পটিয়ায় ড্রেজারে উত্তোলন করা বালুর গর্তে প্রাণ গেল স্কুল ছাত্রের

 

চট্টগ্রামের পটিয়ায় অবৈধ ড্রেজারের উত্তোলন করা বালুর গর্তে হাবিবুর রহমান (০৮) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার হাইদঁগাও ইউনিয়নের  ২ নং ওয়ার্ড বৈদ্যপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত হাবিবুর রহমান হাইদগাঁও গ্রামের নাসির উদ্দীন ও খতিজা বেগমের ছেলে। সে হাইদঁগাও যুক্ত সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র।

স্থানীয়রা জানান, নিহত স্কুলছাত্রের বাড়ির পাশেই বিল থেকে অবৈধভাবে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করে ঘরবাড়ি ও ফসলী জমির ক্ষতি করছে বালু ব্যবসায়ীরা। এতে এক সময়ে খালের তীরে কৃষকের আবাদি জমি এখন বিশাল জলাশয়ে পরিণত হয়েছে। ড্রেজারের বালু জমিতে আটকে রাখতে জমির পাশে মাটি দিয়ে বড় বাঁধ তৈরি করতে গর্ত করা হয়েছে।

গত সোমবার সন্ধ্যার দিকে বাড়ির পাশে বিলে খেলতে যায় হাবিবুর ও তার সঙ্গীরা। বালুর গর্তে বল পরে গেলে সেটা তুলতে গিয়ে হাবিবুর পানিতে ডুবে যায়। পরে তাকে মৃত অবস্থায় পানি থেকে উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের দায়িত্বহীন ও গাফিলতির বিষয়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। তবে বালু ব্যবসায়ীদের কাউকে ঘটনাস্থলে খুঁজে পাওয়া যায়নি। দুর্ঘটনার পরপরই তারা পালিয়ে গেছে বলে স্থানীয়রা জানান।

এ বিষয়ে সোমবার সন্ধ্যায় পটিয়া থানার উপ পরিদর্শক নাজমুল হাসান ও বিলাল  ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ওসি বলেন, শিশু নিহত ও ড্রেজার মেশিন চালানোর ব্যাপারে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।।

 

//মোঃ হামিদুর রহমান, দক্ষিন চট্টগ্রাম প্রতিনিধি//

নিজের জমিতে ঘর বানাতে গিয়েও মরতে হলো ভিক্ষুককে

 

একজন ভিক্ষুককেও নিজের জমিতে ঘড় করতে গিয়ে প্রতিপক্ষের আক্রোষের স্বীকার হতে হয়, এলোপাথারী পিটুনিতে মৃত্যুও হয়ে যায়।

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে জমির সীমানা নির্ধারণ নিয়ে কলহের জেরে ভিক্ষুককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার হাসপাতাল থেকে রিলিজ নিয়ে বাড়িতে আসার পর ভিক্ষুক মারা গেছেন বলে জানা যায়। সোমবার দুপুরে নিজ বাড়িতে কাজ করার সময় প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হয়ে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

নিহত ভিক্ষুক আবুহার মল্লিক (৮০) সদকী ইউনিয়নের নন্দীগ্রামের মৃত ফকির মল্লিকের ছেলে। তিনি ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

নিহতের নাতী ছেলে শিপন মল্লিক জানান সোমবার  দুপুরে আবুহার মল্লিক নিজ ঘরের পাশে ক্রয়কৃত জমিতে ঘর নির্মাণ  করছিলেন। এসময় দরবেশপুর গ্রামের মৃত সামছুদ্দিনের ছেলে সোহেল প্রামাণিক , মৃত আলিফার ছেলে কামাল প্রামাণিক, বাহাদুরের ছেলে রাসেল, আলতাফের ছেলে আলামিন সহ ৪/৫ জন  এসে কাজ করতে নিষেধ করলে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে আবুহার মল্লিককে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়ে মারপিট করে চলে যায় । ততক্ষনাত স্বজনরা তাকে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে  হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়।  এবং বুধবার সকালে হাসপাতাল থেকে  রিলিজ নিয়ে বাড়িতে এসে তিনি মারা যান।

 

এবিষয়ে অভিযুক্ত সোহেল প্রামাণিক মুঠোফোনে বলেন, জিডি সামছুদ্দিন আহমেদ কলেজিয়েট স্কুল ও আবুহার মল্লিক একই দাগের জমি ক্রয় করেন। আবুহার মল্লিক আগে ১৬ শতাংশ জমি উত্তর- দক্ষিণ দিকে লম্বা উল্লেখ করে পূর্ব দিকে জমি রেজিস্ট্রি করেন। এবং  বিক্রি জমি উত্তর দক্ষিণ লম্বা উল্লেখ করে পশ্চিম দিকে স্কুল রেজিস্ট্রি করে। কিন্তু আবুহার মল্লিক রাস্তার দিক থেকে এককভাবে জমি নিয়ে বাড়ি করে।

এবিষয়ে কয়েকবার স্থানীয় শালিসী বৈঠক হয়। ঘটনার দিন আবুহার মল্লিক মাটি ভরাট করার সময় স্কুল কমিটির লোকজন গিয়ে বাধা দেয়। এসময় তর্কাতর্কির একপর্যায়ে তাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়া হয়। খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে ততক্ষণে গন্ডগোল শেষ হয়ে যায়।  তিনি আরো বলেন, এলাকায় গ্রুপিং এর কারনে আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।

 

কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মজিবুর রহমান বলেন, হাসপাতাল থেকে রিলিজ নিয়ে বাড়িতে যাবার পর আবুহার মল্লিক নামে একজন মারা গেছেন। তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে অপরাধী যেই হোক তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

//সুমাইয়া আক্তার, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি//

মিশরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে বাসে আগুণ: মৃত্যু ২০

 

মিশরের আসিউত প্রদেশে থেমে থাকা ট্রাকে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও তিন জন। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে এ খবর জানিয়েছে রয়টার্স।

রাজধানী কায়রো থেকে ৩৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে আসিউত প্রদেশে মঙ্গলবার ১৩ এপ্রিল এ দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছে প্রাদেশিক গভর্নরের কার্যালয়।

রয়টার্স জানিয়েছে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সিমেন্টবোঝাই ট্রাকটি মহাসড়কে থেমে ছিল পরে কায়রো থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী বাস ট্রাকটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। দুর্ঘটনার পরপরই বাসটিতে আগুন ধরে যায়। পোড়া বাস থেকে মৃতদেহ ও আহতদের বের করতে সক্ষম হয়েছে উদ্ধারকারীরা।

বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানো এবং রাস্তার বেহাল দশার কারণে মিশর থেকে প্রায়ই সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়। সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি সড়ক ও রেল দুর্ঘটনায় মিশরে কয়েক ডজন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। মার্চে কায়রোর ৮০ কিলোমিটার দক্ষিণের গিজা প্রদেশে ট্রাক ও মিনিবাসের সংঘর্ষ ১৮ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে; রাজধানীর ৪৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে তাহতার কাছে দুটি ট্রেনের সংঘর্ষে মারা গেছে অন্তত ৩২ জন। আহতও হয়েছিল দেড়শ’র বেশি।

//আন্তর্জাতিক  ডেস্ক//

‘মুভমেন্ট পাস’ কি শিং মাছ কিনতে যাওয়ার জন্য…! পুলিশ হতবাক….!!!

 

কোভিড-১৯ এর ঝড়ের গতির সংক্রমণ ঠেকাতে আট দিন সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণার ফলে আলোচনায় মূখ্য এখন  মুভমেন্ট পাস’।

সোনার হরিণে পরিণত হয়েছে এই   মুভমেন্ট পাস। জরুরিভিত্তিতে বাইরে যাওয়ার জন্য পুলিশের চালু করা এই পাসের ওয়েবসাইটে ৩৩ ঘণ্টায় সাত কোটি ৮১ লাখ নাগরিক হিট করেছে। সবারই প্রয়োজন  মুভমেন্ট পাস।

এমন অবস্থায় কঠোর লকডাউনের প্রথম দিনেই অতি প্রয়োজনীয় মুভমেন্ট পাসের অপব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে ‌এমনটাই দাবি পুলিশের।

মুভমেন্ট পাসের পাওয়ার সাইটটি নিয়ন্ত্রণ করতে যখন হিমসিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ তখন জানা গেল, চিকিৎসাসেবার মতো জরুরি কোনো প্রয়োজনে নয়, শুধু মাত্র বাজার থেকে শিং মাছ কিনতে মুভমেন্ট পাস ব্যবহার করেছেন এক নগরবাসী।

এবং এমন কাণ্ডে সেই ব্যক্তিকে ৩ হাজার টাকা জরিমানাও করেছে কর্তব্যরত সার্জেন্ট।

সূত্র জানায়, মুভমেন্ট পাস নিয়ে রাজধানীর উত্তরার বাসা থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে মোটরসাইকেল যোগে মালিবাগ বাজারের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন এক ব্যক্তি। পথে রামপুরায় বাংলাদেশ টেলিভিশনের সামনের চেকপোস্টে পুলিশ তাকে ধরলে তিনি তার মুভমেন্ট পাস দেখান।

কোথায় আর কেন যাচ্ছেন জানতে চাইলে সত্যটাই জানান ওই ব্যক্তি। বলেন – বাজারের উদ্দেশে মালিবাগ যাচ্ছেন। তাই বলে উত্তরা থেকে!  জবাবে ওই ব্যক্তি বলেন মালিবাগ বাজারে শিং মাছ পাওয়া যায় কাই ওখানে যাচ্ছি।

এমন জবাবে যারপরনাই হতাবাক হন পুলিশ সদস্যরা…। করোনার এই সংক্রমণে মুভমেন্ট পাস নিয়ে শিং মাছ কিনতে যাওয়া বিষয়টি হজম হয়নি পুলিশের। বিষয়টিকে মুভমেন্ট পাসের অপব্যবহার বলে মনে হয় ট্রাফিক পুলিশের কর্তব্যরত সার্জেন্টের।

যে কারণে শিং মাছ প্রিয় ওই ব্যক্তিকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করেন সার্জেন্ট শেখ জোবায়ের আহমেদ।

// দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক //

সুন্দরবনে বাঘের আক্রমণে মধু সংগ্রহকারী আহত

 

সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে বাঘের আক্রমণে এক মধু সংগ্রহকারী আহত হয়েছেন। আহতের নাম রবিউল ইসলাম (২০) শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের সোরা গ্রামের হালিম শেখের ছেলে।

মঙ্গলবার বিকেলে পশ্চিম সুন্দরবনের হলদেবুনিয়ার আমড়াতলি এলাকায় মধু সংগ্রহকালে এ ঘটনা ঘটে।

রবিউলের সঙ্গীরা জানান, গত ১লা এপ্রিল বুড়িগোয়ালিনী থেকে মধু সংগ্রহের পাস নিয়ে সুন্দরবনে মধু আনতে যান তারা। মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে সুন্দরবনের আমড়াতলি এলাকায় মধু সংগ্রহ করার সময় হঠাৎ একটি বাঘ রবিউলের ওপর আক্রমণ করে বনে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

সঙ্গে থাকা তার সহযোগীরা একযোগে জোরে হাঁকডাক করলে বাঘ রবিউলকে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে বনের এক কিলোমিটার ভেতর থেকে তাকে মারাত্মক আহত অবস্থায় উদ্ধার করে লোকালয়ে নিয়ে আসা হয়। এ ঘটনায় তাকে শ্যামনগর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বন বিভাগের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা মো. সুলতান আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

//সাতক্ষীরা সংবাদদাতা//

পটুয়াখালীর কমলাপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে ঘরে আগুন

 

পটুয়াখালী সদর উপজেলার কমলাপুর ইউনিয়নের উওর ধরান্দী গ্রামে শত্রুতার জেরে আগুন লাগিয়ে ঘর পুরে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ১ম দফা গত ০২/০২/২০২১ ইং তারিখ আনুমানিক দুপুর ২ টার সময় ও ২’য় দফা ১১/০৩/২০২১ ইং দুপুর ১২ টার সময়। এবিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগকারী হলেন, মোঃ অমর আলী হাওলাদার।

অভিযুক্ত ব্যাক্তিরা হলেন, একই বাড়ির, (১).জসিম হাওলাদার (৪৮), পিতাঃ আজিজ হাওলাদার (৬৫), (২).মামুন হাওলাদার (৩২), (৩). সাব্বির হাওলাদার (২০), (৪). সুমন হাওলাদার, উভয় পিতাঃ মৃত সিদ্দিক হাওলাদার, (৫). রবিন হাওলাদার (১৮), পিতাঃ জসিম হাওলাদার।

অভিযোগকারী অমর আলী হাওলাদার প্রতিবেদককে বলেন, পুর্ব শত্রুতার জেরে জসিম হাওলাদারের নেতৃত্বে তার ছেলে রবিন, মামুন, সাব্বির ও সুমন ষড়যন্ত্র করে মৃত সিদ্দিক হাওলাদারের ছোট পুত্র শাহারিয়ার (১৩) কে দিয়ে আমার ঘরে আগুন লাগিয়ে দেয়।এতে ঘরটি সম্পুর্ন পুরে ছাই হয়ে যায় এবং লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।তিনি আরও বলেন, আমরা বাড়িতে না থাকার সুযোগ নিয়ে ১ম দফায় পূর্বপরিকল্পিত ভাবে এ ঘটনা ঘটায় এবং দ্বিতীয় দফায় আবারও আমার বসত ঘরে আগুন লাগানোর চেষ্টা করা হয়।কিন্তুু বাড়ির লোকজন দেখে ফেলায় অপরাধীরা সফল হয়নি।আমি আইনের মাধ্যমে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানাচ্ছি।

এবিষয়ে অমর হাওলাদারের ছেলে জলিল হাওদার বলেন, আমাদের ঘরে আগুন লাগানোর কথা মোবাইল ফোনে স্বীকার করে শাহরিয়ার দাদা আজিজ হাওলাদার।তিনি বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করে এবং ক্ষতিপূরণ দেবে বলে জানায়।

সরেজমিনে জানাগেছে, স্থানীয়ভাবে কমলাপুর ১ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ওয়াহাব রাড়ি, সাবেক ইউপি সদস্য বারেক রাড়ি, সেলিমের সিকদার, জেলা সেচ্ছাসেবকলীগের মোশাররফ হোসেন ও সোবাহান সিকদার একাধিকবার সালিশ মিমাংসার চেষ্টা করলেও কোন মিমাংসা হয়নি বরং উল্টো খলনায়ক জসিম তার ভাইয়ের ছেলেরা ও বহিরাগত লোকজন মিলে ভুক্তভোগী পরিবারকে পুনরায় আগুনে পুড়িয়ে মারার হুমকি ধামকি দেয়া সহ নানান ভাবে হয়রানি করে যাচ্ছে বলে জানান ভুক্তভোগী পরিবার।

এবিষয়ে ইউপি সদস্য ওয়াহাব রাড়ির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা একটা অডিও রেকর্ড শুনেছি যেখানে আজিজ সিকদার তার নাতি শাহারিয়ার আগুন লাগানোর কথা স্বীকার করেন। অপরাধ প্রমানিত হওয়ার পরেও আমরা উভয়ের মধ্যে একটা মিমাংসা করে দিবো বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। এছাড়াও থানায় একটি অভিযোগ হয়েছিলো।

এসময় জসিম আমাদের সালিশগনদের কাছে অনুরোধ করে বিষয়টি মিমাংসা করিয়ে দিতে বলে। অথচ মুল ভিকটিম জসিম নিজেই একাধিকবার তারিখ দিয়েও সালিশিতে আসে নাই। বরং কয়েকদফা সালিশীর তারিখ দিয়ে মিমাংসায় আসবো আসবো বলে জসিমের আপন চাচাতো ভাই ও বেয়াই সালাম কে দিয়ে বিভিন্ন কারন দর্শাইয়া সালিশ স্থগিত করে দেয়। তিনি আরও বলেন, কারো ঘরে আগুন দেয়া আইনের দৃষ্টিতে শাস্তি যোগ্য অপরাধ তারপরও পরস্পর আত্নীয়স্বজন বিধায় আমরা স্থানীয়ভাবে আপোষ মিমাংসার চেষ্টা করি। সেটা যখন সমাধান হয়নি এর বিচার আইনের মাধ্যমে হলেই ভালো হয়।

এবিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার প্রসাশনের সহযোগিতায় আইনের মাধ্যমে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে  নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে মিডিয়াকে জানিয়েছেন।

//মোঃতুহিন শরীফ, নিজস্ব  প্রতিনিধি//

ঠাকুরগাঁওয়ের সারারাত অভিযান চালিয়ে ২ জেএমবি সদস্য আটক করেছে পুলিশ

 

ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল থানা পুলিশের রাত ভর অভিযানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আবারো নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন জেএমবি দুই সদস্যকে আটক করেছে। গত সোমবার (১২ এপ্রিল) মধ্যেরাতে উপজেলার ভরনিয়া এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে , রংপুর গঙ্গাচড়া থানার মহুভাষা জুম্মাপাড়া গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে আব্দুল কাফি (২৭) ও কুড়িগ্রাম জেলার নলেয়া ব্যাপারি মোড় মহল্লার জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে হযরত আলী (২১) এই দু’জনকে আটক করা হয়েছে ।

এ ব্যপারে ওসি তদন্ত আব্দুল লতিফ শেখ জানান, মূলত এরা এখানে এসেছিল ইতিমধ্যে এর আগে আরো দুই জন জেএমবির  সদস্যকে অস্ত্র সহ আটক করা হয়েছিল । আটককৃতদের বিষয়ে কি করনীয় এবং সংগঠনের কার্যক্রম গতিশীল নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটিয়ে সরকারকে বেকায়দায় ফেলার নীল নকশা করতে ।

এ বিষয়ে থানায় ওসি এস এম জাহিদ ইকবাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন তারা পুরাতন জেএমবি সদস্য, গত ২০২০ সালের মার্চে ৩ টি আগ্নেয়াস্ত্র ৫ রাউন্ড গুলি, জেহাদি বই মোবাইলফোন সহ নিষিদ্ধ ঘোষিত জেএমবি দুই সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছিল । এমদাদুল হক (৩১) ও শহিদুল ইসলাম (১৮) । সহোদর ভাই ছিলেন তারা ।  ওই ঘটনায় রানীশংকৈল থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে এবং অস্ত্র আইনে পৃথক দুটি মামলা হয়। আজকের আটকৃকতরাও ওই মামলার পলাতক আসামী ছিলেন ।

// মাহাবুব আলম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি //

বরিশালে বিসিসি পরিচ্ছন্নতা কর্মী হত্যা: অপরাধিদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন

 

বরিশাল নগরীর আলেকান্দা রিফিউজি কলোনি এলাকার বাসিন্দা বিসিসি’র পরিচ্ছন্নতাকর্মী মো. আমির গাজীকে (২৪) হত্যা করে কিছু বখাটে।

অবিলম্বে জড়িতদের  গ্রেপ্তারসহ কঠোর বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। সোমবার বেলা ১১টায় নগরীর সদর রোডের অশ্বিনী কুমার হলের সামনে অনুষ্ঠিত হয় এই মানব বন্ধন।

আমির গাজী হত্যাকারীদের কঠোর বিচার চেয়ে বক্তব্য রাখেন তার বাবা বৃদ্ধ আলতাফ গাজী, মা খাদিজা বেগম, চাচা জামাল গাজী, নানি জোহরা বেগম, চাচি নাজমা বেগম এবং স্থানীয় বাসিন্দা আ. ছালাম হাওলাদার ও জাকির হাওলাদার সহ আরো অনেকে।

মানববন্ধনে বলা হয়, নিহত যুবক আমির গাজী নগরীর আলেকান্দা রিফিউজি কলোনি এলাকার আলতাফ গাজীর ছেলে এবং সিটি কর্পোরেশনের একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী ছিলেন।

গত ২৬ জানুয়ারি একটি মোটরসাইকেলকে কেন্দ্র করে কিশোর সন্ত্রাসীরা তাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। আমীর গাজীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৪ মার্চ রাতে তার মৃত্যু হয়।

এরপর গত ৪ এপ্রিল তার মা খাদিজা বেগম বাদী হয়ে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় ৯ জনকে আসামি করা হয়েছে।

//পলাশ চন্দ্র দাস : বরিশাল/ /

খুলনা তেরখাদায় সড়ক দুর্ঘটনায় মুক্তিযোদ্ধা নিহত

 

খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলার আজগড়া ইউনিয়নে ট্রলি-ইজিবাইক সংঘর্ষে সালাম সরদার (৮০) নামে এক বীর মুক্তিযোদ্ধা নিহত হয়েছে। তিনি উপজেলা সদরের দক্ষিনপাড়া এলাকার মৃত জিতু সরদারের ছেলে।  ১২ এপ্রিল দুপুরে তেরখাদা-খুলনা সড়কের বিরি আজগড়া গাউস বাড়ীর মোড় এলাকায়  এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, খুলনা থেকে ইজিবাইকে করে বাড়ি ফিরছিল সালাম সরদার। এ সময় বিরি আজগড়া এলাকার গাউসবাড়ী মোড়ে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রলির সঙ্গে ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

এতে গাছের সাথে ধাক্কা লেগে ঘটনাস্থলেই মারা যায় মুক্তিযোদ্ধা সালাম সরদার। তেরখাদা থানার এস আই মাজরিয়া এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

 

 

 

চট্টগ্রামের ৫তলা ভবন ভেঙ্গে ফেলা শুধু সময়ের অপেক্ষা মাত্র

 

চট্টগ্রামের এনায়েত বাজার এলাকায় পাঁচতলা বিশিষ্ট একটি আবাসিক ভবন হেলে পড়েছে।

গত শনিবার রাত ৯.৩০ টার দিকে নগরীর এনায়েত বাজার এলাকার গোয়ালপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সাথে সাথে ঘটনাস্’লে ছুটে যান পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কমর্ীরা। ইতিমধ্যে ভবনে অবস্থানরত বাসিন্দাদের সরিয়ে নেয়া হয়েছে। নির্মাণজনিত ত্র”টির কারনে ভবনটি হেলে পড়েছে বলে ধারনা করা হচেছ।

 

চট্টগ্রামের কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নেজাম উদ্দিন জানান, নগরীর এনায়েত বাজারের গোয়ালপাড়া এলাকার কার্তিক ঘোষের মালিকানাধীন ভবনটিতে তিনি পাঁচ ছেলের পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন।

শনিবার রাতে ভবনটি হেলে পড়লে বসবাসরতদের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। তাদের নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

 

এদিকে এনায়েত বাজারের গোয়ালপাড়া এলাকায় হেলে পড়া পাঁচতলা ভবনটি নির্মানে অনুমোদন নেয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কতৃপক্ষের (সিডিএ) প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মাহিনুল ইসলাম খান।

গতকাল (রবিবার) ঘটনাস্’ল পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনাস্’ল যেহেতু রেলওয়ে এলাকায় সেহেতু ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা বিবেচনায় ঐ এলাকায় ভবন নির্মানে সিডিএ অনুমোদন দেয় না। তা ছাড়া এক শতাংশেরও কম ছোট জায়গায় সিডিএ ভবন নির্মানের অনুমতি দেয় না।

ভবনের মালিক হেলে পড়া ভবনটি নির্মাণে সিডিএ’র অনুমোদন পাওয়ার কাগজপত্র দেখিয়েছেন, সাংবাদিকদের এমন মন্তব্যে সিডিএ’র এ কর্মকর্তা বলেন, তারা যেটি অনুমোদনের কাগজ দেখাচেছ সেটি ১৯৯৬ সালের পূর্বে। তবে ভবন দেখে মনে হয় না ততটা পুরানো।

যে আইনে অনুমোদন দেয়া হয়েছে বলে দাবী করা হচেছ সে আ্ইনটি অনেক আগেই বাতিল করা হয়েছে। ভবনের মালিক সাংবাদিকদের জানান, সিডিএ কোন কিছু যাচাই -বাচাই না করে অযথা মন্তব্য করে যাচেছ। তাদের মন্তব্য গতানুগতিক। আমাদের কাছে ভবনের নকশা ও অনুমোদনের কাগজ পত্র রয়েছে।

চট্টগ্রামে বহুতল ভবন নির্মানের ক্ষেত্রে ভূমি ছাড়পত্র, নকশা অনুমোদনসহ সকল প্রক্রিযা ৫৩ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করার সিদ্ধান্- নিয়েছে সিডিএ। এ সব প্রশাসনিক বিধি বিধান আগে ১৩৫ দিনের মধ্যে শেষ করার সরকারের নির্দেশনা থাকলেও তাতে কয়েক বছর সময় লেগে যেতো।

সময় ও হয়রানি কমাতে এ সব প্রক্রিয়া এখন অনলাইনে করার কাজ শুরু হলেও ভোগান্তি কমছে না। কোথাও মোটা অংকের টাকা ছাড়া কাজ হয় না।

সিডিএ’র চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষ জানান, অনুমোদনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে নগরে আর কোন ভবন নির্মান করা যাবে না। পাঁচতলার অনুমোদন নিয়ে আট তলা নির্মান করা যাবে না। এটা মারাত্মক ঝুকি। সারা জীবনের সঞ্চয় দিয়ে মানুষ একটি ভবন নির্মাণ করে তাতে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করে, ভাড়া দেয়া হয়। সবাই ঝুকিতে থাকে। মানুষের জীবন ঝুকিতে ফেলতে দেয়া যাবে না।

 

 

আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো :