উপকূলীয় অঞ্চলের কিশোরী শিক্ষার্থীদের STEM ও ICT শিক্ষা বৃদ্ধি কর্মশালা অনুষ্ঠিত

//এম মুরশীদ আলী //

উপকূলের মেয়েদের STEM শিক্ষায় সুযোগ ও সম্ভাবনা নিয়ে সমন্বিত উদ্যোগে অ্যাডভোকেসি কর্মশালা গত ১০ জানুয়ারি সকাল ১১ টায় খুলনা আভা সেন্টারের অনুষ্ঠিত হয়।

কিশোরী মেয়েদের জন্য (বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, ইঞ্জিনিয়ারিং ও গণিত) এবং ICT শিক্ষায় অন্তর্ভুক্তি বাড়ানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (BDOSN) ও বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশন (BFF) এর উদ্যোগে এবং “স্টেম এন্ড আইসিটি স্কিলস ফর দ্যা গার্লস অফ কোস্টাল এরিয়া” প্রকল্প কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য ছিল, উপকূলীয় অঞ্চলের কিশোরী শিক্ষার্থীদের STEM ও ICT শিক্ষায় অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি করা এবং তাদের ক্ষমতায়নে সমন্বিত উদ্যোগ গড়ে তোলা।

কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্যে বিএফএফ এর নির্বাহী পরিচালক সাজ্জাদুর রহমান চৌধুরী বলেন- “উপকূলীয় অঞ্চলের মেয়েদের STEM ও ICT শিক্ষায় অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে নীতি নির্ধারক ও অংশীদারদের মধ্যে একটি শক্তিশালী সংযোগ তৈরির কোনো বিকল্প নেই। আজকের কর্মশালা থেকে প্রাপ্ত সুপারিশগুলো বাস্তবায়নে আমরা প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখব”। উল্লেখ্য- ২০২৩ সাল থেকে বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (BDOSN)- এর উদ্যোগে ও বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশন (BFF)- এর সহযোগিতায় এবং মালালা ফান্ডের পৃষ্ঠপোষকতায় স্টেম এন্ড আইসিটি স্কিলস ফর দ্যা গার্লস অফ কোস্টাল এরিয়া প্রকল্পটি উপকূলের মাধ্যমিক স্কুলের মেয়েদের বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তিতে আগ্রহ তৈরী ও দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। যার অংশ হিসেবে উক্ত কর্মশালার আয়োজন। এই কার্যক্রমকে টেকসই করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পরিবার, স্থানীয় সরকার, এনজিও এবং বেসরকারি খাতের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।

অতিথির মধ্যে বক্তৃতা করেন- খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যাল অধ্যাপক ড. হেলাল আন নাহিয়ান, মালালা ফান্ডের এডুকেশন চ্যাম্পিয়ন নেটওয়ার্ক মুনির হাসন, মাচাটোনিস কুয়েট দেব প্যান্ট হেড প্রফেসর ড. হেলাল নাহিয়ান, রূপসা উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. রাকিবুল ইসলাম তরফদার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এস.এ আনোয়ার-উল কুদ্দুস, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন, ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশ মো. জাকারিয়া, সংবাদকর্মী এম মুরশীদ আলী, মো. আজিজুল ইসলাম প্রমূখ।

কর্মশালায় দলগত আলোচনা ও প্যানেল সেশনে শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক, স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি ও এনজিও নেতৃবৃন্দ উপকূলীয় মেয়েদের STEM শিক্ষায় অংশগ্রহণের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে মতামত দেন।রূপসা উপজেলার ৪ টি মাধ্যমিক হলো-১.  কাজদিয়া সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২. পিঠাভোগ ডি.জি.সি. মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৩. কমরেড রতন সেন কলেজিয়েট গার্লস স্কুল, ৪. নৈহাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া উপকূলের মেয়েদের ক্ষমতায়নে কাজ করা ৬টি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কর্মকর্তা সহ ৭০ জন উপস্থিত ছিলেন।

প্রাথমিকে বার্ষিক পরীক্ষা; রূপসায়- ৯৫৬২ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্ৰহন

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা, খুলনা//

রূপসা উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক পরীক্ষা-২০২৫, শুরু ১ ডিসেম্বর থেকে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত। স্ব-স্ব বিদ্যালয়ের ১ম ও ২য় শ্রেণীর পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত এবং ৩য় থেকে ৫ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা দুপুর ১.৩০ মি: থেকে ৪টা পর্যন্ত।

শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়- সমগ্র উপজেলায় প্রথম শ্রেণীতে ১৮১৫ জন, দ্বিতীয় শ্রেণীতে ১৮৯০ জন, তৃতীয় শ্রেণীতে ২০০১ জন, চতুর্থ শ্রেণীতে ২০৪১ জন এবং পঞ্চম শ্রেণীতে ১৮১৫ জন। সর্বমোট- ৯৫৬২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মুহাঃ আবুল কাশেম জানান- এ উপজেলায় ৬৮ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। প্রতি বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হয়েছে। আগামী ৩০ ডিসেম্বর পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হবে।

প্রাথমিকে প্রান্তিক মূল্যায়ন; রূপসায়- ৯৯০৯ জন শিক্ষার্থীর অংশগ্রহন

//এম মুরশীদ আলী: রূপসা//

রূপসা উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রান্তিক মূল্যায়ন স্ব স্ব বিদ্যালয়ের ১ম শ্রেণী ও ২য় শ্রেণী পরীক্ষা সকাল ১০ টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত এবং ৩য় শ্রেণী থেকে ৫ম শ্রেণীর পরীক্ষা দুপুর ১ টায় শুরু হয়ে বিকেল ৩.৩০ মিঃ শেষ হবে। এ পরীক্ষা গত ৬ মে থেকে আগামী ১৫ মে পর্যন্ত চলবে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আমিনুল ইসলাম জানান- কয়েক বছর ধরে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের শ্রেণী পাঠদান চলাকালীন ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে শ্রেণীর প্রমোশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হত। দীর্ঘকাল পর প্রাথমিকে এ বছর শুরু হলো প্রথম শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত প্রথম প্রান্তিক মূল্যায়ন পরীক্ষা। ১ম ও ২য় শ্রেণীর ৫০ নম্বরের লিখিত (যা প্রশ্ন পত্রের উপরে উত্তর দিবে) এবং ৫০ নম্বরের ধারাবাহিক মূল্যায়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এতে করে শিশুরা নিজেকে যাচাই বা মূল্যায়ন করে পরবর্তী লেখাপড়ার উন্নয়ন সাধনে সচেষ্ট হবে। তাতে শিক্ষকদের পাঠদানের প্রতি আন্তরিকতা ও দায়িত্ব বৃদ্ধি পাবে। শিক্ষার্থীরা আনন্দচিত্তে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে এবং অভিভাবকগণ পরীক্ষা ব্যবস্থা ফিরে আসাতে সন্তুষ্ট প্রকাশ করছেন।
রূপসা উপজেলায় ৬৮ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। প্রান্তিক মূল্যায়নে প্রথম শ্রেণীতে ১৮৮৯ জন, দ্বিতীয় শ্রেণীতে ১৯৬০ জন, তৃতীয় শ্রেণীতে ২০৭৩ জন, চতুর্থ শ্রেণীতে ২১১০ জন এবং পঞ্চম শ্রেণীতে ১৮৭৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে।

এসএসসি রূপসায় ৮টি কেন্দ্রে  ২০৩২ জন পরীক্ষার্থী

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

রূপসা উপজেলায় ২১ টি মাধ্যমিক ও ১০টি মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী নিয়ে ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ২০৩২ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহন করছে। পরীক্ষার জন্য ৮টি কেন্দ্র করা হয়েছে। এসএসসি (সাধরণ) প্রথম দিন বাংলা ১ম পত্র পাঠ্য বইয়ের লিখিত পরীক্ষা, মাদ্রাসা দাখিল পরীক্ষার্থী’র জন্য ১টি কেন্দ্রে কুরআন মাজিদ ও তাজবীদ লিখিত পরীক্ষা এবং ভোকেশনাল ১টি কেন্দ্রে বাংলা- ২ (১৯২১) বিষয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত ১০ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) শুরু সকাল সাড়ে ৯টায় কেন্দ্রের ভিতর প্রবেশ এবং দুপুর ১ টায় পরীক্ষা শেষ হবে।

পরীক্ষার কেন্দ্রগুলি হচ্ছে- কাজদিয়া সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে (মূল কেন্দ্র) ৩৪০ জন পরীক্ষার্থী। নৈহাটী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে (ভেনু কেন্দ্র) ১০১ জন পরীক্ষার্থী’র অংশগ্রহন। মোট-৪৪১ জন শিক্ষার্থী। ভোকেশনাল- কাজদিয়া সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে- ১৭৬ জন পরীক্ষার্থী’র অংশগ্রহন। শিয়ালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় (মূল কেন্দ্র) ২৮৪ জন পরীক্ষার্থী। এস,জি,সি টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজ (ভেন্যু কেন্দ্র) ১৬৭ জন পরীক্ষার্থী। মোট- ৪৫১ জন শিক্ষার্থী। বেলফুলিয়া ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে (মূল কেন্দ্র) ৩৫৫জন পরীক্ষার্থী। জে, কে, এস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় (ভেন্যু কেন্দ্র) ৩০৮ জন পরীক্ষার্থী’র অংশগ্রহন।  মোট- ৬৬৩ জন শিক্ষার্থী। সামন্তসেনা দারুচ্ছুন্নাত দাখিল মাদ্রাসা ৩০১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহন করবে।

পরীক্ষা তদরকি বিষয়ে- উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্বে) মো. জাহিদুর রহমান সার্বিক তত্বাবধায়নে থাকবেন। তিনি বলেন- শিক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ সিলেবাস/১০০ নম্বরের পরীক্ষা হচ্ছে। এসএসসি এবং এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল পরীক্ষা শেষ হবে ১৩মে। তাছাড়া ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৪ মে থেকে ২২ মে মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা শুরু থেকে শেষ সময় পর্যন্ত পরীক্ষার কেন্দ্র নজরদারি ও নকল মুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কেন্দ্রে একজন সরকারি ভিজিলেন্স কর্মকর্তা দায়িত্বে থাকবেন। প্রতি কেন্দ্র সমূহে প্রধান শিক্ষক, পরীক্ষা চলাকালিন সময়ে কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।

পরীক্ষার কেন্দ্র নিরাপত্তার বিষয়ে- কেন্দ্র কমিটির সভাপতির দায়িত্বে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আকাশ কুমার কুন্ডু। তিনি বলেন- পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে কেন্দ্র পরিদর্শন সহ সার্বিক খোঁজ-খবর রাখা হবে। শিক্ষার্থীরা যাতে পরীক্ষা শুরুর আধ ঘণ্টা আগে প্রবেশ করতে পারে। কেন্দ্র এলাকায় কোন প্রকার যানজট বা লোক জমায়েত না করতে পারে, সে দিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কেন্দ্রগুলোর ১০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী ছাড়া জনসাধারণের প্রবেশ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরীক্ষা নিশ্চিত করতে প্রশাসন সার্বক্ষনিক খেয়াল রাখবেন।

ডুমুরিয়ায় মওলানা ভাষানী কলেজের সহকারী অধ‍্যাপকের অবসর জনিত বিদায় সংবর্ধনা

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি//

ডুমুরিয়ার বানিয়াখালী মওলানা ভাসানী মেমোরিয়াল ডিগ্রী  কলেজের সহকারী অধ্যাপক (অর্থনীতি বিভাগ)  তপতী রানী বিশ্বাসের অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ২৭ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার দুপুরে কলেজের হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়।

এ লক্ষ্যে এক  আলোচনা সভা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল হাই এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে  বক্তব্য রাখেন কলেজ পরিচালনা পরিষদের বিদ্যোৎসাহী সদস্য ও ডুমুরিয়া  মহাবিদ‍্যালয়ের সভাপতি শেখ মশিউর রহমান লিটন, শিক্ষক প্রতিনিধি ইউসুফ আলী, সহকারী অধ‍্যাপক কে হয়রত আলী পরিচালনায় আরো বক্তব্য দেন সহকারী অধ্যাপক গোবিন্দ মন্ডল,  এইচ এম আমিনুল ইসলাম, আব্দুস সালাম, প্রভাষক ইলিয়াস হোসেন শান্তিলতা মন্ডল,  অলকেশ মন্ডল  প্রমুখ।

বাগেরহাটের চিলতমারী উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তার সাথে ওলামা লীগ সভাপতির জাতীয় পতাকা উত্তোলন

//বিশেষ প্রতিনিধি, জেনিভা প্রিয়ানা//

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ধারায় যখন দেশ চলছে- তখন বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলা সদরের একমাত্র সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে অমানবিক আচরণের ঘটনা ঘটেছে।

ঘন্টার পর ঘন্টা শিক্ষার্থীরা রোদ-তাপে দাড়িয়ে অসুস্থ হওয়ার পর অবশেষে অতিথিরা আসেন। এক মঞ্চে ইউএনওর পাশে থেকে ওলামা লীগের উপজেলা সভাপতি জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন। উপস্থাপক তৃপ্তির ঢেকুর তুলে নীতিবাক্যের বক্তব্য দিয়ে অতিথিদের নানা অলংকরণ-উপাধিতে ভূষিত করে মঞ্চে ডাকেন। ততক্ষণে ক্ষিদেয় অনেক শিক্ষার্থীর পেটে ব্যাথা শুরু হয়। মাথা ঘুরে মাটিতে বসে পড়ে মেয়ে শিক্ষার্থীরা। উপজেলার একমাত্র সরকারি বিদ্যালয়ে অতিথি বরণের এমন অমানবিক ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা নির্বাহীসহ অনুষ্ঠানের অতিথিবৃন্দদের খুশি করতে আয়োজকদের সময়জ্ঞান বহির্ভূত এই অমানবিক আচরণ ব্যাপকভাবে সমালোচিত হচ্ছে। চিতলমারী সরকারি সামছুন্নেছা মেমোরিয়াল মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে দুইদিন ব্যাপি বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে এই ঘটনা ঘটে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

৭ম শ্রেণি, ৮ম শ্রেণি, ৯ম, শ্রেণীসহ ভুক্তভোগী অন্যান্য শিক্ষার্থী জানায়, অনেক ইচ্ছে ছিল বিদ্যালয়ের দুইদিন ব্যাপি অনুষ্ঠানে অনেক আনন্দ হবে। কিন্তু এখন সব আনন্দ হারিয়ে গেছে। কারণ- সকাল ০৯টার আগে স্কুলে এসে অতিথিদের বরণ করার জন্য লাইনে দাড়িয়ে আছি। এখন বাজে প্রায় সোয়া ১১টা। কিন্তু ইউএনও কিংবা অতিথিদের দেখা নেই। আর দাড়িয়ে থাকতে না পেরে মাটিতে বসে পড়েছি। এই যদি হয় সময়ানুবর্তীতার শিক্ষা- তাহলে ভবিষ্যতে আমরা কেমন মানুষ হবো?

৯ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী জানায়, শুনেছি এই স্কুলের সভাপতি ইউএনও সাহেব। তিনিই যদি সময় মতো অনুষ্ঠানে না আসেন। আর ঘন্টার পর ঘন্টা আমরা রোদে-তাপে অভুক্ত অবস্থায় দাড়িয়ে থেকে কষ্ট পাই- তাহলে কী শেখার আছে? কী করার আছে? আমরা তো অসহায়- একদিকে স্কুলের এই অনুষ্ঠানের নিয়ম অমান্য করলে খারাপ হবে। আরেকদিকে বাড়িতে বসেও থাকতে পারিনা।

ভুক্তভোগী ৭ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী  বলে, এই অনুষ্ঠানের চিঠিতে সকাল ০৯টায় শুভ উদ্বোধন হওয়ার কথা ছিল। সেজন্য আটটার দিকে বাড়ি হতে শুধু চা-বিস্কুট খেয়ে স্কুলে আসি। কিন্তু এখন ১১টা বাজে। অতিথিরা আসেননি। প্রচন্ড খিদেয় পেটে ব্যাথা করছিল। বার বার পানি খেয়েছি। আর সহ্য হচ্ছে না। এটাও এক ধরণের অত্যাচার।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মাইকে বার বার অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি আগমনের কথা ঘোষণা করেন বিদ্যালয়ের আওয়ামীঘেষা সহকারী শিক্ষক মো. হাফিজুর রহমান। এইকথা বলে তিনি ঘন্টার পর ঘন্টা শিক্ষার্থীদের রোদে-তাপে এসেম্বলী ও গেটের দুইপাশে দাড়িয়ে থাকতে নির্দেশনা দেন। এই অবস্থায় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়ে। এছাড়া, বাংলাদেশ ওলামা লীগের চিতলমারী উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা ইদ্রিসুর রহমানকে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ইউএনওর পাশে দাড়িয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে উদ্বোধন করতে দেখা যায়। তখন উপজেলা বিএনপির কোন নেতৃবৃন্দকে দেখা যায়না। জানা যায়, এলাকার অনেক গন্যমান্য ব্যক্তিকে কৌশলে বাদ রেখে এই অনুষ্ঠানসূচি তৈরী করেন, সহকারী শিক্ষক মো. হাফিজুর রহমান।

এই বিষয়ে চিতলমারী সরকারি সামছুন্নেছা মেমোরিয়াল মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক রমেন্দ্রনাথ মল্লিক বলেন, এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে দুব্যর্বহার- কৌশলে শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন, সরকারী অর্থ আত্মসাৎ, কোচিং বানিজ্য, গাইডবই বানিজ্য সহ অসংখ্য অনিয়ম রয়েছে। তার বিষয়ে কেউ প্রতিবাদ বা অভিযোগ করলে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদকারীর বিরুদ্ধে মিছিল সহ নানাভাবে লেলিয়ে দেওয়া হয়।

অভিযোগ বিষয়ে চিতলমারী সরকারি সামছুন্নেছা মেমোরিয়াল মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. হাফিজুর রহমান এর কাছে জানতে ফোন দিলে তিনি পোন রিসিভ করেননি।

এই বিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তাপস কুমার খান জানান, কত ঘন্টা ধরে শিক্ষার্থীরা দাড়িয়ে কষ্ট পাচ্ছিল সেটা তার জানা নেই। কোন শিক্ষার্থী অসুস্থতার বিষয়ে তাকে জানায়নি বলে জানান।

চিতলমারী সরকারি সামছুন্নেছা মেমোরিয়াল মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির (এসএমসি) সভাপতি এবং অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপস পাল জানান, আমি এই বিষয় জানিনা কিছু তবে ব্যাবস্থা নিচ্ছি আমি।

Daily World News

বাগেরহাটে মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়ে বৃত্তি প্রদান

নির্বাচন শেষে ভেদাভেদ ভুলে যান- তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করুন, লায়ন ডঃ শেখ ফরিদুল ইসলাম

বাগেরহাটের রামপালে স্মার্ট ক্লাইমেট কৃষি মেলায় পণ্য প্রসাধনী আলোচনা সভা

বাগেরহাটে মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়ে বৃত্তি প্রদান

//বিশেষ প্রতিনিধি, জেনিভা প্রিয়ানা//

বাগেরহাটে মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। ১১ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার সকালে শহরের জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে বাগেরহাট জেলা পরিষদ এর আয়োজিত সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক আহমেদ কামরুল হাসান।

জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ভাষ্কর দেবনাথ বাপ্পি’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক ডাঃ মোঃ ফকরুল হাসান,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা ও আই সিটি সাদিয়া ইসলাম, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম ছায়েদুর রহমান,সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ হাবিবুর রহমান, এলজিইডি বাগেরহাট প্রধান প্রকৌশলী মোঃ শরিফুজ্জামান,বাগেরহাট প্রেসক্লাব এর সভাপতি মোঃ কামরুজ্জামান, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন বাগেরহাট এর সহ-সমন্বয়ক এর আব্দুল্লাহ আল রুমান সহ অন্যান্যরা।

অনুষ্ঠানে এস এস সি, এইচ এস সি,মেডিকেল ও  বিশ্ব বিদ্যালয় পর্যায়ে ২০২৩ সালে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখা ২৫৯ জন শিক্ষার্থীকে মোট ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করা হয়।

সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে খেলাধুলার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম 

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

৫৩ তম জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে  শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান গত ৪ ফেব্রুয়ারি বিকালে রূপসা উপজেলা সদরস্থ কাজদিয়া সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে আন্তঃস্কুল ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ক্রিকেট, ভলিবল, ব্যাডমিন্টন ও এ্যাথলেটিকসের বিভিন্ন ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়।

সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে খেলাধুলার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম 

প্রতিযোগীতায়  ক্রিকেটে- চ্যাম্পিয়ান হয় গাজী মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও রানার্সআপ হয় আজগড়া উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়। ভলিবল (বালক) চ্যাম্পিয়ান কাজদিয়া উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও রানার্সআপ বেলফুলিয়া ইসলামীয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়। ভলিবল (বালিকা) চ্যাম্পিয়ান নৈহাটী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও রানার্সআপ কাজদিয়া সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়। ব্যাডমিন্টন (বালক) একক চ্যাম্পিয়ান কাজদিয়া সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও রানার্সআপ জেবিএম মাধ্যমিক বিদ্যালয়। ব্যাডমিন্টন (বালিকা) একক চ্যাম্পিয়ান নৈহাটী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও রানার্সআপ কমরেড রতন সেন কলেজিয়েট স্কুল। ব্যাডমিন্টন (বালক) দ্বৈত চ্যাম্পিয়ান কাজদিয়া সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও রানার্সআপ জেবিএম মাধ্যমিক বিদ্যালয়। ব্যাডমিন্টন (বালিকা) দ্বৈত চ্যাম্পিয়ান নৈহাটী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও রানার্সআপ কাজদিয়া সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন- উপজেলা নির্বাহী অফিসার আকাশ কুমার কুন্ডু। তিনি বলেন- খেলাধুলা শরীর গঠনের পাশাপাশি মানবিক গুনাবলীর বিকাশ ঘটাতে সহায়তা করে। খেলাধুলার মাধ্যমে যুব সমাজ মাদকাসক্তি থেকে দূরে থাকে। যুব সমাজ ও কিশোর-কিশোরীদের স্বাভাবিক জীবন, লেখাপড়া ও দেশ গড়ার কাজে খেলাধুলার গুরুত্ব অপরিসীম।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার জন্য মাঠ নির্মাণ করা আছে। এ সকল মাঠে শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা করাতে নানারকমের রোগ ব্যাধি প্রতিরোধেও প্রয়োজনীয়তার বিকল্প হয়ে উঠে। তাদের খেলাধুলার মাধ্যমে মানব শরীরের দৈহিক শ্রমের ক্ষমতা বৃদ্ধি হয়। শরীরের সহনশীলতা বাড়ায় এবং মনের প্রফুল্লতা বৃদ্ধি করে। যেমন: সাঁতার শরীরের মেদ দূর করে এবং ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। তাই সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে খেলাধুলার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আইরিন পারভীনের সভাপতিত্বে ও  একাডেমিক সুপারভাইজার নিত্যানন্দ মন্ডলের পরিচালনায় বক্তৃতা করেন- নৈহাটী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রবিউল ইসলাম পলাশ, শিক্ষক আব্দুর রহমান খান, মো. মনিরুজ্জামান, কৃষ্ণপদ রায়, জাহাঙ্গীর আলম, প্রভাষক বাসির আহমেদ লালু, হায়দার আলী, ক্রীড়া শিক্ষক আঃ রহমান ঢালী, আঃ কাদের, সাইফুল ইসলাম, হুমায়ুন কবির, শেখ আলাউদ্দিন মিলন, হাফিজুর রহমান, ব্রজেন দাশ, গোবিন্দ চন্দ্র রায়, নৃপেন্দ্র নাথ রায়, হাসিব শেখ, মনতেজ আলী, সোহাগ, শরিফুল ইসলাম, বিপ্লব সরকার, প্রকাশ চন্দ্র বালা, মোল্লা সাইফুল ইসলাম, দেবাশীষ বিশ্বাস, মেজবাউল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম, নুর ইসলাম বাবু, সুবর্ণ বিশ্বাস, শিমুল বিশ্বাস, স্বপন মন্ডল, হাসিবুর রহমান, ইসমত আর  প্রমূখ।

কচুয়ায় মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা

//শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট//

বাগেরহাটের কচুয়ায় সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগপ্রাপ্ত ৭জন ভবিষ্যৎ চিকিৎসককে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।

বুধবার উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে এম আবু নাওশাদ ৭জন মেধাবী ভবিষ্যৎ চিকিৎসককে সংবর্ধনা প্রদান করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন,সহকারী কমিশনার (ভূমি) বিজয় কুমার জোয়ার্দার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আ.স.মোঃ মাহাবুবুল আলম,উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মানিক অধিকারীসহ বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষকগন, কলেজ ও স্কুলের শিক্ষার্থী।

কচুয়া উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের ইউনিয়নের হতদরিদ্র ভ্যান চালক শেখ আসাদুজ্জামানের কন্যা আরিফা আক্তার (বরিশাল)। কচুয়া গ্রামের শিকদার রুস্তুম আলীর কন্যা শামসুর নাহার সাদিয়া(মাগুড়া)। টেংরাখালী গ্রামের শেখ কাওছার হামিদ এর কন্যা শারমিন আক্তার(পটুয়াখালী)। মসনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বিপুল দাসের কন্যা বর্ণালী দাস (কুষ্টিয়া)। বেতখালী গ্রামের শহিদুল ইসলাম মোক্তার এর কন্যা আসমা আক্তার (শহীদ সোহরাওয়াদী)। মঘীয়া গ্রামের দুলাল শেখের পুত্র মোঃ মেহেদি হাসান নয়ন(নওগা)। কামারগাতী গ্রামের মোঃ রফিকুল ইসলামের পুত্র সানবিম বাধন নিরব(সুনামগঞ্জ) সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে।

রূপসায় শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

প্রযুক্তিতে চৌকস বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশন স্টেম এন্ড আইসিটি স্কিলস ফর দ্যা গার্লস অফ কোস্টাল এরিয়া (STEM & ICT Skills for the Girls of Coastal Area-SISGCA) শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় রূপসা উপজেলার নৈহাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও কমরেড রতন সেন কলেজিয়েট স্কুলের মেয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য প্রোগ্রামিং, রোবটিক্স, বিজ্ঞান ও গণিতের উপর দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

রূপসায় শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

এ ধারাবাহিকতায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাস্তবিক সমস্যা সমাধানে প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানকে কাজে লাগানোর মনোভাব সৃষ্টি ও প্রযুক্তি কর্মক্ষেত্রের জন্য দক্ষ হয়ে গড়ে ওঠার উৎসাহ দিতে গত ২৯ জানুয়ারী দিনব্যাপী শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান ভিত্তিক প্রোজেক্ট প্রদর্শনী, স্ক্র্যাচ প্রোগ্রামিং কন্টেস্ট, রোবটিক্স প্রতিযোগিতা, পোস্টার প্রেজেন্টেশন, মেয়ে শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল সাক্ষরতা, জ্ঞান, প্রয়োজনীয় দক্ষতা, প্রশিক্ষণ, সচেতনতা তৈরীতে বিভিন্ন কার্যক্রম কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণপূর্বক ডিসপ্লে পরিদর্শন অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখিত প্রকল্পের নির্ধারিত দুটি স্কুল ছাড়াও রূপসা উপজেলার আরো ৬টি স্কুল এই ফেস্টে অংশগ্রহণ করে। যথাক্রমে- কাজদিয়া সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কাজদিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, বেলফুলিয়া ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, পিঠা ভোগ ডি.জি.সি হাইস্কুল, নৈহাটি গার্লস স্কুল ও কমরেড রতন সেন কলেজিয়েট গার্লস স্কুল। এ অংশগ্রহণ শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

নৈহাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন- উপজেলা নির্বাহী অফিসার আকাশ কুমার কুন্ডু।

স্টেম প্রকল্প ব্যবস্থাপক শাখিরা আফরোজ দিপার সভাপতিত্বে ও মাহমুদ হাসান শোভনের পরিচালনায় এ সময়  বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন- কমরেড রতন সেন কলেজের (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষ লক্ষ্মন কুমার সাহা, বিদ্যানুরাগি সুখেন রায়, এক্সকিউটিভ ডিরেক্টর বিডিওএম প্রণ নাসির খান সৈকত, নৈহাটী বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক সন্ধিব সরকার প্রমূখ।