কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় মারা গেছেন

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

প্রবাদপ্রতিম সংগীত শিল্পী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় আর নেই। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ৯০ বছর বয়সে কলকাতার একটি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

গত ২৭ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার অসুস্থ হয়ে পড়েন প্রবাদপ্রতিম এই সঙ্গীতশিল্পী। ওই দিনই তাকে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ফুসফুসে সংক্রমণ হয়েছিল তার। ঘটনাচক্রে তার দু’দিন আগেই ভারত সরকারের পদ্ম সম্মান প্রত্যাখ্যান করেছিলেন তিনি।

আইপিএল-এর মেগা নিলাম শেষ ।।কোন দল কাদের কিনল তার তালিকা দেখে নিন

//দৈনিক বিশ্ব আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

আইপিএল-এর মেগা নিলাম শেষ।

দু’দিন ধরে চলা আইপিএল-এর মেগা নিলাম অবশেষে শেষ। চেন্নাই, কলকাতা, মুম্বই, পঞ্জাব ২৫টি ক্রিকেটারের কোটা সম্পূর্ণ করেছে।

।।তালিকা দেখে নিন।।

আমন খান কলকাতায়

২০ লাখে কিনল কলকাতা। তাদের ২৫টি ক্রিকেটার হয়ে গিয়েছে।

 

ডেভিড উইলি বেঙ্গালুরুতে

২ কোটি টাকায় কিনল তারা।

 

ফিন অ্যালেন মুম্বইয়ে

৭৫ লাখে কিনল তারা।

 

লুভনিৎ সিসোদিয়া বেঙ্গালুরুতে

২০ লাখে কিনল তারা।

 

আরিয়ান জুয়াল মুম্বইয়ে

২০ লাখে কিনল তারা।

 

সুদর্শন গুজরাতে

২০ লাখে সাই সুদর্শনকে নিল গুজরাত।

 

সিদ্ধার্থ কৌল বেঙ্গালুরুতে

৭৫ লাখে কিনল তারা।

 

ড্যারিল মিচেল রাজস্থানে

৭৫ লাখে কিনল তারা।

 

রাসি ভ্যান ডার ডুসেন রাজস্থানে

১ কোটিতে তাঁকে নিল রাজস্থান।

 

ভিকি অস্তবাল দিল্লিতে

২০ লক্ষে দিল্লিতে।

 

ইশান্ত শর্মা অবিক্রিত

এবারও কেউ নিল না তাঁকে।

 

নেথান কুল্টার-নাইল রাজস্থানে

২ কোটিতে নিল তারা।

 

জিমি নিশাম রাজস্থানে

১.৫ কোটিতে কিনল তারা।

 

উমেশ যাদবও কলকাতায়

২ কোটিতে উমেশকে নিল কলকাতা।

 

মহম্মদ নবি কলকাতায়

১ কোটিতে আফগান স্পিনারকে নিল কলকাতা।

 

শুভম গারওয়াল রাজস্থানে

২০ লাখে কিনল তারা।

 

অর্জুন তেন্ডুলকর মুম্বইয়ে

শেষ বেলার ৩০ লাখে সচিন-পুত্রকে কিনে নিল মুম্বই।

 

সঞ্চালক এডমিডেস ফিরলেন শেষ রাউন্ডের জন্য

সরে দাঁড়ালেন চারু শর্মা। শেষ রাউন্ডের জন্য নিলাম করবেন এডমিডেস।

 

কে ভগৎ বর্মা চেন্নাইয়ে

২০ লাখে কিনল তারা। তাদের টাকা শেষ।

 

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

খুলনার দিঘলিয়ায় নিজস্ব অর্থায়নে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন সারমিন সালাম

খুলনায় পুলিশের এসআইর বিরুদ্ধে যৌতুক দাবির অভিযোগ স্ত্রীর

হিজাব বিতর্কের জেরে ব্যাঙ্গালোরে স্কুল-কলেজে ১৪৪ ধারা জারি

//আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

ভারতের ব্যাঙ্গালোরের সব স্কুল-কলেজের আশপাশে ১৪৪ ধারা জারি করেছে কর্নাটক সরকার। আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে বলে সরকারি নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে।

কর্নাটকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাব নিষিদ্ধ করার দাবি করেছে হিন্দুত্ববাদীরা। আবার হিজাবের সমর্থনে সরব মুসলিম পড়ুয়াদের একাংশ। এই বিতর্ক ঘিরে অশান্তি ঠেকাতেই ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

এর আগে অশান্তি ঠেকাতে কর্নাটকের বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাইয়ের সরকার মঙ্গলবার থেকে তিন দিন রাজ্যের সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়। এখন শুক্রবার স্কুল-কলেজ খোলার পর রাজ্যের রাজধানীতে নয়া নিয়ম কার্যকর হবে।

ব্যাঙ্গালোরের পুলিশ কমিশনার কমল পান্ত বুধবার ১৪৪ ধারা ঘোষণা করে বলেন, শহরে উত্তেজনা রয়েছে। নতুন করে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তাই শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য যথাযথ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা অপরিহার্য। এই পরিস্থিতিতে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে স্কুল-কলেজের আশপাশে ফৌজদারি দণ্ডবিধির অনুযায়ী ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

কর্নাটকের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে হিজাব নিষিদ্ধ করার দাবিতে গেরুয়া উত্তরীয় পরে বিক্ষোভ দেখিয়েছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো। অন্যদিকে হিজাবের সমর্থনে পথে নেমেছে মুসলিম পড়ুয়ারা।

এদিকে হিজাব পরার অধিকার চেয়ে ছাত্রীরা কর্নাটক হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছে। বিষয়টি এখন আদালতের বিচারাধীন। বিচারপতি জানিয়েছেন, তিনি যতদিন রায় না দিচ্ছেন, ততদিন যেন রাজ্যে শান্তি বজায় থাকে। সব পক্ষ যেন ধৈর্য ধরেন।

রাজ্য সরকার জানিয়েছে, তারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ড্রেস কোড চালু করেনি। তবে রাজ্যের নিয়মানুযায়ী, স্কুল ও কলেজ কর্তৃপক্ষ নিজস্ব ড্রেস কোড চালু করতে পারে। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই ড্রেস কোড চালু আছে।

এই হিজাব বিতর্ক মধ্যপ্রদেশ ও পুদুচেরিতেও ছড়িয়েছে। মধ্যপ্রদেশের শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, ‘হিজাব স্কুল বা কলেজ ইউনিফর্মের অঙ্গ নয়। স্কুলে এলে ইউনিফর্ম পরে আসতে হবে। বাড়িতে যে যার মতো পোশাক পরতে পারেন।’ মধ্যপ্রদেশেও সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাবকে নিষিদ্ধ করার পক্ষে। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

পড়ুল দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

প্রদীপ-লিয়াকত এখন কাশিমপুর কারাগারে

সুরসম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকরের শেষকৃত্যে উপস্থিত থাকবেন মোদি

//নিউজ ডেস্ক//

উপমহাদেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী লতা মঙ্গেশকরের মরদেহ নেওয়া হয়েছে মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে। সেখানে সর্বস্তরের মানুষ কিংবদন্তি এই শিল্পীকে শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।  সেখানে উপস্থিত রয়েছেন লতা মঙ্গেশকরের পরিবারের সদস্যরা। একে একে আসতে শুরু করেছেন বিশিষ্টরা। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও লতা মঙ্গেশকরকে শেষশ্রদ্ধা জানাতে সেখানে আসবেন। শিল্পীর শেষকৃত্যেও উপস্থিত থাকবেন মোদি।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম আনন্দবাজার জানায়, শেষকৃত্যানুষ্ঠান সম্পন্ন হবে স্থানীয় সময় রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায়।

এদিকে, শিবাজি পার্কে বাজছে একের পর এক লতার গান। প্রয়াত শিল্পীর বাড়িতে উপচে পড়ছে ভক্তদের ভিড়। শিল্পীকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত হয়েছেন বিশিষ্টরা। প্রয়াত শিল্পীর মরদেহ ঢাকা হয়েছে ভারতের জাতীয় পতাকায়।  হাতজোড় করে প্রণাম করে বিদায় দিয়েছেন লতার বোন আশা ভোঁসলে।

প্রয়াত শিল্পীর ছবিতে মাল্যদান ও ফুল দিয়ে লতাকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।

নেট মাধ্যমে আবেগতাড়িত হয়ে পোস্ট দিয়েছেন টুইঙ্কল খান্না। রাজেশ-কন্যা বাবার সঙ্গে লতা মঙ্গেশকর ও রাহুল দেব বর্মনের ছবি দিয়ে লেখেন, উনার (লতা) সুরের মূর্ছনা চিরদিন থেকে যাবে আমাদের হৃদয়ে।

এদিকে, লতা মঙ্গেশকরের মৃত্যুতে দু’দিনের শোকজ্ঞাপনের ঘোষণা  কয়েছে কর্ণাটক।  সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজা বোম্মাই জানান, আগামী দু’দিন অর্ধনমিত থাকবে জাতীয় পতাকা। বন্ধ থাকবে সব রকম সরকারি অনুষ্ঠান।

এছাড়া, সোমবার রাজ্যে সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে মহারাষ্ট্র সরকার।

১৯২৯ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে জন্ম হয় লতা মঙ্গেশকারের। জন্মপত্রে লতার নাম ছিল হেমা। পরবর্তী সময় তার বাবা দীনানাথ মঙ্গেশকারের এক নাটকের চরিত্র লতিকার নামানুসারে বদলে যায় হেমার নাম। আত্মপ্রকাশ ঘটে লতা মঙ্গেশকরের। মাত্র ১৩ বছর বয়সে গানের ক্যারিয়ার শুরু তার।

জন্মপত্রে লতার নাম ছিল হেমা। পরে বাবার এক নাটকের চরিত্র লতিকার নামানুসারে বদলে যায় হেমার নাম। আত্মপ্রকাশ ঘটে লতা মঙ্গেশকরের। মাত্র ১৩ বছর বয়সে গানের ক্যারিয়ার শুরু। সাল ১৯৪২। লতা যখন স্টুডিওতে গান গেয়েছেন, সে বছরেই জন্ম হচ্ছে অমিতাভ বচ্চনের।

তবে মুম্বাই প্রথমেই লতাকে গ্রহণ করেনি। প্রযোজক শশধর মুখোপাধ্যায় তার শহিদ ছবিতে গান গাওয়ার ইচ্ছা বাতিল করে দিয়েছিলেন নিমেষেই। লতার গলা পাতলা, মন্তব্য ছিল তার। সংগীত পরিচালক গুলাম হায়দার অবশ্য সেদিন বেশ কটি কথা শুনিয়ে এসেছিলেন শশধরকে। জোর গলায় বলেছিলেন— প্রযোজকরা এর পর লতার পা ধরে তাদের ছবিতে গাওয়ার জন্য অনুরোধ জানাবে।

উপমহাদেশের এই প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে রোববার সকালে ৯২ বছর বয়সে চিকিৎসাধীন মারা যান।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ১১ জানুয়ারি তিনি মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি হন। গত চার সপ্তাহ ধরে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।

পড়ুল দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

চাঁদপুরের হাইমচরে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে বিদেশী ফল ‘মাল্টা’ চাষ

লতা মঙ্গেশকরের শারীরিক অবস্থার অবনতি, এখন ভেন্টিলেশনে

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

গত মাসের ১১ তারিখ মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় লতাকে। কোভিডে আক্রান্ত ছিলেন। ধরা পড়ে নিউমোনিয়াও।

লতা মঙ্গেশকরের শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি। কিংবদন্তি গায়িকাকে নিয়ে দেওয়া হল ভেন্টিলেশনে। কিছু দিন আগে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। গত মাসের ১১ তারিখ মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় লতাকে। নিউমোনিয়া ধরা পড়ে ৯২ বছরের গায়িকার। শনিবার মুম্বইয়ের ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘লতা মঙ্গেশকরের শারীরিক পরিস্থিতির আবার অবনতি হয়েছে’।

সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া বিবৃতিতে ওই হাসপাতালের চিকিৎসক প্রতীত সমদানি বলেন, ‘‘গায়িকার শারীরিক পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক। তাঁকে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রাখা হয়েছে। আইসিইউ-তেই রয়েছেন। তিনি চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে আছেন।’’

কিছু দিন আগে নবতিপর গায়িকার ফুসফুসে সংক্রমণ ধরা পড়ে। চিকিৎসা হয়েছিল তাঁর। তার পর থেকে একেবারে বাড়িতেই থাকতেন তিনি। বাড়িতে প্রায়শই তাঁকে অক্সিজেন ব্যবহার করতে হয়। বেশ কিছু দিন আগে হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় লতার শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে গুজব ছড়ায়। গায়িকার মুখপাত্র ও পরিবারের তরফে অনুরোধ করা হয় কোনও ভুয়ো খবর যেন ছড়ানো না হয়।

কোনও পরিবারের ব্যক্তিগত পরিসরে প্রবেশ না করার অনুরোধও জানানো হয় ওই বিবৃতিতে। গায়িকার জনসংযোগ দলের তরফে একটি বিবৃতিতে লেখা হয়, ‘অনুরোধ, হাওয়ায় ভেসে আসা ভুয়ো খবরকে গুরুত্ব দেবেন না। লতাদিদি এখনও আইসিইউ-তে আছেন। বিশিষ্ট চিকিৎসক এবং তাঁর দলের পর্যবেক্ষণে আছেন তিনি। চিকিৎসক এবং পরিবারকে নিজেদের ব্যক্তিগত পরিসরে শান্তিতে থাকতে দিন।’

পড়ুল দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

ভোটাররা ক্ষুব্ধ-ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে যেতে হতে পারে

ব্যাংক জালিয়াতচক্র: বুস্টার টিকার ফোন পেয়ে ওটিপি দিতেই ফাঁকা বৃদ্ধের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট!

//আন্তর্জাতিক অনলাইন নিউজ//

ঘটনাটি ঘটেছে ভারতে। টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়ার নামে তার কাছে ওটিপি চায় জালিয়াত চক্র। সহজ-সরল মনে তা দিতেই ফাঁকা হয়ে যায় বৃদ্ধের অ্যাকাউন্ট।

ওই বৃদ্ধের নাম শ্যামলেন্দু দাস। বছর তিনেক আগে অবসর নিয়েছেন। অধ্যাপনা করতেন একটি সরকারি কলেজে। পেনশন ছাড়া ভরসা ছিল ব্যাংকে থাকা লাখ তিনেক টাকা। কিন্তু সম্প্রতি তার সেভিংস অ্যাকাউন্টের ব্যালান্স হয়ে গিয়েছে ১৩ টাকা।

জানা গেছে, একটা ফোন পেয়েছিলেন বিনা খরচে বুস্টার টিকার জন্য। সাড়াও দিয়েছিলেন সেই ফোনে। এরপর ওটিপি শেয়ার করতেই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট প্রায় শূন্য হয়ে গিয়েছে। শ্যামলেন্দুর কথা মতো গোটা ঘটনায় সময় লেগেছে মিনিট চারেক!

শ্যামলেন্দু অভিযোগ দায়ের করেছেন পুলিশের কাছে। কিন্তু পুলিশের বক্তব্য, শ্যামলেন্দু একা নন। প্রবীণদের ঠকাতে নতুন এক চক্র কার্যকর হয়ে উঠেছে। আবার এমনটাও হতে পারে যেকোনও পুরনো চক্রই নতুন এই পদ্ধতি নিয়েছে।

জানা গেছে, ভারতে বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন মানুষের ফোন নম্বরে একটি এসএমএস আসছে। সেখানে বিনা খরচে বুস্টার টিকা পাওয়ার জন্য প্রলোভন দেখানো হচ্ছে। আর তাতে পা দিলেই জালচক্র ব্যাংকের তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে।

কীভাবে টাকা তুলে নিচ্ছে এই চক্রের প্রতিনিধিরা?

জানা গেছে, এসএমএস করে পাঠানো লিঙ্কে ক্লিক করতে বা একটি ফোন নম্বরে কথা বলার জন্য মেসেজ আসছে। ফোন করলে কোনও ওষুধপ্রস্তুতকারী সংস্থার প্রতিনিধি পরিচয় দিয়ে পাঠানো লিঙ্কে ক্লিক করতে বলা হচ্ছে। অনেক সময়েই গ্রাহকরা বুঝতে পারছেন না যে, ওই লিঙ্ক ক্লিক করলে ‘টিম ভিউয়ার’ বা ‘কুইক সাপোর্ট’ ধরনের অ্যাপ খুলছে। সেই অ্যাপ খুলে যাওয়ার পরে অপর প্রান্ত থেকে বলা হচ্ছে, মাত্র ১০ টাকা দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। সেটা করলেই জালিয়াতরা ব্যাংকে অনলাইন লেনদেনের তথ্য হাতে পেয়ে যাচ্ছে। আর তার পরে সেই টাকা উধাও হয়ে যাচ্ছে।

সম্প্রতি কলকাতা পুলিশের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অপরাধ দমন শাখা) মুরলীধর শর্মা একটি টুইট বার্তায় লেখেন, “প্রতারকরা জনসাধারণকে ঠকানোর নতুন উপায় বের করেছেন। ফোন বা মেসেজ করে বুস্টার ডোজ দরকার কি না, তা জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে। উত্তর হ্যাঁ হলে, একটি লিঙ্ক পাঠানো হচ্ছে এবং লিঙ্কটিতে ক্লিক করার পরে ওটিপি চাওয়া হচ্ছে। আপনারা সতর্ক থাকুন, এটি আপনার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার একটি চক্রান্ত। এ রকম ফোন বা মেসেজ এলে কোনও লিঙ্ক ডাউনলোড করবেন না এবং ওটিপি শেয়ার করবেন না।”

কিন্তু এত প্রচারেও যে কাজ হচ্ছে না, তা বুঝতে পারছে পুলিশ। প্রায় প্রতিদিনই একাধিক অভিযোগ জমা পড়তে রাজ্যের বিভিন্ন থানায়। সেখান থেকেই স্পষ্ট হচ্ছে মানুষের সচেতনতার অভাব কীভাবে সর্বনাশ ডেকে আনছে।

অন্যদিকে, জালিয়াত চক্র নিজেদের উদ্দেশ্য পূরণ করে চলেছে। এক পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্য, সব সময় কারা জালিয়াতি করছে তা ধরাই সম্ভব হচ্ছে না। কোনও একটি নম্বর থেকে সাফল্য মিললেই সেই নম্বরটি আর ব্যবহার করা হচ্ছে না। অনেক সময়েই দেখা যাচ্ছে নম্বরগুলো ভিন্ন রাজ্যের। সূত্র: আনন্দবাজার

পড়ুল দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

বরিশালে সময়ের বার্তার প্রকাশক ও সম্পাদক এম. লোকমানের মুক্তির দাবীতে মানববন্ধন

জন্মদিনে কিকি উপহার পেলেন সালমান খান

অল্প কিছুদিন আগেই সাপে কেটেছিলো সালমান খানকে। তেমন কিছু না হলেও প্রতিষেধক নিয়ে বাড়িতে ফিরেন অভিনেতা। গত ২৭ ডিসেম্বর ছিলো এই তারকা অভিনেতার জন্মদিন। পানভেলের ফার্ম হাউজে জাকজমক পার্টি করেছেন, নেচেছেনও। জন্মদিনটি যে একটু ব্যতিক্রমই কেটেছে সালমান খানের, তা বোঝা গেল কয়েকটি ভিডিও দেখে।

ইনস্টাগ্রামের ভিডিওতে দেখা গেল, রাস্তায় অটো চালাচ্ছেন সালমান খান। তা দেখে উৎসুক জনতা ভিডিও করছেন। কোনো ভিডিওতে দেখা গেল, বলিউড অভিনেত্রী জেনেলিয়া ডিসুজার সঙ্গে ধুন্ধুমার নাচছেন সালমান খান। জন্মদিনে পেয়েছেন নানা উপহারও। কোনো কোনো উপহারের দাম কোটিও ছাড়িয়ে গেছে। এ নিয়ে প্রতিবেদনও করেছে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো।

জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজের সঙ্গে সালমানের সম্পর্ক খুবই ভালো। এই অভিনেত্রী ভাইজানকে উপহার দিয়েছেন ১০ থেকে ১২ লাখ রুপির ঘড়ি। সঞ্জয় দত্তের সঙ্গেও বন্ধুত্বের সম্পর্ক সালমান খানের। সঞ্জুবাবা উপহার দিয়েছেন ডায়মন্ডের ব্রেসলেট যেটির দাম পড়েছে সাত থেকে আট লাখ রুপি।

ভাই সোহেল খান সালমান খানকে উপহার দিয়েছেন একটি বিএমডব্লিউ গাড়ি। যার দাম ২৩ থেকে ২৫ লাখ রুপির মধ্যে। আরেক ভাই আরবাজ খান দিয়েছেন অডি গাড়ি। দাম দুই থেকে তিন কোটি রুপি।

সাবেক প্রেমিকের জন্মদিনে উপহার পাঠাতে ভোলেননি ক্যাটরিনা। তিনি সালমান খানকে দিয়েছেন সোনার ব্রেসলেট। দাম দুই থেকে তিন লাখ রুপি।

অনিল কাপুর দিয়েছেন লেদারের একটি জ্যাকেট। দাম ২৮ লাখ রুপি। যে জ্যাকেটের দাম বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩০ লাখ টাকা। শিল্পা শেঠি দিয়েছেন সোনা ও ডায়মন্ডের মিশেলে ব্রেসলেট। দাম ১৬ থেকে ১৭ লাখ রুপি।

সালমানের বাবা সেলিম খানও ছেলের জন্মদিনে উপহার দিয়েছেন। বাবা দিয়েছেন আস্ত একটি অ্যাপার্টমেন্ট। দাম পড়েছে ১২ থেকে ১৩ কোটি রুপি। বোনের স্বামী আয়ুশ শর্মা তাকে দিয়েছেন সোনার চেইন। দাম ৭৩ হাজার রুপি। বোন অর্পিতা খান দিয়েছেন রোল্যাক্স ব্র্যান্ডের ঘড়ি। দাম ১৫ থেকে ১৭ লাখ রুপি।

//দৈনিক বিশ্ব বিনোদন ডেস্ক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

নতুন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী (২৩তম)

কলকাতা-দিল্লির টর্চার সেলের সন্ধান জানাল র‌্যাব

ইউরোপ-অষ্ট্রেলিয়ার পাঠানোর কথা বলে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানবপাচার হতো ভারতে। তারপর সেখানকার কলকাতা ও দিল্লির টর্চার সেলে চলত অকথ্য নির্যাতন। সেই নির্যাতনের ভিডিও ভিকটিমদের আত্মীয়দের কাছে পাঠিয়ে আদায় করা হতো লাখ লাখ টাকা। এমন সংঘবদ্ধ মানবপাচার চক্রের মূলহোতাসহ তিনজনকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়েনের (র‌্যাব) সদস্যরা।

রাজধানীর মিরপুর থেকে আটকদের কাছ থেকে নকল পাসপোর্ট, ভিসা ও দলিল দস্তাবেজ জব্দ করা হয়। সোমবার রাতে রাজধানীর পল্ল­বী ও উত্তরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে র‌্যাব-৪ এর একটি দল।

আটকরা হলেন- চক্রের মূলহোতা মলি­ক রেজাউল হক ওরফে সেলিম (৬২), তার দুই সহযোগী মো. বুলবুল আহমেদ মলি­ক (৫৫) ও নিরঞ্জন পাল (৫১)।

কলকাতা-দিল্লির টর্চার সেলের সন্ধান জানাল র‌্যাব

 

আটকরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, তারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বিদেশ যেতে ইচ্ছুক মানুষজনকে টার্গেট করে তাদের অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখাত। এ প্রলোভনে যারা রাজি হতো তাদের কাছ থেকে ১২-১৫ লাখ টাকা করে নিত। পরে চক্রটি প্রবাসে যেতে ইচ্ছুকদের বলত, বাংলাদেশ থেকে ভিসা পাওয়া জটিল, তাই তাদের ভারতে নিয়ে খুব সহজে কাঙ্ক্ষিত দেশে পাঠাবে। কারণ হিসেবে ভারত থেকে ভিসা পাওয়া সহজ বলে ভিকটিমদের জানায় চক্রটি।

তারা আরও জানায়, ভারতে নিয়ে গিয়ে ভিকটিমদের প্রথমে সেইফ হাউসে রাখা হতো। তারপর তাদের ওপর চলত অমানবিক নির্যাতন। এসব নির্যাতন চিত্রের ভিডিওধারণ করে বাংলাদেশে থাকা ভিকটিমদের পরিবারকে পাঠাত চক্রটি। পরিবারকে তারা এসব ভিডিও দেখিয়ে বলত, ১২-১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ না দিলে ভিকটিমকে মেরে ফেলবে। পরে ভিকটিমদের পরিবারগুলো প্রিয়জনকে বাঁচাতে সর্বস্ব বিক্রি করে চক্রটির সদস্যদের হাতে টাকা তুলে দিত।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ানবাজারে অবস্থিত র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক (সিও) অতিরিক্ত ডিআইজি মোজাম্মেল হক।

মোজাম্মেল হক বলেন, গত বছরের নভেম্বর মাসে অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর কথা বলে জাহাঙ্গীর নামে এক ব্যক্তিকে ভারত পাচার করে দেয় চক্রটি। পাচার হয়ে যাওয়ার পর বেশ কিছুদিন ভারতের কলকাতায় আটক থাকেন জাহাঙ্গীর। আটক অবস্থায় কলকাতার টর্চার সেলে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়। পরে নির্যাতনের এসব ভিডিও দেখিয়ে দেশে থাকা তার পরিবারকে চাপ দিয়ে অর্থ আদায় করে পাচারকারী চক্রটি। দেশে এসে ভিকটিম জাহাঙ্গীর চক্রটির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন আমাদের কাছে। তার দেওয়া তথ্য ও অভিযোগ যাচাই করে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই চক্রের মূলহোতাসহ তিনজনকে গতকাল (সোমবার) রাতে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে নকল পাসপোর্ট, পাসপোর্টের কপি, নকল ভিসা, আবেদনপত্র, বায়োডাটা, ছবি, মোবাইল, মোবাইল সিম একং নগদ টাকাসহ মানবপাচার সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র জব্দ করা হয়।

তিনি বলেন, এ চক্রের মূলহোতা মলি­ক রেজাউল হক সেলিম ও তার সহযোগী বুলবুল আহমেদ মলি­ক এবং নিরঞ্জন পালসহ তাদের সহযোগী হিসেবে দেশে আরও ৫-৭ জন সদস্য রয়েছে। তাছাড়া ভারতেও তাদের বেশ কয়েকজন সহযোগী রয়েছে। ইতোমধ্যে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কলকাতার রাজিব খান, মানিক ও দিলি­র রবিন সিংদের নাম পাওয়া গেছে। বিগত কয়েক বছর ধরে এই চক্রটি সক্রিয়ভাবে মানব পাচারের করে আসছে। চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বিদেশে গমন প্রত্যাশী নিরীহ মানুষকে টার্গেট করে। তাদের অস্ট্রেলিয়া এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশে (যেমন- পর্তুগাল, নেদারল্যান্ড, রোমানিয়া, গ্রিস, ফ্রান্স এবং মালটা) উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তাদের পাঠানোর কথা বলে ভারতে পাচার করে দিত।

অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপের দেশগুলোতে ভারত থেকে ভিসা পাওয়া সহজ, এ কথা বুঝিয়ে তাদের বৈধ এবং অবৈধ পথে ভারতে পাচার করে দেয়। তবে পাচারের পর ভিকটিমদের আর ওইসব দেশে পাঠানোর কোনো ব্যবস্থা নেয় না চক্রটি। তারা ভিকটিমদের সে দেশে আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনসহ মেরে ফেলার হুমকি ও তা ভিডিও করে তাদের পরিবারের সদস্যদের দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ মুক্তিপণ হিসেবে আদায় করে আসছিল।

র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক বলেন, কলকাতা থেকে ভিকটিমদের নেওয়া হতো দিল্লির একটি টর্চার সেলে। পরে কলকাতার টর্চার সেলের দায়িত্বে থাকত ভারতীয় নাগরিক রাজিব খান ও মানিক এবং দিল্লি­র টর্চার সেলের দায়িত্বে থাকত রবিন সিং। পরে ওইসব টর্চার সেলে ভিকটিমদের ওপর চলত অমানবিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। এসব নির্যাতনের ভিডিওধারণ করে প্রত্যেকটি টর্চার সেলের দায়িত্বে থাকা বাংলাদেশ চক্রটির মূলহোতার কাছে পাঠানো হতো। পরে মূলহোতা মলি­ক তার সহযোগীদের মাধ্যমে ভিডিও ভিকটিমদের পরিবারের কাছে পাঠাত। ভিকটিমদের পরিবারগুলো যে পর্যন্ত তাদের মুক্তির জন্য ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ না দিত সেই পর্যন্ত তাদের ওপর অমানসিক নির্যাতন চলতেই থাকত। এই চক্রটি রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বেশ কয়েকটি এলাকায় সক্রিয় রয়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা আরও জানায়, ভিকটিমদের ফেনী, কুমিল্লা, নবাবগঞ্জ, শরীয়তপুর, মাদারীপুর এবং ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে সংগ্রহ করে ইউরোপে উন্নত চাকরি দেওয়ার নামে বৈধ এবং অবৈধ পথে পার্শ্ববর্তী দেশে পাচার করে। এ চক্রের অন্যান্য হোতাদের আটকে র‌্যাব-৪ এর অভিযান চলমান রয়েছে। আটকদের বিরুদ্ধে মানবপাচার আইনে রূপনগর থানায় মামলা দায়ের হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সূত্র: যুগান্তর

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

জগন্নাথপুরে দেয়ালে দেয়ালে পোস্টার, বাদ যায়নি কোন ফাঁকা জায়গা

‘মিস ইউনিভার্স’ খেতাব জিতলেন ভারতের হারনাজ সান্ধু

//আন্তর্জাতিক বিনোদন ডেস্ক//

‘মিস ইউনিভার্স’ খেতাব জিতলেন ভারতের হারনাজ সান্ধু। ২১ বছর পর আবারও ‘মিস ইউনিভার্স’ পেল ভারত। এবারও খেতাবটি জিতলেন এক পাঞ্জাবি রূপসী। এর আগে ২০০০ সালে এ খেতাব জিতেছিলেন পাঞ্জাবের লারা দত্ত। আর ১৯৯৪ সালে খেতাবটি পেয়েছিলেন বাঙালি সুস্মিতা সেন। হারনাজ তৃতীয় ভারতীয় হিসেবে এ খেতাব জিতলেন।

রোববার দিবাগত রাতে ইসরায়েলের এইলাটে বসেছিল ৭০তম মিস ইউনিভার্সের আসর। সেখানেই প্যারাগুয়ের নাদিয়া ফেরেইরা ও দক্ষিণ আফ্রিকার লালেলা এমএসওয়ানেকে পেছনে ফেলে সেরার মুকুট ছিনিয়ে নেন পাঞ্জাবের ২১ বছরের তরুণী হারনাজ।

‘মিস ইউনিভার্স’ খেতাব জিতলেন ভারতের হারনাজ সান্ধু

 

২০১৭ সালে হারনাজ মডেলিং শুরু করেন। তিনি পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী। এর আগে ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া পাঞ্জাবে বিজয়ী হয়েছিলেন তিনি। হারনাজের মা গাইনি চিকিৎসক। তাঁর অনুপ্রেরণাই হারনাজকে সাফল্য এনে দিয়েছে। হারনাজ একাধারে হিন্দি, পাঞ্জাবি ও ইংরেজি ভাষায় দক্ষ। তিনি পাঞ্জাবি ভাষায় শের লিখতে ভালোবাসেন। এ মুহূর্তে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর সাফল্য উদ্‌যাপন করছেন ভক্তরা।

স্বজনদের সঙ্গে দেখা না করেই ফিরতে হলো হরিপুরের সীমান্তে মিলন- মেলা থেকে

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলায় ( ৩ ডিসেম্বর শুক্রবার )  টেংরিয়া গোবিন্দপুর গ্রামের কুলিক নদীর পারে ঐতিহ্যবাহী পাথরকালি মেলা উপলক্ষে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে যুগ যুগ ধরে দুই বাংলার হাজারো মানুষ স্বজনদের সঙ্গে মিলিত হয়ে কুশল বিনীময় ।

সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দুই দেশের মানুষকে আলাদা করে রেখেছে । কিন্তু দুটি ভিন্ন ভৌগোলিক সীমারেখা আলাদা করতে পারেনি মানুষের মনের টান । এই টানেই মানুষ ছুটে যায় কাঁটাতারের বেড়ার কাছে, সুযোগ পেলেই মিশে যায় একে অন্যের সঙ্গে । পেতে চায় মায়া-মমতা, স্বজনদের সান্নিধ্য।

কালী পুজার পরে ওই এলাকায় বসে এই পাথরকালি মেলা । মেলাকে ঘিরে একদিনের জন্য সীমান্ত উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় । দুই বাংলার মানুষ কাঁটাতারের বেড়ায় আত্মীয় স্বজনদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ করে । কিন্তু এবার বাংলাদেশের স্বজনরা এলেও ভারতের কাঁটাতারের বেড়ায় ভিরতে পারেনি তাদের স্বজনেরা ।এ মিলনমেলাতে  স্বজনদের দেখা করতে না পারায় কান্নায় ভেঙে পড়েন অনেকে।দেখা গেছে সকালে হাসিমুখে দেখা করতে এসে বিকালে বিদায় বেলায় কাঁদতে হয়েছে তাদের ।

বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে এবার সীমান্তের কাঁটাতারের কাছে কোন মানুষজনকে ভীড় জমাতে দেয়নি ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীবাহিনী।

হরিপুর উপজেলা প্রশাসনের সূত্রে জানা যায়, পাথরকালী জিউ পূজা উপলক্ষে প্রতিবছর এইদিনে গোবিন্দপুর কুলিক নদীরপাড়ে কাঁটাতারের কাছে দুই সীমান্তে ইংরেজি মাস ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহের শুক্রবার দিনে লাখো মানুষের সমাগমে ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশ-ভারত মিলনমেলা হয়ে থাকে । এবার করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে মিলনমেলা’র আয়োজন করা হয়নি। এতে কাঁটাতারের ওপারে থাকা আত্মীয়স্বজনরা মিলিত হতে পারনেনি

সেতাবগঞ্জ উপজেলা থেকে আসা রুনা বেগম বলেন, ভারতে ভাই-ভাবি বসবাস করেন। তাই তাদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছি কিন্তু পুলিশ বিজিবি কাঁটাতারের পাশে ভিড়তে দেয়নি ।পীরগঞ্জ থেকে আসা বাকলী রাণী (৫৭), চন্দ চাঁদ রায় (৬০) আমল (৪৭) সহ বিভিন্ন এলাকার অনেকে বলেন, সকাল থেকে আমরা আত্মীয়স্বজনদের সাথে দেখা করার জন্য অপেক্ষায় রয়েছি। দুপুর গড়িয়ে বেলা শেষের দিকে তারপরেও দেথা করতে পারছিনা। করোনা ভাইরাসের কারণে সব বন্ধ। আত্মীয়রা ওপারে অপেক্ষায় রয়েছে কাঁটাতারের কাছে আসতে পারছেনা।এবার পূজা সম্পন্ন করেই বাড়ি যাব। আগামী বছর দেখা করার অপেক্ষায় রইলাম ।

পূজা কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নগেন কুমার পাল বলেন,করোনা ভাইরাসের কারণে মিলনমেলা করা সম্ভব হয়নি শুধু পূ্জা পালন করা হয়েছে।

হরিপুরের গোবিন্দপুর ও চাপাসার ক্যাম্পে কর্মরত সীমান্ত বাহিনীরা জানান, করোনা ভাইরাসের কারণে এবার মিলনমেলা বন্ধ করে দিয়েছে ভারতীয় কতৃপক্ষ। এবং কাঁটাতারের কাছে কোন বাংলাদেশীরা যেন না যায় সে বিষয়ে আমাদের অনুরোধ করেছেন তারা।

মাহাবুব আলম রাণীশংকৈল  ,ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশালে পার্বত্য শান্তি চুক্তি দিবস পালিত