আজ শোকাবহ পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৩ বছর

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে সেনা কর্মকর্তাদের নৃশংসভাবে হত্যাযজ্ঞের ১৩ বছর পূর্তি আজ। এ ঘটনার পর থেকেই গভীর শ্রদ্ধায় এ দিনে স্মরণ করা হয় শহীদদের।

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দপ্তরে বিপথগামী সদস্যরা কিছু দাবি-দাওয়া আদায়ের নামে অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও নির্মম হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে তাণ্ডব চালায়।

ওই দু’দিনে তৎকালীন বিডিআরের মহাপরিচালকসহ (ডিজি) ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা এবং নারী ও শিশু ছাড়াও আরও ১৭ জনকে হত্যা করে বিদ্রোহী সদস্যরা। দীর্ঘ ১৩ বছরেও ওই নির্মম হত্যাকাণ্ডের শোক কাটিয়ে উঠতে পারেননি নিহতদের স্বজনরা।

শোকাবহ এ ঘটনায় নিহতদের স্মরণে প্রতিবছরই এ দিনে নানা কর্মসূচির আয়োজন করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন।

আজ পিলখানা ট্র্যাজেডির দিনটিতে নিহতদের স্মরণে কর্মসূচি পালন করবে বিজিবি। বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম জানান, পিলখানায় সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে শহীদদের স্মরণে শুক্রবার শাহাদৎ বার্ষিকী পালিত হবে।

শহীদদের রুহের মাগফেরাতের জন্য বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদর দপ্তরসহ সব রিজিয়ন, প্রতিষ্ঠান, সেক্টর ও ইউনিটের ব্যবস্থাপনায় খতমে কোরআন করা হবে। বিজিবির সব মসজিদ এবং বিওপি পর্যায়ে শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হবে।

এছাড়াও শুক্রবার সকালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় বনানী সামরিক কবরস্থানে রাষ্ট্রপতির প্রতিনিধি, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, তিন বাহিনীর প্রধান (সম্মিলিতভাবে), বিজিবি মহাপরিচালক (একত্রে) শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। দিনটি পালন উপলক্ষে বিজিবির সব স্থাপনায় বাহিনীর পতাকা অর্ধনমিত থাকবে এবং বিজিবির সব সদস্য কালো ব্যাজ পরিধান করবে। এছাড়া বিজিবির সব সেক্টর ও ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে বিশেষ দরবার অনুষ্ঠিত হবে।

বিজিবি আরও জানায়, শুক্রবার জুম্মা পিলখানা বিজিবি কেন্দ্রীয় মসজিদ, ঢাকা সেক্টর মসজিদ এবং বর্ডার গার্ড হাসপাতাল মসজিদে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

//পিলখানা ঘটনায় মামলা//

এ ঘটনায় ২০০৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর লালবাগ থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। পরে এসব মামলা নিউমার্কেট থানায় স্থানান্তরিত হয়। মামলায় সিআইডি দীর্ঘ তদন্ত শেষে হত্যা মামলায় ২৩ বেসামরিক ব্যক্তিসহ প্রথমে ৮২৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

পরে সম্পূরক অভিযোগপত্রে আরও ২৬ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত করায় আসামির সংখ্যা হয় ৮৫০ জন। এছাড়া বিস্ফোরক আইনে করা মামলায় ৮০৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয় সিআইডি। পরে আরও ২৬ জনকে অভিযুক্ত করে মোট ৮৩৪ জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেয়া হয়।

রাজধানীর পুরান ঢাকার আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর ইতিহাসের কলঙ্কজনক এ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন, ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে (তিন বছর থেকে ১৭ বছর পর্যন্ত) কারাদণ্ড, ২৭৮ জনকে খালাস এবং চারজন আসামি বিচার চলাকালে মারা যাওয়ায় মামলার দায় থেকে তারা অব্যাহতি পায়।

আদালতের রায় ঘোষণার পর ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে যায়। এ ছাড়া বিভিন্ন সময়ে আসামিরা দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল ও জেল আপিল করেন। এর মধ্যে ৬৯ জনকে খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে। গুরুত্বপূর্ণ এ মামলার শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্ট বিশেষ উদ্যোগ নেন। ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এই মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ বেঞ্চ গঠন করে দেন। দেশের ইতিহাসে আসামির সংখ্যার দিক দিয়ে সবচেয়ে বড় এ মামলায় ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে শুনানি শুরু হয়।

মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিতরা সবাই বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিডিআর) সদস্য ছিলেন। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিতদের মধ্যে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য নাসিরউদ্দিন আহমেদ পিন্টু ও আওয়ামী লীগ নেতা তোরাব আলীও রয়েছেন। নাসিরউদ্দিন আহমেদ পিন্টু ২০১৫ সালের ৩ মে রাজশাহী কারাগারে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

হাইকোর্টের রায়ে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৫২ জন আসামির মধ্যে ১৩৯ জনের ফাঁসির রায় বহাল রাখেন। একইসঙ্গে আটজনের মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন ও চারজনকে খালাস দেওয়া হয়। অন্যদিকে এ মামলার অন্যতম আসামি বিএনপি নেতা নাসিরউদ্দিন পিন্টু হাইকোর্টের বিচার চলাকালীন সময়ে মারা যান।

এছাড়া বিচারিক আদালতে যাবজ্জীবন পাওয়া ১৬০ জন আসামির মধ্যে ১৪৬ জনের সাজা বহাল রাখেন হাইকোর্ট। এদের মধ্যে দু’জন আসামির মৃত্যু হয়েছে এবং ১২ জন আসামিকে খালাস দেয়া হয়।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

বগুড়ায় হিমাগারে আলু রাখা শুরু করেছেন ব্যবসায়ী ও কৃষকরা

 

বগুড়ায় হিমাগারে আলু রাখা শুরু করেছেন ব্যবসায়ী ও কৃষকরা

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

জেলার হিমাগার গুলো ধোয়ামোছা শেষে এখন আলু রাখতে শুরু করেছেন আলু ব্যবসায়ী ও কৃষকরা।

জেলার ৩৭টি  হিমাগার আলু সংরক্ষণের জন্য প্রস্তুত।মাঠে মাঠে হিমাগারে রাখার জন্য পরিপুষ্ট আলু উত্তোলনে দারুন ব্যস্ত কৃষক। আলু এখন হিমাাগরে রাখার উপযোগী হয়েছে। বগুড়ার ক্ষেতের পর ক্ষেত জুড়ে নারী-পুরুষ  সকাল থেকে আলু উত্তোলেন করছেন। অনেক কৃষক তাদের বাড়ির সদস্যদের নিয়ে আলু উত্তোলন করছেন। তাতে তাদের মজুরী খরচ কমে যা্েচ্ছ। হিমাগরের রাখার উপযোগী নয় ,এখন আলুর দাম অনেক কম। কিন্তু পরিপুষ্ট (হিমাগারে রাখার মতো আলু ) এতেদিন মাঠে ছিল ।

জেলার ৩৭ টি হিমাগারে  এবার আলু সংরক্ষণ হবে প্রায় পৌনে ৩ লাখ টন। জেলায় উৎপাদিত আলু হিমাগারে রাখার  পর অবশিষ্ট আলু চলে যাবে দেশের অন্য জেলার হিমাগারে।

এবার বৃষ্টি হওয়া সত্বেও আলুর বাম্পার ফলন হবে।  আলু চাষ হয়েছে ৫৭ হাজার ৫১৫ হেক্টর জমিতে।গত বছর জেলায়  আলু উৎপাদন হয়েিেছল ১১ লাখ ৬৯ হাজার ৬৮০  মেট্রিক টন। এবার জেলা  ১২ লাখ মেট্রিকটন আলু উৎপাদন ছাড়িয়ে যেতে পারে এমনটি আশাবাদ ব্যাক্ত করেছেন জেলা কৃষিম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক এনামুল হক। ৫ টাকা কেজি দরে ৫০ কেজি ওজনের বস্তা রাখা হচ্ছে। জেলার হিমাগার মালিক মনসুরআলী জানান, ওজনে কম বস্তায় আলু রখালে কৃষক উকৃত হবে। বেশি ওজনের বস্তায় আলু  রাখলে নষ্ট হয়। বেশিদিন বেশি ওজনের বস্তায় আলু থাকলে বস্তা ফেটে যায়।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

রাশিয়া-ইউক্রেন//  ন্যাটো সশস্র বাহিনী মোতায়েনের ঘোষণা

মা-বাবার সম্পত্তিতে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের জন্য মন্ত্রিপরিষেদে কি প্রস্তাব 

//অনলাইন নিউজ//

মা-বাবার সম্পদের ওপর অধিকার পাবেন তৃতীয় লিঙ্গের সন্তানেরা।তাদের এই অধিকার নিশ্চিত করতে এ সংক্রান্ত একটি খসড়া প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার ভূমি ভবনে স্থাপিত মডেল শিশু দিবা যত্ন কেন্দ্রের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের সব ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য সম্পত্তির উত্তরাধিকার বিষয়ে পৃথক আইন বলবৎ থাকলেও পুরুষ অথবা নারী হিসেবে পরিচিতি নির্ধারিত না থাকায় তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ সম্পত্তির উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ায় তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ নিগৃহীত হচ্ছেন, কেউ কেউ মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অনেকে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে বেঁচে থাকার তাগিদে ভিক্ষাবৃত্তির আশ্রয় নিচ্ছেন। ফলে সমাজে অসাম্য ও বৈষম্যের সৃষ্টি হচ্ছে। তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের অধিকার রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর সুস্পষ্ট অনুশাসন রয়েছে।’

সাইফুজ্জামান বলেন, ‘ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে মন্ত্রিপরিষদে পাঠানো প্রস্তাবনায় তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের পুরুষ অথবা নারীবাচকতা নির্ধারণের পর চিকিৎসকের প্রত্যয়নপত্রের ভিত্তিতে তাদের সম্পদের উত্তরাধিকার অর্জনের কথা বলা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘লিঙ্গের পুরুষবাচকতা অথবা নারীবাচকতা নির্ধারণ করা সম্ভব না হলে তাদের নারী ও পুরুষ উত্তরাধিকার পরিমাণ যোগ করে এর অর্ধেক সম্পত্তির উত্তরাধিকার করা যেতে পারে। এসব প্রস্তাব পরবর্তী সময়ে সবার মতামতসাপেক্ষে সংশোধন করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

সাভারে জুতার কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে, ৩জনের মৃত্যু

চাঁদপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা নবীর উদ্দিনের মৃত্যু।। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

//মোঃ হোসেন গাজী, চাঁদপুর//

চাঁদপুর সদর উপজেলার ১২ নং চান্দ্রা ইউনিয়নের মধ্যে বাখরপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা নবীর উদ্দিন মন্ডল বাধ্যক্য জনিত কারনে ইন্তেকাল করেন। ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না-লিল্লাহি রাজিউন

২৩ ফেব্রুয়ারী বুধবার ভোর রাত ৪:৩০ মিনিটে ঢাকা মেডিকেল কলেজ  হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন তার পরিবার।

বুধবার বাদ মাগরিব মধ্যে বাখরপুর মোল্লা বাড়ি জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চাঁদপুর জেলা পুলিশের চৌকস দলের গার্ড অব অনার শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় এ মুক্তিযোদ্ধাকে তার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি দুই ছেলে, পাঁচ মেয়ে আত্মীয় স্বজন সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা নবীর উদ্দিন মন্ডলের জানাজায় চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সহকারী কমিশনার (ভুমি) মোঃ হেলাল উদ্দিন চৌধুরী, ১২নং চান্দ্রা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খান জাহান আলী কালু পাটওয়ারী, বীর মুক্তিযোদ্ধা বীর প্রতীক বাচ্চু মিয়া পাটওয়ারী, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসর প্রাপ্ত সার্জেন্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা বেলায়েত হোসেন মোল্লা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল করিম (মনু খা) সহ এলাকার গন্যমানয় ব্যাক্তীবর্গ জানাজা অংশ নেন।

নড়াইলে ভাষা শহিদদের স্মরণে লাখো মোমবাতি প্রজ্জলন

//অনলাই নিউজ//

সব অন্ধকারকে পরিহার করে আলোর পথে চলার দৃপ্ত শপথ নিয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও অমর একুশ উদযাপনে লাখো মোমবাতি জ্বেলে ভাষা শহিদদের স্মরণ করল নড়াইলবাসী।

সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় প্রতি বছরের মতো এবারো শহরের শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে (কুরিরডোব মাঠ) এ আয়োজন করা হয়।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভাষা শহীদদের স্মরণে এবারের প্রদীপ প্রজ্বলন আরও আকর্ষণীয় করা হয়। একই সঙ্গে ভাষা দিবসের ৭১তম বার্ষিকীতে ৭১টি রঙিন ফানুস ওড়ানো হয়।

সূর্য ডোবা মুহূর্তে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার রায়, নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর রবিউল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাদিয়া পারভীন, নড়াইল পৌর মেয়র আঞ্জুমান আরা,জেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি মলয় কুণ্ডু ও সাধারণ সম্পাদক শরফুল আলম লিটু প্রমুখ বিশিষ্টজনেরা মোমবাতি জ্বেলে প্রদীপ প্রজ্বলনের উদ্বোধন করেন। মুহূর্তে অজস্র হাতের আলোর পরশে জ্বলে ওঠে লক্ষ দীপশিখা।

মুহূর্তেই অন্ধকার ছাপিয়ে বিশাল শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে শহীদ মিনার, রফিক, শফিক, সালাম, বরকত, জব্বারসহ,বর্ণমালা ও বিভিন্ন ধরনের আলপনা ছাড়াও বাংলাদেশের নানান ঐতিহ্য তুলে ধরা হয় মোমবাতির আলোয়। সন্ধ্যার আগে মোমবাতি প্রজ্বলনে কয়েক হাজার স্বেচ্ছাসেবক অংশগ্রহণ করেন।

সন্ধ্যায় লাখো মোমবাতি জ্বেলে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি ?…’ গানের মধ্য দিয়ে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের গণসংগীত শুরু হয়। ব্যতিক্রমী এই আয়োজনকে ঘিরে বেলা গড়াতেই আয়োজন স্থলে উৎসবের আমেজে মানুষের ঢল নামে।

নান্দনিক এ অনুষ্ঠানটি জেলা ও জেলার বাইরের হাজার হাজার দর্শক উপভোগ করেন। প্রজ্বলিত মোমের মায়াবী আলো-আঁধারিতে সৃষ্টি হয় এক অন্য রকম আবহ।

একই সঙ্গে স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় গণসংগীত ক্ষণিকের জন্য মোহিত করে তোলে দর্শক-শ্রোতাদের। অভূতপূর্ব এক অনুভূতি ছুঁয়ে যায় সবাইকে।

প্রসঙ্গত, ভাষা শহীদদের স্মরণে ১৯৯৮ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ব্যতিক্রমী এই আয়োজন শুরু হয়। প্রথমবার নড়াইলের সুলতান মঞ্চ চত্বরসহ শহরের বিভিন্ন স্থানে প্রায় ১০ হাজার মোমবাতি প্রজ্বলন করা হয়।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

বাগেরহাটের বৈটপুরে লোমহর্ষক সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত

জটিল বাংলা পরিভাষার বদলে সহজ ভাষা ব্যবহারের পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

জটিল বাংলা পরিভাষার বদলে সহজ, বহুল প্রচলিত ও পরিচিত শব্দের ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিজ্ঞান শিক্ষাকে সবার কাছে সহজ ও বোধগম্য করতে বিষয়বস্তু তৈরিতে পরিভাষার পরিবর্তে পরিচিত শব্দ ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

সোমবার বিকেলে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘যে শব্দগুলো বহুল প্রচলিত এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত সেগুলো যে ভাষাতেই আসুক আমাদের সেটাই গ্রহণ করতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে শব্দগুলো বহুল প্রচলিত এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত সেগুলো যে ভাষাতেই আসুক, আমাদের সেটাই গ্রহণ করতে হবে। সেখানে পরিভাষা ব্যবহার করতে গিয়ে পরে কোন কিছুই বুঝবো না, বলতেও পারবো না, সেটা যেন না হয়। কারণ সব জায়গায় প্রতিশব্দ বা পরিভাষা করতে হবে আমি সেটা বিশ্বাস করি না।

শেখ হাসিনা বলেন, বিজ্ঞানের এই যুগে বিজ্ঞান যেভাবে বিস্তার লাভ করছে, সেখানে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ভাষাও রয়েছে, ইংরেজী, ফ্রেঞ্চ বা অন্য ভাষাও রয়েছে, যা এর ভেতর যুক্ত হয়ে গেছে। আর আমাদের বাংলা ভাষায় কিন্তু ৮ হাজার ভাষার শব্দ মিলে মিশে গেছে। কাজেই এ ব্যাপারে খুব বেশি ‘রক্ষণশীল’ না হয়ে প্রচলিত শব্দগুলো, প্রচলিত বিজ্ঞানের টার্মসগুলো ব্যবহার করেই বাংলা ভাষায় সহজভাবে বিজ্ঞান শিক্ষার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের কাছে আমার এটা অনুরোধ থাকবে মাতৃভাষা চর্চা এবং গবেষণার পাশাপাশি কিভাবে ভাষাকে মানুষের ব্যবহারের জন্য সহজলভ্য বা সহজবোধ্য করা যায় সে বিষয়টাও দেখতে হবে। এই বিষয়টা নিয়েও গবেষণা একান্তভাবে প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজ্ঞান চর্চা ও গবেষণা ছাড়া এগুনো যায় না। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, শিল্প এবং বিজ্ঞানের অন্যান্য বিষয়সহ সকল ক্ষেত্রেই গবেষণা একান্ত অপরিহার্য। বিজ্ঞান শিক্ষা, বিজ্ঞান গবেষণা এবং গবেষণালব্ধ জ্ঞান যেন মানুষের কল্যাণে সহজভাবে ব্যবহার হয়, সেটা সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ।

পরিভাষা ব্যবহারে তিনি সতর্ক হবার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘কনটেন্ট’র বাংলা শব্দ ‘আধেয়’ কিন্তু তা বললে অনেকেই বুঝবে না। কিন্তু ‘কনটেন্ট’ বললে বুঝবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বিজ্ঞান চর্চা এবং বিজ্ঞান গবেষণাকে সব থেকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন বলেই যুদ্ধ বিধ্বস্থ দেশ পুনর্গঠনকালে আমাদের শিক্ষা কমিশন গঠনে তখনকার শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী ড. কুদরত-ই-খুদাকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন।

আমাদের কম্পিউটার এবং ইন্টারনেটে বাংলা কনটেন্ট তৈরী করার পাশাপাশি বাংলা কি বোর্ডের ব্যবহারকে আরো সহজ করে দেয়ার ওপরও গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে কাজ চলছে।

আমরা আজকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা অর্জন করেছি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে এখন আমাদের উন্নত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এটা করতে হলে ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি চর্চা, বিজ্ঞান চর্চা এবং বিজ্ঞান গবেষণা সহ সব বিষয়ে গবেষণা একান্তভাবে দরকার। কাজেই সেদিকে দৃষ্টি রেখেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে বক্তৃতা করেন ইউনেস্কোর প্রতিনিধি এবং হেড অব অফিস বিয়েট্রেস কালডুন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোবোটিক্স এন্ড মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. লাফিফা জামাল মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবু বকর সিদ্দিক স্বাগত ভাষণ দেন। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মো.বেলায়েত হোসেন তালুকদার ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মন্ত্রি পরিষদ সদস্যবৃন্দ, সংসদ সদস্যগণ, সরকারের পদস্থ কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। বিভিন্ন দূতাবাস, মিশন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগী সংস্থার কর্মকর্তাগণ ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন। সূত্র- বাসস

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

একুশের প্রথম প্রহরে হাইমচরে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন

একুশের প্রথম প্রহরে হাইমচরে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন

মোঃ হোসেন গাজী।।

হাইমচরে বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় ভাষা শহীদদের স্মরণ করার মধ্য দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপিত হয়েছে।

রবিবার দিবাগত রাত ১২টার পর একুশের প্রথম প্রহরে উপজেলা সদরের দূর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে অবস্থিত শহীদ মিনারের বেদীতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, চাঁদপুর-৩(সদর-হাইমচর) আসনের সংসদ সদস্য ও শিক্ষামন্ত্রী ডা দীপু মনি এমপির পক্ষে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন হাইমচর উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুর হোসেন পাটওয়ারী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার চাই থোয়াইহলা চৌধুরী, হাইমচর থানা অফিসার ইনচার্জ মাহবুবুর রহমান মোল্লা, উপজেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি এম এ বাশার, গাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান গাজী, চরভৈরবী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সোহেল হাওলাদার, আলগী দুর্গাপুর উত্তর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বাচ্চু মিয়া খানসহ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

হাইমচর উপজেলা পরিষদের পক্ষে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুর হোসেন পাটওয়ারী।এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহানাজ বেগম এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার চাই থোয়াইহলা চৌধুরী।এসময় উপস্থিত ছিলেন ভূমি সহকারী অফিসার আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল, কৃষি অফিসার দেবব্রত সরকারসহ প্রশাসনের বিভিন্নস্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।

হাইমচর থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহবুবুর রহমান মোল্লার নেতৃত্বে হাইমচর থানা পুলিশ পুস্পস্তবক অর্পণ করেন।

হাইমচর প্রেসক্লাব সভাপতি মোঃ খুরশিদ আলম এবং সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন এর নেতৃত্বে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন হাইমচর প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ।

এরপর পর্যায়ক্রমে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, উপজেলা আওয়ামী লীগ, উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠন,উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগ, চরভৈরবী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, উপজেলা যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষক লীগ,তাঁতীলীগ, হাইমচর সরকারি কলেজ,দুর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয়, সোনালী ব্যাংক,পল্লিবিদ্যুৎ এবং বিভিন্ন সামাজিক ও অন্যান্য পেশাজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

বাগেরহাটে ভ‍্যানচালক হত‍্যার প্রধান আসামী গ্রেফতার

 

বরিশালে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে বিএমপি’র শ্রদ্ধা নিবেদন

//পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল//

মায়ের ভাষার জন্য রক্ত ও প্রাণদানের ইতিহাস জ্বলজ্বল করছে। বিশ্বের বুকে এই অনন্য ইতিহাস রচনা করেছে বাংলাদেশ। পলাশ-শিমুল ফোটার দিনে তাইতো আজ গেয়ে উঠছে মন— আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি?

আজ একুশে ফেব্রুয়ারি। মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। বাংলা ভাষার দাবিতে প্রাণদানের গৌরবোজ্জ্বল মাতৃভাষা আন্দোলনের আজ ৭০ বছর পূর্ণ হলো। ১৯৫২ সালের এইদিনে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর তৎকালীন পুলিশ নির্মমভাবে গুলিবর্ষণ করে। এতে কয়েকজন ছাত্র শহীদ হন। তাদের মধ্যে সালাম, বরকত, রফিক, শফিউর, জব্বার অন্যতম। তাই দিনটিকে শহীদ দিবস বলা হয়ে থাকে। আর ২০১০ সালে জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারিকে সারাবিশ্বে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়। তাই দিনটি বাঙালি জাতি ও বাংলা ভাষা ব্যবহারকারীদের জন্য গৌরবোজ্জ্বলের।

তাই এই দিনটিতে  বরিশালে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশ। আজ ১২ টা ৫ মিনিটে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।

শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার অতিরিক্ত আইজিপি মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম-বার সহ বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের অন্যান্য ।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

জাতির পিতা ভাষা আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে বারবার কারাবরণ করেছেন: সালাম মূশের্দী এমপি

জাতির পিতা ভাষা আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে বারবার কারাবরণ করেছেন: সালাম মূশের্দী এমপি

 //আ: রাজ্জাক, খুলনা ব্যুরো//

খুলনা-৪আসনের সংসদ সদস‍্য আব্দুস সালাম মূশের্দী বলেছেন, মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বাংলা সহ বিশ্বের সব ভাষাভাষীদের সংস্কৃতির মানুষের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করছি। ভাষা আন্দোলনে বাঙালি কৃতি সন্তানদের চরম আত্মত্যাগের মাধ্যমে বাঙালি প্রাণের দাবী বাংলা ভাষা প্রতিষ্ঠিত হয়।

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে ধারণ করে গত ১৩ বছরে দেশের আর্থসামাজিক খাতের প্রতিটা ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন করেছে বর্তমান সরকার।

বাংলাদেশের সঙ্গে ইউনেস্কো ২০০০ সাল থেকেই এই দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করে আসছে।

১৯৫২ সালের এই দিনে মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষা করতে প্রাণ উৎসর্গ করেছিলেন বরকত, জব্বার,সালাম, রফিক, শফিউরসহ অনেকেই।

আমি বাংলা সহ বিশ্বের সকল ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই।

সেই সঙ্গে পরম শ্রদ্ধায় স্মরণ করি বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে নেতৃত্বদানকারী সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ সকল ভাষা সৈনিকদের।

যাদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ এবং সংগ্রামের বিনিময় আমাদের মা মাটি ও মানুষের মর্যাদা সমুন্নত হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, জাতির পিতা ভাষা আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে বারবার কারাবরণ করেছেন। স্বাধীন বাংলাদেশে জাতির পিতা সকল দাপ্তরিক কাজে বাংলা ভাষা ব্যবহারের নির্দেশ দেন।

তিনি সংবিধানে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করেন।

একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনের জন্য জাতিসংঘে প্রস্তাব প্রেরণ করেন। ফলে  ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেন।

মহান শহীদ দিবস উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত  রূপসা উপজেলা অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে সকাল সাড়ে ৯টায় এক আলোচনা সভায় জুম কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন রূপসা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দীন বাদশা,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা,কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ফরিদুজ্জামান,স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শফিকুল ইসলাম, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার মজুমদার,মৎস্য কর্মকর্তা বাপি কুমার দাস।

বক্তৃতা করেন কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা শিউলী মজুমদার,রূপসা থানা অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন,আওয়ামীলীগ নেতা আঃ মজিদ ফকির,উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু,যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক ইমদাদুল ইসলাম,আওয়ামীলীগ নেতা মোতালেব হোসেন, সমাজসেবা কর্মকর্তা জেসিয়া জামান,মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন,সহকারী প্রোগ্রামার রেজাউল করিম,প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আরিফ হোসেন,পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তারেক ইকবাল আজিজ, উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক আবদুল গফুর খান,রূপসা উপজেলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদ আ:রাজ্জাক শেখ, আওয়ামীলীগ নেত্রী মাধূরী সরকার,সাংবাদিক চিত্ত রঞ্জন সেন প্রমূখ।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

চান্দ্রায় নূরীয়া ফাযিল ডিগ্রি মাদ্রাসায় যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

চান্দ্রায় নূরীয়া ফাযিল ডিগ্রি মাদ্রাসায় যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

মোঃ হোসেন গাজী।।

চাঁদপুর সদর উপজেলার ১২ নং চান্দ্রা ইউনিয়নে চান্দ্রা বাজার নূরীয়া ফাযিল ডিগ্রি মাদ্রাসার উদ্যােগে ২১ ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মিলাদ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২১ ফেব্রুয়ারী সকাল ১১ টায় মাদ্রাসার হলরুমে আলোচনা সভায় চান্দ্রা বাজার নূরীয়া ফাযিল ডিগ্রি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এ,টি,এম মোস্তফা হামিদীর সভাপতিত্বে ও মাওঃ এস এম আহসান হাবীব এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠান পরিচালনা করা হয়।

শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে শহীদদের স্মরনে শ্রদ্ধা নিবেদন, আলোচনা দোয়া ও মুনাজাত করা হয়। মুনাজাত পরিচালনা করেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এ,টি,এম মোস্তফা হামিদী।

প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চান্দ্রা ইউপি চেয়ারম্যান খান জাহান আলী কালু পাটোয়ারী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মাওঃ মাহমুদুল হাসান, ইংরেজি প্রভাষক আওলাদ হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ বাচ্চু মিয়া, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবু ইউসুফ শেখ, যুবলীগের আহ্বায়ক শেখ মোঃ আলমগীর হোসেন, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন ইবু সহ মাদ্রাসার শিক্ষক মন্ডলি ও অতিথি বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।