বাগেরহাটের চিতলমারীতে সম্মেলনকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষ আহত -১০

//বিশেষ প্রতিনিধি, জেনিভা প্রিয়ানা//

বাগেরহাটের চিতলমারীতে কলাতলা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল) সম্মেলনকে কেন্দ্র করে কিবির মাস্টার গ্রæপ ও মোস্তাফিজুর রহমান কচি গ্রæপের সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ১০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১১ ফেব্রæয়ারী) দুপুর ২ টার দিকে উপজেলার চরচিংগুড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকায় এ সংঘর্ষ হয়। আহতদের চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, টুংগিপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। এ ঘটনায় পরস্পবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে।

সংঘর্ষে আহতরা হলেন, কিবির মাস্টার গ্রæপের আরিফুজ্জামান (৪৫), দবির শেখ (৪০), ভুলু মোল্লা (৫০) ও আব্দুল আলী (৩০)। মোস্তাফিজুর রহমান কচি গ্রæপের আহতরা হলেন খাদিজা বেগম (২৯), ইউনুছ শেখ (৫৫), ওসমান শেখ (৪০), কদম আলী (৪৫) ও শাহিদা বেগম (৩৫)। এদের মধ্যে আরিফুজ্জামান ও খাদিজা বেগমের অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

কিবির মাস্টার জানান, মঙ্গলবার কলাতলা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সম্মেলন ছিল। তার পক্ষের সভাপতি প্রার্থী ছিলেন মনিরুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ছিলেন শাহিন শেখ। অপরদিকে মোস্তাফিজুর রহমান কচির পক্ষের সভাপতি প্রার্থী ছিলেন অহিদুজ্জামান ঠান্ডা ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ছিলেন মো. ইউনুছ। দুপুর ২ টার দিকে ৫০টি ভোট বাকি থাকতে কচির লোকজন যখন বুঝতে পারে তারা ঠকে যাবে, তখন তারা হামলা চালিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে ৬ থেকে ৭ জনকে আহত জখম করে।

মোস্তাফিজুর রহমান কচি জানান, তার পক্ষের লোকজন জয়লাভ করেছে। এমনটা শুনতে পেরে কিবির মাস্টারের লোকজন তাদের উপর হামলা চালিয়ে ৭ থেকে ৮ জনকে গুরুতর জখম করেছে। আহতদের চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, টুংগিপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ব্যাপার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চিতলমারী উপজেলা শাখার আহবায়ক মোমিনুল হক টুলু বিশ্বাস বলেন, ‘সম্মেলন কেন্দ্রের ৫০০ গজের মধ্যে কোন ঘটনা ঘটেনি। কলাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি প্রার্থী কিবির মাস্টারের ছেলে ও তার লোকজনের উপর দুর্বৃত্তরা হামলা হামলা চালিয়েছে। এর সাথে আওয়ামী মাইন্ডের লোকজনও জড়িত আছে। যদি বিএনপির লোকজন জড়িত থাকে তাদের বিরুদ্ধে আমরা সাংহঠনিক ব্যবস্থা নেব।’

চিতলমারী থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম শাহাদাৎ হোসেন জানান, ওয়ার্ড বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে উভয়পক্ষের লোকজন আহত হয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কোন পক্ষ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

নির্বাচন শেষে ভেদাভেদ ভুলে যান- তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করুন, লায়ন ডঃ শেখ ফরিদুল ইসলাম

//বিশেষ প্রতিনিধি, জেনিভা প্রিয়ানা//

নির্বাচন শেষে সকল ভেদাভেদ ভুলে যান, তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করুন। দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কাজ করছে। পর্যায়ক্রমে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে ইলেকশন হবে। দীর্ঘদিন পর দেশে গণতন্ত্র চর্চা শুরু হয়েছে।

হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর দেশে এখন আর গণতন্ত্র চর্চায় বাধা নেই। কথাগুলো বলেছেন বাগেরহাট জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং বাগেরহাট -২ (সদর – কচুয়া) আসনে নির্বাচনী মনিটরিং টিমের আহবায়ক লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম। সোমবার (১০ নভেম্বর) জেলা সদরের কাড়াপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ শেষে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় বিএনপি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরো বলেন, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ত্যাগীদের নির্বাচিত করার জন্য আমাদের সুযোগ করে দিয়েছেন। ওয়ার্ড থেকে ইউনিয়ন উপজেলা এবং জেলা পর্যায়ে নেতা নির্বাচন করার জন্য ভোটের ব্যবস্থা করেছেন। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ওয়ার্ড কমিটি গঠনের জন্য অনেক অভিযোগ পেয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত অভিযোগগুলো সব ব্যক্তিগত এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষে। কোন দলের বিরুদ্ধে কেউ অভিযোগ করেনি। বিএনপিকে শক্তিশালী করতে হবে এজন্য সর্বক্ষেত্রে আপনাদের সহযোগিতা দরকার।

লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, ৩১ দফায় কৃষকের কথা বলা হয়েছে, দিনমজুর ও ছাত্রদের কথা বলা হয়েছে। যারা প্রশাসনে কাজ করছে তাদের কথাও বলা হয়েছে। আপনারা এগুলো পড়বেন এবং জানবেন। আপনারা যদি দলকে ভালোবাসেন তারেক রহমানকে ভালোবাসেন তাহলে অবশ্যই ৩১ দফা পালন করার চেষ্টা করবেন। তারেক রহমান যে স্বপ্ন দেখছেন ৩১ দফা পালনেই আমরা সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারব।

গোপালপুর ইউনিয়ন বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

//শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট//

বাগেরহাটের কচুয়ার উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়ন বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার বিকেলে গোপালপুর শহীদ আসাদ স্মৃতি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে কচুয়া উপজেলা বিএনপির আহবায়ক হাজরা আছাদুল ইসলাম পান্নার সভাপতিত্বে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনে ভোটের মাধ্যমে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি, সিনিয়র সহ-সভাপতি, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক পদে ভোট অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণ সম্পাদক পদে কোন  প্রার্থী না থাকায় শহিদুল ইসলাম খোকন বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় নির্বাচিত হয়েছেন। কর্মীদের ভোটে সভাপতি পদে আনোয়ার হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ আাঃ গনি, যুগ্ন-সাধারণ পদে সহিদুল শেখ, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে শেখ জাকির হোসেন নির্বাচিত হয়েছেন।

সম্মেলনে বক্তব্য দেন,বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ সালাম, জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, সসদস্য ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ রানা, এ্যাড. মিজানুর রহমান, সৈয়দ নাসির আহমেদ মালেক,খান মনিরু ইসলাম, কচুয়া উপজেলা বিএনপির প্রধান সমন্বয়ক সরদার জাহিদ, বাগেরহাট জেলা মহিলা দলের সভাপতি শাহিদা আক্তার, কচুয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ন-আহবায়ক খান শহিদুজ্জামান মিল্টন, কবির হোসেন, বেদার উদ্দিন ডাকুয়া, বিএনপি নেতা হুমায়ুন কবির প্রমুখ।

মোংলায় রাতে আওয়ামী লীগ- বিএনপির সংঘর্ষে আহত -৮

//বিশেষ প্রতিনিধি: জেনিভা প্রিয়ানা//

মোংলায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টয় পৌর শহরের মিয়াপাড়া এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বিএনপির আহতরা হলেন- জসিম, মাহাবুব, লিটন, দিলরুবা এবং আওয়ামী লীগের শহিদুল মোল্লা, নাঈম মোল্লা, সাদ্দাম মোল্লা, পারভীন। বিএনপির আহতরা মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি হয়েছেন।

মোংলায় রাতে আওয়ামী লীগ- বিএনপির সংঘর্ষে আহত -৮

আহত বিএনপির কর্মীরা জানান, আওয়ামী লীগের নেতা শহীদুলের বাড়িতে গোপন মিটিং হচ্ছিল, সেখানে গেলে তারা আমাদের ওপর হামলা করে। আর আওয়ামী লীগের আহতরা জানান, বিএনপির লোকজন তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান।

মোংলায় রাতে আওয়ামী লীগ- বিএনপির সংঘর্ষে আহত -৮
মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মেহেদী হাসান জানন, আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তবে তাদের মধ্যে গুরুতর কোন রোগী নাই।

মোংলা থানার ওসি (তদন্ত) মানিক চন্দ্র গাইন জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ ও নৌ-বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কারো কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

বাগেরহাটে ছাত্রদল নেতা সাওনের নেতৃত্বে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা সাকিবের ওপর হামলা

//বিশেষ প্রতিনিধি, জেনিভা প্রিয়ানা//

বাগেরহাট জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক কে.এম. সাকিবের ওপর  সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে মোরেলগঞ্জ উপজেলার ঘষিয়াখালী-মল্লিকেরবেড় খেয়াঘাটে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

ওই রাতেই আহত ছাত্র নেতাকে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মামলা হয়নি, কাউকে আটকও করতে পারেনি পুলিশ।

আহত কে. এম. সাকিব মোরেলগঞ্জ উপজেলার ঘোষিয়াখালী গ্রামের বিল্লাল খলিলাফার বড় ছেলে। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বাগেরহাট জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক।

২৫০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছাত্র নেতা কে.এম. সাকিব  বলেন, গতকাল রাতে ঘষিয়াখালী-মল্লিকেরবেড় খেয়াঘাটে ঘষিয়াখালী থেকে মল্লিকের বের এলাকায় যাওয়ার জন্য কিছু লোক যায়। ঘাটের ট্রলার মালিকরা বলেন, জাহিদ ট্রলার চালাতে নিষেধ করছে।

তখন বিষয়টি জানতে গেলে, জাহিদের লোকজন ছাত্রদল নেতা সাওন নেতৃত্বে, রনি, সবুজ, তুহিন, মারজান ও মো. রাফি আমার উপর হামলা করে। তাদের মারধরে আমার মাথা ফেটে গেছে, শরীরের বিভিন্ন স্থানে পিটিয়েছে হামলাকারীরা। হামলাকারীদের বেশিরভাগের বাড়ি রামপাল উপজেলার মল্লিকের বেড় এলাকায়।

সাকিব আরও বলেন, ঘষিয়াখালী-মল্লিকেরবেড় খেয়াঘাটটি দখল করে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি করছিল আওয়ামী সরকারের প্রভাবশালীদের ছত্র ছায়ায় স্থানীয় জাহিদুল ইসলাম ও তার লোকজন। সরকার পতনের পর বিএনপি নেতাদের ছত্রছায়ায় আবারও ঘাটে চাঁদাবাজী শুরু হয়েছে। এ অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় এর আগেও আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছিল চাঁদাবাজরা।

ঘাটের দায়িত্বে থাকা জাহিদুল ইসলাম বলেন, মল্লিকের বাজারে জাহিদুল ইসলাম নামের এক যুবদল নেতা রয়েছেন, সাকিব তাকে গালিগালাজ করেছেন। এর কারণেই ছাত্রদলের ছেলেরা সাকিবকে দু-একটা চরথাপ্পড় দিয়েছে। যেহেতু যুবদল নেতা এখন ক্ষমতায়, তাই তার নাম না বলে আমার নামে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

বাগেরহাট ২৫০ শয্যা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক অসীম কুমার সমাদ্দার জানান, গতকাল রাতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বাগেরহাট জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক কে.এম. সাকিব হাসপাতালে ভর্তি হন। বর্তমানে তিনি অনেকটাই সংকটমুক্ত। আমরা আশাবাদী, তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে যাবেন।

মোরেলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুল হাসান বলেন, মারধরের খবর শুনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা সাকিবকে বাগেরহাট ২৫০ শহর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অভিযুক্তদের আটক করতে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। তবে অভিযুক্ত বেশিরভাগের বাড়ি রামপাল উপজেলায় হওয়ায় কাজ করতে কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে। তবে এ ঘটনায় আহত সাকিবের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো মামলা বা অভিযোগ দেয়নি।

বাগেরহাটে বিএনপির ওয়ার্ড কমিটিকে কেন্দ্র করে আট বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও নারীসহ আহত ২৫ জন

//বিশেষ প্রতিনিধি, জেনিভা প্রিয়ানা//

বাগেরহাটে সদরের চিরুলিয়া বিষ্ণুপর বিএনপি’র ওয়ার্ড কমিটিকে কেন্দ্র করে একই দলের রুহুল মেম্বর গ্রুপের ৮ বাড়িতে আগুন দিয়েছে প্রতিপক্ষ মাসুম মোল্লা ও মোস্তাফিজ মোল্লাগ্রুপ। উভয় পক্ষের হামলা-পাল্টা হামলায় নারী-শিশুসহ অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। বুধবার(০৮ জানুয়ারি)সন্ধ্যায় বাগেরহাট সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের কুলিয়াদাইড় গ্রামে এই হামলা,লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার দিন বিকেলে উভয় পক্ষের মধ্যে একাধিকবার হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানাযায়,গত ৫আগস্টের পর থেকে বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ন আহবায়ক ও সাবেক ইউপি সদস্য রুহুল আমিন ও ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানের মধ্যে প্রকাশ্যে বিরোধ দেখা যায়। এ নিয়ে উভয় পক্ষের লোক জনের মাঝে একাধিক বার সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি গঠন নিয়ে গত 6 জানুয়ারী সোমবার রাতে কুলিয়াইড় ভিআইপি মেড়ে উভয় পক্ষের মধ্যে মারপিট ও মোটরসাইকেল ভাংচুরের মাধ্যমে এই হামলার অভিষেক হয়। এত মোস্তাফিজ গ্রুপের পাচজনআহত হয়।

ওই ঘটনার জেরে বুধবার দুপুরে ও বিকেলে উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনার এক পর্যায়ে সন্ধ্যার পর মোস্তাফি ও মাসুমের নেতৃত্বে শ্যকরা মুলঘর ও বারুই পাড়ার শতাধিক লোকজন রুহুল মেম্বর ও তার ৭ ভাইয়ের বাড়িতে হামলা,ভাঙচুর,লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে।এ সময় ৫ টি বসতঘর, 4টি রান্না ঘর,২টি গোয়াল ঘর,২টি জ্বালানী কাঠের ঘর এবং ঘরে থাকা ফ্রিজ,,আলমিরাসহ মূল্যবান জিনিস পত্র আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। লুটে নেয় নগদ টাকা, স্বর্নালংকারসহ মূল্যবান মালামাল।

আগুন নেভাতে যেয়ে, শেখ ছায়েল উদ্দিন(৬০) মোহাম্মদ শেখ(৫৫) কামরুল শেখ(৫৩), নজরুল শেখ(৫০) মনি শেখ(৪৮) ইসমাইল শেখ(৪৫) ইসমাল এর স্ত্রী(২৪)হেণা আক্তার (৩৩) মনিরা বেগম(৪৫) রুহুল আমিন(৬২)সহ আরো অনেকে পতিপক্ষের ইটের আঘাতে জখম হয়। এর মধ্যে ছায়েল উদ্দিন এর অবস্থা আশঙ্কা জনক তাকে খুমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

প্রতি পক্ষের প্রতিবাদের মুখে মোস্তিাফিজ গ্রপের মোহ্ম্দ মোল্লা(৪৫), তুহিন(৩৫) কেরামত(৫৪) ও মামুন(৩৮) রুহুল মেম্বার গ্রুপেরলোকজনের হামলায় জখম হয়। এর মধ্যে মামুনের শঙ্কা জনক।

স্থা্নীয় ও প্রত্যক্ষদর্শিরা বলছে, হামলার স্থান থেকে একটু অদুরেই চিরুলিয়া স্কুল এ্যান্ড কলেজের সামনের ব্রিজের উপর পুলিশ ও সেনা বাহিনীর উপস্থিতিস থাকলে ও ওই মূহূর্তে প্রশাসনের কোন দল হামলা কারিদের নিভৃত করতে যায় নাই।

রুহুলের পরিবারের সদস্যরা জানান,কয়েক দিন ধরে মোস্তাফিজের লোকজন আমাদেরকে মারধরের চেষ্টা করছিল। এর জন্য আমাদের পুরুষরা গা ঢাকা দিয়েছিল। পুরুষরা বাড়ী না থাকায় তারা বাড়ীর মধ্যে এসে আমাদের সবশেষ করে দিয়ে গেল। রুহুল মেম্বর স্ত্রী রজিনা বেগম বলেন, আমার স্বামী রুহুল আমিন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হতে চায়।এটাই আমাদের দোষ,আর এ কারণেই প্রতিপক্ষরা আমাদের উপর হামলা করেছে। তিনি অভিযোগ করেন, মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে ইমরান,কামরান, মাহবুব, মাসুমসহ বহিরাগত ২শ থেকে আড়াইশো লোকজন তাদের বাড়ি ঘরে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে।

রুহুল মেম্বরের ছোট বোন ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, আমার ভাই তালিম ভাইয়ের গ্রুপ করিছিলো। প্রতিপক্ষরা বাড়িতে হামলা করে নারী, শিশু ও বৃদ্ধদেরও রক্তাক্ত জখম করেছে। আমরা বলেছি, ঘরে শিশুরা আছে, তাও কোন ছাড় দেয়নি, আগুন দিয়ে দিছে।পুলিশ-আর্মি দাড়ায়ে রইছে, আমাদের বাড়ি পোড়ায়ে দেল, কোন সাহায্যই করেণি।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানকে ফোন করা হলে তার মুঠো ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। আগের দিনের ঘটনা নিয়ে গতকাল তিনি সাংবাদিকদের বলেছিলেন,রুহুল মেম্বরের ভাই আওয়ামী লীগের ক্যাডার শেখ রেজাউল করিম রেজার নেতৃত্বে সোমবার রাতে ১৫-২০ জন সন্ত্রাসী ঢাল শড়কি ও ধারালো দা লাঠি নিয়ে হামলা চালিয় আমাদের ৫ নেতা কর্মীকে আহত করে। এসময় তারা আমাদের ৫টি মটর সাইকেল ও একটি অটো গাড়িসহ একটি দোকান ভাংচুর ও লুটপাট করে।

মোস্তাফিজুর রহমান গ্রুপের নেতা বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মাসুম মোল্লা বলেন, সোমবার রাতে ভাংচুর করা মোটরসাইকেল নিয়ে আজ দুপুরে থানায় যাচ্ছিল, আমার ভাই মামুন মোল্লা। তখন রুহুল মেম্বরের লোকজন তার উপর হামলা করে। আমরা তার চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ছিলাম। এরই মধ্যে বিকেলে আমার আরেক ভাই মাহমুদ মোল্লাকে কুপিয়ে রাস্তার উপর ফেলে রেখে যায় প্রতিপক্ষরা। সন্ধ্যার দিকে তারা ঢাল শরকি নিয়ে আবারও বের হয়, তখন পুলিশও ছিল। এসময় আমাদের লোকজন তাদেরকে ধাওয়া করে, পরে তারা নিজেরা বাড়িতে আগুন দেয়।

বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মোঃ তৌহিদুল আরিফ বলেন, বিএনপির কাউন্সিল নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে ঝামেলা চলছিল। গেল পরশুও মারামারি হয়েছে। এর জেরেই আজ দুইপক্ষে আবার মারামারি করেছে। এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত্য কোন পক্ষ কো আভিযোগ দায়ের করে নাই।

Daily World News

বাগেরহাটে ধ্রুবতারা যুব উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ

রামপালে ছাত্রদলের ৪৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি

বিশেষ প্রতিনিধি: জেনিভা প্রিয়ানা||

বাগেরহাটের রামপালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ৪৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়।

বুধবার (১জানুয়ারি) বেলা ১১ টায় রামপাল সরকারি কলেজ গেট থেকে রামপাল উপজেলা ছাত্রদল ও রামপাল সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে এ বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। উক্ত র‍্যালিতে উপস্থিত ছিলেন রামপাল উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মোল্লা তরিকুল ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক ইব্রাহিম হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক মইনুল হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফ হাসান গাজনবী, সদস্য মোফাজ্জল হুসাইন বাদল, ইমরান হাওলাদার তুহিন, রফিকুল ইসলাম, ইয়াছিন আরাফাত শেখ প্রমুখ।

এ সময় ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ ছাত্রদলের বিভিন্ন ইস্যুতে স্লোগান দেন।একই দিনের সকাল সাড়ে ১০ টায় ছাত্রদলের অপর একটি অংশ উপজেলার ফয়লাহাটের খুলনা-মোংলা মহাসড়কে বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, রামপাল উপজেলা  ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মো. মেহেদী হাসান, যুগ্নআহবায়কহাফিজুর রহমান হাফিজ, ইব্রাহিম আকঞ্জি, মিলন লস্কর, মেহেদী হাসান, সাবেক সদস্য, সাগর শেখ, শহিদুল শেখ, আশিকুজ্জামান সুমন, আহাদ শেখ প্রমুখ।

বাগেরহাটের রামপালে বিএনপি নেতা ফারুকের সংবাদ সম্মেলন

//বিশেষ প্রতিনিধি, জেনিভা প্রিয়ানা//

বাগেরহাটের রামপালে বিএনপি নেতা ফারুক আহমেদকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে এক সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। বুধবার (১ জানুয়ারি) বেলা ১২ টায় প্রেসক্লাব রামপাল এর সভা কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন করেন হুড়কা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ ফারুক আহম্মেদ।

এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্দেশনায় তৃণমূল বিএনপির কমিটি গঠনের জন্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উৎসবমুখর পরিবেশে আমরা সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করছি। এর মধ্যে আওয়ামীলীগের দোসররা বিএনপির মধ্যে ঐক্যের ফাটল ধরাতে এবং আওয়ামীলীগের লোকদের নিয়ে কমিটি করতে চাপ দিচ্ছে।

এই সুযোগে তারা ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টা করছে। তারই ধারাবাহিকতায় জনৈক তহিদ গাজীর ছেলে সোহাগ গাজীকে দিয়ে তারা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান করে আমার নাম ও হুড়কা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. রুহুল আমিন গোলদারকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে আমি মারামারি ঠেকিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে মিমাংশার চেষ্টা করি।

ওই সময় হুড়কা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি রুহুল গোলদার ছিলেন না। প্রকৃতভাবে দলের বৃহত্তর ঐক্যের স্বার্থে তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি কোন প্রকার ষড়যন্ত্র পা না দেয়ার জন্যে আহবান জানান। সংবাদ সম্মানে হুড়কা ইউনিয়ন বিএমপির সাবেক সভাপতি মো. রুহুল আমিন গোলদার উপস্থিত ছিলেন

বরগুনায় বর্নাঢ্য আয়োজনে ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিক পালিত

এইচ এম দেলোয়ার, আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধিঃ

“সারাদেশের ন্যায় বরগুনায়ও যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বর্নাঢ্য আয়োজনের মধ্যে দিয়ে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে স্থানীয় ছাত্রনেতাদের পাশাপাশি অংশ নেন জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা।

সকাল ৮ টায় দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর বেলা ১২ টায় দলীয় কার্যলয়ের সামনে থেকে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে প্রেস ক্লাব চত্বরে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বরগুনা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ফয়জুল মালেক সজীবের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন,জেলা বিএনপি’র সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড.রেজবুল কবির, কে এম শফিকুজ্জামান মাহফুজ, সদর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক তালিমুল ইসলাম পলাশসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ । এতে বক্তব্য রাখেন, জেলা ছাত্র দলের সহ-সভাপতি মেহেদী হাসান রাসেল, জেলা ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক নুরুল ইসলাম রনি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিএম নাসির, রাকিবুল ইসলাম রাকিব, আমিনুল ইসলাম নাবিল, গোলাম রাসেল খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আল আরিফ, প্রচার সম্পাদক সালেহ আরাফাত, সহ-সম্পাদক রেশাদ জামান বাপ্পি, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মো: রাইসুল আমিন হৃদয় ও পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব ইমরান হোসেন নাদিম।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সহ-প্রচার সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ রাজন।

সেখানে বক্তারা সংগঠনের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং ভবিষ্যৎ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করেন বলেন, ছাত্রদল সবসময় গণতন্ত্রের পক্ষে কাজ করে এসেছে এবং ভবিষ্যতেও একই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে।

জেলা বিএনপি  সদস্য সচিব বাবু’র সুস্থতা কামনা করে ডুমুরিয়ায় বিএনপি ও শ্রমীকদলের দোয়া অনুষ্ঠিত

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি//

নবগঠিত খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ আবু হোসেন বাবু গুরুতর অসুস্থ হয়ে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন, তার আশু রোগ মুক্তি কামনা করে ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপি এক দোয়া মাহফিলের করে ।

৩০ ডিসেম্বর  সোমবার যোহরবাদ ডুমুরিয়া উপজেলা কমপ্লেক্স জামে মসজিদে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক শেখ সরোয়ার হোসেন,যুগ্ম আহবায়ক  শেখ হাফিজুর রহমান, জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক খান ইসমাইল হোসেন,যু্গ্ম আহবায়ক বিএম হাবিবুর রহমান হবি, যুগ্ম আহবায়ক শেখ মশিউর রহমান লিটন,যুগ্ম আহবায়ক  আমিনুর রহমান মোড়ল, সরদার দৌলত হোসেন, মোঃ নজরুল ইসলাম, আজমল হুদা মিঠু,হাফিজুর সেলিম,   ইব্রাহিম খান টুটুল, মোঃ শাহাদাৎ হোসেন, হাবিবুর রহমান ফকির,হাফিজুর রহমান বিশ্বাস,  হবি খান, রকিব খান, সাইদুজ্জামান পল্টু, মোঃ বেলাল হোসেন, সাগর কাজী, শেখ সাদিক মোঃ মিলন,  মোঃ রাশেদুল  প্রমুখ । অপরদিকে উপজেলা  শ্রমীক দলের আয়োজনে আছরবাদ  বাজারের পুরাতন ট্রলার ঘাট এলাকায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ডুমুরিয়া  উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি শেখ ফরিদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ আবদুল কাদের, যুগ্ম সম্পাদক আবু বক্কার মোল্যা,আসলাম শেখ, ইমরান শেখ, সারিফ মোল্যা,জিহাদ পাড়,ইব্রাহিম ফকির  প্রমুখ ।