১৭ মার্চ জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস এর প্রস্তুতি সভা

জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া  সংবাদদাতা।।

১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস   ১৭-২৩ মার্চ সুর্বন মেলা ২৫ মার্চ গনহত‍্যা দিবস ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা  দিবস যথাযথ মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষে মঙ্গলবার ১৫ মার্চ সকালে ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে  পরিষদের হল রুমে  এক প্রস্তুতি মুলক সভা অনুষ্ঠিত হয।

উপজেলা নির্বাহী মো: আব্দুল আব্দুল ওয়াদুদ এর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব‍্য দেন উপজেলা চেয়ারম‍্যান গাজী এজাজ আহম্মেদ, সহকারী কমিশনার ভূমি মামুনুর রশিদ, ভাইন্স চেয়ারম‍্যান গাজী আব্দুল, হালিম, অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মো: ওবাইদুর রহমান, ভাইন্স চেয়ারম‍্যান শারমীনা পারভীন রুমা, মুক্তিযোদ্ধা  কমান্ডার নুরুল ইসলাম মানিক, প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম, মৎস‍্য কর্মকর্তা আবু বক্কার, মাধ‍্যমিক শিক্ষা অফিসার সেখ ফিরোজ আহম্মেদ, সমাজ সেবা সুব্রত বিশ্বাস, পল্লী দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা প্রতাপ চন্দ্র দাস, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকতা আরশাফ হোসেন, ভিডিপি কর্মকর্তা মিশু দে, আইসিটি কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন, মহিলা বিষযক কর্মকর্তা রীনা মজুমদার, সমবায় কর্মকর্তা সরদার জাহিদুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম‍্যান এম জহুরুল হক, মনোজিৎ কুমার বালা, গাজী তৌহিদুজ্জামান, শেখ দিদারুল হোসেন, শেখ হেলাল হোসেন, হেলাল উদ্দিন,  ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম‍্যান শেখ শফিকুল ইসলাম, গোপাল চন্দ্র দে, গাজী হুমাউন কবির বুলু, অধক্ষ‍্য সমারেশ মন্ভল, শেখ তুহিনুল ইসলাম প্রমুখ। পরে আইন শৃঙ্খলা বিষযক সভা অনুষ্ঠিত হয।

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ// বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর পুষ্পস্তবক অর্পণ

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ।

সোমবার সকালে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে মহান এ নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী।

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি স্বাধীনতার স্থপতি জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধার নিদর্শন স্বরূপ সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন প্রধানমন্ত্রী।

দলীয় সভাপতির শ্রদ্ধা জানানোর পর আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী ও ভাতৃপ্রতিম সংগঠন, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এর পর সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় ৩২ নম্বর।

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ সোমবার। বাংলাদেশের স্বাধীনতাসংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা গৌরবের এক অনন্য দিন।

১৯৭১ সালের অগ্নিঝরা এই দিনে বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহতী কাব্যের কবি শোনান তার অমর কবিতাখানি। তার বজ্র কণ্ঠের নিনাদে বাংলার আকাশে-বাতাসে ধ্বনিত হয়েছিল স্বাধীনতার ঘোষণা, যার অঙ্গুলিহেলনে গর্জে উঠেছিল উত্তাল জনসমুদ্র।

লাখ লাখ মানুষের গগনবিদারী স্লোগানের উদ্দামতায় বসন্তের মাতাল হাওয়ায় সেদিন পতপত করে উড়েছিল বাংলাদেশের মানচিত্রখচিত লাল-সবুজের পতাকা। উত্থিত হয়েছিল শপথের লাখো বজ্র মুষ্টি।

তৎকালীন ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উত্তাল জনসমুদ্রে বজ্র কণ্ঠে হেঁকেছিলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’

দিনটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণী দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, বাঙালি জাতির মুক্তিসংগ্রাম ও স্বাধীনতার ইতিহাসে ৭ মার্চ একটি অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৭১ সালের এদিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে বজ্র কণ্ঠে যে কালজয়ী ভাষণ দিয়েছিলেন, তার মধ্যেই নিহিত ছিল বাঙালির মুক্তির ডাক। এ ভাষণের কারণে বিশ্বখ্যাত নিউজউইক ম্যাগাজিন ১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিল সংখ্যায় বঙ্গবন্ধুকে ‘পয়েট অব পলিটিক্স’ হিসাবে অভিহিত করে। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ কেবল আমাদের নয়, বিশ্বব্যাপী স্বাধীনতাকামী মানুষের জন্যও প্রেরণার চিরন্তন উৎস হয়ে থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বলেন, জাতির পিতার ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের বিশ্ব স্বীকৃতি আজ বাঙালি জাতির জন্য এক বিরল সম্মান ও গৌরবের স্মারক। ’৭৫ থেকে ’৯৬ সাল পর্যন্ত এদেশে এ ভাষণ প্রচার নিষিদ্ধ ছিল, যেমনটা করেছিল পাকিস্তানের সামরিক শাসকগোষ্ঠী-তারাও সেদিন রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে এ ভাষণ প্রচার করতে দেয়নি। কিন্তু সত্য সর্বদাই অনিরুদ্ধ। তাই নিপীড়িত-নির্যাতিত বাঙালিদের মুক্তির এ মহামন্ত্র শুধু বাংলাদেশেই নয়-বিশ্বজুড়ে সমাদৃত হচ্ছে, অনুপ্রেরণা দিয়ে যাচ্ছে।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

অবৈধ দখলমুক্ত ফুটপাত ও আধুনিক ঢাকা গড়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ।। স্বাধীনতা সংগ্রামের বীজমন্ত্র

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ।। আওয়ামী লীগের কর্মসূচি

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। শনিবার আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কর্মসূচি জানানো হয়।

দিবসটি উপলক্ষে ৭ মার্চ ভোর সাড়ে ৬টায় বঙ্গবন্ধু ভবন ও দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় এবং দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। সকাল ৮টায় বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করবে আওয়ামী লীগ।

এদিন বেলা সাড়ে ১১টায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এতে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাঙালির স্বাধীনতা-মুক্তি ও জাতীয়তাবোধ জাগরণের মহাকাব্য, বাঙালি তথা বিশ্বের সকল লাঞ্ছিত-বঞ্চিত নিপীড়িত-নির্যাতিত মানুষের মুক্তির সনদ। ৭ মার্চের ভাষণ বাঙালির পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙার চূড়ান্ত প্রেরণা। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্ব ঐতিহ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণিক দলিল এবং বিশ্বে সর্বাধিকবার প্রচারিত ও শ্রবণকৃত অলিখিত ভাষণ।

এতে আরও বলা হয়, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বাঙালি জাতির ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা একটি অবিস্মরণীয় দিন। এই দিনে তৎকালীন ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক উত্তাল জনসমুদ্রে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ডাক দেন। বঙ্গবন্ধু তার বজ্রনির্ঘোষ কণ্ঠে বলেন, ‘‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম”।

এই ঐতিহাসিক ভাষণের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান শাসকগোষ্ঠীর অত্যাচার-নির্যাতন-নিপীড়নের বিরুদ্ধে আন্দোলনরত নিরস্ত্র বাঙালি জাতিকে মুক্তির মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত করেন। পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধুর ডাকে বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রাম জনযুদ্ধে পরিণত হয়। ঐতিহাসিক এই ভাষণে উদ্দীপ্ত হয়ে ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে এক সাগর রক্ত আর ত্রিশ লাখ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত হয় মহান স্বাধীনতা। বিশ্ব মানচিত্রে প্রতিষ্ঠা লাভ করে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্র।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

সরকার সাম্প্রদায়িক অপশক্তি বিনাশে বদ্ধপরিকর : ড. হাছান মাহমুদ

 

বরগুনার আমতলীতে ভোটার দিবস পালিত

//সাইফুল্লাহ নাসির,আমতলী, বরগুনা//
‘মুজিব বর্ষের অঙ্গিকার,রক্ষা করবো ভোটাধিকার’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বরগুনার আমতলীতে জাতীয় ভোটার দিবস পালিত হয়েছে।

আজ বুধবার (২ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স থেকে উপজেলা নির্বাচন অফিসের আয়োজনে র্যালী শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এসে শেষ হয়।

র ্যালীতে উপজেলা চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ মজিবুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার একেএম আবদুল্লাহ বিন রশিদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তামান্না আফরোজ মনি, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম মিজানুর রহমান, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ সেলিম রেজা পৌরসভার প্যানেল মেয়র হাবিবুর রহমান মীর, রিপোর্টার্স ইউনিটি’র সাধারণ সম্পাদক হায়াতুজ্জামান মিরাজসহ বিভিন্ন সরকারী দপ্তর প্রধানরা অংশ নেয়।

পরে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ সেলিম রেজার সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

চাঁদপুরের হাইমচরে জাতীয় ভোটার দিবসে বর্ণাঢ্য র‍্যালী

//মোঃ হোসেন গাজী, চাঁদপুর//

মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার, রক্ষা করবো ভোটাধিকার ” এই প্রতিপাদ্য নিয়ে হাইমচরে জাতীয় ভোটার দিবস উদযাপন উপলক্ষে বর্নাঢ্য র‍্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২ মার্চ) সকালে হাইমচর উপজেলা নির্বাচন অফিসের আয়োজনে দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা চত্বর  থেকে একটি র‌্যালী বের হয়ে উপজেলার প্রাণকেন্দ্র আলগী বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষীণ করে পুনরায় উপজেলা চত্বরে এসে শেষ হয়।

র‌্যালীর শুরুতে শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে দিবসটির উদ্ভোধন করা হয়।

র‍্যালীতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন হাইমচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার চাই থোয়াইহলা চৌধুরী।

উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাচন অফিসার শাহজাহান মামুন, হাইমচর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মীর হোসেন, হাইমচর সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ মনোয়ার হোসেন মোল্লা,উপজেলা  মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও বাজাপ্তী রমনী মোহন উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক এম এ মান্নান, হাইমচর প্রেসক্লাব সভাপতি মোঃ খুরশিদ আলম, দুর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক জনাব রুহুল আমিনসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন স্কুল, কলেজের শিক্ষার্থীবৃন্দ।

জাতীয় ভোটার দিবসে ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসনের আলোচনা সভা ও র‍্যালী

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, খুলনা//

মহান স্বাধীনতার সুর্বনজয়ন্তী যথ‍্যাযোগ‍্য মর্যদায় উদযাপন ঊপলক্ষ‍্যে ২মার্চ বুধবার সকালে ডুমুরিয়া  উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মুক্তিযোদ্ধের চেতনা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারন ও বীরত্বগাঁথা মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর অবদান ও জাতীয় ভোটার দিবসে  আলোচনা সভা, র‍্যালী অনুষ্ঠিত হয।

স্থানীয়  শহীদ জোবায়েদ আলী মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী  অফিসার মো: আব্দুল ওয়াদুদ এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব‍্য দেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুল ইসলাম মানিক, ডেপুটি কমান্ডার চন্দ্র কান্ত তরফদার, নির্বাচন কর্মকর্তা কল্লোল বিশ্বাস, কৃষি অফিসার মোচ্ছাদেক হোসেন, মৎস‍্য কর্মকর্তা  আবু বক্কার,  সমাজ সেবা কর্মকর্তা সুব্রত বিশ্বাস, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরশাফ হোসেন, সমবায় কর্মকর্তা সরদার জাহিদল ইসলাম, মহিলা বিষযক কর্মকর্তা রীনা মজুমদার, ডুমুরিয়া কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ‍্যক্ষ রঞ্জন কুমার তরফদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ  সম্পাদক শাহানেওয়াজ হোসেন জোয়াদার,।

এসময উপজেলার বিভিন্নদপ্তরের কর্মকর্তা ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা  উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনাসভার পূর্বে একটি র‍্যালী বের হয।

 

 

খুলনার ডুমুরিয়ায় জাতীয় বীমা দিবস পালিত

জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া সংবাদদাতা খুলনা//

বীমায় সুরক্ষিত থাকলে এগিয়ে যাব সবাই মিলে এ প্রতিপাদ‍্য কে সামনে রেখে ১ মার্চ মঙ্গলবার সকালে  ডুমুরিয়ায় জাতীয়  বীমা দিবস পালিত হযেছে।

উপজেলার বিডিন্ন বীমা প্রতিষ্ঠানের উদ‍্যেগে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয। র‍্যালীটি উপজেলা পরিষদ চত্বর ঘুরে পরিষদের সামনে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তব‍্য দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো:আব্দুল ওয়াদুদ।

আরো বক্তব‍্য দেন সঞ্জয় মন্ডল ইনর্চাজ ডুমুরিয়া  ডেল্টা লাইফ ইন্সুরেন্স কো: বিষ্ণু পদ তরফদার, গৌতম মল্লিক, কালী পদ মন্ডল,হারানরায, রথিন্দ্র নাথরায়, কুমারেশ রায়, সুধাকর মন্ডল, প্রমুখ।

চান্দ্রায় নূরীয়া ফাযিল ডিগ্রি মাদ্রাসায় যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

মোঃ হোসেন গাজী।।

চাঁদপুর সদর উপজেলার ১২ নং চান্দ্রা ইউনিয়নে চান্দ্রা বাজার নূরীয়া ফাযিল ডিগ্রি মাদ্রাসার উদ্যােগে ২১ ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মিলাদ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২১ ফেব্রুয়ারী সকাল ১১ টায় মাদ্রাসার হলরুমে আলোচনা সভায় চান্দ্রা বাজার নূরীয়া ফাযিল ডিগ্রি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এ,টি,এম মোস্তফা হামিদীর সভাপতিত্বে ও মাওঃ এস এম আহসান হাবীব এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠান পরিচালনা করা হয়।

শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে শহীদদের স্মরনে শ্রদ্ধা নিবেদন, আলোচনা দোয়া ও মুনাজাত করা হয়। মুনাজাত পরিচালনা করেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এ,টি,এম মোস্তফা হামিদী।

প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চান্দ্রা ইউপি চেয়ারম্যান খান জাহান আলী কালু পাটোয়ারী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মাওঃ মাহমুদুল হাসান, ইংরেজি প্রভাষক আওলাদ হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ বাচ্চু মিয়া, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবু ইউসুফ শেখ, যুবলীগের আহ্বায়ক শেখ মোঃ আলমগীর হোসেন, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন ইবু সহ মাদ্রাসার শিক্ষক মন্ডলি ও অতিথি বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক//

আজ অমর একুশে ফেব্রুয়ারি। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। রক্তস্নানের মধ্য দিয়ে ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার দিন। সব বাধা অতিক্রম করে বাংলাকে পাথেয় করে এগিয়ে যাওয়ার শপথের দিন। বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য এদিন সালাম, বরকত, রফিকসহ অনেকে আত্মাহুতি দিয়েছিলেন।

এজন্যই দিনটি একইসঙ্গে গৌরবের ও শোকের। জাতি আজ শ্রদ্ধাভরে সেইসব শহিদদের স্মরণ করছে।

এ উপলক্ষে প্রথম প্রহরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের পক্ষে তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল সালাউদ্দিন ইসলাম ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল নকিব আহমদ চৌধুরী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানান।

রাত ১২টা ১ মিনিটে প্রথমে মেজর জেনারেল সালাউদ্দিন ইসলাম ও তার পরই মেজর জেনারেল নকিব আহমদ চৌধুরী শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে ভাষা আন্দোলনের শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

এরপর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে দলটির পাঁচ সিনিয়র নেতা শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তাদের পর জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর পক্ষে ফুল দেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস এমএম নাঈম রহমান।

এরপর শহীদ মিনারে ফুল দেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল শফিউদ্দিন আহমেদ, বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল শেখ আবদুল হান্নান, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ শাহীন ইকবাল। তাদের পর শ্রদ্ধা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, পুলিশের আইজি ড. বেনজীর আহমেদ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড.একে আবদুল মোমেন।

এরপর আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলের নেতারা, সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস এবং বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে আরও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সহযোগী সংগঠন, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতারাসহ সর্বস্তরের মানুষ।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

ভিড়ে ঠাসা ব্যস্ত সৈকতে আছড়ে পড়ল হেলিকপ্টার (ভিডিও)

একুশে ফেব্রুয়ারি ।। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

একুশে ফেব্রুয়ারি ।। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত দুটি ভূখণ্ডের দুটি ভিন্ন ভাষার জাতিসত্তাকে মিলিয়ে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম থেকেই মাতৃভাষাকে কেন্দ্র করে সূচনা হয়েছিল আন্দোলনের। আর এই ভাষা আন্দোলনকেই বাংলাদেশ রাষ্ট্র সৃষ্টির পথে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে মনে করা হয়।

১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করার আগ পর্যন্ত বাংলাদেশে এই দিনটিকে শহীদ দিবস হিসেবে পালন করা হতো। এই ইতিহাস বাংলাদেশের অনেকেরই জানা। কিন্তু এই আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তৈরির পেছনে রয়েছে আরও অনেক সংগ্রামের ইতিহাস।

একুশে ফেব্রুয়ারির দিনটিতে যা ঘটেছিল:

বলা হয়ে থাকে রাজনৈতিক কারণে নেয়া খাজা নাজিমুদ্দিনের অবস্থান ও তার বক্তব্য ভাষা আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করেছিল। তার ঘোষণায় পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিদের মনে বঞ্চনার অনুভূতি আরও জোরালো হয়ে জেগে ওঠে।

খাজা নাজিমুদ্দিনের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে পরদিন থেকে পূর্ব-পাকিস্তানে শুরু হয় স্বতঃস্ফূর্ত ধর্মঘট ও বিক্ষোভ মিছিল। যাতে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

ভাসানীর নেতৃত্বে সম্মেলনে অংশ নেন পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, সংস্কৃতিকর্মী এবং পেশাজীবী সম্প্রদায়ের মানুষজন। ২১শে ফেব্রুয়ারি সাধারণ ধর্মঘট ঘোষণা করা হয়েছিল। ধর্মঘট প্রতিহত করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও তার আশপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছিলো। যা লঙ্ঘন করেই জন্ম হয়েছিল শহীদ দিবসের।

১৯৫২ সালের সেই দিন ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্র হিসেবে হাসপাতালের জরুরী বিভাগে কর্মরত ছিলেন মুহাম্মদ মাহফুজ হোসেন। বছর তিনেক আগে বিবিসি বাংলাকে দেয়া সাক্ষাতকারে তার বর্ণনায় ফুটে উঠেছে সেদিনকার চিত্র।

সেই সাক্ষাতকারে তিনি বলেছিলেন, “একুশে ফেব্রুয়ারি দুপুরে গুলিবিদ্ধ তিনজনকে হাসপাতালে গ্রহণ করি আমি। কপালে গুলিবিদ্ধ রফিককে দেখেই মৃত ঘোষণা করা হয়, আর উরুতে গুলিবিদ্ধ বরকত মারা যান রাতে, আমার চোখের সামনেই।”

ঢাকা মেডিকেল কলেজের কাছেই গুলিবর্ষণ হয়েছিল শিক্ষার্থীদের উপর।

তিনি বলছিলেন, “আমরা তখন বাইরে থেকে বহু আওয়াজ শুনতে পাচ্ছিলাম। আমরা শুনেছিলাম বহু মানুষ গুলিতে আহত হয়েছে। মুহূর্তেই ইমারজেন্সি ওয়ার্ড পূর্ণ হয়ে যায়। আহতদের অনেকেই মুমূর্ষু, তাদের সঙ্গে আসা মানুষজন আর চিকিৎসকে ঠাসাঠাসি হয়ে যায় জরুরী বিভাগ।”

ভাষা আন্দোলনে কতজন শহীদ হয়েছিলেন সেবিষয়ে সঠিক সংখ্যা এখনো পাওয়া যায় না। সেদিন এবং পরদিন পুলিশের গুলিতে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার এবং শফিউর ছাড়াও আরো অনেকে শহীদ হয়েছিলেন বলে ভাষা আন্দোলন নিয়ে বিভিন্ন বইয়ে উঠে এসেছে।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

জয় বাংলা জাতীয় স্লোগান ঘোষণা