সবহারানো যুদ্ধজননী রমার গল্প

প্রধানমন্ত্রী বললেন, “আপনি ভাতা নেন, একলা এভাবে কতদিন চলবেন..”

রমা বললেন, “ছেলে দিয়েছি, স্বামী দিয়েছি, সম্ভ্রম দিয়েছি। তার তো ক্ষতিপূরণ হবে না।  ভাতা নিয়ে কি করব!?”

ধর্ষিতা হওয়ায় যুদ্ধের পর ওঁকে একঘরে করে দেয়া হয়। অথচ তিনি পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম নারী স্নাতকোত্তর।

নিজের হাতে বই লিখতেন, সে বই ছাপাতেন, ফেরিওয়ালার মতো বাড়ি বাড়ি গিয়ে বই ফেরি করতেন, পয়সা যা হতো তাই দিয়ে একলা মানুষটার জীবন চলতো। এই মানুষটির বাড়ি আদতে একটি খড়ের চালার কুঁড়েঘর। যার আশপাশের বাসিন্দা কুকুর, বেড়াল, কাক, পেঁচা।

জুতো পরতেন না রমা।  লোকজন জিজ্ঞেস করলে বলতেন, “এই মাটিতে আমার ছেলেরা ঘুমায়, জুতো পরে ওদের বুকের রক্তের ওপর পাড়া দিয়ে হাঁটব কি করে !”

এই রমা আমাদের যুদ্ধজননী। ৪৫ টা বছর যিনি খালি পায়ে রৌদ্রতপ্ত পিচঢালা পথে হেঁটে বেড়িয়েছেন। নিজের চোখের সামনে সন্তানদের মৃত্যু দেখেছেন যিনি, যিনি দুচোখে দেখেছেন পাকিস্তানের দোসররা মানুষের ঘরবাড়ি দাউদাউ করে জ্বালিয়ে দিতে।

এদেশ থেকে তাঁর নেয়ার কিচ্ছু নেই, দেবার ছিল। দিয়ে গেছেন। মৃত্যুতে তাঁর লজ্জায় ডুবিয়ে দিয়ে গেছেন গোটা জাতিকে ।

ভেবেছিলেন বই বেচা পয়সায় একটা অনাথ আশ্রম করবেন, সে আশা আর পূর্ণ হলো কই!

এমন কতো রমা চৌধুরী এখনো যুদ্ধ করেন, এখনো খালি পায়ে হেঁটে বেড়ান, কত আজাদের মা সাফিয়া বেগমরা ভাত খান না শতবছর, কত জাহানারা ইমাম আগলে রাখেন রুমিদের মেডেল-ট্রফি।

এঁদের যুদ্ধের কাছে বারবার হেরে যায় বাংলাদেশ, সে হারায় দুঃখ নেই, আছে লজ্জা, আছে গর্ব, আছে প্রেরণা।

মাটিতেই তো ছিলেন আজীবন। কবরে থাকতে অসুবিধে হবে না মায়ের। স্রষ্টা আমাদের মতো নির্মম নন।

৩০ লক্ষ শহীদের রক্ত আর ২ লক্ষ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে পাওয়া আমার এই সোনার বাংলাদেশ।

বিজয়ের মাসে শ্রদ্ধা ভরে স্বরন করছি সেই সব বীর শহীদদের । যেখানে থাকুন ভালো থাকুন মা, রমা চৌধুরী।

Engr Mrinal K Madhu এর ফেসবুক থেকে সংগৃহীক

//ফেসবুক সংগ্রহ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন কর্তৃক ৩০ ভরি ওজনের ০৩টি স্বর্ণের বারসহ পাচারকারী আটক

 

 

৭১ এর এইদিনে

“জন্মিলে মরিতে হবে অমরকে কে কোথায় পাব?”

ক্ষুদ্র এই জীবনে মানুষের অনেক চাওয়া পাওয়াই অপূর্ণ থেকে যায়।এই অপূর্ণতাকে পূর্ণতা এনে দিতে পারে তার কৃত কর্ম।কর্ম গুণে ফল। যে যেমন কর্ম করবে সে তেমন ফল পাবে। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর দেশের জনগনের মধ্যেই ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া শুরু হয়ে যায়।স্বাধীনতা ঘোষণাকে কিছু সংখ্যক লোক রাষ্ট্রদ্রোহিতা মনে করে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের সাথে জাতীয় বেইমানের কাজ করে আজও জাতীর কাছে ঘৃণিত ও লাঞ্চিত হচ্ছে। মৃত্যুর পরে আজও তাদের পরিবার ও পরিবারের সদস্যরা সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে হেয় প্রতিপন্ন। হয়তো যত দিন পদ্মা,মেঘনা, যমুনা বহমান রবে ততোদিন তাদের পূর্ব পুরুষদের কৃত কর্মের ফল ভোগ করে যেতেই হবে।

দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠীর সাথে বেইমানির মতো কৃত কর্মের জন্য আজ তাদের এই দুরবস্থা। অপর দিকে  দেশের জন্য যারা নিজের জীবন বাজী রেখেছিল তারা মৃত্যুর পরে শহীদ হয়ে অমর হয়ে প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ের মনিকোঠায় অবস্থান করছেন। সঠিক চিন্তা চেতনা শুধু ব্যক্তিকেই অমর করে না, পরবর্তী প্রজন্মকেও উন্নত করে।বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার পর মার্চ/৭১ থেকে ডিসেম্বর/ ৭১ পর্যন্ত বাংলাদেশের জনগণকে অনেক বাঁধা বিঘ্ন অতিক্রম করতে হয়েছিল।

১ডিসেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর তারিখ পর্যন্ত জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক পর্যায়ে পাক বাহিনী বিভিন্ন কুট কৌশল অবলম্বন করে কিন্তু সব কৌশলকে ভেস্তে দিতে তৎকালীন শক্তিধর রাশিয়া বিশাল ভূমিকা রাখে।

৪ ডিসেম্বর মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর কাছে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য লিখিত অনুরোধ জানান। এই স্বীকৃতি প্রমাণ করে যে মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনগুলোতে বাংলাদেশের পাশে একমাত্র ভারত সরকারই পরম বন্ধুর মত পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল। সেদিন ভারতের লোকসভায় দাঁড়িয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বলেন, ‘স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে বিশাল বাধার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জনগণের সংগ্রাম এক নতুন অধ্যায় রচনা করেছে। সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করার পর ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’ সেদিন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে জাতির উদ্দেশে এক ভাষণে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম মিত্ররাষ্ট্র ভারতের জওয়ানদের অভিনন্দন জানান।

বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়ায় পাকিস্তান ভারতের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে। পাক-ভারত যুদ্ধের প্রেক্ষিতে পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন পূর্ব পাকিস্তানে অনুষ্ঠেয় উপ-নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করে। এ নির্বাচন ৭ ডিসেম্বর থেকে অনুষ্ঠিত হবার কথা ছিল। একাত্তরের এদিন জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে পাক-ভারত যুদ্ধ বিরতি সংক্রান্ত মার্কিন প্রস্তাবের ওপর সোভিয়েত ইউনিয়ন দ্বিতীয় দফা ভেটো দেয়। নিউজউইক বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিস্তারিত নিবন্ধ প্রকাশ করে।

স্বাধীনতা সংগ্রামে ডিসেম্বরের প্রতিটি দিনই ছিল গুরু গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ছিল সোমবার।২৬ মাচ/৭১ থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত লাখো শহীদের রক্তে রঞ্জিত হয়েছে,দেশের মাবোনের ইজ্জত নষ্ট হয়েছে লাখে লাখে,বুদ্ধিবৃত্তিক পেশায় জড়িতদের সপরিবারে  নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে। এভাবে কালে কালে পাকবাহিনীও তার পাপের খাতা ভারী করে ফেলে। পাপ কখনও বাপকে ছাড়ে না।অার তাই পাকীরা যত আঘাত করেছে মুক্তিবাহিনীর মনোবল আরও দ্বিগুণ উজ্জীবিত হয়েছে।

এভাবে  দিন-মাস পেরিয়ে ১৯৭১ এর আজকের দিনে বাংলার দামাল ছেলেরা তাদের অপ্রতিরোধ্য সংগ্রাম- মুক্তিযুদ্ধকে চূড়ান্ত বিজয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। দেশের সব জায়গাতেই হানাদার পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকার অদলবদলের  প্রতিহত হচ্ছিল। শক্তিশালী প্রতিরোধের মুখে বাধ্য হয়ে পিছু হাটছিল।রাতের পরে যেমন দিন আসে তেমনি বাংলার মেঘাচ্ছন্ন আকাশের মেঘ কেটে সেদিন সত্যি রক্তিম সূর্য হেসেছিল। অপেক্ষা করছিল সেই চির কাঙ্ক্ষিত  স্বাধীনতার সূর্য উদয়ের জন্য। আজকের এই দিনে ভারত আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়বাংলাদেশকে। এই আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি মুক্তিযুদ্ধকে বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যায় এবং পাকিস্তানের পরাজয় শুধুমাত্র সময়ের ব্যাপার হয়ে পড়ে। আর এজন্য স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের বিজয় অর্জনের অনন্য ও ঐতিহাসিক দিন আজ।

এই স্বীকৃতি  ছিলঅনেক বেশি তাৎপর্যপূর্ণ ছিল।ভারতের এই স্বীকৃতি  মুক্তিযুদ্ধের গতিকে সমুদ্রের তুফানের মত বেগবান করেছিল।সম্মূখ যুদ্ধের পাশাপাশি কূটনৈতিক যুদ্ধেও পরাজিত হতে থাকে পাকি হানাদাররা। এর আগে  পালাবার পথে তারা রাস্তার ওপরের ব্রিজগুলো ভেঙ্গে দেওয়ার চেষ্টা করে। এদিকে লাকসাম, আখাউড়া, চৌদ্দগ্রাম ও হিলিতে মুক্তিবাহিনী দৃঢ় অবস্থান নেয়। পাকিস্তানি বাহিনী যুদ্ধে কুলিয়ে উঠতে না পেরে পিছু হটে বিকল্প অবস্থান নেয়। রাতে আখাউড়া ও সিলেটের শমসেরনগর যৌথবাহিনীর পূর্ণ অধিকারে আসে। আর এদিনই পাক বাহিনী  যশোর ক্যান্টমেন্ট ছেড়ে দিয়ে পলাতে বাধ্য হয় এবং যশোর জেলা হানাদার মুক্ত হয়।

আর এদিনটিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যশোরসহ সারাদেশে বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করা হয়।

//স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

অস্ত্র প্রতিযোগিতা নয় সংকটময় সময়ে শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়ুন: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

 

অস্ত্র প্রতিযোগিতা নয় সংকটময় সময়ে শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়ুন: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

অস্ত্র প্রতিযোগিতার পরিবর্তে সর্বজনীন টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সকলকে সম্পদ ব্যবহারের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিশ্বের এ চরম সংকটময় সময়ে অস্ত্র প্রতিযোগিতায় সম্পদ ব্যয় না করে শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়ে তুলতে তা ব্যবহার করুন।

রোববার ঢাকায় ‘বিশ্ব শান্তি সম্মেলন-২০২১’ এর সমাপনী ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে শনিবার দুই দিনব্যাপী শান্তি সম্মেলন শুরু হয়।

সর্বজনীন টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সবাইকে সম্পদ ব্যবহার করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আসুন আমরা সর্বজনীন শান্তির জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে কর্মযজ্ঞে নেমে পড়ি।

শেখ হাসিনা বলেন, মহামারি করোনাভাইরাস দুই বছর ধরে বিশ্বব্যবস্থাকে এক নতুন সংকটের মুখোমুখি করেছে। এ সংকট প্রমাণ করে- আমরা কেউই আলাদা নই। কাজেই শান্তিপূর্ণভাবে এ পৃথিবীতে বসবাস করতে হলে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে একটি জবাবদিহিমূলক বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই। এজন্য তিনি অংশীদারত্বের ভিত্তিতে শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সমঝোতার ভিত্তিতে সবার সঙ্গে কাজ করার জন্য বাংলাদেশ সদা প্রস্তুত।

স্বাধীনতার জন্য জাতির সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এর মধ্য দিয়ে আমরা শান্তির মূল্য এবং সমগ্র মানবজাতির গভীরতম আকাঙ্ক্ষাগুলো অনুধাবন করেছি। ফিলিস্তিনের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, বরাবরের মতো ফিলিস্তিনের জনগণের ন্যায্য দাবির পক্ষে আমাদের অবিচল সমর্থন রয়েছে।

সম্পদের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও ১১ লাখের অধিক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে বাংলাদেশে সাময়িক আশ্রয় দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর ফলে এ অঞ্চলে একটি বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে। নিজ মাতৃভূমিতে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য তার সরকার শান্তিপূর্ণ কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি উল্লে­খ করেন।

বিশ্ব শান্তি অটুট রাখতে যুদ্ধবিগ্রহের পরিসমাপ্তি এবং অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করে জোটনিরপেক্ষ নীতি গ্রহণ এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনের ওপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। জাতির পিতার শান্তি স্থাপনের প্রয়াস সম্পর্কে আলোকপাত করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পর পূর্ববাংলার জনগণের ওপর উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়া হয়। তখন এর প্রতিবাদ করেন তরুণ ছাত্রনেতা শেখ মুজিব এবং বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার আন্দোলন সংগঠিত করতে গিয়ে বারবার কারাবরণ করেন। দীর্ঘ কারাবাসের পর ১৯৫২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি তিনি মুক্তি পান। একই বছর তিনি বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় শান্তি সম্মেলনে যোগ দেন এবং প্রথম বাঙালি হিসেবে বিদেশের মাটিতে বাংলায় বক্তৃতা করেন।’

শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতা অর্জনের পর মাত্র নয় মাসে বঙ্গবন্ধু সংবিধান প্রণয়ন করে সেই সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদে ‘আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়নের’ ক্ষেত্রে বন্ধুত্বকে রেখেছেন আমাদের পররাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে। একইসঙ্গে শক্তি প্রয়োগ পরিহার, সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ, নিজ নিজ আর্থসামাজিক-রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ এবং সম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সংগত সংগ্রামকে বঙ্গবন্ধু সমর্থন দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, সাম্প্রদায়িকতা ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধেও সোচ্চার ছিলেন বঙ্গবন্ধু এবং এ দেশে সম্প্রদায়িকতার কোনো স্থান নেই বলেও বঙ্গবন্ধু উল্লেখ করেছেন। ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশের সমুদ্র সীমানা নির্ধারণ এবং এর সম্পদের শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য বঙ্গবন্ধু ‘দ্য টেরিটোরিয়াল ওয়াটারস অ্যান্ড মেরিটাইম জোনস অ্যাক্ট’ও প্রণয়ন করেন। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। আগামী প্রজন্মের জন্য জাতির পিতার স্বপ্নের আত্মমর্যাদাশীল, উন্নত ও সমৃদ্ধ ‘সোনার বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সূত্র- বাসস

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

মিয়ানমারে বিক্ষোভকারীদের ওপর সামরিক ট্রাক, হতাহত অনেক

 

রাণীশংকৈলে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও বিজয় দিবস পালনের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

//মাহাবুব আলম, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি//

ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে ৫ ডিসেম্বর রবিবার শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন ও মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এদিন দুপুরে উপজেলা হল রুমে সহকারী কমিশনার (ভুমি) ইন্দ্রজিৎ সাহার সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না।

বিশেষ অতিথি উপজেলা আ’লীগ সভাপতি অধ্যক্ষ সইদুল হক, পৌর মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শেফালী বেগম, আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দিন আহম্মেদ, ওসি (তদন্ত) আব্দুল লতিফ সেখ, বীর মুক্তিযোদ্ধা হবিবর রহমান, পৌর আ’লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম,প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাতা সভপতি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম  প্রমুখ।

এছাড়াও  বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক-সামাজিক নেতা ও সাংবাদিকরা  উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ১৬ ডিসেম্বর ও ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস এবং  ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস সফলভাবে পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

মাগুরা জেলা তথ্য অফিসের সচেতনতামূলক উঠান বৈঠক

//শ্যামল বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধি মাগুরা//

মাগুরা জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে আজ সকালে “শিশু ও নারী উন্নয়নে সচেতনতামূলক যোগাযোগ কার্যক্রম” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় মাগুরা শিশু একাডেমি মিলনায়তনে সচেতনতামূলক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জেলা তথ্য অফিসার মোঃ রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোঃ আশাদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা আহম্মদ আল হোসেন।

অনুষ্ঠানে শিশুর পরিচর্যা, শিশুর শিক্ষা, মা ও শিশুর নিরাপত্তা, শিশু ও নারী নির্যাতন রোধ, বাল্যবিবাহ রোধ, শিশু শ্রম রোধ, মাদকের অপকারীতা ইত্যাদি বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে ৬০ জন নারী ও শিশু উপস্থিত ছিলেন।

 

রবিবার থেকে ১১০ টাকায় পাওয়াযাবে সয়াবিন তেল

দেশের বাজারে সয়াবিন তেলের দাম আকাশচুম্বী। খুচরা বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়। এমন পরিস্থিতিতে দাম স্থিতিশীল রাখতে রোববার থেকে ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে ১১০ টাকায় সয়াবিন তেল বিক্রি করবে সরকারের বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। এসময় পাশাপাশি পেঁয়াজ, মসুর ডাল ও চিনিও বিক্রি করবে সংস্থাটি।

শ‌নিবার টিসিবির মুখপাত্র হুমায়ুন কবির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

টিসিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, রোববার ৫ ডি‌সেম্বর থেকে ২৮ ডি‌সেম্বর পর্যন্ত সয়াবিন তেল, মসুর ডাল, পেঁয়াজ ও চিনি বিক্রি করবে টিসিবি। কোভিড-১৯ চলাকালীন সময়ে সাধারণ আয়ের মানুষকে ভর্তুকি মূল্যে সারাদেশে ৪০০ থে‌কে ৪৫৯টি ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে টিসিবির এসব পণ্য বিক্রি করবে।

ট্রাক থেকে এক জন ক্রেতা ৫৫ টাকা কেজি দরে সর্বোচ্চ দুই কেজি চিনি, ৬০ টাকা কেজি দরে সর্বোচ্চ দুই কেজি মসুর ডাল, ১১০ টাকা দরে ২-৫ লিটার সয়াবিন তেল ও কে‌জি ৩০ টাকা দ‌রে পেঁয়াজ কিনতে পারবেন।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার অজুহাতে দেশের তেল ব্যবসায়ীরা তেলের দাম বাড়ায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে সরকার টিসিবির মাধ্যমে এই কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

যশোরে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে,আহত ২০

স্বজনদের সঙ্গে দেখা না করেই ফিরতে হলো হরিপুরের সীমান্তে মিলন- মেলা থেকে

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলায় ( ৩ ডিসেম্বর শুক্রবার )  টেংরিয়া গোবিন্দপুর গ্রামের কুলিক নদীর পারে ঐতিহ্যবাহী পাথরকালি মেলা উপলক্ষে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে যুগ যুগ ধরে দুই বাংলার হাজারো মানুষ স্বজনদের সঙ্গে মিলিত হয়ে কুশল বিনীময় ।

সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দুই দেশের মানুষকে আলাদা করে রেখেছে । কিন্তু দুটি ভিন্ন ভৌগোলিক সীমারেখা আলাদা করতে পারেনি মানুষের মনের টান । এই টানেই মানুষ ছুটে যায় কাঁটাতারের বেড়ার কাছে, সুযোগ পেলেই মিশে যায় একে অন্যের সঙ্গে । পেতে চায় মায়া-মমতা, স্বজনদের সান্নিধ্য।

কালী পুজার পরে ওই এলাকায় বসে এই পাথরকালি মেলা । মেলাকে ঘিরে একদিনের জন্য সীমান্ত উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় । দুই বাংলার মানুষ কাঁটাতারের বেড়ায় আত্মীয় স্বজনদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ করে । কিন্তু এবার বাংলাদেশের স্বজনরা এলেও ভারতের কাঁটাতারের বেড়ায় ভিরতে পারেনি তাদের স্বজনেরা ।এ মিলনমেলাতে  স্বজনদের দেখা করতে না পারায় কান্নায় ভেঙে পড়েন অনেকে।দেখা গেছে সকালে হাসিমুখে দেখা করতে এসে বিকালে বিদায় বেলায় কাঁদতে হয়েছে তাদের ।

বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে এবার সীমান্তের কাঁটাতারের কাছে কোন মানুষজনকে ভীড় জমাতে দেয়নি ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীবাহিনী।

হরিপুর উপজেলা প্রশাসনের সূত্রে জানা যায়, পাথরকালী জিউ পূজা উপলক্ষে প্রতিবছর এইদিনে গোবিন্দপুর কুলিক নদীরপাড়ে কাঁটাতারের কাছে দুই সীমান্তে ইংরেজি মাস ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহের শুক্রবার দিনে লাখো মানুষের সমাগমে ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশ-ভারত মিলনমেলা হয়ে থাকে । এবার করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে মিলনমেলা’র আয়োজন করা হয়নি। এতে কাঁটাতারের ওপারে থাকা আত্মীয়স্বজনরা মিলিত হতে পারনেনি

সেতাবগঞ্জ উপজেলা থেকে আসা রুনা বেগম বলেন, ভারতে ভাই-ভাবি বসবাস করেন। তাই তাদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছি কিন্তু পুলিশ বিজিবি কাঁটাতারের পাশে ভিড়তে দেয়নি ।পীরগঞ্জ থেকে আসা বাকলী রাণী (৫৭), চন্দ চাঁদ রায় (৬০) আমল (৪৭) সহ বিভিন্ন এলাকার অনেকে বলেন, সকাল থেকে আমরা আত্মীয়স্বজনদের সাথে দেখা করার জন্য অপেক্ষায় রয়েছি। দুপুর গড়িয়ে বেলা শেষের দিকে তারপরেও দেথা করতে পারছিনা। করোনা ভাইরাসের কারণে সব বন্ধ। আত্মীয়রা ওপারে অপেক্ষায় রয়েছে কাঁটাতারের কাছে আসতে পারছেনা।এবার পূজা সম্পন্ন করেই বাড়ি যাব। আগামী বছর দেখা করার অপেক্ষায় রইলাম ।

পূজা কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নগেন কুমার পাল বলেন,করোনা ভাইরাসের কারণে মিলনমেলা করা সম্ভব হয়নি শুধু পূ্জা পালন করা হয়েছে।

হরিপুরের গোবিন্দপুর ও চাপাসার ক্যাম্পে কর্মরত সীমান্ত বাহিনীরা জানান, করোনা ভাইরাসের কারণে এবার মিলনমেলা বন্ধ করে দিয়েছে ভারতীয় কতৃপক্ষ। এবং কাঁটাতারের কাছে কোন বাংলাদেশীরা যেন না যায় সে বিষয়ে আমাদের অনুরোধ করেছেন তারা।

মাহাবুব আলম রাণীশংকৈল  ,ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশালে পার্বত্য শান্তি চুক্তি দিবস পালিত

 

বরিশালে পার্বত্য শান্তি চুক্তি দিবস পালিত

পার্বত্য শান্তিু চুক্তির ২ যুগ পূতি উপলক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও সাবেক কৃষি মন্ত্রী শহীদ আঃ রব সেরনিয়াবাতের প্রতিকৃতি ম্যুরালে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে বিসিসি মেয়র সহ মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ সংগঠন।

এছাড়া দিবসটি জাতীয়ভাবে আলোচিত করতে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে বিকালে জমকালো স্মরনকালের সমাবেশ সহ আনন্দ শোভাযাত্রা বণ্যাঢ্য র‌্যালির আয়োজন সম্পূর্ণ করেছে মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ। এ উপলক্ষে সাজসজ্জা করার পাশাপাশি ব্যানার-ফেস্টুন দিয়ে সাজানো হয়েছে গোটা নগরী।

মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যলয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিুর রহমান ও সাবেক কৃষি মন্ত্রী শহীদ আঃ রব সেরনিয়াবাতের প্রতিকৃতি ম্যুরালে বুধবার রাত ১২,১মিনিটে প্রথম প্রহরে বিভিন্ন ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের নিয়ে প্রথমে বিসিসি ও পরে মহানগর আওয়ামীলীগের হয়ে পূস্পাঘ অর্পন করেন বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ,মহানগর সভাপতি এ্যাড,একে এম জাহাঙ্গির হোসাইন সহ দলীয় নেতৃবৃন্দ।

বৃহস্পতিবার (২) ডিসেম্বর সকাল নয়টায় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য এ্যাড, তালুকদার মোঃ ইউনুসের নেতৃত্বে জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি সৈয়দ আনিছুর রহমান, জেলা শ্রমিকদল সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান হাওলাদর সহ জেলা আওয়ামী লীগ শ্রদ্ধা নিবেন করেন।

পরবর্তীতে প্রর্যায়ে ক্রমে জেলা ও মহানগরকৃষকলীগ,শ্রমিকলীগ,

মহিলালীগ যুবলীগ,ছাত্রলীগ সহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন। অন্যদিকে দক্ষিণ বঙ্গের আওয়ামী লীগ রাজনীতির হেভিওয়েট নেতা আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র অনুসারীরা শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন হওয়ায় ও জাতীয়ভাবে আলোচিত করার জন্য বিকালে নগরীর সিটি কর্পোরেশন মোড়ে মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগের মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি এ্যাড,একে এম জাহাঙ্গির হোসাইনের সভাপতিত্বে আয়োজিত সমাবেশ উদ্ধোধন করবেন বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

এসময় সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখবেন কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ যুগ্ম সাধারন সম্পাদক কৃষিবীদ আ.ফ.ম বাহাউদ্দিন নাসিম।

এখানে অরো বক্তব্য রাখবেন কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন,আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড,শাম্মি অক্তার,কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় সহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ। সমাবেশ শেষে নগরীতে প্রদক্ষিণ করবে বিশাল বণ্যাঢ্য আনন্দ শোভা যাত্রা র‌্যালি।

শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নের ২যুগ পূর্তি উপলক্ষে এক ফেইজবুক লাইবে বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লা বলেন,যেহেতু ২৪ বছর তাই এবার ব্যাতিক্রমীভাবে পালন করা হয়েছে ।

//পলাশ চন্দ্র দাসঃ বরিশাল প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

২০১১ সালে আমিনবাজারে ছয় ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা: ১৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

 

আন্তর্জাতিক বাজার স্থিতিশীল হলে দেশেও তেলের দাম কমবে

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ওঠানামা করছে। কখনও বাড়ছে, আবার কখনও কমছে। দাম স্থিতিশীল হলে কমানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

সরকারি ক্রয় কমিটির বৈঠক শেষে বুধবার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান।

তেলের দাম কমানোর বিষয়ে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন থেকে এখনও কোনো প্রস্তাব আসেনি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, যদি প্রস্তাব আসে, তা হলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে দেশে গত ৪ নভেম্বর থেকে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম এক লাফে লিটারে ১৫ টাকা বাড়িয়ে করা হয় ৮০ টাকা।

এই সিদ্ধান্তের প্রভাবে পরিবহন ভাড়া বেড়ে গেলে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমলে সরকার আবার সমন্বয় করবে।

দেশে তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত আসার দুই সপ্তাহের মধ্যেই করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন শনাক্তের খবরে তেলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে কমতে থাকে।

গত ২৭ অক্টোবর আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ব্যারেল অশোধিত তেলের দাম ৮৫ ডলার থেকে গত রাতে সেটি নেমে এসেছে ৬৭ ডলার ৮৮ সেন্টে। এই দাম ২০২০ সালের এপ্রিলের পর থেকে সবচেয়ে কম।

করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের প্রভাব দেশে খুব একটা পড়বে না বলেও আশা করছেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, এটা দেশের জন্য তেমন ক্ষতি বয়ে আনবে না।

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ম্যুরাল নির্মাণ নিয়ে কটূক্তি করা মেয়র আব্বাস আলী আটক

 

ওমিক্রন: হিন্দুস্তান টাইমসের ওই প্রতিবেদনে ‘উচ্চ ঝুঁকি’তে বাংলাদেশ

করোনার নতুন যে ধরনটিকে ‘ভয়াবহ’ বলে মনে করা হচ্ছে, সেই ওমিক্রন ঠেকাতে ভারত ‘উচ্চ ঝুঁকি’র দেশের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। হিন্দুস্তান টাইমসের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশের নামও।

কয়েকটি দেশে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুকে কেন্দ্র করে রোববার এ নির্দেশনামূলক তালিকা প্রকাশ করেছে ভারত সরকার। করোনার এ নতুন ধরন প্রথম শনাক্ত হয় দক্ষিণ আফ্রিকায়। পরে তা বেশ কয়েকটি দেশে ছড়িয়ে পড়ে।

ভারত সরকারের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের সবগুলো দেশকে উচ্চ ঝুঁকিতে রাখা হয়েছে। সেইসঙ্গে বাংলাদেশসহ আরও ১১টি দেশকে এ তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।

তালিকায় থাকা ওমিক্রনের ‘উচ্চ ঝুঁকি’র দেশগুলো হলো- যুক্তরাজ্যসহ পুরো ইউরোপ, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল, বাংলাদেশ, বোতসোওয়ানা, চীন, মরিশাসম নিউজিল্যান্ড, জিম্বাবুয়ে, সিঙ্গাপুর, হং কং ও ইসরায়েল।

ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এসব দেশ থেকে যাত্রীরা ভারতে প্রবেশ করামাত্র বিমানবন্দরে আরটি-পিসিআর টেস্ট করতে হবে। তাদেরকে বিমানবন্দরে থেকেই এ টেস্টের ফলাফল জানার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

যাত্রীদের মধ্যে যাদের করোনা পজেটিভ দেখাবে, তাদেরকে হাসপাতালে নেয়া হবে। সেখানে তারা কোয়ারেন্টিনে থাকবেন। যতক্ষণ না তাদের করোনা নেগেটিভ আসছে, ততক্ষণ তাদের সেখানে থাকতে হবে।

এ ছাড়াও ‘উচ্চ ঝুঁকির’ এসব দেশ থেকে ভারতে যাওয়া যাত্রীদের করোনা পজেটিভ না হলেও ‘হোম কোয়ারেন্টিনে’ থাকতে হবে এবং আটদিন পর একটি টেস্ট করিয়ে করোনা নেগেটিভ দেখাতে হবে।

ভারতে এখনও ওমিক্রনে আক্রান্ত কারো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তবে মহারাষ্ট্রের থানেতে এক দক্ষিণ আফ্রিকা ফেরত ব্যক্তির করোনা শনাক্ত হওয়ায় তার ওপর বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

হাইমচরে মৎস্যজীবী লীগের দ্বিতীয় বছর উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত