আজকের সাময়িক বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট বিপর্যয়ে অতিষ্ঠ কলকাতার জনজীবন

বৈশাখের শেষ প্রান্তে হঠাৎ করে আজকের সাময়িক বৃষ্টির কারণে প্রকৃতি কিছুটা রুদ্ররূপ ধারণ করেছে।সৃষ্ট নিম্নচাপের কারণে প্রবল বৃষ্টিতে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম বিপর্যয়।

একদিকে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে বিপর্যস্থ সমগ্র ভারতের সাথে পশ্চিম বঙ্গও।আজও অক্সিজেনের সল্পতার কারণে ১১ জন মৃত্যু বরণ করেছে এবং অন্যদিকে গঙ্গা নদী দিয়ে ভেসে আসছে লাশের পরে লাশ।এযেন মানবিক বিপর্যয়ের অকল্পনীয় রূপ।

বৃষ্টির পানিতে রাস্তাঘাট ভেসে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের যেমন চলাচলের অসুবিধা হয়েছে তেমনি করোনা আক্রান্ত রোগীদের বাড়িতে অক্সিজেন, খাবার ও ওষুধ পৌঁছানোও দুরূহ হয়ে পড়েছে।ফলে রেড ভলেন্টিয়ার্সের মতো যে সকল সামাজিক সংগঠন কাজ করছে তারা যেমন রোগীর নিকটে দ্রুত পৌঁছাতে পারছে না তেমনি মুমুর্ষ্য রোগীদের সঠিক সময়ে হাসপাতালে স্থানান্তর করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

আবহাওয়ার এই বৈরী প্রভাবের ফলে করোনা আক্রান্ত রোগীদের মৃত্যুর মিছিল আরও বেড়ে যেতে পারে।

// অনলাইন ডেক্স //

……………………………

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

করোনা পরীক্ষার ফি..

 

বরিশালে পুনরায় চালু হলো ভ্রাম্যমান ”মানবতার বাজার”

 

বরিশাল করোনা পরিস্থিতির মধ্যে হতদরিদ্র মানুষের বিনা মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য সরবরাহ করার লক্ষ্যে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) বরিশালে পুনরায় চালু হলো ‘ভ্রাম্যমাণ মানবতার বাজার’ ।

 

নগরীর অমৃতলাল দে কলেজ মাঠে চালু হওয়া ‘মানবতার বাজার’ কলেজ কর্তৃপক্ষের অপরাগতার কারণে ভ্রাম্যমান পদ্ধতিতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় এ কার্যক্রম চালু রেখেছে সংশ্লিষ্টরা। মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) নগরীর কাউনিয়া এলাকায় ৩শ’ হতদরিদ্রদের মাঝে বিনামূল্যে চাল, ডাল, তেল, আলুসহ ১১টি পণ্য বিতরণ করা হয়।

 

বরিশাল জেলা বাসদের সদস্য সচিব ডা. মনীষা চক্রবর্তী জানিয়েছেন, শত বাঁধা আসলেও করোনাকালীন হতদরিদ্রদের জন্য তাদের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভ্যানে পণ্যসামগ্রী নিয়ে নগরীর কাউনিয়া মরকখোলা পোল চত্বরে এসে পৌঁছায় বাসদ নেতৃবৃন্দ। সেখানে আগে থেকেই অপেক্ষমান ছিলেন হতদরিদ্র পরিবারের লোকজন।

 

পরে তিনশ মানুষকে জনপ্রতি দুই কেজি চাল, ডাল ৫শ গ্রাম, আলু ১কেজি, সেমাই, ৫শ গ্রাম চিনি, ২কেজি সবজি, ১কেজি আটা, দুধ ১শ’ গ্রাম, তেল ৫শ গ্রাম বিতরণ করা হয়। বাসদ নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, মানবতার বাজারে চাল, ডাল, তেল, চিনি, দুধ, সেমাই সহ ১১ ধরনের খাদ্য সামগ্রী হতদরিদ্রদের বিনামূল্যে দেয়া হয়। গত বৃহস্পতিবার থেকে চালু হওয়ার পর এ পর্যন্ত প্রায় ১৮শ’ ব্যক্তিকে এই খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে।

 

তারা আরো জানান, গতবছর কোভিড পরিস্থিতিতে বাসদ বরিশালে মানবতার বাজার কার্যক্রমের মাধ্যমে ২০ হাজার মানুষকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছিল। বরিশাল জেলা বাসদের আহ্বায়ক ইমরান হাবিব রুম্মন জানান, করোনায় কর্মহীন হতদরিদ্রদের পাশে মানবিক কারণেই দাড়িয়েছে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)। কিন্তু ক্ষমতাসীন দলের চক্রান্তের কারণে অমৃত লাল কলেজ মাঠে চালু করা মানবতার বাজার বন্ধ হয়ে যায়।

 

তবে তাদের কার্যক্রম স্থগিত করতে পারেননি জানিয়ে তিনি বলেন, বাসদ সব সময় হতদরিদ্র মানুষের পাশে ছিল ভবিষ্যতেও থাকবে। জেলা বাসদের সদস্য সচিব মনীষা চক্রবর্তী বলেন, গত শুক্রবার রাতে অমৃত লাল দে কলেজ কর্তৃপক্ষ তাদের জানিয়ে দিয়েছেন কলেজ মাঠে মানবতার বাজার কার্যক্রম চালানো যাবেনা’।

 

এর সঠিক কারন তারা স্পষ্টভাবে না বললেও আকারে ইঙ্গিতে বুঝিয়েছেন, এটা বন্ধের জন্য তাদের ওপর চাপ রয়েছে। মনীষা চক্রবর্তী বলেন, বাসদ বরিশাল জেলা শাখার উদ্যোগে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানুষকে সম্মানের সঙ্গে খাদ্যসহায়তা দেয়ার জন্য মানবতার বাজার চালু করা হয়।

 

পাশাপাশি ফ্রি অক্সিজেন ব্যাংক সেবা, অ্যাম্বুলেন্স সেবা, করোনা রোগীদের চিকিৎসা, মানবতার কৃষি, মানবতার পাঠশালাসহ বিভিন্ন সহায়তা করা হয়। করোনাকালীন সময়ে তাদের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি

 //পলাশ চন্দ্র দাস :: বরিশাল প্রতিনিধি //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশালে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা সামগ্রী বিতরন

 

হ্যাঁ এটা আজকের ফেরীর দৃশ্য…! মানুষের চাপে গাড়ির জায়গা হলো না ফেরিতে!

 

নাড়ির টানে আজ শুক্রবার অনেকেই যাচ্ছেন গ্রামের বাড়িতে ঈদ করতে। সেহরি খেয়ে ঢাকা থেকে রওনা দেন। শিমুলিয়া পৌঁছার আগে কোনো ঝামেলা না হলেও ফেরিঘাটে এসে পড়েন চরম বিড়ম্বনায়।

অনেকেই প্রাইভেট পরিবহনে চড়ে শিমুলিয়া ফেরিঘাটে পৌঁছেন কোনো ঝামেলা ছাড়াই। ঢাকার ওষুধ ব্যবসায়ী আকতারুজ্জামান খান। সকাল সাড়ে ৭টা বা ৮টার সময়ই পৌঁছেন শিমুলিয়া ঘাটে।

কিন্তু কোনোভাবেই ফেরিতে গাড়ি উঠাতে পারেননি। যাবেন মাদারীপুরের শিবচরে। অবশেষে গাড়ি ওপারে চালকের কাছে রেখেই চলে আসতে হলো পরিবার পরিজন নিয়ে।

আকতারুজ্জামান খান জানান, লকডাউনের কারণে পদ্মায় চলাচলকারী লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ। তাই ফেরিতে যাত্রী চাপ অনেক বেশি। ফেরিতে গাড়ি উঠানোর জন্য দুপুর ১২টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেছি। যাত্রীদের জন্য কোনোভাবেই গাড়ি ফেরিতে উঠানো সম্ভব হলো না। আমার দেড় মাসের বাচ্চাসহ অবশেষে ফেরিতে চড়ে আসতে হলো। ফেরির মধ্যে একে অপরের শরীরের সাথে দাঁড়িয়ে আসতে হলো। প্রায় দেড় হাজার মানুষ ওই ফেরিতে পার হয়েছেন। মানুষের জন্য কোনোভাবেই ফেরিতে গাড়ি উঠানো সম্ভব হয়নি। তাই গাড়ি চালকের কাছে রেখে আসতে বাধ্য হলাম। 

মাদারীপুর জেলার শিবচরের বাংলাবাজার ফেরিঘাটে শুক্রবার সকাল থেকে হঠাৎ করেই ঘরমুখো যাত্রীদের ভিড় অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। ঈদের বাকি আরও এক সপ্তাহ থাকলেও দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ঘরমুখো যাত্রা শুক্রবার সকাল থেকেই শুরু হয়েছে। শুক্রবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে শিমুলিয়া থেকে রো-রো ফেরি এনায়েতপুরী শুধুমাত্র যাত্রী নিয়েই শিবচরের বাংলাবাজার ঘাটে এসে ভিড়ে। 

এ সময় ফেরিতে কোনো গাড়ি ছিল না। ফেরিঘাট সূত্র জানা গেছে, যাত্রীদের চাপের কারণেই শিমুলিয়া থেকে ফেরিটিতে কোনো গাড়ি উঠতে পারেনি। ফেরিটিতে ১২শ’ যাত্রী ছিল বলে ফেরিঘাট সূত্রে জানা গেছে।

বিআইডব্লিউটিসির বাংলাবাজার ফেরিঘাট সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল থেকেই দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার যাত্রীদের চাপ রয়েছে। হাজার হাজার যাত্রী ঈদের আগেভাগেই বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন। নৌরুটে রো-রোসহ ১৪টি ফেরি চলাচল করছে। তবে যাত্রীদের সংখ্যা বেশি থাকায় ফেরিতে গাড়ি অপেক্ষাকৃত কম পার হচ্ছে। ফেরিতে গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গা থেকে শুরু করে যাত্রীদের বসার জায়গাসহ সর্বত্র ছিল উপচেপড়া ভিড়।

বরিশালের যাত্রী ফারজানা আক্তার বলেন, ঈদের আগমুহূর্তে যাত্রীদের আরও ভিড় বেড়ে যায়। বাস চলে না। ভেঙে ভেঙে বাড়ি যেতে হবে। তাই কয়েক দিন আগেই বাড়ি যাচ্ছি।

বাংলাবাজার ঘাট সূত্রে জানা গেছে, যাত্রীদের পারাপারের জন্য ফেরির বিকল্প কোনো নৌযান না থাকায় ফেরিতে যাত্রীদের প্রচুর চাপ রয়েছে। ঘাটে ফেরি ভিড়লেই যাত্রী উঠে যাচ্ছেন। এতে গাড়ি উঠতে পারছে না ফেরিতে। বাধ্য হয়েই শুধু যাত্রীদের নিয়ে ফেরি চলাচল করছে।

এদিকে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় দূরপাল্লার যাত্রীরা শিবচরের বাংলাবাজার ঘাটে এসে বিপাকে পড়ছেন। মাইক্রোবাস, থ্রি-হুইলার আর মোটরসাইকেলযোগে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছতে হচ্ছে। পরিবার-পরিজন নিয়ে বাড়িফেরা যাত্রীদের দুর্ভোগ আরও বেশি। দীর্ঘপথ তাদের কয়েক দফা গাড়ি পাল্টে যেতে হচ্ছে। আর গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া।

বাংলাবাজার ঘাটের ম্যানেজার সালাউদ্দিন জানান, শিমুলিয়া প্রান্ত থেকে কোনোভাবেই পরিবহন নিয়ে ফেরি আসতে পারছে না। ফেরিঘাটে নোঙর করার সাথে সাথে মানুষ উঠে যায়। আর কোনো ধরনের গাড়ি ফেরিতে উঠানো সম্ভব হয় না।

।। অনলাইন ডেস্ক ।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

জাকারীয়া নোমান ফরাজী আটক…

 

বিশ্বের চতুর্থ শীর্ষ ধনী বিল-মেলিন্ডা গেটসের ছাড়াছাড়ির পর অঢেল সম্পদের কী হবে…!!!

 

গোটা বিশ্বের সেলিব্রেটি দম্পতিদের অন্যতম বিল গেটস ও মেলিন্ডা গেটস। বিশ্বের চতুর্থ শীর্ষ ধনী বিলের সঙ্গে ২৭ বছর আগে গাঁটছড়া বেধেছিলেন মেলিন্ডা। প্রায় তিন দশক এক ছাদের নিচে বাস করে বিচ্ছেদের পথে হাঁটলেন এই দুজন।

বিল গেটস ও মেলিন্ডার সম্পর্কের শুরুটা ছিল পেশাভিত্তিক। ১৯৮৭ সালে প্রোডাক্ট ম্যানেজার হিসেবে মাইক্রোসফটে যোগ দিয়েছিলেন মেলিন্ডা। এরপর দুজনের মধ্যে জানাশোনা শুরু হয়।

এরপরের গল্প দুজনের সামনে এগিয়ে যাওয়া। শুরু হয় দুজনের চুটিয়ে প্রেম।

এরপর প্রেম আরও গভীর হয়েছে। প্রেম শুরুর সাত বছর পর ১৯৯৪ সালে তারা এক ছাদের নিচে থাকার সিদ্ধান্ত নেন।

বিয়ের ছয় বছর পর তারা যৌথভাবে গড়ে তোলেন দাতব্য প্রতিষ্ঠান ‘বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন’। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে কাজ করছে এ ফাউন্ডেশন। বিশ্বজুড়ে সংক্রামক রোগব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াই ও শিশুদের টিকাদানে উৎসাহিত করতে তখন থেকে এখন পর্যন্ত এই ফাউন্ডেশন প্রায় ৫৪ বিলিয়ন ডলার খরচ করেছে। একটি ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত, সচেতন, শিক্ষিত ও স্বাস্থ্যবান বিশ্ব গড়ে তোলা এ সংস্থার প্রধান উদ্দেশ্য।

ফোর্বসের হিসাবে, বিল গেটস এ মূহুর্তে বিশ্বের চতুর্থ ধনী এবং তার সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১২৪ বিলিয়ন ডলার।

তিনি মূলত এ অর্থের মালিক হয়েছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় সফটওয়্যার কোম্পানি মাইক্রোসফটের মাধ্যমে। ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠা করা এ কোম্পানিটির সহ-প্রতিষ্ঠাতা তিনি।

ধনকুবের এই দম্পতির তিন ছেলে–মেয়ে। বড় মেয়ের নাম জেনিফার গেটস। ছেলে রোরি জন গেটস মেজ। আর ছোট মেয়ে ফিবি অ্যাডেল গেটস।

মা–বাবার বিচ্ছেদের পর সন্তানেরা কী পরিমাণ সম্পদের মালিক হচ্ছেন, তা নিয়েও শুরু হয়েছে আলোচনা। তবে মা–বাবা অঢেল সম্পদের মালিক হলেও সন্তানেরা পাচ্ছেন তার খুব সামান্যই। তিন ভাই–বোনের প্রত্যেকই পাবেন এক কোটি মার্কিন ডলার। বিল ও মেলিন্ডার বাকি অর্থ চলে যাবে ট্রাস্টে।

১৯৯৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে পিছিয়ে পড়া ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করার জন্য উইলিয়াম এইচ ফাউন্ডেশন (দ্য বিল এন্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের আগের নাম) ১ হাজার ৫২৫ কোটি ডলারের বৃত্তি দেয়, যা শিক্ষাখাতে যুক্তোষ্ট্রের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সর্বাধিক অনুদান।

এ অনুদান যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষায় পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে। স্নাতক সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীদের জন্য ২০০০ সালে বিল গেটস ‘গেটস কেমব্রিজ’ বৃত্তি চালু করেন। ‘গেটস কেমব্রিজ’ বৃত্তি বর্তমান পৃথিবীতে আর্থিক অনুদানের দিক দিয়ে সর্ববৃহৎ শিক্ষাবৃত্তি। এ বৃত্তির আওতায় প্রতিবছর যুক্তরাষ্ট্র ও পৃথিবীর অন্যান্য দেশের শতাধিক মেধাবী মেধাবৃত্তি পেয়ে থাকে।

 

গেটস ফাউন্ডেশন প্রতিবছর প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে। বিল গেটস ২০০৮ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে ৬৮ কোটি ২৩ লাখ মার্কিন ডলারের অনুদান দেন পোলিও প্রতিরোধের জন্য। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ফান্ডে ইতিহাসে এত টাকা আর কোনো ব্যক্তি একসঙ্গে দেননি। ২০০৬ ও ২০১১ সালে বিল গেটস এইডস, টিবি এবং ম্যালেরিয়া প্রতিরোধকল্পে বৈশ্বিক তহবিলে ৫০ কোটি ও ৭৫ কোটি ডলারের আর্থিক অনুদান দেন।

২০১২ সালে ফাউন্ডেশনটি ২০ কোটি ৭৭ লক্ষ ডলারের আর্থিক সহায়তা প্রদান করে ‘গ্লোবাল টিবি ভ্যাকসিন ফাউন্ডেশন’কে। বর্তমানে মহামারি করোনাভাইরাস মোকাবেলায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে ১৫০ মিলিয়ন ডলারের আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে বিল এন্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন। প্রয়োজনে তা ২৫০ মিলিয়ন ডলারের উন্নীত করার আশ্বাস দিয়েছেন বিল গেটস।

 

বৈবাহিক বিচ্ছেদ হলেও আপাতত ফাউন্ডেশনে তারা এক থাকছেন। ফাউন্ডেশনের কৌশলগত বিষয়ের অনুমোদন, সব আইনি ইস্যু এবং সংস্থার সামগ্রিক দিকনির্দেশনা নির্ধারণে একত্রে কাজ করে যাবেন বিল গেটস ও মেলিন্ডা। তবে তাদের বিপুল পরিমাণ অন্যান্য সম্পত্তির হিসাব–নিকাশ হয়তো এতটা সহজ হবে না।

 

বিল-মেলিন্ডার পক্ষ থেকে ফাউন্ডেশনের ভবিষ্যতের ব্যাপারে আশ্বস্ত করা হলেও তাদের যৌথ মালিকানাধীন সম্পত্তি কীভাবে ভাগ হবে বা বিচ্ছেদের চুক্তি কী হচ্ছে, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষের কাছ থেকেই কিছু জানা যায়নি। সংশ্লিষ্ট আদালতের কাছে বৈবাহিক সম্পর্ক মিটিয়ে ফেলার আবেদনের পাশাপাশি বিচ্ছেদ চুক্তি অনুযায়ী ব্যবসায়িক স্বার্থ, দায়বদ্ধতা এবং যৌথ মালিকানাধীন সম্পত্তিও ভাগ করার জন্য আবেদন জানিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

 

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী বিল গেটস নিজ দেশ যুক্তরাষ্ট্রে বেসরকারিভাবে সবচেয়ে বেশি কৃষিজমির মালিক। গেটসের মালিকানায় রয়েছে ২ লাখ ৪২ হাজার একর কৃষিজমি। তবে দেশটির ১৮টি অঙ্গরাজ্যে ছড়িয়ে থাকা এসব কৃষিজমিতে যৌথ মালিকানাইয় মেলিন্ডারও নাম আছে। এর মধ্যে লুইজিয়ানায় ৬৯ হাজার ৭১ একর, আরকানসাসে ৪৭ হাজার ৯২৭ একর ও নেব্রাস্কায় ২০ হাজার ৫৮৮ একর কৃষিজমি রয়েছে।

 

ধারণা করা হচ্ছে, বিশ্বের অন্যতম ধনী দম্পতির বিচ্ছেদের পর এখন এই সম্পত্তি ভাগের বিষয়টি জটিল আকার ধারণ করবে। এছাড়া গেটস পরিবারের সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলার। তাই বিল গেটসের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের আপস-রফা হিসেবে মেলিন্ডা কী পাবেন, সে বিষয়ে চলছে জল্পনা।

অনলাইন ডেস্ক।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

  ১৯৮৭ সালে একটি নৈশভোজে চার চোখ প্রথম হয় গেটস দম্পতির

 

অঢেল সম্পদের মালিক তবু ২৭ বছর দাম্পত্যের পর হঠাৎ কেন দুজনার পথ গেল বেঁকে?

 

১৯৮৭ সালে একটি নৈশভোজে চার চোখ প্রথম এক হয়েছিল। এরপর সাত বছর চুটিয়ে প্রেম। অতঃপর বিয়ে।

এভাবে কেটে গেছে ২৭ টি বছর। দুজনে মিলে যে প্রতিষ্ঠানে হাত দিয়েছে সেটি সোনা হয়ে গেছে। মাইক্রসফট, বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের নাম আজ দিগবিদিক ছড়িয়ে পড়েছে। এই সময়ে তাদের ঘর আলো করে এসেছেন তিন সন্তান।  সেই সম্পর্ককে আর বয়ে নিয়ে যেতে পারলেন না। বলছি ধনকুবের দম্পতি বিল গেটস ও মেলিন্ডা গেটসের কথা।

সোমবার দীর্ঘ ২৭ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানার ঘোষণা দিলেন বিল গেটস ও মেলিন্ডা গেটস দম্পতি। টুইটার বার্তায় তারা এই ঘোষণা দিয়েছেন।

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী দম্পতির হঠাৎ এই বিচ্ছেদের ঘোষণা অবাক করেছে বিশ্ববাসীকে।

এই দম্পতির বিবাহ বিচ্ছেদের যৌথ ঘোষণা মানবহিতৈষী জগতকে নাড়িয়ে দিয়েছে বলে রয়টার্সের মঙ্গলবার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

বিবাহ বিচ্ছেদের এই সিদ্ধান্তের অর্থনৈতিক কি প্রভাব পড়বে সে বিষয়ে বিস্তারিত তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হয়নি।

বিল গেটস ও মেলিন্ডা ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নিয়ে কোর্টের দারস্থ হয়েছেন।  তাদের সম্পতি ভাগাভাগির ভারও আদালতকে দেওয়া হয়েছে।  তবে এসব বিষয়ে খুবই গোপনীয়তা অবলম্বন করেছেন বিল ও মেলিন্ডা। তাদের পরিবার কিংবা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকেও কেউ মুখ খোলতে রাজি হয়নি।

কী কারণে দুজনের পথ আলাদা হয়ে গেল সেটি এখনও স্পষ্ট নয়। বিষয়টি গোপন থাকুক সেটিই চাওয়া তাদের পরিবারের। যেমনটি জানা গেল এই দম্পতির বড় মেয়ের পোস্টে।

বিচ্ছেদের পর ইনস্টাগ্রামে জেনিফার গেটস লিখেছেন, আমাদের পুরো পরিবারের জন্য একটা দুঃসময় ছিল।’ জীবনের পরবর্তী ধাপে ব্যক্তিগত গোপনীয়তার বিষয়টি বোঝার জন্য সবাইকে অগ্রিম ধন্যবাদ দেন গেটস দম্পতির বড় মেয়ে জেনিফার।

অনেকটা হঠাৎ করেই বিচ্ছেদের ঘোষণা দিলেন দুজন। দুই সপ্তাহ আগেও মহামারি মোকাবিলায় লড়াইরত চিকিৎসাকর্মীদের নিয়ে একটি অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন দুজন। সেখানে জানান, করোনা আক্রান্তদের সহায়তায় বিলিয়ন ডলার ব্যয় করবে বিল ও মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন।

সোমবার টুইটারে পোস্ট করা যৌথ বার্তায় গেটস দম্পতি বলেন, ‘ব্যাপক চিন্তাভাবনা করে আমরা বিয়ের সম্পর্কের সমাপ্তি ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

তারা আরও লেখেছে, আমরা এটা আর বিশ্বাস করতে পারছি না যে, আমাদের জীবনের পরের ধাপে দম্পতি হিসেবে আমরা একসঙ্গে থাকতে পারব।’

বিচ্ছেদ হলেও দাতব্য কার্যক্রম একসঙ্গে চালিয়ে নেওয়ার বিষয়ে প্রত্যয়ী বিল ও মেলিন্ডা গেটস। টুইটবার্তায় লেখেন, ‘গত ২৭ বছরে আমরা অসাধারণ তিনটি সন্তান পেয়েছি। এমন একটা ফাউন্ডেশন গড়ে তুলেছি, যে ফাউন্ডেশন বিশ্বজুড়ে মানুষের স্বাস্থ্য ও সক্ষমতা নিয়ে কাজ করছে। আমরা যে বিশ্বাস থেকে ফাউন্ডেশনটি চালু করেছি, সেটা থাকবে। এই ফাউন্ডেশনের কাজ একসঙ্গে চালিয়ে যাব।

বিল ও মেলিন্ডা মিলে দাতব্য প্রতিষ্ঠান ‘বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন’ গড়ে তোলেন। বিশ্বব্যাপী এ ফাউন্ডেশন বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে কাজ করছে। বিশ্বজুড়ে সংক্রামক রোগব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াই ও শিশুদের টিকাদানে উৎসাহিত করতে কোটি কোটি ডলার ব্যয় করছে এই ফাউন্ডেশন।

বিল এই ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আর মেলিন্ডা কো-চেয়ার ও ট্রাস্টি।

সর্বশেষ হালনাগাদ আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী, ২০১৯ সাল শেষে ফাউন্ডেশনের মোট সম্পদের পরিমাণ ৪ হাজার ৩৩০ কোটি ডলার।

ওয়েবসাইটের তথ্যের বরাত দিয়ে রয়টার্স বলছে, ১৯৯৪ ও ২০১৮ সালের মধ্যে ৬৫ বছর বয়সী বিল ও ৫৬ বছর বয়সী মেলিন্ডা মিলে এই ফাউন্ডেশনে ৩ হাজার ৬০০ কোটি ডলারের বেশি দান করেছেন।

রয়টার্স বলছে, গেটস দম্পতির বিবাহ বিচ্ছেদের পর প্রতিষ্ঠান পরিচালনা বিষয়ে জানতে চাইলেও তাৎক্ষণিকভাবে ফাউন্ডেশনের কাছ থেকে কোনো জবাব মিলেনি।

// অনলাইন ডেস্ক //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

Microsoft Corporation 

কালবৈশাখী ঝড়

বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ১০ হাজার মাস্ক দিলো চকবাজার ব্যবসায়ীরা

 

 বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রোগী, চিকিৎসক ও নার্স এবং স্টাফদের সুরক্ষায় ১০ হাজার সার্জিক্যাল মাস্ক দিলো বরিশাল চকবাজার ব্যবসায়ী সমিতি ও স্বদেশী বস্ত্রালয়।

রোববার বেলা ১২টায় হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ এইচ এম সাইফুল ইসলাম’র হাতে মাস্ক হস্তান্তর করা হয়। এসময় পরিচালক আত্মমানবতার সেবায় এগিয়ে আসায় চকবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শেখ তোবারেক হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ আঃ রহিম এবং স্বদেশী বস্ত্রালয়ের প্রপাইটর মৃনাল কান্তি সাহাকে ধন্যবাদ জানিয়ে তাদের প্রতি কৃজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

পরিচালক ডাঃ এইচ এম সাইফুল ইসলাম বলেন, বর্তমান দেশে করোনা ভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে গেছে। তাই হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়েছে। এ সময় রোগীদের সেবা ও আমাদের চিকিৎসক, নার্স এবং স্টাফদের সুরক্ষার জন্য অধিকহারে মাস্ক সাপর্টের প্রয়োজন হয়। ঠিক এই মহুত্বে চকবাজার ব্যবসায়ী সমিতি ও স্বদেশী বস্ত্রালয়ের এমন মানবতার উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই।

তিনি সমাজের বৃত্তবানদের আত্মমানবতার সেবাই এগিয়ে আসার অনুরোধ ও আহ্বান জানিয়েছেন।

মাস্ক হস্তান্তর কালে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডাঃ এস এম মনিরুজ্জামান, শেবাচিমের ইনডোর চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডাঃ সুদিপ কুমার হালদার আউটডোর ডক্টরস এসোসিয়েশনের সভাপতি ডাঃ সৌরভ সুতার, সাধারণ সম্পাদক ডাঃ নূরুন্নবী তুহিন, ইনডোর চিকিৎসক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ডাঃ আশিক দত্ত, সেবা তত্ববধায়ক সেলিনা আক্তার, চকবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সহ সভাপতি জিয়াউল আলম ও স্বদেশী বস্ত্রালয়ের পক্ষ থেকে পালকির তত্বধীকারি তাপস ভুইয়া প্রমুখ ।

 // পলাশ চন্দ্র দাস :: বরিশাল //

আরও পড়ুন…

 

মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্থ দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা শুরু

 

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে ক্ষতিগ্রস্থ দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মধ্যে আর্থিক সহায়তা কার‌্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবার মাধ্যমে ঈদ উপহার হিসেবে সাড়ে ৩৬ লাখ মানুষকে এই সহায়তা দেওয়া হবে।

রোববার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দ্বিতীয় পর‌্যায়ের আর্থিক সহায়তা কার‌্যক্রমের উদ্বোধন করেন তিনি।

উদ্বোধনের দিনে ২২ হাজার ৮৯৫ জন সুবিধাভোগী মোবাইল পরিষেবার মাধ্যমে সহায়তা পেয়েছেন।  তিন দিনে সাড়ে ৩৬ লাখ মানুষ এ সহায়তা পাবেন।

দ্বিতীয়বারের মতো হাতে নেওয়া এই সহায়তা জন্য ৯১২ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

ভোলা, জয়পুরহাট ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার‌্যালয় প্রান্ত থেকে স্থানীয় সংসদ সদস্য,জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও উপকারভোগীরা অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত থাকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন।

মহান মে দিবসে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল শ্রমজীবী মানুষকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, মহান মে দিবস বিশ্বব্যাপী শ্রমজীবী মানুষের ঐক্য ও সংহতির প্রতীক।

মহান মে দিবসে (১ মে) দেয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, সরকার দেশের শ্রমজীবী মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও কল্যাণে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। তিনি জানান, ‘বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস সংক্রমণের ভয়াল পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমাদের সরকার শ্রমজীবী মানুষের পাশে থেকে ত্রাণ বিতরণসহ সর্বাত্মক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সরকার সংকট মোকাবিলায় শ্রমিকদের বেতনের জন্য ৮ হাজার ৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘রপ্তনিমুখী তৈরি পোশাক, চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকাশিল্পে কর্মহীন হয়ে পড়া ও দুস্থ শ্রমিকদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়ন নীতিমালা, ২০২০ বাস্তবায়নের জন্য শ্রম অধিদপ্তরের অনুকূলে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করেছে। করোনা পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কলকারখানা চালু রাখার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিশ্চিত করতে হবে।’

 

// ডেস্ক রিপোর্ট //

আরও পড়ুন…

সালাম মূশের্দী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন

 

ভূতলস্থ পানির স্তর নেমে যাওয়ায় পানি সংকটে  মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ার মানুষ

 

 মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ভূতলস্থ (মাটির তলদেশ) পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার কারনে নলকূপ থেকে উঠছে না পর্যাপ্ত পানি।সমস্যাটি গত মাস থেকে গজারিয়ার বিভিন্ন এলাকায় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।সরেজমিনে দেখা যায় অনাবৃষ্টি (খরা) জনিত কারনে উদ্ভোব সমস্যাটি বিগত দিন সহ এই রমজানে জনদুর্ভোগ নাভীঃশ্বাসে উঠিছে।

চরম ভোগান্তিতে রয়েছে উপজেলার ভবেরচর, বাউশিয়া, বালুয়াকান্দি সহ অন্যান্য পয়েন্টের প্রায় বিশ হাজার সাধারন পরিবার। পানি সংকটে থাকা উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টে অনুসদ্ধান চালিয়ে জানা যায় ৭০০ থেকে ৯০০ ফুট গভীরস্থ যেসব নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে সেইসব নলকূপ থেকে পানি উঠছে না।

এদিকে দেখা যাচ্ছে স্থানীয় জলাশয় গুলোতেও রয়েছে পর্যাপ্ত পানির অভাব। গজারিয়া উপজেলার ভবেরচর ইউনিয়নের ভিটিকান্দি এলাকার বাসিন্দা দৈনিক মুন্সীগঞ্জের খবর পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক ও দৈনিক সমকাল পত্রিকার গজারিয়া প্রতিনিধি মহিউদ্দিন আহাম্মদ (ভুক্তভোগী) বলেন উপজেলায় এমন সংকট আজ প্রায় এক মাস হলো।

বৈশাখে এমন তীব্র খরা আর অনাবৃষ্টি গত প্রায় ২০ বছরের রেকর্ড ভেঙেছে।আমার বাড়ীর নলকূপটি ৯০০ ফুট গভীর অথচ নলকূপে পানি উঠছে নাহ্। ভবেরচর এলাকার আরেক বাসিন্দা মশিউর প্রধান জানায় দীর্ঘ দিনের অনাবৃষ্টিতে (প্রাকৃতিক) এবং জমিতে পানি দেয়ার স্কীম গুলির অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতি (কৃত্রিম) ব্যবহারের ফলে এই অঞ্চলে এই সংকট তৈরি হয়েছে।এলাকার জনসাধারনের মধ্যে দেখা দিয়েছে নিরাপদ ও ব্যবহার উপযোগি পানির চরম দুর্ভোগ অভাব।

এই বিষয়ে উপজেলার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের মতামত নিতে সরেজমিনে উপস্থিত হয়েও পিয়ন ব্যাতিত অফিস কক্ষে আর কোন দায়িত্বরত কর্তা ব্যাক্তিকে পাওয়া যায়নি।মুঠোফোনে সংযোগ নিতে চেষ্টা করেও তাদের সাঁড়া পাওয়া যায়নি।

 সৈয়দ মোঃ শাকিল। গজারিয়া মুন্সীগঞ্জ।

 

আরও পড়ুন…

 

ভারতে অন্ধ্রপ্রদেশে অ্যাম্বুলেন্সের অভাবে ছেলের মোটরসাইকেলে মায়ের লাশ

 

ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশে অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে মায়ের লাশ মোটরসাইকেলে করে শ্মশানে নিয়েছে তার দুই ছেলে। তার করোনার উপসর্গ থাকায় পরীক্ষার জন্য নমুনা দেন। তবে, রিপোর্ট আসার আগেই তিনি মারা যান।

 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীকুলম জেলার মন্দাসা মণ্ডল গ্রামে ওই নারী বাড়ি। বেশ কিছুদিন ধরে করোনার নানা উপসর্গ দেখা দিয়েছিল তার। এরপর করোনা পরীক্ষা করান তিনি। তবে, রিপোর্ট আসার আগেই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকলে শেষ পর্যন্ত মৃত্যু হয়।

 

এরপর মহিলার দেহ সৎকারের জন্য বিভিন্ন হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্সের খোঁজ শুরু হয় পরিবারের। তবে কোনও ভাবেই একটি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করতে পারেননি পরিবারের সদস্যরা। এমনকি, অন্য কোনও গাড়ির মাধ্যমে দেহ শ্মশানের নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা যায়নি। শেষ পর্যন্ত ওই মহিলার দেহ বাইকে করে শ্মশানে নিয়ে যান তার ছেলে এবং জামাই।

ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ লাখ ২৩ হাজারের বেশি মানুষের দেহে মহামারি করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। ভারতে এ পর্যন্ত ১ কোটি ৭৬ লাখের বেশি মানুষের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। আর মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৯৪ জনের।

অনলাইন ডেস্ক।।

একটি অ্যাম্বুলেন্সে ২২টি মরদেহ  

বিধ্বংশি বেপরোয়া করোনা: ভারতে করুণ দৃশ্য: এক অ্যাম্বুলেন্সে ২২ লাশ শ্মশানে

 

করোনায় (কোভিড-১৯) বিধ্বস্ত ভারত। বেশ কয়েকদিন ধরে দেশটিতে করোনায় মৃত্যু ও শনাক্তের রেকর্ড হচ্ছে। হাসপাতালে জায়গা নেই। অক্সিজেনের তীব্র সংকট।

পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে। শ্মশানগুলোতে মৃতদেহ পোড়ানোর আর জায়গা হচ্ছে না। এখন অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার ব্যবহার করা হচ্ছে পার্কিং লটগুলো। এমনকি জায়গা নেই কবরস্থানেও।

মুখের শ্বাস দিয়েও স্বামীকে বাঁচাতে পারেননি স্ত্রী।   অ্যাম্বুলেন্স থেকে সড়কে ছিটকে পড়ছে করোনা রোগীর লাশ। এমন ঘটনার ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ছে ফেসবুক, টুইটারে।

এবার তেমনি আরেক করুণ দৃশ্য সামনে এলো। একটি অ্যাম্বুলেন্সে ২২টি মরদেহ গাদাগাদি করে সৎকারের জন্য শ্মশানে নেওয়ার ছবি ভাইরাল হয়েছে।

টুইটারে কয়েক সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, মহারাষ্ট্রের বীড জেলার অম্বেজোগাইয়ের স্বামী রামানন্দ তীর্থ মরাঠাওয়াড়ায় সরকারি হাসপাতালের মর্গের সামনে একটি অ্যাম্বুলেন্স। তাতে করোনায় মৃতদের দেহ গাদাগাদি করে তোলা হচ্ছে। বস্তাবন্দি মরদেহ দাবিয়ে দাবিয়ে জায়গা তৈরি করে আরও দেহ রাখা হচ্ছে।

আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মরদেহ এভাবে গাদাগাদি করে তোলার সময় সেখানে পুলিশ উপস্থিত ছিল। মৃত রোগীর স্বজনরা বিষয়টি নিয়ে আপত্তি করলেও কেউ তাদের কথায় কান দেয়নি। তারা অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহ গাদাগাদি করে তোলার দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করতে গেলে পুলিশ তা কেড়ে নেয়। মরদেহ সৎকার শেষে স্বজনদের মোবাইল ফেরত দেয় পুলিশ।

এদিকে এ ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর মহারাষ্ট্রসহ গোটা ভারতে তোলপাড় শুরু হয়েছে। প্রশাসনের শীর্ষকর্তারা ঘটনার খোঁজ-খবর নিচ্ছেন। বীড জেলার প্রশাসক রবীন্দ্র জগতপ বলেন, ‘অম্বেজোগাইয়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যদি কারও দোষ থাকে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

হাসপাতালের ডিন শিবাজি সুকরে বলেন, ‘সৎকার করতে মরদেহ নিয়ে যাওয়ার জন্য মাত্র দুটি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে। আমরা আরও অ্যাম্বুলেন্সের দাবি জানিয়েছি। কেউ মারা গেলে স্থানীয় প্রশাসনের হাতে মরদেহ তুলে দেয়া পর্যন্ত আমাদের দায়িত্ব। তারা কীভাবে শ্মশান বা কবরস্থানে নিয়ে যাবে, তা আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই।’

ওয়ার্ল্ডো মিটারের মঙ্গলবার সকালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ভারতে ৩ লাখ ১৯ হাজার ৪৩৫ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে মারা গেছেন ২ হাজার ৭৬৪ জন।

আগের দিন সংক্রমিত হয়েছিলেন ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৫৩১ জন। একই সময়ে মারা যান ২ হাজার ৮০৬ জন। ভারতে করোনার মোট সংক্রমণ দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৭৬ লাখ ২৫ হাজার ৭৩৫ জনে। এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৮০ জন। করোনার বৈশ্বিক সংক্রমণ তালিকায় ভারতের অবস্থান দ্বিতীয় আর মৃত্যুতে চতুর্থ।

// অনলাইন ডেস্ক //

আরও পড়ুন…