বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার ভাঙ্গা ঘরে চাঁদের আলোর মতো এক অদম্য মেধাবী শিক্ষার্থীর নাম কেয়ামনি। আর্থিক অভাব-অনটনও মেধাবী কেয়ামনিকে দমাতে পারেনি। দিনমজুর ভূমিহীন কৃষক বাবার উপার্জনের টাকায় সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরালেও লেখাপড়া চালিয়ে গেছেন নিয়মিত। সফলতাও পেয়েছেন। শিক্ষাজীবনের সকল শাখায় রয়েছে জিপিএ-৫। বর্তমানে স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী কেয়ামনি। পিতা সাধারণ দিনমজুর কৃষক মোঃ নজরুল ইসলাম খোকন, মাতা গৃহিণী তাসলিমা বেগম। দুই বোনের মধ্যে সে সবার বড়।

ছোটবেলা থেকেই লেখাপড়ায় বেশ মনযোগী। তার প্রমান পাওয়া যায় তার পিইসি, জেএসসি, এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে। আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের দক্ষিন রাওঘা গ্রামের ৪৪ নং দক্ষিন রাওঘা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ২০১৩ সালে পিইসি পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ- ৫ পান, ২০১৬ সালে দক্ষিন রাওঘা নূর আল-আমীন মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে জেএসসি তে জিপিএ-৫, একই বিদ্যালয় থেকে ২০১৯ সালে এসএসসি পরীক্ষায় মানবিক শাখা থেকে জিপিএ- ৫ এবং আমতলী বকুলনেছা মহিলা ডিগ্রি কলেজে থেকে এইচএসসি-২০২১ সালে জিপিএ- ৫ পেয়ে কৃতিত্বের সাথে পাশ করেন।

তার স্বপ্ন বড় হয়ে একজন বিসিএস প্রশাসনিক ক্যাডার হওয়া। এতদিন দারিদ্রতা তাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি কিন্তু এখন বেশ ভোগাচ্ছে। বর্তমানে কেয়ামনি বরিশাল বিএম কলেজে ইংরেজি বিভাগের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের অধ্যায়ন করে আসলেও নানাবিত অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে তার উচ্চশিক্ষা প্রায় বন্ধের মুখে। মূলত পারিবারিক অস্বচ্ছল কারণেই নিয়মিত ক্লাস করতে পারছে না মেধাবী এই শিক্ষার্থী।

তার গৃহিণী মা বলেন, ছোট থেকেই লেখাপড়ার প্রতি মেয়ের প্রবল ইচ্ছা ও ঝোঁক বেশি থাকায় পিছপা হইনি। সাধ্যমত চেষ্টা করেছি মেয়ের ভবিষ্যৎ স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে। আমি এবং ওর বাবা অনেক কষ্ট-ক্লেশ করে এবং স্কুল স্যারদের সাহায্য সহযোগিতা করায় আমার মেয়েটাকে এতদূর পযর্ন্ত নিয়ে আসতে পেরেছি। এতদিন নিজ এলাকায় লেখাপড়ার সুযোগ থাকলেও উচ্চ শিক্ষায় সেই সুযোগ আর নেই। মেয়ে এখন বরিশাল বিএম কলেজে পড়ে। বরিশাল এর মত এত দূর শহরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের খরচ বহন করা আমাদের মত দরিদ্র পরিবারের পক্ষে আর সম্ভব নয়।