হাসপাতালেই ঈদ কাটলো বেগম খালেদা জিয়া ও রওশন এরশাদের

 

হাসপাতালেই ঈদ কাটলো সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদের। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ফলে ঈদের দিনে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাদের সাক্ষাত হচ্ছে না।

গত ২৭ এপ্রিল থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ৩ মে থেকে তিনি হাসপাতালে করোনারি কেয়ার ইউনিটে ভর্তি রয়েছেন। ইতোমধ্যে তিনি কোভিড নেগেটিভ হলেও বেশকিছু জটিলতা রয়েছে। ফলে এবারের ঈদে তিনি হাসপাতালে থাকছেন। অবশ্য খালেদা জিয়ার হাসপাতালে ঈদ এটাই প্রথম নয়। কারাবন্দি থাকাবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার সময়ও একাধিক ঈদ তিনি হাসপাতালে কাটিয়েছেন।

এদিকে ১ মে থেকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ। দলীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছেন। তার শারীরিক অবস্থা ১ মে এর তুলনায় ভালো হলেও ঈদের দিনে তাকে হাসপাতালে কাটাতে হবে।

কোভিড সংক্রমণের কারণে এ বছর কোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি নেই। তার ওপর দল দুটির শীর্ষ দুই নেত্রী হাসপাতালে থাকায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ঈদের বাড়তি উদযাপনের কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি।

ঈদের দিন খালেদা জিয়ার সঙ্গে হাসপাতালে তার ভাই শামীম ইস্কান্দার ও দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের দেখা করবেন। এরপর দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করবেন তিনি।

আর রওশন এরশাদের সঙ্গে তার ছেলে সাদ এরশাদ নিয়মিত যেমন দেখা করতে যান, তেমনই ঈদের দিনও তিনি দেখা করতে যাবেন বলে জানা গেছে।

এই দুই শীর্ষ নেতা ছাড়া দল দুটির বেশিরভাগ নেতার ঈদের দিন কাটবে অনেকটা পারিবারিক আবহে।

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, এবার দলটির অধিকাংশ সিনিয়র নেতা ঢাকায় স্বেচ্ছায় হোম কোয়ারেন্টিনে থেকে নিজ নিজ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করবেন। দলটির স্থায়ী কমিটির বেশিরভাগ নেতা করোনা পরবর্তী বিভিন্ন রোগে এখনও ভুগছেন। ভাইস চেয়ারম্যানদের অনেকের একই অবস্থা। ফলে এবারের ঈদে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নেতাদের বেশিরভাগই নিজ নিজ নির্বাচনীয় এলাকায় ঈদ উদযাপন করতে যাচ্ছেন না।

দলটির নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, ডা. এ জেড এম জাহিদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্সসহ দলের নেতারা ঢাকায় ঈদ করবেন।

বিএনপির নেতারা বলছেন, দেশে বর্তমানে বিধিনিষেধ চলছে। যদিও সরকারের অব্যবস্থাপনার কারণে বিধিনিষেধ সেভাবে কার্যকর হয়নি। অন্যদিকে, দলীয় প্রধান খালেদা জিয়া হাসপাতালে। তার শারীরিক অবস্থা এখন পর্যন্ত সন্তোষজনক নয়। কখন কী ঘটে বলা যায় না। তাকে হাসপাতালে রেখে নেতাদের এলাকায় গিয়ে ঈদ উদযাপন করা দৃষ্টিকটুও দেখায়। ইতোমধ্যে দেশে করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে। ফলে, নেতাদের বয়স ও শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির নেতাদের মধ্যে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ঈদের দিন সকালে নিজ নির্বাচনী এলাকা সিরাজগঞ্জ যাবেন। তবে, তিনি এলাকায় গেলেও ঘর থেকে বের হবেন না।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের, দলের মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহম্মেদ বাবলু, কো-চেয়ারম্যান রুহুল আমিন হাওলাদারসহ অধিকাংশ নেতা এবার ঢাকায় ঈদ করছেন।

জানা গেছে, রাজনীতিবিদের মধ্যে গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন, বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী দীর্ঘদিন স্বেচ্ছায় ঘরবন্দি আছেন। এ দুই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ গত বছরের মার্চ মাসে দেশে করোনার সংক্রমণ দেখা দেওয়ার পর থেকে স্বেচ্ছায় ঘরবন্দি আছেন।

// অনলাইন ডেস্ক //

————————–

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

 

 

 

 

খালেদা জিয়ার কোনো অঘটন ঘটে গেলে তার দায় সরকারের’- আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন

 

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কোনো অঘটন ঘটে গেলে তার দায় সরকারের বলে মন্তব্য করেছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের এ মতামত বেআইনি।

খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে তার ছোট ভাই শামীম এস্কান্দার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন। এ সংক্রান্ত ফাইলে আইন মন্ত্রণালয়ের মতামতে বলা হয়েছে, ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০১ ধারার অধীনে খালেদা জিয়াকে বিদেশে যেতে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। আইন মন্ত্রণালয়ের মতামতটি রোববার সকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

পরে বিকালের দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিকদের বলেন, আইনের বাইরে গিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার কোনো সুযোগ নেই। এজন্য বিএনপি চেয়ারপারসনের আবেদন মঞ্জুর করতে পারছি না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে খালেদা জিয়ার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, এটি সম্পূর্ণ বেআইনি। তিনি বলেন, এ আইনে এমন কোনো বিধান নেই যে কোনো দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বিদেশে যেতে পারবে না। এ আইন করাই হয়েছে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের জন্য।

‘চিকিৎসা শেষে ফিরে আসতে হবে- সরকার এই শর্ত দিতে পারত’- এমন মন্তব্য করে খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, খালেদা জিয়া তিনবারের প্রধানমন্ত্রী। তার অবস্থা অত্যন্ত জটিল। সরকার বিষয়টি মানবিকভাবে দেখতে পারত।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার চিকিৎসার ব্যাপারে সরকারের নিজেরই উদ্যোগ নেওয়া উচিত। অনুমতি না দিয়ে সরকারের এত বড় দায়ভার নেওয়া উচিত হয়নি। যদি কোনো অঘটন ঘটে যায় তখন সম্পূর্ণ দায়ভার সরকারের ঘাড়ে পড়বে। আইনকে তো মানবিকভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে।

অনলাইন ডেস্ক।।

——————————-

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ডা: মনীষা চক্রবর্তীর খাদ্য সাহায্য…

 

 

 

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা মমতার নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পাচ্ছেন কারা?

 

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভূমিধস জয়ে টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় এসেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  ইতিমধ্যে তিনি শপথ নিয়েছেন।  সোমবার শপথ নেবেন তার নতুন সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা।  এ নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে হিন্দুস্তান টাইমস।

খবরে বলা হয়, রাত পোহালেই নতুন মন্ত্রিসভা তৈরি করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  ইতিমধ্যেই বিধায়করা নিজেদের মতো করে খোঁজখবর করতে শুরু করেছেন। কে মন্ত্রী হবেন আর কে মন্ত্রী হবেন না তার হিসেবনিকেশ করছেন। 

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যেই চারদিক বিচার করে মন্ত্রিসভার তালিকা তৈরি করে ফেলেছেন।  যা সকলেরই অজানা।  সোমবারই শপথ নিতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা।  বেলা ১১টা নাগাদ বিধানসভাতেই রাজ্যের মন্ত্রীরা শপথ নেবেন। তারপর বিকেলে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক রয়েছে।

সূত্রের বরাত দিয়ে হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, স্বরাষ্ট্র, স্বাস্থ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে থাকবে। অমিত মিত্রকে অর্থমন্ত্রী করে ৬ মাসের মধ্যে জিতিয়ে আনা হবে।  আবার এই দফতরের মন্ত্রী হতে পারেন অভিরূপ সরকারও।  এমনটাও হতে পারে। যোজনা কমিশনের ধাঁচে কোনও প্রতিষ্ঠান তৈরি করা হতে পারে। সেখানে অমিত মিত্রকে নিয়ে আসা হতে পারে উপদেষ্টা করে।

 

আর একজন প্রতিমন্ত্রী রাখা হবে। নতুন–পুরনো মিশেলেই এই মন্ত্রিসভা তৈরি করা হবে। বেশ কয়েকটি নতুন মুখকেই মন্ত্রিসভায় জায়গা দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী বলে খবর। সুশান্ত মাহাতো, বীরবাহা হাঁসদাকে সেক্ষেত্রে দেখা যেতে পারে। জুন মালিয়া কিংবা রাজ চক্রবর্তীর মধ্যে একজনকে দেখা যেতে পারে মন্ত্রিসভায়। তবে এবার আরও গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী হতে চলেছেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়।

 

খাদ্যমন্ত্রীই থাকছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের। একুশের নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমর্থন পেয়েছেন মুর্শিদাবাদ ও মালদহ থেকে। সেক্ষেত্রে এই দুটি জেলা থেকে মন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মালদা থেকে সাবিত্রি মিত্র ও সাবিনা ইয়াসমিন এবং মুর্শিদাবাদ থেকে সুব্রত সাহা এবং অপূর্ব সরকারের মন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। আর পূর্ব মেদিনীপুর থেকে অধিকারী পরিবারের প্রধান বিরোধী অখিল গিরির মন্ত্রিসভায় ঠাঁই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবার উত্তর ২৪ পরগনা থেকে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, পরিবহণ মন্ত্রী হিসাবে মদন মিত্র ও শিক্ষামন্ত্রী হিসাবে ব্রাত্য বসুর নাম তালিকায় রয়েছে বলে সূত্রের খবর।

 

তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রের বরাত দিয়ে হিন্দুস্তান টাইমস আরও জানায়, দক্ষিণ ২৪ পরগনাতে তৃণমূল কংগ্রেস ৩১টি আসনের মধ্যে ৩০টি আসন পেয়েছে। তাই এখান থেকেও নতুন মুখ আসতে পারে। ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক সওকত মোল্লা মন্ত্রী হতে পারেন। বিষ্ণুপুরের বিধায়ক দিলীপ মণ্ডলকেও মন্ত্রিসভায় নিয়ে আসা হতে পারে।

 

উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী হতে পারেন মেখলিগঞ্জ থেকে নির্বাচিত পরেশচন্দ্র অধিকারী, জলপাইগুড়ি থেকে মন্ত্রী হতে পারে প্রদীপ বর্মা, উত্তর দিনাজপুর থেকে মন্ত্রী হতে পারেন গোলাম রব্বানি, দক্ষিণ দিনাজপুর থেকে মন্ত্রী হতে পারেন বিপ্লব মিত্র, হুগলি থেকে মন্ত্রী হতে পারেন স্নেহাশিস চক্রবর্তী। তবে ইন্দ্রনীল সেন, মানস ভুঁইয়া, মনোজ তিওয়ারি মন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।

অনলাইন ডেস্ক।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

কোন তারকা কোথায় জয়ী হয়েছিলের…

 

 

বেগম খালেদা জিয়া লন্ডনে চিকিৎসা নিতে চান: সরকার ইতিবাচক

 

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার তোড়জোড় চলছে। খালেদা জিয়ার পরিবারের আবেদনে সরকার ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে, যদিও এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক অনুমতি দেওয়া হয়নি। আগামী রোববার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

ইতিবাচক মনোভাবের পর খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার জোর প্রস্তুতি শুরু করেছে বিএনপি ও তার পরিবারের সদস্যরা। দলটির চেয়ারপারসনের পাসপোর্ট নবায়ন, ভিসাসহ আনুষঙ্গিক কাজ দ্রুত শেষ করার চেষ্টা চলছে। যাতে অনুমতি পেলে যে কোনো মুহূর্তে তাকে বিদেশ নেওয়া যায়।

পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে যুক্তরাজ্যে নেওয়ার জন্য জোর তৎপরতা চালানো হচ্ছে। সেখানে তার বড় সন্তান ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান রয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বৃহস্পতিবার যুগান্তরকে বলেন, খালেদা জিয়ার মধ্যে কোভিড-১৯ সংক্রমণ-পরবর্তী বিভিন্ন জটিলতা রয়েছে।

সেজন্য ‘মানবিক’ বিবেচনায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নেওয়ার অনুমতি দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

পরিবারের আবেদনের পর বৃহস্পতিবার বিকালে সচিবালয় থেকে এ সংক্রান্ত নথিপত্র আইনমন্ত্রীর বাসায় নিয়ে যান আইন সচিব গোলাম সারওয়ার। খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে আইনের কোনো ব্যত্যয় আছে কিনা জানতে চাইলে সচিব বলেন, ‘এ বিষয়ে মাননীয় মন্ত্রী কথা বলবেন। আমি কিছু বলব না। শামীম ইস্কান্দার সাহেব বিদেশ নেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন, এটা রিপোর্টে আছে। আমি ফাইলগুলো নিয়ে যাচ্ছি মন্ত্রী মহোদয়ের ওখানে।’

আবেদনে কোন দেশের কথা বলা আছে জানতে চাইলে সচিব বলেন, ‘না, ওনারা কোনো কিছু উল্লেখ করেননি। শুধু চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার কথা বলেছেন। আর কিছু বলেননি। পরবর্তী প্রক্রিয়া কী হবে জানতে চাইলে আইন সচিব বলেন, আমরা মতামত দিলে সেটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সামারি (সংক্ষিপ্ত) আকারে প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাবে। তিনি আরও বলেন, আমরা ফাইল নিয়ে যাচ্ছি, তিনি দেখবেন। মন্ত্রী মহোদয় সিদ্ধান্ত দিলে, তখন হবে।’

সরকার ও বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, আইন মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ দ্রুত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যেতে পারে। এরপর তা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে। চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে পারবেন না বলে যে শর্ত দেওয়া হয়েছে তা তুলে নিয়ে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করলে খালেদা জিয়ার বাইরে যেতে আর কোনো বাধা থাকবে না।

উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ নেওয়ার অনুমতি চেয়ে বুধবার রাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেন খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম এস্কান্দার। লিখিত আবেদনটি মতামতের জন্য রাতেই তা আইন সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে।

বিএনপি সূত্র জানায়, খালেদা জিয়ার বিদেশ যাওয়ার ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে ইতিবাচক মনোভাব দেখানো হয়েছে। সরকারের মনোভাব জানার পর বিদেশ নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করে খালেদা জিয়ার পরিবার। বুধবার রাতেই বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনারের সঙ্গে দেখা করেন শামীম এস্কান্দার। খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা জানিয়ে তাকে যুক্তরাজ্যে নেওয়ার সহযোগিতা চান তিনি। হাইকমিশনার যুক্তরাজ্য সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে শামীম এস্কান্দারকে জানান, তার সরকার বিএনপি চেয়ারপারসনের চিকিৎসা করাতে সব ধরনের সহযোগিতা করবে। যুক্তরাজ্যে যেতে তার সরকার ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে বলে হাইকমিশনার তাকে অবহিত করেন। সরকারের সবুজ সংকেত পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার সকালে খালেদা জিয়ার পাসপোর্ট নবায়নের প্রক্রিয়া শুরু করেন শামীম এস্কান্দার। সকালে আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে খালেদা জিয়ার পাসপোর্ট নবায়নের জন্য জমা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে পাসপোর্ট পাওয়ার পর ভিসার জন্য তা যুক্তরাজ্য হাইকমিশনে জমা দেওয়া হবে।

।।অনলাইন ডেস্ক।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

অভয়নগরে খালেদা জিয়ার সুস্থ্যতা কামনা….

‘বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশ পাঠানোর বিষয়ে সরকার ইতিবাচক’

 

বিএনপি চেয়ারপারসন করোনা আক্রান্ত খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ পাঠানোর বিষয়ে সরকার ইতিবাচক বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার প্রয়োজন হলে সরকার ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখবে।

বুধবার রাতে খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশ পাঠানোর আবেদন নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় গিয়েছেন তার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার। এ সময় চিকিৎসার আবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে বলেও আশ্বস্ত করেছেন আসাদুজ্জামান খান কামাল। বিষয়টি দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে।

করোনা আক্রান্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে রাখা হয়েছে। তাকে নিয়মিত অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে।এমতাবস্থায় তাকে বিদেশ নিয়ে চিকিৎসা দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

খালেদা জিয়াকে বিদেশ নেওয়ার অনুমতি চাইতে সোমবার রাতে তার ভাই শামীম ইস্কান্দার ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করেন। তারা খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

খালেদা জিয়া যদি বিদেশ যেতে আবেদন করেন, তাহলে সরকারের পক্ষ থেকে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে- এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার বলেছিলেন, এটি আদালতের বিষয়। প্রধানমন্ত্রী যে ধারায় সাজা স্থগিত রেখে চিকিৎসা নেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন, এর বাইরে অন্য কোনো সুযোগ নিতে চাইলে তাকে আদালতে যেতে হবে। আরও কিছু পেতে হলে কোর্টের মাধ্যমে আসতে হবে।

তবে এ ব্যাপারে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক যুগান্তরকে বলেন, বিদেশে যেতে বা বিদেশি চিকিৎসা নিতে পারবেন না- সরকারের দেওয়া সেই শর্ত শিথিল করলে খালেদা জিয়ার বিদেশে যেতে আইনগত কোনো বাধা থাকে না। এটা নির্ভর করছে একেবারেই সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর। কিন্তু এখনও বিএনপি বা খালেদা জিয়ার পরিবারের তরফ থেকে এরকম কোনো আবেদন পাইনি।

জানতে চাইলে অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর অনুমতির বিষয়ে পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। কারণ সরকার খালেদা জিয়াকে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দিয়েছে। সরকারই এই শর্ত শিথিল করতে পারবেন। পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকারই বলবে তারা আদালতে যাবেন না কী করবেন।

 

অনলাইন ডেস্ক।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে চায় পরিবার

খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে চায় পরিবার, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে মির্জা ফখরুলের ফোন

 

হঠাৎ শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে চায় পরিবার। এ জন্য সোমবার রাতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন।

এর আগে সোমবার ভোরের দিকে শ্বাসকষ্ট শুরু হলে কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর বিকালে তাকে সিসিইউতে নেওয়া হয়। গত ২৭ এপ্রিল হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন কেবিনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। তবে  তিনি স্বাভাবিকভাবেই শ্বাস-প্রশ্বাস নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন মেডিকেল বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক ডা. জাহিদ হোসেন।

এদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিতে চায় পরিবার। তার চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নিতে আগ্রহী বলে জানা গেছে। এজন্য সরকারের উচ্চ পর্যায়ে তার পরিবার ও বিএনপির পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে যোগাযোগ করা হয়েছে। 

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে খালেদা জিয়ার ভাই শামীম ইস্কান্দার ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে টেলিফোনে খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ নেওয়ার বিষয়ে আলাপ করেন। তারা খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

জানা গেছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিষয়টি আদালতের এখতিয়ার বলে বিএনপি মহাসচিবকে জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এ বিষয়ে সরকারের অন্যান্যদের সঙ্গে আলাপ করে পরবর্তীতে জানানো হবে।

এ ব্যাপারে রাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে টেলিফোন করা হলে তিনি তা ধরেননি। তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার শরীফ মাহমুদ যুগান্তরকে বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মাননীয় মন্ত্রীকে ফোন দিয়েছিলেন। তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের স্বাস্থ্যগত বিষয়টি অবহিত করেছেন। তবে এ ব্যাপারে কোনো লিখিত আবেদন দেননি।

জানতে চাইলে খালেদা জিয়ার বোন সেলিমা ইসলাম বলেন, খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেয়ার বিষয়ে লিখিত কোনো আবেদন এখনও করা হয়নি ।

এদিকে রাত ৮টার দিকে এভার কেয়ার হাসপাতালের সামনে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন অধ্যাপক ডা. জাহিদ হোসেন। খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা গুরুতর কিনা, তিনি স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারছেন?- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে  ডা. জাহিদ বলেন, করোনারি কেয়ার ইউনিটে যখন যে রোগী থাকেন তারা স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস নেন।  আমি উনার (খালেদা জিয়া) সঙ্গে কথা বলে এসেছি। ম্যাডাম স্বাভাবিকভাবেই শ্বাস প্রশ্বাস নিচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, সোমবার ভোরে খালেদা জিয়া শ্বাসকষ্ট অনুভব করেন। এর পরপরই বিভিন্ন পরীক্ষা-নীরিক্ষা করানো হয়। পরে মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকদের সংক্ষিপ্ত সিদ্ধান্তে ম্যাডামকে সিসিইউতে নেয়া হয়। তার রোগমুক্তির জন্য খালেদা জিয়া দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন বলেও জানান ডা. জাহিদ।

কি কারণে খালেদা জিয়ার শ্বাসকষ্ট হচ্ছে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মানুষের যে কোনো সময়, যে কোনো পরিস্থিতিতে শ্বাসকষ্ট হতে পারে। ম্যাডামের সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। সংশ্লিষ্ট দেশী-বিদেশী যে চিকিৎসকরা  আছেন তাদের সিদ্ধান্তে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর বিস্তারিত জানাতে পারবো।

তবে খালেদা জিয়ার আবারও করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে কিনা সাংবাদিকদের এ প্রশ্ন এড়িয়ে যান ডা. জাহিদ হোসেন।

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে ভর্তির পর সেখানে এক থেকে দুদিন রাখার কথা বলেছিলেন তার চিকিৎসকেরা। তখন তারা (চিকিৎসক) জানিয়েছিলেন, খালেদা জিয়ার করোনোর কোনো উপসর্গ নেই। তাই তাকে হাসপাতালের নন-কোভিড জোনে রেখেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। একদিন পর চিকিৎসার জন্য অধ্যাপক ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয় । গত রোববার মেডিকেল বোর্ড বৈঠকে বসে সব পরীক্ষার রিপোর্ট পর্যালোচনা করে নতুন করে কিছু শারীরিক পরীক্ষাও দেন।

গত ১১ এপ্রিল খালেদা জিয়ার করোনা শনাক্ত হয়। এরপর থেকে গুলশানের বাসা ‘ফিরোজায়’ তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এফএম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে চিকিৎসা শুরু হয়। করোনা আক্রান্তের ১৪ দিন অতিক্রান্ত হওয়ার পর খালেদা জিয়ার করোনা টেস্ট করা হলে ফলাফল আবারও পজিটিভ আসে। ‘ফিরোজা’র বাসায় বিএনপি চেয়ারপারসন ছাড়াও আরো ৮ জন করোনায় আক্রান্ত হন। তবে গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’র সব স্টাফরা ইতোমধ্যে করোনামুক্ত হয়েছেন।

৭৫ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি তাকে কারাগারে যেতে হয়। দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু পর পরিবারের আবেদনে সরকার গত বছরের ২৫ মার্চ সরকারের নির্বাহী আদেশে শর্তসাপেক্ষে তাকে ছয় মাসের জন্য সাময়িক মুক্তি দেয়। পরে আরও দু’ দফায় মেয়াদ বাড়ানো হয়। মুক্তি পাওয়ার পর খালেদা জিয়া গুলশানে  ভাড়া বাসা ফিরোজায় থেকে ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধায়নে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। তার সঙ্গে বাইরের কারও যোগাযোগ সীমিত। সূত্র: যুগান্তর

// অনলাইন ডেস্ক //

 পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ভবদহের জলাবদ্ধতা

অভয়নগরে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও তরিকুল ইসলামের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত 

যশোরের অভয়নগরে বিএনপি চেয়ার পার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও মরহুম তরিকুল ইসলামের রুহের মাগফেরাত কামনা করে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় ৷
৩রা মে সোমবার শংকরপাশা গ্রামে তারেক জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোঃ জিয়াউর রহমান ওরফে জিয়া মোল্যার সভাপতিত্বে এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে ৷ ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন,  তারেক জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির  যুগ্ন আহবায়ক মোঃ আজিজুর রহমান রিপন ৷
বিশেষ অতিথি অভয়নগর থানা  বিএন পির সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোঃ মতিয়ার রহমান ফারাজী,পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ আবু নঈম মোড়ল, সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক মোঃ হারুনউর রশিদ(যশোর) , যশোর জেলা তারেক জিয়া পরিষদের  আহবায়ক মোঃ মুজা উদ্দীন আহম্মেদ কচি , বিএনপির সাবেক সাধারণ -সম্পাদক মোঃ গোলাম হায়দার ডাবলু কাজী, সদস্য সচিব ইব্রাহিম খলিল টুলুসহ স্থানীয় থানা,পৌর বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠণের নেতৃবৃৃৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ৷
//মোঃ শফিকুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি//

খালেদা জিয়া সিসিইউ তে থাতলেও ভালো আছেন: জানালেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক

 

ঢাকার এভার কেয়ার হাসপাতালের করোনারী কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়া ‘স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস নিচ্ছেন’ বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক দলের সদস্য অধ্যাপক ডা. ৎএজেডএম জাহিদ হোসেন।

সোমবার রাত ৮টায় এভার কেয়ার হাসপাতালের সামনে উপস্থিত সাংবাদিকদের বিএনপি চেয়ারপারসনের সর্বশেষ অবস্থা জানান তিনি।

অধ্যাপক জাহিদ বলেন, করোনারী কেয়ার ইউনিটে উনি আছে। এই ইউনিটে যখন রোগী থাকে তখন তো সেটা স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসই নেয়।

খালেদা জিয়া কেমন আছেন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, দেখুন- আমি এখানে আসার কয়েক মিনিট আগে উনার (খালেদা জিয়া) সঙ্গে দেখা করে আসছি, আমি উনার সঙ্গে কথা বলে এসেছি। উনি কেমন আছেন খোঁজ নিয়েছি।

সকালের দিকে শ্বাসকষ্ট অনুভব করলে চিকিৎসকরা বিকাল ৪টায় খালেদা জিয়াকে সিসিইউতে স্থানান্তর করেন।

অধ্যাপক জাহিদ হোসেন বলেন, আজকে ভোরের দিকে উনি একটু শ্বাসকষ্ট অনুভব করেন। উনি যখন শ্বাসকষ্ট অনুভব করেন চিকিৎসকরা উনাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর উনাদের সম্মিলিত সিদ্ধান্তে ম্যাডামকে সিসিইউতে নেওয়া হয়।

উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনাদের মাধ্যমে আমরা দেশবাসীর কাছে অনুরোধ করব যে, উনার (খালেদা জিয়া) রোগমুক্তির জন্য আপনারা মহান রাব্বুল আ’লামীনের কাছে দোয়া করার জন্য বলবেন।

কী কারণে শ্বাসকষ্টটা হলো প্রশ্ন করা হলে ডা. জাহিদ বলেন, আপনাদের বুঝতে হবে মানুষের যে কোনো সময় যে কোনো পরিস্থিতিতে শ্বাসকষ্ট হতে পারে। উনার পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে এবং সেগুলো এখানকার চিকিৎসকরা কালেকটিভলি করছেন।সেই পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সঙ্গে সঙ্গে দেশে বিদেশে কনসালটেন্টদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করা হচ্ছে।পরবর্তিতে বিস্তারিত জানা যাবে।

এভার কেয়ার হাসপাতালে বিএনপি চেয়ারপারসন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ শাহাবুদ্দিন তালুকদারের তত্ত্বাবধায়নে চিকিৎসাধীন। গত ২৭ এপ্রিল  ওই হাসপাতালে ভর্তির পরদিনই তার জন্য ১০ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ার পর গত ১১ এপ্রিল থেকে গুলশানের ভাড়া বাসা ‘ফিরোজা’য় থেকে ব্যক্তিগত চিকিৎসক টিমের তত্ত্বাবধায়নে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন খালেদা জিয়া। ১৪ দিন পর আবার পরীক্ষা করা হলে তখনও তার করোনাভাইরাস ‘পজিটিভ’ আসে।

এরপর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ২৭ এপ্রিল রাতে তাকে এভার কেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। চেস্টের সিটিস্ক্যান ও কয়েকটি পরীক্ষার পর সেই রাতেই তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে ‘ফিরোজা’র বাসায় বিএনপি চেয়ারপারসন ছাড়াও আরও ৮ জন করোনায় আক্রান্ত হন। তবে ফিরোজার সব স্টাফরা ইতোমধ্যে করোনামুক্ত হয়েছেন।

৭৫ বছ বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি তাকে কারাগারে যেতে হয়। দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু পর পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে গত বছরের ২৫ মার্চ সরকার নির্বাহী আদেশে শর্তসাপেক্ষে তাকে ছয় মাসের জন্য সাময়িক মুক্তি দেয়। পরে আরও দুই দফায় মেয়াদ বাড়ানো হয়। মুক্তি পাওয়ার পর খালেদা জিয়া গুলশানে ভাড়া বাসা ফিরোজায় থেকে ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধায়নে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। তার সঙ্গে বাইরের কারও যোগাযোগ সীমিত। সূত্র: যুগান্তর

//অনলাইন প্রতিবেদন//

আরও পড়ুন…

চট্টগ্রাম করোনা আপডেট…

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে সরকার দেশের অর্থনীতিকে সচল রেখেছে: সালাম মূশের্দী

 

খুলনা-৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূশের্দী বলেছেন, করোনাকালীন সময়ে গোটা বিশ্ব যখন স্থবির হয়ে পড়েছে তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে সরকার দেশের অর্থনীতিকে সচল রেখেছে।

সরকার একদিকে লকডাউনের মাধ্যমে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ করার ব্যবস্থা করছে। অন্যদিকে ভ্যাকসিন প্রদান করার মাধ্যমে দেশের মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করছে। লকডাউনকালীন সময়ে কর্মহীন হয়ে পড়া দুঃস্থ-অসহায় মানুষদের সর্বাত্ত্বক সহযোগিতা করে যাচ্ছেন বর্তমান সরকার। আমি চাই আমার নির্বাচনী এলাকা তেরখাদা, রূপসা, ও দিঘলিয়ার গরীব দুঃখী মানুষ যাতে অভুক্ত না থাকে। তার জন্য আমি আমার ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রাখব।

রূপসা উপজেলার নৈহাটি ইউনিয়নে ২ শতাধিক গরীব, অসহায় ও দু:স্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন। সালাম মূশের্দী সেবা সংঘের আয়োজনে আজ মঙ্গল্বার বিকালে রূপসা উপজেলার নৈহাটি ইউনিয়নের গরিব-অসহায়দের মাঝে নৈহাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় মাঠে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আ’লীগের সদস্য ও অধ্যক্ষ ফ ম আব্দুস সালাম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, নৈহাটি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান,ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন বুলবুল, এমপি সালাম মূর্শেদীর প্রধান সমন্বয়ক নোমান ওসমানী রিচি, সাবেক চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘের টিম লিডার ও যুবলীগ নেতা সামসুল আলম বাবু, আকতার ফারুক,নাজির হোসেন,মামুন শেখ,বাদশা মিয়া, জসিম সরদার,হামিদ খান ভাসানী, তরিকুল ইসলাম, ছাত্রলীগ নেতা রিয়াজ, রাহা,হিমেল,সোহেল, জাহিদ, ইমরান প্রমুখ।

 আ: রাজ্জাক শেখ:

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে উন্নিত হয়েছে: – সালাম মূশের্দী

 

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এখন উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে উন্নিত হয়েছে। সেখানে এই মহামারীতে গরীব মানুষ যাতে না খেয়ে থাকে সেজন্য আমার নির্বাচনী এলাকায় করোনাকালীন সময় এই ত্রান বিতরণ অব্যাহত থাকবে।

সাংসদ ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে রবিবার দিঘলিয়া উপজেলায় খাদ্য সামগ্রী বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন। এমপির নিজস্ব অর্থায়নে ও সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘে’র মাধ্যমে দিঘলিয়া সদর ইউনিয়নের তিন শতাধিক গরীব, অসহায় ও দু:স্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হয়।

দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সভাপতি খান নজরুল ইসলাম এর সভাপতিত্ব, অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন দিঘলিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি ও উপজেলা যুবলীগের সদস্য হাবিবুর রহমান তারেক।

 

এসময় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুল আলম, উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য মোল্যা আকরাম হোসেন, জেলা আওয়ামীলীগ সদস্য ও এমপি প্রতিনিধি অধ্যক্ষ ফ ম আব্দুস সালাম, এমপি মহোদয়ের প্রধান সমন্বয়ক নোমান ওসমানী রিচি, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-প্রচার সম্পাদক মোঃ মকবুল হোসেন, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এর সভাপতি শেখ আনছার আলী, সাধারন সম্পাদক মুঞ্জুর হোসেন, সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘের টিম লিডার সামসুল আলম বাবু, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এর সহ-সভাপতি শেখ আব্দুল হান্নান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য কে এম আসাদুজ্জামান, উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক(ভারপ্রাপ্ত) শেখ আনিসুর রহমান, উপজেলা যুবলীগের সহ-সম্পাদক মোড়ল হাসান মাহমুদ রাকিব, উপজেলা যুবলীগের সহ-সম্পাদক গাজী জিয়াউর রহমান, উপজেলা দিঘলিয়া সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক সৈয়দ জামিল মোর্শেদ মাসুম,যুগ্ম-আহবায়ক শেখ মোঃ আলামীন সহ ইউনিয়নে সকল ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি, সাধারন সম্পাদক বৃন্দ ও ইউনিয়নস্থ সকল সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

করোনাকালীন সময়ে গরীব-অসহায় মানুষ যাতে খাদ্যে কষ্টে না ভোগে, সে জন্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী এমপি তার নির্বাচনী এলাকা রূপসা ও তেরখাদায় ইতিমধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করছেন। তারই ধারাবহিকতায় দিঘলিয়ায় আজ এই আয়োজন করা হয়।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//