জয় বাংলা জাতীয় স্লোগান ঘোষণা

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক//

জয় বাংলাকে জাতীয় স্লোগান হিসেবে ঘোষণার সিদ্ধান্ত হয়েছে।  এ বিষয়ে সার্কুলার দেবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। বাধ্যতামূলকভাবে সকলে এই স্লোগান ব্যবহার করবে।

রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এক ব্রিফিংয়ে বলেন, সকল সাংবিধানিক পদ, সরকারি, বেসরকারি অফিসে কর্মরতদের বক্তব্যে জয় বাংলা স্লোগান দিতে হবে।

সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অ্যাসেম্বলি, সভা সেমিনারে, সমাবেশে জয় বাংলা স্লোগান ব্যবহার করতে হবে। দু’একদিনের মধ্যে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

বাঁশখালী উপজেলা প্রাণী সম্পদ প্রদর্শনী ও সভা অনুষ্ঠিত

বাঁশখালী উপজেলা প্রাণী সম্পদ প্রদর্শনী ও সভা অনুষ্ঠিত
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের বাঁশখালী প্রাণী সম্পদ দপ্তর ও ভ‍েটেরেনারি হাসপাতালের ব‍্যাবস্থাপনায় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী-২০২২ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার ১৬ ফেব্রুয়ারী) সকাল ১১ টায় প্রাণিসম্পদ ও ডেইরী উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি) প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, মৎস‍্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় উপজেলা প্রাণীসম্পদ অফিস চত্তরে অনুষ্ঠিত হয়।প্রদর্শনীতে
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ওমর ফারুকের সভাপতিত্বে ফিতা কেটে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী-২২ এর উদ্ভোধন করেন।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেহেনা আক্তার খাজমী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বাঁশখালী আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি অধ্যাপক তাজুল ইসলাম বাঁশখালী কৃষি কর্মকর্তা আবু সালেক, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উম্মুল ফারা তাসকিয়া,স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা: সমরঞ্জন বড়ুয়া, উপজেলা গরু ছাগল খামারী এবং পশু অফিসের অন্যান্য কর্মচারীবৃন্দরা।

এই প্রদর্শনীতে স্টলে বিভিন্ন জাতের গরু, ছাগল, ভেড়া, হাঁস, মুরগী ও বিভিন্ন ধরনের পাখি প্রদর্শনী করা হয়।
এ বিষয়ে ভেটেরেনারী সার্জন ডা:রোকনুজ্জামান বলেন, দেশে বিভিন্ন জাতের পশু পালন বিষয়ে আমরা ব‍্যাপক সাফল‍্য লাভ করেছি। হাঁস-মুরগীর ডিম উৎপাদনে আমরা লক্ষ‍্যমাত্রা অর্জন করেছি। দুধ উৎপাদনেও প্রায় লক্ষ‍্যমাত্রা অর্জনের পথে। তাই প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীর মাধ‍্যমে এই বাঁশখালী উপজেলা অঞ্চলের মানুষ যাতে উন্নত প্রজাতির পশু ও পাখি লালন-পালনে উদ্বুদ্ধ হয় এবং এর সুফল জনগণের মাঝে পৌঁছে দেয়াই আমাদের লক্ষ্য।
সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ ওমর ফারুক বলেন, এই এলাকার মানুষ যাতে উন্নত জাতের গরু-ছাগল হাঁস মুরগী আরো বেশি লালন-পালন করতে পারে এই লক্ষ্য নিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।

বাংলাদেশ সরকার দেশে ব্যপক উন্নতি ঘটিয়েছে। কৃষি সেক্টরেও অনেক উন্নয়ন সহ প্রাণীসম্পদে উন্নয়নের ধারা চলমান রাখতে সরকার বিভিন্নভাবে জনগণকে সহযোগিতা দিয়ে আসছে। প্রাণিসম্পদের এই প্রদর্শনী পশুপালনে জনগণের মাঝে ব‍্যাপক সাড়া ফেলবে বলে আশা করছি।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

২২ ফেব্রুয়ারি খুলছে স্কুল-কলেজ

 

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন উপলক্ষে ডুমুরিয়ায় বিএনপির সভা

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া খুলনা//

অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন উপলক্ষে  ১৫ ফেব্রুয়ারি  মঙ্গলবার বিকেলে  ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে এক  প্রস্তুতি সভা   দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয।

উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোল্যা মোশাররফ হোসেন মফিজ এর সভাপতিত্বে  সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক শেখ সরোয়ার হোসেন, মোল্লা কবির হোসেন, শেখ শাহিনুর রহমান, মাষ্টার আমিরুল ইসলাম, বিএম হাবিবুর রহমান, জি এম আমানউল্লাহ, শেখ মাহাবুর রহমান, মোল্লা মশিউর রহমান দেলোয়ার হোসেন, শাহানুল ইসলাম শাহিন,সরদার মোজাফ্ফার হোসেন,শাহাদাত হোসেন ,  ইকরামুল হোসেন,  মাষ্টার আইয়ুব আহমেদ, মাষ্টার সেলিম হালদার, সরদার বিল্লাল হোসেন, খান শফিকুল ইসলাম , গাজী মোনায়েম হোসেন, শেখ আঃগফ্ফার,আঃ সালাম সরদার, অংশ পতি বৈরাগী, খোকন তালুকদার, আবুল হোসেন সরদার,মাওলানা মতিয়ার রহমান, শহিন আলম,দেলোয়ার হোসেন, মোল্ল‍্যা আবরার হোসেন সৈকত, রিপন সরদার, শাহেদ, ইমন সরদার, রকিবুল ইসলাম, রাকিব হাসান, আফছানুর  প্রমুখ।

 

রামপালে ২২৩ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৭৪ টিতে এখোনো নির্মিত হয়নি শহীদ মিনার

এ এইচ নান্টু,  বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় ২২৩ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মধ্যে ১৭৪ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই। স্বাধীনতার ৫০ বছর পরেও উপকূলীয় এ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে শহীদ মিনার না থাকায় সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ রয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এ উপজেলায় মোট ২২৩ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে ৩ টি কলেজ, ৫ টি ডিগ্রী মাদরাসা, ২ টি আলীম মাদরাসা, ৩৩ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১১ টি নিন্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১২৭ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ২০ টি ইবতেদায়ী মাদরাসা রয়েছে। ১২৭ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ২১ টিতে শহীদ মিনার আছে। ১০৬ টি বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নেই। ২০ টি ইবতেদায়ী মাদরাসার একটিতেও শহীদ মিনার নেই। ৩ টি সরকারি কলেজের মধ্যে রামপাল সরকারি কলেজে শহীদ মিনার দেখানো হলেও সেটি রয়েছে অযত্নে-অবহেলিত।

৩৪ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১৪ টিতে শহীদ মিনার আছে। বাকী ২০ টিতে নাই। আলীম মাদরাসার ২টির কোনটাই নেই। দাখিলের ১০ টির মধ্যে কোনটিতেই নেই। ৫ টি ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার একটিতেও শহীদ মিনার নেই। এ নিয়ে অনেক পূর্ব থেকেই লেখা লেখি করা হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ঘুম ভাঙ্গেনি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষক, সাবেক শিক্ষক ও সচেতন মহল তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ৫০ বছরেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে শহীদ মিনার নির্মান না হওয়া দুঃখজনক।

এ বিষয়ে উপজেলা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি এ্যডভোকেট মহিউদ্দিন শেখ বলেন, আমরা খুব হতাশ। তিনি আরও বলেন, আমাদের মাতৃভাষাকে বিশ্ববাসী স্বীকৃতি দিয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার মর্যাদা দিয়েছে। কিন্তু কেন এতে বছরেও শহীদ মিনার নিয়ে কথা বলা লাগবে ? তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকারিভাবে দ্রুত শহীদ মিনার নির্মানের জোর দাবী জানান।

এ বিষয়ে রামপাল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মতিউর রহমান বলেন আমরা  উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট তথ্য প্রেরণ করেছি। একই কথা বলেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন শহীদ মিনার নির্মান না হওয়ায় আমাদের এ নতুন প্রজন্ম বাংলা ভাষা তথা মাতৃভাষার চর্চা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

এ বিষয়ে রামপাল উপজেলা চেয়ারম্যান সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন এর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি জানান, এটা খুবই দুঃখজনক। আমরা এ বিষয়ে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করে শহীদ মিনার নির্মান করবো। উপজেলা প্রশাসনের ও সরকারের পক্ষ থেকে সবকিছু করা হবে।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত 

মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের প্রস্তুতি সভা

 //আ: রাজ্জাক, খুলনা ব্যুরো//

খুলনায় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে এক প্রস্তুতি সভা সোমবার সকালে খুলনার জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদারের সভাপতিত্বে তাঁর সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় জানানো হয়, ২১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা এক মিনিটে নগরীর শহিদ হাদিস পার্কের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় পুষ্পমাল্য অর্পণের সময় প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন পর্যায়ে পাঁচজন এবং ব্যক্তি পর্যায়ে দুইজন একত্রে পুষ্পস্তবক অর্পণে অংশ নিতে পারবেন। দিবসটি উপলক্ষ্যে খুলনা সিটি কর্পোরেশন, জেলা শিশু একাডেমি ও সরকারি গণগ্রন্থাগার আলাদাভাবে শিশুদের জন্য চিত্রাংকন, আবৃত্তি, রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হবে। জেলা তথ্য অফিস নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করবে। ঐদিন বাদজোহর ভাষা শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় সকল মসজিদে দোয়া এবং সুবিধাজনক সময়ে মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে।

পরে একই স্থানে  ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ-২০২২ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। দিবসটি উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ বেতারের খুলনা কেন্দ্রে অবস্থিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, শিক্ষার্থীদের নিয়ে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ প্রতিযোগিতা, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

সভায় খুলনা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আছাদুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ ইউসুপ আলী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) সুশান্ত সরকার, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি (দক্ষিণ) সোনালী সেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আলমগীর কবিরসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা অংশগ্রহণ করেন।

পড়ুল দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

বাঘের সাথে ২০ মিনিট যুদ্ধ করে জয়ী হয়ে ফিরলেন হায়াত আলী

প্রধানমন্ত্রী মানুষের বাসস্থান ও চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছেন : এমপি পত্নী সারমিন সালাম

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

খুলনা -৪আসনের সংসদ সদস‍্যের সহধর্মিনী সারমিন সালাম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষের প্রয়োজনীয় খাদ্য নিশ্চিত করেছেন। দেশে কেউ না খেয়ে থাকে না। প্রধানমন্ত্রী মানুষের বাসস্থান ও চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছেন। ঘরহীনকে ঘর দিচ্ছেন, এ দেশে কেউ আর ঘরহীন থাকবে না।
তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করার জন্য মহিলাদের আরও সোচ্চার হতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, যাবেই ইনশাল্লাহ। দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে কোনো অপশক্তি পারবে না।
এমপি সালাম মুর্শিদী ও আমি তিন উপজেলায় দলের সদস্য ছাড়া সকল শ্রেণীপেশার মানুষের বিপদ-আপদে সার্বিক সহযোগিতা করে যাচ্ছি। আগামী নির্বাচনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জয় লাভ করার জন‍্য সকল ভেদাভেদ ভুলে ঐক‍্যবন্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানান

আজ ৫ ফেব্রুয়ারি শনিবার বিকালে এমপি সালাম মুর্শেদীর খুলনাস্থ দলীয় কার্যালয়ে রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া উপজেলার মহিলা আওয়ামী লীগ ও যুব মহিলা লীগের সকল নেতৃবৃন্দের মাঝে এমপি সালাম মূশের্দী ও সারমিন সালামের নিজস্ব অর্থায়নে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে জুম কনফারেন্স এর মাধ‍্যমে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও দিঘলিয়া উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামসুন্নাহার এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অধ্যক্ষ আব্দুস সালাম, জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক আহ্বায়ক মোঃ মোতালেব হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম হাবিব,এমপির প্রধান সমন্বয়কারী যুবলীগ নেতা নোমান ওসমানী রিচি, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আজিজা সুলতানা, সাংগঠনিক সম্পাদক রিনা পারভিন, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সাবিনা ইয়াসমিন, আওয়ামীলীগ নেতা মিয়া আরিফ হোসেন, সালাম মূশের্দী সেবা সংঘের টিম লিডার সামসুল আলম বাবু, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মঈন উদ্দীন, আবদুল্লাহ আল মামুন, তেরখাদা উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আনজুয়ারা সুমি, সাধারণ সম্পাদক, তাহিরা নয়ন, উপজেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি আকলিমা খাতুন তুলি, শারমিন সুলতানা রুনা, রিক্তা আকতার, মাধুরী সরকার, মমতা হেনা জোসনা, খাদিজা বেগম,হাসিনা বেগম,দিপালী মালী, নাদিয়া খানম,হাওয়া জান বেগম, সামিনা বেগম,ফিরোজা বেগম,আনোয়ারা বেগম, ইউপি সদস্য সামিরুল বেগম, ফিরোজা বেগম, স্বপ্না রানী পাল, লিপিকা রানী দাস,হোসনে আরা পারভীন হেনা, নাসিমা কবির, রোমেছা বেগম, পাখি রানী বিশ্বাস, তমা রানি ধর, সেলিনা বেগম,বেবি মজুমদার, স্বপ্না বেগম, পারভীন বেগম, আসমা বেগম, রোমেছা বেগম, জেসমিন আকতার, সেবা সংঘের তরিকুল ইসলাম,শিমুল শেখ, ছাত্রলীগের রিয়াজ প্রমূখ।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

বাঁশখালী পুকুরিয়ায় চৌমুহনী ফুটবল ফেডারেশনের টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল সম্পন্ন

 

সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের নতুন শপথ পাঠের  নির্দেশ

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের নতুন শপথ পাঠ করার বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে এ নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আলমগীর হুসাইন স্বাক্ষরিত আরেকটি আদেশে এ নির্দেশ দেয়া হয়।

প্রাথমিকের আদেশে জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও বিভাগীয় উপ-পরিচালকদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রতিদিনের সমাবেশে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর নতুন শপথ পাঠ করানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আদেশে বলা হয়, সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিদিনের সমাবেশে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর শপথ পাঠ করতে হবে।

ইংরেজি মাধ্যম/বিদেশি কারিকুলামে পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রাত্যহিক সমাবেশকালে নতুন শপথ বাক্য পাঠের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই নির্দেশনা বাস্তবায়িত হবে বলে জানা গেছে।

নতুন শপথটি হলো-

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পাকিস্তানি শাসকদের শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে এক রক্তক্ষয়ী মুক্তিসংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। বিশ্বের বুকে বাঙালি জাতি প্রতিষ্ঠা করেছে তার স্বতন্ত্র জাতিসত্তা। আমি দৃপ্তকণ্ঠে শপথ করছি যে, শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেব না। দেশকে ভালোবাসব, দেশের মানুষের সার্বিক কল্যাণে সর্বশক্তি নিয়োগ করব। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের আদর্শে উন্নত, সমৃদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার সোনার বাংলা গড়ে তুলব। মহান সৃষ্টিকর্তা আমাকে শক্তি দিন।

 

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশালের ৩০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কালাম মোল্লা ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার

বাগেরহাটের রামপালের ডাকরা গণহত্যার ইতিহাস বিকৃত করার প্রতিবাদে মানববন্ধন

বাগেরহাটের রামপালের ডাকরা গনহত্যার ইতিহাস বিকৃত করা ও আওয়ামী লীগ নেতা শেখ আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানবন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। বুধবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে রামপাল উপজেলার ডাকরা বধ্যভূমির সামনে ডাকরা বধ্যভূমি সংরক্ষণ কমিটির উদ্যোগে এই মানববন্ধন হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন,  বাগেরহাট জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অতিন্দ্রনাথ হালদার দুলাল, ডাকরা বধ্যভূমি সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি প্রফুল্ল চন্দ্র রায়, সাধারণ সম্পাদক ও ডাকরা গনহত্যা বইয়ের লেখক বিষ্ণুপদ বাগচি, বীরমুক্তিযোদ্ধা শেখ আলতাফ হোসেন, আব্দুল খালেক হাজী, আব্দুল হামিদ শেখ, শেখ আব্দুল হক, ডাকরা গনহত্যার প্রতক্ষদর্শী শিক্ষক শিশির কুমার বিশ্বাস, পুর্নেন্দু বিশ্বাস, গনহত্যায় স্বজন হারানো মুক্তা বিশ্বাস, স্বপ্না রানী বিশ্বাস, দিপক রায় প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, কেউ কেউ ব্যক্তিগত স্বার্থে ডাকরা গনহত্যার ইতিহাস বিকৃত করছেন। এর অংশ হিসেবে মোংলা পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি শেখ আব্দুস সালামের নামে ডাকরা গনহত্যার ঘটনার সঠিক ইতিহাস তুলে না ধরে মোলার সাবেক জনপ্রিয় মেয়র আ. সালামকে  জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচার ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করছেন একটি স্বার্থন্বেষী মহল। ১৯৭১ সালে ডাকরা গনহত্যার সাথে শেখ আব্দুস সালাম জড়িত ছিলেন না।  বরং শেখ আব্দুস সালামের পরিবার মুক্তিযুদ্ধের সময় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষদের আশ্রয় ও খাবার দিয়ে সহযোগিতা করেছেন। রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য কোন একটি দুষ্টচক্র এই অপপ্রচার চালাচ্ছে । এই ঘৃণ্য অপপ্রচার ও ইতিহাস বিকৃতি রোধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন মানববন্ধনকারীরা। মানববন্ধনে বীরমুক্তিযোদ্ধা, ডাকরা গনহত্যার প্রতক্ষদর্শী ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিরা অংশগ্রহন করেন।

ডাকরা বধ্যভূমি সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি প্রফুল্ল চন্দ্র রায় বলেন, অত্যাচারীত স্বজন হারা মানুষ আমরা। এই গনহত্যাকে কেন্দ্র করে কোন অপপ্রচার ও বিকৃত ইতিহাস রচিত হলে তা আমরা মেনে নেব না। ১৯৭১ সালে ডাকরা গনহত্যার সাথে শেখ আব্দুস সালামের কোন সম্পৃক্ততা ছিল না, বরং শেখ আব্দুস সালামের পরিবার ওই সময় হিন্দুদের আশ্রয় ও খাবার দিয়ে সহযোগিতা করেছেন।

ডাকরা গনহত্যা বইয়ের লেখক সাবেক প্রধান শিক্ষক বিষ্ণুপদ বাগছি বলেন, ডাকরা গনহত্যা বিষয়ক বই লেখার সুবাদে এই এলাকার বীরমুক্তিযোদ্ধা, নিহতদের স্বজন ও প্রতক্ষদর্শীদের সাথে আমি কথা বলেছি। গণহত্যার সাথে শেখ আব্দুস সালাম জড়িত এমন কথা কেউ বলেনি। গনহত্যার সাথে শেখ আব্দুস সালামকে জড়িয়ে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, সেটা ইতিহাস বিকৃতির সমান। আমি এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাই।

বাগেরহাট জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অতিন্দ্রনাথ হালদার দুলাল বলেন, জীবন বাজী রেখে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশকে স্বাধীন করেছি। তার মানে এই নয় যে, নিরাপরাধ মানুষকে অপরাধী বলব। যে বা যারা ডাকরা গনহত্যার ইতিহাস বিকৃতের অপচেষ্টা করছেন আমি তাদেরকে ধীক্কার জানাই। এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানান তিনি।

ডাকরা গনহত্যার প্রতক্ষদর্শী শিক্ষক শিশির কুমার বিশ্বাস বলেন, ১৯৭১ সালে শেখ আব্দুস সালাম ডাকরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৯ম শ্রেণিতে পড়তেন। গনহত্যার সাথে আব্দুস সালাম কোনভাবে জড়িত ছিল না।

১৯৭১ সালের ২১ মে শুক্রবার বাগেরহাটের রজ্জব আলী ফকিরের রাজাকার বাহিনী রামপাল উপজেলার পেড়িখালী ইউনিয়নের ডাকরা গ্রামে ব্যাপক গণহত্যা চালায়। গুলি ও জবাই করে তারা সেদিন প্রায় ছয় শতাধিক সাধারন মানুষকে হত্যা করে। এক সাথে রাজাকার বাহিনীর হাতে জেলার সবচেয়ে বড় হত্যাকান্ডের মধ্যে একটি।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ২১ মে শুক্রবার রামপালের ডাকরা ঠাকুর বাড়িতে রাজাকার কমান্ডার রজ্জব আলী ফকিরসহ ৪০ থেকে ৪৫ জনের একটি বাহিনী ভারতগামী প্রায় ৬ শত মানুষকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। স্বাধীনতার ৫০ বছর পেরুলেও ৬ শত মানুষের নামের তালিকা প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। এ পর্যন্ত ১০৪ জনের নামের তালিকা পাওয়া গেলেও বাকীদের খুঁজে তালিকা না করায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ডাকরা বধ্যভূমি সংরক্ষণ কমিটি।

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

আগামী ১৮’ই জানুয়ারী মোংলা বন্দের ১৩২টি গাড়ি নিলাম হবে

 

বাঁশখালী প্রাণীসম্পদ দপ্তরে খামারিদের মাঝে প্রদর্শনী উপকরণ বিতরণ

//চট্টগ্রাম প্রতিনিধি//

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলা প্রাণীসম্পদ দপ্তরের উদ্যোগে খামারিদের মাঝে প্রদর্শনী উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। ন্যাশনাল এগ্রিকালচার টেকনোলজি প্রোগ্রাম (এনএটিপি-২) প্রকল্পের আওতায় সিআইজি তালিকাভুক্ত ৪২ জন খামারির মাঝে এই প্রদর্শনী উপকরণ বিতরণ করা হয়।

গত বৃহস্পতিবার সকালে বাঁশখালী উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ড. সমরঞ্জন বড়ুয়ার সভাপতিত্বে প্রদর্শনী উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঁশখালীর সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী এমপি।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুজ্জামান চৌধুরী, প্রাণীসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডাঃ তানজীর হোসেন, ডাঃ শুভ দাশ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাংসদ মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তার নেতৃত্বে প্রাণিসম্পদ বিভাগও দেশ
গঠনে অনন্য ভূমিকা রাখছে।

 

বাগেরহাটের রামপালে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শেখ জলিলের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন

মুক্তিযুদ্ধকালীন কমান্ডার ও সাবেক প্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ আ. জলিল (৭৬) এর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার আসরবাদ কোর্ট মসজিদ চত্বরে জানাযা শেষে রামপাল সদরস্থ পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে। এর পূর্বে ওই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে গার্ড অব অনার প্রদর্শন, বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। তিনি সকাল ৮ টায় অসুস্থ হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু বলে ঘোষণা করেন।

মৃত্যুকালে তিনি একমাত্র পুত্রসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান। তার জানাযায়  অংশ নেন, বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক এমপি মীর শওকত আলী বাদশা, সাবেক জেলা জাজ শেখ জালাল উদ্দীন, উপজেলা চেয়ারম্যান সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবীর হোসেন, ওসি মোহাম্মদ সামসুদ্দীন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোল্লা আ. রউফ, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ মো. আবু সাইদ, চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বাবুল, তরফদার মাহাফুজুল হক টুকু, শেখ মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল, মো. নাসির উদ্দীন, মো. রাজীব সরদার, মুক্তিযোদ্ধা শেখ মোজাফফর হোসেন, মৃতের পুত্র ও রামপাল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ সাদী প্রমুখ।

জানাযায় বাগেরহাটের বিভিন্ন উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াতের নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন। খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, বাগেরহাট-৩ আসনের এমপি ও বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপমন্ত্রী হাবিবুন্নবী নাহার, বাগেরহাট-১ আসনের এমপি শেখ হেলাল উদ্দিন, ২ আসনের এমপি শেখ সারহান নাসের তন্ময়, ৪ আসনের এমপি এড. আমিরুল ইসলাম মিলন, বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামারুজ্জামান টুকুসহ নেতৃবৃন্দ গভীর শোক ও পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি || 

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

জয়নাল হাজারী শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ল্যাব এইড হাসপাতালে