বিশ্ব করোনায় একদিনে প্রাণহানি আরও ৯৫০০ জন

অনলাইন ডেস্ক।।

দৈনিক সংক্রমণ আর প্রাণহানিতে এখনও শীর্ষে ব্রাজিল। ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ৩৬৮ জনের মৃত্যু হয়েছে দেশটিতে। ৮৩ হাজারের বেশি মানুষের দেহে শনাক্ত হয়েছে ভাইরাস।

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে আবারও দিশেহারা হয়ে পড়েছে গোটা বিশ্ব। এই ভাইরাসের ছোবলে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আরও সাড়ে নয় হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। নতুন সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে ৫ লাখ ৬৭ হাজারের বেশি।

যুক্তরাষ্ট্রে একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৭৭২ জনের। ৬৩ হাজারের বেশি নতুন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে। সাড়ে ৬শ’র ওপর মৃত্যু হয়েছে মেক্সিকোয়। সাড়ে চারশ’র মতো প্রাণ গেছে পোল্যান্ডে।

এছাড়া রাশিয়া ও ইতালিতেও ৪শ’য়ের কাছাকাছি প্রাণহানি। এই নিয়ে করোনায় মোট প্রাণহানি ২৭ লাখ ৮৮ হাজার ৭শ’য়ের ওপর। মোট আক্রান্ত ১২ কোটি ৭২ লাখ ৬১ হাজারের কাছাকাছি।

করোনা দেখা দিতে পারে মৌসুমি রোগ হিসেবেও…

।। ডেস্ক নিউজ ।।

মৌসুমি রোগ হিসেবে কোভিড-১৯ এর দেখা দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। করোনা সংক্রমণে আবহাওয়া ও বায়ুমানের প্রভাব নিয়ে বিশেষজ্ঞদলের গবেষণার প্রথম রিপোর্টে এটির মৌসুমি রোগে পরিণত হওয়ার আভাস পাওয়ার কথা বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার ১৬ সদস্যের একটি টিম পরিচালিত এই গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, শ্বাসযন্ত্রের ভাইরাল সংক্রমণ সাধারণত মৌসুমি হয়ে থাকে।

এক বিবৃতিতে তারা বলছেন, করোনা যদি বহু বছর ধরে থাকে তবে এটি মৌসুমি রোগে পরিণত হবে।

করোনা সংক্রমণ রোধে এ দলটি আবহাওয়ার পরিবর্তে মাস্ক পরা কিংবা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার মতো পদক্ষেপ গ্রহণে সরকারি উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।

তারা বলেন, তাই আবহাওয়া কিংবা পরিবেশগত পরিস্থিতি এ মুহূর্তে করোনা নিয়ন্ত্রণে নিয়ামক হয়ে উঠতে পারে না।

তারা আরও বলেছেন, মহামারির প্রথম বছর অনেক দেশে গরম আবহাওয়াতেও এটির সংক্রমণ ঘটেছে। আগামী বছরগুলোতেও যে এমনটি ঘটবে না তার কোনো প্রমাণ নেই।

এসব বিশেষজ্ঞ করোনা সংক্রমণে ঘরের বাইরের আবহাওয়া ও বায়ুর গুণগত মান নিয়ে গবেষণা করেছেন।

ল্যাবরেটরির গবেষণায় দেখা গেছে, ভাইরাসটি ঠান্ডা, শুকনো এবং যেখানে আলট্রাভায়োলেট রেডিশেয়ন নিম্ন পর্যায়ে সেখানে বেশি সময় টিকে থাকতে পারে।

তবে আবহাওয়া করোনার সংক্রমণকে কতোটুকু প্রভাবিত করে তা এখনও স্পষ্ট নয়।

এক বছরেরও বেশি সময় আগে চীনে করোনার প্রাদুর্ভাবের পর এ পর্যন্ত একে ঘিরে এখনও যথেষ্ট রহস্যের জট রয়ে গেছে। বিশ্বব্যাপী করোনায় এ পর্যন্ত প্রায় ২৭ লাখ লোক মারা গেছে।

করোনা।। দেশে সনাক্ত ৩৬৭৪, মৃত্যু-৩৯।। চট্টগ্রামে নতুন সনাক্ত ৩৫৩ জন

আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো :

গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ৩৫৩ জনের শরীরে নতুন করে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ সনাক্ত হয়েছে। এটি হচ্ছে এ যাবৎ একদিনের সর্বোচচ সনাক্ত। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে কোন করোনায় আক্রান্ত রোগির মৃত্যুর খবর পাওয়া যায় নি। এ পর্যন্ত চট্টগ্রামে মোট করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালো ৩৯ হাজার ১০৮ জনে।

 গতকাল (শনিবার) চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া যায়। প্রাপ্ত তথ্য মতে, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের সাতটি ল্যাবে ২ হাজার ৯৫৬ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩৫৩ জনের দেহে করোনার জীবাণু সনাক্ত করা হয়।

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করে ৩৫৩ জন নতুন আক্রান্ত সনাক্ত হয়েছেন। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ২৯৪ জন নগরের এবং ৫৯ জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা। এখন পর্যন্ত চট্টগ্রামে মোট করোনা আক্রান্ত ৩৯ হাজার ১০৮ জন। সর্বমোট মৃত্যু হয়েছে ৩৮৪ জনের।

এ দিকে চট্টগ্রামে করোনা সংক্রমণ বেড়ে গেলেও জনগনের মধ্যে সচেতনতার অভাব পরিলক্ষিত হচেছ। চারিদিকের অবস্তা দেখলে মনে হবে, এ যেন স্বাভাবিক ব্যাপার। হাট বাজার থেকে শুরু করে অফিস, আদালত, রাস্তা ঘাট, পার্ক থেকে খেলার মাঠ কোথাও স্বাস্থ্য বিধি মানার নূন্যতম লক্ষণ দেখা যাচেছ না। অভিজ্ঞজনের মতে, এ ভাবে চলতে থাকলে করোনা চট্টগ্রামে ভয়াবহ পরিস্থিতি ডেকে আনবে।

মুম্বাইয়ে কোভিড হাসপাতালে আগুন: মৃত ২: সরানো হল ৭০ রোগীকে

অনলাইন ডেস্ক।।

মুম্বইয়ে এক কোভিড হাসপাতালে আগুন লেগে মৃত্যু হল অন্তত দু’জনের। আহত হয়েছেন বেশ কয়েক জন। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে লাগা আগুন শুক্রবার সকাল পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে দমকলের বেশ কয়েকটি ইঞ্জিন।

করোনাভাইরাস সংক্রমণে জেরবার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে মুম্বই জুড়ে। সে শহরের বিভিন্ন হাসপাতাল ভর্তি কোভিড রোগীতে। মুম্বইয়ের ভান্ডুপে ড্রিমস মলের মধ্যে থাকা এক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন এমনই ৭০-এর বেশি কোভিড রোগী। সেখানেই বৃহস্পতিবার সাড়ে ১২টা নাগাদ আগুন লাগে। যার জেরে এখনও অবধি অন্তত দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। বাকি রোগীদের সেখান থেকে বের করে অন্য হাসাপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। যদিও দমকলের এক অফিসার জানিয়েছেন, ৬ জন ব্যক্তি এখনও আটকে রয়েছেন হাসপাতালের ভিতর। তাঁদেরকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

মুম্বইয়ের ওই কোভিড হাসপাতালে আগুন লাগার খবর পেয়েই সেখানে পৌঁছে যায় দমকলের ২২টি ইঞ্জিন। তার পর থেকেই আগুন নেভানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন দমকলকর্মীরা। এ নিয়ে পুলিশ অফিসার প্রশান্ত কদম বলেছেন, ‘‘আগুনের ঘটনায় দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। মলের দোতলায় প্রথম আগুন লাগে। তার পর তা ছড়িয়ে পড়ে।’

আগুন নেভানোর পাশাপাশি কোভিড রোগীদের অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। সেখানকার এক চিকিৎসক বলেছেন, “৭৩ জন কোভিড রোগীর মধ্যে ৩০ জনকে মুলুন্দ জাম্বো সেন্টারে, ৩ জনকে ফর্টিস হাসাপাতালে এবং বাকিদের অন্য একটি কোভিড নিরাময় কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।” যদিও কী থেকে এই আগুন লেগেছে তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও অজানা।

ঘটনার খবর পেয়েই সেখানে গিয়েছিলেন মুম্বইয়ের মেয়র কিশোরী পেডনেকর। মলের ভিতর হাসপাতালের বিষয়টি রীতিমতো বিস্মিত করেছে তাঁকে। তিনি বলেছেন, “আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি। তবে মলের ভিতর হাসপাতাল এই প্রথম দেখলাম। খুব গুরুতর পরিস্থিতি। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।’’ আগুন লাগার কারণ জানতে তদন্ত করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে ইতিমধ্যেই বেসামাল মহারাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার সে রাজ্যে যত সংখ্যক নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন, তা গোটা অতিমারি পর্বে কোনও রাজ্যে সর্বোচ্চ। মুম্বই শহরেও বৃহস্পতিবার নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজারের বেশি।

করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে ২৩ মে

অনলাইন ডেস্ক।।

মহামারি করোনার মৃত্যু ও সংক্রমণ বাড়তে থাকায় স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাসহ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার নতুন তারিখ ঘোষণা করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী ২৩ মে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে। করোনাবিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সঙ্গে পরামর্শ করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওইদিন থেকে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হবে।

বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সংক্রমণের ঊর্ধগতি পরিলক্ষিত হওয়ায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তার বিবেচনায় এবং কোভিড ১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির সঙ্গে পরামর্শক্রমে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান আগামী ঈদুল ফিতরের পর ২৩ মে তারিখ শুরু করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই সময়ে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন।

বৃহস্পতিবার রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবুল খায়ের যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে বৃহস্পতিবারই রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে।করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ৩০ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ঘোষণা দেন।

দেশে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ।  প্রথম মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ। গত বছরের ১৭ মার্চ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এখন পর্যন্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। সর্বশেষ গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আগামী ২৯ মার্চ পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করে আদেশ জারি করে সরকার।

বাগেরহাটের রামপালে করনায় নারীর মৃত্যু নতুন সনাক্ত-২

 এ এইচ নান্টু, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি//

রামপালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম সাহিদা বেগম (৬৫) ৷ তিনি রামপাল উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের মৃত আবুবক্কর (মেম্বর) এর স্ত্রী ৷ খুলনা মেডিকেল কলেজ সূত্রে জানা গেছে, গোবিন্দপুর গ্রামের সাহিদা বেগম দীর্ঘদিন ধরে শারীরীক নানা জটিলতায় ভুগছিলেন ৷ হঠাৎ তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে বুধবার (২৪ মার্চ) খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় ৷ সেখানে পরীক্ষা করে করোনা শনাক্ত হলে তাকে করোনা ইউনিটে স্থানান্তর করা হয় ৷ পরে সকাল সাড়ে ১১ টা নাগাদ তিনি মৃত্যুবরণ করেন ৷ রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা· সুকান্ত পাল জানান, রামপালে নতুন করে আরও ২ জনের করোনা সনাক্ত হয়েছে ৷ তারা হলেন, সেলিনা বেগম ও কৃষ্ণপদ পাল ৷ তারা বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন ।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে পারে ঈদের পর ।। করোনা ফ্যাক্ট

অনলাইন ডেস্ক।।

পবিত্র শবে বরাতের ছুটি ২৯ মার্চের পরিবর্তে ৩০ মার্চ নির্ধারণ করেছে সরকার। ফলে ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ৩০ মার্চ খুলছে না শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পূর্বনির্ধারিত তারিখে স্কুল-কলেজ খোলার কোনো সুযোগ নেই। এছাড়াও করোনা প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি ফের বাড়তে পারে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, ‘সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৩০ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত থাকলেও সেদিন শবে বরাতের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ কারণে সেদিন স্কুল-কলেজ খোলা হবে না।’

তিনি বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে দু-একদিনের মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালকের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। ৩০ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে মাউশিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে বলা হবে।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতিতে সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় বর্তমানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত পিছিয়ে দেয়ার চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার কথাটি আগে বিবেচনা করে স্কুল-কলেজ খোলার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’ পবিত্র ঈদুল ফিতর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটির ঘোষণা দেয়া হতে পারে বলে জানান তারা।

তবে এ প্রসঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, অনেকেই অনেক রকম কথা বলছেন। কিন্তু বিষয়টি অনুমান নির্ভর। আমরা আগের সিদ্ধান্তেই এখনো রয়েছি। যদি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয় তবে তা জানিয়ে দেয়া হবে।

ছুটি বাড়ানোর বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’ দ্রুত সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে ঘোষণা দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

সোনিয়া সুলতানা নামের এক অভিভাবক বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, এখনই দেশের সব হাসপাতালের আইসিইউ বেড পূর্ণ হয়ে গেছে। এ অবস্থায় আমার বাচ্চার যদি কিছু হয় তবে তো পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবো না। এরমধ্যে বাচ্চাকে স্কুলে পাঠানো অসম্ভব।

অভিভাবক জাকিয়া রহমান জানান, করোনা সংক্রমণের হার যখন ২ শতাংশের কাছাকাছি ছিলো তখন স্কুল খোলা হলো না। এখন সংক্রমণের হার ১৪ এর বেশি পাশাপাশি প্রতিদিন সংক্রমণ-মৃত্যু বাড়ছে। এ অবস্থায় সরকারের উচিত স্কুল খোলার বিষয়ে পুনরায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা।

সাইদুল ইসলাম নামের এক অভিভাবক বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে সরকার ১০০ জনের বেশি গণজমায়েত নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এর মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা কীভাবে সম্ভব বলে প্রশ্ন করেন তিনি।

এর আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছিলেন ৩০ মার্চ স্কুল-কলেজ খুলে দেয়া হবে। তখন শিক্ষামন্ত্রী বলেছিলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হলেও প্রাক-প্রাথমিক খুলছে না। এ বিষয়ে পরে জানিয়ে দেয়া হবে। পঞ্চম, দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন ক্লাস নেয়া হবে। অন্যান্য ক্লাসের শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে একদিন ক্লাস নেয়া হবে। পর্যায়ক্রমে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে।

এরপরই প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর স্কুল খুলতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রস্তুতি নিতে নির্দেশনা দেয়। ফলে দীর্ঘদিন প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকা স্কুল-কলেজ সংস্কারের উদ্যোগ নেয় কর্তৃপক্ষ। এরপর স্কুল-কলেজ খোলার আগে শিক্ষকদের টিকা গ্রহণ বাধ্যতামূলক করে দুই মন্ত্রণালয়। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী প্রায় ৮৫ শতাংশ শিক্ষক করোনা টিকার আওতায় এসেছে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।

কিন্তু সম্প্রতি করোনা সংক্রমণের হার ও মৃত্যু বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে জনমনে আবারও প্রশ্ন উঠেছে। এরই মধ্যে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, স্কুল-কলেজ খোলা হলে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।

এর মাঝে গত ২২ মার্চ ঢাকা শিক্ষাবোর্ড ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণ কার্যক্রমের ঘোষণা দিয়েছে। এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার্থীদের কোনো ধরনের নির্বাচনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না বলেও শিক্ষাবোর্ড থেকে জানিয়ে দেয়া হয়।

করোনায় আক্রান্ত আমির খান

অনলাইন ডেস্ক।।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলিউড পারফেকশনিস্ট আমির খান। ভারতীয় বেশ কিছু গণমাধ্যম এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আমির খানের মুখপাত্র ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বলেন, ‘কোভিড-১৯ পরীক্ষায় পজিটিভ শনাক্ত হওয়ার পর আমির খান সব নিয়ম মেনে নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে আছেন। তিনি সুস্থ আছেন। সম্প্রতি যারা তার সংস্পর্শে এসেছেন, তাদের সবার উচিত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা।’

আমির খান সম্প্রতি কিংবদন্তী অভিনেতা টম হ্যাংকস অভিনীত ‘ফরেস্ট গাম্প’ চলচ্চিত্রটির অফিশিয়াল হিন্দি রিমেক ‘লাল সিং চাড্ডা’র শ্যুটিংয়ে ব্যস্ত ছিলেন।

মার্চ মাসে নতুন করে একের পর এক বলিউড তারকাদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর আসছে। রণবীর কাপুর, মনোজ বাজপেয়ী, সঞ্জয়লীলা বানসালি, রণবীর সোওরি, আশীষ বিদ্যার্থী ও সতীশ কৌশিকের পর এবার ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন আমির খান।

করোনা প্রতিরোধে খুলনার রূপসায় আবারো জনসচেতনতা সৃষ্টিতে পুলিশের শোভাযাত্রা ও মাস্ক বিতরণ

রূপসা প্রতিনিধি::

‘স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলি, করোনা মুক্ত দেশ গড়ি। মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার, পুলিশ হবে জনতার।’- এ শ্লোগানকে সামনে রেখে সোমবার (২২ মার্চ) দুপুরে করোনার ২য় ধাপ মোকাবেলায় রূপসা থানা পুলিশের উদ্যোগে সচেতনতামূলক শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত ও মাস্ক বিতরণ করা হয়।

এদিন করোনা সচেতনতামূলক শোভাযাত্রাটি রূপসা ঘাট এলাকা থেকে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ব্যাংকের মোড় এলাকার হয়ে ঘাট এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।
শোভাযাত্রা চলাকালে মাস্কবিহীন অসংখ্য পথচারীদের মাস্ক পরিয়ে দেয় জেলা পুলিশ সুপার ও সদস্যবৃন্দ।

জনসচেতনতামূলক এ শোভাযাত্রা উদ্বোধন করেন খুলনা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান।
অন্যান্যের মধ্যে অংশ নেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ সার্কেল এস এম রাজু আহমেদ, থানার অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন, ওসি (তদন্ত) মোঃ সিরাজুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল, উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক আবদুল গফুর খান, উপজেলা আ’লীগ নেতা অহিদুজ্জামান,নৈহাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, শহিদুল ইসলাম(মেজ ভাই),মোঃ ফরিদ শেখ,কৃষক লীগ নেতা আব্দুল মান্নান শেখ, হারুন মোল্লা,রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আঃ রাজ্জাক শেখ, সহ-সভাপতি এমএ মুরশিদ আলী ,যুগ্ম সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ ফ ম আইয়ুব আলীসহ
থানা পুলিশের সকল এসআই, এএসআই ও পুলিশ সদস্যবৃন্দ।

পরে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান বলেন, ‘করোনার ১ম ধাপে পুলিশ সম্মূখসারির যোদ্ধা হিসেবে কাজ করেছে। এবার ২য় ধাপে জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টিতে বিট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে প্রচার প্রচারণার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ কাজে সকলের সহযোগীতা কাম্য!

জেলা পুলিশ করোনা প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়াতে রূপসায় লিফলেট ও মাক্স বিতরণ

 খুলনা প্রতিনিধি//

খুলনা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে রূপসা থানা পুলিশ ২১ মার্চ সকালে পূর্ব রূপসা ঘাট এলাকা সহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মাস্ক , মাইকিং করা ও লিফলেট বিতরণ শুরু হয়।

এসময় উপস্থিত থেকে এসকল সামগ্রী বিতরণ করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ-সার্কেল) এস এম রাজু আহমেদ, রূপসা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সরদার মোশাররফ হোসেন ও ওসি তদন্ত মো. সিরাজুল ইসলাম।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই জাফর, রূপসা বাসস্ট্যান্ড পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ মো. কামরুল হোসেন, এস আই শ্যামা প্রসাদ, এ এস আই হালিম, এ এস আই হাফিজুর রহমান, সমাজ সেবক শহিদুল ইসলাম সুমন ওরফে মেঝ ভাই,মো. তারেক আজিজসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ ।