রূপসায় কৃষি মাঠ দিবসে ‘সরিষা ও বারি সরিষা-১৪’ ডিসপ্লে করে চাষিদের জন্য বিশদ আলোচনা

//এম মুরশীদ আলী//

রাজস্ব খাতের অর্থায়নে ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে স্থাপিত প্রদর্শনীর ‘মাঠ দিবস’ গত ১৫ ফেব্রুয়ারি রূপসা উপজেলার আইচগাতী ইউনিয়ন যুগিহাটী বাদামতলার মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আয়োজনে প্রদর্শনীতে “সরিষা ও বারি সরিষা-১৪” ডিসপ্লে করে চাষিদের জন্য বিশদ আলোচনা করা হয়।

রূপসায় কৃষি মাঠ দিবসে ‘সরিষা ও বারি সরিষা-১৪’ ডিসপ্লে করে চাষিদের জন্য বিশদ আলোচনা

মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তৃতা করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম।

আলোচনা সভায় যুগিহাটী গ্রামের ইউপি সদস্য মো. মনিরুল ইসলাম বুলু’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন (এসএপিপিও) মো. আলী হাসান, (এসএএও) নিতীশ বালা, মো. রাজু আহমেদ ও আফরোজা মুমু সহ কৃষকগণ উপস্থিত ছিলেন।

সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান: সালাম মূর্শেদী এমপি

//আঃ রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বাধীনতা বিরোধী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর সকল চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে ২০৪১ সালের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যার মধ্য দিয়ে যে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছিল, ২০০৪ সালের ২১ আগস্টেও গ্রেনেড হামলার ঘটনা ছিল তারই ধারাবাহিকতা। সেই ষড়যন্ত্র এখনও চলছে।

স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী এবং উন্নয়ন ও গণতন্ত্র বিরোধী চক্র এখনও নানাভাবে সোচ্চার আছে। ঐক্যবদ্ধভাবে এই অপশক্তির যে কোনো চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে ২০৪১ সালের মধ্যে জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলিতে হবে।

তিনি আজ১৫ ফেব্রুয়ারি দুপুরে দিঘলিয়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে দলিত সম্প্রদায় ও এতিমখানায় ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খান নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোল্লা আকরাম হোসেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ মারুফুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খান মাসুম বিল্লাহ, দিঘলিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: বাবুল আক্তার, দিঘলিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ হায়দার আলী মোড়ল, সেনহাটি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান গাজি জিয়াউর রহমান, বারাকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গাজী সাহগীর হোসেন পাভেল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোশাররফ হোসেন, মাস্টার ইউনুস আলী, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন, দপ্তর সম্পাদক লোকমান হোসেন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সাহেব আলী হুজুর, প্রচার সম্পাদক খান হাবিবুর রহমান বিপুল, সহ-প্রচার সম্পাদক মোঃ মকবুল হোসনে, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক গাজী জাকির হোসেন, সদস্য কে এম আসাদুজ্জামান, সেনহাটি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সৈয়দ মিজানুর রহমান, দিঘলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আনসার আলী, সাধারণ সম্পাদক শেখ মঞ্জুর হোসেন, বারাকপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি গাজী আব্দুর রউফ, সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ওদুদ হোসেন, চন্দনীমহল সংগঠনিক ইউনিয়নের সভাপতি গাজী আজগর আলী, সাধারণ সম্পাদক মো: ইকতার হোসেন, দিঘলিয়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এস এম হাবিবুর রহমান তারেক, উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি আব্দুর রহমান, উপজেলা কৃষক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক খান আবু সাইদ, উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার,  উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শেখ মনিরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ইয়াজুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ আনিসুর রহমান, সহ সম্পাদক সাইদুর রহমান, রুবেল হাওলাদার, রানা মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আল আমিন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোল্লা নাহিদুর রহমান, দিঘলিয়া ইউনিয়ন মহিলালীগের সভাপতি পাখি বেগম, সাধারণ সম্পাদক হাফিজা খাতুন, জেলা মহিলা লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নাসরিন আক্তার হিরা, দিঘলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সৈয়দ জামিল মোরর্শেদ মাসুম, সাধারণ সম্পাদক কে এম তহিদুজ্জামান,  বারাকপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আলী বাকের প্রীন্স, সাধারণ সম্পাদক ইসরাইল চৌধুরী, চন্দনীমহল সংগঠনিক ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ইমরান গাজী, মুসা গাজী, রানা মেম্বার, সাহাব উদ্দিন মেম্বার, হাফিজ মেম্বার, আক্তার মেম্বার, আমীর মেম্বর, আকবর মেম্বর, আসাদ খামারী  প্রমুখ।

এর আগে প্রধান অতিথি বারাকপুর ইউনিয়ন এর দলীয় নেতা কর্মীদের দেওয়া সংবর্ধনা উপস্থিত ছিলেন এবং পরে বারাকপুর ইউনিয়নের আডুয়া পশ্চিম আমবাড়িয়া সার্বজনিন দূর্গা মন্দিরে এলাকাবাসীর সাথে মতবিনিময় করেন। এসময় এলাকাবাসী এমপি কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

এছাড়া বিকালে প্রধান অতিথি তৃতীয়বারের মতন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় বিভিন্ন ওয়ার্ডের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তেরের অভিযানে ৯৪ কেজি গাঁজা ও বিপুল পরিমাণ মাদকসহ আটক-২

//আঃ রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

খুলনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান মাদকসহ দুই জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছেন।

আটককৃতরা হচ্ছে মো: ফয়সাল হোসেন (২৩) এবং সোহেল রানা (২৬)। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ৯৪ কেজি গাজা, ১ হাজার ৫২০ পিস ইয়াবা এবং ৩৩ বোতল ফেনসিডিল জব্দ এবং মাদক ব্যবসায় ব্যবহৃত ০২ টি মোটরসাইকেল আটক করে। বুধবার বিকেল ৫টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, খুলনা এর উপপরিচালক  মোঃ মিজানুর রহমান এর নেতৃত্বে “ক”সার্কেল এর রেইডিং টিমের সদস্যদের নিয়ে ফকিরহাট উপজেলার  লকপুর এলাকায় অভিযান চালায়।

এসময়  বিথি বেগম এর মালিকানাধীন বাড়ীর দুইতলার ভাড়াটিয়া আক্তার মিয়ার বাসায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করেন এবং উক্ত আলামত উদ্ধার ও জব্দ করেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বিভাগীয় কার্যালয়, খুলনা এর  অতিরিক্ত পরিচালক মো: আহসানুর রহমান অভিযানটি সার্বিকভাবে তত্ত্বাবধান করেন। আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে জানায় উক্ত বাড়ীর ভাড়াটিয়া আক্তার মিয়ার পৃষ্ঠপোষকতায় দীর্ঘদিন ধরে তারা মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিল।

‘ ক’ সার্কেলের উপ পরিদশর্ক মো: রাকিবুল ইসলাম রাসেল বাদী হয়ে আসামী মো: ফয়সাল হোসেন (২৩) এবং সোহেল রানা (২৬) ও আক্তার মিয়া (৩৫, পলাতক) এর নামে ফকিরহাট থানায় ০১ টি মাদক মামলা দায়ের হ য়েছে।

খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নে নেতাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ

//খুলনা ব্যুরো//

খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নে নেতাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ

খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ন (কেইউজে)’র পেশাজীবী সাংবাদিকদের স্বার্থ রক্ষার দাবিতে খুলনা বিভাগীয় শ্রম অধিদপ্তর ও রেজিস্টার অব ট্রেড ইউনিয়নের পরিচালকের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। আবেদনে বর্তমান কমিটির বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত অবমাননা, গঠণতন্ত্র লঙ্ঘন করে সদস্য পদ প্রদান ও নির্বাচন পরিচালনার অভিযোগ আনা হয়েছে।

বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকালে ইউনিয়নটির স্থায়ী সদস্য সুনীল দাস ও মো: বাবুল আখতার এ আবেদন জমা দেন। আবেদনের সঙ্গে ইউনিয়নে দ্বৈতপেশায় সম্পৃক্ত ও গঠণতন্ত্র লঙ্ঘন, আদালত অবমাননার বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়।

এতে বলা হয়, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ন (রেজি:নং-১০০৮) সাংবাদিকদের একটি ঐতিহ্যবাহী সংগঠন। এই সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য সাংবাদিকতা পেশায় নিয়োজিত সকল সদস্যের পেশাগত মান উন্নয়ন, তাদের স্বার্থ সংরক্ষণ, দায়িত্ব পালনের দিকে নজর, সাংবাদিকতার স্বাধীনতা অক্ষুন্ন রাখা। আগামী ৯ মার্চ, ২০২৪ (শনিবার), খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন-২০২৪-২৫ ঘোষণা করা হয়েছে। আর এই নির্বাচনকে ঘিরে নানা সংকট দেখা দিয়েছে। বর্তমান কমিটি মহামান্য হাইকোর্ট এর রিট পিটিশন নং ১৬৫৬/২০২২ এর আদেশে বিচারপতি মামুন রহমান ও বিচারপতি দিলারুজ্জামানের বেঞ্চে তিনজন মালিকের (প্রকাশক ও সম্পাদক) সদস্যপদ বাতিলের আদেশসহ গঠণতন্ত্রের বিধির বাইরের সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার বিষয়টি অগ্রাহ্য করেছে। তিনজন মালিকের ইউনিয়নের সদস্যপদ বাতিল হলেও গঠণতন্ত্রের বিধির বাইরের সদস্যদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নিয়ে ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। বরং গঠণতন্ত্র না মেনে কার্যনির্বাহি পরিষদ আরো ১১৪ জনকে নতুন সদস্যপদ প্রদান করেছে। নতুন সদস্য দেওয়ার ক্ষেত্রে গঠণতন্ত্রের অনুচ্ছেদ-২ এর ধারা-১ মানা হয়নি। শ্রম আইনের নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী তাদের নিয়োগপত্রও ও আনুসঙ্গিক কাগজপত্রে অনেক অসংগতি রয়েছে। এছাড়া রেজিস্টার অব ট্রেড ইউনিয়নের অনুমোদন/অবগত ছাড়া নির্বাচনী পরিচালনা কমিটি গঠন ও তফশীল ঘোষণা করা হয়েছে। যা শ্রম আইনের সম্পূর্ণ লঙ্ঘন ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন প্রক্রিয়াও যথাযথ হয়নি।

খুলনার শ্রম পরিচালক মো. মিজানুর রহমান আবেদন পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্যদের একটি আবেদন পেয়েছি। এ বিষয়ে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আমতলীতে নারী উদ্যোক্তাদের বিশেষ উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

//মাহমুদুল হাসান, আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলীতে জাতীয় মহিলা সংস্থার আয়োজনে লাল সবুজ মার্কেট প্লেসের নারী উদ্যোক্তাদের বিশেষ উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার দুপুর ২.৩০ মিনিটে আমতলী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা তথ্য সেবা কর্মকর্তা নুসরাত সুলতানা শারমিন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশেষ উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক নাসরিন সিপু ও শিউলি মালা। প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন মুক্তারানী। আরো উপস্থিত ছিলেন তথ্য সেবা সহকারী হাফসা বেগম ও  উদ্যোক্তাবৃন্দ।

জাতীয় মহিলা সংস্থা,মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়িত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে মহিলাদের ক্ষমতায়ন প্রকল্প (২য় পর্যায়) আজকের নারী উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণে আমতলীর ৫০জন নারী উদ্যোক্তা অংশে গ্রহণ করেন।

লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার পরিবেশ বজায় রাখতে হবে: সালাম মূর্শেদী এমপি

//আঃ রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

 খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষাখাতকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। তাই সকল শিক্ষার্থীদের প্রতি আমার আহ্বান সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে আগামীতে দেশের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে এখন থেকেই প্রস্তুত হতে হবে। শেখ হাসিনার হাতকে আরও শক্তিশালী করতে আমাদের সকলের ছেলে-মেয়েদের স্কুলে পাঠাতে হবে। একটি জাতি তখনই বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে সক্ষম হয় যখন সেই জাতি সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে গড়ে ওঠে।

 ভাল লেখাপড়া করে সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনের জন্য খেলাধুলার আবশ্যকতা খুবই জরুরি। বিদ্যালয়ে পাঠদানের ফাঁকে শিক্ষার্থীরা যেন তাদের সুন্দর মন গঠন করতে পারে সেজন্য প্রতিটি স্কুলেই খেলার মাঠ সচল রেখেছে সরকার। প্রতিটি স্কুলে শিক্ষার্থীদের ভাল লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার পরিবেশ বজায় রাখতে হবে।

মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে রূপসার কাজদিয়া সরকারী  উচ্চ বিদ্যালয়ের  ক্রীড়া প্রতিযোগিতা এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ভালো ফলাফল করতে হলে আমাদের শিশুদের আরো মনোযোগী হতে হবে। ভবিষ্যতে যেন ফলাফল আরো ভালো হয়, সেজন্য মন দিয়ে লেখাপড়া করতে হবে।’

সরকার বিনা মূল্যে শিক্ষার্থীদের বই দেয়াসহ বৃত্তি প্রদান করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গরিব বাবা-মার ওপর যেন চাপ না পড়ে, সেজন্য আমরা বছরের শুরুতেই সরকার বই দিচ্ছে। স্কুল ও কলেজ সরকারি করে দিচ্ছে। উচ্চশিক্ষাসহ সর্বস্তরে বৃত্তি দেয়া হচ্ছে। স্কুলে টিফিনের ব্যবস্থা করেছে। কোনো শিক্ষার্থী যেন ঝরে না পড়ে, এজন্য সরকারের পক্ষ থেকে সাহায্য করা হচ্ছে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি আবদুল্লাহ আল বাকীর সভাপতিত্বে সম্মানিত অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা সরকারী মহিলা কলেজের অধ‍্যাপক ও  খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস‍্য খান আহমেদুল কবীর চাইনিজ। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন থানা অফিসার ইনচার্জ মো:শওকত কবীর, ম‍্যাধমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আইরিন পারভিন।

স্বাগত বক্তৃতা করেন বিদ‍্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ‍্যক্ষ  অজিত সরকার।

প্রভাষক ফালগুনীর মূখার্জীর পরিচালনায় বক্তৃতা করেন প্রভাষক খান মারুফু ইসলাম,  আনোয়ার হোসেন মিন্টু, সেলিম রেজা,শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মেজবা উদ্দীন খান, ভবেশ, বিশ্বাস, অমেলেন্দু বিশ্বাস, রতন দেবনাথ, আ:কাদের, আসাদুজ্জামান সরদার,  আমিরুল ইসলাম,কুদরত আলী, উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক আরিফুল ইসলাম গজলসহ শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শহিদ শেখ আবু নাসের মূরাল সরকারি বঙ্গবন্ধু কলেজে স্থাপন করেন সরদার মনিরুজ্জামান

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা ‍//

সরকারি বঙ্গবন্ধু কলেজ ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত শেখ মুজিবুর রহমান নামে বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কলেজটি রূপসা ‍উপজেলার আইচগাতি ইউনিয়ন বেলফুলিয়া গ্রামে অবস্থিত। এই কলেজ প্রতিষ্ঠার পিছনে প্রধান অবদান রেখেছিলেন শহীদ সরদার আব্দুর রাজ্জাক। পরে তাঁরই ভাইপো অধ্যক্ষ সরদার ফেরদৌস আহম্মেদ কলেজ উন্নয়নের পিছনে বিশেষ অবদান রেখে গেছেন। সরদার পরিবারের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেই শহিদ শেখ আবু নাসের এর মূরাল নির্মাণ করেন সরদার মনিরুজ্জামান। কলেজটির জন্য সরদার পরিবার একটি বিরল ইতিহাসে পরিণত হলো।

ছাত্র জীবন- সরদার মনিরুজ্জামান ১৯৯২ সাল থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত ২নং শ্রীফলতলা ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক। ২০১০ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত জেলা কৃষকলীগের ত্রান ও সমাজ কল্যান সম্পাদক ছিলেন। তাছাড়া তাঁর পরিবারের সকল সদস্য আওয়ামীলীগকে ভালবেসেই সম্পৃক্ত আছেন।

কর্মজীবন- কলেজে শহিদ শেখ আবু নাসের নামে একটি ভবন নির্মিত হয়। পরে কিছুদিন যেতে না যেতেই মনে পড়ে ছোটবেলায় পিতা বলেছিলেন- শহিদ শেখ আবু নাসের এই অঞ্চলের মানুষের ক্ষুধা-নিবারণ করেছিলেন। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালিন সময়ে শেখ আবু নাসের রূপসা উপজেলার এই অঞ্চল অর্থাৎ আইচগাতি, শ্রীফলতলা ও নন্দনপুর এলাকায় ক্ষুধার্থ অনাহারে থাকা মানুষের জন্য নোঙ্গরখানা খুলে তাদের আহারের ব্যবস্থা করতেন। যার জন্যই অত্র এলাকার মানুষ ক্ষুধা নিবারণ হতেন। তৎকালিন সময়ে শহিদ শেখ আবু নাসেরের এই মহাৎ কাজের স্মৃতি স্বরুপ সরদার মনিরুজ্জামান কলেজ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে উক্ত ভবনের গায়ে শহিদ শেখ আবু নাসের এর মূরাল স্থাপন নির্মাণ অনুপ্রেরণায় : অধ্যক্ষ মনোজ কান্তি মন্ডল ও সৌজন্যে : সরদার মনিরুজ্জামান।

বরগুনা রিপোর্টার্স ইউনিটির পুনর্গঠিত কমিটির সভাপতি মান্নু সম্পাদক শাওন

মাহমুদুল হাসান,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ

 বরগুননা রিপোর্টার্স ইউনিটি’র ২০২৪ সালের কমিটি পুর্নগঠন করা হয়েছে। পুনর্গঠিত কমিটিতে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা মাহবুবুল আলম মান্নুকে সভাপতি ও শাওন মিয়াজি কে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

গত (১০/০২/২০২৪) তারিখ শনিবার বিকেল ৪ ঘটিকায় সংগঠনের এক জরুরি সভায় কমিটির পুনর্গঠন করা হয়।

সভার শুরুতে সংগঠনের পূর্বের কার্যাবলী পাঠ করেন রিপোর্টার্স ইউনিটির দপ্তর সম্পাদক সফিকুল ইসলাম রাসেল। পরবর্তীতে ২১ ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন নিয়ে আলোচনা করেন সহ-সভাপতি সাইফুল্লাহ নাসির।

সংগঠনকে গতিশীল করতে প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সভায় জানান পূর্বের সাধারণ সম্পাদকের কাজে গাফিলতি এবং দ্বায়িত্বে অবহেলা করায় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করা যাচ্ছে না তাই তিনি সাধারণ সম্পাদক   তার পদ পরিবর্তনের প্রস্তাব করেন।তার প্রস্তাবে সভায় উপস্থিত সকলে একতম পোষণ করে সাধারণ সম্পাদকের পদ রুদ্র রুহানকে অব্যাহতি দেওয়া হয় এবং দৈনিক আমাদের কণ্ঠ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার শাওন মিয়াজীকে সাধারণ সম্পাদকের দ্বায়িত্ব দেয়ার জন্য সভায়  সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

গতকালই পুনর্গঠিত নতুন কমিটির অনুমোদন দিয়েছেন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাহবুবুল আলম মান্নু।

পুনর্গঠিত কমিটিতে দৈনিক আমাদের সময়ের জেলা প্রতিনিধি মাহবুবুল আলম মান্নুকে সভাপতি এবং দৈনিক আমাদের কণ্ঠের স্টাফ রিপোর্টার শাওন মিয়াজীকে সাধারণ সম্পাদক করে ২৪ সদস্য বিশিষ্ট পুনর্গঠিত কমিটি ঘোষণা দেয়া হয়।

কমিটির অপর সদস্যরা হলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি ইফতেখার শাহীন,সহ সভাপতি এ্যাড. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল,সহ সভাপতি মোঃ রাশেদুল ইসলাম,সহ সভাপতি সাইফুল্লাহ নাসির, সাংগঠনিক সম্পাদক সফিকুল ইসলাম রাসেল, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক পারভেজ রানা, নারী বিষয়ক সম্পাদক সুমাইয়া শিলা প্রমুখ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক তিন পন্থায় খেলাপি ঋণ কমাতে চায়

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

ব্যাংক ও আর্থিক খাতে খেলাপি ঋণ কমাতে তিন পন্থায় এগোতে চায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এগুলো হচ্ছে-নতুন কোনো ঋণ যাতে খেলাপি না হয় সেদিকে কঠোর তদারকি জোরদার করা, যেসব ঋণ খেলাপি হয়েছে সেগুলো থেকে আদায় বাড়ানো এবং দুই বছরের পুরোনো খেলাপি ঋণ অবলোপন করা।

এছাড়া সার্বিকভাবে ঋণ বিতরণ বাড়লে ও খেলাপি ঋণের চলমান ঊর্র্ধ্বগতি ঠেকানো গেলে এর হার কিছুটা কমে আসবে। এই পথটিও কাজে লাগাতে চায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে এটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায়ই হবে। এতে কোনো তদারকির প্রয়োজন নেই। যে কারণে একে রোডম্যাপের আওতায় রাখা হয়নি।

রোববার কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই প্রথমবারের মতো ব্যাংক খাতে সুশাসন ফেরাতে ও খেলাপি ঋণ কমাতে একটি রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে। এর আলোকে অচিরেই আরও কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হবে। যেগুলো সার্কুলার আকারে জারি করা হবে।

এর বাইরে ব্যাংকগুলোকেও আলাদাভাবে কিছু নির্দেশনা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে ব্যাংকের পাশাপাশি আর্থিক কোম্পানিগুলোর জন্যও আলাদা কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কারণ আর্থিক কোম্পানিগুলোতেও নানা সমস্যা ভর করেছে।

এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ব্যাংক খাতে সংস্কারের জন্য দাবি ছিল ব্যাংক সংস্কার কমিশন গঠন করা। সরকার সেটি না করে রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে। এটি কতটুকু বাস্তবায়ন করা যাবে সেটি প্রশ্নসাপেক্ষ। কারণ এটি বাস্তবায়ন করতে গেলে যাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে তারা সরকারের নিকটজন। তাদের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কতটুকু কঠোর হতে পারে তা দেখার বিষয়।

তিনি আরও বলেন, সার্বিকভাবে দেশে সুশাসন নিশ্চিত না হলে শুধু ব্যাংক খাতে তা প্রতিষ্ঠা করা যাবে না। আর সুশাসন না হলে ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা ফিরবে না।

সূত্র জানায়, গত জুনের তুলনায় সেপ্টেম্বরে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ কিছুটা কমেছে। জুনে ছিল মোট ঋণের ১০ দশমিক ১০ শতাংশ খেলাপি। সেপ্টেম্বরে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৯৩ শতাংশে। পরিমাণও প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা কমেছে। তারপরও খেলাপি ঋণ এখন ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩৯৭ কোটি টাকা। এর বাইরে আরও ৫৫ হাজার কোটি টাকার ঋণ অবলোপন করা হয়েছে। এগুলোও খেলাপি। এছাড়া বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় লুকানো মিলে মোট খেলাপি ঋণ ৪ লাখ কোটি টাকার ওপরে হবে বলে আইএমএফের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর বাইরে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে খেলাপি ঋণ প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা। যা তাদের বিতরণ করা ঋণ বা লিজের ২৭ দশমিক ৬৫ শতাংশ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র জানায়, রোডম্যাপের আলোকে ব্যাংকগুলোতে নতুন ঋণখেলাপি হওয়া ঠেকাতে আগে থেকেই তদারকি জোরদার করা হবে।

এর মধ্যে যেসব ঋণ খেলাপি হওয়ার আগের ধাপে অর্থাৎ বিশেষ হিসাবে চলে যাবে ওইসব ঋণ নিয়মিত করা বা আদায় করার ক্ষেত্রে তদারকি বাড়ানো হবে। কোনো ঋণের কিস্তি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধিত না হলেই তা বিশেষ হিসাবে স্থানান্তর করা হয়। এ হিসাবে ঋণ রয়েছে ৪৬ হাজার ২০০ কোটি টাকা। এসব ঋণ থেকে যাতে কোনো গ্রাহক খেলাপি না হয় সেদিকে ব্যাংকগুলোকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হবে।

একই সঙ্গে কোনো গ্রাহকের যৌক্তিক কোনো সমস্যা হলে তা সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করে ঋণ নিয়মিত করার ব্যবস্থা করতে হবে। কোনোক্রমেই এসব ঋণ যাতে খেলাপি না হয় ব্যাংকগুলোকে সেভাবেই তদারকি করতে হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, কোনো ঋণ খেলাপি হবে কিনা তা বিতরণের আগেই ব্যাংকাররা বুঝতে পারে। গ্রাহকের সম্পদ ও ব্যবসার ধরন থেকেই তা বোঝা যায়। ফলে যেসব ঋণ খেলাপি হবে বলে ব্যাংকারদের কাছে মনে হবে সেগুলো বিতরণের আগেই আটকে দিতে হবে।

এর মধ্যে ব্যাংক কোম্পানি আইনে সীমার বেশি ঋণ দেওয়া যাবে না। বর্তমানে কোনো একক গ্র“প বা প্রতিষ্ঠানকে কোনো ব্যাংক তার মূলধনের ৩৫ শতাংশ ঋণ দিতে পারে। এর মধ্যে নগদ আকারে ১৫ শতাংশ ও পরোক্ষ ঋণ যেমন ব্যাংক গ্যারান্টি, এলসি এসব ২০ শতাংশ। এর বেশি ঋণ বিতরণ করতে হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন নিতে হয়। অনেক গ্রুপ বা প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সীমার অতিরিক্ত ঋণ বিতরণের অনুমোদন দিয়েছে।

রোডম্যাপে বলা হয়েছে, এখন থেকে এ ধরনের ঋণের আর কোনো অনুমোদন দেওয়া হবে না। ফলে বড় অঙ্কের ঋণ বিতরণ কমে যাবে। এতে খেলাপি হওয়ার ঝুঁকিও কমে যাবে। এছাড়া কোনো ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদনের বাইরে এ ধরনের সীমার চেয়ে বেশি ঋণ বিতরণ করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এছাড়া ঋণ বিতরণের সময় বিভিন্ন গ্রাহকের ঋণের একটি সীমা দিয়ে দেন। ওই সীমার মধ্যে থেকেই গ্রাহকদের লেনদেন করতে হয়। এ সীমাও ব্যাংকগুলোকে মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হবে। সীমা বাড়াতে চাইলে ব্যাংকের পর্ষদের অনুমোদন নিতে হবে।

এ দুটি নীতি বাস্তবায়ন করতে পারলে খেলাপি ঋণের ঊর্ধ্বগতি কমানো সম্ভব। এতে খেলাপি ঋণ ঠেকানো যাবে প্রায় ৪৬ হাজার ২০০ কোটি টাকা। ঋণ বিতরণে অনিয়মের বিরুদ্ধেও থাকবে কঠোর তদারকি। এতেও খেলাপি ঋণ ঠেকানো সম্ভব হবে।

এখন খেলাপি ঋণ থেকে আদায় বাড়ানোর জন্য ব্যাংকগুলোকে নির্দিষ্ট লক্ষ্য দেওয়া হবে। সেগুলো আদায় বা নিয়মিত করতে হবে। এ প্রক্রিয়ায় খেলাপি ঋণ কিছুটা কমানো সম্ভব হবে।

ব্যাংক খাতে মন্দ ঋণ আছে ১ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা। এগুলো সবই দুই বছর ধরে খেলাপি হিসাবে রয়েছে। এসব ঋণের বিপরীতে প্রভিশন রেখে প্রায় ৪৩ হাজার কোটি টাকা নতুন করে অবলোপন করা সম্ভব। ফলে ওই পরিমাণ খেলাপি ঋণ কমবে। তবে ঋণ অবলোপন করলে এর বিপরীতে শতভাগ প্রভিশন রাখতে গিয়ে ব্যাংকগুলোতে অর্জিত মুনাফার অর্থ এ খাতে স্থানান্তর করতে হবে। ফলে ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডাররা লভ্যাংশ পাবেন কম।

Daily World News

রামপালে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা

প্রতি বছরের মতো এবারও এমপি সালাম মূর্শেদীর কম্বল বিতরণ

রূপসায় অবৈধভাবে ইটভাটা চালানোর দায়ে ১ লাখ টাকা জরিমানা

ফকিরহাটে ডিবির অভিযানে ৮ কেজি গাঁজাসহ আটক- ২

রামপালে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি||

 বাগেরহাটের রামপালের ২নং উজলকুড় ইউনিয়নের চাঁদপুর গ্রামে আইন শৃঙ্খলা স্বাভাবিক  রাখার বিষয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি ) সন্ধ‍্যা ৭টায় উপজেলার উজলকুড় ইউনিয়নের চাঁদপুর মাদ্রাসা মাঠে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।  উপজেলার ফয়লাহাট পুলিশ ক‍্যাম্প ইনচার্জ এসআই ইসমাইল হোসেনের সভাপতিত্বে  প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন রামপাল থানার অফিসার ইন-চার্জ সোমেন দাস, বিশেষ অতিথির বক্তব‍্য দেন রামপাল উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি গাজী আক্তারুজ্জামান, উজলকুড় ইউনিয়নের চেয়ারম‍্যান মুন্সী বোরহান উদ্দিন জেড সহ অন‍্যান‍্য নেতৃবৃন্দ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সকল দোকান মালিক,  ইউপি সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মী ও গ্রাম পুলিশ। তাদের সাথে বাজারের নিরাপত্তাসহ উজলকুড় ইউনিয়নের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। গ্রাম পুলিশের রাত্রি কালীন ডিউটিতে নিয়োজিত থাকার বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কেউ দায়িত্ব পালনে অবহেলা করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়।