শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহনে মার্চপাস্ট ও র‍্যালীর আয়োজন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

করোনার কারণে মার্চ-২০২০ মাস থেকে অদ্যাবধি সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে শুধুমাত্র কিছু মাদ্রাসা বাদে এবং প্রতিষ্ঠানগুলি বন্ধের একটি বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেছে।

মার্চ-২০২১ এর ৩০ তারিখে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার জন্য একটি রোডম্যাপ তৈরি করা হলেও গত কিছুদিন যাবত করোনা আক্রান্ত ও মৃতের হার বেড়ে যাওয়ায় এ এবং ও লেভেলের পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে অনেকটাই সংশয় দেখা দিয়েছে।

গতকাল ১৮ মার্চ-২০২১ রোজ বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক ( মাধ্যমিক) প্রফেসার মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে উল্লেখ করেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শ্রেণীকক্ষে সরাসরি পাঠদান কার্যক্রম কোভিট-১৯ পরিস্থিতির কারণে বন্ধ আছে।

শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহনে মার্চপাস্ট ও র‍্যালীর আয়োজন বন্ধ রাখা নির্দেশ

 

 

কিন্তু ইতিমধ্যে কিছু কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহনে মার্চপাস্ট ও র‍্যালীর আয়োজন করছে যা এই মূহুর্তে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পূর্বের ধারাবাহিকতায় শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ঝুঁকির দিক চিন্তা করে শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ে এমন কোন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানান।

সকল জল্পনা কল্পনার আবসান ঘটিয়ে ৩০ মার্চ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত

 স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

আগামী ৩০ মার্চ-২০২১ রোজ মঙ্গলবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার জন্য আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পূর্বে ১.শিক্ষা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় শিক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক- কর্মচারীদের টীকা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা,২.শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংস্কার ও মেরামতের প্রয়োজন হলে ৩০ মার্চের পূর্বেই শেষ করা। এবিষয়ে শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তর, স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে গণপূর্ত অধিদফতর সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহ সংস্কার ও মেরামতের ব্যবস্থা করা। ৩. মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা/ সহকারীগণ পর্যায়ক্রমে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করবেন এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনে চলার বিষয়টি মনিটরিং করা ও ৪. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পর এসএসসি শিক্ষার্থীদের ৬০ কর্মদিবস ও এইচএসসি শিক্ষার্থীদের ৮০ কর্মদিবস পাঠদানের পর সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে মূল্যায়ন/ পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। উল্লেখিত সিদ্ধান্ত সমূহ বাস্তবায়নের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় গুলিকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করেন।