খুলনার রূপসায় পৈত্রিক সম্পত্তি জাল দলিলে জবরদখল –  থানায় অভিযোগ

//এম মুরশীদ আলী, খুলনা//

রূপসায় জাল দলিল তৈরি করে পৈত্রিক সম্পত্তি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে। এব্যাপারে গত ২২ এপ্রিল রূপসা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ঘাটভোগের গোয়াড়ার বাসিন্দা অজিত কুমার বাগচী।

অজিত কুমার বাগচী অভিযোগে উল্লেখ করেন- তার চাচার কোনো পুত্র সন্তান না থাকায় তার পিতা এবং চাচার উভয় সম্পত্তির একমাত্র উত্তরাধিকারী তিনি। উল্লেখ্য- তার চাচাতো বোন শান্তি বালা ওরফে কালী তারা বালা নিঃসন্তান অবস্থায় স্বামীর ঘরে মৃত্যু হয়। এরপর শান্তি বালার স্বামী অশোক বালা সু-কৌশলে জাল দলিল তৈরির মাধ্যমে তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি জোরপূর্বক জবরদখল করছেন।

পরবর্তীতে অজিত বাগচী সম্পত্তি উদ্ধারের জন্যে আদালতে উচ্ছেদ মামলা করেন। বিবাদী অশোক বালা আদালতে উক্ত সম্পত্তির কোনো বৈধ কাগজ/দলিল দেখাতে পারেননি। তারপরও ঐ জমি জোরপূর্বক দখলে রেখেছেন।

বর্তমানে ওই জমিতে অজিত বাগচীর রোপণ করা পাকা-আধাপাকা ধান রয়েছে। এই ধান কাটতে বাধা দিলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ার আশঙ্কা করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঐ সম্পত্তি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।

বিবাদী অশোক বালার সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে পাওয়া যায়নী।

এ বিষয়ে রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন- তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আদালতে মামলা বিচারাধীন থাকলে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

শিক্ষামূলক কার্যক্রমই প্রাধান্য পাবে, কোনো রাজনৈতিক কার্যক্রম নয় – আজিজুল বারী হেলাল এমপি

//এম মুরশীদ আলী, খুলনা//

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। আধুনিক এই ভার্চুয়াল যুগে প্রবেশ করতে হলেও প্রথমে আমাদের পুঁথিগত শিক্ষায় সমৃদ্ধ হতে হবে। কারণ বই-ই আমাদের সঠিক জ্ঞান, মূল্যবোধ ও চিন্তাশক্তি গড়তে হবে। শুধু পরীক্ষার জন্য নয়, জীবনের জন্য শেখাই প্রকৃত শিক্ষা আর সেই শিক্ষার সবচেয়ে বড় মাধ্যম হচ্ছে বই। তাই সকল শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হবে জ্ঞান, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ গঠনের পবিত্র কেন্দ্র। সেখানে শিক্ষামূলক কার্যক্রমই প্রাধান্য পাবে, কোনো রাজনৈতিক কার্যক্রম নয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সর্বদা সার্বজনীন রাখতে হবে, যেখানে ধর্ম, বর্ণ, দলমত নির্বিশেষে সবার অধিকার সমানভাবে নিশ্চিত থাকবে।

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের বাংলাদেশের নির্মাতা। তোমাদের মধ্য থেকেই গড়ে উঠবে দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব। তাই এখন থেকেই নিজেদের সঠিকভাবে গড়ে তোলার চেষ্টা করতে হবে। নিয়মিত পড়াশোনা, শৃঙ্খলা, পরিশ্রম এবং নৈতিকতার সমন্বয়েই একজন সত্যিকারের মানুষ তৈরি হয়। তাই তোমাদের মাদক, সন্ত্রাস ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে থেকে নিজেদের লক্ষ্য স্থির রেখে এগিয়ে চলতে হবে, তাহলেই তোমাদের কাছে সফলতা অবশ্যই ধরা দেবে। তোমরাই একদিন সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দেশের উন্নয়ন, মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং একটি সমৃদ্ধ জাতি গঠনের দায়িত্ব তোমাদের কাঁধেই বর্তাবে। তাই দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষা অর্জনের পাশাপাশি ভালো মানুষ হওয়াটাই জীবনের সবচেয়ে বড় সাফল্য এই চেতনাই তোমাদের সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

এসময় তিনি সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, আপনারা আমাকে ভোটের মাধ্যমে যে সম্মান ও ভালোবাসা দিয়েছেন, তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। এই ভালোবাসা ও আস্থার প্রতিদান দিতে আমি সবসময় আপনাদের পাশে থাকতে চাই। আপনাদের উন্নয়ন, এলাকার অগ্রগতি এবং মানুষের কল্যাণেই আমার সকল প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। আপনাদের সহযোগিতা ও দোয়া থাকলে আমি ভবিষ্যতেও আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করে যেতে পারবো।

তিনি গত ১৭ এপ্রিল সকালে রূপসা উপজেলার নৈহাটী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠান, এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা, পুরষ্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি বক্তৃতা করেন- রূপসা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এস এ আনোয়ার উল কুদ্দুস, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোল্যা সাইফুর রহমান।

নৈহাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সঞ্জিব সরকারের সভাপত্বিত্বে ও অত্র বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি, খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোল্যা খায়রুল ইসলামের পরিচালনায় আমন্ত্রিত অতিথির বক্তৃতা করেন- খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এনামুল হক সজল,রূপসা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক, খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক আতাউর রহমান রুনু, বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হারুন অর রশীদ, খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য আনিসুর রহমান বিশ্বাস, আরিফুর রহমান আরিফ, মোল্যা রিয়াজুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক বিকাশ মিত্র, বিএনপি নেতা মহিউদ্দিন মিন্টু, দিদারুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে সন্মানিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল, প্রকৌশলী সুখেন রায়,মোঃ শরিফুল ইসলাম, গোলাম মোস্তফা হেলাল,মোঃ মোজাফফর হোসেন,লিয়াকত আলী।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ আতাউর রহমান ফকির, প্রধান শিক্ষক হায়দার আলী,উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক রয়েল আজম,রবিউল ইসলাম রবি,মিকাইল বিশ্বাস, এ্যাড মোস্তাফিজুর রহমান,শিক্ষক তাপস ভট্টাচার্য,মোঃ হযরত আলী, মোঃ মঞ্জুরুল ইসলাম, সেহেলি নাসরিন,সুচিত্রা দাস, মোঃ জামাল উদ্দীন, উত্তম কুমার চ্যাটার্জী, সৌমেন দেবনাথ, সরজিত মন্ডল, প্রবীর দেবনাথ, আমেনা পারভিন,খুলনা জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক তানভির আহম্মেদ সুমন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা  আসাদুজ্জামান বিপ্লব, জাহিদুল ইসলাম রবি,  জেলা স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা রেজাউল ইসলাম রেজা, নয়ন মোড়ল,যুবদল নেতা শাহজামান প্রিন্স, বশির হায়দার পল্টু, রাজু দাস, মিকাইল হোসেন,অন্তর হোসেন মাসুম,মো: রয়েল,রহিমা আক্তার নয়ন প্রমূখ।

এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতেই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠান লগ্ম থেকে যারা অবদান রেখেছেন এবং প্রয়াত হয়েছেন তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় একমিনিট নীরবতা পালন করে দোয়া মোনাজাত করা হয়। এরপর এমপি আজিজুল বারী হেলাল তেরোখাদা উপজেলায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন।

হাম রুবেলা টিকার আওতায় রূপসায় ২১২০৫ জন শিশুর মধ্যে প্রথমদিন নিল ৭৬৪ জন

//এম মুরশীদ আলী//

হামের প্রাদুর্ভাব রোধে জরুরী হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত, অর্থাৎ ৩ সপ্তাহ ব্যাপী কার্যক্রম সকাল ৮ থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত চলমান থাকবে। রূপসায় ২১২০৫ জন শিশুর মধ্যে প্রথমদিন টিকা নিল ৭৬৪ জন শিশু।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স তথ্য অনুযায়ী, সমগ্র রূপসা উপজেলার ৫ ইউনিয়নের মধ্যে শিশুদের জরুরি হাম রুবেলা টিকা বিনামূল্যে দিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১টি স্থায়ী কেন্দ্র ব্যতীত প্রতি ইউনিয়নে ২৪ টি করে অস্থায়ী কেন্দ্র করা হয়েছে। তাছাড়া, প্রাক-প্রাথমিক প্লে, নার্সারি ও ইবতেদায়ীর শিশুদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দেওয়া হবে। এ সকল টিকাদান ক্যাম্পেইনে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কমবয়সী শিশুরা টিকা কর্মসূচির আওতায় থাকবে। রূপসায় মোট- শিশু ২১ হাজার ২ শত ৫ জন। তারমধ্যে ছেলে ১০ হাজার ৬ শত ৬১ জন এবং মেয়ে শিশু ১০ হাজার ৫ শত ৪৪ জন।

চিকিৎসকরা জানান- শিশুদের জন্য সবচেয়ে বেশি সচেতন হতে হবে অভিভাবকদের। শিশুকে টিকা দেয়ার পাশাপাশি নিশ্চিত করতে হবে পুষ্টিকর খাবারের। হাম হলে ভয় বা আতঙ্কিত না হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। দেশব্যাপী হামের প্রাদুর্ভাব কমাতে প্রতিটি-শিশুর জন্য হাম রুবেলা টিকা সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্য কর্মীদ্বারা প্রদান করা হচ্ছে। অভিভাবকগণ নিশ্চিন্তায় বাচ্চাকে টিকা দিতে পরামর্শ প্রদান করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থায়ী কেন্দ্র-১টি  ব্যতীত ইউনিয়ন পর্যায়ে অস্থায়ী কেন্দ্র ১২০ টিতে টিকাদান কার্যক্রম চলবে।

আঞ্জুমান দলিল হারুন স্বাস্থ্য সেবা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের তদরকি কমিটি পুণঃগঠন ও সেবা সমূহ

 //এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম ঢাকা অফিস কর্তৃক পরিচালিত আঞ্জুমান দলিল হারুন স্বাস্থ্য সেবা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের তদরকি কমিটি ৯ সদস্য বিশিষ্ট পুণঃগঠন করা হয়েছে।

রূপসা আঞ্জুমান সম্পর্কে জানা যায়, খুলনা জেলা-রূপসার ইলাইপুর গ্ৰামের কৃতি সন্তান মরহুম এসএম দলিল উদ্দিনের পূত্র এসএম হারুনার রশিদ (যুগ্ম-সচিব, অবসরপ্রাপ্ত)। তাঁর নিজ এলাকার জনসাধারণের সেবা দান ও নানান সুবিধার কথা বিবেচনা করে রূপসার ইলাইপুর এলাকায় দলিল উদ্দিন সড়কের পাশে ২ বিঘা জমি সহ পাকা ভবন আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম সংস্থায় দান করে দেন। সেখানে- আঞ্জুমান ঢাকা হেড অফিস হইতে রূপসায় উক্ত সংস্থার নামকরণ করা হয় আঞ্জুমান দলিল হারুন স্বাস্থ্য সেবা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।

এরপর থেকে এ কেন্দ্রটিতে একেরপর এক জনসেবা ও প্রশিক্ষণ সেবা পরিচালিত হয়ে আসছে। যেমন- প্রতি শনিবার বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা সহ ঔষধ বিনামূল্যে বিতরণ করেছে সংস্থাটি। প্রতিমাসে প্রায় ২০০ জন রোগী চিকিৎসা সেবা নেয়। এছাড়াও এলাকার অসহায় নাজুক মহিলা ও পুরুষ রোগীর মধ্যে সপ্তাহে ৩ দিন অর্থাৎ রবিবার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার ”প্রশিক্ষিত থেরাপিষ্ট” দ্বারা ফিজিওথেরাপী সেবা বিনামূল্যে প্রদান করা হয়। এ ধরনের অসুস্থ রোগী প্রতিদিন প্রায় ৫০ জন থেরাপী সেবা নিতে আসেন।

তাছাড়া উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মেলাতে বাংলাদেশের গ্ৰাম অঞ্চলের মানুষেরা যাতে কোনোভাবেই পিছিয়ে না পড়ে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে পারে, সেদিক বিবেচনা করে নারীদের ক্ষমতায়ন ও সাবলম্বী করতে ২৬ সালের ১ জানুয়ারী হইতে আরো ২টি নতুন প্রকল্প যুক্ত করা হয়েছে। এখানে- বিবাহিত নারী ও মেয়েরা বিনামুল্যে ৩ মাসের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ক্লাসে ২০ জন শিক্ষার্থী কম্পিউটার প্রশিক্ষিত করা হচ্ছে।

আঞ্জুমান দলিল হারুন স্বাস্থ্য সেবা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করার লক্ষ্যে আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম এর দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক, ড. মো. ফয়জুর রহমান ফারুকী কর্তৃক স্বাক্ষরিত ৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ২৬ সালের ৪ এপ্রিল পূণ:গঠন করা হয়েছে।

উক্ত তদারকি কমিটিতে আহ্বায়ক- এডভোকেট মো. সফিউল আলম সুজন, যুগ্ম-আহ্বায়ক- মো. মিজানুর রহমান ডিকেন (সমাজ সেবক), কোষাধক্ষ্য- শাহ আব্দুল হাই কচি (সাবেক অডিটর), সদস্য- মো. হায়দার আলী (প্রধান শিক্ষক- সামসুর রহমান হাইস্কুল), এম এ আজিম (সাংবাদিক), এম মুরশীদ আলী (সাংবাদিক), এস এম মিজানুর রহমান (সমাজ সেবক), গোলাম রসুল (সমাজ সেবক) এবং সদস্য সচিব- এস এম আরিফুল ইসলাম রিপন (নিউজ এডিটর, খুলনার বাণী) এর নাম প্রকাশ করেছেন আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম এর দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক।

রূপসায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহে কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

“উদ্ভাবন নির্ভর বাংলাদেশ গঠনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি”। এ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ রূপসায় সম্পন্ন। ১০ম বিজ্ঞান বিষয়ক কুইজ ও ১০ম বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড প্রতিযোগিতা গত ৮ ও ৯ এপ্রিল উপজেলা প্রশাসন আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দিনব্যাপী মেলার উদ্বোধন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিক্তা স্টল পরিদর্শনের সময় মেলায় অংশগ্রহণ স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা নিজেদের উদ্ভাবিত ধারণা সম্পর্কে দর্শনার্থীদের বিস্তারিত বর্ণনা দেন। শিক্ষার্থীরা মেলার মাধ্যমে বর্তমান সামাজিক উন্নয়নে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিভিন্ন মডেল তুলে ধরেছে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ মেলায় ৪টি মাধ্যমিক (জুনিয়র) এবং ৫টি কলেজ (সিনিয়র) হিসেবে স্টলে অংশগ্রহণ করেছে। যথাক্রমে- উপজেলা সদর কাজদিয়া সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় (জুনিয়র), কাজদিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, বেলফুলিয়া ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, নৈহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, তাছাড়া- কাজদিয়া সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় (সিনিয়র), রূপসা সরকারি কলেজ, রূপসা কলেজ, সৈয়দ আরশাদ আলী এন্ড ছবুরোননেছা গার্লস কলেজ, চাঁদপুর কলেজ প্রমূখ।

স্টল পরিদর্শন ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এস.এ আনোয়ার উল কুদ্দুস, এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন- সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. আহসান হাবীব প্রামাণিক, উপজেলা প্রকৌশলী শোভন সরকার, সহকারী প্রোগ্রামার মো. ইমরান হোসেন।

একাডেমিক সুপারভাইজার নিত্যানন্দ মন্ডল এর পরিচালনায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়।

রূপসায় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবসের র‍্যালি ও মহড়া অনুষ্ঠিত

//এম মুরশীদ আলী, খুলনা//

জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবসের র‍্যালি শেষে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মোহড়ায় প্রদর্শনীর মাধ্যমে দেখানো হয়- হঠাৎ ঘরে আগুন, গ্যাসের সিলিন্ডারে আগুন দেখে ভীত না হয়ে তাৎক্ষণিক আগুন নিভিয়ে রক্ষা পাওয়ার উপায়। এ প্রদর্শনী গত ১০ মার্চ সকাল ১১টায় রূপসা উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়। এসময় দুর্যোগ বিষয়ক লিফলেট বিতরণ করা হয়। উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা দুর্যোগ মোকাবেলার বিভিন্ন কৌশল সম্পর্কে ধারণা ও  প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিকতা। বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইফতেখারুল ইসলাম শামীম।

রূপসা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শেখ মো. বোরহানউদ্দিনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তরুন কুমার বালা, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. আহসান হাবীব প্রামাণিক, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএ আনোয়ারুল কুদ্দুস, খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা আশরাফুজ্জামান, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মাসুদ রানা, সহকারী পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সুমন মল্লিক, টিএসবি ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আছাফুর রহমান, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মনিরুল ইসলাম, সাবেক জেলা বিএনপি নেতা ও সাংবাদিক জিএম আসাদুজ্জামান, জেজেএস-এর ক্লাইমেট চেঞ্জ এডুকেটর তানিয়া ইসলাম, অঞ্জনা বসুসহ শিক্ষার্থী, স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় জনগণ। কর্মসূচিতে সহযোগিতা করে জেজেএস (JJS) খুলনা।

সমাজের প্রতিটি মানুষকে নিজ অবস্থান থেকে অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকতে হবে …… রূপসায় ডিআইজি রেজাউল হক পিপিএম

//এম মুরশীদ আলী, খুলনা//

খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল হক পিপিএম বলেছেন, অপরাধ দমনে পুলিশের পাশাপাশি সাধারণ জনগণকেও সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।সমাজের প্রতিটি মানুষ যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকে, তাহলে অপরাধ অনেকাংশেই কমিয়ে আনা সম্ভব। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের একার পক্ষে সব কিছু করা সম্ভব নয়, এজন্য জনসাধারণের সক্রিয় সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি।

সমাজের প্রতিটি মানুষকে নিজ অবস্থান থেকে অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকতে হবে ...... রূপসায় ডিআইজি রেজাউল হক পিপিএম

তিনি বলেন মাদক, সন্ত্রাস, চুরি, ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশ নিয়মিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তবে সমাজের মানুষ যদি কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য পায়, তাহলে তা দ্রুত পুলিশকে জানালে অপরাধ দমনে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হবে। মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলাই পুলিশের প্রধান লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন, পুলিশ সব সময় জনগণের পাশে রয়েছে এবং জনগণের আস্থা ও সহযোগিতা পেলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে।

তিনি অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, সন্তানদের প্রতি নজরদারি বাড়াতে হবে, যাতে তারা মাদক, সন্ত্রাস বা কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে। পাশাপাশি তরুণ সমাজকে ভালো কাজে সম্পৃক্ত করার জন্য সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে এগিয়ে আসারও আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় তিনি সবাইকে আইন মেনে চলার পাশাপাশি অপরাধের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

তিনি আজ ৮ মার্চ (রবিবার) দুপুরে পূর্ব রূপসা ঘাট বাসটার্মিনাল এলাকায় রূপসা থানা পুলিশ আয়োজিত অপরাধ নিয়ন্ত্রণকল্পে সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা রেঞ্জের অ্যাডিশনাল ডিআইজি (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ফিন্যান্স) তোফায়েল আহাম্মেদ, খুলনা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ক্রাইম এন্ড অপস্ আনিসুজ্জামান, খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের সহকারী পুলিশ সুপার (স্টাফ অফিসার টু ডিআইজি) মোঃ রাফিউর রহমান, খুলনা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ-সার্কেল সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তৃতা করেন রূপসা থানা অফিসার ইনচার্জ আবদুর রাজ্জাক মীর।

রূপসা থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ আব্দুস সবুর খানের সঞ্চালনায় বক্তৃতা করেন-

খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, জিএম কামরুজ্জামান টুকু, এনামুল হক সজল, জেলা বিএনপির সদস্য শেখ আঃ রশিদ, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোল্যা সাইফুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য মোল্যা রিয়াজুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আমির মাওলানা লবিবুল ইসলাম, সেক্রেটারি মাওলানা হাবিবুল্লাহ ইমন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক বিকাশ মিত্র প্রমূখ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা ইলিয়াজ হোসেন, এসএম আঃ মালেক, মহিউদ্দিন মিন্টু, দিদারুল ইসলাম, আজিজুর রহমান,বাদশা জমাদ্দার, ফিরোজ মাহমুদ, জামায়াতে ইসলামী নেতা সহকারী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান, মাওলানা জাহাঙ্গীর হোসেন, মাওলানা হেকমত আলী, মো. নাজিমুদ্দিন, সাইফুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, শাহ জামান প্রিন্স, ফরহাদ হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নেতা সেলিম সরদার, শফিকুল ইসলাম, মুফতি হেলালউদ্দিন, ইকরামুল হক, মাওলানা আলামিন শেখ, মো. হাজী ইকরাম, থানা পুলিশের মধ্যে এসআই রজত কুমার মন্ডল, নাজমুল হাসান, আশরাফ হোসেন, লাইজু সহ পুলিশ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

খুলনার রূপসায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস ও সম্মাননা প্রদান

//এম মুরশীদ আলী, খুলনা//

আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায় বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী কন্যার অধিকার প্রতিপাদ্য সামনে রেখে

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান  মার্চ সকালে রূপসা উপজেলা অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

 আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন রূপসা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: ইফতেখারুল ইসলাম শামীম।

 উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তরুন কুমার বালা সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন–  মেডিকেল অফিসার ডা: আলামিন, উপজলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএ আনোয়ার উল কুদ্দুস।

 আলোচনা সভায় আন্তর্জাতিক নারী দিবসের বিষাদ আলোচনা করেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন। তিনি বলেনআন্তর্জাতিক নারী দিবস নারীর অধিকার, সম্মান সমতার দাবি বিশ্বব্যাপী তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। এই দিবস আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, নারী কন্যাশিশুর নিরাপত্তা, ক্ষমতায়ন এবং বৈষম্য দূরীকরণে সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। একটি ন্যায়ভিত্তিক উন্নত সমাজ গড়ে তুলতে নারীর সমান অধিকার, মর্যাদা নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নারীর শিক্ষা, কর্মসংস্থান সামাজিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পেলেই দেশের সার্বিক উন্নয়ন হবে।

 বক্তৃতা করেন রূপসা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শেখ মোঃ বোরহানউদ্দিন, সমাজসেবা কর্মকর্তা মো: রাকিবুল ইসলাম তরফাদার, ইউআরসি ইনসট্রাক্টর এহতেশামুল হক, সহকারী পরিবার পরিকল্পনা সুমন মল্লিক, ব্রাক এরিয়া ম্যানেজার অসীম কুমার দাস, ইসলামী রিলিফ বাংলাদেশ উপজেলা ইনচার্জ মো. জাকারিয়া, উদ্যোক্তা মিতালী পাল, খালেদা বেগম, রিক্তা বেগম, রশিদা বেগম, নাসিমা বেগম, খাদিজা বেগম, কর্মজীবী নারী সংস্থার প্রজেক্ট অফিসার রুবেল আহমেদ, ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর রাজিব সাহা এবং রুমানা খাতুন প্রমূখ।

অনুষ্ঠান শেষে উদ্যোক্তা মিতালি পালকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

বিএনপি সরকার দেশকে মাদক-সন্ত্রাস-দূর্নীতি মুক্ত করতে বদ্ধ পরিকর—- আজিজুল বারি হেলাল এমপি

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা, খুলনা//

খুলনা-৪ আসনে নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য আজিজুল বারি হেলাল বলেছেন মাদক, সন্ত্রাস দূর্নীতি প্রতিরোধে বর্তমান সরকার দৃড় পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে। মব সন্ত্রাস করে পরের জমি দখল, চাঁদাবাজি করে যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনী পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে। এদেশের মানুষ যাতে সুখী, সমৃদ্ধ ও নিরাপদে বসবাস করতে পারে তার যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। তিনি বলেন নির্বাচন পর পরবর্তী সময়ে এক স্বার্থান্বেষী মহল দেশে বিশৃঙ্খলা এবং অরাজকতা সৃষ্টির লক্ষ্যে অশুভ পায়তারা করছে। তাদের এ অশুভ কর্মকান্ড দমনে নব গঠিত বিএনপি সরকার কঠোর হস্তে দমন করবে। মাদক সম্পর্কে তিনি বলেন খুলনা-৪ আসন এলাকায় মাদক ক্রয় বিক্রয় বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সে রয়েছে প্রশাসন। মাদক ক্রয় বিক্রেতা বা সন্ত্রাসী ব্যক্তি কোনো দলের হতে পারে না। এ অশুভ কাজে যারাই সহযোগিতা বা আশ্রয় প্রদান করবে তাদের বিরুদ্ধেও বিএনপি সরকার পদক্ষেপ গ্রহন করবে। তিনি সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য বলেন প্রজাতন্ত্রের কাজ সুষ্ঠু দূর্নীতিমুক্ত এবং জনবান্ধন করতে যত রকমের পদক্ষেপ গ্রহন করা দরকার তা সবই বর্তমান সরকার ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করবে। এ কারনে সকল কর্মকর্তাকে দল মতের উর্ধ্বে থেকে দূর্নীতিকে প্রশ্রয় না দিয়ে দেশের ভঙ্গুর অবকাঠামোগত উন্নয়নে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি গত ২৬ ফেব্রুয়ারী দুপুরে রূপসা উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

এরপূর্বে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেছেন।

 

সভায় সভাপতিত্ব করেন রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিকতা।

এসময় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, রূপসা থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক মীর,প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ড. আহসান হাবীব প্রামাণিক, কৃষি কর্মকর্তা তরুন কুমার বালা, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মাজেদুল হক কাউসার, মৎস্য কর্মকর্তা জ্যোতি কনা দাস, উপজেলা প্রকৌশলী শোভন সরকার, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএ আনোয়ার উল কুদ্দস, নির্বাচন কর্মকর্তা আঃ সাত্তার, শিক্ষা কর্মকর্তা মুহা: আবুল কাশেম, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তারেক ইকবাল আজিজ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শেখ মোঃ বোরহান উদ্দীন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মোঃ রাসেল, সমাজসেবা কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম তরফদার, হিসাব রক্ষন কর্মকর্তা মদন কুমার দাস, সহকারী প্রোগ্রামার ইমরান হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন, পল্লী বিদ্যুৎ এজিএম এম হালিম খান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ বজলুর রহমান, খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মো. আশরাফুজ্জামান, সমবায় কর্মকর্তা মো. ফরিদ আহম্মেদ, আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ, কাজদিয়া সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অজিত সরকার, রূপসা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক  মোল্যা সাইফুর রহমান,রূপসা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা লবিলুল ইসলাম, ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আছাফুর রহমান, জিয়াউল ইসলাম বিশ্বাস, মাসুম বিল্লাহ, ইলিয়াছুর রহমান, আজিজুল ইসলাম নন্দু, বীরমুক্তিযোদ্ধা হাসান মাহমুদ প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

 

এছাড়া নেতাকর্মীদের মধ্য উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক জুলফিকার আলী জুলু, মোল্যা খায়রুল ইসলাম, জিএম কামরুজ্জামান টুকু, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক আতাউর রহমান রুনু, জেলা বিএনপির সদস্য আনিসুজ্জামান বিশ্বাস, আরিফুর রহমান, মোল্যা রিয়াজুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক বিকাশ মিত্র, যুগ্ম আহবায়ক আবুল কালাম গোলদার, হুমায়ূন কবীর, বিএনপি নেতা এসএম আঃ মালেক, খান আনোয়ার হোসেন, মহিউদ্দিন মিন্টু, মিকাইল বিশ্বাস, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রেজাউল ইসলাম রেজা, যুব মহিলা দল নেত্রী শারমিন আক্তার আখি, খন্দকার শরিফুল ইসলাম, সৈয়দ নিয়ামত আলী, বাদশা জমাদ্দার, জিএম আসাদুজ্জামান, আসাদুজ্জামান বিপ্লব, মাসুম বিল্লাহ, মুন্না সরদার, খান আলিম হাসান, মাসুদ খান, সাইফুল ইসলাম পাইক, ফিরোজ মাহমুদ, জাহিদুল ইসলাম রবি, আরিফ মোল্যা,  মিশকাত মোল্যা, মোকাররম হোসেন, শাহ জামান প্রিন্স, তরিকুল ইসলাম রিপন, সরদার শিহাবুল ইসলাম, ইসরাইল বাবু, এসএম আবু সাঈদ, খায়রুল আলম খোকন, কামরুজ্জামান নান্টু, জহিরুল হক শারাদ, বিউটি পারভিন, মাঈনুল হাসান, ওলিয়ার রহমান, হাফিজুর রহমান, ফরহাদ হোসেন, জাহিদ হোসেন, আকতার শেখ, শাহাজাদা আলমগীর, ফারুক আহম্মেদ, সফর কাজী, ইব্রাহিম শেখ, গোলাম রসুল, জাহিদুর রহমান, মুস্তাহিন শেখ প্রমূখ।

খুলনার রূপসায় একাধিক অবৈধ কয়লার চুল্লি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

//এম মুরশীদ আলী, খুলনা//

অসাধু ব্যবসায়ীরা রূপসার বিভিন্ন গ্ৰামে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে গড়ে তুলেছে কাঠ পুঁড়িয়ে কয়লার অবৈধ রমরমা ব্যবসা। অবশেষে গুড়িয়ে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। দীর্ঘদিন ধরে বিষাক্ত ধোঁয়া ও বায়ু দূষণে জর্জরিত স্থানীয় জনতা ধৈয্যের বাঁধ ভেঙে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০ টার দিকে উপজেলা প্রশাসন নির্দেশে ফায়ার সার্ভিস টীম ও থানা পুলিশ উপস্থিতিতে সামন্তসেনা ও দেবীপুরে এলাকায় কাঠ পুঁড়িয়ে কয়লা উৎপাদনের ৯ টি অবৈধ চুল্লি ধ্বংস করে দেয়।

ক্ষতিগ্রস্ত বসতিরা জানান- এখানে অসংখ্য বসতিদের ফলজ ও বনজ গাছ এবং পানের বরোজের পাশে খামখেয়ালি ভাবে চুল্লি স্থাপন করাতে উচ্চ তাপদাহে ক্ষতির সম্মুখীন। তাছাড়া আঠারোবেকী নদীর তীর ঘেঁষে গড়ে ওঠা চুল্লি এলাকায় লোক সমাগম কম থাকায় মাদক সেবন ও বেচাকেনার নিরাপদ স্থান হিসেবে বেছে নিয়েছে মাদক কারবারি রা। এ সকল ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইফতেখারুল ইসলাম শামীম এর নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা হয়। তিনি জানান- কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এ ধরণের ক্ষতিকর অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য ও জীব বৈচিত্রের ওপর চাপের সৃষ্টি হয়। চুল্লির আগুনের তাপ ও কালো ধোঁয়ায় বসতিদের স্বাস্থ্যের ক্ষতি। যে কারণে এ অবৈধ চুল্লি একেবারেই পানি মেরে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরো জানান, রূপসার নৈহাটি, শ্রীফলতলা, টিএসবি ও ঘাটভোগ ইউনিয়ন এলাকায় অসংখ্য অবৈধ চুল্লির খবর পেয়েছি সেগুলিও অভিযান চালিয়ে নষ্ট করা হবে।