কুমিল্লায় ফসলি জমির মাটি গিলে খাচ্ছে সিন্ডিকেট, দেখার কেউ নেই? নষ্ট হচ্ছে গ্রামীণ সড়ক, উজাড় হচ্ছে বনাঞ্চল ও খালের পাড়

//স্টাফ রিপোর্টার//
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মাটি ব্যবস্থাপনা আইন সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে বেপরোয়া হয়ে কয়েকটি প্রভাবশালী সিন্ডকেট দিবা-রাত্রি মাটি কেটে ড্রাম ট্রাক, পিকআপ ও ট্রাক্টরের মাধ্যমে বিভিন্ন ইটভাটায় মাটি সরবরাহ করছে। চতুর্দিকে যেন মাটি কাটার ধুম পড়েছে। উপজেলার প্রায় বিশ-ত্রিশটি স্থানে প্রভাবশালী চক্রগুলো নির্বিচারে ভেকু ও এসকেভেটর মেশিনের সাহায্যে মাটি কেটে নিচ্ছে। সংঘবদ্ধ কয়েকটি মাটি খেকো সিন্ডিকেটের হাত থেকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বনের জমি, খালের পাড়, সরকারি খাস জমি আর আবাদি জমির মাটি রক্ষা পাচ্ছে না।

কুমিল্লায় ফসলি জমির মাটি গিলে খাচ্ছে সিন্ডিকেট, দেখার কেউ নেই?
নষ্ট হচ্ছে গ্রামীণ সড়ক, উজাড় হচ্ছে বনাঞ্চল ও খালের পাড়

মাঝে মধ্যে প্রশাসন মোবাইল কোর্টে জরিমানা আর সাজা দিয়েও থামাতে পারছে না মাটি খেকোদের দৌরাত্ম্য। চৌদ্দগ্রাম পৌরসভাসহ উপজেলার ১৩ ইউনিয়নের প্রায় ৫০টি ইটভাটায় ফসলি জমিনের উর্বর মাটি কেটে পাহাড়ের মতো স্তুপ করার কাজে ব্যস্ত রয়েছে ভাটা মালিক ও মাটি খেকো চক্র। প্রশাসনকে ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যে রাতের আধাঁরে চলছে মাটি কাটা উৎসব। এসব মাটি চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ইটভাটা ও নিচু জায়গা ভরাটের কাজে। মিনি ট্রাক, ভারী ড্রাম ট্রাক ও ট্রাক্টর দিয়ে মাটি পরিবহন করায় নষ্ট হচ্ছে গ্রামীণ পাকা, আধা-পাকা ও মাটির রাস্তাগুলো। অভিযোগ উঠেছে, ইটভাটা ও মাটি কাটা সিন্ডিকেটের মূল হোতা ঘোলপাশা ইউনিয়নের আমানগন্ডা উত্তর পাড়ার মৃত হাজী পঁচা মিয়ার ছেলে আল রায়হান আলকাছ। তাঁর নিজের ৫টি ভেকু, ৩টি এসকেভেটর ও ভেকু পরিবহনের জন্য রয়েছে লরি ২টি। একই এলাকার বাবুর্চি গ্রামের জসিম উদ্দিনের রয়েছে ৩টি ভেকু এবং বাতিসা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী দুর্গাপুর গ্রামের মনছুর মিয়া চট্টগ্রাম থেকে ভাড়ায় চালিত ৩টি ভেকু দিয়ে দক্ষিণ চৌদ্দগ্রামের কয়েকটি ইউনিয়নে অবাধে মাটি কাটছে। মাটি আনা নেওয়ার কাজে ধাপিয়ে বেড়াচ্ছে শতাধিক ড্রাম ট্রাক, পিকআপ ও ট্রাক্টর। ধূলাবালিতে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে মানুষর জীবন।
সরেজমিনে অনুসন্ধানকালে জানা গেছে, প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও শুকনো মৌসুম আসার সাথে সাথে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মাটি কাটা সিন্ডিকেটগুলো অবৈধভাবে মাটি কাটায় ব্যস্ত রয়েছে। যত্রতত্র এবং বনাঞ্চলের মাটি কাটার ফলে পরিবেশ ও প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। আবাদি জমির টপ সয়েল কাটার ফলে নষ্ট হচ্ছে জমির উর্বরতা। চৌদ্দগ্রামে কর্মরত সকল সংবাদ কর্মীদের ম্যানেজ করতে স্থানীয় প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দকে মাটি খেকো সিন্ডিকেট ও ইটভাটা মালিক সমিতির নেতারা তিন লক্ষ টাকার চেক প্রদান করেছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সরেজমিন পরিদর্শন করে দেখা গেছে, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার চান্দিশকরা, আলকরা ইউনিয়নের শিলরী, ভারতীয় সীমান্তবর্তী কাইচ্ছুটি গ্রামের সিঙ্গাপুর মার্কেট সংলগ্ন জিরো পয়েন্ট, গুনবতী ইউনিয়নের দশবাহা, জগন্নাথদিঘী ইউনিয়নের পায়েরখোলা, সোনাপুর, সীমান্তবর্তী কেচকিমুড়া, দক্ষিণ বেতিযারা, চিওড়া ইউনিয়নের সীমান্ত ঘেঁষা ডিমাতলি, চাপিরতলা, নোয়াপুর, চরপাড়া, কনকাপৈত ইউনিয়নের পন্নারা, তারাশাইল, করপাটি, বাতিসা ইউনিয়নের ভারত সীমান্তবর্তী আনন্দপুর, কালিকাপুর, লুদিয়ারা-বশকরা কুচা পাথর, মুন্সিরহাট ইউনিয়নের ফেলনা, বারাইশ ও ছাতিয়ানি, ঘোলপাশা ইউনিয়নের শালুকিয়ার ভারত সীমান্তবর্তী বনাঞ্চল, ইশানচন্দ্রনগর, আমানগন্ডা, কালিকাপুর ইউনিয়নের ছুপুয়া, বর্ধনবাড়ি, উজিরপুর ইউনিয়নের শামুকসার, ভাটবাড়ি, ভারত সীমান্তবর্তী সাহেবের টিলা, বেলঘর, শ্রীপুর ইউনিয়নের নালঘর, তুলাপুস্করণী, শুভপুর ইউনিয়নের উনকোট, পাশাকোট, হাজারিপাড়া, কাছারিপাড়া, কাশিনগর ইউনিয়নের সাহাপুর এলাকায় দিন-রাত ২৪ ঘন্টায় চলছে মাটি কাটা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর হোসেন বলেন, ‘ফসলি জমির মাটি কাটার বিরুদ্ধে নিয়মিত মোবাইল কোর্টি পরিচালনা করা হচ্ছে। জনপ্রতিনিধিদের বলা হয়েছে-যাতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ফসলি জমির মাটি কাটা বন্ধ রাখা হয়’।

আমতলীতে নকল প্রসাধনী বিক্রির অপরাধে জরিমানা

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলীতে সরকারী একে হাই স্কুল সড়কে বুধবার সকাল সাড়ে ১১ টার সময় নকল প্রসাধণী বিক্রির অপরাধে দুই যুবককে পৌরসভার স্বাস্থ্য পরিদর্শক মোঃ কবির হোসেন লক্ষাধিক টাকার প্রসাধনীসহ আটক করেন।

পরে আটককৃতদের ভ্রাম্যমান আদালতে সোপর্দ করলে আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলম আটককৃতদের ভোক্তা অীধকার আইন-২০০৯ এর ৪১ ধারায় ভ্রাম্যান আদালতের মাধ্যমে ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ প্রদান করেন।

আটকৃতরা হলেন,বরগুনা সদর উপজেলার কুমরাখালী গ্রামের বদরখালী ইউনিয়নের রিপন হাওলাদারের ছেলে ছাব্বির (২০) ও একই গ্রামের কামাল হোসেন হাওলাদারের ছেলে আশিক হাওলাদার (২০)।
তাদের কাছ থেকে পাওয়া নকল প্রসাধনী পুরিয়ে ফেলা হয়।

লাকসামে ফসলি জমি ভরাট করছেন ইউপি চেয়ারম্যান, সাংবাদিককে হুমকি

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা উপেক্ষা করে কুমিল্লার লাকসামে ফসলি জমি ভরাটের মহোৎসব চলছে। সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা খোদ জনপ্রতিনিধি নিজেই এবার ভরাট করছেন ফসলি জমি।
লাকসাম পৌরসভার কাদ্রা এলাকায় প্রায় সোয়া এক একর ফসলের মাঠ ভরাট করছেন লাকসাম পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী আহমদ। এছাড়াও লাকসামের বিভিন্ন স্থানে অবাধে ফসলি জমি ভরাটের এখন মহোৎসব চলছে।
একটি সূত্র জানায়, গ্রাহকদের পাওনা টাকার বিপরীতে এফআইসিএল নামে একটি মাল্টিপারপাস ওই জায়গা এগারো জন গ্রাহকের নামে রেজিস্ট্রি করে দেন। পরবর্তীতে ওই গ্রাহকরা জমিটি বিক্রির জন‍্য কাদ্রা গ্রামের আবদুল্লাহ আল মাহামুদ খুসরুকে আমমোক্তার নামা রেজিস্ট্রি দেন। আবদুল্লাহ আল মাহামুদ খুসরু ওই জায়গা বিক্রি করেন লাকসাম পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী আহমদের নিকট ।

ইউপি চেয়ারম্যান নন রেজিস্টার্ড বায়না সূত্রে মালিক হয়ে ওই জায়গা ভরাট করছেন । এতে করে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা যেমন উপেক্ষিত হয়েছে তেমনি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ফসলি জমি ও পরিবেশ। সম্প্রতি ফসলি জমি ভরাট করে সেখানে কোন প্রকল্প গ্রহণ না করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কিন্তু লাকসাম পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী আহমদ ওই নির্দেশনা উপেক্ষা করে তিনি ফসলি জমি ভরাট করছেন।
এদিকে আবদুল্লাহ আল মাহামুদ খুসরু জানান, ইউপি চেয়ারম্যান আলী আহমদ জমিটি আমার সঙ্গে বায়না করেছেন। আবার বিক্রির উদ্দেশ‍্যে ভরাট করছেন। তবে জমির পুরো টাকা এখনো পরিশোধ করেননি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজা মতিনকে এ বিষয়ে জানানো হলে তিনি জানান, বিষয়টি তিনি খবর নিয়ে দেখবেন।
ইউপি চেয়ারম্যান আলী আহমদের সঙ্গে ফসলি জমিতে মাটি ভরাটের বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিককে হুমকি দিয়ে বলেন, লাকসামে আরও কতো ভরাট হচ্ছে এগুলো আগে লেখেন। এনিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করলে টেংড়ি ভেঙে ফেলবো।

গ্রেফতার হলেও থেমে নেই তালতলী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাচারকারী চক্র

//সাইফুল্লাহ নাসির,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি//

বরগুনার তালতলী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের চলমান নির্মাণকে ঘিরে গড়ে ওঠা নির্মাণ সামগ্রী চুরির সিন্ডিকেটকে কোনভাবেই থামানো যাচ্ছেনা লুটপাট।

পাচারকারীরা নির্মান সামগ্রীর মুল উপাদান লোহা তামার তার অ্যালুমিনিয়াম সহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ লুটপাট করেই চলেছে।মাঝে মাঝে স্থানীয় প্রশাসন এসব মালামাল উদ্ধর করে মামলা দিলেও কোনভাবেই পাচারকারীদের থামানো যাচ্ছেনা।

সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) তালতলী থানার অফিসার ইনচার্জ এর নেতৃত্বে গভীর রাতে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের মেনীপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬৭ কেজি তামার তার উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত ওই এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফা হাওলাদারসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।এর আগেও একই এলাকা থেকে ২৩০ কেজি তামা জব্দ করে তালতলী থানা পুলিশ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,অবৈধ তামা পাচারকারীরা মালিপাড়া থানা রোড এলাকার ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী মশিউর এর কাছে বিক্রি করে। তালতলী বাজারে তামা বিক্রি করতে আসার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই তিনজনকে আটক করে পুলিশ।

তালতলী থানার ওসি সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, সাবেক ইউপি সদস্য সহ গ্রেফতারকৃত তিন জনকে আজ সকালে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

বরগুনার আমতলীতে সড়ক দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলী পৌর শহরস্থ ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কের আমতলী চৌরাস্তার আশপাশে সড়ক দখল করে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা  মাছ বাজার,কাঁচা বাজার ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে ২০টি অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হয়।

রাস্তা দখল করে এ সকল  অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলায় চৌরাস্তা এলাকায় তীব্র যানজটের কারনে জন দুর্ভোগ পোহাতে হতো।

আজ দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোহাম্মদ আশরাফুল আলম এর নেতৃত্বে সড়ক পরিবহন আইন,২০১৮ ও ভোক্তা অধিকার আইন,২০০৯ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় চারজনকে ৪০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়।

অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ এ,কে,এম মিজানুর রহমান, ট্রাফিক ইনস্পেক্টর ও পুলিশ সদস্যবৃন্দ।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মাদ আশরাফুল আলম বলেন,ভবিষ্যতে রাস্তা দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।

ভাট লাকসাম সার্কেলের চাঁদাবাজি ও হয়রানি

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

ভ্যাট লাকসাম সার্কেল এর ইন্সপেক্টর মোদাব্বের এর চাঁদাবাজি হয়রানির শিকার ব্রিক ফিল্ড মালিকরা।

এই সার্কেলের আওতাভুক্ত লাকসাম, মনোহরগন্জ,নাংগলকোট ও চৌদ্দগ্রাম এলাকার ব্রিক ফিল্ড থেকে ইটভর্তি কোন ট্রাক্টর বের হলেই ভ্যাট কর্মকর্তার দোহাই দিয়ে আটক চাঁদাবাজি ও হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা গেছে এই ভ্যাট সার্কেলের মালিকরা তাদের প্রথম কিস্তির টাকা ইতিমধ্যে পরশোধ করেছে। আগামী ১৫  ফেব্রুয়ারি ২০২৩ দ্বিতীয় কিস্তর টাকা পরিষদের সময়সীমা নির্ধারিত রয়েছে। কিন্তু সময়সীমা পার হওয়ার পূর্বেই বকেয়া ভ্যাট কালেকশনের অজুহাতে  পাইকারি হারে রাস্তায়  ইট পরিবহনের ট্রাক্টর আটকের মাধ্যমে চাঁদাবাজি ও হয়রানি করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে লাকসাম সার্কেলের কর্মকর্তা মোদাব্বেরকে ফোন করলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে কুমিল্লা জোনাল সার্কেলের ঘাড়ে দায়িত্ব চাপাতে চান।

বরগুনার আমতলীতে মহিলা কলেজ প্রভাষকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা!

//সাইফুল্লাহ নাসির,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলী বকুলনেছা মহিলা ডিগ্রি কলেজের পদার্থ লবিজ্ঞানের প্রভাষক সৈয়দ মোহাম্মদ ওয়ালি উল্লাহর বিরুদ্ধে পাবলিক পরীক্ষায় বডি চেইঞ্জ করে পরীক্ষায় অংশ নিতে সহায়তার দায়ে জিআর-১৫৪/১৮নং মোকদ্দমায় আমতলী উপজেলার বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিজ্ঞ বিচারক গ্রেফতারী পরোয়ানার আদেশ দিয়েছেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে,২০১৮ সালের মে মাসের ৩ তারিখ আমতলী বকুলনেছা মহিলা কলেজের এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে উচ্চতর গনিত ২য় পত্রের পরীক্ষার দিন কেন্দ্রের দায়িত্ব প্রাপ্তরা পরীক্ষার্থী মোঃ আরিফুর রহমানের প্রবেশপত্র ও রেজিষ্টেশন কার্ড যাচাইকালে দেখতে পান যে, প্রবেশপত্র ও রেজিষ্টেশন কার্ডে মোঃ মেহেদী হাসান এর ছবি। তখন পরীক্ষা কেন্দ্রের দায়িত্ব প্রাপ্তদের জিজ্ঞাসাবাদে আরিফুর রহমান জানান যে, সে ২৫ হাজার টাকা চুক্তিতে আসল পরীক্ষার্থী মেহেদি হাসানের সাথে চুক্তিবদ্ধ হেেয়ছে তাকে জিপিএ ৪ পাইয়ে দিবে। সে মেহেদি হাসানের কাছ থেকে নগদ ২০ হাজার টাকা নিয়ে বডি চেইঞ্জ করে তার পরীক্ষা দিতে আসছে। ওই সময় কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্তরা আরিফুর রহমানকে পুলিশে সোপর্দ করে।
ওই ঘটনায় বকুলনেছা মহিলা ডিগ্রী কলেজের তৎকালীন (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষ মোঃ মজিবুর রহমান পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) ১৯৮০ এর ৩ (ক) ও (খ) ১৩ ধারায় বডি চেইঞ্জ করে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার দায়ে আরিফুর রহমানকে আসামী করে আমতলী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
ওই মামলায় আসামী আরিফুর রহমানকে (১৯) গ্রেফতার দেখিয়ে আমতলী উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি প্রদান করার জন্য প্রেরণ করে। আসামী আরিফুর রহমান জবানবন্দিতে বকুলনেছা মহিলা ডিগ্রী কলেজের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক সৈয়দ মোহাম্মদ ওয়ালি উল্লাহর সম্পৃক্ত থাকার বিষয়টি প্রকাশ করেন। ওই সময় আদালতের বিজ্ঞ বিচারক বিষয়টি পিবিআই পুলিশকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেন দেন। পরবর্তীতে তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই পুলিশের পরিদর্শক (পটুয়াখালী) মোঃ আব্দুস সোবাহান সৈয়দ মোহাম্মদ ওয়ালি উল্লাহর নাম তদন্ত প্রতিবেদন থেকে বাদ দিয়ে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।
আজ (১৭ জানুয়ারী) মামলার ধার্য তারিখে আদালতে পিবিআই পুলিশের দেয়া তদন্ত প্রতিবেদন সন্তোষজনক না হওয়ায় আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মোঃ আরিফুর রহমান মামলাটি আমলে নিয়ে সৈয়দ মোহাম্মদ ওয়ালি উল্লাহকে ওই মামলায় অর্šÍভূক্ত করে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসামী পক্ষের আইনজীবি অ্যাডঃ এম. ইসহাক বাচ্চু।

অভয়নগরে সিদ্ধিপাশা ইন্সটিটিউশন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍//

যশোরের অভয়নগরে সিদ্ধিপাশা ইন্সটিটিউশন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার সিদ্ধিপাশা ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত সিদ্ধিপাশা ইন্সটিটিউশন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক, পরিছন্নতা কর্মী, নিরাপত্তা কর্মী, আয়া পদে নিয়োগের বাণিজ্য করা হয়েছে বলে ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও অভিভাবক সদস্যরা বিভিন্ন দপ্তরে গত অক্টোবরের শেষে দিকে লিখিত অভিযোগ করেছেন। জানা গেছে, অত্র বিদ্যালয়ে ৪টি পদে প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান গোপনে প্রায় ২৮ লাখ টাকার বিনিময়ে এ নিয়োগ দিয়েছেন।

যে কারণে অভিভাবক সদস্য ও এলাকাবাসীরা ফুসে উঠেছেন। অভিভাবক সদস্য দেবব্রত ভদ্র, পিয়ারি, জাকির ফারাজী, আবের আলী শেখ বাদী হয়ে মহাপরিচালক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর ঢাকা, পরিচালক ব্যানবেইস ঢাকা, পরিচালক দুদক কার্যালয় খুলনা, উপপরিচালক দুদক কার্যালয় যশোর, অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ওই নিয়োগ বন্ধ করে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান ওই বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটিকে না জানিয়ে অফিস সহায়ক, পরিছন্নতাকর্মী, নিরাপত্তা কর্মীও আয়া পদের জন্য গোপনে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।

পরবর্তীতে ব্যবস্থাপনা কমিটিকে কোন সভা, বা কোন প্রকার মৌখিক ভাবে কিছু না জানিয়ে অবৈধভাবে নিয়োগ কমিটি গঠন ও নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণ সহ নিয়োগ ও যোগদান পত্র দিয়ে যোগদান করানো হয়। এতে মোটা অংকের বিনিময়ে আইন বর্হিভুত ভাবে নিজের ইচ্ছেমত সভাপতির আপন বোন ও আত্মীয়দের এ নিয়োগ দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, রেজুলেশনে ব্যবস্থাপনা কমিটির কোন স্বাক্ষর নেই। প্রধান শিক্ষক জাল স্বাক্ষর করে এই কাজ পরিচালিত করেছেন।  তিনি স্বার্থসিদ্ধি ও বিদ্যালয়ের আর্থআত্মসাৎ ও ভুয়া ভাউচারসহ নিয়োগ বানিজ্যের উদ্দেশ্যে এ কার্য সাধন করেন। যেন কোন লোকজন জানতে না পারে। সে জন্য গত অক্টোবর মাসে রাতের বেলায় উক্ত চারটি পদে বিদ্যালয়ে নামমাত্র নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া হয়। এরপর ওই চার প্রার্থীর কাছে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে তাদের যোগদানপত্র দেয়া হয়।

এ ব্যাপারে অভিভাবক সদস্য দেব্রত ভদ্র, পিয়ারী , জাকির ফারাজী, আবের আলী শেখ জানান, অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক অফিস সহায়ক পদে সুফিয়া খাতুনকে সনদ বানিয়ে নিয়োগ প্রদান করেছেন। এবং সভাপতি জিয়া মোল্যার স্ত্রী শারমিন বেগম তার বোন সুফিয়া খাতুনের লিখিত পরীক্ষাটি করে দেন। খাতা চেক করলে হাতের লেখায় প্রমাণ পাওয়া যাবে। আয়া পদে সোনালী দাসের শিক্ষাগত যোগ্যতা জাতীয় পরিচয় পত্রের মায়ের নাম ও জন্ম তারিখ মিল না থাকার স্বত্তেও যাচাই বাছাইয়ে বাদ দেওয়া হয়নি। তাকেও এ নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তারা আরো বলেন, প্রধান শিক্ষকের ব্যানবেইস ও ব্যাংক হিসাব নম্বর ৯৬২৫। অথচ তিনি বেতন তোলেন ৯৬২৮ এ ব্যাংক এ্যাকাউন্ট থেকে যা অবৈধ। প্রধান শিক্ষকের নিয়োগ অবৈধ। তার বিরুদ্ধে ২০০৭/০৮ অর্থ বছরে মিনিস্ট্রির অডিটের আপত্তি দেওয়া হয়। ওই সময়  প্রধান শিক্ষক তার নিয়োগে তিনি জাল স্বাক্ষর ও সিল তৈরি করেন। যা এখনো তদন্ত করলে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে। এখনো তার বিরুদ্ধে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের অডিট আপত্তি আছে। বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. জিয়া মোল্যার সাথে কয়েকদিন যাবত যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার মুঠোফোনটি (০১৯৫৯৮০৯০৫১) বন্ধ পাওয়া যায়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান তার বিরুদ্ধে মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতির বোনকে অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যারা আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ করেছেন তাদের মধ্যে থেকে নিয়োগ পেতে চেয়েছিল। তাদেরকে নিয়োগ দেয়া হয়নি। অত্র বিদ্যালয়ে ৪টি পদে প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান গোপনে প্রায় ২৮ লাখ টাকার বিনিময়ে এ নিয়োগ দিয়েছেন, বেতন প্রসঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, এ ব্যাংক ৯৬২৮ এ্যাকাউন্ট থেকে তুলে থাকি। ব্যাংক হিসাব নম্বর ৯৬২৫ টা সচল নেই। এইটার ব্যাপারে ব্যাংকে অবজেকশন দেয়া আছে। কিংবা কোনো সদস্য বা অভিভাবকরা কি মনে করল সেটা তার দেখার বিষয় নয়। যথাযথ নিয়মানুসারে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে অভয়নগর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শহিদুল ইসলাম বলেন, এ নিয়োগ বিষয়টি নিয়ে ডিডি অফিস থেকে কোন তদন্ত হয়েছে কিনা আমার জানা নেই। অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান আমার নিকট আসছিলেন এ বিষয়ে কথা বলতে। এই প্রতিবেদককে তিনি আরো জানান, বিষয়টি আমি জানিনা।

Daily World News

রুবেল এখন টক অব দ্যা নাঙ্গলকোট

অভয়নগরে তরুণলীগের নব গঠিত কমিটির পক্ষ থেকে সংসদ সদস্যকে ফুলেল শুভেচ্ছা

ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং ঝামা বাজার শাখা’র ৩য় বর্ষপূর্তিতে গ্রাহক সমাবেশ

ভূমিদস্যুদের দখলে নওয়াব ফয়জুন্নেছার স্মৃতি বিজড়িত বাড়ী

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

ভূমিদস্যুদের থাবায় ঐতিহ্য হারানোর উপক্রম কুমিল্লার লাকসাম পশ্চিম গাঁয়ের উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম মহিলা নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানীর বাড়ী।
হাতি ও ঘোড়াগাড়ীতে চড়ে নওয়াব ফয়জুন্নেছা তার বাড়ীতে আসা-যাওয়া যে পথ ও দরজা ব্যবহার করতেন তা এখন অস্তিত্ব হারানোর দ্বারপ্রান্তে। ছৈয়দ আলী মিয়া নামক এক ভুমিদস্যু অবৈধভাবে ও গায়ের জোরে ঐ পথ বন্ধ করে ৫ বছর আগে শুরু করে বাড়ীর নির্মাণ কাজ।প্রত্নতত্ব অধিদপ্তর আপত্তি জানালে তৎকালীন সংসদ সদস্য ও বর্তমান এলজিআরডি মন্ত্রীর হস্তক্ষেপে ভূমিদস্যু ছৈয়দ আলী মিয়ার অবৈধ বাড়ীর কাজ বন্দ্বেে উপজেলা প্রশাসন নির্দেশ দেন। দীর্ঘদিন অর্ধসমাপ্ত অবস্থায় পড়ে থাকে নির্মানাধীন বাড়ীটি । কিন্তু সম্প্রতি ভূমিদস্যু রবিউল হোসেন সবুজের সক্রিয় তত্বাবধানে নওয়াব বাড়ীর পূর্ব দিকের প্রবেশপথ সংলগ্ন ঐ বিল্ডিং এর অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করা হয়। যাতে এখন কয়েকটি পরিবার বসবাস শুরু করছে।যা প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের নীতিমালার পরিপন্থী ।

উল্লেখ্য, নবাব ফয়েজুন্নেছা জীবদ্দশায় তার সম্পদের একটি অংশ জনকল্যাণে ওয়াকফ রাহে লিল্লাহ করেন। যাতে তাঁর আওলাদের উক্ত সম্পত্তি ব্যবহার ও ভোগ দখলের শর্ত থাকলেও বিক্রয় ও হস্থান্তর নিষিদ্ধ করা হয়। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য ওয়াকফ এস্টেট মোতওয়াল্লী সৈয়দ মাছুদুল হক ও তার ভাই সৈয়দ কামরুল হকের সহায়তায় ভূমিদস্যু আবুল কালাম বিপু ও দেলোয়ার হোসেন সবুজ ওয়াকফকৃত চিহ্নিত অনেক জায়গা ভূয়া দলিলের মাধ্যমে কেনা বেচা সম্পন্ন করছেন। দেলোয়ার হোসেন সবুজের নির্মিত বসতবাড়ীটি তার জ্বলত্ব উদহারন।এই বাড়ীটি ফয়জুন্নেসা এস্টেটের ওয়াকফকৃত সম্পদ। এছাড়া আরো বেশ কিছু জায়গা এখন জাল দলিলের মাধ্যমে বিক্রির চেষ্টা চলছে।

এলাকাবাসীর দাবী অবিলম্বে এসব ভূমিদস্যুদের কবল থেকে নওয়াব বাড়ীর প্রবেশের পুর্বদিকের গেট সহ ওয়াকফকৃত অন্যান্য সম্পদ উদ্ধার করা হোক।
বন্ধ হোক ধর্ম মন্ত্রনালয়ের আওতাধীন ওয়াকফ এস্টেট ও সংস্কৃতিক মন্ত্রনালয়ের ঠেলাঠেলি। সেই সাথে প্রত্বতত্ব অধিদপ্তরের তত্বাবধানে অবিলম্বে প্রস্তাবিত ফয়জুন নেছা যাদুঘর চালু করা হোক।

উল্লেখ্য, নারী শিক্ষার অগ্রদূত মহারানী নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী লাাকসাম সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের মাধ্যমে ইতিহাসে অমর হয়ে রয়েছেন।তার হাতে গড়া মসজিদের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন তিনি।

সম্পত্তির লোভে স্ত্রী সন্তানের কথা গোপন রেখে বিয়ে, থানায় লিখিত অভিযোগ

//স্টার্ফ রিপোর্টার//

খুলনার রূপসা উপজেলার আইচগাতী ইউনিয়নের সিংহের চর(দক্ষিণ নন্দনপুর) এলাকার মফিজ হাওলাদার এর ছেলে রুবেল হাওলাদার
প্রথম স্ত্রী সন্তান গোপন করে নুর নাহার নামে এক নারীকে বিয়ে করেন।

বিয়ের কিছুদিন পর নুর নাহার জানতে পারে রুবেল এর স্ত্রী সন্তান রয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে তাদের দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হলে রুবেল নুর নাহারকে শারিরিক নির্যাতন করে এবং মেরে ফেলার হুমকি দেয়।

ভুক্তভোগী জানিয়েছেন, রুবেল হাওলাদার
এর দ্বিতীয় স্ত্রী নুর নাহার।
তার প্রথম ঘরে ১২ বছর বয়সের একটা কন্যা সন্তান ও স্ত্রী রয়েছে।
রুবেল তাকে কখনো বলেনি যে তার স্ত্রী সন্তান আছে সে বিবাহিত। রুবেল সব কিছু গোপন করে কাবিন নামায়ও তিনি অবিবাহিত লিখেছেন।
থানায় অভিযোগে জানা গেছে, বিয়ের কিছুদিন পর রুবেল নুর নাহারের সম্পত্তি থেকে ২ কাঁঠা জমি তার নামে লিখে দিতে বলে।
কিন্তু স্ত্রী নাহার জমি লিখে না দেওয়ায় শুরু হয় তার উপর অত‍্যাচার।
রুবেল হাওলাদার এবং সৌরভ নামের তার এক সহযোগী মিলে নুর নাহার ও তার মেয়েকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে।

এঘটনায় বৃহস্পতিবার ২৪ নভেম্বর নূর নাহার রূপসা থানায় তার স্বামী রুবেল হাওলাদার ও সৌরভ এর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে