কানাডার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় মাদকদ্রব্য জব্দ: মূল্য ৬কোটি ১ লক্ষ ডলার

 

কানাডার ইতিহাসে এটি সবচেয়ে বড় মাদক চোরাচালান জব্দের ঘটনা ঘটেছে। দেশটির টরেন্টোতে ছয় কোটি এক লাখ ডলার মূল্যের মাদকদ্রব্য আটক করেছে স্থানীয় পুলিশ। এই ঘটনায় ২০ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা সবাই আন্তর্জাতিক মাদক চোরাচালান চক্রের সঙ্গে সরাসরি জড়িত।

 

জানা যায়, ২০ জনকে আটকের পাশাপাশি ১ হাজার কেজি মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। যার বাজারমূল্য ৬ কোটি ১ লাখ ডলার। এছাড়া তাদের কাছে ১০ লাখ ডলারও পেয়েছে পুলিশ। আটককৃতরা প্রজেক্ট ব্রিসা ডিসমেন্টালড নামক একটি আন্তর্জাতিক মাদক চোরাচালান চক্রের সদিস্য।

 

এ ব্যাপারে টরেন্টো পুলিশ প্রধান জেমস র‍্যামার বলেন, ‘এই প্রথম আমরা এতো বড় আকারের একটি চালান জব্দ করেছি।’

এই অভিযান করার আগে ৬ মাস তদন্ত হয়েছে। এতে অংশ নেয় অন্তত ৯টি সংস্থা। এ প্রসঙ্গে র‍্যামার বলেন, সত্যি বলতে, দক্ষিণ আমেরিকার মাদক চোরাচালান চক্রগুলোর সঙ্গে এরা সরাসরি জড়িত। তাদের আটক করার থেকেও বড় বিষয়টি হচ্ছে, কানাডায় মাদকের এতো চাহিদা এবং বড় চালানের পৌছে যাওয়া।

::অনলাইন নিউজ::

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

 

 

ভারতে করোনা মহাবিপর্যয়ের জন্য দায়ী কে তা জানিয়েদিয়েছে  বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

 

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে ভারতে করোনা মহাবিপর্যয়ের নেমে এসেছে । এই ভাইরাসের প্রকোপে দিশেহারা হয়ে পড়েছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জনসংখ্যার দেশটি। কিন্তু এর জন্য দায়ী কে?

 

ল্যানসেট এবং নেচার পত্রিকার পর এবার ভারতে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির জন্য সরাসরি রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় সমাবেশকে দায়ী করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, ভারতের বর্তমান পরিস্থিতির কারণ খতিয়ে দেখতে গিয়ে তারা জানতে পেরেছেন, দেশটিতে সংক্রমণ বৃদ্ধির অনেকগুলো কারণের মধ্যে অন্যতম হল বড় বড় রাজনৈতিক জনসভা এবং ধর্মীয় জমায়েত।

 

আসলে প্রথম দফার সংক্রমণের গতি কিছুটা কমতেই ভারত সরকার তথা সাধারণ মানুষ করোনা নিয়ে অনেকটাই গা-ছাড়া মনোভাব দেখিয়েছে। সামাজিক দূরত্ব বিধি তো মানেইনি, উল্টো বড়বড় রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সমাবেশ হয়েছে দেশটিতে। করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই দূরত্ববিধি অমান্য করে ৭টি রাজ্যে নির্বাচন হয়েছে।

দেশটির খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একের পর এক বড় বড় জনসভা করেছেন। একই দোষে দুষ্ট বিরোধী শিবিরও। শুধু রাজনৈতিক সমাবেশ নয়, এমন কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে কুম্ভমেলার মতো ‘সুপার স্প্রেডার’ ধর্মীয় সমাবেশ হয়েছে। বহু পুজো-অর্চনা এবং অন্য ধর্মীয় অনুষ্ঠানে জমায়েতের অনুমতি দিয়েছে সরকার। এগুলোকেই দেশে দ্বিতীয় ঢেউয়ের ভয়াবহ আকার নেওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

 

তবে, এর পাশাপাশি দেশে কোভিডের অতি সংক্রামক স্ট্রেনের হামলাকেও সংক্রমণ বৃদ্ধির জন্য দায়ী করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। ইতিমধ্যেই করোনার B.1.617 স্ট্রেনকে গোটা বিশ্বের জন্য বিপজ্জনক হিসেবে আখ্যা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তাদের মতে, ভারতে সংক্রমণ বৃদ্ধির জন্য এই মিউট্যান্ট B.1.617 স্ট্রেন এবং B.1.616 স্ট্রেন অনেকাংশে দায়ী। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

// অনলাইন ডেস্ক //

————————

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

Oxygen …..

বিশ্বের চতুর্থ শীর্ষ ধনী বিল-মেলিন্ডা গেটসের ছাড়াছাড়ির পর অঢেল সম্পদের কী হবে…!!!

 

গোটা বিশ্বের সেলিব্রেটি দম্পতিদের অন্যতম বিল গেটস ও মেলিন্ডা গেটস। বিশ্বের চতুর্থ শীর্ষ ধনী বিলের সঙ্গে ২৭ বছর আগে গাঁটছড়া বেধেছিলেন মেলিন্ডা। প্রায় তিন দশক এক ছাদের নিচে বাস করে বিচ্ছেদের পথে হাঁটলেন এই দুজন।

বিল গেটস ও মেলিন্ডার সম্পর্কের শুরুটা ছিল পেশাভিত্তিক। ১৯৮৭ সালে প্রোডাক্ট ম্যানেজার হিসেবে মাইক্রোসফটে যোগ দিয়েছিলেন মেলিন্ডা। এরপর দুজনের মধ্যে জানাশোনা শুরু হয়।

এরপরের গল্প দুজনের সামনে এগিয়ে যাওয়া। শুরু হয় দুজনের চুটিয়ে প্রেম।

এরপর প্রেম আরও গভীর হয়েছে। প্রেম শুরুর সাত বছর পর ১৯৯৪ সালে তারা এক ছাদের নিচে থাকার সিদ্ধান্ত নেন।

বিয়ের ছয় বছর পর তারা যৌথভাবে গড়ে তোলেন দাতব্য প্রতিষ্ঠান ‘বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন’। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে কাজ করছে এ ফাউন্ডেশন। বিশ্বজুড়ে সংক্রামক রোগব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াই ও শিশুদের টিকাদানে উৎসাহিত করতে তখন থেকে এখন পর্যন্ত এই ফাউন্ডেশন প্রায় ৫৪ বিলিয়ন ডলার খরচ করেছে। একটি ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত, সচেতন, শিক্ষিত ও স্বাস্থ্যবান বিশ্ব গড়ে তোলা এ সংস্থার প্রধান উদ্দেশ্য।

ফোর্বসের হিসাবে, বিল গেটস এ মূহুর্তে বিশ্বের চতুর্থ ধনী এবং তার সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১২৪ বিলিয়ন ডলার।

তিনি মূলত এ অর্থের মালিক হয়েছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় সফটওয়্যার কোম্পানি মাইক্রোসফটের মাধ্যমে। ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠা করা এ কোম্পানিটির সহ-প্রতিষ্ঠাতা তিনি।

ধনকুবের এই দম্পতির তিন ছেলে–মেয়ে। বড় মেয়ের নাম জেনিফার গেটস। ছেলে রোরি জন গেটস মেজ। আর ছোট মেয়ে ফিবি অ্যাডেল গেটস।

মা–বাবার বিচ্ছেদের পর সন্তানেরা কী পরিমাণ সম্পদের মালিক হচ্ছেন, তা নিয়েও শুরু হয়েছে আলোচনা। তবে মা–বাবা অঢেল সম্পদের মালিক হলেও সন্তানেরা পাচ্ছেন তার খুব সামান্যই। তিন ভাই–বোনের প্রত্যেকই পাবেন এক কোটি মার্কিন ডলার। বিল ও মেলিন্ডার বাকি অর্থ চলে যাবে ট্রাস্টে।

১৯৯৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে পিছিয়ে পড়া ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করার জন্য উইলিয়াম এইচ ফাউন্ডেশন (দ্য বিল এন্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের আগের নাম) ১ হাজার ৫২৫ কোটি ডলারের বৃত্তি দেয়, যা শিক্ষাখাতে যুক্তোষ্ট্রের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সর্বাধিক অনুদান।

এ অনুদান যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষায় পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে। স্নাতক সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীদের জন্য ২০০০ সালে বিল গেটস ‘গেটস কেমব্রিজ’ বৃত্তি চালু করেন। ‘গেটস কেমব্রিজ’ বৃত্তি বর্তমান পৃথিবীতে আর্থিক অনুদানের দিক দিয়ে সর্ববৃহৎ শিক্ষাবৃত্তি। এ বৃত্তির আওতায় প্রতিবছর যুক্তরাষ্ট্র ও পৃথিবীর অন্যান্য দেশের শতাধিক মেধাবী মেধাবৃত্তি পেয়ে থাকে।

 

গেটস ফাউন্ডেশন প্রতিবছর প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে। বিল গেটস ২০০৮ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে ৬৮ কোটি ২৩ লাখ মার্কিন ডলারের অনুদান দেন পোলিও প্রতিরোধের জন্য। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ফান্ডে ইতিহাসে এত টাকা আর কোনো ব্যক্তি একসঙ্গে দেননি। ২০০৬ ও ২০১১ সালে বিল গেটস এইডস, টিবি এবং ম্যালেরিয়া প্রতিরোধকল্পে বৈশ্বিক তহবিলে ৫০ কোটি ও ৭৫ কোটি ডলারের আর্থিক অনুদান দেন।

২০১২ সালে ফাউন্ডেশনটি ২০ কোটি ৭৭ লক্ষ ডলারের আর্থিক সহায়তা প্রদান করে ‘গ্লোবাল টিবি ভ্যাকসিন ফাউন্ডেশন’কে। বর্তমানে মহামারি করোনাভাইরাস মোকাবেলায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে ১৫০ মিলিয়ন ডলারের আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে বিল এন্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন। প্রয়োজনে তা ২৫০ মিলিয়ন ডলারের উন্নীত করার আশ্বাস দিয়েছেন বিল গেটস।

 

বৈবাহিক বিচ্ছেদ হলেও আপাতত ফাউন্ডেশনে তারা এক থাকছেন। ফাউন্ডেশনের কৌশলগত বিষয়ের অনুমোদন, সব আইনি ইস্যু এবং সংস্থার সামগ্রিক দিকনির্দেশনা নির্ধারণে একত্রে কাজ করে যাবেন বিল গেটস ও মেলিন্ডা। তবে তাদের বিপুল পরিমাণ অন্যান্য সম্পত্তির হিসাব–নিকাশ হয়তো এতটা সহজ হবে না।

 

বিল-মেলিন্ডার পক্ষ থেকে ফাউন্ডেশনের ভবিষ্যতের ব্যাপারে আশ্বস্ত করা হলেও তাদের যৌথ মালিকানাধীন সম্পত্তি কীভাবে ভাগ হবে বা বিচ্ছেদের চুক্তি কী হচ্ছে, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষের কাছ থেকেই কিছু জানা যায়নি। সংশ্লিষ্ট আদালতের কাছে বৈবাহিক সম্পর্ক মিটিয়ে ফেলার আবেদনের পাশাপাশি বিচ্ছেদ চুক্তি অনুযায়ী ব্যবসায়িক স্বার্থ, দায়বদ্ধতা এবং যৌথ মালিকানাধীন সম্পত্তিও ভাগ করার জন্য আবেদন জানিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

 

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী বিল গেটস নিজ দেশ যুক্তরাষ্ট্রে বেসরকারিভাবে সবচেয়ে বেশি কৃষিজমির মালিক। গেটসের মালিকানায় রয়েছে ২ লাখ ৪২ হাজার একর কৃষিজমি। তবে দেশটির ১৮টি অঙ্গরাজ্যে ছড়িয়ে থাকা এসব কৃষিজমিতে যৌথ মালিকানাইয় মেলিন্ডারও নাম আছে। এর মধ্যে লুইজিয়ানায় ৬৯ হাজার ৭১ একর, আরকানসাসে ৪৭ হাজার ৯২৭ একর ও নেব্রাস্কায় ২০ হাজার ৫৮৮ একর কৃষিজমি রয়েছে।

 

ধারণা করা হচ্ছে, বিশ্বের অন্যতম ধনী দম্পতির বিচ্ছেদের পর এখন এই সম্পত্তি ভাগের বিষয়টি জটিল আকার ধারণ করবে। এছাড়া গেটস পরিবারের সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলার। তাই বিল গেটসের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের আপস-রফা হিসেবে মেলিন্ডা কী পাবেন, সে বিষয়ে চলছে জল্পনা।

অনলাইন ডেস্ক।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

  ১৯৮৭ সালে একটি নৈশভোজে চার চোখ প্রথম হয় গেটস দম্পতির

 

অঢেল সম্পদের মালিক তবু ২৭ বছর দাম্পত্যের পর হঠাৎ কেন দুজনার পথ গেল বেঁকে?

 

১৯৮৭ সালে একটি নৈশভোজে চার চোখ প্রথম এক হয়েছিল। এরপর সাত বছর চুটিয়ে প্রেম। অতঃপর বিয়ে।

এভাবে কেটে গেছে ২৭ টি বছর। দুজনে মিলে যে প্রতিষ্ঠানে হাত দিয়েছে সেটি সোনা হয়ে গেছে। মাইক্রসফট, বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের নাম আজ দিগবিদিক ছড়িয়ে পড়েছে। এই সময়ে তাদের ঘর আলো করে এসেছেন তিন সন্তান।  সেই সম্পর্ককে আর বয়ে নিয়ে যেতে পারলেন না। বলছি ধনকুবের দম্পতি বিল গেটস ও মেলিন্ডা গেটসের কথা।

সোমবার দীর্ঘ ২৭ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানার ঘোষণা দিলেন বিল গেটস ও মেলিন্ডা গেটস দম্পতি। টুইটার বার্তায় তারা এই ঘোষণা দিয়েছেন।

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী দম্পতির হঠাৎ এই বিচ্ছেদের ঘোষণা অবাক করেছে বিশ্ববাসীকে।

এই দম্পতির বিবাহ বিচ্ছেদের যৌথ ঘোষণা মানবহিতৈষী জগতকে নাড়িয়ে দিয়েছে বলে রয়টার্সের মঙ্গলবার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

বিবাহ বিচ্ছেদের এই সিদ্ধান্তের অর্থনৈতিক কি প্রভাব পড়বে সে বিষয়ে বিস্তারিত তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হয়নি।

বিল গেটস ও মেলিন্ডা ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নিয়ে কোর্টের দারস্থ হয়েছেন।  তাদের সম্পতি ভাগাভাগির ভারও আদালতকে দেওয়া হয়েছে।  তবে এসব বিষয়ে খুবই গোপনীয়তা অবলম্বন করেছেন বিল ও মেলিন্ডা। তাদের পরিবার কিংবা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকেও কেউ মুখ খোলতে রাজি হয়নি।

কী কারণে দুজনের পথ আলাদা হয়ে গেল সেটি এখনও স্পষ্ট নয়। বিষয়টি গোপন থাকুক সেটিই চাওয়া তাদের পরিবারের। যেমনটি জানা গেল এই দম্পতির বড় মেয়ের পোস্টে।

বিচ্ছেদের পর ইনস্টাগ্রামে জেনিফার গেটস লিখেছেন, আমাদের পুরো পরিবারের জন্য একটা দুঃসময় ছিল।’ জীবনের পরবর্তী ধাপে ব্যক্তিগত গোপনীয়তার বিষয়টি বোঝার জন্য সবাইকে অগ্রিম ধন্যবাদ দেন গেটস দম্পতির বড় মেয়ে জেনিফার।

অনেকটা হঠাৎ করেই বিচ্ছেদের ঘোষণা দিলেন দুজন। দুই সপ্তাহ আগেও মহামারি মোকাবিলায় লড়াইরত চিকিৎসাকর্মীদের নিয়ে একটি অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন দুজন। সেখানে জানান, করোনা আক্রান্তদের সহায়তায় বিলিয়ন ডলার ব্যয় করবে বিল ও মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন।

সোমবার টুইটারে পোস্ট করা যৌথ বার্তায় গেটস দম্পতি বলেন, ‘ব্যাপক চিন্তাভাবনা করে আমরা বিয়ের সম্পর্কের সমাপ্তি ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

তারা আরও লেখেছে, আমরা এটা আর বিশ্বাস করতে পারছি না যে, আমাদের জীবনের পরের ধাপে দম্পতি হিসেবে আমরা একসঙ্গে থাকতে পারব।’

বিচ্ছেদ হলেও দাতব্য কার্যক্রম একসঙ্গে চালিয়ে নেওয়ার বিষয়ে প্রত্যয়ী বিল ও মেলিন্ডা গেটস। টুইটবার্তায় লেখেন, ‘গত ২৭ বছরে আমরা অসাধারণ তিনটি সন্তান পেয়েছি। এমন একটা ফাউন্ডেশন গড়ে তুলেছি, যে ফাউন্ডেশন বিশ্বজুড়ে মানুষের স্বাস্থ্য ও সক্ষমতা নিয়ে কাজ করছে। আমরা যে বিশ্বাস থেকে ফাউন্ডেশনটি চালু করেছি, সেটা থাকবে। এই ফাউন্ডেশনের কাজ একসঙ্গে চালিয়ে যাব।

বিল ও মেলিন্ডা মিলে দাতব্য প্রতিষ্ঠান ‘বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন’ গড়ে তোলেন। বিশ্বব্যাপী এ ফাউন্ডেশন বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে কাজ করছে। বিশ্বজুড়ে সংক্রামক রোগব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াই ও শিশুদের টিকাদানে উৎসাহিত করতে কোটি কোটি ডলার ব্যয় করছে এই ফাউন্ডেশন।

বিল এই ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আর মেলিন্ডা কো-চেয়ার ও ট্রাস্টি।

সর্বশেষ হালনাগাদ আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী, ২০১৯ সাল শেষে ফাউন্ডেশনের মোট সম্পদের পরিমাণ ৪ হাজার ৩৩০ কোটি ডলার।

ওয়েবসাইটের তথ্যের বরাত দিয়ে রয়টার্স বলছে, ১৯৯৪ ও ২০১৮ সালের মধ্যে ৬৫ বছর বয়সী বিল ও ৫৬ বছর বয়সী মেলিন্ডা মিলে এই ফাউন্ডেশনে ৩ হাজার ৬০০ কোটি ডলারের বেশি দান করেছেন।

রয়টার্স বলছে, গেটস দম্পতির বিবাহ বিচ্ছেদের পর প্রতিষ্ঠান পরিচালনা বিষয়ে জানতে চাইলেও তাৎক্ষণিকভাবে ফাউন্ডেশনের কাছ থেকে কোনো জবাব মিলেনি।

// অনলাইন ডেস্ক //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

Microsoft Corporation 

কালবৈশাখী ঝড়

PDF ও Photoshop উদ্ভাবক চার্লস গ্যাসকি মারা গেছেন

 

 সফটওয়্যার কোম্পানি Adobe সহপ্রতিষ্ঠাতা চার্লস গ্যাসকি মারা গেছেন। ১৬ এপ্রিল,২০২১ইং শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে।

 তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। ১৯৮২ সালে তিনি এডোবির প্রতিষ্ঠা করেন। Portable Document Format  বা PDF উদ্ভাবনেও সহায়তা করেন গ্যাসকি।

তবে বছর দশেক পরে তিনি পত্রিকার খবরের শিরোনাম হন। তখন বন্দুকের নলের মুখে তাকে অপহরণ করে নিয়ে মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

যদিও চার দিনের অগ্নিপরীক্ষার পর তিনি অক্ষত ফিরে আসতে সক্ষম হন।

Adobeর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শান্তানু নারায়ন বলেন, ডেস্কটপ প্রকাশনায় তিনি বিপ্লব এনে দিয়েছেন। তার মৃত্যু পুরো এডোবি পরিবার ও প্রযুক্তি শিল্পের জন্য বড় ক্ষতি। গত কয়েক দশক ধরে তিনি ছিলেন এ জগতের নির্দেশক ও নায়ক।

তিনি আরও বলেন, গ্যাসকি ও জন ওয়ারনক এমন সফটওয়্যার উদ্ভাবন করছেন, যা সবকিছু বদলে দিয়েছে। মানুষের যোগাযোগের ক্ষেত্রে যা বিপ্লবী ভূমিকা রেখেছে।

PDF, Acrobat, Illustrator, Premiere Pro ও Photoshop এর  মতো Software উদ্ভাবনে তারা ভূমিকা রেখেছেন।

২০০৯ সালে গ্যাসকি ও ওয়ারনককে জাতীয় প্রযুক্তি মেডেল দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।

গ্যাসকির স্ত্রী ন্যান বলেন, তিনি ছিলেন খুবই বিনয়ী একজন মানুষ। তার সফলতার জন্য তিনি গর্বিত।

//দৈনিক বিশ্ব আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

যুক্তরাষ্ট্রের কেনোশা কাউন্টির একটি বারে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ৩

 

যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যের কেনোশা কাউন্টির একটি বারে বন্দুকধারীর গুলিতে তিন ব্যক্তি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এসময় আহত হয়েছেন আরও তিনজন।

স্থানীয় সময় রোববার বেলা ১২টার পর শেরিডান রোডের ১৫ নম্বরের সোমারস হাউসে এ ঘটনা ঘটে। খবর এনবিসি নিউজ।

প্রাথমিকভাবে হতাহতদের নাম পরিচয় জানা যায়নি। ঘাতক বন্দুকধারীকে গ্রেফতার করে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

//আন্তর্জাতিক অনলাইন ডেস্ক//

আইসিসির ওপর ট্রাম্পের দেওয়া নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করলেন জো বাইডেন

 

ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলের যুদ্ধাপরাধ তদন্তের অনুমোদন দেওয়ার অপরাধে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন আইসিসির দুই কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন গত ২ এপ্রিল । আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) দুই কর্মকর্তার ওপর আরোপ করা নিষেধাজ্ঞা তুলে নেন জো বাইডেন।

এতেকরে আইসিসির জন্য ইসরাইলি সেনাদের বর্বরতার তদন্ত করার পথ আরও সুগম হলো। নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রধান আইনজীবী ফ্যাতৌ বেনসৌদা এবং আদালতের বিচার বিভাগের প্রধান ফাকিসো মচোচোকোর ওপর ট্রাম্প প্রশাসন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল।

ফিলিস্তিনিদের ওপর নির্মম নির্যাতন, গুম, হত্যা ও জোর করে বাড়ি দখলের মতো ইসরাইলি সেনাদের অপরাধ তদন্তের অনুমতি চেয়েছিলেন ফ্যাতৌ বেনসৌদা। এই আবেদন গ্রহণ করে তদন্তের অনুমতি দিয়েছিলেন আদালতের বিচার বিভাগের প্রধান ফাকিসো মচোচোকো।

এ কারণেই আইসিসির এ দুই কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ইসরাইলের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে পরিচিত ট্রাম্প প্রশাসন।

বলার বিষয় হলো আইসিসির ১২০টি সদস্য রাষ্ট্রের তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের নাম নেই। ২০১৯ সালের মার্চে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয় আইসিসির এ দুই কর্মকর্তার ওপর। এর ১৮ মাস পর যুক্তরাষ্ট্রে তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেয় ট্রাম্প প্রশাসন।

।। অনলাইন ডেস্ক ।।

আমেরিকা অঞ্চলে ২০ এর থেকে ২১ সালে করোনা সংক্রমন বৃদ্ধির সম্ভাবনা…

ডব্লিউএইচও আমেরিকা অঞ্চলের প্রধান কারিসা ইটিয়েন চলতি বছর করোনার দ্বিতীয় ঢেউ গত বছরের সংক্রমণের মাত্রাকেও ছাড়িয়ে যাবে বলে হুঁশিয়ার করেছেন । ৩১ মার্চে অনুষ্ঠিত এক ব্রিফিংয়ে প্যান আমেরিকান হেলথ অর্গানাইজেশনের (পিএএইচও) ডিরেক্টর এ সতর্কতা দেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় লাতিন আমেরিকার দেশটিতে করোনায় ৩ হাজার ৯৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ব্রাজিলে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ ২১ হাজার ৮৮৬ জনে দাঁড়িয়েছে। নতুন করে প্রায় ৯০ হাজার রোগী শনাক্তে মোট সংক্রমণ ১ কোটি ২৭ লাখ ৫৩ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

পিএএইচও ডিরেক্টর সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নেওয়া হলে, আমাদের অঞ্চল গত বছরের চেয়েও বেশি সংক্রমণের মুখে পড়বে। তাই যতদূর সম্ভব স্পষ্ট অবস্থান নিতে দিন। যেসব জায়গায় সংক্রমণের উল্লম্ফন হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে দুই শব্দে আমার মূল নির্দেশনা ‘ঘরে থাকুন।’

সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে ব্রাজিলে। গত কিছুদিন ধরে ব্রাজিলে করোনায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ মৃত্যু হচ্ছে

মেক্সিকো জানিয়েছে, তাদের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের চেয়ে বাস্তবে করোনায় আরও ৬০ ভাগ বেশি মানুষ মারা গেছে। দেশটিতে প্রায় ২ লাখ ৯৪ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে করোনায়।

করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্রে সংক্রমণ ও মৃত্যু কয়েক দিন ধরে স্থিতিশীল হলেও নিয়ন্ত্রণে আসেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে সংক্রমণ ও মৃত্যু দুটিই বেড়েছে।

।। অনলাইন ডেস্ক ।।

যুক্তরাষ্ট্রে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ২ প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত, নতুন নিষেধাজ্ঞা

অনলাইন ডেস্ক।।

অভ্যুত্থানবিরোধী আন্দোলনে সশস্ত্র সামরিক বাহিনীর বর্বরোচিত দমন-পীড়নের ঘটনায় চাপ বাড়াতে মিয়ানমার জান্তার সরকারের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা জারি করল ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্র।

ইকোনমিক করপোরেশন ও মিয়ানমার ইকোনমিক হোল্ডিংস লিমিটেডের ওপর ব্যবসায়িক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের রাজস্ব বিভাগ।

এ নিষেধাজ্ঞার ফলে মিয়ানমার সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠান দু’টির যুক্তরাষ্ট্রে থাকা যেকোনও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হবে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের কোনও ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নিষিদ্ধ ঘোষিত প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য বা ব্যবসায়িক লেনদেন রাখতে পারবে না। খবর বিবিসির।

 

এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন বলেছেন, মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী, সেনাবাহিনীর অর্থনৈতিক স্বার্থ এবং সামরিক বাহিনীর বর্বরোচিত দমন-পীড়নে সমর্থনকারীদের অর্থপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি মিয়ানমার ইকোনমিক হোল্ডিংস লিমিটেডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে যুক্তরাজ্যও। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ আনা হয়েছে।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডমিনিকি রাব বলেছেন, এ ধরনের নিষেধাজ্ঞায় মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর গণনিপীড়নে ব্যবহৃত অর্থের উৎসে টান পড়বে।

এর আগে মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানে জড়িত বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল মার্কিন প্রশাসন। অবশ্য তারও আগে থেকেই মিয়ানমার সেনাপ্রধান মিন অং হ্লেইং মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে যুক্তরাষ্ট্রের কালো তালিকাভুক্ত। সোমবার মিয়ানমার সেনাসংশ্লিষ্ট ১১ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নও।

এদিকে মিয়ানমারে অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। শুক্রবারও দেশটির শহরে শহরে বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে। গত ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে এ পর্যন্ত জান্তাবিরোধী বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা তিনশ ছাড়িয়েছে। গত বৃহস্পতিবারই এ তালিকায় যোগ হয়েছেন অন্তত আরও নয়জন।

কলোম্বিয়ান গ্যাং ও ভেনিজুয়েলার সেনাবাহিনীর মধ্যে যুদ্ধ, উদ্বাস্তু ৩ সহস্রাধিক

অনলাইন ডেস্ক।।

ভেনিজুয়েলার সীমান্তবর্তী অপুর প্রদেশে সন্ত্রাসীদের দমনে চলছে অপারেশন। এমন পরিস্থিতিতে কলোম্বিয়া থেকে আসা মাদক পাচারকারী সন্ত্রাসী গ্যাংয়ের সদস্যদের সঙ্গে সেনাবাহিনীর কয়েক দিনব্যাপী তীব্র সংঘর্ষের কারণে উদ্বাস্তুতে পরিণত হয়েছে ভেনিজুয়েলার ৩ সহস্রাধিক মানুষ।

এরফলে পুরো প্রদেশ পরিণত হয়েছে যুদ্ধক্ষেত্রে। জীবন বাঁচাতে মানুষ ছুটছেন কলোম্বিয়ার দিকে। ফলে সেখানে সৃষ্টি হয়েছে শরনার্থী সংকট। একটি স্টেডিয়ামে ৫০০ তাবু স্থাপন করে আশ্রয় দেয়া হয়েছে শরনার্থীদের। অবস্থা সামাল দিতে কলোম্বিয়ার সরকার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে সাহায্য চেয়েছে।

দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো সন্ত্রাসবাদ দমনে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন। তিনি বলেন, কলোম্বিয়ার সরকার তাদের সীমান্তে কোনো পাহাড়া দেয় না। এ কারণে সে দেশ থেকে সন্ত্রাসীরা যখন ইচ্ছা খুশি ভেনিজুয়েলায় প্রবেশ করতে পারছে।