প্রাকৃতিক দূর্যোগ ইয়াসের প্রভাবে মানুষ আজ সহায় সম্বলহীন হয়ে অসহয়ের মতো অমানবিক জীবন যাপন করছে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা ও খুলনা জেলার কয়েক লক্ষাধিক লোক। না আছে থাকার ব্যবস্থা, না আছে খাওয়ার ব্যবস্থা।সবচেয়ে সমস্যার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে সুপেয় পানীয় জলের অভাব।
অত্র এলাকার অধিকাংশ জনগণ পুকুর অথবা বৃষ্টির পানি ধরে রেখে পান করে।কিন্তু ইয়াসের ফলে পুকুর নদী,খালবিল সব মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে ফলে পানীয়জলের সমস্যার কারণে শিশু কিশোরসহ সর্ব সাধারণ পানি বাহিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। গতকাল পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায় খাদ্য সমস্যার চেয়েও পানীয় জলের সমস্যার জন্য উল্লিখিত এলাকার জনগণকে দ্বিকবিদিক ছোটাছুটি করছে। আর তাই সরকারি বেসরকারি সকল দাতা সংস্থার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ত্রাণের সাথে সাথে সুপেয় পানীয় জলের ব্যবস্থা করতে।আর তা না করা হলে হয়তো বৈশ্বিক মহামারী করোনার চেয়েও বিশাল মানবিক বিপর্যয় দেখা দিতে পারে।
এতো দুঃখ-কষ্ট,ব্যাথা- বেদনা ভুলতে সাহায্য করে স্রষ্টার প্রতি আঘাত ভালবাসা।আর তাই এতো বড় মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যে ধর্মপ্রাণ মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাসের কমতি দেখা যায়নি গতকাল শুক্রবার জুমার নামাজে।চারিদিকে সমূদ্রের লবণাক্ত পানি। না ঘরবড়ি,মসজিদ মন্দিরসহ সকল ধর্মের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পানিতে ভরপুর। কোথাও জায়গা নেই স্রষ্টার ইবাদত করার মতো।কিন্তু তারপরও অসীম বিশ্বাস ও ভালবাসার টানে গতকালকে জুমার নামাজ আদায় করতে দেখা গেছে পানিতে নিমজ্জিত মসজিদের ভিতর দাঁড়িয়ে।
শত প্রতিকূলতার মধ্যেও থেমে নেই স্রষ্টার ইবাদত। তেমনি কয়েকটি দৃশ্য দেখতে পাওয়া যায় সাতক্ষীরার সুন্দরবন তীরবর্তী শ্যামনগর,মুন্সিগঞ্জ ও খুলনা জেলার কয়রা,কপিলমুনি সহ শতাধিক মসজিদে। মানুষের এই ধর্মীয় বিশ্বাস যেন অটুট থাকে এবং মানুষ যেন সত্যিকার মানুষ হয়ে উঠতে পারে।
আসুন জাতি-ধর্ম- বর্ণ নির্বিশেষে সকলে মিলে স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা করি ইয়াসের থাবায় যারা মৃত্যুবরণ করেছেন তারা যেন স্রষ্টার সান্নিধ্যলাভ করেন ও ক্ষতিগ্রস্ত সকলেই যেন খুব দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারেন এবং এই দূর্যোগের সময় যারা জীবনবাজি রেখে মানুষের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করছেন তারা যেন দীর্ঘায়ু লাভ করেন।
// নিজস্ব প্রতিবেদক //
৩ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ১ টি প্রাইভেটকারসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
