মাগুরা সদরের কুচিয়ামোড়া ইউনিয়নের আসবা গ্রামে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কালীমন্দির শুরু থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় চলে আসছিলো কিন্তু গত ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে মাগুরা জেলা পরিষদ উক্ত মন্দিরে ১ লক্ষ টাকা উন্নয়ন কাজে বরাদ্দ দেয়।
এবং এই অনুদানটি আসবা মন্দিরে বরাদ্দের জন্য একই গ্রামের মহিলা ইউপি সদস্য কানন বালা দে এবং অত্র এলাকার জেলা পরিষদের সদস্য জনাব তুষার সাহেব অনেক কষ্ট করে করিয়েছেন বলে জানিয়েছেন মহিলা ইউপি সদস্য কানন বালা দে।
কানন বালা দে আরও বলেন,১ লক্ষ টাকা অনুদান আনতে জেলা পরিষদের সদস্য জনাব তুষার সাহেব কে খরচের জন্য ২৭ হাজার টাকা উৎকোচ দেওয়া হয়েছে এবং উক্ত মন্দিরে একটি টিউবওয়েল স্থাপন করতে হয়েছে এছাড়া ৪৮ হাজার টাকার কাজ করা হয়েছে আর সরকারি ভ্যাট ও ট্যাক্স দেওয়া হয়েছে।
উক্ত মন্দিরের সভাপতি জনাব লিটু অভিযোগ করে বলেন,অত্র মন্দিরে ১ লক্ষ টাকা অনুদান পাওয়ার কথা শুনে আমরা জেলা পরিষদে যোগাযোগ করেছি আমরা জেনেছি যে ওই টাকা দিয়ে টিউবওয়েল বসানোর কোন নিয়ম নেই। তাছাড়া এই মন্দিরের সভাপতি হিসেবে জনাব লিটুকে এই অনুদানের বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি এমনকি তিনি আরও বলেন কম দামী টিন ও কাঠ দিয়ে মন্দিরের চালা করা হয়েছে। যা সর্বোচ্চ ৪০-৪২ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে বলে জানিয়েছেন উক্ত কাজে সংশ্লিষ্ট কাঠমিস্ত্রী।
স্থানীয় আরও কয়েকজন বলেন,ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের টাকা আত্মসাৎ করায় স্থানীয় মহিলা ইউপি সদস্য কানন বালা কে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা সামাজিক ভাবে বয়কট করেছে এবং তদন্ত পূর্বক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ নিয়ে অত্র এলাকায় চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।এবিষয়ে আরও বিশদভাবে জানতে জনাব তুষার এর সাথে কথা বলার জন্য মুঠোফোনে যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হয়েছি।
//সুজন মাহমুদ, মাগুরা জেলা প্রতিনিধি//
কৃষকদের সরকারি প্রণোদনা দেয়া অব্যাহত: সালাম মূশের্দী এমপি

