মাশরাফিসহ ৫ হুইপ নিয়োগ / হুইপদের কাজ কী ও কি সুবিধা পান

 //দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের যাত্রা শুরু হচ্ছে আগামী ৩০ জানুয়ারি। এই সংসদে কারা কী দায়িত্ব পালন করবেন সেটা এখন পুনর্বিন্যাস করা হচ্ছে। সবশেষ সোমবার (২২ জানুয়ারি) সরকারি দল আওয়ামী লীগের পাঁচজন হুইপ নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে। শিগগির রাষ্ট্রপতি এ ব্যাপারে প্রজ্ঞাপন জারি করবেন বলে জানা গেছে।

ক্ষমতাসীন দলের হুইপ হিসেবে নিয়োগ পাচ্ছেন তারকা ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মুর্তজাসহ পাঁচজন। এর মধ্যে মাশরাফিসহ তিনজন নতুন মুখ এবং দুইজন পুরনো। এছাড়া আরও একজন হুইপ নিয়োগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

হুইপ হচ্ছে পার্লামেন্ট বা আইনসভার সদস্য। হুইপের কাজ হলো নিজ দলের সদস্যদের পার্লামেন্ট বা আইনসভায় হাজির করা। হুইপ তাগাদা দিয়ে তার দলের সদস্যদের পার্লামেন্টে হাজির করান। সাধারণত কোনো প্রশ্নে ভোটাভুটি করার সময় সরকার ও বিরোধী দল উভয়পক্ষের প্রয়োজন পড়ে স্ব স্ব পক্ষের যথাসম্ভব অধিকসংখ্যক সদস্যকে পার্লামেন্টে হাজির রাখার। এই দায়িত্বটিই হুইপের ওপর ন্যস্ত থাকে।

এমনিতে হুইপ করার মানে হচ্ছে সচেতন করা। সরকারি দল ও বিরোধী দল উভয়েই স্ব স্ব হুইপ নিয়োগ করে। তারা মূলত সংসদ অধিবেশন সুশৃঙ্খলভাবে চলতে স্পিকারকে সহযোগিতা করেন। তাদের মধ্যে যিনি প্রধান তাকে বলা হয় চিফ হুইপ।

রাষ্ট্রীয় মর্যাদাক্রম অনুযায়ী, চিফ হুইপ পূর্ণ মন্ত্রীর পদমর্যাদা ভোগ করেন। আর হুইপরা ভোগ করেন প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা।

একজন মন্ত্রী প্রতিমাসে বেতন বাবদ এক লাখ পাঁচ হাজার টাকা পাবেন। প্রতিমন্ত্রীর বেতন ৯২ হাজার টাকা। মন্ত্রীরা সরকারি ব্যয়ে সুসজ্জিত বাসভবন পাবেন, সেজন্য তাদের ভাড়া দিতে হবে না। প্রতিমন্ত্রীরাও এ সুবিধা পাবেন।

তবে কোনো মন্ত্রী সরকারি বাড়িতে থাকতে না চাইলে বাসাভাড়া বাবদ মাসে ৮০ হাজার টাকা করে পাবেন ভাতা হিসেবে। প্রতিমন্ত্রী হলে পাবেন ৭০ হাজার টাকা। নিজ বাড়ি বা ভাড়া বাড়িতে থাকলে ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য তিন মাসের বাড়ি ভাড়ার সমপরিমাণ টাকা তারা প্রতিবছর পাবেন। বাসভবনে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি ও টেলিফোনের জন্য যাবতীয় ব্যয় সরকার বহন করবে। সরকারি বাড়ির সাজসজ্জার জন্য একজন মন্ত্রী পাঁচ লাখ টাকা এবং প্রতিমন্ত্রী চার লাখ টাকা পাবেন প্রতি বছর।

মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা সরকারি খরচে গাড়ি পাবেন। সরকারের পরিবহন পুল থেকে এই গাড়ি সরবরাহ করা হবে। প্রতিদিন ১৮ লিটার জ্বালানি তেলের দাম পাবেন গাড়ির জন্য।

সরকারি প্রয়োজনে বা নির্বাচনী এলাকায় ভ্রমণের সময় মন্ত্রণালয়ের অধীন যেকোনো সংস্থা বা দফতর থেকে একটি জিপ পাবেন তারা। দেশের ভেতরে কোথাও ভ্রমণে গেলে দৈনিক ভাতা পাবেন দুই হাজার টাকা করে। বিমান ভ্রমণের ক্ষেত্রে বছরে ১০ লাখ টাকা বিমাসুবিধা পাবেন তারা।

মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী অসুস্থ হলে চিকিৎসার পুরো ব্যয়ভার বহন করবে সরকার। সেই খরচের কোনো সীমা আইনে বেঁধে দেওয়া হয়নি। তবে খরচের ভাউচার দিতে হবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে।

দেশি-বিদেশি অতিথিদের আপ্যায়নের জন্য একজন মন্ত্রী মাসে ১০ হাজার টাকা করে আপ্যায়ন ভাতা পাবেন। আর প্রতিমন্ত্রী পাবেন সাড়ে ৭ হাজার টাকা।

মন্ত্রীরা নিজেদের পছন্দমত উপসচিব পদমর্যাদার একজন একান্ত সচিব (পিএস) নিতে পারেন। এ ছাড়া একজন সহকারী একান্ত সচিব, দুজন ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, দুজন অফিস সহায়ক, একজন পাচক, একজন জমাদার এবং একজন আরদালি তারা পাবেন। প্রতিমন্ত্রীরা একজন একান্ত সচিব, একজন ব্যক্তিগত সহকারী, একজন অফিস সহায়ক, একজন জমাদার এবং একজন আরদালি পান।

নিজের নির্বাচনী এলাকার মসজিদ, মন্দির উন্নয়নসহ এলাকার মানুষের দাতব্য কাজে একজন মন্ত্রী বছরে ১০ লাখ টাকা পাবেন। আর প্রতিমন্ত্রী পাবেন সাড়ে সাত লাখ টাকা। এ টাকার মধ্যে মন্ত্রী একজন ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা দিতে পারবেন। প্রতিমন্ত্রী দিতে পারবেন ৩৫ হাজার টাকা। এই টাকার কোনো নিরীক্ষা হবে না।

 প্রথম দেখায় আমি নেত্রীর পা ধরে সালাম করেছি- এমপি ব্যারিস্টার সুমন

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামনে দাঁড়ানো তাঁর একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। সে মুহূর্তে দুজনের মধ্যে কী কথা হয় তা জানতে বেশ আগ্রহী হয়ে ওঠে সুমনের ভক্ত-সমর্থক ও তাঁর এলাকার ভোটাররা। অবশেষে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রথম দেখা নিয়ে মুখ খুললেন আলোচিত এই সংসদ সদস্য।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বলেন, ‘নেত্রী আপনাকে সালাম করার জন্য আমাকে দুই লাখ ভোট পেতে হয়েছে।’

শনিবার দুপুরে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় নানা শ্রেণিপেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় তিনি এ কথা জানান।

সভায় বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে ব্যারিস্টার সুমন বলেন, “প্রথম দেখায় আমি নেত্রীর পা ধরে সালাম করেছি। এরপর নেত্রী আমাকে বলেছেন, ‘কী খবর তোমার?’ তখন বুঝলাম তিনি আগে থেকেই আমাকে চিনেন।

সুমন আরো বলেন, ‘নেত্রী আমাকে কেউ আপনার কাছে আসতে দেয় না। আপনাকে সালাম করার জন্য আমার দুই লাখ ভোট পেতে হয়েছে। তখন নেত্রী হাসিমুখে আমাকে দোয়া করে দিয়েছেন। এই দোয়া সামনের পথ পারি দিতে সহযোগিতা করবে।

ব্যারিস্টার সুমন প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা হওয়ার ছবিটি ফেসবুকে পোস্ট করে উল্লেখ করেন, ‘আমি আওয়ামী লীগ করি, কিন্তু কোনো দিন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সাথে এভাবে দেখা হয়নি। অনেকেই বলেছিলেন দেখা করাবেন। কিন্তু সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের মতো কেউ কথা রাখেনি। অবশেষে আমার স্বপ্ন গতকাল পূরণ হয়েছে। আমার রাজনৈতিক জীবনে এটা অবশ্যই বড় পাওয়া।

একই দিন বঙ্গবন্ধুর ছোট কন্যা শেখ রেহানার ও মহামান্য রাষ্ট্রপতির দোয়া নেওয়ার সুযোগ পেয়েছি। রাজনৈতিক জীবনে ১১ জানুয়ারি তাই আমার সবচেয়ে স্মরণীয় দিন।’

মতবিনিময়সভায় মাধবপুর উপজেলার সর্বত্র বেশি করে ফলের গাছ লাগানোর পাশাপাশি মাদক প্রতিরোধে আন্তরিকভাবে কাজ করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।

মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ কে এম ফয়সালের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন মাধবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. শাহজাহান, পৌরসভার মেয়র হাবিবুর রহমান মানিক, সাবেক মেয়র শাহ মো. মুসলিম প্রমুখ।

শপথগ্রহণ শেষে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং নিজ এলাকায় শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এমপি- আব্দুস সালাম মূর্শেদী

এম মুরশীদ আলী, রূপসা, খুলনা।।

খুলনা- ৪ আসনে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী ছিলেন আব্দুস সালাম মূর্শেদী। তিনি (নৌকা) প্রতীক পেয়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হন এবং সংসদ সদস্য হিসেবে শপথগ্রহণ করেন।

এরপর  ২০ জানুয়ারী সকালে প্রথমেই “গোপালগঞ্জ, টুঙ্গিপাড়া” বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে জাতির পিতার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন। তাছাড়া ১৯৭৫ সালে ১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধু পরিবারের শহীদ সদস্যবৃন্দ এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ শহীদের আত্মার শান্তি কামনা এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পরিবার সদস্যদের সুস্বাস্থ্য, সাফল্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে তিনি দোয়া-মোনাজাত করেন। এরপর তাঁর নির্বাচনী এলাকায় শুভেচ্ছা বিনিময়ের উদ্দেশ্যে আসেন আব্দুস সালাম মূর্শেদী।

শপথগ্রহণ শেষে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং নিজ এলাকায় শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এমপি- আব্দুস সালাম মূর্শেদী

প্রথমে তাঁর নিজ এলাকা রূপসার নৈহাটী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের উদ্যোগে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগদানের পর প্রতিটি ওয়ার্ডে গিয়ে নেতা-কর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় ও প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন।

এ সময় তাঁর সফর সঙ্গি ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সরফুদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চু, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অধ্যক্ষ ফ ম আব্দুস সালাম,জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল, প্রফেসর আহমেদুল কবির চাইনিজ, দিঘলিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ মারুফুল ইসলাম, তেরখাদা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান এফ এম অহিদুল ইসলাম, রূপসা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সরদার আবুল কাশেম ডাবলু, ভাইস চেয়ারম্যান সারাফত হোসেন মুক্তি, নাজমা খান, ফাহানা আফরোজ মনা, ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইসহাক সরদার, মো: বুলবুল আহমেদ, মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, হায়দার আলী মোড়ল, গাজী জিয়াউর রহমান, মফিজুল ইসলাম ঠান্ডু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খান শাহজাহান কবির প‍্যারিস, সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মোঃ মোতালেব হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা, শ্যামল কুমার দাস, ইমদাদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম হাবিব, গাজী মোহম্মদ আলী জিন্নাহ, রবিউল ইসলাম বিশ্বাস, বিনয় হালদার, মিজান সরদার, প্যানেল চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান মিঠু, ওয়াহিদুজ্জামান মিন্টু, মঈন উদ্দীন শেখ, ইনতাজ মোল্লা, আবু সালেহ, আইরিন বেগম, বিনোদিনী পাল, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আনিসুর রহমান, রাজীব দাস তালটু, যুবলীগের মনিরুল ইসলাম, রূপসা উপজেলা হাট-বাজার সমিতির সভাপতি মো: জুলফিকার আলী সহ উপজেলা আওয়ামীগ ও সহযোগী সংগঠনের শত শত নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

কচুয়া উপজেলা আ:লীগের সাধারন সম্পাদক এসএম আবু বক্কার সিদ্দিকের রোগমুক্তি কমানা

//শুভঙ্কর দাস বাচ্চু,  কচুয়া, বাগেরহাট//

কচুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদ ও গোপালপুর ইউপি চেয়ারম্যান এসএম আবু বক্কার সিদ্দিক অসুস্থ্য হয়ে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। তার রোগমুক্তি কমানা করে দোয় ও মোনাজাত করা হয়।

মঙ্গলবার বিকালে উপজেল যুবলীগের আয়োজন আহবায়ক মনিরুজ্জামান ঝুমুরের সভাপতিত্বে এ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমা সরোয়ার, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি হাজরা ওবায়দুর রেজা সেলিম,যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক শিকদার কামরুল হাসান কচি, জেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক মীর জয়েসি আসরাফি জেমস, কচুয়া সদর ইউপি চেয়ারম্যান শিকদার হাদিউজ্জামান হাদিস সহ যুবলীগের সকল নেত্রবৃন্দ।

ডোনাল্ড ট্রাম্প এর জনপ্রিয়তা বাইডেনের চেয়ে অনেক এগিয়ে

 //দৈনিক বিশ্ব আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

আসন্ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থিতা প্রত্যাশী অন্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় জনপ্রিয়তার দিক থেকে এগিয়ে আছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জনপ্রিয়তার হার আগের চেয়ে আরও কমে সর্বনিম্ন পর্যায়ে আছে।

এবিসি নিউজ/ইপসোসের করা নতুন এক জরিপে এমন চিত্র দেখা গেছে। ২০২৪ সালের নভেম্বরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে অনুষ্ঠেয় আইওয়া ককাসের এক দিন আগে গতকাল রোববার জরিপের ফল প্রকাশ করা হয়।

জরিপে দেখা গেছে, তিনটি ক্ষেত্রে রিপাবলিকান প্রার্থিতা প্রত্যাশী রন ডিস্যান্টিস, নিকি হ্যালি, বিবেক রামাস্বামী এবং এসা হাটচিনসনের তুলনায় অনেক বেশি এগিয়ে আছেন ট্রাম্প।

কমপক্ষে ৬৮ শতাংশ রিপাবলিকান সদস্য এবং রিপাবলিকান সমর্থকেরা বলেছেন, ট্রাম্প প্রার্থিতা পেলে নভেম্বরের নির্বাচনে তাঁর নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। এ ক্ষেত্রে নিকি হ্যালির প্রতি সমর্থন ১২ শতাংশ, ডিস্যান্টিসের প্রতি সমর্থন ১১ শতাংশ। অন্য প্রার্থিতা প্রত্যাশীদের প্রতি সমর্থনের হার এক অঙ্কের ঘরে।

জরিপে অংশগ্রহণকারী রিপাবলিকান সমর্থকেরা দলটির অন্য মনোনয়নপ্রত্যাশীদের তুলনায় ট্রাম্পকে বেশি ‘বলিষ্ঠ নেতা’ ও প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য ‘সবচেয়ে যোগ্য’ বলে মনে করেন।

সব মিলিয়ে ৭০ শতাংশের বেশি রিপাবলিকান প্রাপ্তবয়স্ক সমর্থক চাইছেন ট্রাম্পকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হোক।

অন্যদিকে ৫৭ শতাংশ ডেমোক্র্যাট সদস্য বাইডেন সম্পর্কে এমন মনোভঙ্গি পোষণ করেন।

জরিপ অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাইডেনের জনপ্রিয়তার হার কমে সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। গত ১৫ বছরে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের জনপ্রিয়তা এতটা কম ছিল না।

নতুন জরিপে প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাইডেনের জনপ্রিয়তার হার কমে ৩৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা ২০০৬-০৮ সাল থেকে নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্টদের জনপ্রিয়তার হারের তুলনায় সর্বনিম্ন। ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট থাকাকালে তাঁর জনপ্রিয়তা ৩৬ শতাংশ পর্যন্ত নামতে দেখা গিয়েছিল। জরিপে অংশগ্রহণকারী ডেমোক্র্যাট সদস্যদের ৫৮ শতাংশ বলেছেন, তাঁরা বাইডেনকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে সমর্থন করেন না।

জরিপে দেখা গেছে, নারীদের মধ্যেও বাইডেনের জনপ্রিয়তা আরও কমেছে। জরিপে অংশ নেওয়া নারীদের প্রায় ৩১ শতাংশ বলেছেন, তাঁরা প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে সমর্থন করেন। ২০২০ সালের জরিপে ৫৭ শতাংশ নারীর সমর্থন পেয়েছিলেন তিনি। নতুন জরিপে ৩৪ শতাংশ পুরুষ বলেছেন, তাঁরা প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাইডেনকে সমর্থন করেন।

কৃষ্ণাঙ্গ ও হিস্পানিক ভোটারদের মধ্যেও বাইডেনের প্রতি আশাব্যঞ্জক সমর্থন দেখা যায়নি।

রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে সম্ভাব্য দুই প্রার্থী হিসেবে বাইডেন ও ট্রাম্পের মধ্যে তুলনার ভিত্তিতে ওই জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সততা ও বিশ্বাসযোগ্যতার দিক থেকে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে আছেন বাইডেন। এ ক্ষেত্রে বাইডেন সমর্থন পেয়েছেন ৪১ শতাংশের আর ট্রাম্প সমর্থন পেয়েছেন ২৬ শতাংশের। তবে ‘মানসিক ক্ষিপ্রতা’ ও ‘শারীরিক সক্ষমতা’র বিবেচনায় আবারও প্রেসিডেন্ট হওয়ার ক্ষেত্রে বাইডেনের চেয়ে ট্রাম্পের প্রতি সমর্থনের হার বেশি।

দীর্ঘ ১৫৬ দিন চিকিৎসা শেষে আজ বাসায় ফিরলেন বেগম খালেদা জিয়া (ভিডিও)

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

পাঁচ মাস ধরে হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণের পর আজ বৃহস্পতিবার বাসায় ফিরেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। সন্ধ্যা ৭টার দিকে তিনি গুলশান-২ নম্বরের ৭৯ নম্বর সড়কের তাঁর বাসা ফিরোজায় পৌঁছান।

দলের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। গত বছরের ৯ আগস্ট থেকে বিএনপি নেত্রী রাজধানী ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তক্রমে শারীরিক কিছু জরুরি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর দীর্ঘ ১৫৬ দিন চিকিৎসা গ্রহণ শেষে আজ বিকেল ৫টায় হাসপাতাল থেকে বাসার উদ্দেশে রওনা দেন খালেদা জিয়া। তাঁকে বহন করা গাড়িটি হাসপাতাল থেকে ৩০০ ফুট সড়ক, কুড়িল উড়ালসড়ক, শেওড়া বাসস্ট্যান্ড হয়ে বনানী কবরস্থান সড়ক দিয়ে গুলশানের বাড়িতে যায়।

বিএনপির ফেসবুক পেজের লাইভে দেখা যায়, খালেদা জিয়াকে বহনকারী গাড়ির সামনে শত শত মোটরসাইকেলে করে হাজারো নেতা-কর্মী ছিলেন। তাঁরা মিছিল করতে করতে খালেদা জিয়াকে বাসায় নিয়ে যান। এ সময় নেতা-কর্মীরা সরকার ও নির্বাচনবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেন। হাসপাতাল থেকে গুলশানের বাসা, পুরোটা পথ নেতা-কর্মীরা সড়কে থেমে থেমে এভাবে স্লোগান দেন। এতে বিমানবন্দর সড়কের রাজধানীমুখী অংশে যানজটের সৃষ্টি হয়।

গতকাল বুধবার রাতে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন প্রথম আলোকে জানিয়েছিলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা বৈঠক করেন গত মঙ্গলবার রাতে। সেই বৈঠকে তাঁর স্বাস্থ্যের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে হাসপাতাল থেকে তাঁকে বাসায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিতে তাঁর পরিবার থেকে সরকারের কাছে আবেদন করা হলেও অনুমতি পাওয়া যায়নি। এমন পরিপ্রেক্ষিতে লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত বিএনপির চেয়ারপারসনের রক্তনালিতে অস্ত্রোপচার করা হয় গত ২৭ অক্টোবর। যুক্তরাষ্ট্র থেকে তিনজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এনে তাঁর রক্তনালিতে অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল। এখন তাঁর স্বাস্থ্য অনেকটা স্থিতিশীল, তাই তাঁকে বাসায় নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

দুর্নীতির দুই মামলায় সাজাপ্রাপ্ত খালেদা জিয়া ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাবন্দী হন। দুই বছরের বেশি সময় কারাবন্দী ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসন। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সাজা ২০২০ সালের ২৫ মার্চ সরকার নির্বাহী আদেশে স্থগিত করে শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি দিয়েছিল। তখন থেকে ছয় মাস পরপর তাঁর সাজা স্থগিত করে মুক্তির মেয়াদ বাড়াচ্ছে সরকার। সূত্রঃ প্রথম আলো

নির্বাচনী জেড়ে ইউনিয়ন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয় ও নৌকার ক্যাম্প ভাঙচুর

//আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধি//

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জেড়ে বরগুনা সদর উপজেলর ৯ নং এম বালিয়াতলী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান অ্যাড. নাজমুল ইসলাম নাসির এর অস্থায়ী কার্যালয়  ও নৌকার ক্যাম্পে হামলা, ভাঙচুর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সোমবার সকাল ১১ টার দিকে চালিতাতলী বাজারে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, স্বতন্ত্র প্রার্থী ঈগল প্রতিকের কর্মী রাসেল, সোহেল ও তৈয়ব আলী বাজারে প্রবেশ করে এই হামলা চালিয়ে অফিসে থাক আসবাবপত্র ভাংচুর করে। বাঁধা দিলে অফিস সহকারী ইসমাইল হোসেন নান্নাকেও মারধর করে তারা। পরে ইউপি সদস্য নাসির মজলিস ছুটে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। পরে পুলিশকে খবর দিলে তারা গিয়ে ঘটনা স্থান পরিদর্শন করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন।

এ ব্যপারে ৯ নং এম বালিয়াতলী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান অ্যাড. নাজমুল ইসলাম নাসির বলেন, গতকাল দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচিত হওয়ায়, তার সমর্থকরা সেই উত্তেজনায় আমার অস্থায়ী কার্যালয় ও নৌকার ক্যাম্পে হামলা চালায়। আমি আওয়ামী লীগের নৌকা থেকে নির্বাচিত হয়েছি। আমার অন্য দলের নির্বাচন করার কোন সুযোগ নেই । এটাই হলো আমার অপরাধ। যার জন্য এই হামলা,ভাঙচুর ও আমার অফিস সহায়ককে   মারধর করা হয়েছে। প্রশাসনের কাছে আমার অনুরোধ, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

বরগুনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ কেএম মিজানুর রহমান বলেন,খবর শুনে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নির্বাচনে ব্যাপক প্রস্তুতি: মূল্যবান ভোটের অপেক্ষায় প্রার্থী

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা, খুলনা//

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ৭ জানুয়ারী। খুলনা-৪ আসনে ৩টি উপজেলার মধ্যে- রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া এলাকায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভোট কেন্দ্র প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এ সকল ভোট কেন্দ্রে ১২জন প্রার্থীর মধ্যে ৭জন দলীয় প্রার্থী, ৫ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী’র অংশগ্রহনের মধ্যে, ভোটারদের ভোট গ্রহন হবে।

খুলনা- ৪ আসনের মধ্যে রূপসায় ভোটার সংখ্যা ১,৫৫,৪৮০ জন, ভোটকেন্দ্র ৫৯টি। তেরখাদা উপজেলায় ভোটার সংখ্যা ১,০২,১৭১ জন, ভোটকেন্দ্র ৩৬টি এবং দিঘলিয়া উপজেলায় ভোটার সংখ্যা ৯৭,৫০২ জন, ভোটকেন্দ্র ৩৮টি। এ সকল কেন্দ্রে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচনে ব্যাপক প্রস্তুতি মূল্যবান ভোটের অপেক্ষায় প্রার্থী

এক্ষেত্রে ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য সরকারী ভাবে ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্যে স্বতস্ফুতভাবে ভোটারগণ সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট দিতে পারবে। এ সকল ভোট কেন্দ্রে যাচ্ছে- প্রিজাইডিং ও পলিং কর্মকর্তা, পুলিশ, আনসার-ভিডিপি মহিলা-পুরুষ সদস্যগণ। পাশাপাশি অতিরিক্ত নিরাপত্তার জন্য পুলিশের গোয়েন্দা শাখা ও পুলিশের টহল টীমের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, র‌্যাব এবং বিজিবি টীম টহল দিতে থাকবে।

নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীগণ হলেন- আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী আব্দুস সালাম মূর্শেদী প্রতীক- (নৌকা)। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন এস এম আজমল হোসেন প্রতীক- (নোঙ্গর)। বাংলাদেশ কংগ্রেস মনিরা সুলতানা প্রতীক- (ডাব)। জাতীয় পার্টি মো: ফরহাদ আহমেদ প্রতীক- (লাঙ্গল)। ন্যাশনাল পিপলস পার্টি মো: মোস্তাফিজুর রহমান প্রতীক- (আম)। ইসলামী ঐক্যজোট রিয়াজ উদ্দিন খান প্রতীক- (মিনার)। তৃণমূল বিএনপি শেখ হাবিবুর রহমান প্রতীক- (সোনালী আঁশ)। তাছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীগণ হলেন- এইচ এম রওশান জামির প্রতীক- (কাঁচি)। এম, ডি, এহসানুল হক প্রতীক- (সোফা)। এস এম মোর্ত্তজা রশিদী দারা প্রতীক- (কেটলি)। মো: জুয়েল রানা প্রতীক- (ট্রাক)। মো: রেজভী আলম প্রতীক- (ঈগল) এ ভোট যুদ্ধে অংশগ্রহন করছেন।

আমতলীতে গভীর রাতে ভোট কেন্দ্রে দুর্বৃত্তদের আগুন

মাহমুদুল হাসান, বরগুনা প্রতিনিধিঃ

বরগুনার আমতলীতে গভীর রাতে ২টি ভোট কেন্দ্রে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) রাত সারে ১১টার দিকে  এই ঘটনা ঘটে।

উপজেলার আড়পাংগাশিয়া ইউনিয়নের বালিয়াতলী চরকগাছিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও মধ্য আড়পাঙ্গাশিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ে মাদ্রাসার নৈশ প্রহরী আবু জাফর ও অফিস সহকারী মোঃ আল-আমিন বলেন,রাত আনুমানিক সারে ১১টার দিকে হঠাৎ আগুন জ্বলতে দেখে তারা আগুন নেভাতে যান। পরে তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। তবে কে বা কারা এ আগুন দিয়েছে তা বলতে পারেননি।

বালিয়াতলী চরকগাছিয়া দাখিল মাদ্রাসা ভোট কেন্দ্রের সংলগ্ন লোকজন বলেন,বস্তার ভেতর পেট্রোল দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে দিয়ে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন,দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় তেমন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।খবর পেয়ে সাথে সাথে পুলিশের একটি টিম সহ আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।

বরগুনা-১ এ জয়-পরাজয়ের ট্রাম কার্ড নতুন ভোটার

//মাহমুদুল হাসান,আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধি//

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নিবার্চনে বরগুনা-১ (আমতলী-তালতলী ও বরগুনা সদর) আসনের ৭৯ হাজার ৫০৯ তরুণ ভোটারই হতে পারে জয়-পরাজয়ের ট্রামকার্ড। এরা যাকে ভোট দিবে তিনিই হবেন এ আসনের সাংসদ। এ কারনেই তরুণ ভোটাররাই প্রার্থীদের কাছে অধিক প্রিয়।

জানাগেছে,দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নিবার্চনে বরগুনা-১ আসনে মোট চার লক্ষ ৮৩ হাজার ৯১১ জন ভোটার রয়েছে।এরমধ্যে ৭৯ হাজার ৫০৯ জন তরুণ ভোটার। এ তরুণ ভোটাররাই ৭ জানুয়ারীর ভোটের জয় পরাজয়ের নিয়ামক। তরুণ ভোটাররা যে প্রার্থীকে ভোট দিবে তিনিই হবেন বরগুনা-১ এর সাংসদ। তাই প্রার্থীরাও তরুণ ভোটারদের টানতে জোর প্রচেষ্টা চালিয়েছেন।তবে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে,তরুণ ভোটাররা যে কোন প্রার্থীর দিকে ঝুঁকে পরতে পারে।এদের সাথে আলোচনা করে বোঝা যায় স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু ভোট হলে তারা ভোট কেন্দ্রে যাবেন এবং পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিবেন। বরগুনা-১ আসনে মুল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন আওয়ামীলীগ প্রার্থী অ্যাড. ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু,বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের জেষ্ঠ্য যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম সরোয়ার টুকু,জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য গোলাম সরোয়ার ফোরকান ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা খলিলুর রহমান।

এবারের ভোট নিয়ে কথা হলে তরুণ ভোটার কবির,সুজন, রোজিনা, শিলা,রাসেল,ফয়সাল ও রুবেল জানান,জীবনের প্রথম জাতীয় সংসদ নিবার্চনে ভোট দেব।তাই সবকিছু বুঝে শুনেই দেব।যাকে দিয়ে এলাকার উন্নয়ন,সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকবে তাকেই জীবনের প্রথম ভোট দেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।