পারস্পরিক স্বার্থে বিমসটেক নেতাদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিমসটেক নেতৃবৃন্দকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, কভিড-১৯ পরবর্তী চ্যালেঞ্জ এবং পশ্চিমের রাজনৈতিক সংকটের প্রভাব মোকাবেলায় সদস্য দেশগুলোর পারস্পরিক স্বার্থে এই ফোরামটি হতে পারে একটি কার্যকর হাতিয়ার।

তিনি বলেন, ‘এই সম্মেলন আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টাকে ত্বরান্বিত করার এবং একাধিক চ্যালেঞ্জের অভিন্ন সমাধান খুঁজে বের করার সুযোগ দেবে।’

শেখ হাসিনা আজ তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোতে অনুষ্ঠিত পঞ্চম বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে এ সব কথা বলেন।

বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্ট্রি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন (বিমসটেক) ফোরামের ২৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে শেখ হাসিনা এ অঞ্চলের পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে একটি টেকসই এবং প্রতিকূলতা সহিষ্ণু বঙ্গোপসাগর অঞ্চল পূনর্গঠনের জন্য অভিন্ন কৌশল খোঁজার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বিমসটেক সদস্যভুক্ত ৭টি দেশে ১৫৪ কোটির বেশি লোকের বসবাস, যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার এক পঞ্চমাংশের বেশি এ কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই বিশাল জনসংখ্যা কেবল একটি চ্যালেঞ্জ নয়, এটি একটি বড় সুযোগও।’

শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তিন দফা প্রস্তাব রাখেন এবং সকল নেতাদের সহযোগিতায় ১৪টি সেক্টরকে সক্রিয় করে প্রক্রিয়াটিকে সম্পূর্ণরূপে কার্যকর করার আহ্বান জানান।

প্রথম দফায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জনগণের স্বার্থে অবিলম্বে বাস্তব সুবিধা নিশ্চিত করতে বিমসটেক এফটিএ, বিমসটেক সেন্টারসমূহ এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র, এনার্জি সেন্টার, কালচারাল কমিশন ইত্যাদি, সংযোগ প্রকল্প, বিদ্যুতের গ্রিড লাইন সংযোগে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাস্তবায়ন ও কার্যকর করার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।

দ্বিতীয় দফায় তিনি বলেন, অন্যান্য সব আইনি উপকরণ এবং নীতি সংক্রান্ত চলমান প্রক্রিয়া যা এখনো সম্পন্ন হয়নি, সে গুলো দ্রুত সম্পন্ন করার তাগিদ দেন।

পরিশেষে তৃতীয় দফায় তিনি উদীয়মান হুমকি মোকাবেলা এবং নতুন সুযোগ গ্রহণের লক্ষে বিমসটেকের বাইরে প্রাসঙ্গিক সংস্থাগুলোর সাথে অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণ করে সৃজনশীল এবং উদ্ভাবনী প্রক্রিয়ায় জড়িত হওয়ার জন্য সংস্থাটিকে ক্ষমতায়নের পরামর্শ দেন।

শ্রীলঙ্কা ভার্চ্যুয়ালি এই ৫ম বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করেছে। এই সম্মেলনের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘বিমসটেক-টুওয়ার্ডস এ রেসিলেন্ট রিজিয়ন, প্রোসপারাস ইকোনমিকস অ্যান্ড হেলদি পিপলস।’

শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট গোটাবায়ে রাজাপাকসের সভাপতিত্বে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

বিমসটেকের সদস্যভুক্ত দেশগুলোতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের জন্য নেতৃত্ব দানকারি দেশ হিসেবে বাংলাদেশের গুরুত্ব তুলে ধরে শেখ হাসিনা বিমসটেক কাঠামোর বাস্তবায়নে সহযোগিতা বাড়াতে নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান।

সদস্য দেশগুলোর মধ্যে শুল্ক মুক্ত বাণিজ্য ব্যবস্থা চালুর জন্য ২০১৪ সালে এগ্রিমেন্ট অন ফ্রি ট্রেড এরিয়া (এফটিএ) স্বাক্ষরিত হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, এক্ষেত্রে এফটিএ’র কিছু অত্যাবশকীয় আইনগত দিক চূড়ান্ত করা প্রয়োজন। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের নেতৃত্বে সংশ্লিষ্ট সেক্টরাল ওয়ার্কিং গ্রুপের সহযোগিতায় এগ্রিমেন্ট অন ট্রেড ইন গুডস অ্যান্ড রুলস অব অরিজিন চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে কিছু অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘এ প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করার ব্যাপারে আমি নেতাদের সহযোগিতা চাচ্ছি।’

বিমসটেক সহযোগিতার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান মাল্টিমডেল পরিবহন সংযোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, তাঁর দেশ বে অব বেঙ্গল রিজিয়নে বিভিন্ন দেশের সাথে বাংলাদেশকে যুক্ত করার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সরকার প্রধান বলেন, তিনি এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংকের কারিগরি সহযোগিতায় সদস্য দেশগুলোর প্রণীত বিমসটেক ট্রান্সপোর্ট কানেকটিভিটি মাস্টার প্লান গ্রহণে আজ বিমসটেক নেতাদের সাথে খুশি মনে যোগ দেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এ মাস্টার প্লান বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের আঞ্চলিক ঐক্য সহজ করবে।’

অপরদিকে তিনি বলেন, উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য জ্বালানি খাতে সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এই কারণে সকলকে উদ্ভাবনী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির জন্য নতুন ও যৌথ পদক্ষেপ নিতে হবে।

এক্ষেত্রে তিনি ২০১৮ সালের সর্বশেষ সম্মেলন চলাকালে বিমসটেকের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বিদ্যুৎ গ্রিড সংযোজন বিষয়ে সকল দেশের চুক্তি স্বাক্ষরের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘এ চুক্তিকে কার্যকর করতে আমরা একত্রে কাজ করতে পারি।’

এ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার ব্যাপারে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ গ্রিড সংযোজন বিষয়ে বিমসটেক মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে এডিবির প্রস্তাবিত কারিগরি সহযোগিতা কার্যক্রমকে তারা স্বাগত জানাতে পারে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বিমসটেক সহযোগিতা এবং নিরাপত্তা কৌশলের কাঠামোর মধ্যে এই অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ব্যাপারে তাঁর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, এ জন্য বাংলাদেশ কাজ করছে এবং বিমসটেক কনভেনশন অন কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড কনভেনশনাল ক্রাইম’র (সিটিটিসি) অধীনে সকল কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে। পাশাপাশি বিমসটেক ন্যাশনাল সিকিউরিটি এডভাইজর্স ফোরামের কাঠামোর অধীনে নিয়মিত নিরাপত্তা পরামর্শে অংশ নিচ্ছে।

সরকার প্রধান অভিমত প্রকাশ করেন যে, স্থায়ী সচিবালয় এবং মহাসচিব তাদের সমন্বয় এবং সুবিধা কাজে লাগিয়ে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

তিনি বলেন, ‘আয়োজক দেশ হিসেবে অবকাঠামো জোরদারে প্রয়োজনীয় সবকিছু করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

এ প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন যে, কার্যকারিতা ও সঠিক প্রতিনিধিত্বের জন্য তিনি বর্তমান সচিবালয়ের প্রাঙ্গনে একটি নতুন আইকনিক ভবন নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছেন।

তিনি মহাসচিব এবং তার টিমকে তাদের নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে বিমসটেক সহয়োগিতার কার্যক্রমকে জোরদারের জন্য ধন্যবাদ জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিমসটেক তার ২৫ তম বার্ষিকী উদযাপন করছে, এতে তিনি খুশি।

শেখ হাসিনা বলেন, চতুর্থ শীর্ষ সম্মেলনের নির্দেশনা অনুসরণ করে সব সরকার আলোচনা করে প্রস্তাবিত চার্টারের টেক্সট চূড়ান্ত করেছে, যা আমরা আজ অনুমোদন এবং স্বাক্ষর করতে যাচ্ছি।

তিনি আশা করেন, তারা আরো তিনটি পারস্পরিক আইনী দলিলে স্বাক্ষর প্রত্যক্ষ করবেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর থেকে আঞ্চলিক সহযোগিতার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে কাজ করার মাধ্যমে আঞ্চলিক সহযোগিতার স্বপ্ন দেখেছিলেন।

তিনি আরো বলেন, জাতির পিতার স্বপ্নের উত্তরাধিকার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে ১৯৯৭ সালে বিমসটেকে যোগ দেয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সংস্থার রজত জয়ন্তীর প্রাক্কালে আজ আমি ব্যক্তিগতভাবে একমাত্র প্রতিষ্ঠাতা নেতা হিসেবে বিশেষ মর্যাদা অনুভব করছি।’

তিনি উল্লেখ করেন যে, জাতির পিতার আঞ্চলিক সহযোগিতার অনুপ্রেরণা আজ বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির অগ্রাধিকারের অংশ এবং ঢাকায় বিমসটেক সটিবালয় এই সংস্থার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার প্রতিফলিত করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত এক দশকে গণতান্ত্রিক রীতি সমুন্নত রেখে আর্থ-সামাজিক ফ্রন্টে বাংলাদেশে একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন এসেছে।

তিনি বলেন, এ সময়ে দারিদ্রের হার ৪১.৫ শতাংশ থেকে ২০.৫ শতাংশ এবং অতি দারিদ্রের হার ২৫.১ শতাংশ থেকে ১০.৫ শতাংশে নেমে এসেছে। মাথাপিছু আয় তিনগুণের বেশী বেড়ে ২,৫৯১ ডলার হয়েছে এবং শিশু মৃত্যুর হার কমে প্রতি ১ হাজারে ২৩.৬৭ এবং মাতৃমৃত্যুর হার কমে প্রতি ১ লাখে ১৭৩ জনে দাঁড়িয়েছে। গড় আয়ু বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩ বছর।

বাংলাদেশ বিশ্বের শীর্ষ পাঁচটি দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির একটি, এ কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, কভিড-১৯ মহামারির সময়েও বাংলাদেশ গত বছর ৬.৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে।

তিনি বলেন, মাত্র গত সপ্তাহে বাংলাদেশ জনসংখ্যার ১০০ ভাগ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে।

তিনি বলেন, এ ছাড়া ইউএনজিএ বাংলাদেশকে এলডিসি থেকে উন্নয়নে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।

বিমসটেক সদস্য দেশগুলোর রাষ্ট্রপ্রধান, সরকার প্রধান, প্রতিনিধিদলের প্রধান এবং বিমসটেক মহাসচিব অ্যাম্বাসেডর তেনজিন লেকফেল এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। নূত্য: বিএসএস

English Dainikbiswa

কাপ্তাই হ্রদে পানি কমে যাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত

 

সিএস ম্যাপ জরিপ ও  জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে চাঁদপুর – শরীয়তপুর সীমান্ত বিরোধ সহসাই  নিষ্পত্তি হবে…. নূর হোসেন পাটওয়ারী

//মোঃ হোসেন গাজী, চাঁদপুর//

চাঁদপুর- শরীয়তপুর দুই জেলায় দেড়শ বছরের সীমান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষে দু জেলার শীর্ষ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ বিরোধপূর্ন এলাকা পরিদর্শন করেন।

২৯ মার্চ মঙ্গলবার সকাল ১০টা হতে বেলা ২ টা পর্যন্ত জনপ্রতিনিধিবৃন্দ চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলার  ৪ নং নীলকমল ইউনিয়ন এর সাথে পার্শ্ববর্তী শরীয়তপুর ও বরিশাল জেলার সীমান্ত এলাকা সরজমিন পরিদর্শন শেষে বিকেল ৪ টায় নীলকমল রাওচর আশ্রায়ন প্রকল্প এলাকায়  মতবিনিময় করেন দু জেলার  নেতৃবৃন্দ।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত এলাকাবাসী ও নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে চাঁদপুর জেলার পক্ষে  হাইমচর উপজেলা চেয়ারম্যান নূর হোসেন পাটওয়ারী বলেন দীর্ঘ দিনের সীমানা বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষে স্থানীয় সংসদ সদস্য শ ডা. দীপু মনি এমপি মহোদয় এবং শরীয়তপুরের মাননীয় সংসদ সদস্য নাঈম রাজ্জাক এর সম্মতিক্রমে আজ আমরা সরজমিন পরিদর্শন করলাম, সরকারী সিএস ম্যাপ অনুযায়ী সীমানা নির্ধারণ করে বিরোধ নিষ্পত্তি করা হবে। শরীয়তপুর -চাঁদপুর আমরা প্রতিবেশী এবং  ভাই ভাই, আমাদের প্রতিবেশী ও ভাই এর সম্পর্ক ঠিক রেখে এগিয়ে যাবো।

এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন  কোন চাঁদাবাজ জোতদার কে কেউ কোন চাঁদা দিবেন না, সিএস ম্যাপ অনুযায়ী আপনাদের জমি ও বসতি  যে জেলার অন্তর্ভুক্ত হবে আপনার সেখানেই থাকবেন কেউ আপনাদের উচ্ছেদ করতে পারবে না।

শরীয়তপুরের সংসদ সদস্য নাঈম রাজ্জাক এমপির প্রতিনিধি সাত্তার সরদার  বক্তব্যে বলেন কতিপয় ব্যক্তি সীমানা বিরোধ কে পুজি করে চাঁদাবাজি করছেন, অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন, নীরিহ মানুষজনকে হয়রানি ও নির্যাতন করছে, এ সকল অপকর্মে যারা লিপ্ত তারা দলের কেউ নয়, দল তাদেরকে সমর্থন করে না, দীর্ঘ দেড়শত বছরের সীমান্ত বিরোধ দু এমপির নির্দেশনায় উভয় জেলার নেতৃস্থানীয়দের সমন্বয়ে  আন্তরিক ভাবে নিষ্পত্তি হবে।

এসময় আরো বক্তব্য রাখেন হাইমচর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি হুমায়ুন কবির প্রধানীয়া, কোদালপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মিজান সরদার,  উপস্থিত ছিলেন  স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আক্তার হোসেন এর বড় ভাই ও আলওয়ালপুর ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান আমজাদ সরদার, হাইমচর উপজেলা আওয়ামী লীগ সহ সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান এম এ বাশার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজ চোকদার, হাইমচর প্রেসক্লাব সভাপতি মোঃ খুরশিদ আলম, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন,  নীলকমল ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সউদ আল নাসের, গাজীপুর ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান গাজী,  হাইমচর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জুলফিকার আলি জুলহাস সরকার, সাবেক চেয়ারম্যান শাহদাত সরকার, উপজেলা  স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ জহিরুল ইসলাম সোহেল পাটওয়ারী সহ  শরীয়তপুরজেলা  ও হাইমচর উপজেলার বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

কুকিং রেসিপি

বাংলাদেশের সড়ক নিরাপত্তার উন্নতির জন্য ৩৫৮ মিলিয়ন ডলার দিবে বিশ্ব ব্যাংক

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

: বাংলাদেশের সড়ক নিরাপত্তা উন্নতকরণ, অধিক ঝুঁকিপূর্ণ মহাসড়ক ও জেলা সড়কগুলোতে দুর্ঘটনার কারণে হতাহতের সংখ্যা কমিয়ে আনার লক্ষ্যে সহায়তা হিসেবে বিশ্বব্যাংক আজ ৩৫৮ মিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন অনুমোদন করেছে।

সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্প বাংলাদেশকে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক নিরাপত্তা সংক্রান্ত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে সহায়তা করবে।

জাতীয় মহাসড়ক-এন৪ (গাজীপুর-এলেঙ্গা) এবং এন৬ (নাটোর থেকে নবাবগঞ্জ)- প্রকল্পের অধীনে ব্যাপক সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার লক্ষ্যে উন্নত প্রকৌশল নকশা, পথচারীর জন্য সুবিধা, সঙ্কেত ও চিহ্ন স্থাপন, গতিসীমা প্রয়োগ এবং জরুরী সেবা বাস্তবায়ন করা হবে।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এসব ব্যবস্থা দুটি মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় শতকরা ৩০ ভাগের বেশি মৃত্যু হার কমাতে সহায়ক হবে।

বাংলাদেশ ও ভুটানে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন বলেছেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনা স্থায়ী প্রতিবন্ধিতার প্রধান এবং শিশুদের মৃত্যুর চতুর্থ প্রধান কারণ। এতে দরিদ্র পরিবারগুলো অত্যন্ত বৈষম্যের শিকার হয়। সড়ক নিরাপত্তার উন্নতি বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক এবং উন্নয়ন অগ্রাধিকার।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটি দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্বব্যাংকের প্রথম ডেডিকেটেড সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্প। এটি সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা উন্নতকরণ এবং দুর্ঘটনায় মানুষের মর্মান্তিক প্রাণহানি কমাতে বাংলাদেশকে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে সহায়তা করবে।’

প্রকল্পের অধীনে আধুনিক সড়ক নিরাপত্তা বাস্তবায়নে সক্ষমতা জোরদার করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ পুলিশের জন্য একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। এটি পেশাজীবি ড্রাইভারদের জন্য ব্যাপক ভিত্তিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি প্রণয়নেও সহায়তা করবে।

English Dainikbiswa

এসির কাজ করতে এসে লুটপাট, বাধা দেওয়ায়  গৃহবধূকে খুন

টিপুকে গুলি করা শুটারকে ডিবি কিভাবে ধরল- আদ্যোপান্ত

চট্টগ্রামের ১৮ টি খাল সিডিএ কে বুঝিয়ে দিতে প্রস্তুত সেনাবাহিনী

//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাাম//

জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পে সেনাবাহিনীর অধীন ৩৬ খালের মধ্যে ১৮টি খালের খনন কাজ শেষ হচ্ছে চলতি বছরের জুনে। সবকিছু ঠিক থাকলে খননকৃত এসব খাল চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে (সিডিএ) বুঝিয়ে দিতে চায় সেনাবাহিনী।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের আওতাধীন ৩৬ খালের খনন কাজ চলমান রয়েছে এ প্রকল্পের আওতায়। এছাড়া বাকি খালগুলোর খনন কাজ করছে সিডিএ। জুনে খনন কাজ শেষ হতে যাওয়া সেনাবাহিনীর আওতাধীন প্রকল্পের ১৮ খালের দৈর্ঘ্য ২৮ হাজার ৮৪ মিটার। এর মধ্যে ৬ হাজার ৯৫১ মিটার দৈর্ঘ্যের ৭টি খালের দুই পাশের রিটার্নিং ওয়ালের কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। এসব খালের খনন কাজ শেষ করে পানি চলাচলের উপযোগী করা হয়েছে। বাকি ২১ হাজার ১৩৩ মিটার দৈর্ঘ্যের ১১টি খালের কাজ শেষ হবে আগামী জুন মাসের মধ্যে।

কাজ শেষ হওয়া ৭টি খাল হলো: ১ হাজার ৮০০ মিটার দৈর্ঘ্যের রাজাখালী-২, ৫২৫ মিটার দৈর্ঘ্যের সদরঘাট-১, ৪০০ মিটার দৈর্ঘ্যের সদরঘাট-২, ৪০০ মিটার দৈর্ঘ্যের কলাবাগিচা, চাক্তাই এলাকার ৭১৬ মিটার দৈর্ঘ্যের মরিয়মবিবি খাল, এয়ারপোর্ট এলাকার ২ হাজার ২৩ মিটার দৈর্ঘ্যের গুপ্তাখাল এবং নগরের আমবাগান এলাকার ১ হাজার ৮৭ মিটার দৈর্ঘ্যের আজব বাহার খাল।

১১ টি খালের খনন কাজ চলমান রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে চান্দগাঁও শমসের পাড়া এলাকার ৩ দশমিক ৬০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ত্রিপুরা খাল, ২ দশমিক ৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের রুবি সিমেন্ট খাল, ৬৫৬ মিটার দৈর্ঘ্যের নয়াহাট খাল, ১ দশমিক ২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ফিরিঙ্গি বাজার খাল, ১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের টেকপাড়া খাল, ৭২০ মিটার দৈর্ঘ্যের মোগলটুলি খাল, ২ দশমিক ৯৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের রামপুর খাল, ১ দশমিক ৭৭৪ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের নাছির খাল, ২ দশমিক ৭৯৫ মিটার দৈর্ঘ্যের রাজাখালী-১, ১ দশমিক ৬ মিটার দৈর্ঘ্যের রাজাখালী-৩ এবং ২ দশমিক ৩৩৮ মিটার দৈর্ঘ্যের বাকলিয়া খাল। এসব খালের খনন কাজ শেষ হলে নগরীর জলবদ্ধতা অনেকাংশে কমে আসবে বলে মনে করছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের পরিচালক সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. শাহ আলী জানান, আমরা দ্রুত খাল খননের কাজ শেষ করতে চাই। এখন পর্যন্ত আমাদের প্রকল্পের ৬৪ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। এ প্রকল্পাধীন ৩৬ খালের মধ্যে ১৮ খাল চলতি জুন মাসের মধ্যে সিডিএকে বুঝিয়ে দিতে চাই। বাকি খালগুলোর কাজেরও অগ্রগতি হয়েছে। সামান্য কিছু প্রƒতিবন্ধকতার কারণে কাজ শেষ করতে একটু দেরি হচ্ছে।

২০১৭ সালের আগস্টে পাঁচ হাজার ৬১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন’ প্রকল্পের অনুমোদন দেয় একনেক। এর মধ্যে ১ হাজার ৭৭৩ কোটি ভূমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ বাবদ এবং ৩ হাজার ৮৪৩ কোটি টাকা প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়। এ প্রকল্পে ইতিমধ্যে ২ হাজার ১১১ কোটি ৯৮ লাখ ব্যয় হয়েছে। এ প্রকল্পের ভৌত অবকাঠামোর কাজ শুরু হয় ২০১৯ সালে। চলতি বছরের জুন মাসে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রকল্প শেষ হতে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময় লাগতে পারে জানিয়েছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পে দায়িত্বরত সিডিএ’র প্রকৌশলী আহমেদ মাইনুদ্দিন জানান, এ প্রকল্পে সেনাবাহিনীর কাজ ছাড়া তেমন কোনও কাজ নেই। যা কাজ করছেন তারাই। তবে জমি অধিগ্রহণ বিষয়ে আমরা কিছু কাজ করছি। এ নিয়ে জেলা প্রশাসন অফিসে ৮টি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। তারা বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে বেশকিছু ভুল-ত্রুটি পেয়েছেন। তা পরিমার্জন করে আমরা আবারও প্রস্তাব প্রেরণ করেছি। ভূমি অধিগ্রহণের বিষয়টি অত্যন্ত জটিল। এ জটিলতা নিরসন করতে আরও ৩-৪ মাস সময় লাগতে পারে।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

অস্কার জয়ী উইল স্মিথ হরিদ্বারেও পূজা করেছেন

পুতিনের হুঙ্কার : জেলেনস্কিকে বলুন, ওদের গুঁড়িয়ে দেব! 

ডুমুরিয়ায় সমাজ সেবা দপ্তরের প্রশিক্ষার্থীদের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া সংবাদদাতা//

অগ্রসর জনগোষ্ঠীর আর্থ সামাজিক উন্নযনে মোবাইল সাভিসিং ড্রাইভিং টিভি ফ্রিজ মেরামত এবং দর্জি বিজ্ঞান এমব্রডারি প্রশিক্ষণ শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে ডুমুরিয়া  উপজেলা  সমাজ সেবা দপ্তরের বাস্তবায়নে  প্রশিক্ষন কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপলক্ষ‍্যে ২৯ মার্চ  মঙ্গলবার সকালে  শহীদ জোবায়েদ আলী মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আব্দুল ওয়াদুদ এর সভাপতিত্বে  সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা সমাজ সেবা দপ্তরের উপ পরিচারক খান মোতাহার হোসেন সহকারী পরিচালক মো:  আইনুল হক , বক্তব‍্য কৃষি অফিসার মোছাদ্দেক হোসেন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরশাফ হোসেন প্রমুখ। ৩ মাস ব‍্যাপী প্রশিক্ষন ৬০ জন প্রশিক্ষর্থী অংশ করছে।

 

ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের উদ‍্যোগে বঙ্গন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও শিশু দিবস পালিত

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব,  ডুমুরিয়া, খsলনা//

জাতির পিতা ব্গবন্ধু শেখ  মুজিবুর রহমানের জম্ম বার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে  ডুমুরিয়া  সদর ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে ২৯ মার্চ মঙ্গলবার সকালে পরিষদের হল রুমে কেককাটা,দোয়া, শিশুদের কবিতা আবৃতি,চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা  ও পথ শিশুদের মাঝে বস্ত বিতরন করা হয।

উদ্বোধন ও কেক কাটেন ইউপি চেয়ারম্যান  গাজী হুমাউন কবির বুলু।  এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস‍্য  আ: গফফার গাজী,মো:  আমজাদ ফকির,  মো; লুৎফর মোড়ল, হাবিবুর রহমান খান, দেবাশিষ মন্ডল, আবু সুফিয়ান, নাজমুল হোসেন বকুল, আসমা পারভীন, আরজিনা বেগম প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম, শিক্ষক সমরেশ রায়, বিশ্বজিৎ রায়, হুমাউন কবির নিগার সুলতানা যুথি, নাজমা বেগম  ইউপি সচিব শৃীধাম, ছাত্র নেতা গাজী সোহেল আহম্মেদ লিটন প্রমুখ।  ইউপি চেয়ারম‍্যান   কেক কেটে শিশুদের বিতরন করেন।

 

খুলনার রূপসায় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

//রূপসা প্রতিনিধি//

রূপসা উপজেলা প্রশাসন এবং মহিলা বিষয়ক অফিস আয়োজনে ব্র্যাক সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ বিষয়ক সমন্বয় সভা গত ২৮ মার্চ সকাল ১০ টায় উপজেলা নির্বাহীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা রুবাইয়া তাছনিমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. কামাল উদ্দিন বাদশা।

এ সময় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ যোবায়ের, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, রূপসা থানা ওসি সরদার মোশাররফ হোসেন, কৃষি কর্মকর্তা ফরিদ উজ্জামান, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: প্রদীপ কুমার মজুমদার, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ডা: ওহিদুজ্জামান।

উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন ও ব্র্যাক সামাজিক ক্ষমতায়ন আইনী সুরক্ষা কর্মসূচির কর্মকর্তা রশিদা মেঘলা নারীর ক্ষমতায়ন বিষয়ে আলোচনা করেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকৌশলী এসএম ওয়াহিদুজামান, শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ আব্দুর রব, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আইরিন পারভীন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: আরিফ হোসেন, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোল্লা পারভেজ, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তারেক ইকবাল আজিজ, আইসিটি কর্মকর্তা রেজাউল করিম, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী (ভার:) মোঃ রাসেল, ইউপি চেয়ারম্যান অধ‍্যাপক আশরাফুজ্জামান বাবুল, আলহাজ্ব ইসহাক সরদার, মো: জাহাঙ্গীর শেখ, মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, সামন্তসেনা আলিয়া মাদ্রাসার সুপার মাওলানা শফিউদ্দিন নেছারী, মাওলানা আজাদ আবুল কালাম, সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা  গোলাম মোস্তফা, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য আব্দুল মজিদ ফকির, এমপির প্রতিনিধি আজিজুল হক কাজল, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম হাবিব, ইউপি সদস‍্য আসাবুর রহমান, রিনা পারভিন, বিনয় কৃষ্ণ হালদার প্রমূখ।

English Dainikbiswa

কোটালীপাড়ায় পিকআপ-বাইক সংঘর্ষে তিনজন নিহত

শব্দ দূষণে ঢাকা শহর বিশ্বে ১ম : জাতিসঙ্ঘ

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

শব্দ দূষণে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহর নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। জাতিসঙ্ঘের পরিবেশ কর্মসূচির (ইউএনএপি) ‘বার্ষিক ফ্রন্টিয়ারস রিপোর্ট-২০২২’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, বিশ্বে শব্দ দূষণে শীর্ষ শহর এখন ঢাকা। বাংলাদেশের এই রাজধানী শহরের পর শব্দ দূষণে দ্বিতীয় স্থানে আছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের মুরাদাবাদ। তালিকায় তৃতীয় স্থানে আছে পাকিস্তানের ইসলামাবাদ।

বিশ্বজুড়ে শব্দ দূষণের শহরের এই তালিকার শীর্ষ পাঁচ শহরের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলীয় রাজশাহী শহর। এই শহরের অবস্থান চতুর্থ এবং ভিয়েতনামের হো চি মিন শহর রয়েছে পঞ্চম স্থানে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) নির্দেশনার কথা উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আবাসিক এলাকার জন্য অনুমতিযোগ্য শব্দ সীমার মাত্রা ৫৫ ডেসিবেল। এছাড়া বাণিজ্যিক এলাকা ও যেখানে যানজট আছে সেখানে ৭০ ডেসিবেল। ঘনবসতিপূর্ণ ও ব্যাপক যানজটের শহর ঢাকায় শব্দের মাত্রা ১১৯ ডেসিবেল এবং রাজশাহীতে ১০৩ ডেসিবেল পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘পরিবেশগত শব্দের উত্স যেমন রাস্তার যানজট, বিমান চলাচল, রেল চলাচল, যন্ত্রপাতি, শিল্প এবং বিনোদনমূলক কর্মকাণ্ড থেকে সৃষ্ট শব্দ শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।’

জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির দূষিত শহরের এই তালিকায় দক্ষিণ এশিয়ার ১৩টি শহর রয়েছে। বাংলাদেশের ঢাকা, রাজশাহী আছে এই তালিকায়। এছাড়া ভারতের পাঁচটি শহর— মুরাদাবাদ, কলকাতা, আসানসোল, জয়পুর এবং দিল্লিও রয়েছে।

তবে এই তালিকায় শব্দ দূষণের ক্ষেত্রে বিশ্বের সবচেয়ে শান্ত শহর নির্বাচিত হয়েছে জর্ডানের ইরবিদ শহর। শহরটিতে শব্দের মাত্রা ৬৯ ডেসিবেল পাওয়া গেছে। সবচেয়ে কম শব্দ দূষণে ইরবিদের পরই আছে ফ্রান্সের লিয়ন (৬৯ ডেসিবেল), সুইডেনের স্টকহোম (৭০ ডেসিবেল) এবং সার্বিয়ার রাজধানী বেলগ্রেড (৭০ ডেসিবেল)।

English Dainikbiswa

পরীক্ষায় পাশ করতে ৩৩% মার্কস-ই কেন লাগবে জানেন…?

ডলার কিভাবে সারা বিশ্বের বিনিময় মুদ্রা যা যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছামত ছাপাতে পারে…?

স্বাধীনতা দিবসে রিয়াজুল জান্নাহ হিফজ ক্যাডেট মাদ্রাসার উদ্যোগে দোয়া ও সবক অনুষ্ঠানের আয়োজন

//বিশেষ প্রতিনিধি, অভয়নগর//

যশোরের হামিদপুরে রিয়াজুল জান্নাহ হিফজ ক্যাডেট মাদ্রাসা’র উদ্যোগে গত শনিবার সকালে মহান স্বাধীনতা দিবসের সকল শহীদদের আক্তার মাগফেরাত কামনা ও নাজেরা বিভাগের সবক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ফাউন্ডেশন যশোরের মাষ্টার ট্রেইনার ও তালিমুল কুরআন ফাউন্ডেশনের জেলা মোয়াল্লিম আশরাফ আলী। রিয়াজুল জান্নাহ হিফজ ক্যাডেট মাদ্রাসা’র চেয়ারম্যান এম এ আর মশিউরের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আল -আরাফা ইসলামী  ব্যাংক লি: ঝুমঝুমপুর উপ শাখা ব্যবস্থাপক, হাফেজ মাওলানা কামরুল আলম।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শিক্ষাবিদ ইসমাইল হোসেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক খলিলুর রহমান  অনুষ্ঠানে রিয়াজুল জান্নাত হিফয্ ক্যাডেট মাদ্রাসার নাজিরা বিভাগের রাহাত হোসেন, জুনায়েদ সিদ্দিকী, নাবিল আহমেদ, আহাদ আলী, রেদওয়ান ইসলাম, আব্দুল্লাহ আল মামুন সোহান, জামিউল ইসলাম তাহসিন, সিফাত উল্লাহ, মোহাম্মদ আলী মহরাব, রাকিবুল হক, নামের ১০ জন  ছাত্রদেরকে  সবক প্রদান করা হয়।

পরিচালনা করেন রিয়াজুল জান্নাহ হিফয্ ক্যাডেট মাদরাসার ভাইস প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা মুশফিকুর রহমান।

বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহম্মদপুর মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন

//শ্যামল বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধি মাগুরা//

২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২২ উদযাপন উপলক্ষে মাগুরা মহম্মদপুর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ।

শনিবার (২৬ মার্চ) সকাল  উপজেলা  প্রশাসনের আয়োজনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, সকল রাজনৈতিক, সামাজিক, ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।

এসময়  শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, মহম্মদপুর উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ, উপজেলা আওয়ামী লীগ, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, মহম্মদপুর থানা, সদর আওয়ামী লীগ, মহম্মদপুর রিপোর্টার্স ইউনিটি,  মহম্মদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, উপজেলা অফিসার্স ক্লাব, উপজেলা ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, মটর চালক লীগ, মৎস্যজীবী লীগ, সাব রেজিস্ট্রার-এর কার্যালয়, আমিনুর রহমান কলেজ,  সরকারি আরএসকে  স্কুল, উপজেলা আবাসিক প্রকৌশলী দপ্তর,ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অফিস, উপজেলা সরকারি কর্মজীবী কল্যাণ পরিষদ, আনসার ভিডিপি অফিস, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বঙ্গবন্ধুসহ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

মহম্মদপুর শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে মহম্মদপুর থানার পুলিশ বাহিনী সহ অন্যান্য বাহিনী ও স্কুলের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিশেষ প্যারেড ও ডিসপ্লে প্রতিযোগিতা, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বেলুন, ফেস্টুন এবং কবুতর উড্ডয়ন করা হয়। পরবর্তীতে প্যারেড ও ডিসপ্লে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেয়া হয়। এসময় উপজেলা চেয়ারম্যান আবু আব্দুল্লাহেল কাফি, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রামাদন পাল ,  উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান,জনাব মোঃ ইকরাম হোসেন, অফিসার ইনচার্জ, মহম্মদপুর থানা,  জনাব এ.বি.এম.এস. দোহা বিপিএম, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত), মহম্মদপুর থানা, সহ বিভিন্ন স্কুল কলেজের ছাত্র ছাত্রী শিক্ষক মন্ডলী,বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও  মিডিয়ার বিভিন্ন সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

English Dainikbiswa

জেলেনস্কি শীঘ্রই আত্মসমর্পণ করবেন বলে দাবি

চাঁদপুরের হাইমচরে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন