খুলনায় পুলিশের এসআইর বিরুদ্ধে যৌতুক দাবির অভিযোগ স্ত্রীর

খুলনায় পুলিশের এসআইর বিরুদ্ধে যৌতুক দাবির অভিযোগ স্ত্রীর

 //আ: রাজ্জাক, খুলনা ব্যুরো//

খুলনায় পুলিশের এক সাব-ইন্সপেক্টরের (এসআই) বির“দ্ধে যৌতুকের দাবিতে শারীরিক ও মানষিক নির্যাতন, যৌতুক গ্রহণ, ভরণপোষণ না দেওয়া, মামলা তদন্তে পুলিশি ক্ষমতার অবৈধ ব্যবহারসহ নানা অভিযোগ করেছেন তারই স্ত্রী।

রবিবার (১৩ ফেব্র“য়ারি) বেলা সাড়ে ১২টায় খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ুন কবির বালু মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন এসআই সোবহান মোল্যার স্ত্রী ফারজানা বিনতে ফাকের ক্ষমা। এ বিষয়ে সোবহান মোল্যা জানান সব কিছু মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

সংবাদ সম্মেলনে ফারজানা বিনতে ফাকের ক্ষমা লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমার স্বামী পুলিশের এসআই সোবহান মোল্যা বর্তমানে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর থানায় কর্মরত। এর আগে তিনি সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় দায়িত্ব পালন করেছেন। সেই সময় প্রেম-ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে তুলে আমাকে ২০২০ সালে মে মাসের ১২ তারিখ বিয়ে করেন। এরপর জানতে পারি তার আগেই স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। এক কথা বললেই শুর“ হয় আমার ওপর বিভিন্ন ভাবে শারীরিক ও মানষিক নির্যাতন। শুধু তাই নয় একই সাথে দাবি করে যৌতুকের জন্যও।

সংবাদ সম্মেলনে ক্ষমা আরও বলেন নির্যাতনের চাপ সইতে না পেরে তার পরিবার তিন দফায় সোবহান মোল্যাকে ২০ লাখ টাকা দেয়। এরপরও ক্ষান্ত হয়নি তিনি। বারংবার চাপ দিতে থাকে আরও ১০ লাখ টাকার জন্য। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসের ২৭ তারিখ সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় দ্বিতীয় তলায় ডেকে নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং সরকারী ইস্যুকৃত পিস্তল দিয়ে মাথায় আঘাত করে এবং শরীরের বিভন্ন ¯’ানে আঘাত করে। পরে খুলনা মেড্ক্যিাল কলেজ হাসপাতালে গেলে আমার মাথায় ১২টি সেলাই লাগে। এ নিয়ে আমি দুই দিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম।

শুধু তাই নয় সোবহান মোল্যার বির“দ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল এবং যৌতুকের দাবিতে মহানগর হাকিমের আমলী আদালকে পৃথক দুটি মামলা করা হয়েছে। কিš‘ তিনি এক জন পুলিশ বাহিনীর সদস্য হওয়ার মমলার তদন্ত প্রতিবেদন তৈরীতে প্রভাবিত করেছে। এছাড়া অভিযোগ করেন তাদের আট মাসের একটি পূত্র সন্তান থাকলেও তার কোন খোঁজ নেয় না তার স্বামী সোবহান মোল্যা।

তবে সোবহান মোল্যা জানালেন নির্যাতনের ও যৌতুকের দাবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি আরও বলেন, তার সাথে বিয়ে হয়ে ছিলো আমার অসু¯’ প্রথম স্ত্রীর অনুমতি নিয়েই। এরপর নিজেদের মধ্যে মনোমালিন্য হলে গত বছরের ১২ নবেম্বর তাকে তালক দিই। শুধু তাই নয় দেনমোহর বাবদ তিন লাখ ও খোরপোষ বাবদ আরও ১৫ হাজার টাকা ডাকযোগে পাঠিয়ে দিই। সোবহান মোল্যা বলেন, তিনি মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করছে।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

খুলনার ডুমুরিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান: গ্রেফতার ১৮

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *