ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ চাইলেই আমরা এড়াতে পারি…

ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ চাইলেই আমরা এড়াতে পারি…

 

ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ (Diabetes and Hi Blood Pressure) বর্তমানে যা আমাদের Stander Maintain করার একটা Category হয়েগেছে – Mind করলেন….? Mind করবেননা…… আমরা জানা সত্তেও স্বাস্থ্য সম্মত খাবার কেন খাইনা…..! না জানলে একটু চেষ্টা করলেই জানতে পারি। কিভাবে জানতে পারি….? যেমন: ১০ টাকা ভিজিট দিয়ে সরকারি হাসপাতালে যে বিশেষজ্ঞ ডা: রয়েছেন তাদের কাছ থেকে অনায়াসেই আমরা সুন্দর একটা খাবারের চার্ট নিতে পারি।

….. অন্তত কি খেলে এসব রোগ থেকে দূরে থাকতে পারি সেগুলো জেনে নিতে পারি।

এবার আমরা নিজেরাই একটু সাধারণ বিষয়গুলো জানার চেষ্টা করি:

ডায়াবেটিস:

ডায়াবেটিস এমন সমস্যা যা একবার হয়েগেলে তা  হয়ে যেতে পারে জীবন সঙ্গী। ছোট বড় যেকারোই এটা হতে পারে, যার অষুধ এখনো সেভাবে আবিস্কার হয়নি। তবে হ্যা কিছু কিছু নিয়মকানুন মেনে চললেনিয়ন্ত্রনে থাকে আর এজন্য খাবারের লাগাম টানা খু্ জরুরী।

 

যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস (এনএইচএস) খাবারের বিষয়ে বেশ কিছু নির্দেশনা দিয়েছে। সংস্থাটি বলছে, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে মিষ্টি, লবণ ও চর্বিজাতীয় খাবার কম করে খাওয়ার অভ্যাস গড়তে হবে। বেছে নিতে হবে চিনিছাড়া খাবার।

 

১. তাজা সবজি তাজা ফল খাওয়া ভালো। তাই বলে ফলের জুস খেতে যাবেন না যেন! তার চেয়ে ফল চিবিয়ে খান। তাতে  ফলে থাকা কার্বোহাইড্রেট রক্তের সঙ্গে মেশে সহজে। তাছাড়া চিবিয়ে খেলে দাঁত ও মুখের পেশিও কাজ করার সুযোগ পায়। এমন প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে ফলের যে রস শরীর পায়, সেটি সহজে পরিপাক হয়।

২. কম চর্বিযুক্ত দই- বিশেষ করে টকদই খাওয়া ভালো। শিশুদের জন্য দই খুবই উপকারী। দুগ্ধজাত খাবরে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে। হাড় ও দাঁতের জন্য ক্যালসিয়াম খুবই উপকারী।

৩. ভাজাপোড়া বা বেশি চর্বিযুক্ত খাবার/ জাঙ্ক ফুড  এড়িয়ে চলতে হবে। কাচা লবন নাখাওয়াই ভালো।

৪. চিনিযুক্ত পানীয় থেকে দূরে থাকতে হবে। জুস ও স্মুদিতে প্রচুর চিনি ও ক্যালরি থাকে। তাই কতটুকু খাচ্ছেন, তার হিসাব রাখতে হবে। মাত্রাতিরিক্ত না হয়।

৫. একটি বা দুটি সেদ্ধ ডিম খাওয়া যেতেই পারে। একটি বড় ডিমে থাকে প্রায় ৬ গ্রাম আমিষ। ডায়েটে ভিটামিন ডি যোগ করার জন্য ডিম বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

৬. খাবার খেতে হবে ক্যালরি মেপে। বুঝেশুনে খেলেই আর বিপদের সম্ভাবনা নেই।

উচ্চ রক্তচাপের কারণ:

  • সাধারণত মানুষের ৪০ বছরের পর থেকে উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে থাকে
  • অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা
  • পরিবারে কারও উচ্চ রক্তচাপ থাকলে
  • নিয়মিত ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রম না করলে
  • প্রতিদিন ছয় গ্রাম অথবা এক চা চামচের বেশি লবণ খেলে
  • ধূমপান বা মদ্যপান বা অতিরিক্ত ক্যাফেইন জাতীয় খাদ্য/পানীয় খেলে
  • দীর্ঘদিন ধরে ঘুমের সমস্যা হলে
  • শারীরিক ও মানসিক চাপ থাকলে
  • মানসিক চাপ বা উত্তেজনা বাড়লে অ্যাড্রেনালিন গ্রন্থি থেকে নরঅ্যাড্রিনালিন হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যা রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়।

 

// দৈনিক বিশ্ব // স্বাস্থ্য টিপস//

Dainik Biswa

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি গজারিয়ায় মুক্তিযোদ্ধা কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন ও দোয়া মাহফিল

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *