//শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট//
বাগেরহাটের কচুয়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয়া দূর্গোৎসবের আমেজ বইতে শুরু করেছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে এম আবু নওশাদ উপজেলার বিভিন্ন দূর্গা মন্দির নিয়মিত ভাবে পরিদর্শন করেছেন। তিনি মন্দিরের নিরাপত্তা রক্ষা, পাহার ব্যবস্থা, সিসি ক্যামেরা চালু রাখার সহ সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।
উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে ৪৪টি মন্দিরে দূর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ৭/৮টি পূজা মন্দির রয়েছে। ৮অক্টোবর সায়ংকালে শ্রীশ্রী শারাদীয় দুর্গাদেবীর বোধনের মাধ্যে দিয়ে শুরু হবে পূজা। নিদ্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মন্দিরের প্রতিমাকে আকর্ষনীয় করার জন্য ভাস্করেরা আপন মহিমা দিয়ে সৌন্দর্য বর্ধনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রতি বছরের ন্যয় এবছরও সনাতন ধর্মাবলম্বীরা পূজা অনুষ্ঠানের জন্য ব্যপক প্রস্তুতি নিয়েছে।
উপজেলার সর্বশ্রেষ্ঠ পূজা বাধাল ইউনিয়নের মসনী সর্বজনীন দূর্গামন্দিরে শান্তিপূর্ণ ভাবে অনুষ্টিত হবে। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও উপজেলা বাধাল বাজার সার্বজনীন দূর্গা মন্দির, কচুয়া সদর দূর্গা মন্দির, রঘুদত্তকাঠী ভক্ত নিমাই সেবা আশ্রম, ভান্ডারকোলা সর্বজনীন দূর্গা মন্দির, সাইনবোর্ড বাজার সার্বজনীন দূর্গা মন্দিরে বৃহৎ আকারে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।
