রূপসায় বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনী প্রদর্শনীতে এমপি হেলাল

//এম মুরশীদ আলী, খুলনা//

রূপসায় এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম (EESS) এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর আয়োজনে মেধা বিজ্ঞান উদ্যোগ ও উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ। এ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বিজ্ঞান প্রকল্প শুরু ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী কর্মসূচি গত ১২ জুন (শুক্রবার) দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিজ্ঞান প্রদর্শনীযে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন- খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস কে আজিজুল বারী হেলাল। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, বর্তমান বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তনশীল। এই পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হলে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। কেবল বইয়ের পড়াশোনায় সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান, গবেষণাধর্মী মানসিকতা এবং উদ্ভাবনী চিন্তা গড়ে তুলতে হবে। আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, উদ্যোক্তা ও নেতৃত্বদানকারী শক্তি। তাই তাদের মেধা বিকাশের জন্য প্রয়োজন সঠিক দিকনির্দেশনা, আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা এবং সুযোগ-সুবিধা। সরকার ও সমাজের সকল স্তরের মানুষ যদি একসাথে কাজ করে, তাহলে রূপসা উপজেলা শুধু নয়, পুরো দেশই একটি প্রযুক্তিনির্ভর ও উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে।

এছাড়াও তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ছোট ছোট উদ্ভাবনী ধারণাও ভবিষ্যতে বড় পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে। তাই ভয় না পেয়ে নতুন কিছু চিন্তা করতে হবে, প্রশ্ন করতে হবে এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে নিজের দক্ষতা বাড়াতে হবে। বিজ্ঞানই পারে একটি জাতিকে এগিয়ে নিতে এবং আত্মনির্ভরশীল করতে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিকতা। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন রূপসা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এস. এ. আনোয়ারুল কুদ্দুস।

মাধ্যমিক একাডেমিক সুপারভাইজার নিত্যানন্দ মণ্ডলের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক মীর, খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, জেলা বিএনপির সদস্য শেখ আব্দুর রশিদ, রূপসা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোল্যা সাইফুর রহমান, সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান রুনু, জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শেখ আবু সাঈদ।

উপস্থিত ছিলেন- অধ্যক্ষ হিল্লোল মুখার্জি, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন, খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য আনিসুর রহমান বিশ্বাস, আরিফুর রহমান আরিফ, আছাফুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বিকাশ মিত্র, সমাজসেবক জাকির হোসেন জমাদ্দার, বিএনপি নেতা কবীর শেখ, রয়েল আজম, রবিউল ইসলাম রবি, জিয়াউল ইসলাম বিশ্বাস, ইলিয়াজ হোসেন, খান আনোয়ার হোসেন, মহিউদ্দিন মিন্টু, শরিফুল ইসলাম বকুল, মিকাইল বিশ্বাস, আজিজুর রহমান, দিদারুল ইসলাম, এছাড়াও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মোট ১৫টি স্টলে তাদের নতুন নতুন উদ্ভাবনী বিজ্ঞান প্রকল্প ও আইডিয়া প্রদর্শন করে। এতে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তিনির্ভর চিন্তার প্রকাশ ঘটে।

রূপসাকে আধুনিক ও উন্নত উপজেলায় পরিণত করতে চান – এমপি আজিজুল বারী হেলাল

//এম মুরশীদ আলী, খুলনা//

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় কৃষি গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং মাঠপর্যায়ে কৃষকদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে। কৃষিকে লাভজনক ও টেকসই খাতে পরিণত করতে পারলে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি উদ্বৃত্ত কৃষিপণ্য বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব হবে। বিএনপি সরকার সবসময় কৃষিবান্ধব সরকার। কৃষকের উন্নয়ন, খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। তাই কৃষকের জীবনযাত্রা উন্নয়ন, উৎপাদন ব্যয় হ্রাস এবং কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। কৃষি খাতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে এবং গবেষণার ফলাফল মাঠপর্যায়ে পৌঁছে দিতে হবে। কৃষককে শুধু উৎপাদন নয়, বাজারজাতকরণ ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে। তাহলেই কৃষি হবে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে হবে। যার ওপর যে দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে, তা সততা, নিষ্ঠা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে পালন করতে হবে। কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি বা অবহেলার স্থান নেই। জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করাই হবে সকলের প্রধান লক্ষ্য। আমরা এমন একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ সমানভাবে উন্নয়নের সুফল ভোগ করবে।

তিনি আরও বলেন, রূপসাকে আমরা একটি শান্তিপূর্ণ, আধুনিক ও উন্নত উপজেলায় পরিণত করতে চাই। কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়নের মাধ্যমে রূপসাকে দেশের অন্যতম মডেল উপজেলায় রূপান্তর করা হবে। উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রাখতে সরকার ও জনগণকে একযোগে কাজ করতে হবে। রূপসা হবে শান্তির, উন্নয়নের এবং সম্ভাবনার রূপসা। গত ১২ জুন (শুক্রবার) সকালে রূপসা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে “প্রোগ্রাম অব এগ্রিকালচার অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) অর্থাৎ বাংলাদেশে পুষ্টি উন্নয়ন, উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও সহনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি ও গ্রামীণ রূপান্তর কর্মসূচি (পার্টনার) প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা রিকতা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পার্টনার প্রোগ্রামের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার মো. মোছাদ্দেক হোসেন, খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) সুবীর কুমার বিশ্বাস, খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, রূপসা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোল্যা সাইফুর রহমান, সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান রুনু, জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শেখ আবু সাঈদ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তরুণ কুমার বালা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা সুজিত কুমার মণ্ডল।

এ সময় উপস্থিত উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জ্যোতি কণা দাস, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা পপি সাহা ও মো. হাসিবুর শেখ, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাঈদুর রহমান, সহকারী প্রোগ্রামার ইমরান হোসেন, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ বজলুর রহমান, সমাজসেবা কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম তরফদার, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মুহা. আবুল কাশেম, উপজেলা রিসোর্স ইন্সট্রাক্টর এহতেশামুল হক, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন, অধ্যক্ষ হিল্লোল মুখার্জি, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন, খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য আনিসুর রহমান বিশ্বাস, আরিফুর রহমান আরিফ, আসাফুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বিকাশ মিত্র, সমাজসেবক জাকির হোসেন জমাদ্দার, বিএনপি নেতা কবীর শেখ, রয়েল আজম, রবিউল ইসলাম রবি, জিয়াউল ইসলাম বিশ্বাস, ইলিয়াজ হোসেন, খান আনোয়ার হোসেন, মহিউদ্দিন মিন্টু, শরিফুল ইসলাম বকুল, মিকাইল বিশ্বাস, আজিজুর রহমান, দিদারুল ইসলাম, আরিফ মোল্যা, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বনি আমিন সোহাগ, সাবেক ছাত্রনেতা খান আলিম হাসান, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রেজাউল ইসলাম রেজা, মাসুদ খান, যুবদল নেতা মুন্না সরদার, শাহজামান প্রিন্স, তরিকুল ইসলাম রিপন, নয়ন মোড়ল, বিএনপি নেতা মহিতোষ ভট্টাচার্য, ফিরোজ মাহমুদ, শামীম হাসান, বাদশা জমাদ্দার, কামরুজ্জামান নান্টু, জহিরুল হক শারাদ, এসএম আবু সাঈদ, নাঈম ইসলাম, মোকাররম হোসেন, রহিমা আক্তার নয়ন, হাকিম কাজী, রাজু দাস, তপন দাস, সাইফুল মোল্যা প্রমুখ।

রূপসায় ‘মা জায়েদা-জান্নাত’ মানবকল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে ঈদ উপহার

//এম মুরশীদ আলী, খুলনা//

নিজ এলাকার অসহায় মানুষের ঈদ কাটবে হাসিখুশিতে। এ উদ্দেশ্য নিয়ে ‘মা জায়েদা-জান্নাত’ মানবকল্যাণ সংস্থা রূপসা উপজেলা সদরে গত ২৭ মে ঈদ উপহার সামগ্রী ও অসুস্থদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ করেছে।

ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন- রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি (সাংবাদিক) জিএম আসাদুজ্জামান।

মা জাহেদা জান্নাত সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এইচ এম মাসুদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা প্রদান করেন- (সাবেক ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান) এইচ এম কামরুল ইসলাম কচি, এইচ এম আজিজুল ইসলাম।

আব্দুল মজিদ শেখের পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন- আবু দাউদ ডানিস, মো. আসেফ হাসান রিফাত, রেজোয়ান আহম্মেদ, মো. নজরুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

‘মা জায়েদা-জান্নাত’ মানবকল্যাণ সংস্থাটি অসুস্থদের মাঝে নগদ অর্থ প্রদান সহ ১৫০ জনের মাঝে সিমাই-চিনি, দুধ ও চাউল দিয়ে ঈদের স্বচ্ছতা খুশি করলেন। এর আগে নিজ এলাকায় দবির উদ্দিন হাফেজিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের খাবারের চাউল বিতরণ করেছে।

রূপসা (ইউ সি সি এ) লিমিটেড এ নির্বাচন সম্পন্ন- বাবুল লস্কর সভাপতি

//এম মুরশীদ আলী, খুলনা//

রূপসা উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির নির্বাচনে ৯৬ জন ভোটার মধ্যে হাসিবুর রহমান বাবুল লস্কর ৬৭ ভোট পেয়ে সমবায় সমিতির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. শাহজাহান ফকির ২৭ ভোট পেয়ে পরাজিত হন।

গত ২০ মে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির নির্বাচন উৎসবমুখর, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ৯৬ জন ভোটারের মধ্যে ৯৪ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এ নির্বাচনে সহ-সভাপতি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন মো. তাইজুল ইসলাম। ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ধীমান কুমার দাস। তাছাড়া সদস্য পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন বাসুদেব কর্মকার, শ্যামল কুমার পাল এবং ধীমান চন্দ্র মালাকার।

সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন তেরখাদা সমবায় অফিসার মো. মনজুরুল কবীর, পরিচালনা কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জেলা সমবায় কার্যালয়ের প্রশিক্ষক রাধাকান্ত ঘোষ, রূপসা ইউসিসিএ লিমিটেডের হিসাব সহকারী রবিউল ইসলাম। নির্বাচন পরবর্তী বিকেল ৪ টায় বিআরডিবি কার্যালয়ে ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা সমবায় কর্মকর্তা সৈয়দ জসিম উদ্দিন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- খুলনা জেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মোস্তফা উল বারী লাভলু, উপজেলা পল্লী ইউনিয়ন কর্মকর্তা তারেক ইকবাল আজিজ, সরকারি পল্লী ইউনিয়ন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) প্রদীপ কুমার বিশ্বাস, জেলা বিএনপির সদস্য ও ভারপ্রাপ্ত ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আসাবুর রহমান, দৈনিক সময়ের খবরের মফস্বল সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বাবলু, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক বিকাশ মিত্র, জেলা যুবদলের সদস্য তরিকুল ইসলাম রিপন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হুমায়ুন কবির, নৈহাটি ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক আহ্বায়ক মহিউদ্দিন মিন্টু, যুবদল নেতা মুন্না সরদার, খায়রুল আলম খোকন প্রমূখ।

রূপসায় উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

রূপসায় কারিতাস বাংলাদেশ খুলনা অঞ্চল আয়োজিত মানব পাচার হতে উদ্ধারপ্রাপ্ত নারী ও পুরুষদের জন্য আশ্বাস প্রকল্প (ফেজ-২) এর আওতায় “Provide Sensitization Session to Private and Public Institutions” শীর্ষক সরকারি ও বেসরকারি পরিষেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে উদ্বুদ্ধকরণ সভা গত ২০ মে সকালে উপজেলা মডেল মসজিদ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন- উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিকতা।

উদ্বুদ্ধকরণ সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জ্যোতি কনা দাস, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এস এ আনোয়ারুল কুদ্দুস, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ বজলুর রহমান ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন। অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য রাখেন প্রকল্পের ব্যবস্থাপক প্রভাষ চন্দ্র বিশ্বাস।

সারভাইভারদের পুনঃএকত্রীকরণে কার্যকর সেবা প্রদানের লক্ষ্যে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেন প্রকল্পের ডেপুটি ম্যানেজার (এম অ্যান্ড ডি) আসিফ মল্লিক শুভ। এর পূর্বে অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রকল্পের কেস ম্যানেজার (সোশ্যাল সার্ভিস) লিমন রায়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ম্যানেজার মিলন কান্তি সরকার, ইসলামী রিলিফ বাংলাদেশ রূপসার মোঃ জাকারিয়া, প্রকল্পের সোশ্যাল মোবিলাইজার লাভিনিয় মুক্তা, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ইলিয়াজ হোসেন প্রমুখ।

উক্ত প্রকল্পটি বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সেবা প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ের মাধ্যমে মানব পাচার থেকে উদ্ধারপ্রাপ্ত নারী ও পুরুষদের মর্যাদা পুনরুদ্ধার, সার্বিক কল্যাণ এবং আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনে সহায়তা করে আসছে। উদ্বুদ্ধকরণ সভায় সারভাইভারদের বিভিন্ন সমস্যা, বৈষম্য, নিরাপত্তা ও মানসিক সহায়তাসহ প্রয়োজনীয় সেবা প্রাপ্তির বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি তাদের জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও সংগ্রামের গল্প উপস্থাপনের মাধ্যমে বর্তমান অবস্থা, সমস্যা ও চাহিদা সম্পর্কে তথ্য তুলে ধরা হয়। এই প্রতিষ্ঠানটি রূপসায় ৮৯ জন নারী ও পুরুষ সারভাইভারকে চিহ্নিত করে ৭৬ জনকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিভিন্নভাবে সহায়তা প্রদান করছে। সভায় মানব পাচার রোধে সচেতনতা বৃদ্ধি, সামাজিক সহযোগিতা এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

ঈদুল আজহা ঘিরে রূপসা থাকবে কঠোর নিরাপত্তায়, আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় —— রূপসা নির্বাহী অফিসার সানজিদা

//এম মুরশীদ আলী, খুলনা//

আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রূপসায় কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিক্তা।

তিনি বলেন- আগামী ২৮ মে ঈদ-উল-আজহা ২০২৬ এর প্রাক্কালে রূপসার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা, কোরবানির পশুর হাটের নিরাপত্তা প্রদানসহ ঈদুল আজহার পরবর্তী সময়ে জননিরাপত্তা নিশ্চিত রাখতে রূপসা থানা পুলিশ খুলনার নির্দেশনায় বিশেষ মনিটরিং সেল কাজ করবে।

রূপসায় ১টি স্থায়ী পশুর হাট (রূপসা গরুর হাট) নামের পাশাপাশি অস্থায়ী পশুর হাটগুলোতে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা ও সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ হাটগুলিতে জালনোট শনাক্তে ব্যাংকের বুথ ও মেশিন থাকবে। পশুবাহী যানবাহনে যেকোনো ধরনের চাঁদাবাজি দমনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নির্বাহী। তাছাড়া ‘চাঁদাবাজি রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করবে এবং সিভিল ড্রেসে গোয়েন্দা নজরদারি থাকবে।’ তিনি আরো বলেন, চামড়ার গুণগত মান রক্ষায় কোরবানি পরবর্তী দুই ঘণ্টার মধ্যে লবণ দিয়ে সংরক্ষণের পাশাপাশি রক্ত ও ময়লা বজ্র মাটিতে পুঁতে রাখার পরামর্শ প্রদান করেন। যাতে কোনপ্রকার দুর্গন্ধ সৃষ্টি না হয়। তাছাড়া মাদক ও অনলাইন জুয়া নজরদারি রাখতে সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান। এ সকল বিষয়ে গত ২০ মে সকাল সাড়ে ১১টায় অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে আইন-শৃঙ্খলা সভায় সকলের খন্ড খন্ড বক্তব্যের প্রতি উত্তরে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেছেন।

আইনশৃঙ্খলা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন- প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. আহসান হাবীব প্রামাণিক, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জ্যোতি কনা দাস, রূপসা থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ আব্দুস সবুর খান।

এসময় উপস্থিতদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা প্রকৌশলী শোভন সরকার, প্রাথমিক শিক্ষা সহকারী কর্মকর্তা মাসুদ রানা, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন, উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা অজিত কুমার ঘোষ,

উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোল্লা সাইফুর রহমান, রূপসা জামায়াত ইসলামী আমির মাওলানা লবিবুল ইসলাম, নৈহাটি ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. ইলিয়াস, সামন্তসেনা দাখিল মাদ্রাসা সুপার মাওলানা শফিউদ্দিন নেছারী, কাজদিয়া কলেজিয়েট স্কুলের প্রভাষক খান মেজবাহ উদ্দিন সেলিম, প্রধান শিক্ষক কৃষ্ণ পদ রায়, প্রধান শিক্ষিকা সাবানা, কাজদিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক কমল চন্দ্র সানা, ইসলামী ফাউন্ডেশনের কেয়ারটেকার আঃ সালাম সহ গনমাধ্যম কর্মীরাও উপস্থিত থেকে বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ বক্তব্য রাখেন।

দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে পারলেই উন্নয়নের সুফল সাধারণ মানুষের ঘরে পৌঁছাবে —– রূপসায় এমপি আজিজুল বারী

//এম মুরশীদ আলী, খুলনা//

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যেমন আজীবন কৃষক, শ্রমিক ও খেটে খাওয়া মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করেছেন, তেমনি তাঁর সুযোগ্য সন্তান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ কৃষকের মুখে হাসি ফোটাতে, দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে এবং একটি আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়তে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। কৃষক বাঁচলে বাঁচে একটি দেশ। কৃষকের ঘরে সমৃদ্ধি ফিরলে দেশের অর্থনীতির চাকা আরও গতিশীল হবে। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং উন্নয়নের অগ্রযাত্রা আরও বেগবান হবে। সেই লক্ষ্য থেকেই বিএনপি সরকার কৃষকদের কাছ থেকে ৩৬ টাকা কেজি দরে ন্যায্যমূল্যে ধান ক্রয়ের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অতীতের কোনো সরকার কৃষকের ঘাম ও পরিশ্রমের এমন মর্যাদা দিতে পারেনি। এটি শুধু ধান ক্রয় কর্মসূচি নয়, এটি কৃষকের ন্যায্য অধিকার ও সম্মান প্রতিষ্ঠার এক সাহসী রাষ্ট্রীয় অঙ্গীকার। কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয়ের এই কার্যক্রমে কোনো ধরনের দুর্নীতি, অনিয়ম কিংবা মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য সহ্য করা হবে না। কৃষক যাতে হয়রানি ছাড়া দ্রুত ও সহজভাবে তাদের ধানের ন্যায্যমূল্য হাতে পায়, সে বিষয়ে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে কঠোরভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। একইসঙ্গে আগামীতে আরও বেশি পরিমাণে কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ধান সংগ্রহের উদ্যোগ নিবে বিএনপি সরকার, যাতে প্রকৃত কৃষকই সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়।

দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে পারলেই উন্নয়নের সুফল সাধারণ মানুষের ঘরে পৌঁছাবে ----- রূপসায় এমপি আজিজুল বারী

তিনি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে দুর্নীতি। দুর্নীতি একটি জাতির স্বপ্ন ধ্বংস করে, মানুষের অধিকার কেড়ে নেয় এবং রাষ্ট্রকে পিছিয়ে দেয়। তাই দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। যেখানে অনিয়ম হবে, সেখানেই জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিবাদ করতে হবে। দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে পারলেই উন্নয়নের সুফল সাধারণ মানুষের ঘরে পৌঁছাবে। জনগণের উন্নয়নের কাজের প্রতিটি প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। গরিব, অসহায় ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে যেসব উন্নয়নমূলক কাজ মানুষের প্রকৃত উপকারে আসে, সেসব কাজকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। জনগণের টাকার প্রতিটি হিসাব জনগণের কাছেই দিতে হবে। কোনোভাবেই সরকারি অর্থ লুটপাট বা আত্মসাৎ হতে দেওয়া যাবে না। জনগণের অর্থ জনগণের কল্যাণেই ব্যয় করতে হবে এটাই বিএনপি সরকারের অঙ্গীকার।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার বাংলাদেশকে একটি দুর্নীতিমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। দেশের প্রতিটি স্তর থেকে দুর্নীতি নির্মূল করে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়াই হবে বিএনপি সরকারের মূল লক্ষ্য। তিনি গত ১৬ মে (শনিবার) সকালে রূপসা উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে রূপসা উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর আয়োজিত ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রণালয় কর্তৃক বরাদ্দকৃত বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত, দুঃস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে শুকনা খাবার, ঢেউটিন ও গৃহনির্মাণ অর্থ বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা আব্দুল করিম। সভাপতিত্ব করেন রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিকতা। উক্ত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন রূপসা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শেখ বোরহান উদ্দিন। এসময় এমপি আজিজুল বারী হেলাল মোট ১১ টি পরিবার ও ১ টি প্রতিষ্ঠানের মাঝে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ এবং  ৯৮ জনের মাঝে শুকনা খাবার বিতরণ করেন। এরপর তিনি রূপসা উপজেলা খাদ্য অধিদপ্তর কর্তৃক অব্যন্তরীন ধান সংগ্রহ অভিযান ২০২৬ এর উদ্ধোধন করেন। রূপসা উপজেলা প্রশাসন ও খাদ্য বিভাগ আয়োজিত স্বাগত বক্তৃতা করেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মোঃ আশরাফুজ্জামান। উদ্বোধনীর মাধ্যমে মোট ৬৬১ মেট্রিক টন ধান কৃষকদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন রূপসা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তরুন কুমার বালা, খাদ্য গুদাম ইনচার্জ মোঃ সেলিম, খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, জিএম কামরুজ্জামান টুকু, এনামুল হক সজল, রূপসা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোল্যা সাইফুর রহমান, দিঘলিয়া উপজেলা বিএনপির আহবায়ক সাইফুর রহমান মিন্টু, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক আতাউর রহমান রুনু, রূপসা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক, জেলা বিএনপির সদস্য আরিফুর রহমান আরিফ, আছাফুর রহমান, জেলা কৃষকদলের সাধারন সম্পাদক শেখ মোঃ আবু সাঈদ, জেলা মহিলাদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহানাজ ইসলাম, রূপসা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক বিকাশ মিত্র, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আবুল কালাম গোলদার, হুমায়ূন কবীর, ইউনিয়ন বিএনপি নেতা খান আনোয়ার হোসেন, মহিউদ্দিন মিন্টু, আজিজুর রহমান, দিদারুল ইসলাম, মিকাইল বিশ্বাস,ইউনিয়ন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিয়াউল ইসলাম বিশ্বাস, আজিজুল ইসলাম নন্দু, ইলিয়াজ হোসেন, যুব মহিলাদল নেত্রী শারমিন আক্তার আঁখি, কৃষক সেলিম সরদার, ওমর ফারুক, কৃষকদল নেতা শাহ আলম ভূইয়া, খন্দকার শরিফুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম পাইক, মোল্যা দুরুল হুদা, কামরুল ইসলাম কচি, ফিরোজ মাহমুদ, আরিফ মোল্যা, শামীম হাসান, মাসুদ খান, মুন্না সরদার, সাবেক ছাত্রনেতা খান আলিম হাসান,ফরহাদ হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রেজাউল ইসলাম রেজা, নয়ন মোড়ল, জহিরুল হক শারাদ, তরিকুল ইসলাম রিপন, মহিতোষ ভট্টাচার্য, এসএম আবু সাঈদ, সাজ্জাদ হোসেন, কামরুজ্জামান নান্টু, জাহাঙ্গীর হালদার, আকতার শেখ, জাহিদ হোসেন, নাঈম আহম্মেদ, খান ওলিয়ার রহমান, আবু দাউদ দানিশ, মনিশংকর রায়,ওমর ফারুক, শামীম মোল্যা, ফারুক আহমেদ, গোলাম রসূল, ইব্রাহিম শেখ প্রমূখ।

‘জীবন রক্ষায় প্রয়োজন, নার্সদের ক্ষমতায়ন’ – রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে

 

‘জীবন রক্ষায় প্রয়োজন, নার্সদের ক্ষমতায়ন’ – রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে

//এম মুরশীদ আলী, খুলনা//

আন্তর্জাতিক নার্স দিবস ১২ মে উদযাপন উপলক্ষে রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সকাল ১১ টায় কেক কাটার মাধ্যমে নার্সরা আনন্দ উল্লাসে  দিবসটি পালন করেছেন। এ বছরের প্রতিপাদ্য হচ্ছে- আমাদের নার্স। আমাদের ভবিষ্যৎ- জীবন রক্ষায় প্রয়োজন, নার্সদের ক্ষমতায়ন’।

কেক কাটা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ মো. মাজেদুল হক কাওসার, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ খন্দকার হিমেল, মেডিকেল অফিসার ডাঃ কল্লোল, রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি জি এম আসাদুজ্জামান, প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাংবাদিক এম মুরশীদ আলী।

নার্সদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- নার্সিং সুপারভাইজার নুরুন্নাহার শিল্পি, সিনিয়র ষ্টাফ নার্স সিরাতে আয়শা, ভাইয়া ইনচার্জ সুপর্ণা রানী বিশ্বাস, মরিয়ম খাতুন, শারমিন সুলতানা, হিমালা বিশ্বাস, ঝুমুর হাওলাদার, বৈশাখি ব্যাপারী, শিল্পী মল্লিক, খুকুমনি মজুমদার, ফারজানা লিজা, রাবেয়া সুলতানা, তিথী পোদ্দার, ঝুমুর সরকার, শিরিন খাতুন, সম্পা সরকার, গৌরিবাকচি, খাদিজা খাতুন, সুপর্না সরকার, নাছরিন নাহার, ইন্দ্রা সিংহ এবং মিডওয়াইফ নাজনীন সুলতানা, দিলরুবা ইয়াসমিন প্রমুখ।

প্রাথমিকে প্রথম প্রান্তিক মূল্যায়ন; রূপসায়- ৯৬৮৩ জন শিক্ষার্থীর অংশগ্রহন

//এম মুরশীদ আলী: রূপসা//

রূপসা উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম প্রান্তিক মূল্যায়ন স্ব স্ব বিদ্যালয়ের ১ম শ্রেণী ও ২য় শ্রেণী পরীক্ষা সকাল ১০ টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত এবং ৩য় শ্রেণী থেকে ৫ম শ্রেণীর পরীক্ষা দুপুর ১.৩০ মি: শুরু হয়ে বিকেল ৪ টায় শেষ হবে। এ পরীক্ষা গত ৯ মে থেকে আগামী ১৪ মে পর্যন্ত চলবে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মুহা: আবুল কাশেম জানান- কয়েক বছর ধরে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের শ্রেণী পাঠদান চলাকালীন ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে শ্রেণীর প্রমোশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হত। দীর্ঘকাল পর প্রাথমিকে শুরু হয়েছে প্রথম শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত প্রথম প্রান্তিক মূল্যায়ন পরীক্ষা। ১ম ও ২য় শ্রেণীর ৫০ নম্বরের লিখিত (যা প্রশ্ন পত্রের উপরে উত্তর দিবে) এবং ৫০ নম্বরের ধারাবাহিক মূল্যায়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এতে করে শিশুরা নিজেকে যাচাই বা মূল্যায়ন করে পরবর্তী লেখাপড়ার উন্নয়ন সাধনে সচেষ্ট হবে। তাতে শিক্ষকদের পাঠদানের প্রতি আন্তরিকতা ও দায়িত্ব বৃদ্ধি পাবে। শিক্ষার্থীরা আনন্দচিত্তে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে এবং অভিভাবকগণ পরীক্ষা ব্যবস্থা ফিরে আসাতে সন্তুষ্ট প্রকাশ করছেন।

রূপসা উপজেলায় ৬৮ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। প্রান্তিক মূল্যায়নে প্রথম শ্রেণীতে ১৮৭৪ জন, দ্বিতীয় শ্রেণীতে ২০২৮ জন, তৃতীয় শ্রেণীতে ২১৩১ জন, চতুর্থ শ্রেণীতে ১৯১৯ জন এবং পঞ্চম শ্রেণীতে ১৭৩১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে।

শান্তি ও মানবতার কবি রবীন্দ্রনাথ দিনের রবীন্দ্র জয়ন্তী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মিজ্ সিফাত

//এম মুরশীদ আলী, খুলনা//

খুলনা বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মিজ্ সিফাত মেহনাজ বলেছেন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন শান্তি, মানবতা ও বিশ্বভ্রাতৃত্বের এক অনন্য প্রতীক। তাঁর জীবন ও সাহিত্য আজও মানবতার পথচলায় এক উজ্জ্বল আলোকবর্তিকা হয়ে জ্বলছে। রবীন্দ্রনাথ শুধু বাংলার কবি নন, তিনি ছিলেন বিশ্বমানবের কণ্ঠস্বর। তাঁর লেখনীর ছোঁয়ায় বাংলার মাটি, মানুষের সুখ-দুঃখ, প্রেম-বিরহ যেমন জীবন্ত হয়ে উঠেছে, তেমনি বিশ্বমানবতার চিরন্তন আহ্বানও প্রতিধ্বনিত হয়েছে।

শান্তি ও মানবতার কবি রবীন্দ্রনাথ দিনের রবীন্দ্র জয়ন্তী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মিজ্ সিফাত

তিনি বলেন, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাহিত্যকে কখনো নিছক বিনোদনের উপকরণ হিসেবে দেখেননি। তাঁর কলম সবসময় অন্যায়, অবিচার, হিংসা ও সংকীর্ণতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ভাষায় উচ্চারিত হয়েছে। মানুষের মুক্তচিন্তা, সাম্য ও সম্প্রীতির পক্ষে তিনি আজীবন ছিলেন সোচ্চার। তাঁর কবিতা, গান, গল্প ও প্রবন্ধে বারবার ফুটে উঠেছে মানুষের প্রতি গভীর মমত্ববোধ এবং এক শান্তিময় পৃথিবীর স্বপ্ন।

তিনি আরও বলেন, যুগ পেরিয়ে গেলেও রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টি আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। মানবিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের এই সময়ে তাঁর সাহিত্য নতুন প্রজন্মকে সত্য, সুন্দর ও মানবতার পথে চলার প্রেরণা জোগায়।

শান্তি ও মানবতার কবি রবীন্দ্রনাথ দিনের রবীন্দ্র জয়ন্তী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মিজ্ সিফাত

শুক্রবার (৮ মে) বিকালে রূপসা উপজেলার পিঠাভোগ রবীন্দ্র স্মৃতি সংগ্রহশালায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও খুলনা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে স্মারক বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক অধ্যাপক মোঃ আব্দুল মান্নান। তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্য মূলত মানবমুক্তির সাহিত্য। তাঁর প্রতিটি রচনা মানুষের অন্তরের অন্ধকার দূর করে আলোর পথ দেখায়। তিনি সবসময় অন্যায়, অবিচার, সংকীর্ণতা ও অমানবিকতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। তাঁর কবিতা, গান, গল্প ও প্রবন্ধে মানবতার জয়গান এবং বিশ্বশান্তির আহ্বান ধ্বনিত হয়েছে। ন্যায়, সত্য, সৌন্দর্য ও মানবতার পক্ষে আজীবন সংগ্রাম করায় তিনি আজও বিশ্বমানবতার এক অনন্য প্রতীক হিসেবে সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।

অনুষ্ঠানের আলোচ্য বিষয় ছিল শান্তি ও মানবতার কবি রবীন্দ্রনাথ।

খুলনা স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক মোঃ আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিকতা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রূপসা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, খুলনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার মোঃ মেহেদী হাসান,জান্নাতুন নাঈম, রূপসা থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক মীর, রূপসা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক,ঘাটভোগ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এসএম আঃ মালেক।

অনুষ্ঠানের শুরুতে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও মঙ্গলদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন অতিথিবৃন্দ।

সঞ্চালনা করেন মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন, মাধ্যমিক শিক্ষা দপ্তরের একাডেমিক সুপারভাইজার নিত্যানন্দ মন্ডল এবং সাংবাদিক কৃষ্ণ গোপাল সেন।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তরুন কুমার বালা, হিসাবরক্ষক মদন কুমার দাস, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তারেক ইকবাল আজিজ, সমাজসেবা কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম তরফদার, অধ্যক্ষ অজিত সরকার, হিল্লোল মুখার্জি, বিএনপি নেতা মিকাইল বিশ্বাস, রবী ঠাকুরের বংশধর গোপাল কুশারি, প্রধান শিক্ষক কৃষ্ণপদ রায়, রূপসা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শক্তিপদ বসু, প্রকৌশলী সুখেন রায়, মহিতোষ ভট্টাচার্য, সহকারী অধ্যাপক সুদীপ্ত কুমার মহলী, প্রধান শিক্ষক যশোমন্ত ধর, সহঃ অধ্যাপক পূর্নেন্দু মন্ডল, সঞ্জিব সরকার, পলাশ চন্দ্র রায়, অরুন কুশারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। আলোচনা সভা শেষে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।