কাল রোজা শুরু।। বাড়বেনা নিত্যপণ্যের দাম- বললেন ব্যবসায়ীরা

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

দেশে নিত্যপণ্যের পর্যাপ্ত মজুত আছে। সরবরাহও স্বাভাবিক। তাই রোজায় ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়বে না বলে আশ্বস্ত করেছে উৎপাদক ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। এ ছাড়া সরকারের বেঁধে দেওয়া পণ্য মূল্য তদারকি করতে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই কমিটি গঠন করেছে।

শনিবার রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআই আয়োজিত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর মজুত, আমদানি, সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি বিষয়ক মতবিনিময় সভায় এসব কথা জানানো হয়। এফবিসিসিআই সভাপতি জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় তেল পরিশোধনকারী প্রতিষ্ঠান, পাইকারি বিক্রেতারা অংশ নেন।

বাংলাদেশ অয়েল মিল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সিটি গ্রুপের পরিচালক বিশ্বজিৎ সাহা বলেন, সেলস অর্ডারের ১৫ দিনের মধ্যে তেল সরবরাহ করতে হয়। তাই মিল মালিকদের তেল মজুত করে রাখার কোনো সুযোগ নেই।

টিকে গ্রুপের পরিচালক শফিউল আতহার তাসলিম বলেন, গুটিকয়েক অসাধু ব্যবসায়ীর বাজার কারসাজির কারণে গোটা ব্যবসায়ী সমাজকে দায় নিতে হচ্ছে। তবে রমজানে বাজার অস্থিতিশীল হওয়ার কোনো শঙ্কা নেই। মিল মালিকদের কাছে পর্যাপ্ত তেল রয়েছে। বাজারে কোনো সরবরাহ ঘাটতি হবে না।

মৌলভীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. বশির উদ্দিন জানান, সরবরাহ ঠিক থাকলে বাজারে পণ্যমূল্য স্থিতিশীল থাকবে। একই আশ্বাস দেন বাংলাদেশ পাইকারি ভৌজ্যতেল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম মাওলা।

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, রমজানে বাজার স্বাভাবিক রাখতে এফবিসিসিআই’র পক্ষ থেকে ৪৬ সদস্যবিশিষ্ট বাজার মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৪৬টি পণ্য সরকার নির্ধারিত দামে বিক্রি হচ্ছে কি না- তা তদারকি করবেন কমিটির সদস্যরা। এছাড়াও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারদর, সরবরাহ পরিস্থিতি, উৎপাদন ও আন্তর্জাতিক বাজারদর সংগ্রহ এবং পর্যালোচনা ও সরেজমিনে বাজার পরিদর্শন করবেন এই কমিটির সদস্যরা।

মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই’র সিনিয়র সহসভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু, সাবেক সহসভাপতি হেলাল উদ্দিন, পরিচালক রেজাউল করিম রেজনু, হারুন অর রশীদ, মোহাম্মদ আনোয়ার সাদাত সরকার প্রমুখ।

English Dainikbiswa

বাড়ি ফেরা হলোনা টুলু শেখের, পিকআপের ধাক্কায় মৃত্যু

 

হাইমচরের চরপোড়ামুখী সাবেক ইউপি সদস্যের উপর প্রকাশিত অভিযোগ প্রতিপক্ষের প্রতিহিংসা

মোঃ হোসেন গাজী।।

হাইমচর উপজেলার ৩ নং দক্ষিণ আলগী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড চরপোড়ামুখী গ্রামে সাবেক ইউপি মেম্বার ইসমাইল কাজীর ত্রাসের রাজত্বে তটস্ত ওই এলাকার লোকজন। পারিবারিক গ্যাং, কিশোর গ্যাং, নারীর শ্লিলতাহানী, চাঁদাবাজি, অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা থেকে শুরু করে বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ সম্পর্কে সাবেক ইউপি মেম্বার ইসমাইল কাজী অস্বীকার করে,আমাদের সংবাদ কর্মীদের সাথে এক বক্তব্য বলেন, আমি চরপোড়ামুখী ৭নং ওয়ার্ডে  দীর্ঘ উনিশ বছর যাবত মেম্বার হিসেবে ওয়ার্ড বাসীর সেবা করেছি,জনপ্রতিনিধিদের প্রতিপক্ষ থাকাটাই স্বাভাবিক।পারিবারিক ঐতিহ্যের কারণে,অত্র এলাকার কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সাথে জমিজমা নিয়ে আমাদের অতিত বিভিন্ন ধরনের বিরোধ চলছে।

আমি এবং আমার পরিবার পরিজনদের মধ্যে কেহ যদি,কোন প্রকার চাঁদাবাজি সন্ত্রাসী,নারীদের শ্লীলতাহানি করে থাকি এবং সন্ত্রাসী গ্রুপের মাধ্যমে,চরপোড়ামুখী এলাকার একটি মানুষকে ও অন্যায় ভাবে অত্যাচার,নিপীড়ন করে থাকি,তাহলে বাংলাদেশে আইনী,আইনের মাধ্যমে সঠিক তদন্ত করে আমার ও আমার পরিবারের দৃষ্টান্তমূলক  বিচার কার্যকরুক।

আমি একজন সাবেক জনপ্রতিনিধি একজন পঞ্চায়েত মজলিসে পারিবারিক দ্বন্দ্বের ছোটোখাটো মুরুব্বী।আইন ও প্রশাসন প্রতি আমি শ্রদ্ধাশীল,সঠিক তদন্তের মাধ্যমে যদি বেরিয়ে আসে আমি সন্ত্রাস বাহিনী দ্বারা অত্র এলাকার মানুষের জীবন ও সম্পদের উপরে প্রভাব খাটিয়ে কারো ক্ষতি করেছি তাহলে দেশের আইন অনুযায়ী যে শাস্তি আমাকে দেবে আমি তা মাথা পেতে নেব।

জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের প্রতিপক্ষ থাকাটা স্বাভাবিক,আমি আমার প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কিছুই বলবো না, আপনারা এলাকার সাধারণ মানুষকে জিজ্ঞেস করে তদন্ত করে দেখুন।

এ বিষয়ে আমাদের প্রতিনিধি এলাকার কিছু সংখ্যক বৃদ্ধ ও যুবকের সাথে কথা বলেন,মোঃ আলী আহাম্মেদ মোল্লা(৬০),মোঃ হানিফ গাজী(৮০) মনির কাজী(৬৫)সহ উপস্থিত অত্র এলাকার বাসিন্দারা বলেন,আমরা চরপোড়ামুখীতে জন্মসূত্রে বাসিন্দা আমরা ইসমাইল কাজীকে ছোটবেলা থেকেই চিনি,তিনি দীর্ঘ উনিশ বছর যাবত এই ওয়ার্ডের মেম্বার হিসেবে জনসেবা করেছেন ছোটখাটো ভুলত্রুটি জনপ্রতিনিধিদের থাকেই উহা ব্যতিত কোনো প্রকার জোর জুলুম,সন্ত্রাসী,চাঁদাবাজির মত কর্মকাণ্ড করতে কখনোই দেখিনি।

কিছু প্রতিপক্ষ প্রভাবশালী হওয়ার কারণে প্রতিশোধ নেওয়ার লক্ষ্যে এ সব ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে জানান, এলাকাবাসী ও অভিযুক্ত সাবেক মেম্বার ইসমাইল গাজী(৭০) এবং তাহার পরিবারে সদস্যদের আবেদন যে,সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের কাছে বিনীত আবেদন করছি।

এসব বিষয়ে হাইমচর থানা অফিসার্স ইনচার্জ মাহবুবুর রহমান মোল্লার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,ছফিউল্ল্যা কাজীর ছেলে জয়নাল আবেদীনের দায়ের করা মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে।

গত ৬’ই জানুয়ারি নির্বাচকে কেন্দ্র করে একটি সংঘর্ষ গঠে,এ’বিষয়ে সম্পত্তি বিষয়ক পারিবারিক সমস্যার বিরোধ অতীতে রয়েছে,মামলায় উল্লেখিত বিষটিয়ের ভিত্তিতে সঠিকভাবে তদন্ত করে যাচ্ছে প্রশাসন।

হাইমচরে বড় কোনো সন্ত্রাসী গ্রুপ বা কিশোর গ্যাং এখন ও পর্যন্ত নেই তবুও,আমরা সঠিকভাবে এলাকার শান্তির ও জনগণের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত করে যাচ্ছি।

English Dainikbiswa

খুলনা-মোংলা মহাসড়কে পিকআপের ধাক্কায় নিহত ১

 

ডুমুরিয়ায় এক অসহায় নারীকে প্রধানমন্ত্রী উপহারে ঘরে মাথা গোজাঁর ঠাই করে দিলেন নির্বাহী অফিসার

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া সংবাদদাতা//

ডুমুরিয়ায় এক স্বামী  ও সন্তান  হারানো অসহায়  হতদরিদ্র নারীকে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘরে  মাথা গোজার ঠাই  করলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আব্দুল ওয়াদুদ।

বৃহস্পতিবার (৩১ মার্চ) দুপুরে  উপজেলা নির্বাহী অফিসার আটলিয়া ইউনিয়নের কাঠাঁলতলা এলাকায়  আবাসনে ওই নারীকে  প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘরের চাবী তুলে দেন।

জানা গেছে, উপজেলার  কুলবাড়িয়া গ্রামের  মোঃ আফসার হোসেনের পুত্র আবু তাহেরের সাথে ২০১৬ সালে   আকলিমা বেগমের এর বিবাহ হয । বিবাহের দুই বছরের মাথায় আকলিমার গর্ভে পুত্র সন্তান (আসাদুল) জন্ম হয়। স্বামী  ও সন্তানকে  নিয়ে আকলিমা দরিদ্র ঘরে সুখে জীবন চলছিল । এরই মধ‍্যে আকলিমার  গর্ভে আরেকটি সন্তান আসে। আকস্মিক ২০১৯ সালের ৯ই মে বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনায় স্বামী আবু তাহের মৃতু হয । স্বামী  হারানো আকলিমার সুখের নীড় যেন কালো মেঘ নেমে আসে। দ্বিতীয়  সন্তানের জম্ম হয। স্বামী  হারানো দু সন্তানকে বুকে আগলিয়ে রেখে  রাস্তার পাশে ঝুপডি ঘরে  শ্বশুর-শাশুড়ির সাথে দিন মজুরির কাজ করে বসবাস করতো থাকে ।

এরই মধ্যে চলতি বছরের মার্চ মাসে বসবাসকৃত ঘরের পাশে রাস্তায় ইঞ্জিন ভ্যান উল্টে মারা যায় বড় ছেলে আসাদুল (৫)। অসহায় পরিবারটির উপর কিছু মানুষের সুদৃষ্টি পড়ায়  উপজেলা প্রশাসন বিষয়টির খোঁজ খবর নেন। পরবর্তীতে সুয়োগ‍্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল ওয়াদুদ সিদ্ধান্ত নিয়ে অসহায়  বাস্তার উপর ঝুপড়ি ঘরে বাস করা  আকলিমাকে কাঠালতলায়  ভুমিহীনদের জন্য তৈরিকৃত  ১১ নম্বর ঘরটি বুঝিয়ে দেন। ঘর প্রদান করার সময়  উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আশরাফ হোসেন , সাংবাদিক,সহ স্থানীয়রা ।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আবদুল ওয়াদুদ  সাংবাদিকদের বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনা চেয়েছেন কেউ ভূমি ও গৃহহীন  থাকবে না। আমি খোঁজ খবর নিয়ে দেখেছি আকলিমা স্বামী ও সন্তান হারা প্রকৃত পক্ষে অসহায়। তার একটু মাথাগোঁজার জায়গা প্রয়োজন তাই আমি নিজেই এসে ঘরটি বুঝিয়ে দিয়েছি।

English Dainikbiswa

বিএনপি নির্বাচনে যাবে।। তবে শর্ত সাপেক্ষে- মির্জা ফখরুল

পৌর মেয়রকে অপসারণ বিষয়ে সংসদে নতুন বিল পাস

নতুন পৌরসভা অনুমোদনের জন্য সংসদে নতুন বিল পাস

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

কোনো পল্লী এলাকাকে পৌর কিংবা শহর ঘোষণার ক্ষেত্রে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব হতে হবে প্রতি বর্গকিলোমিটারে দুই হাজার।  এই শর্তে পৌরসভা আইন সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সংসদ।

এতদিন কোনো এলাকাকে পৌরসভা ঘোষণা করতে হলে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব গড়ে দেড় হাজার হতে হতো। আইন সংশোধনে তা বাড়িয়ে দুই হাজার করা হয়েছে।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম বৃহস্পতিবার ‘স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) বিল-২০২২’ সংসদে পাসের প্রস্তাব করেন। পরে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

বিলটি পাসের প্রতিবাদে বিএনপির সংসদ সদস্য হারুন অর রশীদ ওয়াকআউট করেন। তবে কিছু সময় পর তিনি সংসদ কক্ষে ফিরে আসেন।

এর আগে বিলের ওপর দেওয়া জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে পাঠানো এবং সংশোধনী প্রস্তাবগুলোর নিষ্পত্তি করা হয়।

আইন সংশোধনে পৌরসভার সচিব পদের নাম বদলে ‘পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা’ করা হয়েছে।১

পৌর মেয়রকে অপসারণ বিষয়ে সংসদে নতুন বিল পাস

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

সরকারের দেওয়া নির্দেশ পালনে ব্যর্থ হলে পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলরকে অপসারণ করে প্রশাসক বসানোর বিধান রেখে ‘স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) বিল-২০২২’ পাস হয়েছে।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম বৃহস্পতিবার ‘স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) বিল-২০২২’ সংসদে পাসের প্রস্তাব করেন। পরে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

বিদ্যমান আইনে নতুন পৌরসভা গঠনের পর প্রশাসক বসানোর সুযোগ ছিল। নতুন আইনে মেয়াদোত্তীর্ণ পৌরসভায় প্রশাসক বসানো এবং সরকার চাইলে যে কোনো ব্যক্তিকে এ পদে নিয়োগ দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।

বিরোধী দল জাতীয় পার্টি (জাপা) ও বিএনপি দলীয় সদস্যরা প্রশাসক বসানোর বিধানের কঠোর সমালোচনা করে বলেছেন, এটা সংবিধান বিরোধী। কারণ সংবিধানে সর্বস্তরে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির কথা বলা রয়েছে। বর্তমান সরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিরোধিতা করলেও এখানে কেন অনির্বাচিত ব্যক্তিকে বসানো হবে এই প্রশ্ন তোলেন বিরোধী সদস্যরা। এই আইন পাসের প্রতিবাদে বিএনপি দলীয় সদস্য হারুন অর রশীদ কিছু সময়ের জন্য সংসদের বৈঠক থেকে ওয়াক আউট করেন।

বিদম্যান আইনের মেয়র ও কাউন্সিলদের অপসারণ সংক্রান্ত ধারায় নতুন একটি শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। ধারা ‘ঝ’ যুক্ত করে বলা হয়েছে, মেয়র অথবা কাউন্সিলর তার পদ থেকে অপসারণযোগ্য হবেন, যদি ‘সরকার কর্তৃক, সময় সময়, প্রদত্ত নির্দেশ পালন করতে ব্যর্থ হন’।

সংশোধনে একটি ধারায় পরিবর্তন এনে বলা হয়েছে, পৌরসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নতুন পরিষদ গঠনের আগ পর্যন্ত কাজ চালানোর জন্য প্রশাসক নিয়োগ দেবে সরকার। সরকারি কোনো কর্মকর্তা বা সরকার উপযুক্ত মনে করে এমন কোনো ব্যক্তিকে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া যাবে।

বিলে পৌরসভার পরিষদ বাতিলসংক্রান্ত ধারায় নতুন বিধান যুক্ত করা হয়েছে। বলা হয়েছে, যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একাদিক্রমে ১২ মাস বেতন বকেয়া থাকলে পরিষদ বাতিল হবে।

নতুন পৌরসভা গঠন হলে বা কোনো ইউনিয়নের অংশবিশেষ পৌরসভার অন্তর্ভুক্ত হলে বিলুপ্ত ইউনিয়ন বা বিলুপ্ত অংশে কর্মরতদের পৌরসভায় অন্তর্ভুক্তির সুযোগ রাখা হয়েছে বিলে।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

রামপালে সমবায় সমিতির নামে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের মূলহোতা সোহাগ গ্রেফতার- র‌্যাব-৬

বাগেরহাটের বারাকপুরে বাস দুর্ঘটনায় মৃত্যু ১

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

বাগেরহাটে একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টে মাছের ঘেরে পড়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ২৫ জন।

বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাগেরহাট-খুলনা মহাসড়কের সদর উপজেলার বারাকপুর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে ১৪ জনকে উদ্ধার করে চিকিৎসা দেয়ার জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে নেয়া হয়।

দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে প্রায় ৫৫ বছর বয়সী এক নারী মারা যায়। তবে নিহত ওই নারীর নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে কেউ নিশ্চিত করতে পারেনি। তার মৃতদেহ বাগেরহাট সদর হাসপাতালে রয়েছে।

মাছের ঘেরে আংশিক ডুবে থাকা বাসটিকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। খবর পেয়ে ফায়ার ব্রিগেড, থানা পুলিশ এবং হাইওয়ে পুলিশ আহতদের উদ্ধার কাজে অংশ নেয়।

বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মুছাব্বেরুল ইসলাম এবং বাগেরহাট ফায়ার ব্রিগেডের উপ-সহকারী পরিচালক গোলাম সরোয়ার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

এ বিষয়ে বাগেরহাটের কাটাখালী হাইওয়ে পুলিশের উপ-পরিদর্শক মিজানুর রহমান জানান, প্রায় অর্ধশত যাত্রী নিয়ে একটি বাস খুলনা থেকে পিরোজপুরের দিকে যাচ্ছিল। দ্রুতগামী ওই বাসটি বাগেরহাট সদর উপজেলার বারাকপুর এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে।

এসময় বাসটি রাস্তার পাশে একটি মাছের ঘেরে উল্টে পড়ে বেশ কয়েকজন যাত্রী আহত এবং এক নারী নিহত হন।

বাগেরহাট ফায়ার ব্রিগেডের সহকারী উপ-পরিচালক গোলাম সরোয়ার জানান, বাসটির পাঁচ ভাগের একাংশ ঘেরের মধ্যে ডুবে আছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ফায়ার ব্রিগেডের কর্মীরা তল্লাশি চালিয়েছে বাসটির ভিতর এবং বাইরে। রেকার দিয়ে বাসটিকে ঘের থেকে তোলার চেষ্টা চলছে।

ভেতরে কোন মৃতদেহ আছে কি না বাসটি তোলার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে তিনি জানান।

বাগেরহাট সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডা. শেখ আদনান হোসেন জানান, আহতদের মধ্যে ১৪ জনকে হাসপাতালে আনা হয়। এদের মধ্যে আনুমানিক ৫৫ বছর বয়সী এক নারী হাসপাতালে আসার আগে মারা যান। আহত দুইজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং ১১ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়েছে।

English Dainikbiswa

ভাগ্যের সুতো ছিড়ে গেছে ইমরান খানের !

ইউক্রেনের সেনারা আত্মসমর্পণ না করলে মারিওপোলে হামলা চলবে

আরসিসি ঢালাই ও গ্রেট বিমের তৈরী আশ্রয়ণ প্রকল্প-২: পাাবে ৬৫ হাজার পরিবার

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবিক কর্মসূচি ‘আশ্রয়ণ প্রকল্প-২’ এর আওতায় তৃতীয় ধাপে আরও ৬৫ হাজার পরিবার বাড়ি পাচ্ছে। এই ধাপের ঘরগুলো আরও মজবুত ও দীর্ঘস্থায়ী করে নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের অভিজ্ঞতার আলোকে এবার অবকাঠামো নির্মাণে আনা হয়েছে বেশকিছু পরিবর্তন। বাড়ানো হয়েছে নির্মাণ ব্যয়। আগে ইটের ভিত ও কলাম ছিল। এবার আরসিসি ঢালাইয়ের ওপর গ্রেট বিম ও কলাম দেওয়া হয়েছে। আগে শুধু জানালা ও দরজায় লিংটেল ছিল। এখন পুরো ঘরে দেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে নির্মিত ঘরে কিছু ত্রুটি পেয়েছেন তারা। কোথাও দেওয়াল ফেটে যাওয়া, ধস বা মাটি দেবে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। এসব ত্রুটি চিহ্নিত করে তৃতীয় ধাপে তা সমাধান করেই নির্মাণ হচ্ছে বাড়ি। যার কারণে আগের তুলনায় ব্যয়ও বেড়েছে। প্রথম ধাপে ঘর নির্মাণের বরাদ্দ ছিল এক লাখ ৭১ হাজার টাকা। দ্বিতীয় ধাপে এর পরিমাণ ছিল এক লাখ ৯৫ হাজার। আর প্রথম ধাপের চেয়ে ৮৮ হাজার ৫০০ এবং দ্বিতীয় ধাপের চেয়ে ৬৪ হাজার ৫০০ টাকা বেড়ে তৃতীয় ধাপে বাড়িপ্রতি বরাদ্দ ২ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে দিতে আশ্রয়ণের বিষয়টিকে আমরা বলছি অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে শেখ হাসিনা মডেল। চলতি অর্থবছরে এ কার্যক্রমের আওতায় আসবে ১ লাখ ৮২ হাজার ৮০৩ পরিবার। এতে ৩৯৭১ কোটি ৬ লাখ ৮৩ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তৃতীয় ধাপের কাজ চলছে। এতে ৬৫ হাজার ৪৭৪ পরিবার পাবে বাড়ি। তিনি বলেন, এটি পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ও একমাত্র প্রকল্প; যাতে একসঙ্গে এত পরিবারের জীবনমান উন্নয়ন করা হয়েছে। ভিটেমাটির পাশাপাশি হচ্ছে কর্মসংস্থান। সমাজের মূলস্রোতের সঙ্গে চলে আসছে, পিছিয়ে পড়া বড় এ জনগোষ্ঠী।

আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর প্রকল্প পরিচালক আবু ছালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান বলেন, প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের কাজের অভিজ্ঞতার আলোকে তৃৃৃতীয় ধাপে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। দুর্যোগ সহনীয় মাত্রায় বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। বাড়ির ভিতে আরসিসি ঢালাই দেওয়া হয়েছে। দেওয়ালের নিচে এবং উপরের চারপাশে লিন্টার টেনে দেওয়া হয়েছে। বাইরে যে তিনটি পিলার আছে সেটি আগে ইটের ছিল এবার আরসিসি ঢালাই দেওয়া হয়েছে। সবমিলে এবার যে ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে, তা অনেক বেশি মজবুত ও দীর্ঘস্থায়ী।

প্রকল্প প্রকৌশলী মোহাম্মদ জাকিউর রহমান জানান, তৃতীয় পর্যায়ের নির্মিত ঘরগুলোতে তিনটি কলামের পরিবর্তে তিনটি আরসিসি পিলার সংযোজন করা হয়েছে। অবকাঠামো অধিকতর টেকসই করার জন্য গ্রেট বিম সংযোজন করা হয়েছে। টানা লিংটেল সংযোজন করা হয়েছে। এতে ঘর আরও টেকসই হবে। চালের টিনের ফ্রেম অধিকতর টেকসই করার জন্য অ্যাংকর রড যুক্ত করা হয়েছে। ওয়ালের নিচেও সিসি সংযোজন করা হয়েছে।

আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে ১ম ও ২য় ধাপে ১ লাখ ১৭ হাজার ৩২৯টি বাড়ি দেওয়া হয়েছে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের। এতে ২ শতক জমির মালিকানাসহ সেমিপাকা দুই রুমের ঘর করে দেওয়া হয়েছে। সঙ্গে রান্নাঘর, টয়লেট, সুপেয় পানি, বিদ্যুৎ সংযোগ, আঙ্গিনায় হাস-মুরগি পালন ও শাক-সবজি চাষেরও জায়গা রয়েছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তৃতীয় ধাপে ৬৫ হাজার ৪৭৪ পরিবার পাবে বাড়ি। চরাঞ্চলের জন্য করা হয়েছে ভূমিকম্প সহনীয় বিশেষ ডিজাইন। তৃতীয় ধাপে চরে ১ হাজার ৪২টি বাড়ি নির্মাণ হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার হিসাবে ঈদুল ফিতরের পর এসব বাড়ি হস্তান্তর করা হবে বলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, সাভারের শিমুলিয়া ইউনিয়নের গৌহাইলবাড়ি গ্রামের আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর দ্বিতীয় ধাপের বাড়ি প্রস্তুত করা হয়েছে। বাকি আছে ভূমিহীনদের কাছে বাড়ি বুঝিয়ে দেওয়ার কাজ। আর তৃতীয় ধাপের কাজও প্রায় শেষের দিকে। তৃতীয় ধাপের বাড়ি নির্মাণরত রাজমিস্ত্রি নকুল কুমার জানান, বর্তমানে যে কাজ হচ্ছে এটি আগের চেয়ে অনেক উন্নত।

সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, অবৈধ দখলে থাকা সরকারি জমি উদ্ধার করে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। সাভারে মোট আট একর জমি আমরা উদ্ধার করেছি। এরমধ্যে শিমুলিয়া ইউনিয়নে এক দশমিক ৪১ একর জমি উদ্ধার করা হয়েছে। এ জমি এক বিএনপি নেতার দখলে ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, এ জায়গা দখলমুক্ত করতে গিয়ে অনেক বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে। তবে আইনি প্রক্রিয়ায় সব বাধা অতিক্রম করা হয়েছে।

English Dainikbiswa

রাশিয়া-চীন সম্পর্ক কি হবে সব পরিস্কার হয়ে গেছে

রাশিয়া-ইউক্রেন বিষয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিজ্ঞ সিদ্ধান্ত

রাশিয়া-ইউক্রেন বিষয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিজ্ঞ সিদ্ধান্ত

//অনলাইন নিউজ ডেস্ক//

মুক্তিযুদ্ধে রাশিয়া বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যারা দুঃসময়ে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে, আমরা নিশ্চয়ই তাদের পাশে থাকবো।

বুধবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

রাশিয়া-ইউক্রেন ইস্যুতে জাতিসংঘে ভোট দেয়া থেকে বিরত থাকা আবার ভোট দেয়া প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যখন একটা দেশের বিরুদ্ধে প্রস্তাব তখন বাংলাদেশ ভোট দেয়নি, যখন মানবাধিকারে বিষয় আসে তখন ভোট দিয়েছে।

এক সম্পূরক প্রশ্নে রাশিয়া-ইউক্রেন ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রথমে ভোটদানে বিরত থাকা আবার ভোট দেয়া প্রসঙ্গে জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু জানতে চান।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘে যখন প্রথম প্রস্তাবটা এলো আমরা দেখলাম, সেই প্রস্তাবটায় কোনো মানবাধিকারের কথা নেই, যুদ্ধ বন্ধের চেষ্টা নেই, সেখানে কোনো বিষয় নেই। একটা দেশের বিরুদ্ধে ভোট, সেটা হলো রাশিয়া। তখন আমি বলে দিলাম এখানে তো আমরা ভোট দেবো না। আর যুদ্ধ তো একা একা বাঁধে না। উস্কানি তো কেউ না কেউ দিচ্ছে। দিয়ে দিয়েই তো বাঁধালো যুদ্ধটা। সেখানে একটা দেশকে কনডেম করা হবে কেন? সেই জন্য আমরা ভোটদানে বিরত ছিলাম।

রাশিয়াকে বন্ধুপ্রতিম দেশ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় আমেরিকা যখন সপ্তম নৌবহর পাঠায় পাকিস্তানের পক্ষে, রাশিয়া তখন আমাদের পাশে দাঁড়ায়। কাজেই যারা দুঃসময়ে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে, আমরা নিশ্চয়ই তাদের পাশে থাকবো। কিন্তু তারা যদি কোনো অন্যায় করে সেটা আমরা মানবো না, আর আমরা যুদ্ধ চাই না। কিন্তু যুদ্ধটা বাঁধালো কারা, উস্কানিটা কারা দিল, সেটাও আমরা দেখতে পাই। সেই জন্য আমরা তখন সিদ্ধান্ত দিলাম, একটা দেশের বিরুদ্ধে আমরা ভোট দেবো না।

দ্বিতীয় প্রস্তাব প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দ্বিতীয় প্রস্তাব যেটা এলো সেটা হচ্ছে, ইউক্রেনে এই যুদ্ধের কারণে মানুষের যে কষ্ট হচ্ছে, রিফিউজি হয়ে যাচ্ছে, ছোট বাচ্চা থেকে শুরু করে সবাই কষ্ট পাচ্ছে, সেখানে মানবতার বিষয়টা ছিল। দ্বিতীয় প্রস্তাবে যেহেতু মানবাধিকারের প্রশ্নটা আছে সেইখানে বাংলাদেশ ভোট দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এটা একেবারে স্পষ্ট যাতে আর কারো কোনো দ্বিধা থাকা উচিত নয়। তবে আমাদের ওই যে একটা প্যাঁচানো গোষ্ঠী আছে, আপনি যাই বলেন, তাদের খাবার দিলে এভাবে খেতে পারে না, ওইভাবে ঘোরায়ে খায়। তাই তাদের কিছুই ভালো লাগবে না। তাই এটা স্পষ্ট যে, এই নিয়ে যারা প্রশ্ন করেছেন, লেখালেখি যাই করুক, যখন একটা দেশের বিরুদ্ধে প্রস্তাব আমরা ভোট দেইনি। যখন মানবাধিকারে বিষয় আসছে, মানবতার বিষয়টা সামনে আসে আমরা ভোট দিয়েছি।

English Dainikbiswa

অসহায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই হচ্ছে আওয়ামী লীগের ঐতিহ্য — সুজিত রায় নন্দী

 

অসহায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই হচ্ছে আওয়ামী লীগের ঐতিহ্য — সুজিত রায় নন্দী

মোঃ হোসেন গাজী।।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী বলেছেন, অসহায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই হচ্ছে আওয়ামী লীগের ঐতিহ্য।

বুধবার (৩০ মার্চ) সকালে হাইমচর উপজেলার ৬ নং চরভৈরবী বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ অসহায় মানুষের মাঝে নগদ অর্থ সহয়তা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এসময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ উপকমিটির উদ্যোগে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৬৭ জন ব্যবসায়ীদের মাঝে ৩ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা নগদ প্রদান করেন। এবং বাজার সংলগ্ন মসজিদেও সহয়তা করেন।

সুজিত রায় নন্দী বলেন, এক দশক আগেও বিদ্যুতের অভাবে দেশের অর্থনীতি ছিল পর্যুদস্ত, শিল্প-বাণিজ্য ছিল স্থবির এবং জনজীবনে লোডশেডিং ছিল অসহনীয়। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী, সাহসী নেতৃত্বে এবং সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ফলে বিদ্যুৎ খাতে আজ সাফল্য অর্জিত হয়েছে।

তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াতের সময় মানুষ যে অন্ধকার যুগে ছিল শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ বাংলাদেশে তা থেকে বেরিয়ে শতভাগ আলোর পথে এসেছে। ঘোষণা অনুযায়ী বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে শতভাগ বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছেন।

মেঘনা ও পদ্মা নদীতে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানান তিনি।

সুজিত রায় নন্দী বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সবসময় হাইমচর জনগণের পাশে ছিল, আছে এবং আগামীদিনেও পাশে থাকবে।

অনুষ্ঠান ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি আহমদ আলী মাস্টারের সভাপতিত্বে ও যুবলীগ নেতা ইলিয়াস হোসেন লিটনের সঞ্চালনায়, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন

জেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি আব্দুর রব ভুইয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা বারেক বকাউল বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজ পাটওয়ারী, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের ত্রান ও সমাজ কল্যাণ উপ কমিটির সদস্য শেখ আতিকুর রহমান সুমন, হাইমচর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আব্দুল খালেক আখন্দ, বিল্লাল হোসেন বেপারী, সাবেক যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম পাটওয়ারী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহব্বয়ক আব্দুস সাত্তার,  সাবেক ছাত্রনেতা ফখরুদ্দিন আলী আহমেদ, জেলা মৎস্যজীবী লীগের সাধারণ সম্পাদক মানিক দেওয়ান, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ শরিফ আহমেদ, পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহব্বয়ক মোরশেদ হাওলাদার, বিশিষ্ট সমাজ সেবক নজরুল ইসলাম ফকির, নীলকমল ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক নবাব মোল্লা,সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা সোহাগ বেপারী,কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি রুবেল,সাধারণ সম্পাদক মামুন,জামাল উদ্দিন প্রধান,ফারুক মোল্লা সহ আওয়ামী লীগের অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মাঝে অর্থিক সহায়তা শেষে,,,সাবেক চরভৈরবী ইউনিয়ন ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম জালাল উদ্দীন চোকদার-সাবেক আহব্বায়ক উপজেলা আ’লীগ এর কবর জিয়ারত করেন সুজিত রায় নন্দীর সহ উপস্থিত নেতৃবৃন্দ।

উল্লেখ্য যে, গত ২৪ মার্চ ভোরে হাইমচর উপজেলার ৬ নং চরভৈরবী ইউনিয়নে ৬৭ টি দোকান পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে যায়।

English Dainikbiswa

মাগুরায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠিত

 

মাগুরায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠিত

//সুজন মাহমুদ, মাগুরা জেলা প্রতিনিধি//

মাগুরায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান- ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৩০ মার্চ) মাগুরা শেখ কামাল ইনডোর স্টেডিয়ামে জেলা পরিষদ কর্তৃক জাতির সূর্য সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা-১ আসনের মাননীয় সাংসদ এ্যাডঃ সাইফুজ্জামান শিখর।

জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব পঙ্কজ কুমার কুন্ডু এর সভাপতিত্বে ও এড.রবিউল ইসলাম রিংকু’র সঞ্চালনায় উক্ত  অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  মাগুরা-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এবং সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. শ্রী বীরেন শিকদার মহোদয়।

এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাগুরার জেলা প্রশাসক ড.আশরাফুল আলম,পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম,সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ শহিদুল্লাহ দেওয়ান, জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব বাদল চন্দ্র হালদার,  জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আ ফ ম আবদুল ফাত্তাহ, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব আবু নাসির বাবলু, মাগুরা পৌরসভার মেয়র জনাব খুরশীদ হায়দার টুটুল, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দ সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক দলের নেতাকর্মী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে জেলার বীরমুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান করা হয়। এসময় বক্তারা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ  জাতীয় চার নেতা,১৫ আগষ্টে নিহতদের ,মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ ও ২ লাখ সম্ভ্রম হারানো মা বোনের ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।উক্ত অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সকলে দুপুরের খাবার খাওয়া হয়।

English Dainikbiswa

পারস্পরিক স্বার্থে বিমসটেক নেতাদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর