ডোনাল্ড ট্রাম্প এর জনপ্রিয়তা বাইডেনের চেয়ে অনেক এগিয়ে

 //দৈনিক বিশ্ব আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

আসন্ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থিতা প্রত্যাশী অন্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় জনপ্রিয়তার দিক থেকে এগিয়ে আছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জনপ্রিয়তার হার আগের চেয়ে আরও কমে সর্বনিম্ন পর্যায়ে আছে।

এবিসি নিউজ/ইপসোসের করা নতুন এক জরিপে এমন চিত্র দেখা গেছে। ২০২৪ সালের নভেম্বরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে অনুষ্ঠেয় আইওয়া ককাসের এক দিন আগে গতকাল রোববার জরিপের ফল প্রকাশ করা হয়।

জরিপে দেখা গেছে, তিনটি ক্ষেত্রে রিপাবলিকান প্রার্থিতা প্রত্যাশী রন ডিস্যান্টিস, নিকি হ্যালি, বিবেক রামাস্বামী এবং এসা হাটচিনসনের তুলনায় অনেক বেশি এগিয়ে আছেন ট্রাম্প।

কমপক্ষে ৬৮ শতাংশ রিপাবলিকান সদস্য এবং রিপাবলিকান সমর্থকেরা বলেছেন, ট্রাম্প প্রার্থিতা পেলে নভেম্বরের নির্বাচনে তাঁর নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। এ ক্ষেত্রে নিকি হ্যালির প্রতি সমর্থন ১২ শতাংশ, ডিস্যান্টিসের প্রতি সমর্থন ১১ শতাংশ। অন্য প্রার্থিতা প্রত্যাশীদের প্রতি সমর্থনের হার এক অঙ্কের ঘরে।

জরিপে অংশগ্রহণকারী রিপাবলিকান সমর্থকেরা দলটির অন্য মনোনয়নপ্রত্যাশীদের তুলনায় ট্রাম্পকে বেশি ‘বলিষ্ঠ নেতা’ ও প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য ‘সবচেয়ে যোগ্য’ বলে মনে করেন।

সব মিলিয়ে ৭০ শতাংশের বেশি রিপাবলিকান প্রাপ্তবয়স্ক সমর্থক চাইছেন ট্রাম্পকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হোক।

অন্যদিকে ৫৭ শতাংশ ডেমোক্র্যাট সদস্য বাইডেন সম্পর্কে এমন মনোভঙ্গি পোষণ করেন।

জরিপ অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাইডেনের জনপ্রিয়তার হার কমে সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। গত ১৫ বছরে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের জনপ্রিয়তা এতটা কম ছিল না।

নতুন জরিপে প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাইডেনের জনপ্রিয়তার হার কমে ৩৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা ২০০৬-০৮ সাল থেকে নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্টদের জনপ্রিয়তার হারের তুলনায় সর্বনিম্ন। ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট থাকাকালে তাঁর জনপ্রিয়তা ৩৬ শতাংশ পর্যন্ত নামতে দেখা গিয়েছিল। জরিপে অংশগ্রহণকারী ডেমোক্র্যাট সদস্যদের ৫৮ শতাংশ বলেছেন, তাঁরা বাইডেনকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে সমর্থন করেন না।

জরিপে দেখা গেছে, নারীদের মধ্যেও বাইডেনের জনপ্রিয়তা আরও কমেছে। জরিপে অংশ নেওয়া নারীদের প্রায় ৩১ শতাংশ বলেছেন, তাঁরা প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে সমর্থন করেন। ২০২০ সালের জরিপে ৫৭ শতাংশ নারীর সমর্থন পেয়েছিলেন তিনি। নতুন জরিপে ৩৪ শতাংশ পুরুষ বলেছেন, তাঁরা প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাইডেনকে সমর্থন করেন।

কৃষ্ণাঙ্গ ও হিস্পানিক ভোটারদের মধ্যেও বাইডেনের প্রতি আশাব্যঞ্জক সমর্থন দেখা যায়নি।

রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে সম্ভাব্য দুই প্রার্থী হিসেবে বাইডেন ও ট্রাম্পের মধ্যে তুলনার ভিত্তিতে ওই জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সততা ও বিশ্বাসযোগ্যতার দিক থেকে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে আছেন বাইডেন। এ ক্ষেত্রে বাইডেন সমর্থন পেয়েছেন ৪১ শতাংশের আর ট্রাম্প সমর্থন পেয়েছেন ২৬ শতাংশের। তবে ‘মানসিক ক্ষিপ্রতা’ ও ‘শারীরিক সক্ষমতা’র বিবেচনায় আবারও প্রেসিডেন্ট হওয়ার ক্ষেত্রে বাইডেনের চেয়ে ট্রাম্পের প্রতি সমর্থনের হার বেশি।

তিস্তা প্রকল্পে চীনের প্রস্তাব// বাংলাদেশ ভূরাজনৈতিক বিবেচনায় এগোবে যদি ভরতের আপত্তি থকে

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সেহেলী সাবরীন বলেছেন, তিস্তা প্রকল্পে চীনের প্রস্তাবে ভারতের আপত্তি থাকলে ভূরাজনৈতিক বিবেচনায় এগোতে হবে। বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাপ্তাহিক নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন ২১ ডিসেম্বর বলেছেন, এরই মধ্যে বাংলাদেশ থেকে তিস্তা নদীবিষয়ক কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পের প্রস্তাব আমরা পেয়েছি। আসন্ন নির্বাচন শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করছি। তিস্তা নদীর উন্নয়নে চীন কাজ করতে আগ্রহী। আশা করছি, আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের পর তিস্তা প্রকল্পের কাজ শুরু করতে পারব।

চীনের রাষ্ট্রদূতের মন্তব্য সম্পর্কে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য কী? বাংলাদেশ চীনের কাছে তিস্তা নদীর উন্নয়নসংক্রান্ত প্রকল্প প্রস্তাব করেছে কি না। এই প্রস্তাবিত প্রকল্প বাস্তবায়নের সময়কাল এবং ব্যয় কত? এ সকল প্রশ্নের উত্তরে সেহেলী সাবরীন বলেন, চীন বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী দেশ। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নে তারা সহযোগিতা করে আসছে। তিস্তা নদীর বাংলাদেশ অংশের উন্নয়নমূলক প্রকল্পে সহযোগিতা করার ব্যাপারেও চীন আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ বিবেচনা করে দেখবে।

চীন বলছে নির্বাচনের পর তিস্তা প্রকল্পে কাজ শুরু হবে। কিন্তু চীন যেখানে তিস্তার কাজ করবে, তার থেকে শিলিগুড়ি করিডোর খুব দূরে নয়। শিলিগুড়ি করিডোরকে ভারত ‘চিকেন্স নেক’ নামেও অভিহিত করে। দেশটি মনে করে, তিস্তা উন্নয়নে কাজের নামে চীন এটাকে নিজেদের কবজায় নিতে চায়। এ কারণে ভারত তার চিকেন নেকের সামনে চীনের উপস্থিতি দেখতে চায় না। এ ক্ষেত্রে তিস্তায় চীনের কাজ নিয়ে ভারতের আপত্তি কতটুকু আমলে নেওয়া হবে?

এমন প্রশ্নের উত্তরে সেহেলী সাবরীন বলেন, এ রকম অনুমাননির্ভর প্রশ্নের উত্তর দেওয়াটা সহজ নয়। এ রকম কোনো প্রস্তাব যদি থাকে, তখন ভূরাজনৈতিক বিবেচনায় এগোতে হবে।

পাকিস্তানে সর্বপ্রথম হিন্দু নারী নির্বাচনে অংশ নিয়ে ইতিহাস করলেন

//দৈনিক বিশ্ব আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

সাভেরা পারকাশ নামের এক নারী পাকিস্তানের আসন্ন জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। তিনি দেশটির ইতিহাসে প্রথম হিন্দুধর্মাবলম্বী কোনো নারী, যিনি প্রত্যক্ষ কোনো নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

পেশায় চিকিৎসক সাভেরা লড়ছেন পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের বুনেরা জেলা থেকে। পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) টিকিটে তিনি প্রার্থী হয়েছেন; তার নির্বাচনি আসন পিকে-২৫ থেকে।

সাভেরা আগে থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি পিপিপির বুনেরা জেলার মহিলা শাখার সাধারণ সম্পাদক।

সাভেরার বাবা সদ্য অবসরপ্রাপ্ত চিকিৎসক ওম পারকাশ পিপিপির একজন সক্রিয় রাজনীতিক। তিনি ৩৫ বছর ধরে দলটির সঙ্গে রয়েছেন।

সাভেরার ভাষ্য— তিনি তার বাবার পদ অনুসরণ করে রাজনীতির পথে হেঁটেছেন। তিনি এই অঞ্চলের বিশেষ করে নারীদের উন্নয়নে কাজ করতে চান। কারণ সেখানে উন্নয়ন খাতে এখনো নারীদের ‘অপমান-অপদস্থ’ হতে হয়।

তিনি নিজের প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে বলেন, তাকে নির্বাচনে দাঁড় করাতে দলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব থেকে তার বাবাকে অনুরোধ করা হয়েছিল।

সাভেরা ২০২২ সালে অ্যাবোটাবাদ ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করেন। গত শুক্রবার তিনি মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। বিষয়টি সোমবার গণমাধ্যমের সামনে প্রকাশ পায়।

স্থানীয় রাজনীতিক ও কওমি ওয়াতান পার্টির সদস্য সেলিম খান বলেন, বুনেরা জেলা থেকে সাভেরাই প্রথম কোনো নারী, যিনি সাধারণ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে অংশ নিতে যাচ্ছেন।

প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন কমিশন (ইসিপি) সাম্প্রতিক এক সংশোধনীতে সাধারণ আসনে ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

আপানিও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনা মূল্যে পড়তে পারেন এই অনলাইন কোর্স

//দৈনিক বিশ্ব আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

যুক্তরাষ্ট্রের প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় হার্ভার্ডে ইচ্ছা করলেই পড়তে পারবেন যে কেউ। এ জন্য পকেট থেকে খসবে না এক পয়সাও। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বজুড়ে শিক্ষার্থীদের ফ্রি পড়ার এ সুযোগ দিচ্ছে অনলাইন কোর্সের মাধ্যমে। বিভিন্ন বিষয়ের প্রায় ৪০টির বেশি কোর্স অনলাইনে পড়ার সুযোগ দিচ্ছে তারা। এ পড়াশোনার জন্য কোনো কোনো কোর্সে কোনো ডিগ্রিগত যোগ্যতাও লাগবে না। সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে বাড়িতে বসে যে কেউ করতে পারবেন এসব কোর্স। তবে শুধু পড়া শেষে সার্টিফিকেট পেতে গেলে লাগবে অর্থ।

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন কোর্সগুলোর মধ্যে রয়েছে কম্পিউটার সায়েন্স, হেলথ অ্যান্ড মেডিসিন, ম্যাথমেটিকস, প্রোগ্রামিং, এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেইনিং, আইটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, বিজনেস, ডেটা সায়েন্স, হিউম্যানিটিজ, কম্পিউটার সায়েন্স, সোশ্যাল সায়েন্স-সংক্রান্ত বিবিধ বিষয়। কোর্সগুলোর সময়সীমা ৪ থেকে ১৫ সপ্তাহের। কোর্সগুলোর কারিকুলাম তৈরি করেছেন হার্ভার্ডের সেরা শিক্ষকেরাই।

তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক পাঠ্যক্রমগুলোতে টু-ডি এবং থ্রি-ডি গেম ডেভেলপমেন্ট থেকে বিভিন্ন ওয়েব ও মোবাইল অ্যাপের প্রযুক্তি শেখার ব্যবস্থা রয়েছে। বিজনেস বিভাগে ইমার্জিং ইকোনমিকস, কন্ট্রাক্ট ল এবং অ্যাকাউন্টিং ও ফিন্যান্সিয়াল স্টেটমেন্ট বিষয়ে তিনটি প্রাথমিক কোর্স রয়েছে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও মেশিন লার্নিংয়ের এই যুগে ১৪টি অনলাইন কোর্স করাচ্ছে হার্ভার্ড ডেটা সায়েন্স বিভাগ।

চীন ও কমিউনিজম এবং আধুনিক চীন-তাইওয়ান, হংকং সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাইলেও, সে ব্যবস্থা রেখেছে ১৬৩৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এ বিশ্ববিদ্যালয়। আছে শেক্‌সপিয়ার নিয়ে পড়ার আয়োজনও।

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্রি কয়েকটি কোর্স হলো—

  • CS50’s Understanding Technology: কোর্সটি তাঁদের জন্য তৈরি, যাঁ প্রতিদিন প্রযুক্তি ব্যবহার করেন কিন্তু এর পেছনের বিজ্ঞান সম্পর্কে অবগত নন। কোর্সটির সময়সীমা ছয় সপ্তাহ। এই কোর্সটি করার পর শিক্ষার্থীরা আরও ভালোভাবে প্রযুক্তি বহার করতে পারবেন। এ কোর্সের মধ্যে হার্ডওয়্যার, ইন্টারনেট, মাল্টিমিডিয়া, সিকিওরিটি, প্রোগ্রামিং ও ওয়েব ডেভেলপমেন্টের মতো বিষয় পড়ানো হবে।
  • CS50’s Introduction to Programming with Scratch: ভিজ্যুয়াল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ Scratch-এর মাধ্যমে যে যে শিক্ষার্থীরা প্রোগ্রামিংয়ের কিছুই জানেন না, তাঁরা নিজেদের অ্যানিমেশন, গেমস, ইন্টারঅ্যাক্টিভ আর্ট ও স্টোরি তৈরি করতে পারবেন। এ কোর্সের মাধ্যমে শিক্ষার্থী প্রোগ্রামিংয়ের মূল বিষয়বস্তুগুলো এবং জাভা ও পাইথনের মতো প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজগুলো সম্পর্কে জানতে পারবেন। তিন সপ্তাহের এ কোর্সে শিক্ষার্থীদের প্রোগ্রামিংয়ের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শেখানো হবে। এ কোর্সের ফলে ভবিষ্যতে আরও জটিল প্রোগ্রামিং কোর্স করতে সক্ষম হবেন শিক্ষার্থীরা।
  • CS50’s Introduction to Computer Science: এটি একটি শুরুর পর্যায়ের একটি কোর্স। এ কোর্সের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা কম্পিউটারের নানা সমস্যার সমাধান করতে পারবেন। এ কোর্সটি ১১ সপ্তাহ ধরে চলবে।
  • CS50’s Introduction to Game Development: এই কোর্সের মাধ্যমে টুডি (2D) ও থ্রিডি (3D) ইন্টারআক্টিভ গেম ডেভেলপ ও ডিজাইন করতে শেখানো হবে। পোকেমন ও অ্যাংগ্রি বার্ডসের মতো গেমস তৈরির উপায় সেখানো হবে এ কোর্সে। কোর্সের সময়সীমা ১২ সপ্তাহ।
  • CS50’s Introduction to Artificial Intelligence with Python: এ কোর্সের মাধ্যমে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (এআই) নতুন ধারনাগুলো শেখানো হবে। কোর্সে এআইয়ের ব্যবহার শিখবে শিক্ষার্থীরা। কোর্সের মেয়াদ সাত সপ্তাহ।
  • 4P Model for Strategic Leadership Podcasts: এ কোর্সে লিডারশিপ, পলিটিক্যাল সায়েন্স, সরকার, পাবলিক পলিসি সম্পর্কে শেখানো হবে। কোর্সের মেয়াদ ৪ সপ্তাহ।

গাজায় যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র হামসকে কিকি শর্ত দিয়েছে

//দৈনিক বিশ্ব আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের সদস্যরা আত্মসমর্পণ করলে তাৎক্ষণিকভাবে গাজা যুদ্ধ থামানো সম্ভব বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিঙ্কেন।

বুধবার (২০ ডিসেম্বর) ওয়াশিংটনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এ সময় যুদ্ধবিরতির দাবি জানানোর পরিবর্তে হামাসকে আত্মসমর্পণ করতে চাপ দেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানিয়েছেন আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

ব্লিঙ্কেন বলেন, যে বিষয়টি আমার কাছে অবাক লাগছে, তা হলো— অধিকাংশ দেশ গাজায় যুদ্ধবিরতির দাবিতে সোচ্চার, কিন্তু কেউই হামাসকে আত্মসমর্পণ করতে বলছে না। হামাসকে নিরীহ বেসামরিকদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে অস্ত্র চালানো বন্ধ করতে বলছে না কোনো দেশ। হামাস যদি অস্ত্র ফেলে দিতে রাজি হয়, তা হলে তাৎক্ষণিকভাবে এই যুদ্ধ থামানো সম্ভব।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা সবাই চাই যে এই যুদ্ধ শিগগিরই বন্ধ হোক; কিন্তু যদি হামাস তার সামরিক সক্ষমতাসহ গাজায় তার অবস্থান টিকিয়ে রাখে, তা হলে বারবার ৭ অক্টোবরের মতো হামলা সেখানে ঘটতে থাকবে। আর এ ধরনের হামলা ইসরাইলের জন্য হুমকি, মধ্যপ্রাচ্যের জন্য হুমকি এবং এমনকি বৈশ্বিক শান্তির জন্যও হুমকি।

সংবাদ সম্মেলনে ইসরাইল যে মাত্রায় গাজায় অভিযান চালাচ্ছে, তারও সমালোচনা করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমরা এর আগে একাধিকবার ইসরাইলকে বলেছি, আবারও বলছি— অভিযান যেন আরও সুনির্দিষ্ট করা হয়।

গত ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া হামাস–ইসরাইল সংঘাত গাজায় এখন পর্যন্ত প্রায় ২০ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা এই যুদ্ধে গাজায় ৫২ হাজার ৫৮৬ জন আহত হয়েছে। ধসেপড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছেন আরও হাজার হাজার মানুষ।

জীবিত ও  সুস্থ রয়েছেন দাউদ ইব্রাহিম – ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছোটা শাকিল

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

জীবিত রয়েছেন। সুস্থ রয়েছেন দাউদ ইব্রাহিম। একটি সংবাদ মাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিয়ে এই দাবিই করলেন তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছোটা শাকিল। উড়িয়ে দিলেন গ্যাংস্টারকে বিষ খাইয়ে খুনের চেষ্টার জল্পনা।

দাউদের ডানহাত বলে পরিচিত ছোটা শাকিল একটি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘দাউদ জীবিত এবং সুস্থ রয়েছেন। এই ভুয়ো খবর দেখে আমি স্তম্ভিত হয়েছি। রবিবারই একাধিক বার ওঁর সঙ্গে দেখা করেছি আমি।’’

সোমবারই সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়, গুরুতর অসুস্থ হয়ে করাচির হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন দাউদ। সমাজমাধ্যমে এই নিয়ে একাধিক পোস্ট দেখা যায়। অনেকে আবার পাকিস্তানের তদারকি প্রধানমন্ত্রী আনওয়ার উল হকের একটি পোস্টের স্কিনশট শেয়ার করেন। সেই পোস্টে লেখা, দাউদের মৃত্যু হয়েছে। যদিও পরে জানা যায়, ওই অ্যাকাউন্টটি ভুয়ো। ওই ভাইরাল মেসেজে লেখা হয়েছিল, ‘‘মানবতার মসিহা, প্রত্যেক পাকিস্তানির মনের খুব কাছে থাকা, আমাদের প্রিয় দাউদ ইব্রাহিমের মৃত্যু হয়েছে। অজ্ঞাতপরিচয় কেউ বিষ খাইয়েছেন তাঁকে। করাচির হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। স্বর্গে যান, এই কামনা করি।’’

এই পোস্টের পরেই দাউদকে বিষ খাওয়ানোর জল্পনা জোরালো হয়। পাক সংবাদমাধ্যমের একাংশের সূত্রে জানা যায়, তাঁর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। একটা সূত্রের তরফে দাবি করা হয়, বিষ খাওয়ানো হয়েছে দাউদকে। যদিও বিষয়টি নিশ্চিত করেনি কোনও পক্ষ। দাউদের পরিবারের তরফেও উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে সেই দাবি। পাক সংবাদ মাধ্যমেও তৈরি হয় জল্পনা। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলির একাংশ দাবি করে, করাচির হাসপাতালে কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে রাখা হয়েছে দাউদকে। হাসপাতালের যে অংশে তিনি রয়েছেন, সেখানে আর কোনও রোগীকে রাখা হয়নি। কাউকে ধারেকাছে যেতে দেওয়া হচ্ছে না।

দাউদকে নিয়ে এর আগে বিভিন্ন খবর সংবাদ মাধ্যমে বার বার প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর মৃত্যুর খবরও প্রকাশিত হয়েছিল। পরে সেই দাবি খারিজ করা হয় দাউদের পক্ষ থেকে। ২০২৩ সালে একটি সংবাদমাধ্যম দাবি করে, করাচিতে দ্বিতীয় বার বিয়ে করেছেন দাউদ। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএর জেরার সময় এই কথা জানিয়েছিলেন দাউদের প্রয়াত বোন হাসিনা পার্কারের ছেলে আলিশাহ ইব্রাহিম পার্কার। তিনি এও জানিয়েছিলেন, পাকিস্তানের করাচির আবদুল্লা গাজি বাবা দরগার কাছে থাকেন দাউদ। এক পাঠান মহিলাকে দ্বিতীয় বার বিয়ে করেছেন। তবে প্রথম স্ত্রী ময়জ়াবিনের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়নি তাঁর।

অভিযোগ, ১৯৯৩ সালের ১২ মার্চ মুম্বইয়ে যে ধারাবাহিক বোমা বিস্ফোরণ হয়েছিল, তার মাস্টারমাইন্ড ছিলেন দাউদ। পাকিস্তান থেকে এই হামলা পরিচালনা করেছিলেন তিনি। আমেরিকা থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপুঞ্জ, সবার খাতাতেই ঘোষিত বিশ্বমানের জঙ্গি দাউদ। আল কায়েদা, তালিবানের সঙ্গেও তাঁর যোগ ছিল বলে অভিযোগ। আরও অভিযোগ, বিশ্ব জুড়ে নিষিদ্ধ মাদক পাচার চক্র চালান দাউদ। জঙ্গি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সেই কারবার চালান তিনি। এ বার সেই দাউদ ভর্তি হাসপাতালে বলে অভিযোগ। সূত্রঃ আনন্দবাজার

 

কুয়েত || আমির শেখ নাওয়াফ এর মুত্যুর পর নতুন আমির হলেন শেখ মিশাল

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

কুয়েতের আমির শেখ নাওয়াফ আল-আহমদ আল-জাবের আল-সাবাহ মারা গেছেন। শনিবার ৮৬ বছর বয়সি আমিরের মৃত্যুর খবর ঘোষণা করে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা কুনা।

নাওয়াফের মৃত্যু হওয়ায় এখন কুয়েতের পরবর্তী আমির হিসেবে তার সৎ ভাই মিশাল আল-আহমাদ আল-জাবের আল-সাবাহর নাম ঘোষণা হয়েছে।

নতুন আমির হতে যাওয়া মিশালও এখন বৃদ্ধ হয়ে গেছেন। তার বর্তমান বয়স ৮৩ বছর। ২০২০ সালে তৎকালীন আমির সাবাহ আল-আহমেদ আল-জাবের আল-সাবাহর মৃত্যুর পর ৮০ বছর বয়সে ক্রাউন প্রিন্স হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন মিশাল। এর মাধ্যমে বিশ্বের ইতিহাসে ‘সবচেয়ে বয়স্ক ক্রাউন প্রিন্স’ হওয়ার রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি।

নাওয়াফ ২০২০ সালে আমির হয়েছিলেন। কিন্তু ওই সময় থেকেই নানান শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। ২০২১ সালে চিকিৎসার জন্য একবার যুক্তরাষ্ট্রেও গিয়েছিলেন তিনি। তবে গত কয়েকদিন ধরে তার শারীরিক অবস্থা বেশি খারাপ হয়ে যায়। ওই সময় থেকেই নিবিড় পরিচর্যায় ছিলেন তিনি। ৮৬ বছর বয়সে আজ তার মৃত্যু হয়েছে।

সদ্যই প্রয়াত নাওয়াফ অসুস্থ থাকায়— কুয়েতের রাষ্ট্রীয় অনেক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছিলেন ক্রাউন প্রিন্স মিশাল। নাওয়াফের বদলে কয়েকদিন আগে মিশাল যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস-প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। এছাড়া কুয়েতের সংসদ ভেঙে দেওয়ার ঘোষণাও এসেছিল তার মুখ থেকে।

২০২০ সালে মিশালকে যখন ক্রাউন প্রিন্স বানানো হয়; তখন এ নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল। মূলত তার বয়সের কারণেই এমনটি হয়েছিল। তবে বিশ্লেষকরা তখন জানান, কুয়েতের শাসকরা এখনই পরবর্তী প্রজন্মের হাতে শাসনভার দিতে চান না। এ কারণে তরুণদের বদলে বুড়ো মিশালকে ক্রাউন প্রিন্স বানানো হয়েছিল।

কুয়েতের আমির শেখ নাওয়াফ মারা গেছেন

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

কুয়েতের আমির শেখ নাওয়াফ আল–আহমদ আল–জাবের আল–সাবাহ মারা গেছেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এ কথা জানানো হয়েছে। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।

কুয়েতের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে আজ শনিবার আমিরের মৃত্যুর ঘোষণায় বলা হয়, ‘আমরা গভীরভাবে শোকাহত…কুয়েতের আমির শেখ নাওয়াফ আল–আহমদ আল–জাবের আল–সাবাহ মারা গেছেন।’

শেখ নাওয়াফ আল–আহমদ আল–জাবের আল–সাবাহ ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে কুয়েতের আমির হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। সৎভাই ও তৎকালীন আমির শেখ সাবাহ আল–আহমদ আল–জাবের আল–সাবাহর মৃত্যুর পর কুয়েতের আমির হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন শেখ নাওয়াফ। এর আগে ২০০৬ সালে শেখ নাওয়াফকে দেশটির পরবর্তী আমির হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়।

আমির হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে কয়েক দশক ধরে কুয়েতের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এর মধ্যে ১৯৯০ সালে তৎকালীন ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন কুয়েতে হামলা চালানোর সময় প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছিলেন শেখ নাওয়াফ। তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেন।

কুয়েতের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানায়, গত মাসে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে আমির শেখ নাওয়াফকে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর আগে ২০২১ সালের মার্চে চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন তিনি। তবে ওই সময়ও তাঁর অসুস্থতার কারণ জানানো হয়নি।

আইএমএফ সনকারের প্রতি খুশি হয়েছে এবং কিছু পরামর্শ দিয়েছেন

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ//

বাংলাদেশকে প্রবৃদ্ধি সহায়ক সংস্কারে মনোনিবেশ করার পরামর্শ দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। এজন্য কঠোর আর্থিক নীতিমালা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে আইএমএফ মিশন প্রধান রাহুল আনন্দ। তিনি বলেছেন, একই সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রার চাপ কমাতে আরও নমনীয় বিনিময় হার ব্যবস্থা প্রয়োজন।

শুক্রবার ওয়াশিংটন থেকে ভার্চুয়ালি প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। আইএমএফের নির্বাহী বোর্ডের প্রথম পর্যালোচনা শেষে ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের ঋণের দ্বিতীয় কিস্তির প্রায় ৬৮৯ মিলিয়ন ডলার অনুমোদনের দুদিন পর তিনি এ কথা জানালেন।

ব্রিফিংয়ে রাহুল আনন্দ বলেন, আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, বেশিরভাগ কর্মসূচির লক্ষ্যমাত্রা ও সংস্কারে প্রতিশ্রুতি পূরণ করা হয়েছে। কঠিন সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিবেশ সত্ত্বেও সামগ্রিক কর্মসূচির কর্মক্ষমতা সন্তোষজনক হয়েছে।

এ প্রচেষ্টার জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, কোভিডের পর থেকেই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ভালো করছে। কিন্তু রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর সেই লাগাম ছুটে যায়। এরপর ব্যাংক সুদহারের সীমা তুলে নেওয়ার পর থেকে পরিস্থিতি বদলাচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এরই মধ্যে সুদহারের সীমা তুলে নিয়েছে। ফলে নতুন ঋণের ক্ষেত্রে সুদ এখন ১১ শতাংশের বেশি। এই কঠোর অবস্থা কিছুদিন বহাল রাখতে হবে। এটি আমাদের পরামর্শ ছিল। কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে, এই চড়া সুদহারের সময় যেন আবার মূল্যস্ফীতি বেড়ে না যায়। অর্থাৎ মুদ্রানীতি আরও সঙ্কোচন করতে হবে বলে জানান রাহুল আনন্দ।

এ সময় বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে যেতে কয়েকটি ক্ষেত্রে মনোনিবেশ করতে হবে বলে তিনি উল্লে­খ করেন। প্রথমত, কর রাজস্ব বৃদ্ধি ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমাতে হবে। তাহলে কর্তৃপক্ষ সামাজিক উন্নয়ন ও জলবায়ু খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে পারবে। ব্যয় দক্ষতা বৃদ্ধি ও আর্থিক ঝুঁকি কমাতে জনসাধারণের আর্থিক ও বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা বাড়ানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকতে হবে।

দ্বিতীয়ত, আর্থিক নীতি কাঠামো আধুনিক ও নীতি সঞ্চালন উন্নত করতে হবে। তাহলে সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বাড়াবে। বিনিময় হার কাঠামো আধুনিক ও রিজার্ভ ব্যবস্থাপনা জোরদার করতে আরও সংস্কার বাহ্যিক স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি করবে।

তৃতীয়ত, ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রণ, তদারকি ও সুশাসন জোরদারের মাধ্যমে আর্থিক খাতের দুর্বলতা মোকাবিলায় সংস্কারের দিকেও মনোনিবেশ করা উচিত।

আইএমএফের এশীয় ও প্যাসিফিক বিভাগ আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনের আগে বাংলাদেশের ওপর কান্ট্রি রিপোর্ট প্রকাশ করে আইএমএফ। ওই রিপোর্টে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা এবং করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা রয়েছে। ভার্চুয়ালি সংবাদ সম্মেলনে অন্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাংলাদেশে আইএমএফের প্রতিনিধি জয়েন্দু দেও সংযুক্ত ছিলেন।

ডুমুরিয়ায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস পালিত

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি// 

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস ২০২৩ উপলক্ষে ১০ ডিসেম্বর রবিবার সকালে ন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড হেলথ কেয়ার সোসাইটি ডুমুরিয়া উপজেলা শাখায় আয়োজনে বেলা ১১টায় র‍্যালি ও আলোচনা সভা  অনুষ্ঠিত হয়।

সংগঠনের মোঃ আবু বাক্কার মোল্লার সভাপত্বিতে বাস ষ্টান্ড চত্বরে অনুষ্ঠিত  আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি বক্তব‍্য দেন ন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড হেলথ কেয়ার সোসাইটি  খুলনার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ তৌহিদুর রহমান প্রধান বক্তার বক্তব‍্য দেন হিউম্যান রাইট(মানবাধিকার)ডুমুরিয়া শাখার  প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুফতি আব্দুল কাইউম জমাদ্দার।

বিশেষ বক্তার বক্তব‍্য দেন হিউম্যান রাইটস লিগার এডভাইজার অ্যাডভোকেট লুবনা খানম,  আরো বক্তব‍্য দেন  বিশিষ্ট কলামিস্ট অধ্যাপক আব্দুল কাদের খান, শহীদ স্মৃতি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো.সহিদুল ইসলাম নিরাপদ সড়ক চাই ডুমুরিয়া শাখার সভাপতি খান মহিদুল ইসলাম,টিপনা আঙ্গার দাখিল মাদ্রাসা সুপার  মাওলানা বাইজিদ হুসাইন , শোভনা দাখিল মাদ্রাসা সুপার মাও.জাকির হোসেন, সংগঠনের  সহ-সভাপতি  বিএম নাজিম উদ্দিন,সাধারণ  সম্পাদক  মো.সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা  নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি  রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আ.খালেক। অনুষ্ঠানটি  সঞ্চালন করেন মোহাম্মদ আরিফুজ্জামান নয়ন ও শেখ আমজাদ হোসেন।