আমতলীী সংখ্যালঘুু দুই পরিবারকে আবাসস্থল থেকে উচ্ছেদ করায় খোলা আকাশের নিচে বসবাস

আমতলীী সংখ্যালঘুু দুই পরিবারকে আবাসস্থল থেকে উচ্ছেদ করায় খোলা আকাশের নিচে বসবাস

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলী পৌর শহরে দুই সংখ্যালঘু পরিবারের ৬০ বছরের পৈতৃক বাসস্থান থেকে গতকাল শনিবার আদালতের নির্দেশে উচ্ছেদ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী দুই পরিবারের মাথা গোঁজার ঠাঁই না থাকায় থাকায় তারা এখন পরিবার পরিজন নিয়ে খোলা আকাশে নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, আমতলী পৌর শহরের ৪নং ওয়ার্ড ওয়াপদা রাস্তা নিকটে স্বপন কুমার পরিবারবর্গসহ দীর্ঘ ৬০ বছর যাবৎ বসবাস করে আসছিল। এদিকে সংখ্যালঘু পরিবার দ্বয়ের বসবাসরত বাড়ীটির জায়গার মালিকানা দাবী করে প্রতিবেশী মজিবর হাওলাদার  তার দাবি করে স্ত্রী ছকিনা বেগম বাদী করে ২০০৮ সালে আমতলী সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন।পরবর্তীতে বাদী ছকিনা বেগমের পক্ষে মামলায় রায় পায়। মামলা নম্বর-০৯/২০০৮। পরবর্তীতে সিনিয়র সহকারি জজ, আমতলী আদালতে উচ্ছেদের মামলা করলে ১৮/০৪/২০২২ তারিখ আমতলী সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের বিচারক নজরুল ইসলাম বাদীকে দখল বুঝিয়ে দেওয়ার আদেশ দেন। আদেশ বলে ২৩/০৪/২০২২ তারিখ বিজ্ঞ এ্যাডভোকেট কমিশনার ও নাজির স্থাপনা উচ্ছেদ করে জমির দখল ছকিনা বেগমকে বুঝিয়ে দেন।

স্বপন কুমার দাস ১৯৬৭ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছ থেকে ০.১১ একর জমি বরাদ্ধ পায়। তার মৃত্যুর পর তার ভাই রুপাই দাস ও ছেলে সঞ্জিব দাস ঐ জমিতে বসবাস করতে থাকেন।বসবাসের ঘর থেকে উচ্ছেদের ফলে তারা এখন খোলা আকাশের নিচে বসবাস করতেছে।

রুপাই দাস বলেন, আমার ভাই স্বপন দাসের নামে ১১ শতাংশ জমি পানি উন্নয়নে বোর্ডের কাছ থেকে অস্থায়ী বন্দোবস্ত নিয়ে আমরা দুই পরিবার বসবাস করতেছি। বিগত ২০০৭ সালে প্রলয়ঙ্কারী সিডরে আমাদের ঘর-বাড়ী ভাসিয়ে নিয়ে যায়। এ সুযোগে প্রতিবেশী মজিবর হাওলাদার আমাদের বসবাসরত জমি দখলের পায়তারা চালায়। এরপর থেকে আমরা এ বিষয়ে কিছুই জানিনা। কোন নোটিশ ছাড়াই আজকে আমাদের উচ্ছেদ করা হয়।এখন আমরা নিঃস্ব হয়ে গেছি।কোথায় গিয়ে থাকব,কিভাবে জীবন চালাব একমাত্র ভগবানই জানে।

বিজ্ঞ এ্যাডভোকেট কমিশনার হরিদাস বিশ্বাস বলেন, ছকিনা বেগম এর পক্ষে আদালত দখল বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য আদেশ প্রদান করেন।

English Dainikbiswa

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ// জাতিসংঘ মহাসচিব সরাসরি কথা বলবেন

ট্রেন টিকিট// প্রেস ব্রিফিং কালে ব্যবস্থাপকের ফোন ও মানিব্যাগ চুরি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *