বাগেরহাটের রামপালে র‌্যাবের ভ্রাম্যমান আদালতে ডায়াগনস্টিক সেন্টারসহ ২ চিকিৎসককে জরিমানা

বাগেরহাটের রামপালে দুই চিকিৎসক এবং এক ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা করেছেন র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকেলে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, ভঙ্গুর অবকাঠামো এবং লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ থাকার অপরাধে রামপাল উপজেলার ফয়লাহাটে নিউ এপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

আইন বহির্ভূতভাবে নামের পিছনে ডাক্তার লেখা ও ইখতিয়ার বহির্ভূত প্র্যাকটিস করার অপরাধে কামরুন নাহার মাহফুজা নামের এক মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্টকে ১০ হাজার এবং মা মেডিকেল হলের প্রোপাইটর মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট নারায়ণ চন্দ্র মণ্ডলকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বাগেরহাটের রামপালে র‌্যাবের ভ্রাম্যমান আদালতে ডায়াগনস্টিক সেন্টারসহ ২ চিকিৎসককে জরিমানা

র‌্যাবের সহযোগিতায় বাগেরহাট জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার আজিজুল কবির ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক হিসেবে এই অর্থ দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

দণ্ডাদেশ প্রাপ্ত চিকিৎসক কামরুন নাহার মাহফুজা নিউ এপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট হয়ে ডাক্তার লিখে প্রচার-প্রচারণা, জটিল রোগ দেখা ও নিয়ম বহির্ভূত পরামর্শ প্রদানের অপরাধে র‌্যাব-৬ এর সদস্যরা এই নারী চিকিৎসক ও

মা মেডিকেল হলের প্রোপাইটর মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট নারায়ণ চন্দ্র মণ্ডলকে আটক করে র‌্যাব সদস্যরা।

অন্যদিকে নিউ এপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক মো. মানছুর গা ঢাকা দেওয়ায় তার স্ত্রী হাবিবা সুলতানাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। র‌্যাবের অভিযানের সময় বাগেরহাট সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. সুব্রত কুমার দাস উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, জরিমানার আওতায় আনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি কোনো প্রকার নিয়ম কানুন না মেনে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। একটি কক্ষকে রান্না ঘর ও পরীক্ষাগার হিসেবে ব্যবহার করা হত। সেন্টারে একটি এক্সরে মেশিন থাকলেও মেশিনটি খুবই পুরাতন ও ভঙ্গুর। ১০ ইঞ্চি পুরু দেওয়াল ও এক দরজা বিশিষ্ট কক্ষে এক্সরে মেশিন রাখার কথা থাকলেও কক্ষটির অবস্থা অনেক খারাপ।

দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত দুই চিকিৎসক দীর্ঘদিন ধরে নিয়ম বহির্ভূতভাবে প্র্যাকটিস করে আসছিল। চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগীদের ঠকিয়ে আসছিল। ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও দুই চিকিৎসককে জরিমানার পাশাপাশি সতর্ক করা হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক বাগেরহাট জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার আজিজুল কবির বলেন, ভোক্তা অধিকার আইন-২০০৯ এর ৫২ ধারা মোতাবেক দুইজন চিকিৎসকে ৬০ হাজার টাকা এবং একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

র‌্যাব-৬ এর কর্মকর্তা পুলিশ সুপার আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম বলেন, জন মানুষের সুস্বাস্থ্য রক্ষার জন্য র‌্যাব বদ্ধ পরিকর। এর অংশ হিসেবে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রামপাল উপজেলার ফয়লাহাট বাজারস্থ নিউ এপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালানো হয়। সেখানে নানা অব্যবস্থাপনা ও লাইসেন্স না থাকার মত অপরাধ পাওয়া যায়।

এছাড়া দুইজন চিকিৎসককে প্রতারণার আশ্রয় গ্রহণ করে সেবা নিতে আসা রোগীদের ঠকানোর অপরাধের প্রমাণ পাওয়া যায়। এসব অপরাধে চিকিৎসক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে। র‌্যাব-৬ এর এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

এ এইচ নান্টূ, বিশেষ প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ঝালকাঠিতে লঞ্চে ভয়াবহ আগুন, ৩৯ লাশ উদ্ধার

 

মেয়র শাহনেওয়াজ শাহানশাহ গ্রেফতার

//অনলাইন নিউজ//

শিক্ষা কর্মকর্তাকে থাপ্পড় দেওয়ার ঘটনায় আলোচিত জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো. শাহনেওয়াজ শাহানশাহকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

রাজধানীর উত্তরার একটি হোটেল থেকে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকালে উত্তরা-৬ নম্বর সেক্টরের হোটেল ডি মেরিডিয়ানে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গত ১৬ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়েছিলেন মেয়র শাহানশাহ। ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য মাইকে প্রশাসন ও বিভিন্ন সংগঠনের নাম ঘোষণা করছিলেন শিক্ষা কর্মকর্তা মেহের উল্লাহ।

তার অভিযোগ, পৌরসভার নাম ঘোষণায় দেরি হওয়ায় মেয়র তাকে গালাগাল দেন এবং থাপ্পড় মারেন।

তবে শাহনেওয়াজ শাহানশাহর ভাষ্য, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়েছে; থাপ্পড় মারার অভিযোগ কাল্পনিক ও মনগড়া।

এ ঘটনার পর পৌর মেয়র শাহনেওয়াজ শাহানশাহ সমালোচিত হলে তাকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

এর পর গত মঙ্গলবার শাহনেওয়াজ শাহানশাহকে সাময়িক বরখাস্ত করে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

 

 নিষিদ্ধ হল এয়ারগান বহন বা ব্যবহার

//নিজস্ব প্রতিবেদক// 
পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দেশের জীববৈচিত্র্য, পাখি ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এয়ারগান বহন বা ব্যবহার।

সোমবার রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।

মন্ত্রণালয়ের উপসচিব দীপক কুমার চক্রবর্তীর সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০১২ এর ৪৯ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতা বলে এয়ারগান ব্যবহার বা বহন নিষিদ্ধ করা হলো।

এক্ষেত্রে শর্ত পরিপালনের বিষয়েও উল্লেখ করা হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।

শর্ত অনুযায়ী জাতীয় শুটিং ফেডারেশনের নিবন্ধিত শুটিং ক্লাব ও বনাঞ্চল সন্নিহিত এলাকায় বসবাসকারী জনগোষ্ঠী তাদের নিরাপত্তা, দৈনন্দিন প্রয়োজন ও সামাজিক প্রথার কারণে নিষেধাজ্ঞার আওতার বহির্ভূত থাকবে।

২০১২ আইনের আওতায় বন্যপ্রাণী শিকার নিষিদ্ধ করা হযেছিল।

কিন্তু এয়ারগান বহন বা কেনার ক্ষেত্রে কোনো নিয়ম না থাকায় অনেকেই এ অস্ত্র কিনছে। এ ছাড়াও এ অস্ত্র ব্যবসার ওপর কোনো নজরদারি নেই।

নোয়াখালী নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন: ১৩ আসামির দশ বছরের দণ্ড

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনায় ১৩ আসামিকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে প্রতিজনকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

ঘটনার এক বছর পর মঙ্গলবার বেলা ১২টায় নোয়াখালীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক জয়নাল আবেদীন এ রায় ঘোষণা করেন।

এসময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন, আসামি নুর হোসেন বাদল, আবদুর রহিম, আবুল কালাম, ইসরাফিল হোসেন মিয়া, মাঈন উদ্দিন সাজু, সামছুদ্দিন সুমন কন্ট্রাকটর, নুর হোসেন রাসেল, আনোয়ার হোসেন সোহাগ ও দেলোয়ার হোসেন দেলু ।

মামলার চার আসামি পলাতক রয়েছে এখনও। তারা হচ্ছেন, আবদুর রব চৌধুরী, মোস্তাফিজুর রহমান, জামাল উদ্দিন ও মিজানুর রহমান তারেক।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ লাবলু। বাদী পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোল্লা হাবিবুর রসুল মামুন ও আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন বাদল।

অ্যাড. মামুনুর রশীদ লাবলু বলেন, এ মামলায় মোট ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে ইতোমধ্যে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে পিবিআই। অভিযুক্তদের মধ্যে ৯ আসামিকে আদালতে আনা হয়েছে। অপর চারজন পলাতক রয়েছে। গত এক বছর আদালত বাদীসহ ৪০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ২০২০ সালে বেগমগঞ্জের একলাশপুর ইউনিয়নের জয়কৃষ্ণপুর গ্রামের স্থানীয় সন্ত্রাসী দেলোয়ার বাহিনী স্বামীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে ওই নারীকে ধর্ষণচেষ্টা করে। এতে ব্যর্থ হয়ে নারীকে বিবস্ত্র করে প্রহার করে এবং সেই দৃশ্য মোবাইলফোনে ধারণ করেন অভিযুক্তরা।

আহত ওই নারী চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে জেলা সদরে তার বোনের বাসায় পালিয়ে যান। সেখানে গিয়েও অভিযুক্তরা তার কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং তাদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব দেন। এতে রাজি না হওয়ায় আগের ধারণ করা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া হয়।

এ ঘটনার পর সন্ত্রাসীদের ভয়ে পালিয়ে বেড়ানো ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে পুলিশ। পরে এ ঘটনায় বেগমগঞ্জ মডেল থানায় ধর্ষণ, নির্যাতন এবং পর্নোগ্রাফি আইনে তিনটি মামলা করেন ওই গৃহবধূ। এর মধ্যে ৪ অক্টোবর ধর্ষণের মামলায় দেলোয়ার ও আবুল কালামের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় আদালত।

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

 শক্তিশালী ভূমিকম্প ইন্দোনেশিয়ায়, সুনামি সতর্কতা

‘মিস ইউনিভার্স’ খেতাব জিতলেন ভারতের হারনাজ সান্ধু

খুলনায় মাদক মামলায় তিন জনের ১০ বছর কারাদন্ড

মাদক মামলায় খুলনার একটি আদালত তিনজনকে ১০ বছরের সশ্রম করাদন্ড দিয়েছেন। একইসাথে তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানাসহ অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। অপর তিনজন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

সোমবার খুলনা অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস এম আশিকুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কাজী সাব্বির আহমেদ।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার দক্ষিণ চাঁদপুর তালারপাড়া এলাকার নুরুল উদ্দিনের ছেলে রাজু আহমেদ ওরফে চুম্বক, একই এলাকার মিনহাজ উদ্দিন ছেলে মো: সাব্বির হোসেন ডিনার ও ওয়হিদের ছেলে মো: টিটোন।

আদালত সূত্র জানায়, ২০১০ সালের ৮ ফেব্রয়ারি রাত ৮ টা ২০ মিনিটের দিকে হোটেল ক্যাসল সালামের বিপরীতে কাশফুল পরিবহনের কাউন্টারের সামনে তিনজন ব্যক্তির গতিবিধি দেখে পুলিশের সন্দেহ হয়। এ সময় তাদের দেহ ও হাতে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে একশ’ ১০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করে পুলিশ। তারা মাদক বিক্রির উদ্দেশ্যে খুলনায় এসেছিল। এ ব্যাপারে খুলনা থানার এএসআই আশরাফুল আলম বাদী হয়ে মাদক আইনে তিনজনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করে।

জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার হওয়া ওই তিনজন আসামি চুয়াডাঙ্গার আরও তিনজন মাদক ব্যবসায়ীর নাম প্রকাশ করে। তাদেরও এ মামলায় পরবর্তীতে গ্রেপ্তার করা হয়। একই বছরের ১১ মার্চ খুলনা থানার এসআই রাশেদুল ইসলাম ছয়জনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট প্রদান করেন।

//খুলনা ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনায় গৃহবধুকে কুপিয়ে হত্যা, জখম ২

 

 তাহসান-মিথিলা-ফারিয়া যেকোন সময় গ্রেপ্তার হবেন

ইভ্যালি কাণ্ডঃ

ইভ্যালী কান্ডে গ্রহকের দায়েরকৃত মামলায় তাহসান খান, রাফিয়াত রশিদ মিথিলা ও শবনম ফারিয়াকে যেকোনো সময় গ্রেপ্তার করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) সাজ্জাদুর রহমান।

আজ শুক্রবার দুপুরে গণমাধ্যমকে এ কথা বলেন তিনি।

ডিসি সাজ্জাদুর রহমান বলেন, ধানমন্ডি থানায় ইভ্যালির একজন গ্রাহকের করা মামলায় তারা নজরদারিতে রয়েছেন। তদন্তের স্বার্থে যে কোনো সময় তাদের গ্রেপ্তার করা হতে পারে।

তিনি বলেন, চটকদার বিজ্ঞাপন ও বেশি মুনাফার লোভ দেখিয়ে হাজারো গ্রাহককে পথে বসিয়েছে ইভ্যালি- এমন অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশের এ কর্মকর্তা আরও বলেন, প্রতিষ্ঠানটির প্রতারণার শুরু থেকে সংযুক্ত করা হয়েছিল নামি-দামি তারকাদের। অনেকের অভিযোগ জনপ্রিয় এসব তারকাদের দেয়া মিথ্যা প্রতিশ্রুতির ফাঁদে পা দিয়েই সর্বস্বান্ত হয়েছেন তারা। এবার তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন সাদ স্যাম রহমান নামে একজন ভুক্তভোগী। তদন্তের স্বার্থে যে কোনো সময় তাহসান, মিথিলা ও শবনম ফারিয়াসহ অন্য আসামিরা গ্রেফতার হতে পারে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, তাহসান, মিথিলা ও শবনম ফারিয়া ইভ্যালির বিভিন্ন দায়িত্বে ছিলেন। তাদের উপস্থিতি এবং তাদের বিভিন্ন প্রমোশনাল কথাবার্তার কারণে আস্থা রেখে বিনিয়োগ করেন সাদ স্যাম রহমান। এসব তারকার কারণে মামলার বাদী প্রতারিত হয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইভ্যালির শুভেচ্ছাদূত ছিলেন তাহসান। মিথিলা ছিলেন ফেস অব ইভ্যালি লাইফস্টাইলের শুভেচ্ছাদূত। এছাড়া শবনম ফারিয়া ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানটির প্রধান জনসংযোগ কর্মকর্তা ছিলেন।

উল্লেখ্য, ৪ ডিসেম্বর সাদ স্যাম রহমান নামে এক ইভ্যালি গ্রাহক রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে জনপ্রিয় তারকা তাহসান খান ও রাফিয়াত রশিদ মিথিলাসহ নয় জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনায় সর্বোচ্চ ভ্যাট প্রদানকারী ছয় প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা

২০১১ সালে আমিনবাজারে ছয় ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা: ১৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

২০১১ সালে আমিনবাজারে ছয় ছাত্রকে ডাকাত সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামি মালেকসহ ১৩ জনকে মৃতুদণ্ড ও ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ইসমত জাহানের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আনন্দ চন্দ্র বিশ্বাস এ তথ্য জানান।

বেলা ১১টার দিকে আসামিদের এজলাসে হাজির করা হয়। পরে বিচারক রায় পড়া শুরু করেন।

এর আগে মামলার ৫৭ আসামির মধ্যে ৪৪ জনকে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বিশেষ নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আদালতে আনা হয়। তাদের আদালতের এজলাসে তোলার আগে হাজতখানায় রাখা হয়।

গত ২২ নভেম্বর আসামিপক্ষ ও রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায় ঘোষণার দিন জন্য ২ ডিসেম্বর ধার্য করেন। ২০১১ সালের ১৭ জুলাই রাতে সাভারের আমিন বাজারের বড়দেশী গ্রামের কেবলাচরে ওই ৬ শিক্ষার্থী ঘুরতে গেলে তাদের ডাকাত সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

নিহতরা হলেন- ধানমন্ডির ম্যাপললিফ স্কুলের ‘এ’ লেভেলের ছাত্র শামস রহিম শাম্মাম, মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ইব্রাহিম খলিল, বাঙলা কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র তৌহিদুর রহমান পলাশ, তেজগাঁও কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র টিপু সুলতান, মিরপুরে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজির (বিইউবিটি) বিবিএ দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র সিতাব জাবীর মুনিব এবং বাঙলা কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র কামরুজ্জামান।

নিহতদের সঙ্গে থাকা বন্ধু আল-আমিন গুরুতর আহত হলেও প্রাণে বেঁচে যান।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

সাজেক ভ্যালিতে আগুন: ৫ রিসোর্ট পুড়ে ছাই

ম্যুরাল নির্মাণ নিয়ে কটূক্তি করা মেয়র আব্বাস আলী আটক

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল নির্মাণ নিয়ে কটূক্তি করা সেই কাটাখালি পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলীকে আটক করা হয়েছে।

রাজধানীর হোটেল রাজমনি ইশা খাঁ থেকে বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তাকে আটক করে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার সহকারী পরিচালক এএসপি আ ন ম ইমরান খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

এর আগে ২৪ নভেম্বর  বিকালে দলীয় কার্যালয়ে পবা উপজেলা আওয়ামী লীগের জরুরি বৈঠকে আব্বাসকে পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়কের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল নির্মাণ কেন্দ্র করে কটূক্তি এবং সেটি নির্মাণের প্রতিহতের ঘোষণা দিয়ে বক্তব্য দেন নৌকা প্রতীকে দুবারের নির্বাচিত মেয়র আব্বাস আলী। এর পর তার ফাঁস হওয়া অডিও ঘুরছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। সোমবার রাত থেকে অডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

তার এমন বক্তব্যে রাজশাহীজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। যদিও পুরো ঘটনাটি অস্বীকার করেছেন মেয়র আব্বাস। এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে বিভিন্ন সময়ে রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া, বোয়ালিয়া ও চন্দ্রিমা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মেয়র আব্বাসের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা করা হয়।

বোয়ালিয়া থানায় করা অভিযোগে বাদী রাজশাহী মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ১৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল মোমিন।

পবা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাজদার রহমান সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ইয়াসিন আলীর সভাপতিত্বে জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আব্বাস আলীকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। একই সঙ্গে কেন দলীয় সদস্য পদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না জানতে চেয়ে কারণ দর্শণের নোটিশ দেওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল নির্মাণকে কেন্দ্র করে কটূক্তি এবং সেটি নির্মাণের প্রতিহতের ঘোষণা দিয়ে বক্তব্য দেন নৌকা প্রতীকে দুইবারের নির্বাচিত মেয়র আব্বাস আলী। এরপর তার ফাঁস হওয়া অডিও ঘুরছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। সোমবার রাত থেকে অডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ইসলামের দৃষ্টিতে পাপ— সেজন্য রাজশাহী সিটি গেটে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল না বসানোর নির্দেশ দেন এই মেয়র; যা জীবন দিয়ে হলেও প্রতিহত করার ঘোষণা দেন তিনি। তার এমন বক্তব্যে রাজশাহীজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। যদিও পুরো ঘটনাটি অস্বীকার করেছেন মেয়র আব্বাস। তবে এ ঘটনায় মেয়র আব্বাসের বিরুদ্ধে রাজশাহী মহানগরীর পৃথক তিন থানায় তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাকে দল থেকে বহিষ্কার এবং মেয়র পদ থেকে অপসারণের দাবিতে সোচ্চার হয়ে উঠেছে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

শাকিব খানের ব্যাংক হিসাব তলব করেছে এনবিআর

শাকিব খানের ব্যাংক হিসাব তলব করেছে এনবিআর

চিত্রনায়ক নায়ক শাকিব খানের ব্যাংক হিসাব তলব করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) । সম্প্রতি ব্যাংকগুলোতে পাঠানো এনবিআরের এক চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে। সেই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, শাকিব খান রানার নামে বা তার ওপর নির্ভরশীল পরিবারের অন্য সদস্যদের একক বা যৌথ নামে ব্যাংক হিসাব বা তাদের মালিকানাধীন কোনো প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংক হিসাব থাকলে তার তথ্য জমা দিতে হবে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, ২০১৩ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত লেনদেনের বিবরণী এনবিআরে পাঠাতে হবে। ব্যাংক হিসাবের পাশাপাশি তাঁদের নামে যেকোনো সঞ্চয়ী হিসাব চলতি হিসাব, ঋণ হিসাব, বৈদেশিক মুদ্রা হিসাব, ক্রেডিট কার্ড, লকার বা ভল্ট, সঞ্চয়পত্র, শেয়ার হিসাব থাকলে তার বিবরণীও জমা দিতে হবে। এমনকি বন্ধ হয়ে গেছে এমন হিসাব থাকলেও তা জমা দিতে হবে।

২০১৯ সালে অভিনয়শিল্পী ক্যাটাগরি থেকে তৃতীয় সর্বোচ্চ করদাতা হন শাকিব খান। আয়কর অধ্যাদেশের ১৯৮৪–এর ১১৩ (এফ) ধারার ক্ষমতাবলে এই হিসাব তলব করেছে এনবিআর। আয়কর ফাঁকির অনুসন্ধানের জন্য এই ধারা ব্যবহার করে থাকে এনবিআর।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ওমিক্রন: হিন্দুস্তান টাইমসের ওই প্রতিবেদনে ‘উচ্চ ঝুঁকি’তে বাংলাদেশ

বাগেরহাটের রামপালে জালিয়াতি চক্রের সদস্য জাফর গ্রেফতার

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি//

বাগেরহাটের রামপালে জাল দলিল, ষ্টাম্প, নকল সিলসহ বিভিন্ন সরঞ্জামাদিসহ জালিয়াতি চক্রের এক সদস্য এস এম আবু জাফর (৫৪)কে আটক করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

রবিবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে রামপাল উপজেলার উজুলকুড় ফকিরবাড়ী থেকে তাকে আটক করে র‌্যাব-৬ এর সদস্যরা। এসময়, বিভিন্ন সরকারী অফিসের ২৪টি সীলমোহর, ২টি সীলপ্যাড, ২৩ টি ফাঁকা ষ্ট্যাম্প, ৯০টি কোর্ট ফি ষ্ট্যাম্প, ৮টি এস এ খতিয়ান এর কপি, ৪টি আরএস খতিয়ানের কপি, জমির বিভিন্ন ৫০ পাতা দলিলপত্র, ১টি মেমোরীকার্ড ২টি সীমকার্ড, একটি হাতঘরি ও নগদ ৮২০ টাকা জব্দ করে র‌্যাব সদস্যরা।

বাগেরহাটের রামপালে জালিয়াতি চক্রের সদস্য জাফর গ্রেফতার

আটক এসএম আবু জাফর বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলার উজলকুড় এলাকার মোঃ এবাদ আলী শেখের ছেলে।

র‌্যাব-৬ খুলনার সহকারী পরিচালক মিডিয়া বজলুর রশীদ বলেন, বিভিন্ন সরকারী অফিসের সীলমোহর নকল করে প্রতারণার মাধ্যমে মানুষের নিকট হতে বিপুল পরিমান অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে  এস এম আবু জাফরকে আটক করা হয়েছে। তার কাছ থেকে জালিয়াতি ও প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়েছে। মামলা দায়ের পূর্বক তাকে রামপাল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।