বরগুনার আমতলীতে স্বাধীনতা বিরোধী মুক্ত আওয়ামীলীগ কমিটির দাবীতে মুক্তিযোদ্ধাদের সভা

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলীতে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায়  স্বাধীনতা বিরোধীদের আওয়ামী লীগ কমিটিতে না রাখার বিষয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভা শুরুতে কোরআন তেলওয়াত ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরনে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কাউন্সিল এর সাবেক দপ্তর সম্পাদক,আমতলী কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম শামসুদ্দিন আহম্মেদ সানুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন,বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম মৃধা,নাজমুল আহসান নান্নু,আনোয়ার হোসেন ফকির,শাহ আলম তালুকদার, সামুদ্দিন আহম্মেদ, আঃ জলিল প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষনা অনুযায়ী  আওয়ামী লীগ কমিটিতে কোন রাজাকার,আল বদর, আল শামস ও শান্তি কমিটির কোন সদস্য বা পরিবারের কোন  সন্তান থাকতে পারবে না।পুর্বের কোন কমিটিতে যদি কাহারো নাম থাকে তাহলে তাকে বাদ দিতে হবে। আমরাও আমতলী উপজেলায় এসব লোকদের আওয়ামী লীগ কমিটিতে না রাখার দাবী জানাই।

সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম শামসুদ্দিন আহম্মেদ সানু বলেন, গুলিশাখালী ইউনিয়নে ৫৬জন মুক্তিযোদ্ধা। এর মধ্যে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ কমিটিতে কোন মুক্তিযোদ্ধা সদস্যকে রাখা হয়নি। বর্তমান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান এ্যাড. নুরুল ইসলাম রাজাকারের সন্তান। তাকে বাদ দিয়ে আওয়ামী পরিবার ও স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি আওয়ামী লীগ কমিটিতে সভাপতি পদে রাখার সুপারিশ করছি। অনুষ্ঠানে উপজেলার শতাধিক বীর মুক্তিযোদ্ধা উপস্থিত ছিলেন।

English Dainikbiswa

১০০০ টাকার লাল নোট অচল নয় : বাংলাদেশ ব্যাংক

দুই বিমানের সংঘর্ষ// বিমান লিজ// কার লাভ আর কার ক্ষতি

১০০০ টাকার লাল নোট অচল নয় : বাংলাদেশ ব্যাংক

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

বাংলাদেশ ব্যাংক (বিবি) ১০০০ টাকা মুল্যমানের লাল নোট অচল ঘোষণা করেনি। আগামী ৩০ মে’র পর এই নোট অচল হিসেবে গণ্য হবে মর্মে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অনলাইন প্লাটফর্মে প্রচারিত তথ্যকে গুজব এবং বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছে কেন্দ্রিয় ব্যাংক।

বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের কারেন্সী ম্যানেজমেন্ট বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক ১০০০ টাকা মুল্যমানের লাল নোট বা অন্য কোনো নোট অচল হিসেবে ঘোষণা করেনি। কেন্দ্রিয় ব্যাংক জনসাধারণকে এ ধরনের গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্য আমলে না নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে ।

দুই বিমানের সংঘর্ষ// বিমান লিজ// কার লাভ আর কার ক্ষতি

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

হ্যাঙ্গারে দুই বিমানের সংঘর্ষের নেপথ্যেও লিজ বাণিজ্য বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা!

উড়োজাহাজ লিজ বাণিজ্যে ডুবছে বিমান। রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থাটিকে একের পর এক বিপর্যয়ে ফেলছে এই লিজ বাণিজ্য। লিজের যৌক্তিকতা প্রমাণে নিজস্ব বেশ কয়েকটি এয়ারক্রাফট নষ্ট করে রাখা হয়েছে। বহরের নতুন উড়োজাহাজগুলোর ব্লক আওয়ার কম দেখিয়ে বসিয়ে রাখা হচ্ছে। কারণে-অকারণে দুর্ঘটনার মুখে পড়ছে মূল্যবান বিমানগুলো। পাশাপাশি প্রতিনিয়ত ঘটছে শিডিউল বিপর্যয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিবছর হজ মৌসুম শুরুর আগে রহস্যজনক এই দুর্ঘটনার ঘটনা বেশি ঘটছে। ১২ এপ্রিল বিমানের নিজস্ব হ্যাঙ্গারে দুই বিমানের সংঘর্ষের নেপথ্যেও লিজ বাণিজ্য বলে মনে করছেন তারা। অভিযোগ, উড়োজাহাজ লিজ মানে শত কোটি টাকার কমিশন বাণিজ্য। যার কারণে প্রতি বছর হজ এলেই উড়োজাহাজ লিজ নিতে তৎপর হয়ে উঠে বিমানের টপ টু বটম।

এবারও হজের জন্য দুটি এয়ারক্রাফট লিজের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। লুটপাটের মাধ্যমে নিজদের আখের গোছাতে ব্যস্ত একটি সিন্ডিকেট পেছন থেকে এসব করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হেস্টনের উড়োজাহাজ দুটি লিজ নিলে বিমানের গচ্চা যাবে কমপক্ষে ২০০ কোটি টাকা।

বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ১২ এপ্রিল বিমানের নিজস্ব হ্যাঙ্গারে সংঘর্ষে দুটি নতুন বিমানের বড় ধরনের ক্ষতি হলেও এ নিয়ে কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ঘটনার পর এক মাস পেরিয়ে গেলেও তদন্ত কমিটির রিপোর্ট আলোর মুখ দেখেনি। পরদিন বিমান প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিলেও নির্বিকার বিমান প্রশাসন।

তার মতে, হজের আগে লিজ বাণিজ্য করতেই পরিকল্পিতভাবে দুটি মূল্যবান এয়ারক্রাফট বোয়িং ৭৭৭ ও বোয়িং ৭৩৭-এর ওপর ‘হামলা’ হয়েছিল। তদন্তে কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরিয়ে আসবে বলে ভয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চক্রান্ত চলছে। তড়িঘড়ি করে বোয়িং টিম ঢাকায় পৌঁছার আগেই বিমানের নিজস্ব হ্যাঙ্গারে এয়ারক্রাফট দুটি মেরামত করে ফেলা হয়েছে। ওয়ারেন্টি শপকে না জানিয়ে এভাবে নিজস্ব হ্যাঙ্গারে মেরামত করায় ডি চেক করানোর জন্য আরও বড় ধরনের আর্থিক দণ্ডের মুখে পড়তে পারে দুই এয়ারক্রাফট।

বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী বলেন, লিজ নিয়ে অনিয়ম-দুর্নীতি হয় না এটা বলা যাবে না। এর আগেও লিজ নিয়ে বিমান মন্ত্রণালয়কে বড় ধরনের অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছিল। এয়ারক্রাফট লিজ নিয়ে শত শত কোটি টাকা গচ্চা দিতে হয়েছে সরকারকে। তিনি বলেন, ১১ এপ্রিল তিনি বিমানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ওই বৈঠকে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, প্রয়োজন ছাড়া কোনো লিজ নয়। এ বছর হজযাত্রী কম। কাজেই বিমানের নিজস্ব এয়ারক্রাফট দিয়ে যদি সম্ভব হয় তাহলে লিজে না যাওয়ার জন্য তিনি বলেছেন।

২০১৪ সালে সম্পাদিত ৫ বছর মেয়াদি একটি লিজ চুক্তি এখনও বিমানের গলার কাঁটা হয়ে বিঁধছে। এ চুক্তির কারণে বিমানকে একটি এয়ারক্রাফট ও একটি ইঞ্জিন না চালিয়েও ভাড়া হিসাবে ৬শ কোটি টাকার বেশি অর্থ দিতে হয়েছে লিজদাতাকে। ওই উড়োজাহাজ লিজের সময় স্থানীয় একটি কোম্পানিকে এজেন্ট হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

কিন্তু স্থানীয় এজেন্টের সব কাজ করত বিমান। অথচ বিমানের ওই সিন্ডিকেট ভাড়ার টাকার ৫ শতাংশ হারে স্থানীয় এজেন্টকে প্রতি মাসে গড়ে ৪৭ লাখ টাকা করে দিয়েছে। ৫ বছর ধরে এই টাকা দিয়ে গেছে বিমান কর্তৃপক্ষ। এ খাত থেকেও বড় অঙ্কের মাসোহারা পেত তৎকালীন ফাইন্যান্স, ফ্লাইট অপারেশন ও প্রকৌশল বিভাগের সংশ্লিষ্ট সিন্ডিকেট।

২০১৬ সালেও হজের জন্য লিজ নেওয়া হয় একটি এয়ারবাস। অভিযোগ ছিল ওই এয়ারবাসের স্থানীয় এজেন্ট ছিল বিমানের ওই সময়ের ফাইন্যান্স বিভাগের এক শীর্ষ কর্মকর্তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু। আর এ কারণে বোয়িং ৭৭৭-৩০০ উড়োজাহাজ লিজ না নিয়ে এয়ারবাস নেওয়া হয় চড়া মূল্যে। পরে আরও দুটি উড়োজাহাজ লিজ নেওয়া হয়।

লিজ প্রসঙ্গে বিমানের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এএম মোসাদ্দিক আহমেদ বলেন, ইজিপ্ট এয়ারলাইন্স থেকে লিজে আনা উড়োজাহাজটি বিমানকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে দিয়েছিল। তবে সব লিজকে ঢালাওভাবে খারাপ বলা যাবে না।

২০১১ সালে বিমান একটি বোয়িং ৭৪৭ উড়োজাহাজ লিজ নিয়েছিল এয়ার আটলান্টা নামের একটি কোম্পানির কাছ থেকে। ওই লিজে বিমান ৫৪ কোটি টাকা লোকসান দিয়েছে। লোকসানের কারণ হিসাবে বলা হয়েছিল বিমানের পরিকল্পনা ও ফাইন্যান্স বিভাগ লিজ নেওয়ার সময় উড়োজাহাজের গড় কেবিন ফ্যাক্টর ৮০ ভাগের ওপর ধরে হিসাব চূড়ান্ত করেছিল।

কিন্তু চুক্তি শেষে দেখা গেছে, লিজে আনা বোয়িং ৭৪৭-এর কেবিন ফ্যাক্টর ছিল মাত্র ৬৮.৪০ শতাংশ। এছাড়া চুক্তি অনুযায়ী ওই এয়ারক্রাফট ১ বছরে ৩ হাজার ঘণ্টা আকাশে উড়ার কথা। কিন্তু বিমানের একটি সিন্ডিকেট গোপনে ম্যানেজমেন্ট ও বিমান পরিচালনা পর্ষদকে না জানিয়ে চুক্তির বাইরে আরও ৪৪৯ ঘণ্টা বেশি আকাশে উড়ায়।

এতে বিমানকে ৫৪ কোটি টাকার বাইরে অতিরিক্ত ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৬০ মার্কিন ডলার বেশি গুনতে হয়েছিল। একই অভিযোগ ছিল নাইজেরিয়ার কাবো এয়ারলাইন্স থেকে লিজে নেওয়া উড়োজাহাজ বোয়িং ৭৪৭-এর বিরুদ্ধে। ওই উড়োজাহাজটিও চুক্তির বাইরে বড় অঙ্কের টাকার ফ্লাই করেছিল। বিমান পরিচালনা পর্ষদকে না জানিয়ে তৎকালীন বিমান ম্যানেজমেন্ট গোপনে ওই ফ্লাই করে।

অভিযোগ আছে, হজের জন্য উড়োজাহাজ ভাড়ায় এনে বিমান ম্যানেজমেন্ট গোপনে ওই উড়োজাহাজটি চুক্তির বাইরে আরও ৩ মাস বেশি চালিয়েছিল। এতে বিমানকে ১০০ কোটি টাকার বেশি অর্থ গুনতে হয়েছিল ওই বছর। এতে সবচেয়ে ভয়ংকর কাজ হয়েছে যেটি তা হলো, ভাড়ার উড়োজাহাজ চালাতে গিয়ে বহরের নিজস্ব উড়োজাহাজগুলো বসিয়ে রাখা হয়েছিল। তারও আগে ফাইন্যান্স বিভাগের যোগসাজশে সিন্ডিকেট সিকিউরিটি মানি কাটছাঁট না করে লিজে আনা একটি উড়োজাহাজের ছাড়পত্র দিয়ে দেওয়ায় বিমানকে ২২ কোটি টাকার বেশি অর্থ গুনতে হয়েছিল।

জানা গেছে, ২০০৯ সালে উড়োজাহাজ সংকটের কথা বলে বিমান কর্তৃপক্ষ পর্তুগালের ইউরোআটলান্টা নামের একটি কোম্পানির কাছ থেকে একটি বোয়িং ৭৭৭-২০০ এয়ারক্রাফট লিজ নেয়। ঘণ্টায় ৬ হাজার ৪শ ডলারে উড়োজাহাজটি লিজ নেওয়া হয়। কিন্তু নানা অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে এক বছরের মাথায় উড়োজাহাজটি ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিমান।

এবারও বিমানের পরিকল্পনা বিভাগ নিজস্ব উড়োজাহাজগুলোর ব্লক আওয়ার কম দেখিয়ে হেস্টনের ২৬৬ আসনের দুটি এয়ারবাস লিজ নেওয়ার জন্য পর্ষদে ফাইল উপস্থাপন করে। আর তড়িঘড়ি করে মাত্র ৭ সদস্যের উপস্থিতিতে পর্ষদ সেটি অনুমোদন দেয়। দুজন সদস্য এর বিরোধিতা করলেও তার তোয়াক্কা করা হয়নি রহস্যজনক কারণে।

এমনকি ওই বোর্ড সভাটি মাত্র ৬ ঘণ্টা আগের নোটিশে করা হয়। তাতে অনেক সদস্য সভায় উপস্থিত থাকতে পারেননি। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সূত্র জানায়, ঈদের আগে যখন সারা দেশে ছুটির আমেজ শুরু হয় তখন অর্থাৎ এপ্রিলের ৩০ তারিখ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদের ২৭৬তম সভা অনুষ্ঠিত হয়। মাত্র ৬ ঘণ্টা আগের নোটিশে অনুষ্ঠিত সভায় ২৬৬ আসনের ওই দুটি উড়োজাহাজ ওয়েট লিজিংয়ে আনার সিদ্ধান্ত হয়।

বোর্ড সভায় বিমানের চেয়ারম্যান-এমডি ছাড়াও বিমানের করপোরেট প্ল্যানিং ও প্রকৌশল বিভাগের আট কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন না বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যানসহ ৫ জন বোর্ড সদস্য যাদের ছাড়া এর আগে কোনো স্পর্শকাতর এজেন্ডা পাশ করতেন না চেয়ারম্যান।

পরিচালনা পর্ষদের এক সদস্য জানান, বিমানের করপোরেট প্ল্যানিং ও ট্রেনিং বিভাগ থেকে গত মাসে এ বিষয়ে একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। প্রস্তাবে লিজের সঙ্গে সেই এয়ারলাইন্স প্রতিষ্ঠানের ক্রু, ইঞ্জিনিয়ার ও ইন্স্যুরেন্স নেওয়ার কথা ছিল। তবে বিমানের পক্ষ থেকে সেটি নাকচ করা হয়। নাকচের কারণ হিসাবে বলা হয়, ‘ল্যাক অব এ ফেইথফুল স্টাডি অ্যান্ড অ্যানালাইসিস’ (পর্যাপ্ত গবেষণা না থাকা)। কিন্তু একই প্রস্তাব বোর্ডে পাশ করে দেন বিমান পর্ষদ চেয়ারম্যান সাবেক সিনিয়র সচিব সাজ্জাদুল হাসানের নেতৃত্বে ৫ সদস্য। ওই সদস্য আরও জানান, বোর্ড সভায় তিন সদস্য এ প্রস্তাবের বিপক্ষে ছিলেন। পাঁচজন ছিলেন পক্ষে। বিপক্ষে থাকা তিনজনের দুজন সভায় বলেন, বিমানের বহরে বর্তমানে ২১টি উড়োজাহাজ রয়েছে। সেগুলো দিয়েই হজ ফ্লাইট পরিচালনা করা সম্ভব।

পর্ষদের অন্যতম পরিচালক ও বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম. মফিদুর রহমান বলেন, ‘আমি ওই সভায় উপস্থিত ছিলাম না। সৌদি আরবে ছিলাম, এখনও আছি। সিদ্ধান্তের বিষয়ে আমার কোনো কিছু জানা নেই।’ সভায় পর্ষদ সদস্য ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আব্দুর রউফ তালুকদার চুক্তির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য চেয়েছিলেন। তবে ঘণ্টাপ্রতি ভাড়া সাত হাজার ডলারের অঙ্ক ছাড়া চুক্তির বিস্তারিত তথ্য বোর্ড সদস্যদের কাছে তুলে ধরা হয়নি।

বিমান পর্ষদের সাবেক সদস্য কাজী ওয়াহিদুল আলম বলেন, বর্তমানে বিমানের অনেক বড় বহর রয়েছে। তাদের বোয়িং-৭৭৭ মডেলের ভালো উড়োজাহাজ আছে। এগুলো হজ ফ্লাইট পরিচালনার জন্য যথেষ্ট। পৃথক উড়োজাহাজ আনার দরকার আছে বলে মনে করি না। এত টাকা দিয়ে উড়োজাহাজ এনে বিমান কতটা মুনাফা করতে পারবে, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

বিমানের মার্কেটিং বিভাগের একজন সদস্য বলেন, বিমান ২০১৮ ও ২০১৯ সালে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় হজ ফ্লাইট পরিচালনা করে। তাতে বিমানের প্রায় ২০০ কোটি টাকা মুনাফা হয়। দুবারই ৫০ হাজারের বেশি যাত্রী বহন করেছিল বিমান। এবার মাত্র ২৭ হাজার হজযাত্রী পরিবহণের জন্য কেন ২টি উড়োজাহাজ লিজ নিতে হবে এটাই প্রশ্ন।

ফ্লাইট অপরেশন বিভাগের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, বর্তমানে বিমানের ৪১৯ আসনের ৪টি বোয়িং ৭৭৭-৩০০ এয়ারক্রাফট রয়েছে যেগুলো গড়ে ১২.৬৭ ঘণ্টা আকাশে উড়ছে। বাস্তবে এগুলো ১৬.৬৭ ঘণ্টা (ব্লক আওয়ার) আকাশে উড়ানো সম্ভব। অর্থাৎ একটি ৭৭৭ দিয়ে দিনে ১টি হজ ফ্লাইট ও একটি কম দূরুত্বের শিডিউল ফ্লাইট করা সম্ভব। একই ভাবে বোয়িং ৭৭৭-২০০ বর্তমানে ১১.৩৩ ঘণ্টা আকাশে উড়ছে। এ জাহাজগুলোকেও ১২.৯৮ ঘণ্টা আকাশে উড়ানো সম্ভব। এছাড়া বোয়িং ৭৩৭ বর্তমানে আকাশে উড়ছে মাত্র ৮.৮২ ব্লক আওয়ার। এ উড়োজাহাজগুলোকেও ১১.৯৯ ব্লক আওয়ার উড়ানো সম্ভব।

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, যদি এটা করা সম্ভব হয় তাহলে হজের জন্য উড়োজাহাজ লিজ নেওয়ার দরকার হবে না। তার মতে, হজের জন্য রুট থেকে বোয়িং ৭৭৭ গুলো পুরোপুরি প্রত্যাহার করা লাগবে না। দিনে একটি ডেডিকেটেড হজ ফ্লাইট করেও ওই জাহাজ দিয়ে আরেকটি শিডিউল ফ্লাইটও করা যাবে অন্য সময়। তাতে সিডিউলে কোনো ক্ষতি হবে না। বর্তমানে বিমানের ভাগে যে হজযাত্রী তা পরিবহণ করতে বি ৭৭৭-এর ৭৩টি ফ্লাইট লাগবে। প্রতিদিন ৪টি ফ্লাইট হিসাবে ১৮ দিনে এই যাত্রী পরিবহণ করা সম্ভব। আর সৌদি সিভিল এভিয়েশনের সঙ্গে নেগোসিয়েশন করে যদি দিনের সংখ্যা আরও বাড়ানো যায় তাহলে নিজস্ব উড়োজাহাজ দিয়েই হজ ফ্লাইট করা সম্ভব। আর সৌদি আরবের শিডিউল ফ্লাইটেও হজযাত্রী পাঠানো যাবে। কোনো এয়ারক্রাফট লিজ নেওয়ার প্রয়োজন হবে না। তাতে বিমান ২শ কোটি টাকার উপর মুনাফা করতে পারবে। সূত্র: যুগান্তর

English Dainikbiswa

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

রাশিয়ায় হামলা চালাল ইউক্রেন

ক্যাসিনো সম্রাট ও তার অনুসারী এবং বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান

বাংলাদেশ কোস্টগার্ড এখন সত্যিকার অর্থে গার্ডিয়ান অফ সি-  খুলনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা//

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে যে কোস্টগার্ডের যাত্রা শুরু হয়েছিল, তা এখন সত্যিকার অর্থে গার্ডিয়ান অফ সি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।

তিনি আজ (বুধবার) দুপুরে খুলনা শিপইয়ার্ড লি: এ বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের জন্য নির্মিত ১টি ফ্লোটিং ক্রেন, ২টি টাগ বোট, ৬টি হাইস্পীড বোট এবং নারয়নগঞ্জের ডিইডব্লিউ নির্মিত ১টি ইনশোর প্যাট্রোল ভেসেল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বাণিজ্যের নব্বই শতাংশই সমুদ্র পথে সম্পন্ন হয়। এছাড়া প্রতিবেশি দেশসমূহের সাথে সমুদ্রসীমা নির্ধারিত হওয়ায় বঙ্গোপসাগরে বিশাল সমুদ্র সম্পদের ভান্ডার আমাদের অধিকারে এসেছে। এগুলো আহরণ এবং সমুদ্রগামী জাহাজ সমূহের নিরাপত্তা বিধানে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বহুমূখী পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। কোস্টগার্ডের জন্য খুশিলি নির্মিত এসকল বোট হস্তান্তরের মাধ্যমে তাদের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে। তিনি আন্তর্জাতিক মানদন্ড বজায় রেখে এসব বোট নির্মাণের জন্য খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেডকে ধন্যবাদ জানান।

খুলনা শিপইয়ার্ড লি: কর্তৃক আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেদারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত অ্যান ভেন লিউইন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোঃ আখতার হোসেন, খুলনা নেভাল এরিয়ার কমান্ডার রিয়ার এডমিরাল এম আনোয়ার হোসেন ও বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার এডমিরাল আশরাফুল হক চৌধুরী। খুলনা শিপইয়ার্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর এম সামছুল আজিজ এতে সভাপতিত্ব করেন।

হস্তান্তর শেষে মন্ত্রী টাগবোট ঘুরে দেখেন এবং এর কার্যক্রম পর্যবেক্ষন করেন। পরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি কখনই শ্রীলংকার মতো হবে না। বিএনপি দ্বিবাস্বপ্ন দেখছে ক্ষমতার এসে তারা আবার দেশকে পেছনের দিকে নিয়ে যাবে। কিন্তু জনগণ তাদের সাথে নেয়, জনগণের আস্থা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আছে। জনগণ জানে শেখ হাসিনার কোন বিকল্প নাই। কারণ তিনি জনগণকে  যা প্রতিশ্রুতি দেন তা বাস্তবায়ন করে দেখান।

উল্লেখ্য টাগ বোটদ্বয় ৩৫০০ টন ওজনের যে কোন জাহাজের বার্থিং/আন বার্থিং, টোউ, পুশ/ পুল অপারেশন ছাড়াও ফায়ার ফাইটিং, অন্য জাহাজের দূর্ঘটনাকালীন সহযোগিতা, ডুবন্ত জাহাজের উদ্ধার অভিযান ইত্যাদি জরুরি কাজ সম্পাদনে ব্যবহৃত হবে। বোটদ্বয় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সকল জাহাজের বিভিন্ন অফশোর সাপোর্ট কার্যাবলি সম্পাদনে সক্ষম হবে। এছাড়া অন্যান্য বোটগুলো দ্বারা উপকূলীয় এলাকায় নিয়মিত টহল প্রদান, চোরাচালান বিরোধী অভিযান, মাদক পাচার বিরোধী অভিযান, দূর্ঘটনা পরবর্তী উদ্বার ও অনুসন্ধান কার্যক্রম, মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ পরবর্তী উদ্ধার ও ত্রান তৎপরতা পরিচালনা, পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ ইত্যাদি নানাবিধ কার্যক্রমসহ বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সার্বিক অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে।

English Dainikbiswa

খুলনার রূপসায় আগুনে পুড়ে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর লক্ষ টাকার ক্ষতি

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

//মাহাবুব আলম, রাণীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও) প্রতিবিধি//

ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে (১১ মে বুধবার) সকাল ১১টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবিরের সভাপতিত্বে পরিষদের সভাকক্ষে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়৷

সভায় আলোচনায় অংশ নেন উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না,মেয়র আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান,ভাইস-চেয়ারম্যান শেফালী বেগম,ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন,আবুল কালাম,সফিকুল ইসলাম (মুকুল) জমিরুল ইসলাম,পুলিশ পরিদর্শক  তদন্ত আব্দুল লতিফ সেখ,পৌর-আ”লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম,মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান,শিক্ষা অফিসার রাহিম উদ্দীন ও তৈয়ব আলী,বরেন্দ্র অফিসার তিতুমীর রহমান প্রমুখ।

এছাড়াও সমাজসেবা আব্দুর রহিম,প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সামিয়েল মার্ডি,মৎস সহকারি অফিসার আ”জলিল ও পল্লিবিদ্যুৎ ম্যানেজার, প্রেসক্লাব পুরাতন ‘র আহব্বায়ক কুসমত আলী সাবেক সম্পাদক সফিকুল ইসলাম শিল্পি, ও সাংবাদিক বিজয় রায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ৷

গণতন্ত্র মঞ্চ নামে নতুন রাজনৈতিক দল যোগ হতে যাচ্ছে

//অনলাইন নিউজ ডেস্ক//

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আ স ম আবদুর রবের জেএসডিসহ সাতটি রাজনৈতিক দল মিলে নতুন জোট হচ্ছে। ‘গণতন্ত্র মঞ্চ’ নামে এ জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হতে পারে চলতি মাসেই।

আপাতত সাতটি দল থাকলেও ভবিষ্যতে পরিধি আরও বাড়ানো হবে। এ নিয়ে মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর হাতিরপুলে গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাত দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক হয়। তারা নতুন জোটের নাম নির্ধারণ, কাঠামো, কর্মসূচি প্রণয়ন, অন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে সংযুক্তিসহ নানা কর্মকৌশল নিয়ে আলোচনা করেন। ২৩ মে পরবর্তী বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

সাত দলে জেএসডি ছাড়াও অন্য রয়েছে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, নাগরিক ঐক্য, গণঅধিকার পরিষদ, ভাসানী অনুসারী পরিষদ, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন ও গণসংহতি আন্দোলন। সূত্র জানায়, চার ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের অধীনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার বিষয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে এ সাতটি রাজনৈতিক দল। পাশাপাশি বর্তমান সরকারের পদত্যাগ এবং একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে সুষ্ঠু অবাধ ও গ্রহণযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবিতে একমত হয়েছেন দলগুলোর শীর্ষ নেতারা। বৈঠকে অংশ নেন জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব নুরুল হক নুর, ভাসানী অনুসারী পরিষদের সভাপতি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, মহাসচিব শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের হাসনাত কাইয়ূম প্রমুখ। এর আগে ২৮ এপ্রিল রাজধানীর গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে এ সাত দলের প্রথম বৈঠক হয়।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না যুগান্তরকে বলেন, আমরা কতগুলো বিষয় চিহ্নিত করে একমত হয়েছি। এ সরকারের অধীনে নির্বাচন নয়, তাদের পদত্যাগ করতে হবে। তারপর একটা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করবে। এখন কীভাবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হবে, কতদিন মেয়াদ হবে-এসব বিষয়ে আমরা সাংবিধানিক দিকগুলোও খতিয়ে দেখছি। পরের বৈঠকগুলোতে এ নিয়ে আরও আলোচনা হবে।

নতুন জোট গঠন নিয়ে সংশ্লিষ্ট নেতারা জানান, সরকারবিরোধী আন্দোলনে এ জোট বিএনপির সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ না হলেও যুগপৎভাবে দাবি আদায়ে রাজপথে কর্মসূচি দেবে। তবে সাত দলের সমন্বিত দাবিগুলোর প্রতি কোনো দল একমত প্রকাশ করে যোগ দিতে চাইলেও ধর্মভিত্তিক কোনো সংগঠনকে যুক্ত করবেন না। সেক্ষেত্রে জামায়াত বা এ ধরনের কোনো সংগঠনকে জোটে রাখা হবে না। গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, নির্বাচন ও শাসনতন্ত্র প্রশ্নে ন্যূনতম কর্মসূচি, নাম ও কাঠামো এবং অন্যদের সংযুক্তির বিষয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা চলছে। পরবর্তী বৈঠকে রাজপথের কর্মসূচি বিষয়ে আলোচনা হবে।

ভাসানী অনুসারী পরিষদের মহাসচিব শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু বলেন, অবিলম্বে মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের দাবিতে সাত দল একমত হয়েছে। এ ঐক্যকে আরও বৃহত্তর ঐক্য হিসাবে গড়ে তোলার জন্য আমরা কাজ করব। গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব নুরুল হক নুর বলেন, আমরা এখন নাম চূড়ান্ত করে, আট-দশটি দাবি নির্ধারণ করে ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। দেশ-জাতির প্রয়োজনে এ মঞ্চ।

তবে আমরা আক্রমণাত্মক নয়, সহনশীলভাবে এগিয়ে যেতে চাই। এদিকে সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো নিয়ে বিএনপির বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া শুরুর মধ্যে এ সাত দলের রাজনৈতিক জোট নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির একজন নীতিনির্ধারক যুগান্তরকে বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে বিএনপির অবস্থানের সঙ্গে সরকারবিরোধী সব রাজনৈতিক দলেরই মিল রয়েছে। বর্তমান সরকারের অধীনে আগামী জাতীয় নির্বাচন নয়, ইতোমধ্যে এমন মত জানিয়েছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো। এমনকি সরকার পতনের জন্য আন্দোলনে যেতেও একমত সবাই। এখন এ বিষয়ে যার যার জায়গা থেকে যে কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করতেই পারে, তাতে দোষের কিছু নেই।

English Dainikbiswa

বেপরোয়া মাদক ব্যাবসায়ীরা।। বিজিবির উপড় হামলা ও গাড়ী ভাঙচুর

খুলনার অমিত জাবির ছাত্র , হলের ছাদ থেকে লাফদিয়ে আত্মহত্যা

ডোমারে নবাগত ইউএনও’র স্বাগত ও সদ্য সাবেক ইউএনও ‘র বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

মো: মোস্তাফিজুর রহমান,  নীলফামারী প্রতিনিধিঃ

নীলফামারীর ডোমারে নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রমিজ আলমের যোগদান উপলক্ষ্যে স্বাগত এবং সদ্য সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনা শবনমের বদলি জনিত বিদায়ী সংবর্ধনা উপলক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৯ই মে) দুপুরে ডোমার উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন—সদ্য বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনা শবনম।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন’র সঞ্চালনায় এসময় আরও বক্তব্য রাখেন—ডোমার উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক সরকার, সংরক্ষিত মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান বেগম রৌশন কানিজ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আনিসুজ্জামান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমির হোসেন, ৭নং বোড়াগাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম রিমুন, ডোমার প্রেসক্লাবের সভাপতি আসাদুজ্জামান চয়ন প্রমূখ।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, ইউপি চেয়ারম্যানগণ এবং সাংবাদিকবৃন্দ।

সদ্য বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনা শবনম বলেন, আমি দীর্ঘ আড়াই বছর ডোমার উপজেলায় কাজ করতে গিয়ে অনেকের সাথে কাজের স্বার্থে কথাবার্তায় যদি কেউ মনে কষ্ট পেয়ে থাকেন, সেটা নিজ গুণে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আমি প্রত্যাশা রাখছি, আমার পরিবর্তে নবাগত ইউএনও রমিজ আলম আপনাদের এখানে আমার পরিবর্তে সুন্দরভাবে দ্বায়িত্বপালন করবেন। আপনারা যেভাবে আমাকে কাজে-কর্মে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন, ঠিক সেভাবেই নবাগত ইউএনওকে সহযোগিতা করবেন বলে আমি আপনাদের কাছে আশা রাখছি।

ডোমারের নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রমিজ আলম বলেন, আজকে আমি আপনাদের উপজেলায় ইউএনও হিসেবে দ্বায়িত্ব গ্রহণ করলাম। আমি চাইবো আমি এবং আমরা সকলেই ভালো থাকি এবং ভালো থাকতে চাই। পাশাপাশি আমি আপনাদের সকলের কাছে সহযোগিতা কামনা করছি। পরিশেষে ডোমার উপজেলাকে ভালো ভাবে এগিয়ে নিতে সকলের সহযোগিতা ও সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।

রাণীশংকৈলে ২৬ তম বৈশাখি মেলার শুভ উদ্বোধন

মাহাবুব আলম, রাণীশংকৈল( ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি।।

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল ডিগ্রী কলেজ মাঠে ( ৯ মে সোমবার) ১০ দিন ব্যাপি ২৬ তম বৈশাখি মেলা শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। এদিন রাত সাড়ে ৯টায়   মেলা কমিটির সভাপতি সাবেক অধ্যক্ষ তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে ইউএনও প্রতিনিধি হিসেবে মেলার উদ্বোধন করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইন্দ্রজিৎ সাহা।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন জেলা আ’লীগ সহ-সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য সেলিনা জাহান লিটা, সাবেক সংসদ সদস্য ও মেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক  ইয়াসিন আলী, উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না, আ’লীগ সভাপতি অধ্যক্ষ সইদুল হক, পৌর মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান, আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দীন আহমেদ, ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানা ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সেফালি বেগম, ওসি এস এম জাহিদ ইকবাল, পৌর আ’লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম , আ’লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহম্মদ হোসেন বিপ্লব,সহকারী শিক্ষা অফিসার রবিউল ইসলাম সবুজ,বীর মুক্তিযোদ্ধা হবিবর রহমান, মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মহাদেব বসাক,প্রেসক্লাব  প্রতিষ্টাতা সভাপতি ইত্তেফাক প্রতিনিধি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম,কেন্দ্র  উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবু শাহানশাহ ইকবাল, ঠিকাদার কল্যান সমিতির সভাপতি আবু তাহের, প্রেসক্লাব (পুরাতন) আহয়াবায়ক কুসমত আলী, প্রেসক্লাব সভাপতি ফারুক আহমেদ প্রমুখ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহফুজা বেগম পুতুল, আ’লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম সারোয়ার বিপ্লব, আ’লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম, অনুষ্ঠান সঞ্চলনা করেন সহকারী অধ্যাপক প্রশান্ত বসাক। প্রশনগতঃএবার মেলায় শতাধিক স্টল স্থান পেয়েছে। মেলায় আগের মতো গান, কবিতা, নৃত্য, নাটক, কবিগান, ধামের গান, গম্ভীরা গান, যাত্রাপালা ইত্যাদি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

রবীন্দ্রনাথ বাঙালী জাতির জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা: সালাম মূশের্দী এমপি

// আ: রাজ্জাক শেখ//

খুলনা -৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদী বলেছেন, কবিগুরু ছিলেন বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের একান্ত আপন।

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা গঠনে সংগীত রবীন্দ্রনাথের সত্যসুন্দর এর দর্শনের অনেক মিল রয়েছে

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। আমাদের জীবন মানের পরিবর্তন করতে হলে রবীন্দ্রনাথকে হৃদয়ে ধারণ করতে হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রবীন্দ্রনাথকে হৃদয়ে ধারণ করেছিলেন বলেই তিনি সকল আন্দোলন-সংগ্রামে সফল হয়েছিলেন।

তিনি আরো বলেন, রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টি আমাদের উন্নয়নের পথ দেখিয়েছেন।

রবীন্দ্রনাথ বাঙালী জাতির জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা। শুধু বাঙালীই নয় বিশ্বের কাছে সাধনা ও চর্চার নামই হচ্ছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

তিনি তরুণ প্রজন্মকে রবীন্দ্রনাথের সত্য সুন্দর অসাধারণ স্বপ্নের সোনার বাংলা গঠনে আহ্বান জানান।

সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসন খুলনার আয়োজনে  আজ সোমবার(৯মে)বিকাল ৪টায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রূপসার ঘাটভোগ ইউনিয়নের পিঠাভোগ গ্রামে কবির পূর্বপুরুষের ভিটায় তিন দিন ব‍্যাপী আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন বাদশার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট  পুলক কুমার মন্ডল,রূপসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়া তাসনিম, থানা অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশারফ হোসেন, শিক্ষাবিদ  অধ্যাপক অসিত বরণ ঘোষ।

এসময় বক্তৃতা করেন সহকারী কমিশনার ভূমি মো. সাজ্জাদ হোসেন,  কৃষি কর্মকর্তা মো: ফরিদুজ্জামান, মৎস্য কর্মকর্তা বাপি কুমার দাস, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার মজুমদার, শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ আ. রব, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আইরিন পারভিন, পিআইও আরিফ হোসেন, প্রকৌশলী এস এম ওয়াজিদুজ্জামান, নির্বাচন কর্মকর্তা মোল্লা নাসির আহমেদ, সমাজসেবা কর্মকর্তা জেসিয়া জামান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তারেক আজিজ, আইসিটি কর্মকর্তা রেজাউল করিম, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, এমপির প্রধান সমন্বয়কারী যুবলীগ নেতা নোমান ওসমানী রিচি, ইউপি চেয়ারম্যান মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান,

আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল মজিদ ফকির,  সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, আল মামুন সরকার সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

বক্তৃতা শেষে  উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া এমপি মহোদয়ের সম্মাননা ক্রেস্ট  ও উত্তরীয় গ্রহণ করেন এমপির প্রধান সমন্বয়কারী নোমান ওসমানী রিচি।

আজ ড. ওয়াজেদ মিয়ার ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী  

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার ১৩ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ড. ওয়াজেদ মিয়া ২০০৯ সালের এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ওয়াজেদ মিয়ার জন্মস্থান পীরগঞ্জের লালদিঘী ফতেহপুরে পরিবার, উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সংগঠন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

১৯৪২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি পীরগঞ্জ উপজেলার লালদীঘির ফতেহপুর গ্রামে জন্ম এম এ ওয়াজেদ মিয়ার। তিনি ১৯৬১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন। ১৯৬২ সালে স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হন।

ওয়াজেদ মিয়া বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি ১৯৬৭ সালের ১৭ নভেম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের এক ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং এক মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল।