হায়রে আমাদের বেঁচে থাকাটাই যে দেশে আশ্চর্য !!!

হায়রে আমাদের বেঁচে থাকাটাই যে দেশে আশ্চর্য !!! একবারো চিন্তা করেছি সকাল থেকে রাত কি খাচ্ছি?

১. সকালে ঘুম থেকে উঠে কোলগেট পেস্ট নিলাম- তার মধ্যে ক্যান্সারের উপাদান!

২. নাস্তায় পরোটা খাইলাম- তার মধ্যে অ্যামোনিয়ার তৈরি সল্টু মিশানো!

৩. কলা খাইলাম- কার্বাইড দিয়ে পাকানো!

৪. কফি নিলাম- এতে তেঁতুলের বিচির গুড়া মিশানো!

৫. বাজারে গেলাম টাটকা শাঁক সবজি কিনলাম-
কপার সালফেট ছিটায়ে সতেজ করা, হাইব্রিড সার দিয়ে ফলানো!

৬. মসলা আর হলুদের গুড়া নিলাম – লেড এবং ক্রোমাইট ক্যামিকেল মিশানো!

৭. গরমের দিন বাসায় এসে তরমুজ খাইলাম – পটাশিয়াম পারম্যাংগানেট দিয়ে লাল করা!

৮. আম এবং লিচু বাচ্চাকে দিলাম খেতে – কার্বাইড দিয়ে পাকানো এবং ফরমালিন দিয়ে সংরক্ষিত!

৯. দুপুরে ভাত খাবো – ইউরিয়া দিয়ে সাদা করা!

১০. মুরগি নিলাম প্লেটে- ক্রমাগত এন্টিবায়োটিক দিয়ে বড় করা!

১১. সয়াবিন তেলে রান্না সব- ভিতরে অর্ধেক পাম অয়েল মেশানো!

১২. খাওয়ার পর মিষ্টি জিলাপি নিলাম- পোড়া মবিল দিয়ে মচমচে করা!

১৩. রোজা থাকলে সন্ধ্যায় রুহ আফযা নিলাম- ক্যামিকেল আর রং ছাড়া কোন পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়নি পরীক্ষায়!

১৪. খেজুর খাইলাম- বছরের পর বছর স্টোরেজে ফরমালিন দিয়ে রেখেছিলো!

১৫. সরিষার তেল দিয়ে মুড়ি মাখানো খাইলাম- মুড়ি ইউরিয়া দিয়ে ফুলানো আর সাদা করা এবং সরিষার তেলে ঝাঁঝালো ক্যামিকাল মিশানো!

রাতে আবার একই বিষ ডবল খাইলাম!
ঘুমানোর আগেও বাদ যাবেনা।

১৬. গরম দুধ আর হরলিক্স খাইলাম- গাভীর পিটুইটারি গ্রন্থিতে ইঞ্জেকশন দেওয়ার পর অতিরিক্ত দুধ দোওয়ানো হয়, এরপর ইউরিয়া মেরে সাদা করা হয়।আর হরলিক্সে পরীক্ষা করে ক্যামিকাল ছাড়া কোন পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়নি!

এত ভেজাল খেয়ে দু একটা ঔষধ না খেলে তো শরীর টিকবেনা। ৭০ ভাগ ঔষধ কোম্পানি দেশে মান সম্মত ঔষধ তৈরি করে না।

এইসব খাওয়ার পর ভাবতেছি, কেমনে বেঁচে আছি!
[একমাত্র আল্লাহ ই কি আমাদেরকে রক্ষা করছেন না? এরপরও কি আমরা আল্লাহর শোকর আদায় করছি?]

মানুষের ঈমান তো না-ই কারণ দুর্নীতির ভিতরেও এরা দুর্নীতি করে। আসলে আমরা কেউই বেঁচে নাই।

Collected From: G.M. Masud Iqbal Rana’s Profile

।। অনলাইন ডেস্ক ।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

প্রাকৃতিক দূর্যোগ ইয়াসের বিশাল থাবাও রুখতে পারেনি ধর্মীয় বিশ্বাসকে

প্রাকৃতিক দূর্যোগ ইয়াসের বিশাল থাবাও রুখতে পারেনি ধর্মীয় বিশ্বাসকে

 

প্রাকৃতিক দূর্যোগ ইয়াসের প্রভাবে মানুষ আজ সহায় সম্বলহীন হয়ে অসহয়ের মতো অমানবিক জীবন যাপন করছে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা ও খুলনা জেলার কয়েক লক্ষাধিক লোক। না আছে থাকার ব্যবস্থা, না আছে খাওয়ার ব্যবস্থা।সবচেয়ে সমস্যার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে সুপেয় পানীয় জলের অভাব।

 

অত্র এলাকার অধিকাংশ জনগণ পুকুর অথবা বৃষ্টির পানি ধরে রেখে পান করে।কিন্তু ইয়াসের ফলে পুকুর নদী,খালবিল সব মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে ফলে পানীয়জলের সমস্যার কারণে শিশু কিশোরসহ সর্ব সাধারণ পানি বাহিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। গতকাল পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায় খাদ্য সমস্যার চেয়েও পানীয় জলের সমস্যার জন্য উল্লিখিত এলাকার জনগণকে দ্বিকবিদিক ছোটাছুটি করছে। আর তাই সরকারি বেসরকারি সকল দাতা সংস্থার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ত্রাণের সাথে সাথে সুপেয় পানীয় জলের ব্যবস্থা করতে।আর তা না করা হলে হয়তো বৈশ্বিক মহামারী করোনার চেয়েও বিশাল মানবিক বিপর্যয় দেখা দিতে পারে।

 

এতো দুঃখ-কষ্ট,ব্যাথা- বেদনা ভুলতে সাহায্য করে স্রষ্টার প্রতি আঘাত ভালবাসা।আর তাই এতো বড় মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যে ধর্মপ্রাণ মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাসের কমতি দেখা যায়নি গতকাল শুক্রবার জুমার নামাজে।চারিদিকে সমূদ্রের লবণাক্ত পানি। না ঘরবড়ি,মসজিদ মন্দিরসহ সকল ধর্মের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পানিতে ভরপুর। কোথাও জায়গা নেই স্রষ্টার ইবাদত করার মতো।কিন্তু তারপরও অসীম বিশ্বাস ও ভালবাসার টানে গতকালকে জুমার নামাজ আদায় করতে দেখা গেছে পানিতে নিমজ্জিত মসজিদের ভিতর দাঁড়িয়ে।

 

শত প্রতিকূলতার মধ্যেও থেমে নেই স্রষ্টার ইবাদত। তেমনি কয়েকটি দৃশ্য দেখতে পাওয়া যায় সাতক্ষীরার সুন্দরবন তীরবর্তী শ্যামনগর,মুন্সিগঞ্জ ও খুলনা জেলার কয়রা,কপিলমুনি সহ শতাধিক মসজিদে। মানুষের এই ধর্মীয় বিশ্বাস যেন অটুট থাকে এবং মানুষ যেন সত্যিকার মানুষ হয়ে উঠতে পারে।

 

আসুন জাতি-ধর্ম- বর্ণ নির্বিশেষে সকলে মিলে স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা করি ইয়াসের থাবায় যারা মৃত্যুবরণ করেছেন তারা যেন স্রষ্টার সান্নিধ্যলাভ করেন ও ক্ষতিগ্রস্ত সকলেই যেন খুব দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারেন এবং এই দূর্যোগের সময় যারা জীবনবাজি রেখে মানুষের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করছেন তারা যেন দীর্ঘায়ু লাভ করেন।

//  নিজস্ব প্রতিবেদক //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

৩ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ১ টি প্রাইভেটকারসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

 

শুনতে অবাক লাগলেও এবার পাখির বাসার ‘ভাড়া’ পেলেন বাগান মালিকরা

 

শুনতে অবাক লাগলেও ২৫মে,২০২১ইং মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া সুলতানার কার্যালয়ে বাগান মালিক ও ইজারাদারদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ওই অর্থের চেক তুলে দেওয়া হয়।

 

জানা যায়, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের বন-২ শাখার উপসচিব দীপক কুমার চক্রবর্তী ২০২০ সালের ১ নভেম্বর স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে ক্ষতিপূরণের টাকা দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন।

 

সেই মোতাবেক ৩৮টি আমগাছের পাঁচ মালিককে বন অধিদপ্তরের অনুন্নয়ন খাত হতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে তাদের ডেকে বার্ষিক তিন লাখ ১৩ হাজার টাকা প্রদান করেন।

 

টাকা প্রদানের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আমবাগানের শামুকখোল পাখি বিগত তিন বছর ধরে আসছে। প্রাকৃতিক কারণে বা যে কোনো সময় পাখি ওই স্থান ত্যাগ করে অন্য কোনো নতুন স্থানে চলে যেতে পারে।

 

সেহেতু আগামী কয়েক বছর পর্যবেক্ষণে রেখে এ বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে যে বছর পাখি বসবে না, সে বছর কোনো ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না। ক্ষতিপূরণ পাচ্ছেন বাগান মালিক মঞ্জুরুল হক মুকুল সানার উদ্দীন, সাহাদত হোসেন, শফিকুল ইসলাম মুকুট ও ফারুক হোসেন।

 

বাগান মালিক শফিকুল ইসলাম মুকুট বলেন, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় থেকে টাকা প্রদানের অনুমতির চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে টাকা হাতে পেয়েছি।

 

মালিকদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, গত তিন বছর ধরে পাখিরা বাগানে আসছে। এর আগের দুই বছরের টাকা মালিকরা যদি পায়, তা হলে ক্ষতিটা অনেক পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব। অপরদিকে গাছগুলো ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে জন্য নিয়মিত পরিচর্যার দাবি জানান।

 

পাখি সুরক্ষায় এটি সরকারের একটি মহৎ উদ্যোগ। বাগান মালিকদের জন্য সরকারি এমন একটি প্রকল্পের ব্যবস্থা গ্রহণ করায় সরকারকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

 

আরেক বাগান মালিক সাহাদত হোসেন বলেন, এই পাখি প্রজননে অতীত কোনো ইতিহাস না থাকলেও খোর্দ্দ বাউসা গ্রামটি খাল-বিলের পাশে হওয়ায় প্রজনন সম্ভব হচ্ছিল। কিন্তু বাগান পরিচর্যা করতে গিয়ে কয়েকটি আমগাছের ডাল কেটে পাখির বাসা ভেঙে দেন আম ব্যবসায়ী। ফলে হুমকির মুখে পড়ে হাজারও শামুকখোল পাখি।

 

স্থানীয় পাখিপ্রেমিক কিছু মানুষ বাধা দিলে ১৫ দিনের সময় বেঁধে দেন আমবাগান মালিকরা। এই খবর যুগান্তরসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে ছাপা হলে পাখি সুরক্ষায় পাশে দাঁড়ায় র্যা ব।

 

সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী প্রজ্ঞা পারমিতা রায় পাখির অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করার জন্য আদালতে রিট পিটিশন করেন। পাখির বাসা ভাঙা যাবে না বলে হাইকোর্ট নির্দেশ দেন। পাশাপাশি কি পরিমাণ ক্ষতি হবে তা জানতে চেয়ে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

 

তার পরে আমবাগানের ক্ষতির বিষয়ে জরিপ করে ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে প্রতিবেদন দেন।

 

উপজেলা কৃষি অফিসার শফিউল্লাহ সুলতান বলেন, ৩৮টি আমগাছে পাখি বাসা বেঁধে আছে।  সেই আমগাছের সম্ভাব্য দাম ও পরিচর্যার ব্যয় নিরূপণ করে ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে প্রতিবেদন দেওয়া হয়। সেই মোতাবেক বাগান মালিকরা টাকা হাতে পেয়েছেন।

 

রাজশাহী বন সংরক্ষণ কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, মন্ত্রণালয়ের ওই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান বন সংরক্ষণ (সিসিএফ) কর্মকর্তার দপ্তর থেকে নির্দেশনায় চেক হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া সুলতানা জানান, গত চার বছর থেকে স্বেচ্ছায় পাখি পাহারা দিয়ে আগলে রেখেছেন খোর্দ্দ বাউসা গ্রামের রফিকুল ইসলাম, শাহাদত হোসেন, বিচ্ছাদ আলী, নাসিম আঞ্জুম, সাইফুল ইসলামসহ গ্রামবাসী। সেই মোতাবেক আমবাগানের ক্ষতি বাবদ টাকা সরকারিভাবে দেওয়া হয়েছে।

 

আনুষ্ঠানিকভাবে বাগান মালিকদের চেক বিতরণ করা হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া সুলতানা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট লায়েব উদ্দিন লাভলু, রাজশাহী বন সংরক্ষণ কর্মকর্তা মেহেদী হাসান, বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা রাহাত হোসেন, বাঘা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিউল্লাহ সুলতান, ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম, চারঘাট বন কর্মকর্তা এবিএম আবদুল্লাহ, বাঘা বন কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম প্রমুখ।

// স্টাফ রিপোর্টার //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

কুমিল্লায় ১০ হাজার পিচ ইয়াবা, ১ টি ট্রাকসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

 

বরিশাল চরকাউয়া পরিবহনে অর্ধেক যাত্রী না নিয়েই ভাড়া নিচ্ছে দ্বিগুণ

 

 বরিশাল চরকাউয়া পরিবহনে মান হচ্ছেনা সরকারি স্বাস্থ্যবিধি।  মহামারী করোনাভাইরাস ১৯ এর দ্বিতীয় ধাপে পুরো বিশ্ব যখন করোনার ভয়াবহতায় থরথর- বাংলাদেশও তার বাইরে নয় । প্রতিনিয়তই বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা। তাই সরকার জনগনের কথা চিন্তা করে দিতীয় ধাপে লগডাউন ঘোষণা প্রকাশ করেছে সরকার।

আর লকডাউনের পরিস্থিতির জন্য সীমিত পরিসরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে পরিবহন চলাচলের কথা থাকলেও, তা মানছেন না বরিশাল কীর্তন খোলা নদীর তীরে অবস্থিত চরকাউয়া পরিবহন মালিকরা ।

অভিযোগ আছে, পরিবহনে করোনাভাইরাস কভিড ১৯ কে পুঁজি করে যাত্রীদের কাছ থেকে দ্বিগুণ ভাড়া আদায়ের রয়েছে পাহাড় সমান অভিযোগ । প্রতিদিন এ পরিবহন থেকে হাজার হাজার মানুষ কীর্তনখোলা নদী পার হয়ে বরিশাল শহরে আসা যাওয়া করে। করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে জন্য যাত্রী পরিবহনে সরকারি নির্দেশনা রয়েছে।

কিন্তু এখানে যাত্রী পারাপারে জন্য চলাচলরত পরিবহনে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সীমিত পরিসরে যাত্রী তো নেয়া হচ্ছেই না, প্রতিটি পরিবহনে গাদাগাদি করে যাত্রী ওঠানো হচ্ছে। এ কারণে করোনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় যাত্রীদের মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। অপরদিকে পরিবহনে যাত্রীরা অভিযোগ করেন সীমিত পরিসরে যাত্রী নেয়া হচ্ছেই না বরং আগে জনপ্রতি যে ভাড়া ছিল তা এখন বাড়িয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে দ্বিগুণ ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বেশির ভাগ যাত্রীর মুখে নেই কোনো মাস্ক। স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিবহন চলাচলের কথা থাকলেও প্রতিটি গাড়িতে আগেরমত যাত্রীবোঝাই করে চলছে । যাত্রীদের সুরক্ষার জন্য হ্যান্ড স্যানিটাইজার কিংবা জীবাণুনাশক স্প্রে ব্যবহার করছে না পরিবহন শ্রমিকরা । কাটাদিয়া থেকে আশা জার্তিদের অভিযোগ করেন স্বাস্থ্যবিধি না মেনে পরিবহনে নিজেদের ইচ্ছেমতো যাত্রী ওঠাচ্ছেন।

এমনকি জনপ্রতি ২৫ টাকার ভারা ৪০ টাকা গোমা থেকে আশা এক যাত্রী বলেন গোমা থেকে চরকাউয়া ভাড়া ৩০ টাকা নেয়া হচ্ছে ৬০ টাকা। তালুকদার হাট থেকে ১০ টাকার ভাড়া নেয়া হচ্ছে ২৫ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে সরকারের কোন কিছুই যেন তোয়াক্কা করার সময় নেই তাদের।

এবিষয় পরিবহন শ্রমিকদের কাছে যানতে চাইলে তারা বলেন কিছু পুলিশের কয়েকজন অসাধু সদস্যদের ম্যানেজ করেই চলছে এই কর্মকান্ড। তাই বিষয়টি দেখেও না দেখার ভান করছেন তারা।

 পলাশ চন্দ্র দাসঃ বরিশাল সংবাদদাতা//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনা রূপসায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ৯ পরিবারকে সালাম মূর্শেদী এমপি’র সহায়তা

খুলনা রূপসায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ৯ পরিবারকে সালাম মূর্শেদী এমপি’র সহায়তা

 

খুলনার রূপসায় বাগমারা গ্রামে আকবর শেখ এর ছেলে কবিরের ভাড়াটিয়া বাড়িতে শনিবার সকাল ১১টার দিকে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। অগ্নিকান্ডে ১০টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা করলেও আটটি ঘরের কোন মালামাল রক্ষা করতে পারেনি।

 

ফলে ওই বাড়িতে বসবাসকারী ০৯টি পরিবার একেবারে নিঃশ্ব হয়ে যায়।

অগ্নিকান্ডের সংবাদ খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদীর নিকট পৌঁছালে। তিনি তাৎক্ষণিক ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সাথে কথা বলেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ৯টি পরিবারের মাঝে নিজস্ব অর্থায়নে থ্রিপিচ, লুঙ্গি ও খাদ্য সামগ্রীর ব্যবস্থা করে দেন।

এবং পরবর্তী সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, নৈহাটী ইউনয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন বুলবুল, উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আক্তার ফারুক, নৈহাটি ইউনিয়ন আ’লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফরিদ শেখ, চিংড়ি ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মোঃ শাহাজান শেখ, প্রধান শিক্ষক সেখ লুৎফর রহমান, ইউপি সদস্য সেখ ইলিয়াজ হোসেন ও রিনা পারভিন, ২নং ওয়ার্ড আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মামুন শেখ, উপজেলা যুবলীগ নেতা তারেক আজিজ, নৈহাটী ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জিয়াউদ্দিন, নৈহাটী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আঃ জব্বার হাওলাদার, নজরুল ইসলাম সানা প্রমুখ।

 

// আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

অপরাধ করেই কেন টাকা কামাতে হবে! শিশু হাসপাতাল করোনা কেলেঙ্কারিতে

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে স্বপ্নের শপিং মল লটারী ড্র সম্পন্ন

 

 

চট্টগ্রামের বাঁশখালী পৌরসভার জলদী মিয়ার বাজার চৌধুরী নিউ মার্কেটে স্বপ্নের শপিং মলের উদ্যোগে র্যাফল ড্র ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান মিয়ার বাজার ব্যাবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মাহমুদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আতিকুল আলম আতিকের সঞ্চচালনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ৭নং সরল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রশিদ আহমদ চৌধুরী।

 

শুভ উদ্বোধক ছিলেন স্বপ্নের শপিং মলের স্বত্বাধিকারী মৌলানা দিদার।বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক এম মুনসুর আলী,সাবেক মিয়ার বাজার ব্যাবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মৌওলানা হামেদ,জামাল উদ্দীনসহ সকল কুপন সংগ্রহ কারীর উপস্থিতিতে র্যাফল ড্র অনুষ্ঠিত হয়,পরে বিজয়ী ৫৫ টি পুরস্কার বিজয়ী দের হাতে তুলে দেন অতিথিবৃন্দরা।

উল্লেখ্য ঈদ উপলক্ষে যে সকল ক্রেতা সাধারণ অত্র প্রতিষ্ঠান হইতে ৫০০ টাকা উপর কেনাকেটা করেছে তাদের জন্য একটি লাকী কূপন পুরস্কারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।যার মধ্যে প্রথম পুরস্কার ফ্রিজ, দ্বিতীয় টিভি,তৃতীয় স্বর্ণের আন্টিসহ সর্বমোট ৫৫ টি আকর্ষণীয় পুরস্কার।

//মোঃ আবদুল জববার চট্টগ্রাম//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

বরিশালে নিখোঁজের ১৫ ঘন্টা পর খাল থেকে শিশুর লাশ উদ্ধার

 

 

 

ঈদের ছুটি শেষ বাংলাবাজার ঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীদের ঢল: স্বাস্থবিধি লঙ্ঘিত

 

ঈদের ছুটি শেষ, কর্মস্থলে ফিরতে থাকা দক্ষিণবঙ্গের ঢাকামুখী মানুষের ঢল নেমেছে বাংলাবাজার ঘাটে। সোমবার ভোর থেকে দক্ষিণ বঙ্গের ২১ জেলার হাজার হাজার মানুষ বাংলাবাজার ঘাটে এসে ফেরিতে পদ্মা নদী পার হচ্ছেন। এদিকে আজও শিমুলিয়া ঘাট থেকে ছেড়ে আসা প্রতিটি ফেরিতে যাত্রীর প্রচুর চাপ লক্ষ্য করা গেছে। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছে যাত্রীরা।

 

যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে ভেঙে ভেঙে। এতে চরম ভোগান্তির পাশাপাশি গুণতে হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়াও। যাত্রীদের সুবিধার্থে ঘাট ও আশপাশ এলাকায় বিপুল সংখ্যক আইন-শৃঙ্খলারক্ষা বাহিনী নিয়োজিত রয়েছে। কাজ করছে মেডিকেল টিম। তবে স্বাস্থবিধি মানার কোনো বালাই নেই। ফ্রিস্টাইলে মানুষ চলাচল করছে।

 

বাংলাবাজার ঘাট সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকাল থেকে ঢাকামুখী মানুষের যাত্রা অব্যহত রয়েছে। ফেরিঘাটের সবগুলো ঘাট চালু থাকায় শিমুলিয়া থেকে একযোগে তিন-চারটি ফেরি যাত্রী ও হালকা যানবাহন নিয়ে বাংলাবাজার ঘাটে আসছে।

 

বাংলাবাজার ঘাট থেকে ঢাকামুখী হাজার হাজার যাত্রী নিয়ে শিমুলিয়ার দিকে ছেড়ে যাচ্ছে। বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌপথে এই মুহূর্তে ১৭ ফেরি সচল রয়েছে।

 

ঈদের ৩দিন পরও শিমুলিয়া থেকে দক্ষিনাঞ্চলের যাত্রীদের চাপ অব্যাহত রয়েছে। তবে অন্যান্য দিনের চেয়ে সোমবার ঘরে ফেরা মানুষের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে একটু কম। ভোর থেকে বেলা বাড়ার সাথে সাথে ঢাকামুখী যাত্রী চাপ বাড়ছে। ঢলের মতো রাজধানীমুখী মানুষ বাংলাবাজার ঘাটে এসে জড়ো হচ্ছে। তবে গাদাগাদি রোধে প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে। যাত্রীদের চাপ সামাল দিনে রবিবার থেকে দুইটি নতুন ফেরি যোগ করেছে বিআইডব্লিউটিসি।

 

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া থেকে রো রো ফেরি বীরশ্রেষ্ট জাহাঙ্গীর মেরামত শেষে এবং ডাম্ব ফেরি রানীক্ষেত নামে ফেরি ২টি বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌপথে যোগ করা হয়েছে। বর্তমানে ১৭ ফেরি দিয়ে পারাপার করা হচ্ছে। বিআইডব্লিউটিসি ও বিআইডব্লিউটিএর পক্ষ থেকে মাইকিং করে ফেরিগুলোতে সুশৃংখলভাবে উঠতে যাত্রীদের বাববার সতর্ক করা হচ্ছে। যাত্রীদের নির্বিঘেœ গন্তব্যে পৌছাতে বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে মোড়ে ও ঘাট এলাকায় ২ শতাধিক পুলিশ, র্যাব, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ফায়ার সার্ভিস, আনসার সদস্য নিয়োজিত রয়েছেন। স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে একটি মেডিকেল টিম দায়িত্ব পালন করছেন।

 

বিআইডব্লিউটিসি কাঁঠালবাড়ি ঘাট ম্যানেজার মো: সালাউদ্দিন বলেন, ‘আজ ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ বেশি। যাত্রী পারাপার নির্বিঘœ করতে একটি রো রো ও একটি ডাম্ব ফেরি যোগ করা হয়েছে। বর্তমানে ১৭ টি ফেরি দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে।’

 

মাদারীপুর পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল বলেন, ‘কর্মস্থলমুখো যাত্রীদের পাশাপাশি ঘরে ফেরা যাত্রীদের চাপও রয়েছে। যাত্রীদের যাতায়াত নির্বিঘœ করতে ঘাট এলাকায় ২ শতাধিক পুলিশ, র্যাব, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফায়ার সার্ভিস, আনসারসহ পর্যাপ্ত আইন শৃংখলা বাহিনী নিয়োজিত রয়েছে। মেডিকেল টিমের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। কোথাও কোন বিশৃংখলা দেখা দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

 মাদারীপুর, সংবাদদাতা ॥

———————————

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

আজ শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস

পরেশ রাওয়াল বেচে আছেন…! নিজেই বললেন- ‘মারা যাইনি, ঘুমাচ্ছিলাম’…

 

বলিউড অভিনেতা  পরেশ রাওয়াল বেচে আছেন…! তার মৃত্যু সংবাদ নিয়ে তোলপাড় চলছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এই অভিনেতার ভক্তরা এই খবরে রীতিমতো ভেঙে পড়েছিলেন। কিন্তু এই খবর নিয়ে মুখ খুললেন পরেশ রাওয়াল নিজেই।

মজার ছলে ভক্তদের জানিয়ে দিলেন, খবরটি ভুল ছিল। তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন। নেটিজেনদের একাংশের কথায়, সুন্দর এক জবাবের মধ্যে দিয়েই অভিনেতা বুঝিয়ে দিয়েছেন, পরেশ রাওয়ালের ‘কমিক টাইমিং’ সবার সেরা। কী লিখেছিলেন অভিনেতা?

টুইটারে এক ব্যক্তি লেখেন, ‘অভিনেতা পরেশ রাওয়াল প্রয়াত। শনিবার সকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।’ একই সঙ্গে অভিনেতার একটি ছবিও পোস্ট করেন তিনি, যেখানে ছবির সামনে জ্বালানো ছিল মোমবাতি। যদিও অনেকেই এই খবর বিশ্বাস করতে চায়নি।

এই পোস্ট প্রকাশ্যে আসার কিছুক্ষণের পরেই একটি টুইট করেন পরেশ রাওয়াল নিজেই। নিজের মৃত্যুর খবর সংক্রান্ত পোস্টটির একটি স্ক্রিনশট তুলে তিনি বলেন, ‘ ভুল বোঝাবুঝির জন্য দুঃখিত,সকাল ৭টার পরও ঘুমাচ্ছিলাম’।

তার এই পোস্ট সামনে আসার পরেই রীতিমতো হাসির রোল উঠেছে নেট দুনিয়ায়। নেটিজেনদের একাংশের বক্তব্য, নিজের উত্তর মধ্য দিয়েই পরেশ রাওয়াল বুঝিয়ে দিয়েছে, কেন থাকে সেরা কমেডিয়ান বলা হয়। এদিকে, অভিনেতা নিজে টুইট করে মৃত্যুসংবাদ ভুল বলায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে ভক্তরা। বর্তমানে ‘হাঙ্গামা ২’ ছবির শুটিং করছেন এই অভিনেতা।

অনলাইন ডেস্ক।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

পদ্মায় স্পিডবোট দুর্ঘটনায় ২৬ জন নিহত: প্রধান আসামি গ্রেফতার

 

ঈদের দিন ভারতের হুগলিতে হিন্দু পড়শির দেহ সৎকার করলেন মুসলিম প্রতিবেশীরা

 

বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সুনামি বইছে ভারত জুড়ে। করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ছে লাগামহীনভাবে।করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তি এখনও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হচ্ছে বিভিন্ন জায়গায়।তাছাড়া করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করলে তো অবস্থা আরও খারাপ। মৃত ব্যক্তিটির  স্বাভাবিক সৎকার করার লোকও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।তেমনি একটি ঘটনা ঘটছে হুগলি জেলার পোলবা- দাদপুর ব্লকের বাবনাম গ্রামে।

 গ্রামের হরেন্দ্র সাধু খাঁ(৭২) নামক ব্যক্তিটি গত তিনদিন যাবত জ্বরে ভুগছিলেন।করোনা পরীক্ষার আগেই তার মৃত্যু হয়। পরিবারের কারো মৃত্যুর পরে সেই পরিবারের লোকেরা কতটা শোকাতুর থাকে সেটা যেকারো কাছে অনুমেয়। কিন্তু ঐ পরিবারের নিকট এই শোকের পরে আরও অপরিসীম  শোক হয়ে দেখা দিল যখন তারা দেখলেন, করোনা সংক্রমনের ভয়ে কেউ তাদের বাড়ির চৌকাঠে পা রাখছেন না। মৃতের একমাত্র ছেলে চন্দন দিশেহারা হয়ে সৎকারের জন্য প্রতিবেশী হিন্দুদের সহযোগিতা চেয়েছেন কিন্তু কেউ এগিয়ে আসেনি সৎকারের কাজে সাহায্য করতে।

 

 হিন্দু পড়শির দেহ সৎকার করলেন মুসলিম প্রতিবেশীরা

 

গতকাল ছিল মুসলমানদের সর্ব বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ইদুল- উল- ফিতর।ইদের নামাজ পড়ে উৎসব পালনের জন্য সকলে যার যার মতো বের হচ্ছিলেন তারা। এরই মধ্যে মুসলিম প্রতিবেশীরা হঠাৎ খবর পেলেন মৃতের সৎকার করার জন্য কোন লোক পাচ্ছেন না তার ছেলে চন্দন।

মৃতের ছেলের এই অসহয়তার কথা শুনে উৎসব শিকেয় তুলে ধর্মীয় সংকীর্ণতা ভুলে পাশে দাঁড়াতে বেরিয়ে পড়েন মুসলিম প্রতিবেশী আশিক মোল্লা, গোলাম সুবানী,গোলাম সাব্বার,শেখ সানিসহ আরও অনেকে।

করোনার ভয় উপেক্ষা করে হাজির হলেন মৃতের বাড়িতে। নিজেরা খাট বেঁধে, ফুলের মালা দিয়ে সাজিয়ে তোলেন মৃতের দেহ। চার ভিন্নধর্মী মানুষের কাঁধেই শেষ যাত্রায় যান হরেন্দ্রনাথ সাঁধুখাঁ। শ্মশানে কাঠ জোগাড় থেকে শুরু করে দাহ করার শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত পিতৃহারা সন্তানের পাশে ছিলেন তারা।

 

এযেন মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত। আমরা যদি সকলেই ধর্মীয় শৃঙ্খলার বাইরে গিয়ে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারতাম তাহলে হয়তো ধর্মীয় পরিচয়ের বাইরে গিয়ে সত্যিকারের মানুষ হয়ে হিংসা বিদ্বেষ ভুলে একে অপরের বিপদ- আপদে,সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে পারতাম।আর তাহলে হয়তো  আগামী প্রজন্মের জন্য একটা সুন্দর পৃথিবী গড়ে তোলা সম্ভব হতো।

//স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদক// 

————————————–

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

সিরিয়া থেকে রকেট হামলা….

 

 

হাসপাতালেই ঈদ কাটলো বেগম খালেদা জিয়া ও রওশন এরশাদের

 

হাসপাতালেই ঈদ কাটলো সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদের। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ফলে ঈদের দিনে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাদের সাক্ষাত হচ্ছে না।

গত ২৭ এপ্রিল থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ৩ মে থেকে তিনি হাসপাতালে করোনারি কেয়ার ইউনিটে ভর্তি রয়েছেন। ইতোমধ্যে তিনি কোভিড নেগেটিভ হলেও বেশকিছু জটিলতা রয়েছে। ফলে এবারের ঈদে তিনি হাসপাতালে থাকছেন। অবশ্য খালেদা জিয়ার হাসপাতালে ঈদ এটাই প্রথম নয়। কারাবন্দি থাকাবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার সময়ও একাধিক ঈদ তিনি হাসপাতালে কাটিয়েছেন।

এদিকে ১ মে থেকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ। দলীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছেন। তার শারীরিক অবস্থা ১ মে এর তুলনায় ভালো হলেও ঈদের দিনে তাকে হাসপাতালে কাটাতে হবে।

কোভিড সংক্রমণের কারণে এ বছর কোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি নেই। তার ওপর দল দুটির শীর্ষ দুই নেত্রী হাসপাতালে থাকায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ঈদের বাড়তি উদযাপনের কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি।

ঈদের দিন খালেদা জিয়ার সঙ্গে হাসপাতালে তার ভাই শামীম ইস্কান্দার ও দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের দেখা করবেন। এরপর দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করবেন তিনি।

আর রওশন এরশাদের সঙ্গে তার ছেলে সাদ এরশাদ নিয়মিত যেমন দেখা করতে যান, তেমনই ঈদের দিনও তিনি দেখা করতে যাবেন বলে জানা গেছে।

এই দুই শীর্ষ নেতা ছাড়া দল দুটির বেশিরভাগ নেতার ঈদের দিন কাটবে অনেকটা পারিবারিক আবহে।

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, এবার দলটির অধিকাংশ সিনিয়র নেতা ঢাকায় স্বেচ্ছায় হোম কোয়ারেন্টিনে থেকে নিজ নিজ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করবেন। দলটির স্থায়ী কমিটির বেশিরভাগ নেতা করোনা পরবর্তী বিভিন্ন রোগে এখনও ভুগছেন। ভাইস চেয়ারম্যানদের অনেকের একই অবস্থা। ফলে এবারের ঈদে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নেতাদের বেশিরভাগই নিজ নিজ নির্বাচনীয় এলাকায় ঈদ উদযাপন করতে যাচ্ছেন না।

দলটির নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, ডা. এ জেড এম জাহিদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্সসহ দলের নেতারা ঢাকায় ঈদ করবেন।

বিএনপির নেতারা বলছেন, দেশে বর্তমানে বিধিনিষেধ চলছে। যদিও সরকারের অব্যবস্থাপনার কারণে বিধিনিষেধ সেভাবে কার্যকর হয়নি। অন্যদিকে, দলীয় প্রধান খালেদা জিয়া হাসপাতালে। তার শারীরিক অবস্থা এখন পর্যন্ত সন্তোষজনক নয়। কখন কী ঘটে বলা যায় না। তাকে হাসপাতালে রেখে নেতাদের এলাকায় গিয়ে ঈদ উদযাপন করা দৃষ্টিকটুও দেখায়। ইতোমধ্যে দেশে করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে। ফলে, নেতাদের বয়স ও শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির নেতাদের মধ্যে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ঈদের দিন সকালে নিজ নির্বাচনী এলাকা সিরাজগঞ্জ যাবেন। তবে, তিনি এলাকায় গেলেও ঘর থেকে বের হবেন না।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের, দলের মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহম্মেদ বাবলু, কো-চেয়ারম্যান রুহুল আমিন হাওলাদারসহ অধিকাংশ নেতা এবার ঢাকায় ঈদ করছেন।

জানা গেছে, রাজনীতিবিদের মধ্যে গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন, বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী দীর্ঘদিন স্বেচ্ছায় ঘরবন্দি আছেন। এ দুই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ গত বছরের মার্চ মাসে দেশে করোনার সংক্রমণ দেখা দেওয়ার পর থেকে স্বেচ্ছায় ঘরবন্দি আছেন।

// অনলাইন ডেস্ক //

————————–

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …